NUR Hailakandi

NUR Hailakandi Assalamu Alaikum, I am speaking from Hailakandi Lala, Assam, India.

My YouTube channel AL NUR TV and page NUR Hailakandi, the main purpose of opening is to highlight the beauty of the words of Allah, the Qur'an and the hadith of the Messenger of

🌙 الوداع ماہِ رمضان اور عید الفطر کی مبارکباد 🌙بسم اللہ الرحمن الرحیمآج 30 رمضان المبارک ہے، الوداع اے ماہِ صیام! رحمتوں...
19/03/2026

🌙 الوداع ماہِ رمضان اور عید الفطر کی مبارکباد 🌙

بسم اللہ الرحمن الرحیم
آج 30 رمضان المبارک ہے، الوداع اے ماہِ صیام! رحمتوں، مغفرتوں اور جہنم سے آزادی کا یہ مقدس مہینہ اب ہم سے رخصت ہو رہا ہے۔ ایک مومن کے دل میں آج جہاں عید کی خوشی ہے، وہیں رمضان کے گزر جانے کا گہرا افسوس اور صدمہ بھی ہے۔
😔 رمضان کی رخصتی کا افسوس
حدیث شریف میں آتا ہے کہ رسول اللہ ﷺ نے فرمایا:
"وہ شخص تباہ ہو گیا، جس نے رمضان کا مہینہ پایا اور اپنی مغفرت نہ کروا سکا۔" — (صحیح ابن حبان)
اے اللہ! کیا ہم نے اپنے گناہوں کی معافی مانگ لی؟ کیا ہمارا نام آپ کے محبوب بندوں کی فہرست میں شامل ہو گیا؟ یہ افسوس ہمارے ہر سانس میں ہونا چاہیے۔ رمضان ختم ہو رہا ہے، لیکن رمضان کی تعلیمات (نماز، تلاوت، تقویٰ) باقی 11 مہینے بھی ہمارے ساتھ رہنی چاہئیں۔
📖 قرآنِ پاک کا اعلان
اللہ تبارک و تعالیٰ کا ارشاد ہے:
"تاکہ تم (رمضان کی) گنتی پوری کرو اور اللہ کی عظمت بیان کرو اس لیے کہ اس نے تمہیں ہدایت دی ہے، اور تاکہ تم شکر گزار بنو۔" — (سورہ البقرہ، آیت: 185)
یہ آیت ہمیں سکھاتی ہے کہ رمضان کے اختتام پر ہمارا کام اللہ کی 'تکبیر' بلند کرنا اور اس کا بے پناہ شکر ادا کرنا ہے۔
🎉 انعام کا دن: عید الفطر
رمضان کے بعد عید کا مطلب صرف شیر خورمہ، نئے کپڑے یا عیدی نہیں ہے؛ عید دراصل اس مومن کے لیے ہے جس کے روزے اور تراویح قبول ہو گئے ہوں۔ رسول اللہ ﷺ نے فرمایا:
"عید کے دن فرشتے راستوں کے موڑ پر کھڑے ہو کر پکارتے ہیں—اے مسلمانوں! چلو اس مہربان رب کی طرف، جس نے تمہیں نیک اعمال کی توفیق دی اور اس کے بدلے میں عظیم انعام عطا فرمائے گا۔" — (طبرانی)
🤝 زکریا احمد چودھری کی طرف سے خصوصی پیغام
میں اپنے تمام دوستوں، ہائلہ کانڈی اور راجیشور پور کے باسیوں، اور دنیا بھر کے مسلم بھائی بہنوں کو عید الفطر کی مبارکباد پیش کرتا ہوں۔
تَقَبَّلَ اللہُ مِنَّا وَمِنْکُمْ (اللہ ہمارے اور آپ کے تمام نیک اعمال قبول فرمائے)۔
آئیں، عید کی اس خوشی میں ہم اپنے آس پاس کے غریبوں، یتیموں اور مساکین کو نہ بھولیں۔ خاص طور پر ان لوگوں کی مدد کریں جو کسی وجہ سے پریشان حال ہیں۔
منجانب و طالبِ دعا:
زکریا احمد چودھری (ZAKARIA AHMED CHOUDHURY)
راجیشور پور (تیسرا حصہ)، ہائلہ کانڈی، آسام۔

اتحادِ امت: عقائد کا فرق اور صیہونی جارحیت کے خلاف موقفبِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ"اور اللہ کی رسی کو سب مل کر...
01/03/2026

اتحادِ امت: عقائد کا فرق اور صیہونی جارحیت کے خلاف موقف
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
"اور اللہ کی رسی کو سب مل کر مضبوطی سے تھام لو اور تفرقہ میں نہ پڑو۔" — (سورہ آل عمران: ۱۰۳)
آج یہ خبر موصول ہوئی ہے کہ ایران کے سپریم لیڈر آیت اللہ علی خامنہ ای اسرائیل کے ایک بزدلانہ حملے میں جاں بحق ہو گئے ہیں۔ اگرچہ اہل سنت والجماعت کے ناطے ہمارے اور شیعہ عقائد کے درمیان بنیادی اور اصولی اختلافات موجود ہیں، لیکن جب اسلام دشمن طاقتیں (اسرائیل اور امریکہ) کسی مسلمان ملک یا رہنما پر حملہ کرتی ہیں، تو یہ پوری امتِ مسلمہ کے لیے لمحہ فکریہ ہے۔
۱. عقیدے کا تحفظ:
ہم اپنے اہل سنت والجماعت کے عقیدے اور صحابہ کرام (رضی اللہ عنہم) کی عظمت پر سختی سے قائم ہیں۔ عقائد کے معاملے میں ہمارا موقف واضح ہے اور اس پر کوئی سمجھوتہ نہیں ہو سکتا۔ اللہ تعالیٰ کا ارشاد ہے:
"اور تم ان لوگوں کی طرح نہ ہو جانا جو فرقوں میں بٹ گئے اور روشن نشانیاں آنے کے بعد بھی اختلاف کیا۔۔۔" — (سورہ آل عمران: ۱۰۵)
۲. مشترکہ دشمن کے خلاف اتحاد:
عقائدی اختلافات اپنی جگہ، لیکن جب بات فلسطین، مسجدِ اقصیٰ اور مسلمانوں کے خلاف اسرائیلی و امریکی مظالم کی ہو، تو پوری امت کو ایک ہونا پڑے گا۔ رسول اللہ ﷺ نے فرمایا:
"مومن ایک دوسرے کے لیے ایک عمارت کی طرح ہیں، جس کا ایک حصہ دوسرے حصے کو مضبوط کرتا ہے۔" — (صحیح بخاری: ۴۸۱)
۳. اسرائیل اور امریکہ کا ظلم:
اسرائیل اور امریکہ طویل عرصے سے مسلمانوں کا خون بہا رہے ہیں۔ ان کی جارحیت کے خلاف آواز اٹھانا ہر مسلمان کا ایمانی فریضہ ہے۔ قرآن پاک میں ظالموں کے خلاف سخت وعید آئی ہے:
"اللہ تمہیں صرف ان لوگوں سے دوستی کرنے سے منع کرتا ہے جنہوں نے دین کے معاملے میں تم سے جنگ کی اور تمہیں تمہارے گھروں سے نکالا۔۔۔" — (سورہ الممتحنہ: ۹)
ہمارا مطالبہ:
ہمیں اپنے صحیح سنی عقیدے پر قائم رہتے ہوئے بھی ظالم طاقتوں کے خلاف متحد ہونا چاہیے۔ اللہ تعالیٰ تمام مظلوم مسلمانوں کی حفاظت فرمائے اور فلسطین و لبنان کو صیہونی قبضے سے آزادی عطا فرمائے۔
اے اللہ! مسلمانوں کے درمیان ایمانی اتحاد پیدا فرما اور دشمنانِ اسلام کو نیست و نابود کر دے۔ آمین۔

🚫 آن لائن جوا اور سٹہ بازی: ایمان اور مال کی تباہی! 🚫بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِآج کل ہمارے موبائل فونز پر مخت...
27/02/2026

🚫 آن لائن جوا اور سٹہ بازی: ایمان اور مال کی تباہی! 🚫
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
آج کل ہمارے موبائل فونز پر مختلف قسم کے پرکشش میسجز (جیسے Urban Matka وغیرہ) آتے ہیں، جن میں کم پیسوں میں زیادہ منافع کا لالچ دے کر آن لائن جوا یا سٹہ کھیلنے کی دعوت دی جاتی ہے۔ یاد رکھیں، یہ نہ صرف آپ کے پیسے برباد کرتا ہے بلکہ آپ کے ایمان کو بھی خطرے میں ڈال دیتا ہے۔
۱. قرآن مجید کا حکم:
اللہ تعالیٰ نے واضح طور پر جوئے کو شیطان کا ناپاک کام قرار دیا ہے۔ ارشاد باری تعالیٰ ہے:
"اے ایمان والو! بیشک شراب، جوا، بت اور فال نکالنے کے تیر، یہ سب شیطان کے ناپاک کام ہیں۔ لہٰذا ان سے بچو تاکہ تم کامیاب ہو جاؤ۔" (سورہ المائدہ، آیت: ۹۰)
۲. حرام کمائی کی تباہی:
نبی کریم ﷺ نے فرمایا کہ وہ جسم جنت میں داخل نہیں ہوگا جس کی پرورش حرام مال سے ہوئی ہو۔ جوئے سے حاصل ہونے والی رقم مکمل طور پر حرام ہے۔
۳. جوئے کے نقصانات:
خاندانی بربادی: جوئے کی لت انسان کو کنگال کر دیتی ہے اور ہنستے بستے گھر اجڑ جاتے ہیں۔
ذہنی دباؤ اور گناہ: شروع میں فائدہ دکھا کر آخر میں انسان کو بڑے قرضوں کے جال میں پھنسا دیا جاتا ہے، جو بسا اوقات خودکشی کا سبب بنتا ہے۔
ہماری اپیل:
اگر آپ کے موبائل پر اس طرح کا کوئی بھی لنک یا میسج آئے، تو اس پر کلک نہ کریں۔ یہ ڈیجیٹل چوری اور گناہ کے راستے ہیں۔ حلال راستے میں کم کمائی بھی بابرکت ہے، لیکن حرام کا پہاڑ بھی جہنم کا راستہ ہے۔
آئیے، ہم خود بھی محتاط رہیں اور اپنے نوجوانوں کو بھی اس تباہی سے بچائیں۔
اے اللہ! ہمیں حرام مال سے بچنے اور صرف حلال رزق پر قناعت کرنے کی توفیق عطا فرما۔ آمین۔

🆘 একটি নিষ্পাপ শিশুর বাঁচার আকুতি: আমাদের কি কিছুই করার নেই? 🆘বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম"মুমিনরা একে অপরের জন্য একটি ইমা...
24/02/2026

🆘 একটি নিষ্পাপ শিশুর বাঁচার আকুতি: আমাদের কি কিছুই করার নেই? 🆘
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম
"মুমিনরা একে অপরের জন্য একটি ইমারত সদৃশ, যার এক অংশ অন্য অংশকে মজবুত করে।" — (সহীহ বুখারী: ৪৮১)
শিলচরের উত্তর কৃষ্ণপুর মর্কজ পাবলিক স্কুলের ২য় শ্রেণীর ছাত্র, আমাদের বরাক উপত্যকার কলিজার টুকরো শিশু আফজল আজ এক ভয়াবহ ব্যাধির সাথে লড়াই করছে। তার নিস্পাপ কণ্ঠের সেই কথাটি—"আমি বাঁচতে চাই, আমাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন"—শুনলে যেকোনো বিবেকবান মানুষের চোখের পানি ধরে রাখা কঠিন।
🧬 রোগের ভয়াবহতা ও চিকিৎসার ব্যয়:
আফজল Duchenne Muscular Dystrophy (DMD) নামক এক বিরল জেনেটিক রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসকদের মতে, তার পেশিগুলো দিন দিন অকেজো হয়ে যাচ্ছে। তাকে বাঁচাতে হলে আগামী ২ মাসের মধ্যে একটি বিশেষ জিন থেরাপি দিতে হবে, যার খরচ আকাশচুম্বী—১৭ কোটি টাকা! একটি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে এই অংকটি কল্পনা করাও অসম্ভব। যদি সময়মতো এই ইনজেকশন না দেওয়া হয়, তবে ১১-১২ বছর বয়সের পর তার বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে।
🕋 কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে আমাদের করণীয়:
১. মানবতা রক্ষা করা ইবাদত:
আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন:
"যে ব্যক্তি কোনো মানুষের প্রাণ রক্ষা করল, সে যেন দুনিয়ার সমস্ত মানুষের প্রাণ রক্ষা করল।" — (সূরা আল-মায়িদাহ, আয়াত: ৩২)
আফজলকে সাহায্য করা মানে একটি পরিবারকে রক্ষা করা এবং মানবতার সেবা করা।
২. মুমিনের বিপদে পাশে দাঁড়ানো:
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
"আল্লাহ ততক্ষণ পর্যন্ত বান্দার সাহায্য করে থাকেন, যতক্ষণ বান্দা তার ভাইয়ের সাহায্যে রত থাকে।" — (সহীহ মুসলিম: ২৬৯৯)
আমরা যদি আজ আফজলের চিকিৎসার জন্য হাত বাড়িয়ে দেই, আল্লাহ আমাদের পরকালের কঠিন বিপদে সাহায্য করবেন।
৩. সামান্য দানেও বড় বরকত:
হাদীস শরীফে এসেছে:
"তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচো, যদি তা অর্ধেক খেজুর দান করার বিনিময়েও হয়।" — (সহীহ বুখারী)
১৭ কোটি টাকা অনেক বড় মনে হলেও, আমরা যদি লাখো মানুষ সামান্য ১০-২০ টাকা করেও দেই, তবে এই অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়।
🙏 আমাদের বিশেষ আবেদন:
বিত্তবানদের প্রতি: আপনারা যারা আল্লাহ প্রদত্ত ধন-সম্পদের মালিক, আপনাদের সামান্য অনুদান বা যাকাতের একটি অংশ আফজলকে নতুন জীবন দিতে পারে।
সরকার ও প্রশাসনের প্রতি: আমরা মাননীয় সরকার ও সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যেন এই বিরল রোগের চিকিৎসার জন্য বিশেষ ফান্ডের ব্যবস্থা করা হয়।
সাধারণ মানুষের প্রতি: আপনারা যে যা পারেন—৫ টাকা হোক বা ১০ টাকা—তা আফজলের পরিবারের দেওয়া একাউন্টে পাঠান।
আসুন, আমরা যে যার সাধ্যমতো সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেই এবং পোস্টটি বেশি বেশি শেয়ার করে সামর্থ্যবানদের নজরে আনি। আপনার একটি শেয়ার হয়তো কোনো বড় দাতার হৃদয়ে নাড়া দিতে পারে।

🕋 দ্বীনের গাম্ভীর্য ও উলামায়ে কেরামের মর্যাদা রক্ষা করুনবিসমিল্লাহির রহমানির রাহিমসোশ্যাল মিডিয়ায় বর্তমানে এমন কিছু ভিডি...
24/02/2026

🕋 দ্বীনের গাম্ভীর্য ও উলামায়ে কেরামের মর্যাদা রক্ষা করুন
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম
সোশ্যাল মিডিয়ায় বর্তমানে এমন কিছু ভিডিও বা ছবি প্রকাশ পাচ্ছে, যা আমাদের পবিত্র ইসলাম ধর্ম এবং উলামায়ে কেরামের সম্মান ও গাম্ভীর্যকে সাধারণ মানুষের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এই বিষয়ে আমাদের প্রত্যেকের সচেতন হওয়া প্রয়োজন।
১. ইসলাম উপহাসের বস্তু নয়
আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেছেন:
"আর তোমরা আল্লাহর নিদর্শনসমূহকে উপহাসের বিষয় হিসেবে গ্রহণ করো না।" — (সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ২৩১)
দ্বীনি লেবাস পরে বা ওয়াজের নামে এমন কোনো আচরণ করা উচিত নয় যা দেখে অন্য ধর্মের মানুষ বা সাধারণ মানুষ ইসলাম নিয়ে ঠাট্টা করার সুযোগ পায়।
২. আলেমদের শান ও মান
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
"যে আমাদের বড়দের সম্মান করে না এবং আমাদের আলেমদের মর্যাদা চেনে না, সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।" — (মুসনাদে আহমাদ)
তাই যারা অশোভন আচরণ বা অদ্ভুত অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে আলেমদের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে, তাদের সমর্থন করা বা তাদের ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে।
৩. ওয়াজ মাহফিলের পবিত্রতা
ওয়াজ মাহফিল হলো মানুষকে হেদায়েতের পথ দেখানো এবং আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জায়গা। এটি কোনো তামাশা বা বিনোদনের জায়গা নয়। যারা দ্বীনকে মানুষের কাছে হাস্যকর করে তুলছে, তারা প্রকারান্তরে দ্বীনের ক্ষতি করছে।
আমাদের করণীয়:
আসুন, আমরা হক্কানি উলামায়ে কেরাম এবং উলামায়ে দেওবন্দের দেখানো সহীহ পথে চলি। সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন কোনো ভিডিও শেয়ার না করি যা ইসলামের অবমাননা করে। ইসলাম একটি গম্ভীর ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনব্যবস্থা, একে বিনোদনের মাধ্যম বানাবেন না।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে দ্বীনের মর্যাদা রক্ষা করার তৌফিক দান করুন। আমিন।

🕋 ایمان کی حفاظت: رمضان اور فتنوں سے ہوشیار!بسم اللہ الرحمن الرحیمدارالعلوم دیوبند کے مہتمم حضرت مولانا مفتی ابوالقاسم ن...
17/02/2026

🕋 ایمان کی حفاظت: رمضان اور فتنوں سے ہوشیار!
بسم اللہ الرحمن الرحیم
دارالعلوم دیوبند کے مہتمم حضرت مولانا مفتی ابوالقاسم نعمانی مدظلہ العالی نے رمضان المبارک کی آمد سے قبل امتِ مسلمہ کو ایک اہم اور فکر انگیز پیغام دیا ہے۔ خاص طور پر "شکیل بن حنیف" جیسے باطل فتنے کے بارے میں خبردار کیا ہے جو سادہ لوح مسلمانوں کے ایمان پر ڈاکہ ڈالنے کی کوشش کر رہے ہیں۔
قرآن و سنت کی روشنی میں اس حوالے سے چند اہم ہدایات درج ذیل ہیں:
۱. آخری زمانے کے فتنے اور دجالی دھوکہ
رسول اللہ ﷺ نے ارشاد فرمایا:
"آخری زمانے میں ایسے دھوکے باز اور جھوٹے دجال ہوں گے جو تمہارے پاس ایسی باتیں لائیں گے جو نہ تم نے سنی ہوں گی اور نہ تمہارے باپ دادا نے۔ خبردار! تم ان سے دور رہنا اور انہیں اپنے سے دور رکھنا، کہیں وہ تمہیں گمراہ نہ کر دیں اور فتنے میں نہ ڈال دیں۔" > — (صحیح مسلم: ۷)
۲. غلط عقائد کی تشہیر سنگین جرم ہے
اللہ تعالیٰ نے قرآن مجید میں ارشاد فرمایا:
"اور اس شخص سے بڑا ظالم کون ہوگا جو اللہ پر جھوٹ باندھے یا حق کو جھٹلائے جب وہ اس کے پاس آ چکا ہو؟" > — (سورہ العنکبوت: ۶۸)
۳. علمائے حق کی پیروی ہی نجات کا راستہ ہے
حضرت مہتمم صاحب نے تاکید فرمائی ہے کہ رمضان میں اعتکاف کرنے والے اور مساجد میں آنے والے حضرات بیدار رہیں۔ رسول اللہ ﷺ نے فرمایا:
"بے شک علماء انبیاء کے وارث ہیں۔" > — (ابو داؤد)
جب بھی کوئی نیا نظریہ یا کوئی نیا 'داعی' آپ کے سامنے آئے، اسے بغیر تحقیق کے قبول نہ کریں۔ ہمیشہ مستند علماء کرام سے مشورہ کریں۔
۴. مساجد اور اعتکاف کا تقدس
رمضان میں اعتکاف اللہ سے تعلق مضبوط کرنے کا وقت ہے۔ اس دوران اگر کوئی اجنبی شخص آ کر نئے عقائد یا نظریات پیش کرے تو اسے ہرگز جگہ نہ دیں۔ فوری طور پر مسجد کے امام یا مقامی علماء کو مطلع کریں۔
خلاصہ:
ہمارا ایمان ہمارا سب سے بڑا سرمایہ ہے۔ رمضان کے اس مبارک مہینے میں شیاطین اور ان کے چیلے ایمان چوری کرنے کی کوشش کریں گے۔ آئیے! ہم بیدار ہوں اور دارالعلوم دیوبند کے اس پیغام کو ہر مسلمان تک پہنچائیں۔
اللہ تعالیٰ ہم سب کے ایمان کی فتنوں سے حفاظت فرمائے۔ آمین۔

15/02/2026

🕋 دینی محنت اور علماءِ کرام کی اہمیت: حق اور باطل کا فرق
​بسم اللہ الرحمن الرحیم
​دعوت و تبلیغ کی محنت انبیاء علیہم السلام والا کام ہے۔ جب یہ کام علماءِ حق کی سرپرستی سے نکل کر انفرادی فیصلوں کی نذر ہو جائے، تو ہدایت کے بجائے فتنے کا ڈر ہوتا ہے۔
​۱. علماءِ کرام ہی دین کے حقیقی وارث ہیں
​اللہ تعالیٰ نے قرآن مجید میں ارشاد فرمایا:
​"فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِن كُنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ"
(ترجمہ: پس علم والوں سے پوچھو اگر تم نہیں جانتے۔) — سورة النحل: ۴۳
​دینی کام میں جب کوئی شخص خود کو علماء کے فیصلوں سے بالاتر سمجھنے لگے، تو وہ قرآن کے اس اصول کی خلاف ورزی کرتا ہے۔ علماء کے مشورے کے بغیر دینی کام چلانا اندھیرے میں بھٹکنے کے مترادف ہے۔
​۲. انفرادی امارت بمقابلہ اجتماعی شوریٰ
​رسول اللہ ﷺ خود وحی کے مالک ہونے کے باوجود صحابہ کرام سے مشورہ (ماشورہ) فرمایا کرتے تھے۔ حدیث شریف میں ہے:
​"ما خاب من استشار"
(ترجمہ: جس نے مشورہ کیا وہ کبھی ناکام یا شرمندہ نہیں ہوا۔)
​جب اس محنت کے طویل عرصے سے قائم شدہ "شوریٰ کے نظام" کو توڑ کر کوئی خود کو تنہا امیر یا سب کچھ سمجھنے لگے، تو وہاں اللہ کی نصرت ختم ہو جاتی ہے اور وہ کام ذاتی خواہش بن جاتا ہے۔
​۳. جمہور علماء کی مخالفت اور گمراہی کا خطرہ
​حدیث مبارکہ میں ہے کہ رسول اللہ ﷺ نے فرمایا:
​"یَدُ اللّٰہِ عَلَی الْجَمَاعَۃِ"
(ترجمہ: اللہ کا ہاتھ (رحمت) جماعت (علماء کی بڑی جماعت) پر ہوتا ہے۔) — (ترمذی)
​آج جب دارالعلوم دیوبند سمیت دنیا بھر کے بڑے حقانی علماء کسی کے غلط بیانات اور طریقہ کار کی وجہ سے متنبہ کر رہے ہیں، تو اسے نظر انداز کرنا اپنے ایمان کو خطرے میں ڈالنے کے برابر ہے۔
​۴. امانت کی حفاظت کریں
​تبلیغ کا یہ کام اکابرین کی امانت ہے۔ اس میں اپنی من مانی تشریح کی کوئی جگہ نہیں۔ رسول اللہ ﷺ نے فرمایا:
​"جس نے ہمارے اس دین میں کوئی نئی چیز نکالی جو اس میں سے نہیں، تو وہ مردود ہے۔" — (بخاری)
​ہمارا عزم:
ہم شخصیت پرستی پر یقین نہیں رکھتے، ہم علماءِ کرام کی رہنمائی میں چلنا چاہتے ہیں۔ اللہ ہمیں حقانی علماء کے سائے میں ایمان اور عمل کی محنت کرنے کی توفیق عطا فرمائے اور ہمیں ہر فتنے سے محفوظ رکھے۔ آمین۔

📢 দ্বীনি মাহফিলের ফজিলত এবং আমাদের জন্য কিছু জরুরি সতর্কবার্তা 📢বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম।আমাদের এলাকায় বা মসজিদে যখন দ...
31/01/2026

📢 দ্বীনি মাহফিলের ফজিলত এবং আমাদের জন্য কিছু জরুরি সতর্কবার্তা 📢
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম।
আমাদের এলাকায় বা মসজিদে যখন দ্বীনি মাহফিল বা ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন হয়, তখন তা আমাদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি বিশেষ রহমত হয়ে আসে। এই মজলিসগুলোর ফজিলত বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না।
১. কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে মাহফিলের ফজিলত:
জান্নাতের বাগান: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন— "যখন তোমরা জান্নাতের বাগানের পাশ দিয়ে যাও, তখন সেখান থেকে ফল সংগ্রহ করো।" সাহাবীগণ জিজ্ঞাসা করলেন, "হে আল্লাহর রাসূল! জান্নাতের বাগান কোনটি?" তিনি বললেন— "জিকিরের মজলিস ও ইলমি আলোচনা।" (সুনানে তিরমিযী)
ফেরেশতাদের বেষ্টনী: যখন একদল মানুষ আল্লাহর স্মরণে বসে, তখন ফেরেশতারা তাদের ডানা দিয়ে ঘিরে রাখেন এবং আল্লাহ তাআলা তাঁর নিকটস্থ ফেরেশতাদের কাছে ওই বান্দাদের নিয়ে গর্ব করেন। (সহীহ মুসলিম)
গুনাহ মাফের মাধ্যম: ইলমি মজলিসে বসার কারণে আল্লাহ পূর্বের অনেক ছোটখাটো গুনাহ ক্ষমা করে দেন এবং অন্তরে প্রশান্তি দান করেন।
২. প্যান্ডেল বনাম নামাজ: একটি চিন্তার বিষয় (সতর্কবার্তা):
মাহফিল সাজানো বা প্যান্ডেল তৈরির কাজ করা অনেক বড় সওয়াবের কাজ। কিন্তু দুঃখজনক সত্য হলো, আমরা অনেক সময় বাহ্যিক আয়োজনে এত মগ্ন হয়ে পড়ি যে মূল ইবাদতটিই ভুলে যাই।
ফরজ বনাম নফল: মাহফিল শোনা বা আয়োজন করা নফল বা সওয়াবের কাজ, কিন্তু পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সময়মতো জামাতে পড়া প্রত্যেক মুসলিমের ওপর 'ফরজ'। আল্লাহ তাআলা বলেছেন: "নিশ্চয়ই মুমিনদের ওপর নির্দিষ্ট সময়ে নামাজ ফরজ করা হয়েছে।" (সূরা আন-নিসা: ১০৩)
আজানের গুরুত্ব: মাগরিব বা এশার আজান হয়ে যাওয়ার পরও যদি আমরা প্যান্ডেলের কাজে ব্যস্ত থেকে নামাজ ত্যাগ করি, তবে সেই মাহফিল আমাদের কোনো কল্যাণ বয়ে আনবে না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুদ্ধের ময়দানেও নামাজ ছাড়েননি, আর আমরা কি মাহফিলের প্রস্তুতির অজুহাতে আল্লাহর ঘর থেকে বেরিয়ে যাব?
৩. আমাদের শপথ হোক:
আমরা মাহফিলকে কেবল 'বিনোদন' বা 'সাউন্ড সিস্টেমের সুর' শোনার মাধ্যম বানাব না। বরং:
১. আজান হওয়ার সাথে সাথে কাজ রেখে মসজিদে যাব।
২. বক্তার সুরের চেয়ে তাঁর দেওয়া কোরআন-সুন্নাহর শিক্ষার ওপর আমল করার চেষ্টা করব।
৩. বাহ্যিক চাকচিক্যের চেয়ে অন্তরের ইখলাসকে বড় মনে করব।
হে আল্লাহ! আমাদের রৌয়ারপার বড় মসজিদের সকল খেদমত কবুল করুন এবং আমাদের সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন। আমিন।

30/01/2026

🌙 شبِ برات کی حقیقت: فضیلت اور مروجہ بدعات 🌙
بسم اللہ الرحمن الرحیم
معزز دینی بھائیوں اور بہنوں! ماہِ شعبان کا مہینہ سایہ فگن ہے، اور اس کی پندرہویں رات کو ہم 'شبِ برات' کے نام سے جانتے ہیں۔ اس رات کے حوالے سے معاشرے میں بہت سی غلط فہمیاں اور بدعات رائج ہیں۔ آئیے، قرآن و سنت کی روشنی میں اس رات کی اصل حقیقت کو سمجھتے ہیں۔
1. شبِ برات کی فضیلت (احادیث کی روشنی میں):
اس رات کی فضیلت کے بارے میں بعض احادیث ایسی ہیں جو حسن (قابلِ قبول) درجے کی ہیں:
عام معافی کا اعلان: رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے ارشاد فرمایا: "بے شک اللہ تعالیٰ شعبان کی درمیانی رات (آسمانِ دنیا پر) اپنی شانِ کے مطابق نزول فرماتا ہے اور اپنی تمام مخلوق کی مغفرت فرما دیتا ہے، سوائے دو اشخاص کے: ایک مشرک (جو اللہ کے ساتھ شریک ٹھہرائے) اور دوسرا کینہ پرور (جس کے دل میں دوسروں کے لیے دشمنی اور نفرت ہو)۔" (سنن ابن ماجہ: 1390)
توبہ کا موقع: یہ رات اپنے گناہوں سے توبہ کرنے اور اللہ کی طرف رجوع کرنے کا ایک سنہری موقع ہے۔ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم شعبان کے مہینے میں کثرت سے روزے رکھا کرتے تھے۔
2. شبِ برات کی مروجہ بدعات (جن سے بچنا ضروری ہے):
کبھی کبھی ہم ثواب کی نیت سے ایسے کام کر بیٹھتے ہیں جن کا ثبوت قرآن و سنت میں نہیں ملتا، انہیں 'بدعت' کہا جاتا ہے:
مخصوص نماز کا طریقہ: معاشرے میں مشہور ہے کہ اس رات 100 رکعت یا خاص طریقے سے نماز پڑھنی چاہیے، اس کی کوئی صحیح بنیاد نہیں ہے۔ نفل نماز جتنی چاہیں پڑھیں، لیکن اپنی طرف سے کوئی خاص طریقہ ایجاد کرنا بدعت ہے۔
حلوہ پوری اور کھانے پینے کا جشن: اس مقدس رات کو محض کھانے پینے کا میلہ بنا دیا گیا ہے۔ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کے دور میں اس رات حلوہ یا خاص پکوان بنانے کا کوئی ثبوت نہیں ملتا۔
آتش بازی اور چراغاں: پٹاخے پھوڑنا، مساجد اور گھروں پر حد سے زیادہ چراغاں کرنا فضول خرچی اور غیر اسلامی ثقافت ہے، جو کہ گناہ ہے۔
اجتماعی عبادت کا غلغلہ: نفل عبادت گھر میں تنہائی میں کرنا سنت ہے۔ بلند آواز میں ذکر یا لاؤڈ اسپیکر لگا کر دوسروں کی عبادت میں خلل ڈالنا درست نہیں ہے۔
3. صحیح عمل کیا ہونا چاہیے؟
دل کو صاف کرنا: اس رات کی برکتیں پانے کے لیے سب سے پہلے اپنے دل سے شرک اور کینہ (نفرت) کو نکال پھینکیں۔
انفرادی عبادت: تنہائی میں نماز پڑھیں، قرآن کی تلاوت کریں اور تسبیحات پڑھیں۔
استغفار: اپنے اور اپنے رشتہ داروں کے گناہوں کے لیے اللہ سے رو رو کر معافی مانگیں۔
اگلے دن کا روزہ: رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کی سنت کے مطابق شعبان میں روزے رکھنا باعثِ ثواب ہے، لہٰذا 15 شعبان کا نفلی روزہ رکھا جا سکتا ہے۔
خلاصہ:
آئیے، ہم نام نہاد رسم و رواج کو چھوڑ کر رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کی بتائی ہوئی سنتوں پر عمل کریں۔ اللہ ہمیں بدعات سے بچنے اور صحیح دین پر چلنے کی توفیق عطا فرمائے۔ آمین

30/01/2026

🌙 حقيقة ليلة البراءة: فضائلها والبدع المنتشرة فيها 🌙
بسم الله الرحمن الرحيم
أيها الإخوة والأخوات في الدين، نحن الآن في شهر شعبان المبارك، وتقترب منا "ليلة النصف من شعبان" التي تُعرف بليلة البراءة. ومن الواجب علينا أن نعرف حقيقة هذه الليلة وفضائلها والبدع التي يجب اجتنابها وفقاً للكتاب والسنة.
١. فضائل ليلة النصف من شعبان (في ضوء السنة):
وردت في فضل هذه الليلة أحاديث صححها بعض العلماء، ومن أهمها:
المغفرة العامة: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "إنَّ اللهَ لَيَطَّلِعُ في ليلةِ النِّصفِ من شعبانَ فيغفِرُ لجميعِ خلقِه إلا لمشركٍ أو مشاحِنٍ" (رواه ابن ماجه).
فرصة للتوبة: هي ليلة تذكّرنا بضرورة العودة إلى الله وتصفية القلوب. وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يكثر من الصيام في شهر شعبان استعداداً لرمضان.
٢. البدع والمحدثات المنتشرة (التي يجب الحذر منها):
كثيراً ما يفعل الناس في هذه الليلة أموراً لم يشرعها الله ولا رسوله، وهي ما تُسمى بالبدع:
تخصيص صلاة معينة: ما يُشاع من صلاة مائة ركعة أو ألف ركعة بكيفية مخصوصة، هو أمر لا أصل له في الشرع. صلاة النفل مستحبة، لكن اختراع كيفية معينة بدعة.
الاحتفال بالأطعمة (الحلوى): تحويل هذه الليلة إلى مهرجان للأكل وتوزيع الحلويات ليس من السنة في شيء. لم يثبت عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا عن صحابته الكرام تخصيصها بطعام معين.
الألعاب النارية والإضاءة المبالغ فيها: فرقعة الألعاب النارية وتزيين المساجد والبيوت بالشموع والأنوار الكثيرة هي إضاعة للمال وتشبه بغير المسلمين، وهي من المنكرات.
الاجتماع للصياح بالذكر: السنة في النوافل أن تكون فرادى وفي البيوت. أما الصياح بالذكر في المساجد عبر مكبرات الصوت فهو يشوش على المصلين ولم يفعله السلف.
٣. ما هو العمل الصحيح في هذه الليلة؟
تطهير القلب: لكي تنال مغفرة الله، يجب أولاً تطهير قلبك من الشرك ومن الحقد والخصومة مع المسلمين.
العبادة الفردية: الصلاة، تلاوة القرآن، والدعاء بخشوع في بيتك بعيداً عن الرياء.
الاستغفار: كثرة الاستغفار لك ولوالديك وللمسلمين أجمعين.
الصيام: صيام يوم الخامس عشر من شعبان كونه من الأيام البيض، أو كجزء من صيام شعبان الذي كان يحبه رسول الله صلى الله عليه وسلم.
الخلاصة:
فلنترك العادات والتقاليد المبتدعة، ولنتمسك بسنة رسول الله صلى الله عليه وسلم. نسأل الله أن يوفقنا لما يحبه ويرضاه. آمين.

26/01/2026

আজকের মুসলিম বিশ্বের প্রেক্ষাপট নিয়ে যা বললেন

হজরত মাওলানা আলিম উদ্দিন সাহেব হাফিজাহুল্লহ্

23/01/2026

بسم اللہ الرحمن الرحیمآج 26 جنوری ہے، ہندوستان کا یومِ جمہوریہ۔ آج کے اس پرفتن دور میں جب نفرت اور فرقہ واریت کے ذریعے ب...
25/01/2026

بسم اللہ الرحمن الرحیم
آج 26 جنوری ہے، ہندوستان کا یومِ جمہوریہ۔ آج کے اس پرفتن دور میں جب نفرت اور فرقہ واریت کے ذریعے بھائی کو بھائی سے لڑانے کی کوشش کی جا رہی ہے، دینِ اسلام ہمیں انسانیت، عدل اور اتحاد کا وہ عظیم درس دیتا ہے۔
1. انسانیت کی بنیاد:
قرآنِ کریم میں اللہ تعالیٰ کا ارشاد ہے: "اے لوگو! اپنے رب سے ڈرو جس نے تمہیں ایک جان (آدم علیہ السلام) سے پیدا کیا۔" (سورہ النساء: 1)۔ ہم ہندو ہوں یا مسلمان، انسانی ناطے ہم سب ایک ہیں۔
2. فرقہ واریت کے خلاف اسلام کا موقف:
اللہ تعالیٰ نے قرآن میں صاف فرمایا: "اور فتنہ (فساد) قتل سے بھی زیادہ سنگিন گناہ ہے۔" (سورہ البقرہ: 191)۔ جو لوگ مذہب کے نام پر نفرت پھیلاتے ہیں، وہ دراصل انسانیت کے دشمن ہیں۔
3. غیر مسلموں کا تحفظ اور رسول اللہ ﷺ کا عہد:
آپ ﷺ نے فرمایا: "جس نے کسی معاہد (امن سے رہنے والے غیر مسلم شہری) پر ظلم کیا، تو قیامت کے دن میں (محمد ﷺ) اس ظالم کے خلاف اللہ کی عدالت میں مدعی بنوں گا۔" (سنن ابوداؤد: 3052)
ہمارا عہد: آئیے آج ہم یہ عہد کریں کہ ہم نفرتوں کو ختم کریں گے اور ملک میں امن، محبت اور بھائی چارے کو فروغ دیں گے۔
اے اللہ! ہمارے ملک کو ہر قسم کے فتنوں اور فرقہ وارانہ نفرت سے محفوظ فرما۔ آمین۔

Address

Lala

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NUR Hailakandi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share