FARID F C

FARID F C art and entertainment

28/03/2024

জীবনে কখনো কি কোন মৃতকে গোসল করিয়েছেন? সুযোগ পেলে মৃতদের গোসল করাবেন, খুব কাছ থেকে দেখবেন মৃত্যুর পরে মানুষের দেহটা কত অসহায় হয়, মৃত্যুর পরে মানুষের মৃতদেহ কতটা ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

সুযোগ পেলে রাতে লাশ পাহারা দিবেন। তখন বুঝতে পরবেন মৃত্যুর পরে প্রিয় মানুষটার লাশ রাতের বেলা আপনার কাছে কত অদ্ভুত লাগে, কত ভয়ের কারণ হয়ে উঠে, কত আতঙ্কের কারণ হয়ে যায়।

সুযোগ পেলে মৃত ব্যাক্তির শরীরে একটু হাত লাগিয়ে কিছুক্ষণ স্পর্শ নিবেন। আপনি তখন উপলব্ধির সুযোগ পাবেন এই পৃথিবীতে বিশাল প্রভাব-প্রতিপত্তি রেখে যাওয়া মানুষগুলো মৃত্যুর পরে কত নির্জীব রূপ ধারন করে।

সুযোগ পেলে আপনজনদের লাশ কবরে নামাবেন- খুব আগ্রহ নিয়ে শেষবারের মতো মৃতদেহের মুখটি দেখার চেষ্টা করবেন এবং বারবার উপলব্ধির চেষ্টা করবেন এই মৃতদেহের সাথে অনন্তকালের যাত্রার পথে এটাই আপনার জীবনের শেষ দেখা।

জীবনে সুযোগ পেলে মাঝেমধ্যে কবরস্থানে গিয়ে নিরবে কিছুক্ষণ দাঁড়াবেন। এরপর মনে মনে চিন্তা করবেন জীবনের লাভ ক্ষতির হিসাবে এই মৃত মানুষগুলো এই পৃথিবীতে কি করে গেছেন? কাদের রেখে গেছেন? যাদের রেখে গেছেন তারা কি কখনও এই মৃত মানুষগুলোকে স্মরণ করার জন্য কবরস্থানের আশেপাশে আসে?

আমাদের সবার শরীরেই কমবেশী রক্তকণা আছে। একথা চিরসত্য যে আমাদের শরীরের প্রতিটি রক্তকণা শরীরে খুবই গুরুত্ব বহন করে। অথচ আমাদের শরীর থেকে কোন রক্তকণা বেরিয়ে গেলে সেটির যেমন কোন গুরুত্ব থাকে না তদ্রুপ আমাদের দেহ থেকে প্রাণটা বেরিয়ে গেলে আমাদের শরীরেরও অন্যের কাছে কোন মূল্য থাকে না।

আমাদের জীবনটা বড় বৈচিত্রময়। বেঁচে থাকতে আমরা এর জন্য ওর জন্য কত মায়া দেখাই, কত ভালবাসা দেখাই। এ আমার ছেলে তো সে আমার মেয়ে, এ আমার ভাই তো সে আমার বোন। অথচ মরে গেলে এই মানুষগুলোই সবার আগে তোড়জোড় শুরু করে কিভাবে মৃতকে দাফন করা যায়! কত দ্রুত মৃতকে কবরস্থ করা যায়! সেই চিন্তায় সবাই তটস্থ থাকে।

আমাদের জীবনটা আসলেই সাময়িক। এই সাময়িক জীবনটা মাত্র চল্লিশ-পঞ্চাশ-ষাট অথবা বড়জোর সত্তর বছরের সমষ্টি। অথচ এই জীবনে আমরা কখনো মৃত্যুর কথা না ভেবে কিভাবে অঢেল সম্পদ অর্জন করা যায় সেই চিন্তায় সর্বদা বিভোর থাকি।

এই পৃথিবীতে যার অঢেল সম্পদ আছে সে আরো সম্পদ চায়। যার সম্পদ নেই সে সম্পদ নেই ভেবে সর্বদা দুশ্চিন্তায় সময় কাটায়। আমাদের ১০% মানুষ ব্যতীত ৯০% মানুষেরই ধান্ধা ইহকাল আগে এবং পরকাল পরে। সম্পদ আগে এবং ইবাদত পরে।

এজন্য আমরা প্রায় সবাই দিনরাত চেষ্টা করি যে যেভাবে পারি, চুরি করে অথবা ডাকাতি করে অথবা অন্য কোন উপায়ে যাকে তাকে ঠকিয়ে যেভাবে পারি আগে সম্পদ অর্জন করি। এরপর এই অবৈধ সম্পদের অর্থে কয়েকবার হজ করে, মসজিদ মাদরাসায় বড় অংকের টাকা দান করে, গরীব এতিমখানায় খাইয়ে, বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায় দানখয়রাত করে একেবারে বেহেস্ত কনফার্ম হয়ে যাবে।

রমাদান মাসে সারা পৃথিবীর মানুষ যেখানে ইবাদত মশগুলে সময় পার করে সেখানে বাংলাদেশের অনেকেই কিভাবে একে অন্যকে ঠকানো যায় সেই চিন্তায় ব্যস্ত থাকে। আমাদের দেশে সবাই মুসল্লি। মসজিদ মুসল্লিতে ভরপুর। কিন্তু ঈমানী শক্তিতে আমাদের মনোবল খুবই দুর্বল।

আমাদের দেশে যে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, যে সর্বদা নিজেকে ইসলামি ব্যক্তি হিসাবে সবখানে জাহির করে সেও সুযোগ পেলে সাধারণ কিছু টাকা-পয়সার কাছে হঠাৎ নিজেকে হারিয়ে ফেলে। এজন্য বলি যে মৃত্যু চিরসত্য সে মৃত্যু নিয়ে আমরা খুব কমই চিন্তা করি।

আমাদের সততা সাধারণ টাকার কাছেই প্রতিনিয়ত হেরফের হয়ে যায়। অথচ মৃত্যুর পর একজন মৃত ব্যক্তির কি হিসাব নিকাশ শুরু হবে সেটি উপলব্ধি করতে পারলে আমরা কিছুতেই এত খারাপ হতাম না, আমরা কিছুতেই অন্যের হক মারার চিন্তা করতাম না, এমনকি আমরা কিছুতেই অন্যের সাথে দুর্ব্যবহারের চিন্তা করতাম না। মহান প্রভু সবাইকে এই বিষয়টি উপলব্ধির সুযোগ দিন।
আমিন আমিন আমিন
💥💚💞💚💥💚

22/03/2024

হোদায়েত জিনিসটা কি জানেন?

১. যে ছেলে/মেয়ে গান বাজনাই মেতে থাকত।
সে এখন গান বাজনা শুনে না হারাম মনে করে এটাই হেদায়েত।

২. যে ছেলে/ মেয়ে মুভি নাটক নিয়ে পড় থাকতো সে এখন হারাম মনে করে বিরত থাকে এটাই হেদায়েত।

৩. যে ছেলে /মেয়ে প্রেম ভালবাসায় মেতে থাকত সে এটাকে এখন জিনা মনে করে বিরত থাকে এটাই হেদায়েত

৪. যে ছেলে/ মেয়ে এক ওয়াক্ত নামাজ পড়লে তিন ওয়াক্ত পড়ত না এখন পাঁচ ওয়াক্ত ও তাহাজ্জুদ পড়ে এটাই হেদায়েত

৫. যে রাতে অন্ধকারে পর্নগ্রাফিতে আসক্ত ছিল এখন এটা জিনা মনে করে বিরত থাকে আল্লাহকে দৃষ্টি বাহির নয় সে এটা জানে ভয় করে এটাই হেদায়েত

৬. যে বন্ধু বান্ধব অহেতুক আড্ডা মেতে থাকত দুনিয়া নিয়ে পড়ে থাকত এখন আজান হলে সে মসজিদে চলে যায় এটাই হেদায়েত।

৭. অন্তরে আল্লাহর ভয় অনুভব করা এটাই হেদায়েত।

৮. কেউ মূর্তি পূজা বা অন্য জাতির ছিল সে ইসলাম চিনতে পেরেছে এটাই হেদায়েত।

৯. নিজের ইচ্ছাকে বাতিল করে আল্লাহর আদেশ মান্য করা এটাই হেদায়েত।

১০. নিজে মেনে অপরকে আল্লাহ বানী শুনানো আল্লাহর পথে ডাকা এটাই হেদায়েত।

১১. যে ছেলেটা মেয়ে দেখলে তাকিয়ে থাকত আজ তার দৃষ্টি নিচু এটাই হেদায়েত।

১২. যে মেয়ে পর্দা করত না এখন সে পর্দা করে এটাই হেদায়েত।

১৩. যে ছেলে/মেয়ে কুরআন পড়তো না সে এখন কুরআনে আল্লাহ কি বলেছেন তা খুজতে শুরু করে এটাই হেদায়েত।

১৪. যার চাওয়ার শেষ ছিল না আজ সে সন্তুষ্ট আল্লাহর ফয়সালার উপরে এটাই হেদায়েত।

১৫. যে মৃত্যুকে স্মরণ করত না এখন যে মৃত্যুর পর কবর ও জাহান্নামের শাস্তি থেকে মাফ চায় এটাই হেদায়েত।

১৬. যে হারাম উপার্জন ছেড়ে হারাম চাকরির অফার ছেড়ে দিয়ে হালাল খুজার কষ্ট করে এটাই হেদায়েত।।

১৭. যে আমানতের খেয়ানত হবে বলে ভয় পায় সাবধানে অপরে জিনিস রাখে এটাই হেদায়েত।
_______ _______

( মৃত্যু...❗

মৃত্যু আসিতেছে...❗
যেকোনো সময়...❗
যেকোনো জায়গায়...❗যেকোনো অবস্থায়...❗
আমাকে থামিয়ে দিবে...❌

অথবা
আমার প্রিয়জনকে আমার থেকে কেড়ে নিবে...❌

আমি কি তৈরি...❓

আসুন আল্লাহকে ভয় করি... মৃত্যুকে স্মরণ রেখে পথ চলি... সুন্নতি জীবন গড়ি...)

-------------

{ প্রতিনিয়ত ঈমান আমল সংক্রান্ত দ্বীনি এরকম ভিন্ন ভিন্ন উপকারী পোস্ট পেতে নিচের লিংকে জয়েন থাকুন।
‼️
https://chat.whatsapp.com/BUJEEcQp6m84cd2rErJMjO

20/03/2024

_*দেশ কেন বিজেপিকে হারাতে চায়?*_

_*অনুগ্রহ করে এটি আপনার সমস্ত গ্রুপ, পরিচিত এবং সম্পর্কিত লোকেদের কাছে পাঠান। জনপ্রতি কমপক্ষে 1000 জনকে পাঠানোর লক্ষ্য। আপনার পদক্ষেপের প্রভাব হবে যে এটি এক সপ্তাহে 10 কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে এবং নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সময় এটি 140 কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে।

🔴 গান্ধীবাদীরা চায় বিজেপি হারুক।
🟡আম্বেদকরীরা চায় বিজেপি হারুক।
🔵সাংবিধানিকরা চায় বিজেপি হারুক।
🟢 ধর্মনিরপেক্ষ ভারতীয়রা চায় বিজেপি হারুক,
🔴 গরীবরা চায় বিজেপি হারুক।
🔵 আদিবাসীরা চায় বিজেপি হারুক।
ওবিসিও চায় বিজেপি হারুক।
🟢 শিখরা চায় বিজেপি হারুক।
🣣 খ্রিস্টানরা চায় বিজেপি হারুক।
🟢 মুসলিমরা চায় বিজেপি হারুক।
🟡 দরিদ্র শ্রমিক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা বিজেপিকে হারাতে চায়।
🟢 বেকাররা চায় বিজেপি হারুক।
🟠 দেশের কৃষকরা চায় বিজেপি হারুক।

_*কিন্তু কেন তারা সবাই এটা চায়?*_

*কারণ... বিজেপি চরিত্রের দিক থেকে সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক এবং ভারতের সংবিধান মেনে চলার জন্য কোনো দৃঢ় পদক্ষেপ নেয়নি। বরং সর্বক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে এবং মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনগণকে প্রতারণা করেছে। যেমন*

● ২ কোটি চাকরি/বছর দেওয়া হয়নি,

● পেট্রোল প্রতি লিটার ৩৫ টাকায় দেওয়া হয় না,

● নারীদের নিরাপত্তা ও নিরাপত্তা দেয়নি,

● কালো টাকা ফেরত আনবেন না,

● ক্রনি পুঁজিবাদীদের শক্তিশালী করেছে,

● বিচার ব্যবস্থায় বাধা সৃষ্টি করেছে

● মিডিয়া হাইজ্যাক,

● বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচক খারাপ হয়েছে,

● দারিদ্র্য সূচক আরও খারাপ হয়েছে।

● বিশ্ব শান্তি সূচকের অবনতি হয়েছে,

● গণতন্ত্র স্বৈরাচারে রূপান্তরিত হয়েছে,

● রাজনীতিতে ভরা অপরাধী, ধর্ষক ও দুর্নীতিবাজ নেতা,

● মিডিয়া মিথস্ক্রিয়া শূন্যে নেমে এসেছে,

● সম্পদ গুটিকয়েক লোকের হাতে কেন্দ্রীভূত,

● প্রকৃত নেতাদের পরিবর্তে, আপনি পুত্র এবং কন্যাদের উন্নীত করেছেন:

● জাফরানিকৃত ইতিহাস,

● শিক্ষার জাফরানিকরণ,

● জাফরান সিনেমা,

● জাফরানাইজড ক্রিকেট,

● অপরিকল্পিত বিমুদ্রাকরণের পরে বিশৃঙ্খলা এবং জীবন ও সম্পত্তির ক্ষতি,

● অপরিকল্পিত লকডাউন, বিশৃঙ্খলা এবং কর্মীরা পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরছেন,

● ঘৃণামূলক বক্তব্য বৃদ্ধি,

● লিঞ্চিং, দাঙ্গা

● সন্ত্রাসী গডসের উন্মুক্ত প্রশংসা ও পূজা,

● কোভিডের সময়, যখন দেশে ভ্যাকসিনের প্রয়োজন ছিল, তখন ভ্যাকসিনটি প্রাথমিকভাবে বিনামূল্যে দেওয়া হয়নি এবং বিদেশে পাঠানো হয়েছিল,

● ট্রেনে শুটিং,

● বুলডোজার, মিছিল ও গুন্ডাবাজির কারণে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে,

● মহিলা কুস্তিগীরদের অপমান করা হয়েছিল,

● কৃষকদের প্রতিবাদকে দেশবিরোধী বলে আখ্যায়িত করা হয়,

● লজ্জিত হল মণিপুর,

🔴প্রধানমন্ত্রী প্রকাশ্যে মিথ্যা ও নির্লজ্জ কথা বলে দেশকে বিভ্রান্ত ও বিব্রত করেছেন।

🔵এবং নিজের প্রতিশ্রুতিকে 'জুমলা' আখ্যা দিয়ে দায়িত্ব পরিত্যাগ করেছেন।

*তাই*

*আমাদের এবং জাতীয় স্বার্থে এটা নিশ্চিত করতে হবে যে যারা 'সংবিধান বিদ্বেষী' তারা পরাজিত হয়।*

2024 সংবিধান, 🇮🇳
2029 হ্যাঁ, শুধুমাত্র সংবিধান 🇮🇳

2034 ভারতের সংবিধান 🇮🇳
এবং তার পরেও...
সংবিধান, সংবিধান এবং সংবিধান প্রচার

আপনার আশেপাশের অন্তত 10-12 জন লোককে আপনার নিজস্ব উপায়ে সচেতন করুন এবং জাতীয়তাবাদী ভোটারদের *ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র ভারতের* জন্য ভোট দিতে অনুপ্রাণিত করুন।

*আমাদের শিশুদের একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ভারত দেখতে হবে, ভারতকে ঘৃণার আগুনে জ্বলতে নয়।*

*অধিকাংশ মানুষের জীবন তলিয়ে যাচ্ছে, সন্ধ্যা শেষ হতে চলেছে কিন্তু এই প্রবীণ প্রজন্মকে যে কোনো উপায়ে তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।*

*ভারতের জন্য একটি সংবিধান তৈরি করা আমাদের, ভারতের জনগণের কর্তব্য।*

*আমাদের আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য যেকোনো মূল্যে দিতে হবে:-*

*নিরাপদ সমাজ*
*নিরাপদ জীবন*
*সুরক্ষিত ভবিষ্যত*

*জয় সংবিধান, জয় ভারত*

আমাদের প্রিয় ভাই M***i mahabub ভাইজান পাগড়ি পেয়েছেন। আমরা সকলে দোয়া করি আল্লাহ তায়ালা উনাকে নেক হায়াত ও সুস্থতা দা...
04/02/2024

আমাদের প্রিয় ভাই M***i mahabub ভাইজান পাগড়ি পেয়েছেন। আমরা সকলে দোয়া করি আল্লাহ তায়ালা উনাকে নেক হায়াত ও সুস্থতা দান করেন এবং দ্বীনের দাঈ হিসাবে কবুল করেন। আমিন

01/07/2023
15/05/2023

🤲আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে ঘুর্নিঝড় ⛈️"মোখা" থেকে হেফাজত করুন । আমিন

Address

Tamluk
MATHURI

Telephone

+919735177715

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FARID F C posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to FARID F C:

Share