19/05/2026
W E N D I G O
ওয়েনন্ডিগো প্রধানত একপ্রকার নরখাদক দানব, যারা বাস করে গভীর অরণ্যে | অরণ্যে ভ্রমণ করতে অনেকেই পছন্দ করেন, আর এই গভীর অরণ্যেই লুকিয়ে থাকে এই শয়তান | এরা শক্তিশালী হওয়ার সাথে সাথে প্রচুর চতুর প্রকৃতির হয় | একাধিক জন্তুর সাথে সাথে এরা মানুষের গলাও হুবহু নকল করতে পারে |
ধরুন, আপনি গভীর জঙ্গলে আপনার বন্ধুর সাথে ঘুরছেন আর হঠাৎ করেই আপনার বন্ধুকে আর দেখতে পারছেন না বা তাকে হারিয়ে ফেললেন۔۔۔۔এমন সময় জঙ্গলের আরও গভীর থেকে আপনার বন্ধুর ডাক ভেসে আসছে | আপনি ভাবলেন আপনার বন্ধু হয়তো আরও এগিয়ে বহুদূর চলে গেছে, সেই ডাকের পিছু নিতে নিতে আপনি উপস্থিত হলেন এমন এক স্থানে যেখান থেকে ফেরার কোনো রাস্তা নেই | আর হঠাৎ খেয়াল করলেন, আপনার দিকে হরিনের শিঙওয়ালা, অদ্ভুত জন্তু ও মানুষের সংমিশ্রনের এক প্রাণী ধেয়ে আসছে, যার উচ্চতা প্রায় নয় ফুটের উপরে | তখন আপনি দৌড়ে পালাতে চেষ্টা করলেও পারবেন না | যতোই জোরে দৌড়ান, এই শয়তান দানব আপনাকে ধরে ফেলবে আর নিজের খাদ্যে পরিণত করবে |
এই ওয়েনন্ডিগো সর্বদাই সন্ধান করে কাঁচা মাংসের, মানুষের মাংস এদের প্রিয় খাদ্য এরা চায় মানুষের মাংস খেয়ে আরও বলশালী হতে | মনে করা হয় আমেরিকার উত্তর বনাঞ্চলে শীতল এলাকায় ও কানাডার বনাঞ্চলগুলিতে এদের বসবাস | তবে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গার গভীর বনাঞ্চলের বনকর্মীরা ওয়েনন্ডিগো সম্পর্কে তাদের অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন | সেরকমই একটি অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করবো আপনাদের সাথেl
ওয়েনন্ডিগো সম্পর্কে আজ একটি ঘটনা আপনাদের সাথে ভাগ করে নেবো |
জনবহুল একটি শহরের এক ভাড়া বাড়িতে ইভা নামে একটি মেয়ে বাস করতো ( শহরের নাম ও স্থান উল্লেখ করবো না) | যে বাড়িতে সে বাস করতো, সেটি ছিলো জরাজীর্ণ ও বেশ পুরোনো | এই মেয়েটি ছিলো অনাথ | আমাদের প্রত্যেক মানুষেরই স্বপ্ন থাকে জীবনে নিজের একটা বাড়ি বানানোর | ঠিক তারও একই স্বপ্ন ছিল | সে পড়াশোনার পাশাপাশি বাড়িতে বসে কিছু কাজও করতো, খুব কম তাকে অফিস যেতে হতো | কিছু নিজের জমানো টাকা আর মা বাবার রেখে যাওয়া কিছু টাকা থেকে সে একদিন পরিকল্পনা করেই ফেললো যে সে নিজের একটা বাড়ি করবে |
ঠিক এমন সময় একটি বাড়ির সন্ধান সে পেলো | তবে বাড়িটি ছিলো শহরের বাইরে একটি জঙ্গল ঘেরা স্থানে | যদিও সেখান থেকে শহরে যাওয়ার সুন্দর রাস্তা আছে | একদিন সে বাড়িটির পরিদর্শনে গেলো ۔۔۔এবং অবাক হলো যে এটা আদতে কোনো বাড়ি না এটা অনেকটা প্যালেসের মতো | ইভা প্রথমেই ভেবে নিলো যে এই বাড়িটি তার পক্ষে কেনা অসম্ভব | কিন্তু বাড়ির মালিকের মুখে বাড়ির দাম শুনে সে অবাক !! তার বাজেটের মধ্যেই সে এই বাড়িটি পেয়ে যাচ্ছে, তবে সমস্যা হলো এই বাড়িতে মাত্র দুইবার জল আসবে আর তার মধ্যেই তাকে সমস্ত কাজ সেরে নিতে হবে আর তার সাথে রাতের বেলা খুব অন্ধকার আর পাশে জনবসতিও খুব কম , সে একা থাকবে এত্ত বড়ো ঘরে তাই রাতে কোনো সমস্যা হলে সাহায্যের কেউ নেই | তবে এর মধ্যেও ইভার কাছে স্বস্তির বিষয় হলো প্রায় কিছুটা দূরেই এলাকার থানা | তাই নিরাপত্তাজনিত সমস্যায় ভোগার কথা তার নয় | তার মধ্যে ফরেস্ট অফিসাররাও আছেন, তাকে সাহায্য করার জন্যে |
বেশ ভালো ভাবেই তার দিন কাটতে লাগলো, কিন্তু সমস্যা আসলো একদিন | ইভা একটি ঘরে বসে তার কাজের কিছু লেখালেখি করছিলো, হঠাৎ করেই বাইরের থেকে এক মহিলার চিৎকার সে শুনতে পেলো | মহিলাটি খুব জোরে জোরে চিৎকার করে বলছে তাকে প্রাণে বাঁচাতে আর সমানে ইভার বাড়ির দরজা ধাক্কে যাচ্ছে | এই শুনে ইভা সাথে সাথে গিয়ে দরজা খুললো | মেয়েটিকে জিজ্ঞাসা করলো কি হয়েছে তোমার ? এর উত্তরে মেয়েটি বললো তাকে একজন অপরাধী লোক কুড়াল নিয়ে মারতে আসছে, কারণ এর আগে সে দুই - তিনজনকে একইভাবে মেরেছে ۔۔ও মেয়েটি সেটা দেখে নিয়েছে | ইভা তাকে ঘরে এনে সান্তনা দিলো ও জল খাওয়ালো , তার মনে ভরসা আনার চেষ্টা করলো |
হঠাৎ করেই ইভা টের পেলো কেউ যেনো দরজা ধাক্কা দিচ্ছে, ইভা সাহস করে এগিয়ে গিয়ে দেখলো একজন লোক দাঁড়ানো তার হাতে কুড়াল | লোকটি জিজ্ঞাসা করলো, এখানে কি কেউ এসেছে ? ইভা না বলায় লোকটি বললো সে চলে যাচ্ছে, তবে ইভা যদি মিথ্যা বলে ۔۔সে ইভা কে মেরে দু টুকরো করবে | ইভা তাড়াতাড়ি দরজা বন্ধ করে স্থানীয় পুলিশ স্টেশন এ ফোন করে তার নিজের ঠিকানা জানালো আর বললো যে এখানে একজন অপরাধী কুড়াল নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর তাদের মারার চেষ্টা করছে | এর মাঝখানে কিছুই ঘটলো না, প্রায় পনেরো মিনিট পর কলিং বেলের আওয়াজ আসলো | বেশ কিছুটা ভয়ের সাথে ইভা বললো কে ?
বাইরে থেকে উত্তর আসলো আমি ইন্সপেক্টর ডি ফ্রান্সিস ۔۔۔ইভা দরজা খোলার পর ইন্সপেক্টর ফ্রান্সিস ঘরে প্রবেশ করলো ও তাদের সবকথা শুনলো | কিছু সময় পরেই তারা বুঝতে পারলো যে দরজাটি কেউ কুড়াল দিয়ে বার বার বারি মেরে ভাঙার চেষ্টা করছে, ও সেটি একসময় ভেঙেও পড়লো | ফ্রান্সিস তার বন্দুকটি উঁচু করে অপরাধী লোকটির সামনে দাঁড়ালো ও বললো লোকটি যদি কোনো প্রকার খারাপ কিছু করতে চায় তৎক্ষনাৎ সে লোকটিকে গুলি করবে | এই কথায় সামনের অপরাধীটি হাসলো, আর কুড়াল নিয়ে এগিয়ে আসতে লাগলো | ফ্রান্সিস সেই অপরাধীকে লক্ষ করে গুলি ছুঁড়লো, গুলিটি সোজা এসে অপরাধীটির বুকে লাগলো, ও সে মাটিতে লুটিয়ে পড়লো | এতো বড়ো একটা ঘটনা হয়ে যাওয়াতে ইভা ও সেই মেয়েটি দুজনেই ভয়ে চিৎকার করে উঠলো !! তারা ভাবলো অবশেষে সব সমস্যার সমাধান এবার হয়েছে |
কিন্তু না, সমাধান হয়নি ۔۔۔অপরাধী মানুষটি আস্তে আস্তে নড়াচড়া করতে লাগলো | এই দৃশ্য দেখে সবাই স্তম্ভিত !! এটা কিভাবে সম্ভব ? গুলির আঘাত সত্ত্বেও কিভাবে একজন আবার বেঁচে উঠতে পারে ? ফ্রান্সিস এই দৃশ্য দেখামাত্রই তার থানায় ফোন করে বেশ কিছু পুলিশ পাঠাতে বললো | এই সময় সেই গুলি খাওয়া অপরাধী আবার উঠে দাঁড়ালো ও তার কুড়ুল নিয়ে ইন্সপেক্টর ফ্রান্সিস এর উপর চড়াও হলো | ফ্রান্সিস আরোও তিনটি গুলি করলো পরপর | কিন্তু অপরাধিটির কিছুই হলো না ۔۔۔শুধুমাত্র তার হাতে থাকা কুড়ুলটি পরে গেলো মাটিতে | সে দৌড়ে এসে ফ্রান্সিস এর উপর আছড়ে পড়লো | ফ্রান্সিস ও অপরাধীটির মধ্যে শুরু হলো জোর লড়াই | কিন্তু এতে ইন্সপেক্টর ফ্রান্সিস বিশেষভাবে আহত হচ্ছিলেন | এমন সময় পুলিশের জীপগাড়ি এসে উপস্থিত হলো ইভার বাড়ির সামনে۔۔۔তারা দেখতে পেলো দরজা খোলা ও চিৎকারের আওয়াজ হচ্ছে | ফ্রান্সিস খুব আহত হওয়া সত্ত্বেও দুটি মেয়েকে বাঁচানোর জন্যে প্রানপনে লড়ে যাচ্ছিলেন |
অন্য পুলিশরা ঘটনাস্থলে এসে হাজির হলো ও এক সময়ে অপরাধীটি অন্য পুলিশদেরকে দেখতে পেয়ে একছুটে পালালো | ফ্রান্সিস চিৎকার করে তার সহ-পুলিশ ও কন্সটেবলদের উদেশ্যে বললো যেকোনো ভাবে সেই অপরাধীকে ধরতেই হবে | নাহলে সেই অপরাধী অন্যান্য মানুষদেরও অতিষ্ট করবে, আর এটা এখানকার স্থানীয় মানুষদের জন্যেও বিপদসীমার মধ্যে থাকার সমান, এই ভেবে তারাও ছুট দিলো | অতো গভীর জঙ্গলের মাঝে গাছে ঢাকা এলাকায় জীপ গাড়ি নিয়ে যাওয়ার চেয়ে, তারা মনে করলো টর্চ নিয়ে সেই অপরাধীকে দৌড়ে ধাওয়া করাই বেশী ভালো | চারিদিক থেকে তারা সেই অপরাধীটির উদেশ্যে দৌড়ানো শুরু করলো |
এইদিকে সেই ভয় পাওয়া মেয়েটিও এবার ইভা এর উদেশ্যে বললো , ইন্সপেক্টর ফ্রান্সিস তাদেরকে বাঁচিয়েছে ۔۔তাই তাদেরও উচিত তাকে সাহায্য করা | ইভা এই কথায় প্রথমে সম্মতি না জানালেও সেই মেয়েটির বারবার কাকুতিমিনতিতে রাজি হলো ও তারাও চললো পুলিশদের সাহায্যের উদেশ্যে | অবশেষে দীর্ঘ দৌড়ের পর পুলিশেরা খুঁজে পেলো সেই অপরাধীটিকে ۔۔۔সব পুলিশ একই স্থানে এসে উপস্থিত হলো | কিন্তু সেই অপরাধী এখনো হেসেই চলেছে | সেই দৃশ্যে প্রচন্ড রাগে ইন্সপেক্টর ফ্রান্সিস, সজোরে এক ঘুসি কষালো অপরাধীটির মুখে | সেই সময়েই ঘটনাস্থলে হঠাৎ করেই উপস্থিত হলো ইভা ও তার পিছনে সেই মেয়েটি |
কিন্তু এর পর যা হলো তা আমাদের কল্পনার বাইরে !! অপরাধীটির দেহ ধীরে ধীরে পরিবর্তন হতে শুরু করলো ۔۔۔তার দেহ প্রায় নয় ফুট উচ্চতায় পৌঁছে গেলো, সাথে সাথে তার মাথায় হরিনের মতো শিঙ এর উদয় হলো, সে হয়ে উঠলো একটা মানুষ ও পশুর সংমিশ্রণ | তার তীব্র আওয়াজে চারিদিক থেকে আসা তারই মতো ওয়েনন্ডিগোরা ঘিরে ধরতে লাগলো পুলিশদের | ধীরে ধীরে সেই মেয়েটিরও রূপ পরিবর্তন হতে শুরু করলো, সেও ওয়েনন্ডিগোতে রূপান্তরিত হলো | এই দৃশ্যে ইভা ভয়ে বিস্ময়ে অবাক !!
এবার সেই অপরাধী মানুষ সেজে থাকা ওয়েনন্ডিগো বলতে শুরু করলো ۔۔۔আমরা ইভা কে অনেকদিন আগেই মারতে পারতাম, ভক্ষন করতে পারতাম !! কিন্তু তাতে আমরা কতটুকুই বা মাংস আর রক্ত পেতাম, আমাদের ক্ষিদে মিটতো না তাতে | আমরা চেয়েছিলাম আমাদের এক সপ্তাহের খাবারের ব্যাবস্থা করতে | এই বলা মাত্রই সেই ওয়েনন্ডিগোদের মুখ থেকে লোভে লালা ঝড়তে লাগলো | তার সাথেই তাদের মুখ ও দেহ থেকে আসা নোংরা দুর্গন্ধে পুলিশদের থাকাই দুর্বিসহ হয়ে উঠলো | ফ্রান্সিস সহ অন্য পুলিশেরা তাদের বন্দুক থেকে গুলিবর্ষণ করতে লাগলো ওয়েনন্ডিগোদের উপর, কিন্তু এতে আগের মতোই তাদের কিছুই যায় আসলো না ۔۔মনে করুন আগেও কিন্তু সেই মানুষ অপরাধীটির গায়ে গুলি লাগা সত্ত্বেও সে মরেনি |
ঠিক যেমনভাবে আমরা কাগজের পাতা ছিঁড়ে ফেলি, ঠিক সেইভাবেই ওয়েনন্ডিগোরাও পুলিশদের হাত পা ছিঁড়তে লাগলো | কোনো ওয়েনন্ডিগো ঝাঁপিয়ে পরে জ্যান্ত একটা মানুষের মাথা ধড় থেকে আলাদা করে সেই মাথাই চিবিয়ে খেতে লাগলো | কেউ দৌড়ে প্রাণে বাঁচার জন্যে পালানোর চেষ্টা করলো কিন্তু দীর্ঘদেহী ওয়েনন্ডিগোদের গতির সাথে তারা পারলো না, কারণ এই ওয়েনন্ডিগোরা হাওয়ার সাথে দৌড়ায় | এক এক করে চলতে লাগলো মানব সংহার ۔۔۔۔তাদের হাত পা ছিঁড়ে প্রবল উল্লাসে চলতে লাগলো ওয়েনন্ডিগোদের রাতের খাদ্যউৎসব | তাদের রক্তেতৃষ্ণা পরিতৃপ্ত হতে লাগলো মানুষের রক্তে | মানুষের তীব্র মৃত্যু হাহাকারে কেঁপে উঠলো আকাশ বাতাস | কিন্তু কেউ বুঝলো না যে গভীর জঙ্গলের ভিতরে ঠিক কী মৃত্যুযজ্ঞ চলছে |
নিখোঁজ হওয়া ইভা ও পুলিশদের সন্ধান চলতে লাগলো, বেশ কিছুদিন পর বনকর্মীরা জঙ্গলের খুব গভীরে সেই নিখোঁজ মানুষদের সন্ধানের উদ্দেশ্যে ঢুকে পড়লো, এই গভীর জঙ্গলে বনকর্মীরা দিনের বেলাতেও খুব কম আসে | তারা দেখতে পেলো বেশ কিছু মানুষের হাড়গোড়, মাথার ভাঙা খুলি পরে আছে ۔۔খুঁজে পেলো ফ্রান্সিস এর আইডিকার্ড | পুরোনো রক্তের দাগও তারা লক্ষ করলো | তারা দেখলো কিছুস্থানে পরে আছে মাংসপিন্ড তাতে বসা মাছির দল আর তা থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে খুব | বনকর্মীরা কিছুটা অনুমান করতে পারলো যে এটা কাদের কাজ হতে পারে | কিন্তু, মানুষ যাতে না ভয় পায় আর এই দানবদের দেখার উদ্যেশ্যে এই জঙ্গলে যাতে কোনো বিশেষ কৌতূহলী মানুষ না আসে ঠিক সেই কারণে তারা সবাইকে প্রচার করলো এক অপরাধীকে ধরার জন্যে পুলিশেরা এই ঘন জঙ্গলে এসে উপস্থিত হয়েছিল আর কিছু হিংস্র ভয়ানক পশুর কবলে পরে তারা মারা গেছে একই সাথে এই পশুর আক্রমণে ইভা এর ও মৃত্যু হয়েছে , তাই এই জঙ্গলের গভীরে যাতে কেউ না ঢোকে | আস্তে আস্তে বিষয়টি এইভাবেই ধামাচাপা পরে গেলো |
এবার সবার মধ্যেই প্রশ্ন জাগবে যে এই ওয়েনন্ডিগো কোথা থেকে সৃষ্টি হলো ও তাদের মারার কি কোনো উপায় নেই ? এর উত্তর হলো কিছু খারাপ মানুষ বিশেষ নিম্নশক্তি পাওয়ার আশায় এক শয়তানি শক্তির আরাধনা করতে লাগলো, তারা মানুষ হয়েও মানুষেরই মাংসই ভক্ষন করতে লাগলো | শয়তান তার বরদান স্বরূপ তাদেরকে ওয়েনন্ডিগোতে পরিণত করলেন, আর এইখানথেকেই সৃষ্টি হলো এই দানবের | আর তাদের আপনি হয়তো মারতেও সক্ষম হবেন না কিন্তু আপনার কাছে মশালের ভয়ানক আগুন থাকলে আপনি এই দানবদের পিছু হটাতে সক্ষম হবেন | অবশ্য এরা কতোটা চালাক তা আগেই বলেছি ۔۔۔এরা বহুদিন আগেই ইভা কে মারতে পারতো ۔۔۔কিন্তু তা না করে এরা আরোও বড়ো কিছুর পরিকল্পনা করেছিল |
আজকের লেখাটি একটি লোককথার মতো, আপনি গল্পের মতো নিতে পারেন।
(অনুগ্রহ করে লেখাটি ও আঁকাটি কেমন লাগলো সেটি আমায় জানাবেন, ভালো লাগলে পোস্টটি শেয়ার করে পেজটির পাশে থাকবেন, ধন্যবাদ।)