04/09/2025
বাংলাদেশে এখন সবচে বেশি দরকার, একটা হেলথ কার্ড।
ডিজিটাল হেলথ কার্ড। এনআইডির মতো। সবার একটা করে থাকবে।
হাসপাতালে গেলে কাগজে কলমে আর ভর্তি টর্তি হতে হবে না। জাস্ট নাম্বারটা টাইপ করে এন্ট্রি করে নিলেই হবে। অনেক সময় আর হয়রানি বেঁচে যাবে। ম্যানপাওয়ার কম লাগবে।
সাথে ডাক্তারদের আলাদা করে আর কোন হিস্ট্রি বলতে হবে না। জাস্ট নাম্বার টাইপ করলেই ডাক্তাররা দেখতে পাবে, কী কী অসুখ ছিলো আগে। কী কী ট্রিটমেন্ট হয়েছে।
হাতে কলমে আর প্রেসক্রিপশন লিখতেও হবে না। ফোনেই লিখে দিবে ওষুধের নাম ধাম। ডোজ। রোগীরা চাইলে ফোনের ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন দেখাইয়া ওষুধ কিনবে। কেউ চাইলে বাইরের দোকান থেকে ১০ টাকা দিয়ে প্রিন্ট করাইয়া নিতে পারবে।
সরকার ডিসিশন নিয়েছে সরকারি ফার্মেসির।
এই সরকারি ফার্মেসির কম দামের ওষুধ বিক্রির সময় রোগীর কার্ড নাম্বার টাইপ করে বিক্রি করতে হবে। ফলে ডোজের চে বেশি ওষুধ বিক্রি করার কোন সুযোগ থাকবে না।
সপ্তাহে বা মাসে দুই দিন অডিট হবে।
হাসপাতালের ডাটা আর ফার্মেসির ডাটা চেক করে অডিট টিম জানাতে পারবে কোন অনিয়ম হইছে কি না। চাইলে সফটওয়্যার দিয়েও কাজটা করা যাবে।
তবে সার্ভিস ফ্রি হবে না। কার্ড এর জন্য প্রতিবছর ৪০০-৫০০ টাকা করে রিনিউয়াল ফি নেওয়া যায়। সার্ভিস পাইলে মানুষ এই টাকা হাসিমুখেই দিবে বলে বিলিভ করি।
বাংলাদেশের হেলথ সেক্টরে যেইটা চলে, সেইটা হচ্ছে ম্যাসাকার। এইখানে সবকিছুই তদবির আর দুর্নীতি দিয়ে চলে।
এইটা কোন দলীয় সরকার ঠিক করতে পারবে না। কারণ হাসপাতালের পুরো সিন্ডিকেট দলীয় লোকজন চালায়। চাঁদা তুলে। সো, এখন পর্যন্ত কোন সরকারই দালাল মুক্ত করে নাই।
কারণ, এইসব দালালই আসলে রাজনৈতিক কর্মী।।রাজনৈতিক নেতাদের শেল্টারে থাকে।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা পর্যন্ত এই দালালির কমিশন পাইতো। এই কমিশন নিয়ে মারামারি পর্যন্ত হইছে।
ভবিষ্যতে ওখানে নতুন শিশু আসবে কমিশন নেওয়ার জন্য। আমার আপনার অবস্থার কোন পরিবর্তন হবে না।
এই পরিবর্তনটা ইউনূস সরকার করতে পারবে, যদি চায়।
কারণ ইউনূসের কোন ক্যাডার বাহিনী নাই, যাদের পুষতে হবে ঐ টাকাতে। এন্ড একবার মানুষকে যদি এইটার সুফল পাওয়ায়া যায়, এর পরের সরকার আইসা ঐটা কন্টিনিউ করতে বাধ্য হবে।
ইউনূস সরকারের কাছে আহ্বান, ডু ইট। যেহেতু সরকারি ফার্মেসির কথা ভাবতেছেনই, নজরটা আরেকটু ওয়াইড করেন।
পাতার পর পাতা রাজনৈতিক সংস্কার করছেন, রাজনৈতিক দলের সাথে কথা বলছেন।
মানুষের জীবনের কিছু সংস্কারও করে যান।
একটা ডিজিটাল হেলথ কার্ড আর মেডিকেল সেবা হতে পারে সেই জীবন সংস্কারের প্রথম ধাপ।
Sadiqur Rahman khan