27/07/2026
"সন্ধ্যার চা "
সূর্যমুখী কলেজের নতুন ছাত্র অর্জুন আর এক ছাত্রী তিয়াশা পড়ত। ওরা 2 জন এই পড়াশোনাতে ভালো ছিল। একদিন কলেজর একটা অনুষ্ঠানে তাদের সামনা সামনি দেখা হয়। তিয়াসা পিংক কালারের একটা শাড়ী পরে খুব সুন্দরী লাগছিল তখন সে অর্জুনে দিকে তাকাই আর চোখে চোখ পড়ে। তখন থাকে অর্জুন তাকে ভালোবাসে ফেলেছে। সে তীয়াশা কে নোটিস করতে থাকে। তিয়াশা রোজ লাইব্রেরি তে যায় আর তাকে দুর থেকে দেখত , কাছে গিয়ে কথা বলার সাহস তার ছিল না ।এইরকম করার কয়দিন পর অর্জুন তার বই এর ভিতরে একটা চিরকুট রাখে দেয়। তীয়াসা সেটা দেখে আর মনে মনে খুশি হয় কারণ অর্জুন কে তার ভালো লাগতো । চিরকুট এ লিখা ছিল বিকেলে কলেজ ক্যাম্পাস এ আসো কিছু দরকার আছে । টিয়াসা টাইম এ চলে আসছে ।
তিয়াশা : বলো কি বলবে ?
অর্জুন : তোমার নোটস গুলো দিবে ?
তিয়াশা : হ্যাঁ। কেনো দেবো না।
অর্জুন : চলো এক কাপ করে চা হয়ে যাক।
তিয়াস: চলো।
এরপর তারা চা খেতে খেতে । অর্জুন বলে উঠে তোমাকে সেই খুব সুন্দরী লাগছিল। তোমার হাসি টাও দারুন এইভাবেই হাসতে থাকবে চিরজীবন।
তারপর তারা প্রতিদিন চা খাতে আসতো । আর তারা একে অপরকে ভালবাসে ফেলেছে কিন্তু কেউ প্রোপোজ কেও করে নি ।
হঠাৎ করেই একদিন তিয়াশা কলেজ , বিকেলে স্ক্যাম্পাস আসা বন্ধ করে দিলো।কোনো কল কোনো ম্যাসেজ দিলো না সে। কিন্তু অর্জুন তার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলো।
এইভাবে এক মাস পর হঠাৎ একটি ম্যাসেজ আসে আজ রাতে ছাদে দেখা করবে ।
অর্জুন এইদিকে অপেক্ষা করে করে কোনো রকম কাটাইছে। তার কাছে তিয়াশা একটাও ফটো ছিল না।তাই তার ওয়ালপেপার "T"লিখেছে ।
রাত এ ছাদে তীয়াশা তার ওয়ালপেপার এ "T"দেখে আর জিগাস করে এর মানে কি ।তখন অর্জুন তাকে প্রোপোজ করে "আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি "।তাই"T" লিখেছি মনে চা এর কথা । তিয়াসা ও মেনে নেয় আর তারা আকন দুজন ওয়ালপেপার,নোট,স্টরি দেয় সব "T" দিয়ে।এইভাবেই একদিন মেয়েটা job পাই তার পর কিছু দিন এর মধ্যে ছেলে টাও জব করে।আর বিয়ে করে সুখে সংসার করছে ।