25/10/2025
নদী দেখলেই 'মা গঙ্গা, মা গঙ্গা'। সেই শোকে হয়তো চূর্ণি নদী অনেক কুচরিপানা জমা করে আত্মহত্যার চেষ্টা করছে। সহায়তার জন্য বিশাল মানব নির্মিত সেতুটি তো আছেই। কিন্তু তা আর হবার নয়, আষাঢ়-শ্রাবণের বৃষ্টি তার স্বপ্নতে জল ঢেলে দিয়েছে। প্রবল স্রোতে ভেঙে ভেঙে আলাদা করছে পানাগুলি। তবে এই কচুরিপানাই যেন তাকে নতুন জীবনদান করেছে। টলটলে পরিষ্কার জল।
নদীর উপর থেকে তলদেশ কাচের মতো স্বচ্ছ।
কালিনারায়নপুর জংশন-এর পাশেই এই নদীটি। নদীর উপরের সেতুটিই যেন নদীটির ২ ভাগ করে দিয়েছে। একদিকে কচুরিপানাতে ভর্তি এবং অপরদিকে স্বচ্ছ জল। নদীর ওপরের সেতুটি প্রাথমিক ভাবে রেল চলাচল এবং তারপর মানুষের নদী পারাপারের জন্য নির্মান করা। তবে এটি মূল রাস্তার মাথে যুক্ত না থাকার জন্য সবর্দা জনশূন্যই থাকে।
সেতুটি নদীর সুন্দর দৃশ্য উপভোগ করার জন্য দারুন স্থান।
তবে এই সুন্দর নদীর দৃশ্যের সাথে আমি সামান্য বৃষ্টিও উপভোগ করার সুযোগ পেয়েছিলাম।
মেঘে ভরা আকাশ , হালকা বৃষ্টি, মৃদু বাতাস এবং স্বচ্ছ নদী স্বর্গের দৃশ্যের সমান।
সেতুটির পাশে নদীর ধারে একটি বড়গাছ নদীটার দিকে ঝুঁকে আছে। নদীর মাছগুলি যেন এটিকে বলেছে- "ওহে মহাশয়, আমাদেরও একটু ছায়া দিন, নদীর জল নিচ্ছেন পরিবর্তে কিছু দেবেন না?! স্বার্থপর মানুষগুলিকে আপনি ছায়াও দেবেন , আবার ওরা আপনার প্রাণও নেবে। "
নদীর পাড়ের স্থির জল স্ফটিকের মতো স্বচ্ছ, গাছের শিকড়গুলি যেন নদীর গভীরতায় হারিয়ে গিয়েছে।"
এত কিছু দেখার পর, বাড়ি ফেরার পথে নদী দেখে ট্রেন থেকে নেমে পড়া সেই নদেরচাঁদ যেন স্বস্তি পেয়েছে।
কলমে : অর্ক
ছবি : সংগৃহীত
Post no. 1087