26/09/2016
বসে পড়ল। নাবিলা এসে বিপলুর পাসে বসল। একটু পরে এক প্লেট ফুসকা দিয়ে গেল মামা।
- কি ব্যাপার এক প্লেট কেন ?
- তোমার জন্য।
- তোমার টা ?
- ও আসলে ফুসকা খেলে আমার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয়। তাই আমি এই সব খাই না।
- ফুসকা খেলে তোমার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয় ???
- তেল দিয়ে ফুসকা বানায় তো। আর তেলের কিছু আমি খেতে পারি না।
- তাহলে অন্য কিছু নেও !
- আরে না আমার তেমন একটা খিদা নাই। তুমি খাও তো।
- তাহলে বলছো কেন একসাথে খাবো ?
- এই যে একসাথে বসে আছি, কথা বলছি, এই তো অনেক। আমার আব্বু বলে খাওয়ার সময় কথা বলতে নাই, খাও তো তুমি।
তারপর তাদের মাঝে কিছুক্ষণ কথা চলতে থাকল। নাবিলা বিপলুকে ফুসকা খাইয়ে দিতে চাইল কিন্তু বিপলু ফুসকা খেল না। বিপলু শুধু নাবিলার একটা হাত ওর হাতের মাঝে রেখে নাবিলাকে অনুভব করতে লাগল আর নাবিলার কথা শুনতে লাগল। একট পরে বিপলু ফুসকার বিল (৪০টাকা) দিয়ে নাবিলার হাতে হাত রেখে ষ্টান্ডের দিকে গেল। ষ্টান্ডে গিয়ে বিপলু একটা রিকসা নিল এবং দুজনে উঠে বসল।
- কি ব্যাপার তুমি উঠস কেন ?
- তোমার সাথে যাব বলে।
- আমার সাথে যেতে হবে না। তুমি এখান থেকে বাসে উঠে বাসায় চলে যাও নাহলে তোমার বাসায় যেতে অনেক দেরি হয়ে যাবে।
- হলে হোক, চলো তো।
ওই মামা, আপনি চালান (রিকসাওয়ালাকে বলল বিপলু)
- তুমি আমার সাথে আমার বাসা পযর্ন্ত যাবা আবার ব্যাক করে বাসষ্টান্ড আসবা!! কেন এত কষ্ট করবা ??
- দূর কিসের কষ্ট। তুমি আমার হাতটা ধরো আর আমার কাধে মাথা রাখো দেখো আমার সব কষ্ট দূর হয়ে যাবে। আর তাছাড়া জীবনের শেষ মুহূর্ত পযর্ন্ত আমি তোমার পাশে থাকতে চাই আর তোমাকে অনুভব করতে চাই।
- তুমি এত পাগল কেন ?
- আমার পাগলির জন্য।
- সবসময় এই ভাবে ভালোবাসবে তো ?
- সারাজীবন…..!!!!
- তিন সত্যি (প্রমিস)
- তিন সত্যি (প্রমিস)
সারাটা পথ বিপলু নাবিলার হাত ধরে রাখল আর নাবিলা বিপলুর কাধে মাথা দিয়ে রাখল। নাবিলার কাছে বিপলুর শুধু এই চাওয়া, “বিপলুর হাতটা ধরবে আর কাধে মাথা রাখবে”। দেখতে দেখতে নাবিলার বাসা চলে আসল,
- আচ্ছা আমি তাহলে যাই ?
- যাও।
- তুমি এই রিকসায় করে চলে যাও।
মামা ওরে আবার বাসষ্টান্ডে নামিয়ে দিয়েন। (রিকসাওয়ালাকে বলল নাবিলা)
- আচ্ছা আমি যাব।, তুমি যাও।
- ওকে।
- কাল দেখা হবে।
- আবার ?
- কোচিয়ের সামনে !!
- তুমি পারও বটে। পাগল একটা।
- Yes I’M.....
- byeee
- byeee
নাবিলার বাসায় ঢুকা পযর্ন্ত বিপলু এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকল। তারপর মামাকে বলল,