Shqip Media

Shqip Media সৃষ্টিশীল বইয়ের আলোকিত সাম্রাজ্য

03/08/2022

He could probably keep going but he might take off

শিকড়ের সন্ধানে শিখরের প্রেরণায় ইতিহাসের গল্প সিরিজ ১—৫ধরন:- ইতিহাসের গল্পপৃষ্ঠা:- প্রতি সিরিজ ৬৪ পৃষ্ঠামুদ্রিত মূল্য:- ফ...
10/29/2020

শিকড়ের সন্ধানে শিখরের প্রেরণায় ইতিহাসের গল্প সিরিজ ১—৫

ধরন:- ইতিহাসের গল্প
পৃষ্ঠা:- প্রতি সিরিজ ৬৪ পৃষ্ঠা
মুদ্রিত মূল্য:- ফুল সিরিজ ৩৮৪ টাকা
প্রকাশনী:- বইঘর
প্রচ্ছদ :- নাজমুস সায়াদ, শাকীর এহসানুল্লাহ
প্রকাশকাল:- ফেব্রুয়ারি ২০০৮-২০২০

অর্ডার করতে ইনবক্স করুন m.me/shashwatoboi
মোবাইল : 01732760694

জাতির ভবিষ্যত বিনির্মাণে ইতিহাস সচেতনতা জরুরি। আমাদের নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস সচেতন করে গড়ে তােলার দায়িত্ব যাদের নির্দিষ্ট গণ্ডির বাইরে তাদের দৃষ্টি নিবদ্ধ হয়। ইতিহাস বিকৃতির অভিযােগ তাে সর্বমহলেই। বৃটিশরা এর শুরুটা করেছিল অতি কৌশলে। আর অনেক ঐতিহাসিকই সে পরিকল্পিত ইতিহাসের ধূম্রজাল থেকে বেরিয়ে আসতে পারেননি। ফলে সত্যিকার ইতিহাস গুমরে কাঁদে অলক্ষে। তাই বলে ইতিহাসের সত্যিকার বারান্দায় হাঁটেনি কেউ এমন নয়। তবে সে বিচরণ এতটাই নিঃশব্দ ও সন্তর্পণ যে, এর আওয়াজ কখনােই তেমন জোরালাে হয়ে বাজেনি।

ভারতীয় উপমহাদেশে প্রায় সাড়ে নয়শ’ বছরের মুসলিম শাসনামল এক গৌরবময় অধ্যায়। কিন্তু কায়েমী স্বার্থবাদ, গােষ্ঠী ও সাম্প্রদায়িক সংকীর্ণ চিন্তা অনেকাংশেই গৌরবময় এ ইতিহাসকে কলংকিত করেছে। এ ব্যাপারে আমাদের উদাসীনতাও কম দায়ী নয়। ইতিহাসের অলিগলিতে বিচরণকারী ভারতের একজন বিদগ্ধ গবেষক লিখেছেন, আমাদের দেশে বিকৃত ইতিহাস পরিবেশনের জন্য ইংরেজদের দোষ দেওয়া হলেও তাদের কূটনৈতিক জ্ঞান ও সুদূরপ্রসারী চিন্তাধারার কথা অস্বীকার করা যায় না। তারা বুঝেছিলেন, ইতিহাসে ভেজাল দিয়েই ভারতবাসীকে অন্ধকারে রাখা সম্ভব এবং এই ইতিহাসের মাধ্যমেই হিন্দু-মুসলমানে বিভেদ সৃষ্টি করা যায়। সেই উদ্দেশ্যে ইতিহাস-স্রষ্টা মুসলিম জাতির অক্লান্ত পরিশ্রমের রচনা-সম্ভার আরবী, ফার্সী ও উর্দু ইতিহাসগুলাের প্রায় প্রত্যেকটি অধ্যয়ন, গবেষণা ও অনুবাদ করতে তারা যে অধ্যবসায় ও পরিশ্রমশীলতার দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তা অনস্বীকার্য এবং উল্লেখযােগ্য। অথচ আমাদের জাতীয় মূল্যবােধ ও চেতনাকে ধারণ করে ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে প্রয়ােজনীয় গবেষণা, অধ্যবসায় তেমন চোখেই পড়ে না। এতে করে আমরা সত্যিকার ইতিহাস পাঠ থেকে অনেকাংশেই বঞ্চিত রয়ে গেলাম।

কিন্তু আমাদের নতুন প্রজন্মকেও আমরা এমনই বঞ্চিত রেখে গেলে চলবে না। তাদেরকে সঠিক ইতিহাস জানতে দিতে হবে। ইতিহাসের এমনসব তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করা হয়েছে সিরিজটিতে, যা সাধারণ ইতিহাস রচয়িতাদের দৃষ্টির আড়ালে পড়ে থাকে। নতুন প্রজন্মের পাশাপাশি বইটি বড়দেরও ভালাে লাগবে আশা করি।

ইতিহাসের গল্প-১
ভারত শাসন করলো যারা
মূল্য : ৭২ টাকা
পৃষ্ঠা : ৬৪

ইতিহাসের গল্প-২
ভারতবর্ষের মুসলিম শাসকদের অজানা কথা
মূল্য : ৭২ টাকা
পৃষ্ঠা : ৬৪

ইতিহাসের গল্প-৩
গল্প নয় সত্যি
মূল্য : ৭২ টাকা
পৃষ্ঠা : ৬৪

ইতিহাসের গল্প-৪
সোনালী দিনের কাহিনী
মূল্য : ৮৪ টাকা
পৃষ্ঠা : ৬৪

ইতিহাসের গল্প-৫
কেমন মানুষ ছিলেন তারা
মূল্য : ৮৪ টাকা
পৃষ্ঠা : ৬৪

একুশে বইমেলা ২০২১ উপলক্ষে পাণ্ডুলিপি প্রকাশনা সম্পাদনা ও পাঠ-পর্যালোচনা৥ প্রকাশনাআমাদের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, বইমেলা যখন এ...
09/28/2020

একুশে বইমেলা ২০২১ উপলক্ষে পাণ্ডুলিপি প্রকাশনা সম্পাদনা ও পাঠ-পর্যালোচনা

৥ প্রকাশনা
আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, বইমেলা যখন একদম নাকের ডগায় তখন অনেকের বই করার শখ জাগে, প্রকাশকদের কাছে ভীড় জমান। প্রকাশকরা বাধ্য হয়েই পাণ্ডুলিপি নেন। অনেক নতুন লেখক টাকা-পয়সাসহও পাণ্ডুলিপি জমা দেন। কিন্তু প্রকাশকরা তাদের হাতে থাকা বইগুলোই ঠিকমতো মেলায় আনতে পারেন না, যারা চাপাচাপি করে শেষ মুহূর্তে পাণ্ডুলিপি জমা দেন তাদের বই কখন আসবে? ফলে মেলা ভেঙে যাওয়ার পরও ওসব বই কিছু প্রেসে পড়ে থাকে, কিছু বাঁধাইখানায়, কিছু লেমিনেশনের ঘরে। এমন কেইস দুয়েকটা নয়, অনেক।

অপরদিকে প্রকাশকরাও মেলাকেন্দ্রিক বই করে অভ্যস্ত। সারাবছর তারা কোথায় থাকেন, কি করেন; কিছুই জানা যায় না। না তারা লেখকদের কাছে পৌঁছতে পারেন, না লেখকরা তাদের কাছে।

এমন বাজে অভিজ্ঞতা থেকেই গত মেলার পর ঘোষনা দিয়েছিলাম, সারাবছর বই বের করব। অন্তত প্রতিমাসে একটা-দুটো। এখনো পর্যন্ত করোনার কারণে, আবার নতুন প্রকাশনী হওয়ায় তেমন সুবিধা করা যায়নি। এখন পরিস্থিতি অনেকটা শিথিল হচ্ছে। লেখক, প্রকাশক কারোরই বসে থাকা আর সমীচিন হবে না।

করোনার অবসরে সযত্নে লেখা বা আরো আগে থেকেই প্রস্তুত করা আপনার ছড়া, কবিতা, গল্প, উপন্যাস, ভ্রমণ, প্রবন্ধ কিংবা আত্মন্নোয়নমূলক মুক্তগদ্যসহ যে কোনো সৃষ্টিশীল পাণ্ডুলিপিটি আমাদের পাঠিয়ে দিন আজই।

আগামী একুশে বইমেলা ২০২১-এর উৎসব পুরোপুরি উপভোগ করার স্বার্থে মেলার আগেই আমরা বই প্রকাশে বদ্ধপরিকর থাক। এবারের মেলা বাংলা একাডেমিতে হোক বা লেখক-প্রকাশকদের স্যোসাল একাউন্ট বা রকমারিসহ অন্যান্য বুকশপে হোক; আমরা আগের যে কোনো মেলার তুলনায় অধিকসংখ্যক পাঠকের হাতে আপনার বইটি পৌঁছে দিতেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

৥ সম্পাদনা ও পাঠ-পর্যালোচনা
আধুনিক শিল্প ও সাহিত্যচর্চার প্রনোদনা আমাদের গুরুমুখী বা একমুখী চর্চা থেকে সরিয়ে সামষ্টিক চর্চার পথ দেখিয়েছে। দ্রুত উন্নয়নশীল সভ্যতা আমাদের শিল্পচর্চায়ও দিয়েছে ভিন্নতর গতি। তাই সামষ্টিক বা সামগ্রিক শিল্পসাহিত্য ও লেখালেখির চর্চাই আমাদেরে আগামীকে সমৃদ্ধ করবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

দুর্বল-অশুদ্ধ ভাষা, লাগামহীন-অপরিণত বিষয় নির্বাচন, নৈরাজ্যপূর্ণ বানান, অপরিণামদর্শী শিল্পমান; এসবই এখনকার কাঁচা হাতে লেখা বইগুলোর মূল বিষয়বস্তু হয়ে থাকে। বেশিরভাগ বই ছাপা হয় অযত্নে, সম্পাদনাহীন। সময় ও খরচ বাঁচানোই লেখক-প্রকাশকদের মুখ্য হয়ে ওঠে। ফলে হাজার হাজার বই প্রকাশ হওয়ার পরও দুয়েকজন ভালো লেখক উঠে আসে না। শতশত প্রকাশক মাঠে নামলেও একটি সৃষ্টিশীল প্রকাশনীর দেখা পাই না।

তরুণ লেখকদের কেবল প্রচারণামুখী আত্মপ্রতারণা যে শুধু তাকেই অখ্যাত করছে না, তার লেখকসত্ত্বাকেই ধ্বংস করছে; ক্ষতিগ্রস্ত করছে গোটা বাংলাসাহিত্যকেও—এটা বুঝতেই চলে যায় অর্ধেক জীবন। জীবনের শেষ পর্যায়ে যখন হঠাৎ মনে হয়, আমার তো কিছুই হচ্ছে না তখন টনক নড়ে। কিন্তু করার মতো আর কিছুই থাকে না, আফসোস করা ছাড়া। কারণ ততোদিনে তিনি বাজারি প্রকাশকদের ক্রিড়নকে পরিণত হয়ে যান। অথবা নিজেই নিজেকে আবদ্ধ করে ফেলেন একটি দুষ্টচক্রে। এ থেকে বেরিয়ে আসা কিছুতেই সম্ভব হয়ে ওঠে না তার।

তাই জীবনটা বৃথা মরীচিকার পেছনে না ঘুরিয়ে শুরুতেই সমৃদ্ধ চর্চার মাধ্যমে নিজেকে শক্তিশালী লেখক হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করুন। আপনার এ চেষ্টায় গতি আনতে শাশ্বত সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।

আপনার কাঁচা বা অপরিণত হাতে লেখা পাণ্ডুলিপিটি জমা দিন শাশ্বতে। আমরা আপনার পাণ্ডুলিপিটি অভিজ্ঞ সম্পাদকমণ্ডলীর তত্তবধানে যত্ন নিয়ে সম্পদনা করে দেব। সম্পাদিত পাণ্ডুলিপিটি প্রকাশেও সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।

অংশগ্রহণের নিয়ম
৥ ছড়া, কবিতা, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, নিবন্ধ, ফিচার, জীবনীসহ যে কোনও বই সম্পাদনা করা হবে।
৥ বছরের যে কোনও সময় পাণ্ডুলিপি জমা দেয়া যাবে।
৥ পাণ্ডুলিপি বিজয় বা ইউনিকোডে কম্পোজ করা থাকতে হবে।
৥ পাণ্ডুলিপির সঙ্গে যোগাযোগের ঠিকানা (নাম, ফোন নম্বর, ইমেইল এড্রেস, ফেসবুক আইডি) দিতে হবে।
৥ পাণ্ডুলিপি জমা দেয়ার ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে সম্পাদনা সম্পন্ন করা হবে।
৥ সম্পাদনা শেষ হলে পান্ডুলিপির সার্বিক দিক নিয়ে লিখিত বা মৌখিক, সামনাসামনি বা অনলাইনে পর্যালোচনা করা হবে।

পাণ্ডুলিপি পাঠানোর মেইল ঠিকানাঃ [email protected]

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন
শাশ্বত ফেসবুক পেইজ : www.facebook.com/shashwatoboi
শাশ্বত ফেসবুক পেইজ ইনবক্স : m.me/shashwatoboi
মোবাইল : 01732760694

আমরা বই প্রকাশের পাশাপাশি নবীন-তরুণ লেখক ও প্রকাশকদের সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে থাকি। যে কোনও পাণ্ডুলিপি সম্পাদনা, প্রুফ রিডিং, প্রচ্ছদ, সেটাপ-মেকাপসহ সব ধরনের প্রস্তুতিমূলক কাজে সাপোর্ট দিয়ে থাকি। যে কোনো প্রয়োজনে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

বাংলাসাহিত্যের অন্যতম পথিকৃৎ  বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নবীন ও তরুণ লেখকদের প্রতি কিছু নিবেদন বা পরামর্শের কথা ব্যক্ত কর...
08/20/2020

বাংলাসাহিত্যের অন্যতম পথিকৃৎ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নবীন ও তরুণ লেখকদের প্রতি কিছু নিবেদন বা পরামর্শের কথা ব্যক্ত করেছিলেন। বাংলাসাহিত্যকে বেগমান করতে তার এ পরামর্শগুলো কতটা ফলপ্রসু ছিল বা এখনও আছে সে বিষয়ে আপনার মতামত জানান। এ সময়ের নবীন-তরুণ বা আপনার সমসাসয়িকদের প্রতি আপনার আবেদন কী, কমেন্টে বিস্তারিত জানাতে পারেন।

আপনার মতামত বা আবেদনটি গোছানো ও বস্তুনিষ্ঠ হলে আমরা আমাদের পেইজে আপনার নাম, ছবিসহ সুন্দর পোস্টার করে প্রকাশ করব।

বঙ্কিমের নিবেদনটি পড়ুন...

বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

* যশের জন্য লিখিবেন না। তাহা হইলে যশও হইবে না, লেখাও ভালো হইবে না। লেখা ভালো হইলে যশ আপনি আসিবে।

* টাকার জন্য লিখিবেন না। ইউরোপে এখন অনেক লোক টাকার জন্যই লেখে, এবং টাকাও পায়; লেখাও ভালো হয়। কিন্তু আমাদের এখনো সে দিন হয় নাই। এখন অর্থের উদ্দেশ্যে লিখিতে গেলে লোকরঞ্জন-প্রবৃত্তি প্রবল হইয়া পড়ে। এখন আমাদিগের দেশের সাধারণ পাঠকের রুচি ও শিক্ষা বিবেচনা করিয়া লোকরঞ্জন করিতে গেলে রচনা বিকৃত ও অনিষ্টকর হইয়া ওঠে।

* যদি মনে এমন বুঝিতে পারেন যে লিখিয়া দেশের বা মনুষ্যজাতির কিছু মঙ্গল সাধন করিতে পারেন অথবা সৌন্দর্য সৃষ্টি করিতে পারেন, তবে অবশ্য লিখিবেন। যাঁহারা অন্য উদ্দেশ্য লেখেন, তাঁহাদিগকে যাত্রাওয়ালা প্রভৃতি নীচ ব্যবসায়ীদিগের সঙ্গে গণ্য করা যাইতে পারে।

* যাহা অসত্য, ধর্ম্মবিরুদ্ধ; পরনিন্দা বা পরপীড়ন বা স্বার্থসাধন যাহার উদ্দেশ্য, সে সকল প্রবন্ধ কখনো হিতকর হইতে পারে না, সুতরাং তাহা একেবারে পরিহার্য। সত্য ও ধর্ম্মই সাহিত্যের উদ্দেশ্য। অন্য উদ্দেশ্যে লেখনী-ধারণ মহাপাপ।

* যাহা লিখিবেন, তাহা হঠাৎ ছাপাইবেন না। কিছু কাল ফেলিয়া রাখিবেন। কিছু কাল পরে উহা সংশোধন করিবেন। তাহা হইলে দেখিবেন, প্রবন্ধে অনেক দোষ আছে। কাব্য-নাটক-উপন্যাস দুই-এক বৎসর ফেলিয়া রাখিয়া তারপর সংশোধন করিলে বিশেষ উৎকর্ষ লাভ করে। যাঁহারা সাময়িক সাহিত্যের কার্যে ব্রতী, তাঁহাদের পক্ষে এই নিয়ম রক্ষাটি ঘটিয়া ওঠে না। এ জন্য সাময়িক সাহিত্য, লেখকের পক্ষে অবনতিকর।

* যে বিষয়ে যাহার অধিকার নাই, সে বিষয়ে তাহার হস্তক্ষেপ অকর্তব্য। এটি সোজা কথা কিন্তু সাময়িক সাহিত্যে এ নিয়মটি রক্ষিত হয় না।

* বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা করিবেন না। বিদ্যা থাকিলে তাহা আপনিই প্রকাশ পায়, চেষ্টা করিতে হয় না। বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা পাঠকের অতিশয় বিরক্তিকর এবং রচনার পারিপাট্যের বিশেষ হানিজনক। এখনকার প্রবন্ধে ইংরাজি, সংস্কৃত, ফরাসি, জার্মান, কোটেশন বড় বেশি দেখিতে পাই। যে ভাষা আপনি জানেন না, পরের গ্রন্থের সাহায্যে সে ভাষা হইতে কদাচ উদ্ধৃত করিবেন না।

* অলংকার-প্রয়োগ বা রসিকতার জন্য চেষ্টিত হইবেন না। স্থানে স্থানে অলংকার বা ব্যঙ্গের প্রয়োজন হয় বটে; লেখকের ভান্ডারে এ সামগ্রী থাকিলে, প্রয়োজনমতে আপনিই আসিয়া পৌঁছিবে—ভান্ডারে না থাকিলে মাথা কুটিলেও আসিবে না। অসময়ে বা শূন্য ভান্ডারে অলংকার প্রয়োগের বা রসিকতার চেষ্টার মতো কদর্য আর কিছুই নাই।

* যে স্থানে অলংকার বা ব্যঙ্গ বড় সুন্দর বলিয়া বোধ হইবে, সেই স্থানটি কাটিয়া দেবে, এটি প্রাচীন বিধি। আমি সে কথা বলি না। কিন্তু আমার পরামর্শ এই যে, সে স্থানটি বন্ধুবর্গকে পুনঃ পুনঃ পড়িয়া শুনাইবে। যদি ভালো না হইয়া থাকে, তবে দুই-চারিবার পড়িলে লেখকের নিজেরই আর উহা ভালো লাগিবে না—বন্ধুবর্গের নিকট পড়িতে লজ্জা করিবে। তখন উহা কাটিয়া দেবে।

* সকল অলংকারের শ্রেষ্ঠ অলংকার সরলতা। যিনি সোজা কথায় আপনার মনের ভাব সহজে পাঠককে বুঝাইতে পারেন, তিনিই শ্রেষ্ঠ লেখক। কেননা, লেখার উদ্দেশ্য পাঠককে বোঝানো।

* কাহারও অনুকরণ করিও না। অনুকরণে দোষগুলি অনুকৃত হয়, গুণগুলি হয় না। অমুক ইংরাজি বা সংস্কৃত বা বাঙ্গালা লেখক এইরূপ লিখিয়াছেন, আমিও এরূপ লিখিব, এ কথা কদাপি মনে স্থান দিয়ো না।

* যে কথার প্রমাণ দিতে পারিবে না, তাহা লিখিও না। প্রমাণগুলি প্রযুক্ত করা সকল সময়ে প্রয়োজন হয় না, কিন্তু হাতে থাকা চাই।

বাঙ্গালা সাহিত্য, বাঙ্গালার ভরসা। এই নিয়মগুলি বাঙ্গালা লেখকদিগের দ্বারা রক্ষিত হইলে, বাঙ্গালা সাহিত্যের উন্নতি বেগে হইতে থাকিবে।

শাশ্বত পাণ্ডুলিপি সম্পাদনা ও পাঠ-পর্যালোচনালেখালেখি গুরুমুখী বিদ্যা। এটি একটি অর্ধসত্য বুলি। মূলত যে কোনও জ্ঞানই গুরুমুখ...
08/18/2020

শাশ্বত পাণ্ডুলিপি সম্পাদনা ও পাঠ-পর্যালোচনা

লেখালেখি গুরুমুখী বিদ্যা। এটি একটি অর্ধসত্য বুলি। মূলত যে কোনও জ্ঞানই গুরুমুখী চর্চার মাধ্যমে অর্জন করতে হয়। অবশ্য আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থায় এসবের আর বালাই নেই বললেই চলে। শিল্পচর্চা অন্য যে কোনও বিদ্যাচর্চার মতো স্বাভাবিক পদ্ধতিতে হওয়াটা উচিত নয়। কবিতা, গান, চিত্রকর্ম, সাহিত্য ও লেখালেখিসহ শিল্পের প্রতিটি শাখাই নিবিড় চর্চার দাবি রাখে—যদিও আধুনিকতা আমাদের সব ঔচিত্য ও দাবির দেয়াল ভেঙে ফেলার সাহস জোগায়।

আধুনিক শিল্প ও সাহিত্যচর্চার প্রনোদনা আমাদের গুরুমুখী বা একমুখী চর্চা থেকে সরিয়ে সামষ্টিক চর্চার পথ দেখিয়েছে। দ্রুত উন্নয়নশীল সভ্যতা আমাদের শিল্পচর্চায়ও দিয়েছে ভিন্নতর গতি। তাই সামষ্টিক বা সামগ্রিক শিল্পসাহিত্য ও লেখালেখির চর্চাই আমাদেরে আগামীকে সমৃদ্ধ করবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

শাশ্বত সেই বিশ্বাস ও প্রেরণাকে কেন্দ্র করে এগিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। লেখালেখি ও শিল্পচর্চাকে আরও গতিময় করতে অভিনব সব কার্যক্রম পরিচালনাই আমাদের মুখ্য উদ্দেশ্য।

পাণ্ডুলিপি সম্পাদনা ও পাঠ-পর্যালোচনা তেমনই একটি কার্যক্রম।

প্রতি বছর জাতীয় বইমেলা, সাময়িক বা আঞ্চলিক বইমেলাকে কেন্দ্র করে কয়েক হাজার বই প্রকাশ হয়। বছরজুড়েও প্রকাশ হয় অনেক সৃষ্টিশীল বা সৃষ্টিছাড়া বই। সৃষ্টিশীলতার আড়ালে অধিকাংশ বইয়েই থাকে ভাষাকে দূষিত করার অসংখ্য উপকরণ।

দুর্বল-অশুদ্ধ ভাষা, লাগামহীন-অপরিণত বিষয় নির্বাচন, নৈরাজ্যপূর্ণ বানান, অপরিণামদর্শী শিল্পমান; এসবই সেসব কাঁচা হাতে লেখা বইগুলোর মূল বিষয়বস্তু হয়ে থাকে। বেশিরভাগ বই ছাপা হয় অযত্নে, সম্পাদনাহীন। সময় ও খরচ বাঁচানোই লেখক-প্রকাশকদের মুখ্য হয়ে ওঠে। ফলে হাজার হাজার বই প্রকাশ হওয়ার পরও দুয়েকজন ভালো লেখক উঠে আসে না। শতশত প্রকাশক মাঠে নামলেও একটি সৃষ্টিশীল প্রকাশনীর দেখা পাই না।

অপরদিকে লেখকদের জঘন্য মনোভাবও আমাদের বিচিত্র অভিজ্ঞতার সম্মুখীন করে। একজন তরুণ কোনওভাবে একটি পাণ্ডুলিপি দাঁড় করাতে পারলেই মনে করেন, অনেক বড় লেখক হয়ে গেছেন। প্রথম বইয়েই বিশ্ব মাতিয়ে তোলার মতো কাজ করেছেন বলে আত্মপ্রতারণার শিকার হন। তার লেখা সম্পর্কে কোনও প্রকার সমালোচনা তার সহ্য হয় না। নিজের সন্তানের প্রতি যেমন অন্যের শাসন পছন্দ নয়, তেমনি নিজের লেখারও প্রতি কারও সমালোচনা সহ্য করার মানসিকতা থাকে না তাদের। অথচ দুটোই চরম ভ্রান্তিমূলক আচরণ।

তরুণ লেখকদের এ আত্মপ্রতারণা যে শুধু তাকেই অখ্যাত করছে না, তার লেখকসত্ত্বাকেই ধ্বংস করছে না; ক্ষতিগ্রস্ত করছে গোটা বাংলাসাহিত্যকেও—এটা বুঝতেই চলে যায় অর্ধেক জীবন। জীবনের শেষ পর্যায়ে যখন হঠাৎ মনে হয়, আমার তো কিছুই হচ্ছে না তখন টনক নড়ে। কিন্তু করার মতো আর কিছুই থাকে না, আফসোস করা ছাড়া। কারণ ততোদিনে তিনি বাজারি প্রকাশকদের ক্রিড়নকে পরিণত হয়ে যান। অথবা নিজেই নিজেকে আবদ্ধ করে ফেলেন একটি দুষ্টচক্রে। এ থেকে বেরিয়ে আসা কিছুতেই সম্ভব হয়ে ওঠে না তার।

তাই জীবনটা বৃথা মরীচিকার পেছনে না ঘুরিয়ে শুরুতেই সমৃদ্ধ চর্চার মাধ্যমে নিজেকে শক্তিশালী লেখক হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করুন। আপনার এ চেষ্টায় গতি আনতে শাশ্বত সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।

আপনার কাঁচা বা অপরিণত হাতে লেখা পাণ্ডুলিপিটি জমা দিন শাশ্বতে। আমরা আপনার পাণ্ডুলিপিটি অভিজ্ঞ সম্পাদকমণ্ডলীর তত্তবধানে যত্ন নিয়ে সম্পদনা করে দেব।

অংশগ্রহণের নিয়ম

৥ছড়া, কবিতা, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, নিবন্ধ, ফিচার, জীবনীসহ যে কোনও বই সম্পাদনা করা হবে।
৥বছরের যে কোনও সময় পাণ্ডুলিপি জমা দেয়া যাবে।
৥পাণ্ডুলিপি বিজয় বা ইউনিকোডে কম্পোজ করা থাকতে হবে।
৥পাণ্ডুলিপির সঙ্গে যোগাযোগের ঠিকানা (নাম, ফোন নম্বর, ইমেইল এড্রেস, ফেসবুক আইডি) দিতে হবে।
৥পাণ্ডুলিপি জমা দেয়ার ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে সম্পাদনা সম্পন্ন করা হবে।
৥সম্পাদনা শেষ হলে পান্ডুলিপির সার্বিক দিক নিয়ে লিখিত বা মৌখিক, সামনাসামনি বা অনলাইনে পর্যালোচনা করা হবে।

পাণ্ডুলিপি পাঠানোর মেইল ঠিকানাঃ [email protected]

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন
শাশ্বত ফেসবুক পেইজ : www.facebook.com/shashwatoboi
শাশ্বত ফেসবুক পেইজ ইনবক্স : m.me/shashwatoboi
মোবাইল : 01732760694

নবীন-তরুণ লেখক ও প্রকাশকদের প্রতি বিশেষ আহবান :
আমরা বই প্রকাশের পাশাপাশি নবীন-তরুণ লেখক ও প্রকাশকদের সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে থাকি। যে কোনও পাণ্ডুলিপি সম্পাদনা, প্রুফ রিডিং, প্রচ্ছদ, সেটাপ-মেকাপসহ সব ধরনের প্রস্তুতিমূলক কাজে সাপোর্ট দিয়ে থাকি। যে কোনো প্রয়োজনে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

২০২১ একুশে বইমেলা উপলক্ষে পাণ্ডুলিপি প্রতিযোগিতা ও তরুণ লেখক-প্রকাশকদের প্রতি বিশেষ আহবানআমাদের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, বইমে...
08/08/2020

২০২১ একুশে বইমেলা উপলক্ষে পাণ্ডুলিপি প্রতিযোগিতা ও তরুণ লেখক-প্রকাশকদের প্রতি বিশেষ আহবান

আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, বইমেলা যখন একদম নাকের ডগায় তখন অনেকের বই করার শখ জাগে, প্রকাশকদের কাছে ভীড় জমান। প্রকাশকরা বাধ্য হয়েই পাণ্ডুলিপি নেন। অনেক নতুন লেখক টাকা-পয়সাসহও পাণ্ডুলিপি জমা দেন। কিন্তু প্রকাশকরা তাদের হাতে থাকা বইগুলোই ঠিকমতো মেলায় আনতে পারেন না, যারা চাপাচাপি করে শেষ মুহূর্তে পাণ্ডুলিপি জমা দেন তাদের বই কখন আসবে? ফলে মেলা ভেঙে যাওয়ার পরও ওসব বই কিছু প্রেসে পড়ে থাকে, কিছু বাঁধাইখানায়, কিছু লেমিনেশনের ঘরে। এমন কেইস দুয়েকটা নয়, অনেক।

অপরদিকে প্রকাশকরাও মেলাকেন্দ্রিক বই করে অভ্যস্ত। সারাবছর তারা কোথায় থাকেন, কি করেন; কিছুই জানা যায় না। না তারা লেখকদের কাছে পৌঁছতে পারেন, না লেখকরা তাদের কাছে।

এমন বাজে অভিজ্ঞতা থেকেই গত মেলার পর ঘোষনা দিয়েছিলাম, সারাবছর বই বের করব। অন্তত প্রতিমাসে একটা-দুটো। এখনো পর্যন্ত করোনার কারণে, আবার নতুন প্রকাশনী হওয়ায় তেমন সুবিধা করা যায়নি। এখন পরিস্থিতি অনেকটা শিথিল হচ্ছে। লেখক, প্রকাশক কারোরই বসে থাকা আর সমীচিন হবে না।

লেখক ও প্রকাশকদের প্রতি আমাদের বিনীত আহবান, আপনারা সারা বছর বই প্রকাশ করুন। সারা বছর বই বিক্রি করুন। অন্তত বইমেলার আগেই ছাপাছাপির কাজ কমপ্লিট করে পুরো মাসব্যাপী বই বেচুন। বইয়ের আনন্দ উপভোগ করুন। পাঠক, লেখক, প্রকাশকদের হৃদ্যতা বাড়ানোর চেষ্টা করুন।

শাশ্বত প্রকাশ বরাবরই নতুন কিছুর উদ্যোগ নিয়ে হাজির হয়ে থাকে। এবারও আমরা তরুণ লেখকদের উদ্দীপনাকে উসকে দিতে আয়োজন করেছি ‘২০২১ একুশে বইমেলা উপলক্ষে পাণ্ডুলিপি প্রতিযোগিতা’।

ছড়া, কবিতা, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, নিবন্ধ, অনুবাদ, ভ্রমণসহ যে কোনও সৃষ্টিশীল পাণ্ডুলি জমা দিয়ে আমাদের এ আয়োজনে অংশগ্রহণের জন্য তরুণ লেখকদের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।

অংশ গ্রহণের নিয়ম
৥পাণ্ডুলিপি মৌলিক হোক, অনুবাদ হোক সৃজনশীলতার ছাপ থাকতে হবে।
৥পাণ্ডুলিপি যেকোনও ক্যাটাগরিতে পাঠানো যাবে।
৥নন-ফিকশনধর্মী পাণ্ডুলিপি নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্রের সাহায্যে রচিত হতে হবে।
৥অপ্রকাশিত নতুন ও পুরাতন পাণ্ডুলিপি পাঠানো যাবে।
৥লিখিত পাণ্ডুলিপির সফটকপি পাঠাতে হবে।
৥ইউনিকোড কিংবা বিজয়, পাণ্ডুলিপি যেকোনও ফরম্যাটে হতে পারবে।

অন্যান্য নির্দেশিকা
৥একজন একাধিক বিষয়ে পাণ্ডুলিপি পাঠাতে পারবে।
৥পাণ্ডুলিপির শব্দসংখ্যা ন্যূনতম ২০,০০০ ও অনূর্ধ্ব ৩০,০০০ হতে হবে।
৥পাণ্ডুলিপি যথাসম্ভব শুদ্ধ বানানে হতে হবে।
৥জমা হওয়া পাণ্ডুলিপি থেকে বিচারক প্যানেল কবিতা, কথাসাহিত্য ও প্রবন্ধ; এ তিন বিভাগ থেকে তিনটি পাণ্ডুলিপি নির্বাচন করবেন।
৥পাণ্ডুলিপি নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিচারক প্যানেল-এর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।
৥নির্বাচিত পাণ্ডুলিপি ‘শাশ্বত প্রকাশ’ সংরক্ষণ ও প্রকাশ করবে।
লেখক কোনওভাবে এই পাণ্ডুলিপি প্রকাশ করতে পারবেন না।

সুযোগ সুবিধাসমূহ
৥বিজয়ী লেখকের পাণ্ডুলিপি বই আকারে প্রকাশ করা হবে।
বিজয়ী প্রতিযোগিকে তাঁর রচিত পাণ্ডুলিপির এক কপি বই সৌজন্য কপি দেয়া হবে।
৥২০০ কপি বই বিক্রি সাপেক্ষে ৫,০০০ টাকা রয়্যালিটি প্রদান করা হবে।
৥বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের সময় লেখককে ক্রেস্ট, সম্মাননাপত্র প্রদান করা হবে।
৥প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী অন্তত ত্রিশজন উত্তীর্ণ লেখককে সম্মাননা ও ক্রেস্ট প্রদান করা হবে।
৥অংশগ্রহণকারীদের বাছাই করা লেখায় প্রকাশ করা হবে সংকলনগ্রন্থ।
৥বাছাইয়ের পর মানসম্মত পাণ্ডুলিপিগুলো প্রকাশে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
৥সকল অংশগ্রহণকারীর পাণ্ডুলিপি অভিজ্ঞ সম্পাদকদের মাধ্যমে সম্পাদনা করানো ও প্রকাশ উপযোগী করার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা হবে।
৥অংশগ্রহণকারীরা শাশ্বত পরিবারের সম্মানিত সদস্য হিসেবে আমাদের সকল কার্যক্রমে শরিক হওয়ার সুবিধা পাবেন।
৥আমাদের প্রকাশিত যে কোনো বই ক্রয়ের ক্ষেত্রে অন্তত ৫% অতিরিক্ত ছাড় পাবেন।

আবেদনের যোগ্যতা
৥যে কোনও নবীন লেখক পাণ্ডুলিপি পাঠাতে পারবেন।
৥পূর্বে যাদের দুইটার বেশি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে- এমন কারও অংশগ্রহণের প্রয়োজন নেই।
৥বাংলাদেশ, কোলকাতা ও আসামের নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য।
৥প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও উন্মুক্ত।

পাণ্ডুলিপি পাঠানোর নিয়ম
৥প্রতিটি পাণ্ডুলিপির সাথে যোগাযোগের ঠিকানা (নাম, ফোন নম্বর, ইমেইল এড্রেস, ফেসবুক আইডি) দিতে হবে।
৥পাণ্ডুলিপি পাঠানোর শেষ তারিখ ৩১ সেপ্টেম্বর ২০২০।
৥পাণ্ডুলিপি পাঠানোর মেইল ঠিকানাঃ [email protected]

নবীন-তরুণ লেখক ও প্রকাশকদের প্রতি
আরেকটি বিশেষ আহবান :
আমরা বই প্রকাশের পাশাপাশি নবীন-তরুণ লেখক ও প্রকাশকদের সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে থাকি। যে কোনও পাণ্ডুলিপি সম্পাদনা, প্রুফ রিডিং, প্রচ্ছদ, সেটাপ-মেকাপসহ সব ধরনের প্রস্তুতিমূলক কাজে সাপোর্ট দিয়ে থাকি। যে কোনো প্রয়োজনে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

অফিস
শাশ্বত, তাঁতবাজার, ভুলতা, গাউছিয়া, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ
মোবাইল : 01732760694

আত্মার চুক্তিনামাতাহমিদ তাজওয়র খানপ্রচ্ছদ : শাশ্বত গ্রাফিক্সফোন : 01732760694
07/30/2020

আত্মার চুক্তিনামা
তাহমিদ তাজওয়র খান

প্রচ্ছদ : শাশ্বত গ্রাফিক্স
ফোন : 01732760694

Address

Kansas City, KS

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shqip Media posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category