Mohammed Mizan

Mohammed Mizan Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mohammed Mizan, Poet, Kuwait City.

আস্সালা মুআলাইকুম
আমি একজন সাধারণ মানুষ কবিতা গল্প গান লেখা আমার শখ।
অন্যায় অবিচার দূর্শাসন জুলুম অত্যাচারের বিরুদ্ধে আমার প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে ইনশাহ আল্লাহ

 #ভারতে কিনেছেন বাড়ি, পরিবারসহ করছেন বসবাস। তবুও চাকরিতে বহাল তবিয়তে আছেন বাংলাদেশের একটি কলেজে। শুধু তাই নয়, নিয়মিত বেত...
10/06/2026

#ভারতে কিনেছেন বাড়ি, পরিবারসহ করছেন বসবাস।
তবুও চাকরিতে বহাল তবিয়তে আছেন বাংলাদেশের একটি কলেজে।
শুধু তাই নয়, নিয়মিত বেতন-ভাতাও তুলে নিচ্ছেন তারা।

#এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলার শশিকর শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ দুর্লভানন্দ বাড়ৈ ও তার স্ত্রী একই কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের প্রভাষক চম্পা রানী মন্ডলের বিরুদ্ধে।

জানা গেছে, ছুটির নামে দীর্ঘদিন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কল্যাণীতে নিজেদের বাড়িতে বসবাস করে আসছেন তারা।

#ইতোমধ্যে অনিয়ম ও দুর্নীতির সত্যতা পেয়ে শিক্ষক দম্পতির এমপিও বাতিল করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কলেজের একাধিক শিক্ষক বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন এই শিক্ষক দম্পতি।

কলেজ গভর্নিং বডি ও প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন তারা।
যে কারণে অনিয়ম করলেও তেমন কেনো প্রভাব পড়েনি।
তাদের সহযোগিতা করছেন অফিস সহায়ক সজল সরকার।

ডাসার উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও স্থানীয় বাসিন্দা প্রেমান্দ সরকার বলেন, অনিয়ম করে চাকরি নিয়েছেন দুর্লভানন্দ বাড়ৈ।

তিনি বাড়ি করেছেন ভারতের কল্যানীতে এবং সেখানেই তার স্ত্রী সন্তানরা রয়েছেন।
অথচ বাংলাদেশ থেকে তারা বেতন তুলে নিচ্ছেন।

দোষ ধামাচাপা দিতে নাম মাত্র মেডিকেল ছুটি নিয়েছেন শিক্ষিকা চম্পা রানী।
যেখানে বেসরকারি কলেজে এক মাসের বেশি ছুটি হয় না, সেখানে তিনি ৬ মাসের ছুটি নিয়েছেন।
এটা কীভাবে সম্ভব?

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পালিয়ে যাওয়ার পর তারা (শিক্ষক দম্পতি) চলে যান ভারতে।

এর কিছুদিন পর স্ত্রীকে রেখে অধ্যক্ষ দুর্লভানন্দ দেশে ফিরে আসেন।
তবে এখনো তার স্ত্রী ভারতেই অবস্থান করছেন।
ভারতে যাওয়ার আগে চেকে স্বাক্ষর করে রেখে যান চম্পা রানী।
নিয়মিত তার বেতন-ভাতা উত্তোলন করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, এই দম্পতির অনিয়ম, নিয়োগ বাণিজ্য ও প্রশাসনিক দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় চলতি বছরের ১৮ মার্চ অধ্যক্ষ দুর্লভানন্দ বাড়ৈ ও তার স্ত্রী প্রভাষক চম্পা রানী মন্ডলের এমপিও বাতিল করা হয়।

অধ্যক্ষ দুর্লভানন্দ বাড়ৈ ভারতে থাকাকালীন অবস্থায় কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ওই কলেজের আরেক শিক্ষক বিমল পান্ডে।

এ ব্যাপারে অভিযোগ অস্বীকার করে অধ্যক্ষ দুর্লভানন্দ বাড়ৈ জানান, তার স্ত্রী (প্রভাষক চম্পা রানী) বর্তমানে মেডিকেল ছুটিতে ভারতে রয়েছেন।
দুই দফায় তিনি ৬ মাস ছুটি নিয়েছেন এবং সবকিছু নিয়ম অনুযায়ী চলছে।

কালকিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (ডাসার উপজেলার দায়িত্বরত) মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, তাদের দুইজনের ব্যাপারে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।
অনিয়মের তথ্য পেলে ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে অবহিত করব।

ডাসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফ-উল আরেফীন বলেন, অভিযোগগুলো তদন্ত করে দেখা হবে।
যদি আইন অনুযায়ী প্রমাণিত হয়, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি ঢাকা পোস্ট সহ বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
বিস্তারিত জানতে গুগলে কলেজ নাম ও অধ্যক্ষের নাম লিখে সার্চ দিলে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

বাংলাদেশের সনাতনী হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ হিসেবে আমি মনে করি ভারতীয় এই সকল হিন্দুদের কারণে বাংলাদেশ দিন দিন একদিকে যেমন অনিরাপদ হয়ে উঠছে,অন্যদিকে বাংলাদেশের মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষদের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলছে।
যা বাংলাদেশী দেশপ্রেমিক হিন্দুদের জন্য বিপদজনক।

বাংলাদেশ সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণে এই সকল হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষদের চিহ্নিত করে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

যাতে করে ভবিষ্যতে কেউ যেন বাংলাদেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে অংশ নিতে না পারে।

সনজীত কুমার দে।
বাংলাদেশী দেশপ্রেমিক হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ।
.

#মাদারীপুর
#অপরাধ

#বাংলাদেশ
#সর্বশেষ_সংবাদ
#সাম্প্রতিক_সংবাদ
#ইসলামিকসংবাদ




©️

10/06/2026

I got over 100 reactions on my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

09/06/2026

*📚হাদীস অধ্যয়নঃ মিশকাত -২২৩৬ || বিষয়ঃ মৌলিক দোয়া সমূহ*
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ
«مَا مِنْ أَحَدٍ يَدْعُو بِدُعَاءٍ إِلَّا آتَاهُ اللَّهُ مَا سَأَلَ أَوْ كَفَّ عَنْهُ مِنَ السُّوءِ مِثْلَهُ مَا لَمْ يَدْعُ بِإِثْمٍ أَوْ قَطِيعَةِ رحم» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ
যে কোন ব্যক্তি আল্লাহর কাছে কোন দু’আ করলে আল্লাহ তা’আলা তার হয়ত সে দু’আ কবূল করেন অথবা এরূপ কোন বিপদকে তার ওপর থেকে দূরে সরিয়ে দেন, যদি সে কোন গুনাহের অথবা আত্মীয়তার সম্পর্কচ্ছেদের জন্য দু’আ না করে। (তিরমিযী ৩৩৮১)

ব্যাখ্যা: (إِلَّا اٰتَاهُ اللّٰهُ مَا سَأَلَ) অর্থাৎ- যদি তাকদীরে তার লেখা থাকে তাহলে তার দু‘আর প্রেক্ষিতে আল্লাহ তাকে দান করে থাকেন।
(أَوْ كَفَّ عَنْهُ مِنَ السُّوءِ مِثْلَه) অর্থাৎ- তার তাকদীরে যদি সে যে বিষয় চেয়েছে তা না থাকে তবে কমপক্ষে তার কোন না কোন অনিষ্ট দূর করে দেয়া হবে।

একটি প্রশ্ন ও তার উত্তরঃ হাদীসে বলা হলো, যদি সে যে কল্যাণের জিনিস চেয়েছে তা না দেয়া হয় তাহলে তার যে কোন একটি বিপদ বা অনিষ্ট দূর করে দেয়া হবে। প্রশ্ন হলো বিপদ দূর করে দেয়াকে কল্যাণ দেয়ার সমতুল্য করা হলো কিভাবে? কারণ কল্যাণ দান আর বিপদ দূর করাতো এক বিষয় নয়।

এর উত্তরে হাফেয ইবনু হাজার আসকালানী (রহঃ) বলেন, তার চাহিদামাফিক কল্যাণ দিলে তার আরাম স্বস্তি হতো আর অকল্যাণ দূর করলেও তো আরামে স্বস্তি হয়। সুতরাং আরামের দৃষ্টিকোণ থেকে দু’টি এক সাথে তুলনা করে দেখানোর বেশ যৌক্তিকতা রয়েছে।

‘আল্লামা ত্বীবী বলেছেন, কল্যাণ যেমন প্রয়োজন অনুরূপ অকল্যাণ দূরবর্তী হওয়াও প্রয়োজন। সুতরাং প্রয়োজনের দৃষ্টিকোণ থেকে দু’টিকে একই বিবেচনা করা হয়েছে।
(أَوْ قَطِيعَةِ رحم)
অর্থাৎ- আত্মীয়ের সম্পর্ক ছেদনের দু‘আ না করার কথা হাদীসে বলা হয়েছে। এর আগে বলা হয়েছে পাপের দু‘আ না করার কথা। এখানে মূলত প্রথমে পাপ বলে সব পাপকেই বুঝানো হয়েছে পরে গুরুত্ব বুঝানোর জন্য আত্মীয়ের সম্পর্ক ছেদন করার দু‘আ না করার কথা বলা হয়েছে।

*📚হাদীস অধ্যয়নঃ মিশকাত -২২৩৮ || বিষয়ঃ মৌলিক দোয়া সমূহ*
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ
«مَنْ لَمْ يَسْأَلِ اللَّهَ يغضبْ عَلَيْهِ»
ব্যক্তি আল্লাহর নিকট কামনা (দু’আ) করে না, আল্লাহ তার ওপর রাগান্বিত হন। (তিরমিযী ৩৩৭৩)
★ব্যাখ্যা: (مَنْ لَمْ يَسْأَلِ اللّٰهَ يغضبْ عَلَيْهِ) অর্থাৎ- আল্লাহ সুবহানাহূ ওয়াতা‘আলা তার নিকট যারা চায় না তাদের প্রতি ক্রোধান্বিত হন, কেননা না চাওয়া অহংকার ও নিজের স্বয়ংসম্পূর্ণতার উপর প্রমাণ করে যা কোন আদম সন্তানের জন্য জায়িয নেই। কবি কতই না সুন্দর করে বলেছেন
الله يغضب إن تركت سؤاله وترى ابن آدم حين يسأل يغضب
অর্থাৎ- আল্লাহর নিকট তুমি দু‘আ করা বা চাওয়া বন্ধ করে দিও না তাহলে তিনি রাগান্বিত হন আর মানুষের নিকট কোন কিছু চাইলে তারা এক পর্যায়ে চাওয়ার কারণে রাগান্বিত হয়ে যায়।
*📚হাদীস অধ্যয়নঃ মিশকাত -২২৩৩ || বিষয়ঃ মৌলিক দোয়া সমূহ*
সালমান আল ফারিসী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ
«لَا يَرُدُّ الْقَضَاءَ إِلَّا الدُّعَاءُ وَلَا يَزِيدُ فِي الْعُمْرِ إِلَّا الْبر»
দু’আ ছাড়া অন্য কিছুই তাকদীদের লিখনকে পরিবর্তন করতে পারে না এবং নেক ’আমল ছাড়া অন্য কিছু বয়স বাড়াতে পারে না। (তিরমিযী ২১৩৯)

★ব্যাখ্যা: মুল্লা ‘আলী কারী হানাফী (রহঃ) বলেন, হাদীসের ‘কাদা’ শব্দের অর্থ হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে ফায়সালাকৃত বিষয়। আর হাদীসটির ব্যাখ্যা হলো, যেই আল্লাহ তাকদীর নির্ধারণ করেছেন সেই আল্লাহই তার তাকদীরে লিখে রেখেছেন এখন সে দু‘আ করবে আর দু‘আর মাধ্যমে তার মুসীবাত দূর হয়ে যাবে।
(وَلَا يَزِيدُ فِى الْعُمْرِ إِلَّا الْبر)
এর ব্যাখ্যায় অনেক বিদ্বান অনেক ধরনের মূল্যবান মন্তব্য করেছেন। কেউ কেউ বলেছেন যে, তাকে অল্প সময়ে এত পরিমাণ ভাল কাজ করার সুযোগ দেয়া হবে যা অনেক বেশি পরিমাণ সময় নিয়েও অনেকে করতে পারে না। অন্যথায় মানুষের আয়ু যে নির্ধারিত, এটা আল্লাহ পবিত্র কুরআনে স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন।
মহান আল্লাহ বলেন,
وَمَا يُعَمَّرُ مِنْ مُعَمَّرٍ وَلَا يُنْقَصُ مِنْ عُمُرِه إِلَّا فِىْ كِتَابٍ
‘‘কোন দীর্ঘায়ুর আয়ু দীর্ঘ করা হয় না, আর তার আয়ু কমানো হয় না কিতাবের লিখন ছাড়া।’’ (সূরা আল ফা-ত্বির ৩৫:১১)
মহান আল্লাহ আরো বলেন,
يَمْحُو اللَّهُ مَا يَشَآءُ وَيُثْبِتُ وَعِنْدَهٗ أُمُّ الْكِتَابِ
‘‘আল্লাহ যা ইচ্ছে করেন নিশ্চিহ্ন করে দেন আর যা ইচ্ছে প্রতিষ্ঠিত রাখেন, উম্মুল কিতাব তাঁর নিকটই রক্ষিত।’’ (সূরা আর্ র‘দ ১৩ : ৩৯)

মহান আল্লাহ অন্যত্র বলেন,
فَإِذَا جَآءَ أَجَلُهُمْ لَا يَسْتَأْخِرُوْنَ سَاعَةً وَّلَا يَسْتَقْدِمُوْنَ
‘‘তাদের নির্ধারিত সময় যখন এসে যাবে তখন এক মুহূর্তকাল পশ্চাৎ-অগ্র হবে না।’’ (সূরা আল আ‘রাফ ৭ : ৩৪)

★মোট কথা হলো, তাকদীর দু’প্রকারঃ
১. المعلق বা যা পরিবর্তনশীল।
২. المبرم যা অপরিবর্তনশীল।

المعلق দু‘আ বা সৎ ‘আমলের মাধ্যমে পরিবর্তন হতে পারে। তবে المبرم কোন সময়ে পরিবর্তন হয় না। এমনটা মতামত ‘উলামায়ে কিরামের।

*📚হাদীস অধ্যয়নঃ মিশকাত -২২৩৪ || বিষয়ঃ মৌলিক দোয়া সমূহ*
’আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ
«إِنَّ الدُّعَاءَ يَنْفَعُ مِمَّا نَزَلَ وَمِمَّا لَمْ يَنْزِلْ فَعَلَيْكُمْ عِبَادَ اللَّهِ بِالدُّعَاءِ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ
নিঃসন্দেহে দু’আ ঐ সব কিছুর জন্যই কল্যাণকামী যা সংঘটিত হয়েছে এবং যা এখনো সংঘটিত হয়নি। সুতরাং হে আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা দু’আ করাকে নিজের প্রতি খুবই জরুরী মনে করবে বা যত্নবান হবে। (তিরমিযী ৩৫৪৭)

ব্যাখ্যা: (إِنَّ الدُّعَاءَ يَنْفَعُ مِمَّا نَزَلَ) অর্থাৎ- যে কোন ধরনের বালা মুসীবাতে দু‘আ করলে তা দূরীভূত হয়ে যায় সেটা যদি তাকবদীরে মু‘আল্লাক্বের সাথে সংশিস্নষ্ট বিষয় হয়ে থাকে আর যদি তা তাকদীরে মুবরাম হয় তাহলে এ বিপদে ধৈর্যধারণ করার শক্তি আল্লাহ দিয়ে দেন, ফলে বিপদটি বিপদগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য সহ্য করা সহজ হয়ে যায়।

(وَمِمَّا لَمْ يَنْزِلْ) অর্থাৎ- ভবিষ্যতের বিপদও দু‘আর প্রেক্ষিতে দূর হতে পারে এভাবে যে, হয়তো মহান আল্লাহ তার থেকে বিপদটি সরিয়ে নিবেন বা তাকে ঐ বিপদ আসার আগে এমন বিশেষ ক্ষমতা নিজের পক্ষ থেকে দান করবেন যাতে বিপদে সে সবর করতে সক্ষম হবে।

(فَعَلَيْكُمْ) অর্থাৎ- হে আল্লাহর বান্দাগণ! দু‘আর অবস্থা যখন এরূপ যে, তা বর্তমান ও ভবিষ্যতের বিপদ-আপদ দূর করতে সক্ষম তখন তোমরা সকলেই দু‘আ কর। কেননা দু‘আ তো ‘ইবাদাতেরই একটি অংশ।

হাদীসটি ইমাম তিরমিযী তার দা‘ওয়াত অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন। হাদীসটির সানাদে ‘আবদুর রহমান বিন আবূ বাকর আল কুরাশী রয়েছেন যিনি সমালোচিত রাবীর অন্তর্গত।

হাফেয ইবনু হাজার আসকালানী (রহঃ) বলেছেন, হাদীসটির সানাদে لِيْنٌ তথা দুর্বলতা বিরাজমান।

📢 ভারতে নতুন বিতর্ক: মুসলিম বর্জনের আহ্বানে সমালোচনার ঝড়!​ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-এর সংখ্যালঘু মোর্চার নেত্রী নাজিয়...
08/06/2026

📢 ভারতে নতুন বিতর্ক: মুসলিম বর্জনের আহ্বানে সমালোচনার ঝড়!
​ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-এর সংখ্যালঘু মোর্চার নেত্রী নাজিয়া ইলাহি খানের একটি সাম্প্রতিক মন্তব্য ঘিরে ভারতজুড়ে তীব্র বিতর্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আগামী ২-৩ বছরের জন্য দেশটির সরকারি ও বেসরকারি উভয় ক্ষেত্রে মুসলিমদের পুরোপুরি বর্জন (বয়কট) করার আহ্বান জানিয়েছেন।
​🔍 মন্তব্যের মূল বিষয়গুলো কী ছিল?
​সম্পূর্ণ বয়কটের ডাক: হিন্দু সম্প্রদায়কে সতর্ক করে তিনি বলেন, "সরকারি চাকরি, বেসরকারি চাকরি—সর্বত্রই মুসলিমদের বর্জন করা উচিত।"
​নির্দিষ্ট সময়সীমা: মুসলিমদের অন্তত "দুই থেকে তিন বছরের জন্য" অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে বয়কট করার ওপর জোর দেন তিনি।
​বিতর্কিত অভিযোগ: তাঁর দাবি, ভারতকে এখন পাকিস্তান ছাড়াও দেশের ভেতরের "পাকিস্তানি মানসিকতা" সম্পন্ন মানুষের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, মুসলিমরা সংবিধানের চেয়ে ধর্মকে বেশি প্রাধান্য দেয়।
​🚫 তীব্র প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনা
​নাজিয়া ইলাহি খানের এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং রাজনৈতিক মহলে নিন্দার ঝড় উঠেছে:
​'বিদ্বেষমূলক বক্তব্য' (Hate Speech): বিরোধী দলের রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবী এবং অধিকারকর্মীরা এই বক্তব্যকে চরম উসকানিমূলক এবং স্পষ্ট 'হেট স্পিচ' বলে আখ্যায়িত করেছেন।
​সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ: সমালোচকদের মতে, এই ধরনের বক্তব্য ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামো এবং সংবিধানের মূল ভাবধারার ওপর সরাসরি আঘাত।
​আইনি ব্যবস্থার দাবি: কংগ্রেসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা এই ধরনের বিভেদমূলক বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন।
​একটি গণতান্ত্রিক ও বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশে এই ধরনের বর্জন বা বয়কটের ডাক কতটা যৌক্তিক? আপনার মতামত কী? কমেন্টে জানান। 👇

অমানবিক হিন্দুত্ববাদী ভারত ---: #গল্প :---কুয়াশার চাদর ভেঙে ভোরের আলো ফুটতে তখনও কিছুটা বাকি। ইছামতী নদীর অববাহিকায় বেনা...
08/06/2026

অমানবিক হিন্দুত্ববাদী ভারত
---: #গল্প :---
কুয়াশার চাদর ভেঙে ভোরের আলো ফুটতে তখনও কিছুটা বাকি। ইছামতী নদীর অববাহিকায় বেনাপোল সীমান্তের শূন্যরেখায় (নো-ম্যানস ল্যান্ড) এক অদ্ভুত, থমথমে নীরবতা। কাঁটাতারের ওপাশে দাঁড়িয়ে আছে একদল মানুষ—যাদের মধ্যে বেশির ভাগই নারী আর কোলের শিশু। কনকনে ঠান্ডায় কাঁপতে থাকা এক শিশুর কান্নায় কেঁপে উঠছে সীমান্তের বাতাস।
​সীমান্তের এপাশে দাঁড়িয়ে আছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) তরুন কোম্পানি কমান্ডার ক্যাপ্টেন রাশেদ। তার চোখে রাত জাগার ক্লান্তি নেই, আছে এক গভীর প্রত্যয় আর ভেতরের এক চরম মনস্তাত্ত্বিক লড়াই।
​কয়েক ঘণ্টা আগে, রাতের অন্ধকারে ওপাশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী কোনো রকম নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে এই মানুষগুলোকে জোরপূর্বক এপাশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। রাশেদ ও তার দল সজাগ থাকায় তা সফল হয়নি। কিন্তু মানুষগুলো এখন আটকে আছে দুই দেশের মাঝখানের ওই কয়েক গজ মাটিতে। ওপাশে ফেরার পথ বন্ধ, এপাশেও প্রবেশের অনুমতি নেই।
​রাশেদের পকেটে রাখা ওয়্যারলেসটা হঠাৎ শব্দ করে উঠল। হেডকোয়ার্টার থেকে নির্দেশ স্পষ্ট—"যাচাই-বাছাই ছাড়া একজনকেও সীমানা পার হতে দেওয়া যাবে না। সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থান বজায় রাখুন।"
​ক্যাপ্টেন রাশেদ ওপাশের অফিসার ইনচার্জের সাথে ফ্ল্যাগ মিটিংয়ের আহ্বান জানালেন। ওপাশের কর্মকর্তা কিছুটা তাচ্ছিল্যের সুরে বললেন, "এরা তো আপনাদেরই লোক, ওপার থেকে এসেছে। নিয়ে নিলেই তো ঝামেলা চুকে যায়।"
​রাশেদ পিঠ টান টান করে দাঁড়ালেন। তার কণ্ঠস্বর ছিল শান্ত কিন্তু বজ্রের মতো দৃঢ়:
​"কাগজ-পত্র আর কূটনৈতিক প্রক্রিয়া ছাড়া কেউ আমাদের লোক হয়ে যায় না, ক্যাপ্টেন। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন, মর্যাদাবান রাষ্ট্র। আমাদের সীমান্ত কোনো ডাম্পিং জোন নয় যে, যখন-তখন যাকে-তাকে ঠেলে দেবেন। যদি তারা সত্যিই বাংলাদেশের নাগরিক হন, তবে যথাযথ আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় তাদের ফেরত পাঠানো হোক। আর যদি না হন, তবে এক ইঞ্চি জমিও তারা পার হতে পারবে না।"
​মিটিং ব্যর্থ হলো। ওপাশের বাহিনী আন্তর্জাতিক আইন ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের তোয়াক্কা না করে একতরফা অবস্থানে অনড় রইল।
​দুপুরের দিকে রোদ বাড়ার সাথে সাথে শূন্যরেখায় আটকে থাকা মানুষদের কান্না জোরালো হলো। ক্ষুধার্ত শিশুরা খাবারের জন্য চিৎকার করছে। একজন মা তার তৃষ্ণার্ত শিশুকে বুকে জড়িয়ে ধরে এপাশের বিজিবি জোয়ানদের দিকে তাকিয়ে হাত জোড় করলেন।
​রাশেদের ভেতরের মানুষটা মুচড়ে উঠল। মানবিকতা তাকে তাগিদ দিচ্ছিল সীমান্ত খুলে দিতে। কিন্তু তার কাঁধের ওপর তখন ১৬ কোটি মানুষের সার্বভৌমত্বের ভার। তিনি জানেন, আজ যদি আবেগের বশে এই অন্যায় চাপ মেনে নেওয়া হয়, তবে কাল এই সীমান্তকে অন্য কেউ তাদের নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করবে। সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস হতে পারে না।
​রাশেদ তার সুবেদারকে ডেকে বললেন, "সুবেদার সাহেব, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী আমরা ওদের ভেতরে নিতে পারি না। কিন্তু মানুষ হিসেবে ওদের না খাইয়ে মারতেও পারি না। শুকনো খাবার আর পানির ব্যবস্থা করুন। শূন্যরেখাতেই ওদের কাছে পৌঁছে দিন। কিন্তু মনে রাখবেন, আমাদের সীমানা যেন কোনোভাবেই লঙ্ঘিত না হয়।"
​বিজিবির জোয়ানরা কাঁটাতারের এপাশ থেকে মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দিল। খাবার ও জল পেয়ে তৃষ্ণার্ত শিশুটির মুখে একটু হাসি ফুটল। ওপাশের জোয়ানরা দূর থেকে দেখল—বাংলাদেশি সেনারা যেমন কঠোর, তেমনই দয়ালু। কিন্তু তাদের সার্বভৌমত্বের প্রাচীর ভাঙা অসম্ভব।
​এদিকে রাশেদের পাঠানো রিপোর্টের ভিত্তিতে ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ততক্ষণে তীব্র কূটনৈতিক প্রতিবাদ পাঠিয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। দ্বিপাক্ষিক চাপের মুখে বিকেলের দিকে ওপাশের বাহিনী নমনীয় হতে বাধ্য হলো। ওপর মহলের নির্দেশে তারা স্বীকার করতে বাধ্য হলো যে, কোনো রকম আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া এভাবে মানুষকে ঠেলে দেওয়া আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং প্রতিবেশীসুলভ আচরণের পরিপন্থী।
​বিকেলের আলো যখন ম্লান হয়ে আসছে, তখন ওপাশের সীমান্তরক্ষী দল শূন্যরেখায় আটকে থাকা মানুষদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করল।
​যাওয়ার সময় এক বৃদ্ধা নারী এপাশের বিজিবি জোয়ানদের দিকে তাকিয়ে হাত তুলে দোয়া করলেন। তারা বুঝতে পেরেছে, এই জোয়ানরা তাদের শত্রু নয়, বরং তারা একটি দেশের নিয়মের অতন্দ্র প্রহরী।
​সূর্যাস্তের সময় বাংলাদেশের পতাকার দিকে তাকিয়ে স্যালুট ঠুকলেন ক্যাপ্টেন রাশেদ। রক্তিম সূর্যের আলোয় তখন পতাকার সবুজ আর লাল রঙটা আরও উজ্জ্বল দেখাচ্ছিল। রাশেদ মনে মনে ভাবলেন—সম্পর্ক টিকে থাকে সমতা আর পারস্পরিক সম্মানের ওপর, শক্তি প্রদর্শনে নয়। মানবিকতার প্রশ্নে আমরা উদার হতে পারি, কিন্তু দেশের মর্যাদা আর সার্বভৌমত্বের বিনিময়ে কখনই নয়।
©️✍️ মোহাম্মদ মিজান
কুয়েত থেকে
০৮/০৬/২০২৬

08/06/2026

আজ আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ ভালো নেই!
চরম উৎকণ্ঠা ও নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে এদেশের মানুষ।
​আমরা সবাই জানি, ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে বাংলাদেশের তিন দিকেই ভারতের সীমান্ত আর একদিকে বঙ্গোপসাগর। অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় হলো, ভারত তিন দিক থেকে তাদের দেশের মুসলিম নাগরিকদের রাতের আঁধারে বাংলাদেশে পুশিং করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
​এমনিতেই বিগত কয়েক বছর ধরে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক তাড়িয়ে দেওয়া প্রায় দুই মিলিয়ন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছে, যা আমাদের অর্থনীতির ওপর এক বিশাল চাপ। এই পরিস্থিতিতে ভারত যদি আরও এক কোটি মুসলিম নাগরিককে আমাদের এই ছোট্ট ভূখণ্ডের দিকে ঠেলে দেয়, তবে বাংলাদেশের মানুষের কী ভয়াবহ অবস্থা হবে—তা একবার ভেবে দেখেছেন?
​আমার আহ্বান ও প্রস্তাবনা:
১. দেশের সাধারণ জনসাধারণের পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি মিডিয়াগুলোকে বিজিবির (BGB) সাথে সমন্বয় করতে হবে।
২. সীমান্তে বিএসএফের (BSF) এই অবৈধ পুশিংয়ের অপচেষ্টাকে বিশ্ব দরবারে জোরালোভাবে তুলে ধরতে হবে।
৩. সীমান্তবর্তী এলাকায় ব্যক্তিগতভাবে যার যার অবস্থান থেকে বিএসএফের এই ঘৃণ্য অপতৎপরতার ওপর কড়া নজরদারি রাখতে হবে।
​রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যে 'গাজওয়াতুল হিন্দ' সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন—পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে এটাই সেই সময়! আমরা কি তবে খুব সহসাই গাজওয়াতুল হিন্দের অংশ হতে যাচ্ছি?
​হে আমার প্রিয় মুসলিম উম্মাহ! ঈমানী চেতনায় জাগ্রত হোন, যেকোনো পরিস্থিতির জন্য নিজেকে প্রস্তুত রাখুন এবং ইমাম মাহদীর হকের কাফেলায় যোগ দেওয়ার জন্য নিজেকে মানসিকভাবে তৈরি করুন।
​—:—:—:—
✍️ মোহাম্মদ মিজান
কুয়েত থেকে
০৮/০৬/২০২৬


​​

শুনেছি কাক নাকি অন্য কাকের মাংস খায় না, তবে বিম্পি হলে ভিন্ন কথা।মুন্নী চৌধুরী সম্পর্কে যারা জানেন না তাদের বলে রাখি উনি...
08/06/2026

শুনেছি কাক নাকি অন্য কাকের মাংস খায় না, তবে বিম্পি হলে ভিন্ন কথা।
মুন্নী চৌধুরী সম্পর্কে যারা জানেন না তাদের বলে রাখি উনি একজন জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী লড়াকু সৈনিক, আওয়ামী ধর্মাবলম্বীরা যখন বিএনপির নামনিশানা মুছে দিচ্ছিলো, তখন তিনি বীরের মতো রাজপথে অবতীর্ণ হন বিএনপির পাশে।

বহু নির্যাতন জেল জুলুমের শিকার হন, নিজের জীবন যৌবনের অধিকাংশ সময় ব্যয় করেন বিএনপির জন্য রাজপথে থেকে। নিজের শিশু সন্তানকে কোলে নিয়েও রাজপথ ছেড়ে যাননি। এমনকি ২৪ শে হাসিনা পতনের আন্দোলনে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন।

আওয়ামী ধর্মাবলম্বী তার ছোট চুলের জন্য অশ্লীল গালিগালাজ করতো। আজও বিএনপির কুকুর গুলো হিজাবের জন্য তাকে গালিগালাজ করছে।

শুধুমাত্র মতের অমিল হওয়ার কারণে বিএনপির বিকৃত মস্তিষ্কের ক্ষুদার্থ কুকু র গুলো Munny Chowdhury র ১১ বছরের ছেলেকে নিয়ে এধরনের নোংরামিতে মেতে উঠলো।

বিম্পির আক্রমণ থেকে নিজ দলের লোকেরা পর্যন্ত রেহাই পাচ্ছে না। আওয়ামী ধর্মাবলম্বীরা যে পর্যায়ে আসতে ১৬ বছর সময় নিয়েছে, বিম্পি তিনমাসে সে পরিমাণ ঘৃনা অর্জন, বিম্পির ক্ষুদার্থ শুয়োর কুকুর গুলোকে ধিক্! শত ধিক্!

©️ MD. Belayet Hossain Khan

⚽ আবেগের অতীত ও চেতনার বর্তমান: ফুটবল যখন বিশ্বাসের আয়না 🌟​ছোটবেলা থেকে যখন খেলার মাঠে কিংবা টিভির পর্দায় ফুটবলের জাদু দ...
07/06/2026

⚽ আবেগের অতীত ও চেতনার বর্তমান: ফুটবল যখন বিশ্বাসের আয়না 🌟
​ছোটবেলা থেকে যখন খেলার মাঠে কিংবা টিভির পর্দায় ফুটবলের জাদু দেখতে শুরু করি, তখন থেকেই একটা দেশের প্রতি অন্যরকম এক ভালো লাগা তৈরি হয়ে গিয়েছিল। নীল-সাদা জার্সির জাদুকরী ফুটবল আর চেনা সেই আবেগ—হ্যাঁ, আর্জেন্টিনা। বু্ঝ হওয়ার পর থেকেই এই দলটাকে মনেপ্রাণে ভালোবেসেছি, তাদের জয়ে উল্লাস করেছি, আর পরাজয়ে কষ্ট পেয়েছি। এটা ছিল সম্পূর্ণ নিষ্কলুষ এক আবেগ, যা শৈশব-কৈশোর থেকে আজ অব্দি বয়ে বেড়াচ্ছি। 🇦🇷❤️
​তবে মানুষ যত বড় হয়, তার চারপাশের পৃথিবী, রাজনীতি আর মানবিকতার সমীকরণগুলো তত বেশি স্পষ্ট হতে থাকে। ফিলিস্তিনের মজলুম মুসলিম ভাই-বোনদের ওপর বছরের পর বছর ধরে চলা অন্যায়-অত্যাচারের চিত্র যখন চোখের সামনে ভেসে ওঠে, তখন হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়। 🇵🇸💔 আর যখন জানতে পারি যে আমার ভালোবাসার ফুটবল দলটি বা তাদের নীতি এই মজলুমদের পাশে দাঁড়ায় না বা তাদের সমর্থন করে না, তখন মনের ভেতরে একটা দ্বন্দ্ব তৈরি হওয়া খুব স্বাভাবিক।
​আর্জেন্টিনার প্রতি ভালোবাসাটা আমার আবেগের একটা অংশ, যা হুট করে মুছে ফেলা যায় না। কারণ ওই ভালোবাসার সাথে জড়িয়ে আছে আমার শৈশবের স্মৃতি। আমি এখনো হয়তো তাদের খেলা পছন্দ করি, কিন্তু আমার চেতনা আর বিবেকের জায়গাটা এখন অনেক বেশি পরিপক্ক। 🌱🧠
​তাই জীবনের এই পর্যায়ে এসে আমার অগ্রাধিকার বদলে গেছে। এখন আমার পছন্দের তালিকার সবার উপরে থাকবে যেকোনো মুসলিম দেশ—সেটা খেলার মাঠেই হোক আর মাঠের বাইরেই হোক। নিজের ধর্মীয় ভাইদের প্রতি সহমর্মিতা, মজলুমের প্রতি সমর্থন আর উম্মাহর ঐক্য এখন আমার কাছে শৈশবের যেকোনো ফুটবল আবেগের চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান ও অর্থবহ। 🤝🌙
​অতীতের আবেগ যেমন সত্যি, তেমনি বর্তমানের এই আত্মোপলব্ধি আরও বেশি সুন্দর এবং শক্তিশালী। ✨
​✍️ মোহাম্মদ মিজান
📍 কুয়েত থেকে

পর্তুগাল দলের সমর্থন হবো যদি আর্জেন্টিনা হেরে যায়।
06/06/2026

পর্তুগাল দলের সমর্থন হবো যদি আর্জেন্টিনা হেরে যায়।

Address

Kuwait City

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mohammed Mizan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Mohammed Mizan:

Share

Category