OTS Studios

OTS Studios OTSStudios is a newbie in marketing, content writing and branding of events and companies.

Send us your write-ups !©OTSStudios
05/12/2018

Send us your write-ups !
©OTSStudios

| তিনটে কথা |তোমার সাথে অকস্মাৎ হৃদয় বিনিময়ের খেলাটা, আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর কটা জিনিশের একটা ৷ মুঠো ভরা মর্ডানিজমের ...
05/12/2018

| তিনটে কথা |

তোমার সাথে অকস্মাৎ হৃদয় বিনিময়ের খেলাটা, আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর কটা জিনিশের একটা ৷ মুঠো ভরা মর্ডানিজমের ভিতরে লুকিয়ে থাকা ঐ অনেকটা আমার মতোই ভেতো বাঙালি মেয়েটাকে কখন যে মনে ধরে গেলো, বুঝতে পারিনি ! কোন সময় একদম ঠিক বলতে পারবোনা হয়তো…তবে সময়টা যাই হোক্, ভালো ছিল ৷
যানো তোমায় নিয়ে অনেক সাধ করা, প্রথম দেখায় এই করবো, ঐ করবো…প্রথম দিন ঘাটে গিয়ে ডাইরি হাতে শায়রী আর পাঁচটাকার গোলাপ কিনে ময়দানে হাঁটু গেড়ে বলবো, তিনটে কথা ! কিন্তু যানো, কথায় আছে যেটা মুহূর্তের, সেটা নিয়ে অনেক ঘটা হয়…আর যেটা অনন্ত, সেটার মর্ম ঐ প্ল‍্যান ভেস্তে যাওয়া পুজোর বিকেলের মনখারাপ আর ময়দানে ছিঁড়ে যাওয়া স্যান্ডলের সাথেই লেখা থাকে… তোমার আমার গোটা জীবনের গদ্যে ৷ তুমি একটা ভোঁদা ! তোমার বিবরণ দিতে গেলে কালি ফুরোবে আমার, তাই চেষ্টাও করবো না ! শুধু অপ্রাসঙ্গিক ভাবে…আমার স্বভাবেই বলে যাবো, ঐ তিনটে শব্দ…তুমি যানো কি…!

©OTSStudios

Send us your writeups !©OTSStudios
05/12/2018

Send us your writeups !
©OTSStudios

কোনো ভোর দেখেছ ?দেখেছ নিজের চোখে !কেমন ভাবে বাড়ায় আলোরাত পেরোবে বলে শিশির কেমন হাটা দেয়মাঠের ঘাসে ঘাসেরোদের ঝাপটা গায়ে ল...
05/12/2018

কোনো ভোর দেখেছ ?
দেখেছ নিজের চোখে !
কেমন ভাবে বাড়ায় আলো
রাত পেরোবে বলে

শিশির কেমন হাটা দেয়
মাঠের ঘাসে ঘাসে
রোদের ঝাপটা গায়ে লাগিয়ে
শিউলি কেমন হাসে !

কালো আকাশে সেই বাতাসে
সুর জরো হয় ধীরে
একলা একা গাছটাকে তারা
জড়িয়ে ধরে ঘিরে

মিটিং মিছিল কত অ্যজেন্ডা
চিকিরমিকির বলাই চলে
প্রান ভরে যায় একলা লেকে
শুধু ভোর আসবে বলে !

©OTSStudios

Send your writeups to us ! ©OTSStudios
03/12/2018

Send your writeups to us !
©OTSStudios

জীবনটাকে যদি একটি ছোট্ট গল্পের বইয়ের সাথে তুলনা করি তবে ব্যাপারটা কেমন দাঁড়াবে, গল্পের বইতে যেমন ছোট ছোট লাইনে মিশে থা...
03/12/2018

জীবনটাকে যদি একটি ছোট্ট গল্পের বইয়ের সাথে তুলনা করি তবে ব্যাপারটা কেমন দাঁড়াবে, গল্পের বইতে যেমন ছোট ছোট লাইনে মিশে থাকে কিছু না বলা কথা, কিছু চমক প্রদ ব্যাপার, কিছু শব্দের অর্থ অজানা আর সাথে কিছু কৌতূহলি ব্যাপার।আমাদের জীবন তাও ঠিক সেই রকমই, অনেক কিছুই ঘটে চলে চারিপাশে যেই গুলো আমরা বুঝেও বুঝতে পারি না বা কিছু ক্ষেত্রে বোঝার চেষ্টা করি না।কিছু চমক তো জীবনের অঙ্গ, সেটা কোনো না কোনো ভাবে ঠিকই ধরা দেয় আমাদের, কিছু ক্ষেত্রে আমরা ছুয়ে দেখতে চেয়েও পারি না।অর্থ অজানা ব্যাপার টা অনেকটা নিজের অজানতেই ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা যেটা সবার জীবনেই দাগ কেটে থাকে, আর সর্বশেষ ব্যাপার হচ্ছে কৌতুহল। কৌতূহল খুবই ভালো জিনিস যদি সেটার সঠিক ব্যবহার হয়ে থাকে। কৌতুহল মানুষকে জিবনে অনেক কিছু দেখায় বা অধিক কৌতূহলের বসে অনেক ক্ষেত্রে বিপদও ঘটে।গল্পের বইয়ের পাতার মতন আমাদের জীবনও ঠিক এক এক পর্যায়ে এক এক অধ্যায় থাকে, সেই অধ্যায় এর শেষ মানে জীবনেরও সমাপ্তি।বইয়ের পৃষ্ঠা বদলে দিলে যেমন এক নতুন অজানা আমাদের পিছু নেয় ঠিক তেমনই প্রতিটি দিন আমাদের সামনে আসে এক নতুন সূচনা হিসেবে সকাল।

সেই সকাল যে এক অজানা নতুন অধ্যায়, যেন সারাটা দিন চোখের সামনে বইয়ের অক্ষরের মতন অনেক চেনা প্রতিছবি কিন্তু তবুও একটা আগ্রহ থেকেই যায় বা কিছু সময় সেই আগ্রহ প্রাধান্য পায় না।আমাদের জীবন তাও ঠিক সেই রকম অধ্যায়ের মতন, কিছু অধ্যায় থাকে যেই গুলো স্মৃতিময় আবার কিছু অধ্যায় থাকে যা সহজেই ভুলে যাওয়া যায়।জীবন পথে চলতে চলতে আমরা এক একটা করে অধ্যায় পার করতে থাকি আর আগামী অধ্যায় গুলো হয়ে ওঠে তুলনামূলক কঠিন।আসলে কি সেই গুলো সত্যিই কঠিন নাকি কিছু অধ্যায় পার করার ফলে লাইনের মানে কিছুটা গভীরে প্রবেশ করে এবং তা আমাদের কাছে হয়ে ওঠে জটিল।
বইয়ের সূচনা থেকে উপসংহার পর্যন্ত পুরোটাই দাড়িয়ে আছে বাঁধনের ওপর।বইয়ের বাঁধন যেমন হবে বইটি ঠিক ততো তাই উঠকৃষ্ট মানের হবে, তাই জীবনের বাঁধনটা ও শক্ত হাতে করতে হবে, কারণ জীবন তো একটাই আর সঠিক ভাবে অগ্রসর হলে এই সময় ও আছে সঠিক মাপের। বইয়ের যেমন ওপর থেকে দেখে সেটার কাহিনী বোঝা সম্ভব নয় ঠিক তেমনই একটি জীবনকে ওপর থেকে দেখে বিচার করাটা নিতান্তই বোকামি।
জীবন এগিয়ে চলে বইয়ের পৃষ্ঠার মতন সাথে যুক্ত অগন্তি উচু নিচু পথ ঠিক যেমন বাক্যের মাঝের অবস্থান করা দাড়ি,কমা এই গুলো যেগুলো বাক্যের সাথে সাথে জীবনকেও পথ দেখিয়ে নিয়ে যায়।

©বাউন্ডুলে

|৩|ষষ্ঠি !আগেরদিন রাতে ঘুম হয়নি ভালো, ভোরবেলা করা ব্ল‍্যাক কফি নিয়ে তাই ছাদে গিয়ে বসেছিলাম অনেকক্ষন ৷ তখন বোধ হয় বাজে সা...
02/12/2018

|৩|
ষষ্ঠি !
আগেরদিন রাতে ঘুম হয়নি ভালো, ভোরবেলা করা ব্ল‍্যাক কফি নিয়ে তাই ছাদে গিয়ে বসেছিলাম অনেকক্ষন ৷ তখন বোধ হয় বাজে সাড়ে পাঁচটা, হাতের 'ডিসেপশন পয়েন্ট'র পাতা উলটোচ্ছি এমন সময়ে হঠাৎ নীচ থেকে আওয়াজ এলো, 'কিরে বাবাই ! এতো সকালে ছাদে কি করছিস ?'
~'কিছু না গো…এই ঘুম ভেঙে গেছিলো তাই একটু বসেছিলাম এসে !'
~'আয় আয় নীচে আয় !'
এ হলো টুবান'দা, আসল নাম'টা যদিও মনে নেই ঠিক ৷ মা বলতো ও নাকি দুর সম্পর্কে আমার কাকা হয়, বাবা'কেও দাদা বলেই ডাকে, কিন্তু…বয়সের ছাপ তেমন নেই ! যাই হোক, আমি নীচে নামতেই পকেট থেকে একটা গোল্ডফ্লেকের প্যাকেট বার করলো, একটা বার করতে করতেই বললো, 'কি করছিস যেন এখন তুই ?'
~'ঐ একটা MNC'তে চাকরি !'
~'কোন কম্পানি ?'
~'Cognizant'
~'আচ্ছা I see ! সিগারেট খাস ?'
এই প্রশ্নটার আগে অব্দি বেপারটা খুব বোরিং লাগছিলো আমার, কিন্তু গোল্ডফ্লেকের ঐ কড়া তামাকের নেশা আর সকাল ছ'টার হেটে দেখা পাড়া'টা অনেক কিছু আবার মনে করিয়ে দিলো ! আমরা হেটে গিয়ে পারার মোড়ে একটা রকে বসলাম, প্যাকেটটা বের করে দেখা গেল একটাই পরে আছে…'আর কিনতে হবে না, কাউন্টারে হয়ে যাবে !'
~*সিগারেটটা ধরাতে ধরাতে* 'বাবা মারা গেছে জানিসতো ?'
~'কই না তো ! কবে ?'
~'স্বাভাবিক জানবিও বা কিভাবে…আগরতলার বাড়িতে ছিলাম, হঠাৎ স্ট্রোক ! কিছু বুঝে ওঠার আগেই…কালই ফিরলাম !'
~'আর কাকিমা ?'
~'আছে ! তা তোর আজকের কি প্ল্যান ?'
~'প্ল্যান তেমন কিছু নেই বিকেল করে বেড়াবো একটু ছবি তুলতে…ব্যাস !'
~'Photography করিস ?'
~'শখ আরকি !'
~'বেশ তো ! আমার কটা dp তুলে দিস, তালেই হবে !'
আমি একটু হেসে উঠলাম…ও বললো, 'পুজোয় ভাইজ্যক প্ল্যান ছিল ! আর…'
আমি বুঝলাম বাবা মায়ের হঠাৎ চলে যাওয়াটা কিভাবে আশেপাশের সবকিছু পাল্টে দেয় ৷ সত্যি বলতে আমার কাছে বাবা মা তেমন ভাবে কোনো দিনও ক্লোস হয়নি ৷ ছোটো বেলায় বাবা কাজের জন্য জামশেদপুর চলে গেছিল, মাও ! ক্লাস টুয়েলভ অব্দি মামার বাড়িতে ছিলাম, তারপর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ…ঐ চারটে বছর হোস্টেলে ! বাবা মা বলতে মাস গেলে টাকা চাওয়া আর হঠাৎ কোনোদিন দেখা হলে মায়ের হাতের চিংড়ির আবদার এর চেয়ে বেশি কিছু ছিলোনা আমার কাছে ৷ একবার অনিমেষ ঠাট্টা করে বলেছিলো,'তোর বাবা মা তোর কাছে রিলেটিভের মতো !' তখন হাসলেও সত্যি বলতে তেমন কিছু ভুল বলেনি ও সেদিন ৷ ওরা আশেপাশে থাকলে suffocating লাগে কেমন একটা ! জানি না কেন…
টুবান'দা চলে গেলেও আমি খানিকক্ষন বসেছিলাম ! ভাবলাম, যদি হঠাৎ একদিন আমার বাবা মা আমায় ছেড়ে চলে যায়…will that affect me ? হয়তো…না…
ভাবতে ভাবতে সামনের দোকানটায় গিয়ে একটা সিগারেট কিনছি এমন সময়ে পাশে এসে দাড়ালো একজন…কিছুক্ষন মন দিয়ে আমাকে দেখে বলে,'তুমি মাস্টার'দার নাতি না ?' আমি হ্যাঁ বলতে যাবো এমন সময়ে দোকানের লোকটা,'এই নাও দাদা একটা লাইট' !
বেপারটা ঘেটে গেল…!!

|৪|
বিকেল বিকেল আমিও ক্যামেরা ব্যাগটা কাঁধে তুলে বেরোচ্ছি হঠাৎ মা, 'কি রে ! এটা কি পরে বেরোচ্ছিস ?'
~'ছবি তুলতে যাচ্ছি ! একা…নতুন জামা পরে কি করবো !!'
~'তাও, পুজোর দিন কেউ এমন ভাবে বেড়ায় নাকি !'
~'আমি বেড়োই ! ফিরতে লেট হবে !'
বলেই আমি দরজা ঠেলে বেড়িয়ে এলাম ৷ কয়েকবার আওয়াজ দিলেও আমি আর ঘুরে তাকাই নি মায়ের দিকে ৷ আসলে আমার কাছে পুজো জিনিশটা অন্যরকম ! চার বছর চেন্নাইয়ের হোস্টেলে পুজা সেলিব্রেশন বলতে পুদুচেরির বিচে বসে আড্ডা আর ফ্রেঞ্চ কলোনি'র পাশে পকেটের সব টাকা খরচা করে 'টক্সিক' বারে সোশিও পলিটিকস নিয়ে নুবিস ডিসকাশন ! আমার মধ্যের সেই বাঙালি বেপারটা সত্যি বলতে চুষে নিয়েছিল ঐ নাড়কেল-নুনের শহর ৷ তাই পুজো নিয়ে সেই স্বাভাবিক এক্সাইটমেন্টটাও আমার অনেকদিন হলো নেই আর ৷
বাড়ির সামনে দিয়ে ১২c/২ ধরে নামলাম আহিরিটোলার মুখে ! কিছুটা হাঁটা, আজকের অভিযান লঞ্চঘাট…!
আই.এস.ও'টা ঠিকঠাক করে বেশ কটা ভালো ছবি পেয়েছি…হাতঘড়ি'তে দেখলাম ৮.৩০ বাজে ৷ উঠতে হবে ভেবে ক্যামেরাটা ব্যাগে ঢোকালাম ! ঘাট থেকে বাড়িয়েই একটা চা-সিগারেটের দোকান আছে, সেখানে গিয়ে আমার আজকের তিন নম্বর সিগারেট'টা ধরাবো এমন সময় একজন এসে বললো,'দাদা এক প্যাকেট ক্লাসিক !'
জানিনা কেন কিন্তু ঐ এক প্যাকেট ক্লাসিকের দামটা মনে মনে কষতেই একবার লোকটাকে দেখতে ইচ্ছা করলো, সাদা রঙের একটা টিশার্টের উপর স্ট্রাইপ শার্ট পরা, চুলগুলো খাঁড়া আর বাঁ হাতে একটা দামি ঘড়ি…প্রাচূর্যটা রূপেই প্রকাশ পায়, যাকগে এসব না ভেবে আমি আমার ফ্লেকটায় ফিরে এলাম ৷ সবে ধরিয়েছি দেখলাম লোকটা ঠোটে সিগারেট ধরে মাথা বাড়িয়ে আগুন চেয়ে নিচ্ছে, আমিও বাড়িয়ে দিলাম হাতটা ৷
~'হুফ…ক্যামেরা…? ছবি তুলতে নাকি ?'
~'ঐ আর কি !'
~'কি বডি ?'
~'700D'
~'আহা…3400D ইউস করে দেখুন, কি সুন্দর ব্রোকেন ইফেক্ট দেয় !'
বুঝলাম নুবিশ ক্যামেরা জ্ঞান আর মোবাইল ক্যামেরা গুলিয়ে আঁতেল সাজছে লোকটা, ঘাটালাম না বেশি !
~'আচ্ছা…দেখব না হয় ইউস করে ! যাই হোক এগোই, আমার আবার দেরি হয়ে গেল !'
~'আরে, নামটাই তো জানা হলো না !'
~'অয়ন, অয়ন ব‍্যানার্জী !'
~'অভিনব ঘোষাল ! নাইস টু মিট ইউ !'
~'হেয়ার টু ! আজ আসি কেমন…'
বলে ঘুরতেই দেখি একটু দুরে একটা সাদা রঙের গাড়ি দাড়িয়ে, ড্রাইভিং সিটের পাশের জানলাটা নামানো…আর সেখানে বসে অঙ্কিতা ! আমি মুহূর্তের জন্য স্থির হয়ে গেলাম…দেখলাম ঐ লোকটা হেটে গাড়ি অব্দি গেল প্যাকেটটা ওর হাতে দিয়ে উঠে বসলো গাড়িতে ৷ আর তারপর ঠিক ৭ বছর আগের মতো আবার চোখ এড়িয়ে চলে গেল ও !

©OTSStudios

Address

Narkeldanga Main Road
Kolkata
700054

Telephone

6290055066

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when OTS Studios posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to OTS Studios:

Share