Paikar Quiz Circuit and Cultural Community

Paikar Quiz Circuit and Cultural Community আমরা নতুন যৌবনেরই দূত

সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে শুভজিৎ মিত্র পরিচালিত " দেবী চৌধুরানী" ছবির ফার্স্ট লুক, যেখানে দেবী চৌধুরানির চরিত্রে অভিনয় কর...
04/04/2024

সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে শুভজিৎ মিত্র পরিচালিত " দেবী চৌধুরানী" ছবির ফার্স্ট লুক, যেখানে দেবী চৌধুরানির চরিত্রে অভিনয় করবেন শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি । এছাড়াও এই ছবিতে ভবানী পাঠকের চরিত্রে থাকবেন প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি । আগামী পুজোয় এই ছবিটি সিনেমাহলে মুক্তি পাবে, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই যথেষ্ট ক্রেজ তৈরি হয়েছে । উল্লেখ্য , "দেবী চৌধুরানী" সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস ।

এরকম আরও খুঁটিনাটি তথ্য জানতে আমাদের পেজ টি অবশ্যই ফলো করুন.....

31/03/2024

২০২৪ সালে নিজের ২৫০ বছর পূর্ণ করলো কলকাতার জেনারেল পোস্ট অফিস বা জিপিও। আর এই উপলক্ষেই জিপিও র জানা অজানা খুঁটিনাটি ইতিহাস নিয়ে আমাদের নিবেদন ।( সোর্স: বর্তমান পত্রিকা ) এরকমই আরও তথ্য জানতে অবশ্যই লাইক করুন আমাদের এই পেজ টি......
শহরের বুক থেকে ইংরেজদের পুরনো কেল্লার সীমানা মুছে গিয়েছে কবেই। ফিকে হয়ে এসেছে নবাব সিরাজদ্দৌলার কলকাতা আক্রমণ, প্রথম যুদ্ধজয় এবং অন্ধকূপ হত্যার স্মৃতি।।

এমনটাই যে হবে, আগেই অনুমান করতে পেরেছিল হস্ত ইন্ডিয়া কোম্পানি ও ইংরেজরা। আর তাই তো সেই কালো অতীত আগলাতে জন্ম হয় কলকাতার প্রথম ডাকঘরের, জিপিও) পুরনো কেল্লা বা ওল্ড ফোর্ট উইলিয়ামের একেবারে সীমানায়।

কলকাতার অফিসপাড়া এবং ধর্মতলা চত্বরে ঐতিহ্যবাহী প্রাসাদোপম বাড়িগুলির প্রায় প্রতিটির সঙ্গেই জড়িয়ে আছে কিছু না কিছু জমকালো ইতিহাস। সেই তালিকায় সবচেয়ে আলোচিত নাম জিপিও। কারণ, তার সঙ্গে যতটা না সোনালি ইতিহাস জড়িয়ে, ততটাই জমাট বেঁধে আছে কালচে বিতর্ক। তার কতটা সত্যি, কতটাই বা মন গড়া, তার নিয়ে বিতর্ক আছে। কিন্তু তাতে ঝলমলে ঐতিহাসিক কাহিনির রং চটেনি এতটুকু।

আসা যাক গোড়ার কথায়। আমরা সবাই জানি, ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজকে পরাস্ত করে ভারতে প্রথম বিজয় নিশান ওড়ায় 'ব্যবসায়ী' ইংরেজরা। অথচ তার বছর ষাটেক আগেই বাংলা দখলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়েছিল। ১৬৮০

সালের পর থেকে কোম্পানির কর্তারা আবদার জানিয়ে আসছিল, 'কলিকাতার' বুকে একটি দুর্গ গড়বে। কিন্তু তাতে

কাজ হয়নি। জোব চার্নকের মৃত্যুর পরে ১৬৯৩ সালে এদেশে আসেন স্যার জন গোল্ডসবরো। দিল্লির সুলতানদের অন্ধকারে

রেখে তিনিই হাত লাগান দুর্গ তৈরির কাজে। একদিকে গঙ্গা, অন্যদিকে লালদিঘি এমনই একটি মনোরম জায়গা খুঁজে নিয়ে শুরু হয় কাজ। যোড়শ শতাব্দী শেষের আগেই মাথা তুলে দাঁড়ায়। সেই মাটির কেল্লা। ১৭০০ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ সম্রাট তৃতীয় উইলিয়ামের নামে তার নাম রাখা হয় ফোর্ট উইলিয়াম।

ব্যবসা করতে এসে দুর্গ গড়ার কী দরকার? এই প্রশ্ন বারবার ইংরেজদের করেছিলেন নবাব আলিবর্দি খাঁ। কিন্তু পাত্তা দেয়নি ব্রিটিশরা। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা বাড়িয়ে যায় কেল্লার পরিসর, আকার। বিষয়টি একেবারেই ভালো চোখে নেননি আলিবর্দি খাঁর দৌহিত্র সিরাজদ্দৌলা। ওই দুর্গ ভাঙাকে তিনি পাখির চোখ করেন। ইতিমধ্যে আলিবর্দির মৃত্যু হয়

এবং সিরাজ মসনদে বসেন। ইংরেজদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক গোড়া থেকেই ছিল তেতো। নবাবের বিরুদ্ধে স্থানীয় জমিদারদের খেপিয়ে তোলার দায়িত্ব নিয়েছিল ব্রিটিশরা। তাই যুদ্ধ ছিল শুধু সময়ের অপেক্ষা। আর অজুহাত তো ছিলই, ফোর্ট উইলিয়াম। ১৭৫৬ সালের ১৬ জুন সিরাজ হাজির হলেন 'কলিকাতায়'। সঙ্গে ৩০ হাজার সৈন্য। অতর্কিত আক্রমণে দিশাহারা হয়ে পড়ে ব্রিটিশরা। তাই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হল না। ইংরেজদের অনায়াসে। পরাজিত করে ফোর্ট উইলিয়মের দখল নেন সিরাজ।

ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির এক কর্মী ছিলেন হলওয়েল। তাঁর বর্ণনা অনুযায়ী, ছত্রখান ইংরেজদের যে ক'জনকে নাগালে পায় সিরাজের সেনা, তাদের গুঁজে দেওয়া হয়েছিল কেল্লারই একটি ছোট কুঠুরিতে। ১২৩ জনকে সেখানে রেখে, বাইরে থেকে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় ফোর্ট উইলিয়ামে। আগুনের হল্কা আর গোঁয়ায় শ্বাসকষ্টে প্রাণ হারিয়েছিলেন ১০০ জন। বেঁচে ফেরেন যে ক'জন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলওয়েল। সেই ঘটনাই ইতিহাসে অন্ধকূপ হত্যা নামে কুখ্যাত। যদিও সেই ঘটনা আদৌ ঘটেছিল কি না, সেবিষয়ে যথেষ্ট সন্দিহান এদেশের ইতিহাসবিদরা।

বিষয়টিকে হলওয়েলের নিছক কষ্টকল্পনাও মনে করেন অনেকে। এর এক বছরের মধ্যেই অবশ্য পলাশীর যুদ্ধ। ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

পলাশীর যুদ্ধ জয়ের পর যখন ইংরেজদের মানদণ্ড রাজনকে পরিণত হয়েছে, তখনও তাদের মাথায় ঘুরছিল পুড়ে যাওয়া কেল্লার কথা। সেটিকে অন্যত্র সরানোর চিন্তা শুরু হয়। গাঙ্গার আরও একটু দক্ষিণে গড়ে ওঠে সেই দুর্গ, আজকের ফোর্ট উইলিয়াম। যদিও প্রায় ১০০ বছর আগে ধসে হওয়া পুরনো

কেল্লার জমি থেকে নজর সরেনি ব্রিটিশদের। স্থির হয়, ওখানে এমন একটি স্থাপত্য গড়া হবে, যা চমকে দেবে সবাইকে।

ইতিহাস বলছে, কলকাতায় ডাক্যর ব্যবস্থা চালু হয় সম্ভবত ১৭২৭ সালে। বর্তমানে যেখানে সেন্ট অ্যান্ড্রু'জ চার্চ, সেখান থেকে দেওয়া হতো পরিষেবা। তবে কোম্পানির ব্যবসা ও প্রশাসনিক কাজকর্মে স্থিতি আনতে যোগাযোগ ব্যবস্থা পাক। করার প্রয়োজন অনুভব করেছিলেন নার্ড ক্লাইভ। তাই ঢাক ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজার উদ্যোগ নেন। নির্দেশ দেন, চিঠি বাছাইয়ের কাজ হবে 'গভর্নমেন্ট হাউস' থেকে। কিন্তু তার কোনও নির্দিষ্ট ঠিকানা ছিল না। বাংলার গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংসেই প্রথম জেনারেল পোষ্ট অফিস বা জিপিও চালুর সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর উদ্যোগে ১৭৭৪ সালের ৩১ মার্চ ফোর্ট উইলিয়াম থেকে পথ চলা শুরু করে জিপিও। কিন্তু সেটা স্থায়ী জায়গা ছিল না। কোর্ট, মার্চ লেন, চৌরঙ্গী, ব্যাঙ্কশাল স্ট্রিটের ঠিকানা বদল হতে থাকে সেই ডাকমরের। এদিকে যত দিন এগায়, তত বাড়তে থাকে চিঠিপত্রের বহর। ব্রিটিশ সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, স্থায়ী ঠিকানা দিতে হবে জিপিওকে। প্রাথমিকভাবে বাছা হয়

এসপ্ল্যানেড এলাকাকে। কিন্তু বেঁকে বসে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। তারা যুক্তি দেখায়, ওই এলাকা শহরের ফুসফুস। শহরের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে তা ফাঁকা রাখতে হবে। দুর্গের কাছাকাছি হওয়ায়

এব্যাপারে আপত্তি ছিল ব্রিটিশ সেনারও। অবশেষে সিদ্ধান্ত হয়, পুরনো কেল্লার জমিতেই গড়া হবে জিপিও।

বর্তমানে জিপিও ভবনটি উদ্বোধন হয় ১৮৬৮ সালে। সিরাজদ্দৌলার সেনা আগুন লাগিয়ে যে এলাকা পরিত্যক্ত

করেছিল, ঠিক সেখানেই। দোতলা সমান বাড়ি, বিশাল করিন্থিয়ান থাম, মাথার উপর বিশাল গম্বুজ, ভিতরে পাক খাওয়া

সিঁড়ির নকশা করেছিলেন তৎকালীন ভারত সরকারের আর্কিটেক্ট ওয়াল্টার গ্রামভিল। খরচ পড়েছিল প্রায় ছ'লক্ষ

টাকা। ১৮৮৪ সালে জিপিওর দরজার উপরে লাগানো হয় একটি ফলক। তাতে লেখা ছিল-ঠিক সামনে পাথরের ফুটপাতের নীচেই ছিল সেই অন্ধকূপ। ফলকটি অবশ্য এখন আর সেখানে নেই। অন্য সবের মতো তার ঠাঁই হয়েছে পোস্টাল মিউজিয়ামে। ভবনটি রয়ে গিয়েছে স্বমহিমায়। একসময় যেখানে প্রথমবারের জন্য যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিল ইংরেজরা, ঠিক সেখানেই, গত দেড়শো বছরেরও বেশি সময় ধরে।

Address

Paikar
Murarai
731221

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Paikar Quiz Circuit and Cultural Community posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share