Independence Creative Artist

Independence Creative Artist Bengla islamic knowledge

03/18/2026

Car Renovation

03/16/2026

What a Telent

03/15/2026

Watch Ending Amazing Technology.

Iran Attack UAE &Soudi
03/04/2026

Iran Attack UAE &Soudi

Attack on Isreal.
03/03/2026

Attack on Isreal.

We very sad.
03/01/2026

We very sad.

সূরা কাফিরুন কেন নাযিল হলো? | কুরাইশের আপস প্রস্তাব ও রাসূল (সা.)-এর অটল জবাব. #সূরাকাফিরুন  #শানেনুযূল  #তাওহীদ  #কুরাই...
02/23/2026

সূরা কাফিরুন কেন নাযিল হলো? | কুরাইশের আপস প্রস্তাব ও রাসূল (সা.)-এর অটল জবাব.
#সূরাকাফিরুন
#শানেনুযূল
#তাওহীদ
#কুরাইশেরআপস
#লাকুমদীনুকুম
#ইসলামীগল্প
#কুরআনেররহস্য
#রাসূলসাল্লাল্লাহু

Big thanks to Atif Kashmir, Azeem Rehmani, Hussain Jan, Adel Anwar, Gares Mohamed, Rana Ayoob, Sabir Khan, Rivelino Ayal...
02/22/2026

Big thanks to Atif Kashmir, Azeem Rehmani, Hussain Jan, Adel Anwar, Gares Mohamed, Rana Ayoob, Sabir Khan, Rivelino Ayala, ابو معصومه المحمداوي المحمداوي, Сергей Мачко, Jan Mohammad, سمير الشامي, Miwan Felicia, Waheed Irshad, Asfak Bilawat, Muhammad Nadeem, Trịnh Tuấn, Koba Sephiashvili, Levani Sakhiashvili, Mohamed A.Azime, ابو مرعي الرهمي

for all your support! Congrats for being top fans on a streak 🔥!

ইতিহাস কাঁপানো সেই রাত মূসা (আ.) বনাম ফেরাউন . #ইতিহাস_কাঁপানো_সেই_রাত ই কাহিনী থেকে শিক্ষা: তাওহীদের গুরুত্ব, যুলুমের প...
02/22/2026

ইতিহাস কাঁপানো সেই রাত মূসা (আ.) বনাম ফেরাউন . #ইতিহাস_কাঁপানো_সেই_রাত

ই কাহিনী থেকে শিক্ষা: তাওহীদের গুরুত্ব, যুলুমের পরিণাম, নবীদের সংগ্রাম, এবং আল্লাহর কুদরতের প্রমাণ.
হযরত মূসা (আ.) কে ছিলেন?
হযরত মূসা আলাইহিস সালাম ছিলেন আল্লাহর একজন মহান রাসূল এবং উলুল আজম নবীদের একজন (যেমন নূহ, ইবরাহীম, মূসা, ঈসা ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)। তিনি বনী ইসরাইলের (Children of Israel) নবী ছিলেন। তাঁর জন্ম হয় মিশরে, যখন ফেরাউনের যুগে বনী ইসরাইলের উপর চরম অত্যাচার চলছিল। ফেরাউন একটি স্বপ্ন দেখেছিলেন যে, বনী ইসরাইলের একটি শিশু তার রাজত্ব ধ্বংস করবে। তাই তিনি হুকুম দিয়েছিলেন যে, প্রতি বছর বনী ইসরাইলের নবজাতক ছেলেদের হত্যা করা হবে (কুরআন: সূরা আল-বাকারাহ ৪৯, আশ-শুআরা ১৮-১৯)।
মূসা (আ.)-এর মা তাঁকে একটি বাক্সে ভরে নদীতে ভাসিয়ে দেন আল্লাহর নির্দেশে। সেই বাক্স ফেরাউনের প্রাসাদে পৌঁছে যায়, এবং ফেরাউনের স্ত্রী আসিয়া (যিনি পরে জান্নাতি নারীদের একজন হিসেবে পরিচিত) তাঁকে পুত্র হিসেবে লালন-পালন করেন। মূসা (আ.) ফেরাউনের প্রাসাদেই বড় হন, কিন্তু পরে একটি ঘটনায় (একজন কিবতীকে মেরে ফেলার পর) মিশর ছেড়ে মাদইয়ানে চলে যান। সেখানে তিনি শুয়াইব (আ.)-এর মেয়েকে বিয়ে করেন এবং দীর্ঘদিন অবস্থান করেন।
একদিন তুর পর্বতে আল্লাহ তাঁকে নবুয়ত দান করেন। আল্লাহ তাঁকে বলেন: "যাও ফেরাউনের কাছে, সে সীমালঙ্ঘন করেছে। তাকে আমার পথে ডাকো" (সূরা ত্বহা ২৪-২৫)। মূসা (আ.) আল্লাহর কাছে দোয়া করেন: "রাব্বিশরাহ লী সাদরী..." (হে আমার প্রভু! আমার বুক প্রশস্ত করে দাও, আমার কাজ সহজ করে দাও, আমার জিহ্বার জড়তা দূর করো যাতে তারা আমার কথা বুঝতে পারে)। আল্লাহ তাঁকে হারুন (আ.)-কে সঙ্গী করে দেন এবং দুটি মুজিজা দেন: লাঠি (যা সাপ হয়ে যায়) এবং হাত (যা উজ্জ্বল সাদা হয়ে যায়)।

কেন আল্লাহ তাঁর মাধ্যমেই প্রকাশ করেছিলেন শক্তি ও ন্যায়বিচার?
আল্লাহ মূসা (আ.)-এর মাধ্যমে তাঁর কুদরত (শক্তি) এবং আদল (ন্যায়বিচার) প্রকাশ করেছেন কারণ ফেরাউনের যুলুম চরমে পৌঁছেছিল। ফেরাউন বনী ইসরাইলকে দাস বানিয়ে রেখেছিল, নবজাতক হত্যা করছিল, এবং নিজেকে ইলাহ (খোদা) ঘোষণা করেছিল। এটি ছিল তাওহীদের (একত্ববাদের) বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আল্লাহ দেখাতে চেয়েছেন যে, কোনো মানুষ—যতই শক্তিশালী হোক—তাঁর বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারে না। মূসা (আ.)-এর মুজিজাগুলো (যেমন ৯টি আয়াত/নিদর্শন: লাঠি, হাত, টাইফুন, পঙ্গপাল, উকুন, ব্যাঙ, রক্ত, খরা, ফল-ফসল নষ্ট) ফেরাউন ও তার লোকদের উপর আযাব হিসেবে এসেছিল, কিন্তু তারা তবু তওবা করেনি।
এতে আল্লাহর শক্তি প্রকাশ পায় যে, তিনি দুর্বলদের পক্ষে দাঁড়ান এবং অহংকারীদের ধ্বংস করেন। ন্যায়বিচারের দিক থেকে, বনী ইসরাইলের মুক্তি এবং ফেরাউনের ধ্বংস ছিল পৃথিবীতে আল্লাহর আদলের একটি জ্বলজ্বলে উদাহরণ।
আর ফেরাউন—কীভাবে সে নিজেকে ঘোষণা করেছিল “আমি তোমাদের সর্বোচ্চ প্রভু”?
কুরআনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে সূরা আন-নাজিয়াত (৭৯:২৪)-এ:
"فَقَالَ أَنَا رَبُّكُمُ الْأَعْلَىٰ"
(অর্থ: "তখন সে বলল, 'আমি তোমাদের সর্বোচ্চ প্রভু।'")
ফেরাউন তার লোকদের সামনে দাঁড়িয়ে ঘোষণা করেছিল যে, সে-ই তাদের সবচেয়ে উচ্চ প্রভু—আল্লাহ ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই বলে দাবি করার পরিবর্তে নিজেকে ইলাহ বলে দাবি করেছিল। এটি ছিল চরম অহংকার (ইস্তিকবার) এবং শিরকের (আল্লাহর সাথে শরিক করার) চূড়ান্ত রূপ। সে বলেছিল: "হে আমার সম্প্রদায়! মিশরের রাজত্ব কি আমার নয়? আর এই নদীসমূহ কি আমার পায়ের নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয় না?" (সূরা আয-যুখরুফ ৫১)। সে নিজেকে রব (প্রভু) বলে দাবি করে মানুষকে তার ইবাদত করতে বাধ্য করত।
ইতিহাস কাঁপানো সেই রাত
ভিডিওর মূল ফোকাস এই "সেই রাত"—যে রাতে ফেরাউন বনী ইসরাইলকে তাড়া করে সমুদ্র পর্যন্ত পৌঁছায়। মূসা (আ.) আল্লাহর নির্দেশে লাঠি দিয়ে সমুদ্রে আঘাত করেন, সমুদ্র দুভাগ হয়ে পথ তৈরি হয়। বনী ইসরাইল নিরাপদে পার হয়ে যান। ফেরাউন ও তার সেনাবাহিনী তাড়া করে ঢোকে, কিন্তু সমুদ্র আবার এক হয়ে যায়। ফেরাউন ডুবে যাওয়ার সময় বলে: "আমি ঈমান আনলাম যে, যিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, যাঁতে বনী ইসরাইল ঈমান এনেছে" (সূরা ইউনুস ৯০)। কিন্তু আল্লাহ বলেন: "এখন? অথচ তুমি তো এর আগে অবাধ্যতা করেছিলে" (৯১)। তার দেহ সংরক্ষিত রাখা হয়েছে নিদর্শন হিসেবে (সূরা ইউনুস ৯২)।
ভিডিওতে এই ঘটনাগুলো নাটকীয়ভাবে বর্ণনা করা হয়—ফেরাউনের অহংকার, মূসা (আ.)-এর ধৈর্য, মুজিজা, আযাব, এবং শেষ রাতের ভয়ংকর দৃশ্য—যাতে শিক্ষা দেওয়া হয় যে, অহংকার ধ্বংস ডেকে আনে, আর আল্লাহর উপর ভরসা করলে বিজয় আসে।
#ইতিহাস_কাঁপানো_সেই_রাত
#মূসা_আলাইহিসসালাম
#মূসা_আ_বনাম_ফেরাউন
#ফেরাউন
#ইসলামিক_গল্প
#কুরআনের_কাহিনী
#ইসলামিক_ভিডিও
#নবীদের_কাহিনী
#আল্লাহর_কুদরত
#তাওহীদ
#ইসলামিক_ইতিহাস
#ইমানদারদের_জন্য


.

02/22/2026

ই কাহিনী থেকে শিক্ষা: তাওহীদের গুরুত্ব, যুলুমের পরিণাম, নবীদের সংগ্রাম, এবং আল্লাহর কুদরতের প্রমাণ.
হযরত মূসা (আ.) কে ছিলেন?
হযরত মূসা আলাইহিস সালাম ছিলেন আল্লাহর একজন মহান রাসূল এবং উলুল আজম নবীদের একজন (যেমন নূহ, ইবরাহীম, মূসা, ঈসা ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)। তিনি বনী ইসরাইলের (Children of Israel) নবী ছিলেন। তাঁর জন্ম হয় মিশরে, যখন ফেরাউনের যুগে বনী ইসরাইলের উপর চরম অত্যাচার চলছিল। ফেরাউন একটি স্বপ্ন দেখেছিলেন যে, বনী ইসরাইলের একটি শিশু তার রাজত্ব ধ্বংস করবে। তাই তিনি হুকুম দিয়েছিলেন যে, প্রতি বছর বনী ইসরাইলের নবজাতক ছেলেদের হত্যা করা হবে (কুরআন: সূরা আল-বাকারাহ ৪৯, আশ-শুআরা ১৮-১৯)।
মূসা (আ.)-এর মা তাঁকে একটি বাক্সে ভরে নদীতে ভাসিয়ে দেন আল্লাহর নির্দেশে। সেই বাক্স ফেরাউনের প্রাসাদে পৌঁছে যায়, এবং ফেরাউনের স্ত্রী আসিয়া (যিনি পরে জান্নাতি নারীদের একজন হিসেবে পরিচিত) তাঁকে পুত্র হিসেবে লালন-পালন করেন। মূসা (আ.) ফেরাউনের প্রাসাদেই বড় হন, কিন্তু পরে একটি ঘটনায় (একজন কিবতীকে মেরে ফেলার পর) মিশর ছেড়ে মাদইয়ানে চলে যান। সেখানে তিনি শুয়াইব (আ.)-এর মেয়েকে বিয়ে করেন এবং দীর্ঘদিন অবস্থান করেন।
একদিন তুর পর্বতে আল্লাহ তাঁকে নবুয়ত দান করেন। আল্লাহ তাঁকে বলেন: "যাও ফেরাউনের কাছে, সে সীমালঙ্ঘন করেছে। তাকে আমার পথে ডাকো" (সূরা ত্বহা ২৪-২৫)। মূসা (আ.) আল্লাহর কাছে দোয়া করেন: "রাব্বিশরাহ লী সাদরী..." (হে আমার প্রভু! আমার বুক প্রশস্ত করে দাও, আমার কাজ সহজ করে দাও, আমার জিহ্বার জড়তা দূর করো যাতে তারা আমার কথা বুঝতে পারে)। আল্লাহ তাঁকে হারুন (আ.)-কে সঙ্গী করে দেন এবং দুটি মুজিজা দেন: লাঠি (যা সাপ হয়ে যায়) এবং হাত (যা উজ্জ্বল সাদা হয়ে যায়)।

কেন আল্লাহ তাঁর মাধ্যমেই প্রকাশ করেছিলেন শক্তি ও ন্যায়বিচার?
আল্লাহ মূসা (আ.)-এর মাধ্যমে তাঁর কুদরত (শক্তি) এবং আদল (ন্যায়বিচার) প্রকাশ করেছেন কারণ ফেরাউনের যুলুম চরমে পৌঁছেছিল। ফেরাউন বনী ইসরাইলকে দাস বানিয়ে রেখেছিল, নবজাতক হত্যা করছিল, এবং নিজেকে ইলাহ (খোদা) ঘোষণা করেছিল। এটি ছিল তাওহীদের (একত্ববাদের) বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আল্লাহ দেখাতে চেয়েছেন যে, কোনো মানুষ—যতই শক্তিশালী হোক—তাঁর বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারে না। মূসা (আ.)-এর মুজিজাগুলো (যেমন ৯টি আয়াত/নিদর্শন: লাঠি, হাত, টাইফুন, পঙ্গপাল, উকুন, ব্যাঙ, রক্ত, খরা, ফল-ফসল নষ্ট) ফেরাউন ও তার লোকদের উপর আযাব হিসেবে এসেছিল, কিন্তু তারা তবু তওবা করেনি।
এতে আল্লাহর শক্তি প্রকাশ পায় যে, তিনি দুর্বলদের পক্ষে দাঁড়ান এবং অহংকারীদের ধ্বংস করেন। ন্যায়বিচারের দিক থেকে, বনী ইসরাইলের মুক্তি এবং ফেরাউনের ধ্বংস ছিল পৃথিবীতে আল্লাহর আদলের একটি জ্বলজ্বলে উদাহরণ।
আর ফেরাউন—কীভাবে সে নিজেকে ঘোষণা করেছিল “আমি তোমাদের সর্বোচ্চ প্রভু”?
কুরআনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে সূরা আন-নাজিয়াত (৭৯:২৪)-এ:
"فَقَالَ أَنَا رَبُّكُمُ الْأَعْلَىٰ"
(অর্থ: "তখন সে বলল, 'আমি তোমাদের সর্বোচ্চ প্রভু।'")
ফেরাউন তার লোকদের সামনে দাঁড়িয়ে ঘোষণা করেছিল যে, সে-ই তাদের সবচেয়ে উচ্চ প্রভু—আল্লাহ ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই বলে দাবি করার পরিবর্তে নিজেকে ইলাহ বলে দাবি করেছিল। এটি ছিল চরম অহংকার (ইস্তিকবার) এবং শিরকের (আল্লাহর সাথে শরিক করার) চূড়ান্ত রূপ। সে বলেছিল: "হে আমার সম্প্রদায়! মিশরের রাজত্ব কি আমার নয়? আর এই নদীসমূহ কি আমার পায়ের নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয় না?" (সূরা আয-যুখরুফ ৫১)। সে নিজেকে রব (প্রভু) বলে দাবি করে মানুষকে তার ইবাদত করতে বাধ্য করত।
ইতিহাস কাঁপানো সেই রাত
ভিডিওর মূল ফোকাস এই "সেই রাত"—যে রাতে ফেরাউন বনী ইসরাইলকে তাড়া করে সমুদ্র পর্যন্ত পৌঁছায়। মূসা (আ.) আল্লাহর নির্দেশে লাঠি দিয়ে সমুদ্রে আঘাত করেন, সমুদ্র দুভাগ হয়ে পথ তৈরি হয়। বনী ইসরাইল নিরাপদে পার হয়ে যান। ফেরাউন ও তার সেনাবাহিনী তাড়া করে ঢোকে, কিন্তু সমুদ্র আবার এক হয়ে যায়। ফেরাউন ডুবে যাওয়ার সময় বলে: "আমি ঈমান আনলাম যে, যিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, যাঁতে বনী ইসরাইল ঈমান এনেছে" (সূরা ইউনুস ৯০)। কিন্তু আল্লাহ বলেন: "এখন? অথচ তুমি তো এর আগে অবাধ্যতা করেছিলে" (৯১)। তার দেহ সংরক্ষিত রাখা হয়েছে নিদর্শন হিসেবে (সূরা ইউনুস ৯২)।
ভিডিওতে এই ঘটনাগুলো নাটকীয়ভাবে বর্ণনা করা হয়—ফেরাউনের অহংকার, মূসা (আ.)-এর ধৈর্য, মুজিজা, আযাব, এবং শেষ রাতের ভয়ংকর দৃশ্য—যাতে শিক্ষা দেওয়া হয় যে, অহংকার ধ্বংস ডেকে আনে, আর আল্লাহর উপর ভরসা করলে বিজয় আসে।
#ইতিহাস_কাঁপানো_সেই_রাত
#মূসা_আলাইহিসসালাম
#মূসা_আ_বনাম_ফেরাউন
#ফেরাউন
#ইসলামিক_গল্প
#কুরআনের_কাহিনী
#ইসলামিক_ভিডিও

পবিত্র কুরআনে পৃথিবীর বাইরে জীবন (Alien Life) সম্পর্কে ইঙ্গিত.
02/21/2026

পবিত্র কুরআনে পৃথিবীর বাইরে জীবন (Alien Life) সম্পর্কে ইঙ্গিত.

Surah sikha.- 599
02/20/2026

Surah sikha.- 599

Address

Joka
Washington D.C., DC
700104

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Independence Creative Artist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Independence Creative Artist:

Share