UDAAN

UDAAN নতুন ভাবনার নব উড়ান
উড়বো যখন আকাশ জুড়?

08/08/2023
29/05/2022

অসাধারন একটি লেখা শেয়ার করলাম । আশাকরি ভালো লাগবে।
এক ভদ্র মহিলা পাসপোর্ট অফিসে এসেছেন পাসপোর্ট করাতে।
অফিসার জানতে চাইলেন- *আপনার পেশা কি?*
মহিলা বললেন, *আমি একজন মা।*
আসলে শুধু মা তো কোনো পেশা হতে পারেনা,
আমি লিখে দিচ্ছি আপনি একজন গৃহিনী।
মহিলা খুব খুশী হলেন। পাসপোর্টের কাজ কোনো ঝামেলা ছাড়াই শেষ হলো। মহিলা সন্তানের চিকিৎসা করাতে বিদেশ গেলেন ও সন্তানকে সুস্থ করিয়ে দেশে ফিরে আসলেন।

অনেকদিন পরে, মহিলা দেখলেন পাসপোর্টটা renew করা দরকার, যেকোনো সময় কাজে লাগতে পারে। আবার পাসপোর্ট অফিসে আসলেন। দেখলেন আগের সেই অফিসার নেই। খুব ভারিক্কি, রুক্ষ মেজাজের এক লোক বসে আছেন।

যথারীতি ফর্ম পূরণ করতে গিয়ে অফিসার জানতে চাইলেন-
*আপনার পেশা কি?*
মহিলা কিছু একটা বলতে গিয়েও থেমে গিয়ে বললেন-
*আমি একজন গবেষক। নানারকম চ্যালেঞ্জিং প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করি। শিশুর মানসিক এবং শারিরীক বিকাশ সাধন করি, শিশুকে পর্যবেক্ষণ করে সে অনুযায়ী পরিকল্পনা প্রণয়ন করি। বয়স্কদের নিবিড় পরিচর্যা করি ও খেয়াল রাখি। সুস্থ পরিবার ও সমাজ বিনির্মাণে নিরলস শ্রম দিয়ে রাষ্ট্রের কাঠামোগত ভিত মজবুত করি। প্রতিটি মূহুর্তেই আমাকে নানারকমের চ্যালেঞ্জের ভিতর দিয়ে যেতে হয় এবং অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তা মোকাবিলা করতে হয়। কারণ,আমার সামান্য ভুলের জন্য বিশাল ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।*

মহিলার কথা শুনে অফিসার একটু নড়ে চড়ে বসলেন। মহিলার দিকে এবার যেন একটু শ্রদ্ধা আর বিশেষ নজরে তাকালেন। এবার অফিসার জানতে চাইলেন-

আসলে আপনার মূল পেশাটি যদি আরেকটু বিশদভাবে বলতেন।(লোকটির আগ্রহ এবার বেড়ে গেলো)

আসলে, পৃথিবীর গুণীজনেরা বলেন - আমার প্রকল্পের কাজ এতো বেশি দুরূহ আর কষ্টসাধ্য যে, দিনের পর দিন আঙুলের নখ দিয়ে সুবিশাল একটি দীঘি খনন করাও নাকি তার চেয়ে অনেক সহজ।

আমার রিসার্চ প্রজেক্ট তো আসলে সারাজীবন ধরেই চলে। সর্বক্ষণ আমাকে ল্যাবরেটরি এবং ল্যাবরেটরীর বাইরেও কাজ করতে হয়। আহার,নিদ্রা করারও সময়ের ঠিক থাকে না। সব সময় আমাকে কাজের প্রতি সজাগ থাকতে হয়।
আমার নিরলস কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ আমি তিনবার স্বর্ণপদকে ভূষিত হয়েছি। (মহিলার তিন জন কন্যা সন্তান ছিল।)
এখন আমি সমাজবিজ্ঞান,স্বাস্থ্যবিজ্ঞান আর পারিবারিক বিজ্ঞান এই তিনটি ক্ষেত্রেই একসাথে কাজ করছি, যা পৃথিবীর সবচেয়ে জটিলতম প্রকল্পগুলোর অন্যতম।

‘ঊষর মরুর ধূসর বুকে, ছোট্ট যদি শহর গড়ো,
একটি শিশু মানুষ করা তার চাইতেও অনেক বড়।‘

অফিসার মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে মহিলার কথা শুনলেন। এ যেন এক বিস্ময়কর মহিলা। প্রথমে দেখেতো একেবারে পাত্তাই দিতে মনে হয়নি।

প্রতিদিন আমাকে ১৪ থেকে ১৬ ঘন্টা আবার কোনো কোনো দিন আমাকে ২৪ ঘন্টাই ল্যাবে কাজ করতে হয়। পৃথিবীর সব পেশাতেই কাজের পর ছুটি বলে যে কথাটি আছে আমার পেশাতে সেটা একেবারেই নেই। ২৪ ঘন্টাই আমার অন কল ডিউটি।
আপনার হয়তো বা জানতে ইচ্ছে করছে, এ চ্যালেঞ্জিং প্রকল্প পরিচালনায় আমার সেই অর্থে কোনো পারিশ্রমিক নেই। পরিবারের সবার মুখে হাসি আর পারিবারিক প্রশান্তি আমার পারিশ্রমিক।

এবার আমি বলি, আমার পেশা কি?
আমি একজন মা। এই পৃথিবীর অতিসাধারণ এক মা।

মহিলার কথা শুনে অফিসারের চোখ জলে ভরে এলো। তাঁর নিজের মায়ের মুখ চোখের সামনে ভেসে ওঠে। তিনি খুব সুন্দর করে ফর্মের সব কাজ শেষ করে, মহিলাকে নমস্কার করে দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দিলেন। তারপর নিজের অফিস রুমে এসে একটি ধূসর হয়ে যাওয়া ছবি বের করে ছবিটির দিকে অপলক চেয়ে থাকলেন। নিজের অজান্তেই চোখের জল টপ টপ করে ছবিটির ওপর পড়তে থাকলো।

আসলে "মা"-এর মাঝে নেই কোনো বড় উপাধির চমক, নেই কোনো বড় পেশাদারিত্বের করপোরেটের চকচকে ভাব। কিন্তু কত সহজেই পৃথিবীর সব মা নিঃস্বার্থ ভাবে প্রতিটি পরিবারে নিরলস শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন। মাতৃত্বের গবেষানাগারে প্রতিনিয়ত তিলেতিলে গড়ে তুলছেন একেকটি মানবিক নক্ষত্র।

সেই মা সবচেয়ে খুশি হন কখন জানেন-
যখন সন্তান প্রকৃতই মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে ধনে নয়, সম্পদে নয়,বিত্তে নয়, ঐশ্বর্যে নয় শুধু চরিত্রে আর সততায় একজন খাঁটি মানুষ হয়।
লেখাটা বেশ পুরনো, কিন্তু যত বার পড়ি তত বার ভালো লাগে। তাই সবার সাথে শেয়ার করলাম ।

29/03/2022

*কথা শেষ হয়ে গেলে সম্পর্ক ফুরিয়ে যায়*

এমনটাই ভেবে আসে মানুষ । সারাজীবনে কতবার আমাদের কত মানুষের সাথে সম্পর্ক হয় । তারপর ধীরে ধীরে আগ্রহের অভিমুখ পাল্টে যায়, *জীবনের গুরুত্ব বদলে যায়, কথা কমে আসে, সম্পর্ক হারিয়ে যায়।*

এক‌ইরকম ঘটনা ঘটে রক্তের সম্পর্কের মানুষের সাথেও। একদিন যে যত কাছে থাকে, ধীরে ধীরে সে তত দূরেই চলে যায়। *কথা কমে যায়, সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে পৌঁছায়।*

*ছেলেবেলায় স্কুলে যে বন্ধুকে ছেড়ে একমুহূর্ত থাকতে পারতাম না,* কতক্ষণে স্কুলে গিয়ে মনের সব কথা কলকল করে বলবো বলে অপেক্ষা করতাম, *এখন সে শুধুমাত্র‌ই ভার্চুয়াল বন্ধু।* বদলে যায়, গুরুত্বের অভিমুখ বদলে যায়, কথা কমে যায়, সম্পর্কের সুতো ছিঁড়ে যায় ।

*যে ঠাকুমার সাথে,* ঘন্টাখানেক বকবক না করলে রাতে ঘুম হত না সেই ঠাকুমা যখন মারা গেলেন, সয়ে গেল তো। *সয়ে গেল একা বিছানায় শোওয়া।* গল্প না শুনেই ঘুমিয়ে পড়া। তেমন করে *ক‌ই মনে পড়েনা তো আর ঠাকুমা, কাকু, জেঠু, পিসি, দাদা, দিদা, পিসেমশাই.. কে।*

*কথা নেই, মনে পড়াও নেই,* মানুষগুলো কেমন ধীরে ধীরে মুছে যেতে থাকে জীবন থেকে। অফিস থেকে ফিরে সন্ধ্যায় ঘরে ঢুকলেই, *মেয়ে হাসিমুখে ছুটে এসে জড়িয়ে ধরতো।* গড়গড় করে বলতো সারাদিনে কি কি হয়েছে। তার কষ্ট, আনন্দ, অভিমান, দুঃখ, রাগ, সব না জানানো অবধি শান্তি নেই । *এখন সে মনের কথা মনেই রাখতে শিখে গেছে।* বয়সোচিত গাম্ভীর্য এসেছে। এটাই জীবন, কথা ফুরিয়ে যায়, কথা শেষ হয়ে যায়। *পাখি বাসা ছেড়ে উড়তে শেখে।*

মনে পড়ে কত মানুষের উপর, *অভিমান করে* কথা বলিনি। কত মানুষকে অন্যায়ের শাস্তি দিতে, *কথা বন্ধ করেছি।* আবার কত মানুষ তীব্র অভিমানে আমার সাথে কথা বলেনি। কেউবা রাগ করে কথা বলে না। কেউবা অন্য কোনো কারণে।

*যাদের এককালে খুব আপন মনে হত,* এখন তাদের সাথে সেভাবেই কথা বলতে গেলে কেমন বোকা বোকা লাগে। দিন বদলে গেছে, সময় বদলে গেছে। জীবনের অভিমুখ বদলে গেছে। *কথা ফুরিয়ে গেছে।* সম্পর্ক শেষ হয়ে গেছে। আমরা একাই পৃথিবীতে এসেছি আর ধীরে ধীরে বয়সের সঙ্গে আবার, একা থাকতে অভ্যস্ত হয়ে উঠছি।

কতকষ্টে একটা মানুষ, একটা সুসম্পর্ক অর্জন করি আমরা। *কথা না বলে আমরা মানুষের সম্পর্ক হারিয়ে ফেলি।*

শুধুমাত্র নিয়মিত কথার অভাবে তা শেষ হয়ে যায়। *মানুষের সম্পর্ক খরচ হয়ে যায় অকারণে।* কত ছোট জীবন। কত মূল্যহীন আমাদের রোজকার চাওয়া - পাওয়া - দুঃখ - রাগ - রোষ - ক্ষোভ - মান - অভিমান - অভিযোগ।
*একটা মানুষ নেই হয়ে গেলে কদিন তাকে মনে রাখে মানুষ ?* সাধারণ মানুষ বাতাসের মতন। বাতাস উষ্ণ হয়ে উপরে উঠে গেলে পার্শ্ববর্তী বাতাস ছুটে এসে শূন্যস্থান পূর্ণ করে যেমন। কেউ মরে গেলে আত্মীয় পরিজন কাছের মানুষ, *তেমন‌ই নিজেদের প্রয়োজনে তাকে বাদ দিয়ে দেয় ধীরে ধীরে।* মরে যাওয়ার আগে তাই আর কাউকে বাদ দিতে ইচ্ছে করে না। *কথা বা সম্পর্ক ফুরোতে ইচ্ছে করে না।*

*মনে হয় কথা থাকুক।* এই মায়ার পৃথিবীতে সম্পর্ক থাকুক। মানুষটা জমা থাকুক জীবনের হিসেব খাতায়। দুহাজার কুড়ি ও একুশ আমাদের অনেক কিছু কেড়ে নিয়েছে। হয়তো আরো নেবে। *তাই আর কোনো সম্পর্ক হারাতে ইচ্ছে করেনা। মনে হয় সবাই থাকুক, কথায় থাকুক, মনে থাকুক, হৃদয়ের কাছাকাছি থাকুক।*

--------------------------

*(খুঁজে পাওয়া)*

24/12/2021

অভাব কাকে বলে ? 😢😢😥

অর্থনীতি ক্লাসে বয়স্ক একজন স্যার, রুমে ঢুকেই সামনে বসা ছেলেটিকে প্রশ্ন করলেন,
বলো তো, অভাব কাকে বলে ?

-'অর্থনীতিতে বস্তুগত বা অবস্তুগত কোনো দ্রব্য পাওয়ার আকাঙ্খাকে 'অভাব' বলে।'
ছেলেটি উত্তর দিল।

-এটা তো অর্থনীতির ভাষা,
সাধারণ ভাবে অভাব কাকে বলে ? অর্থাৎ 'অভাব' বলতে তুমি ঠিক কি বোঝ ?

ছেলেটি মাথা নিচু করে বেঞ্চের দিকে তাকিয়ে আছে।
কি বলবে ভাবছে সে।
স্যার আবার তাড়া দিলেন
'বল' ...

ছেলেটি এবার বলতে শুরু করল।

১। আমি কলেজে আসার সময় মা আমাকে ভাড়া দিতে গিয়ে তার ব্যাগ তন্ন তন্ন করে খুঁজে অনেক কষ্টে ২০/৩০ টাকা বের করে দেন,
আর আমি বাড়ি থেকে বের হয়ে ৫/৭ মিনিট পর বাড়িতে ফিরে ভাড়ার টাকাটা মাকে দিয়ে বলি, মা! আজ কলেজে ক্লাস হবে না।
মা তখন বলেন, আগে খবর নিবি না ক্লাস হবে কিনা ?
মায়ের সাথে এই লুকোচুরি হচ্ছে 'অভাব'।

২। বাবা যখন রাত করে বাড়ি আসেন মা তখন বাবাকে জিজ্ঞেস করেন এত রাত হলো কেন ফিরতে ?
বাবা বলেন, 'ওভারটাইম' ছিল।
'ওভারটাইম' না করলে সংসার কিভাবে চলবে ? বাবার এই অতিরিক্ত পরিশ্রম হচ্ছে আমার কাছে 'অভাব'।

৩। ছোট বোন মাস শেষে প্রাইভেট টিচারের টাকা বাবার কাছে চাইতে যখন সংকোচবোধ করে সেটাই 'অভাব'।

৪. মাকে যখন দেখি ছেঁড়া কাপড়ে সেলাই দিতে দিতে বলে কাপড়টা অনেক ভাল আরো কিছুদিন পরা যাবে এটাই 'অভাব'।

৫। মাস শেষে টিউশনির পুরো টাকাটা মায়ের হাতে দিয়ে বলি,
মা এটা তুমি সংসারে খরচ করো,
মা তখন একটা স্বস্তির হাসি হাসেন।
এই স্বস্তির হাসি হচ্ছে 'অভাব'।

৬। বন্ধুদের দামী স্মার্টফোনের ভিড়ে নিজের নর্মাল ফোন লজ্জায় যখন লুকিয়ে রাখি এই লজ্জাই আমার কাছে 'অভাব'।

৭। অভাবী হওয়ায় কাছের মানুষগুলো যখন আস্তে আস্তে দূরে সরে যায়,এই দূরে সরে পড়াটাই আমার কাছে 'অভাব'। ....

পুরো ক্লাসের সবাই দাঁড়িয়ে গেল!
অনেকের চোখে জল!

স্যার ও চোখের জল মুছতে মুছতে ছেলেটিকে কাছে টেনে নিলেন।💝

বস্তুতঃ আমাদের সহপাঠীদের মধ্যে এমন অনেকেই আছে,
যারা কয়েক মাস অপেক্ষা করেও বাড়ি থেকে সামান্য টাকা পায় না।
সব দুঃখ-কষ্টকে আড়াল করে হাসিমুখে দিনের পর দিন পার করে দেয় খেয়ে না খেয়ে!
তাদের হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকা কষ্ট টুকু বুঝার সুযোগ হয়তো আমাদের হয়ে ওঠে না!

এটাই বাস্তব !

13/12/2021

নায়ক মিঠুন চক্রবর্তী মুম্বইয়ের একটি ব্যাংকে গিয়ে ম্যানেজারের কাছে 50,000/- টাকা Loan চাইলেন। ব্যাংক ম্যানেজার গ্যারান্টি চাইল। বাঙ্গালি বাবু ব্যাংকের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা নিজের BMW গাড়িটি দেখিয়ে বললেন, ওটি গ্যারান্টি রাখতে পারেন। Bank manager গাড়ীর কাগজপত্র দেখে বাঙ্গালি বাবুকে 50,000/ টাকা Loan দিতে রাজি হলেন। বাঙ্গালি বাবু ৫০,০০০ টাকা নিয়ে চলে গেলেন। এক কোটি টাকার গাড়ী মাত্র ৫০০০০ টাকায় বন্ধক রেখে যাওয়াতে ব্যাংকের কর্মচারীরা বাঙ্গালির বোকামিতে নিজেদের মধ্যে হাসাহাসি করতে লাগলেন।

দুই মাস বাদে, বাঙ্গালি বাবু ব্যাংকে এসে নিজের গাড়ী ফেরত চাইলেন এবং ৫০,০০০ মূল আর ১২৫০ টাকা সুদ দিয়ে গাড়ী ছাড়িয়ে নিলেন।

ম্যানেজার থাকতে না পেরে জিগ্যেস করলেন,
"Sir, কোটিপতি হয়েও মাত্র ৫০,০০০ টাকার জন্য নিজের BMW গাড়ী কেন বন্ধক রাখতে হলো একটু বলবেন? বাঙ্গালি বাবু, দেখুন- আমার দুই মাসের জন্য আমেরিকা যাওয়ার দরকার ছিল। কলকাতা থেকে মুম্বাই এসে গাড়ি parking করা নিয়ে সমস্যায় পড়েছিলাম। Parking ওয়ালারা দুই মাসের জন্য ২০,০০০ টাকা চাইছিল। আপনার এখানে মাত্র ১,২৫০ টাকায় আমার কাজ হয়ে গেল। গাড়ি টাও secured থাকল। তাছাড়া আপনি ৫০,০০০ টাকাও দিলেন খরচ করার জন্য। ধন্যবাদ।
ম্যানেজার বেহূঁশ 😬😵।

🚘 এটাই বাঙ্গালির বুদ্ধি !!! 🚘
(সংগৃহীত)

22/11/2021

😂 ১৬ তারিখ। স্মরণীয় দিন হয়ে থাকুক...😂

স্কুলগুলো খুলেছে। প্রথম দিন। শিক্ষক হাজিরা নিচ্ছেন।
******
শিক্ষকঃ রোল নম্বর ১
__ ইয়েস স্যার।
শিক্ষকঃ রোল নম্বর ২
__ ইয়েস স্যার।
শিক্ষকঃ রোল নম্বর ৩
__ নেই স্যার।
শিক্ষকঃ কেন আসেনি রে?
__ স্যার, ওর বিয়ে হয়ে গেছে স্যার। এখন ও শ্বশুরবাড়ীতে পড়াশোনা করছে।
শিক্ষকঃ আচ্ছা। রোল নম্বর ৪
__ স্যার, রোল নম্বর ৪ কার ছিল?
শিক্ষক চশমাটা একটু ঠিক করে ভালো করে এদিক ওদিক তাকিয়ে আস্তে করে জিজ্ঞেস করলেন, ' হরেন কোথায়?'
__ স্যার হরেন তো নেই।
শিক্ষকঃ কি হলো তার?
__ সেরকম কিছু নয় স্যার, আসলে স্কুল আর খুলবে না ভেবে সে তার বাড়ীর কাছেই একটা মুদির দোকান খুলেছে। হয়তো স্যার আর সে স্কুলে আসবে না।
শিক্ষকঃ হায় ঈশ্বর!! আচ্ছা ছেড়ে দে, রোল নম্বর ৫
__এটা কার নম্বর স্যার?
শিক্ষকঃ কেশব কোথায়?
__ আছি স্যার। আমার রোল নম্বর ৫ ছিল নাকি স্যার? ভুলেই গেছিলাম।
অবাক হয়ে শিক্ষক মশাই কিছুক্ষণ থম মেরে বসে রইলেন।
সেসময় হঠাৎই একটি বাচ্চার কান্নার আওয়াজ ভেসে এল।
শিক্ষকঃ আরে বাচ্চা কাঁদে কোথায়!!!
__ স্যার আমি শুচিস্মিতা। বাড়ীতে বাচ্চাকে একা কোথায় রেখে আসব, তাই সাথে করে স্কুলেই নিয়ে এলাম।
ক্লাসের সবাই-ই ফিকফিক করে হাসতে লাগল। কেবল মাষ্টারমশাই গম্ভীর হয়ে বসে রইলেন। তক্ষুণি একজন ছাত্র দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল __ স্যার আমার নাম রমেশ। আমার নামটা রেজিস্টারে আছে কিনা একটু দেখে দিন না।
শিক্ষক বহুক্ষণ তন্নতন্ন করে খুঁজেও রমেশের নাম রেজিস্টারে বের করতে না পেরে একরাশ বিরক্তি নিয়ে রমেশকে বললেন, "তোর নামটা তো দেখছি না। তোর অন্য কোনো নাম আছে নাকি রে!!"
__ কি!! তারমানে কি আমি এই ক্লাসে পড়তাম না নাকি!! তাহলে আমি কোন ক্লাসে পড়তাম??
এবার শিক্ষক মশাই চারদিক ভালো করে নিরীক্ষণ করে জিজ্ঞেস করলেন, "আচ্ছা, ক্লাসে এতো ছাত্র ছাত্রী কেন? রেজিস্টারে তো এতজনের নাম নেই। ব্যাপারটা কি?"
দুজন ছাত্রী উঠে দাঁড়িয়ে খুব লাজুক কন্ঠে বলল, স্যার, নতুন করে আবার ক্লাস শুরু হয়েছে। তাই দিনটাকে স্মরণীয় করে রাখবার জন্য আমরা আমাদের হাজবেণ্ডদের নিয়ে এসেছি।
শিক্ষকের আর কিছু বলার রইল না। তিনি চুপ করে রইলেন। তখনই দরজার পাশে দাঁড়িয়ে একটি ছেলে বলে উঠল__ স্যার, আমাকে কি আগে কখনও এই স্কুলে দেখেছেন?
শিক্ষকঃ কেন জিজ্ঞেস করছিস?
__ না মানে স্যার আমি কোন স্কুলে পড়তাম মনে করতেই পারছি না। আপনি যদি আমাকে আগে দেখে থাকেন তাহলে বুঝব আমি এই স্কুলেই পড়তাম।
শিক্ষক আর কথা না বাড়িয়ে রেজিষ্টারটি বন্ধ করে রাখলেন। ঠিক সেইসময়ই একজন ব্যক্তি দরজায় এসে জিজ্ঞেস করল, 'আরে দত্তবাবু আপনি আবার এখানে কেন? এটা তো আমাদের স্কুল। আপনার স্কুল তো পাশেরটা।
শিক্ষক এবার জ্ঞান হারালেন।🤣 🤣

09/11/2021

পাস কোর্স- কি পড়াশোনা করলি অনার্স ও পেলি না!

অনার্স কোর্স - সেই তো অতদূর পড়াশোনা করে ছাত্র পেটাতে হবে!

ইঞ্জিনিয়ারিং - ঘর বাড়ি বানাবি না মেশিন মুছবি?

নার্সিং - ধুর! ও তো সবাই করে।

হোটেল ম্যানেজমেন্ট - বিদেশে যাবি রান্না করতে?

মেকওভার - তাহলে বাবার এতো টাকা খরচ করে পড়াশোনা কেনো করলি?

অ্যানিমেশন কোর্স - কদিন পর তো চশমা নিতে হবে!

ডাক্তার - তুই তো একটু হাত কেটে গেলে চেঁচিয়ে সারা পাড়া মাথায় করিস, ডাক্তারি করবি কি করে? দেখিস মানুষ মেরে ফেলিস না!

পুলিশ - ওই তো ফিগার, কি দেখে যে চান্স পেলি! তা কতো টাকা খাওয়ালি?

ভবঘুরে - ওই তো সারাদিন এদিক ওদিক ঘুরে ঘুরে বেড়ায়, পড়াশোনা ওর দ্বারা হবে না...

মেধাবী - সবসময় বইয়ে মুখ গুঁজে থাকলে হবে? একটু বাইরেটা বেরো!

লেখক - কি লিখিস? ছড়া না পদ্য?

গায়ক - তোর দ্বারা গান হবে না, গলাটা তো পুরো কাকের মতো কর্কশ!

নৃত্যশিল্পী - কাজ নেই সারাদিন ধেই ধেই করে নেচে বেড়ায়!

সরকারি চাকরি - ও যে কেউ পায়! তা কতো ঘুষ দিলি?

বেসরকারি চাকরি - দেখ আবার কবে ঘাড় ধরে বের করে দেয়!

গৃহবধূ - এত ছোটো বয়সে বিয়ে করে এখন সংসার সামলাও!

প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে - কিরে কেউ পছন্দ করলোনা এখনও?

-------------

এসব কিছুনা, শুধু সমাজের নিজে হাতে গড়ে তোলা কৃত্রিম রোগ, যে রোগের নির্দিষ্ট কোনো ওষুধ নেই, যে রোগ ক্রমশঃ বেড়ে চলেছে বছরের পর বছর,

এই রোগের একমাত্র ওষুধ হলো এড়িয়ে চলা, নিজের মতো করে বাঁচা, নিজের ইচ্ছায় ভবিষ্যৎ প্রতিষ্ঠা করা, কারণ দিনশেষে দশটা টাকা দিয়ে কেউ সাহায্য করে না, তবে দশটা কথা শোনানোর লোক অনেক থাকে, বাঁচো নিজের মতো...🙂

09/11/2021

ডিভোর্সের ২৫ বছর পর নিজের প্রাক্তন স্বামীকে নিজের বৃদ্ধাশ্রমে দেখে চমকে গেলাম । কিছু বুঝতে পারছিনা। এতোবছর পর মানুষটাকে এভাবে দেখতে হবে তা একদম অকল্পনীয় ছিলো।লোকটা একপাশে গুটিসুটি মেরে বসে আছে। দেখতে বড্ড অসহায় লাগছে। নিজের মধ্যে সংকোচ করছে তার সামনে যাবো কি যাবো না।অনেকটা জড়তা নিয়ে শেষ পর্যন্ত তার সামনে গিয়ে দাড়ালাম।সামনে দাঁড়ানোর পরও লোকটার কোনো ভাবের পরিবর্তন হলো না, বুঝতে অসুবিধা হলোনা, যে সামনে থাকা মানুষটা চোখে দেখতে পায় না।

২৭ বছর আগে পারিবারিকভাবে আমার সাথে বিয়ে হয়েছিলো সিফাতের। বেশ ভালোই চলছিলো আমাদের সংসার।যৌথ হওয়াতে পুরো পরিবার একসাথে থাকতাম।শান্ত স্বভাবের হওয়াতে সবার সাথে আমার সম্পর্ক খুব ভালোই ছিলো। আমাকে সবাই ভালোবাসতো। বিয়ের প্রায় দুই বছর অতিক্রম হওয়ার পরও যখন আমাদের সন্তান হচ্ছিল না তখন আমার শ্বশুর বাড়ির লোকজন আমাকে বিভিন্ন চাপ দিতে লাগলো।অবশেষে রিপোর্ট থেকে জানতে পারি, আমি কখনো মা হতে পারবেনা। এরপর শুরু হয় শ্বশুড় বাড়ির বিভিন্ন মানসিক যন্ত্রণা। তবুও নিশ্চুপ ছিলাম কারণ আমার পাশে আমার ভালোবাসার মানুষ সিফাত ছিলো।কিন্তু সুখ নামক বস্তু হয়তো সবসময় সয় না।আমার ক্ষেত্রেও তার বিপরীত কিছু হলো না।পরিবারের চাপে সিফাতও আমার থেকে দূরত্ব নিয়ে নিলো।তবুও নিজেকে মানাতাম যে মানুষটা মনের কষ্টে হয়তো এমন করছে।

শ্বশুর বাড়িতে থাকাটা যখন অনেকটা যন্ত্রণাদায়ক হয়ে গেলো তখন ঠিক করলাম কিছুদিন বাপের বাড়িতে গিয়ে উঠবো এতে হয়তো পরিবেশ কিছুটা শান্ত হবে।যেদিন রাতে সিফাতকে বাপের বাড়ির কথা জানালাম সেদিন রাতে তার কোনো উত্তর পেলামনা।কিন্তু আগেরকার সময়ে বাপের বাড়ি যাওয়ার কথা বল্লে তার মুখটা কালো হয়ে যেতো,এবারে তার মধ্যে তেমন পরিবর্তন হলোনা।

বাপেরবড়ি যাওয়ার প্রায় তিনদিন বাদে একটা কুরিয়ার এলো যাতে লেখা আছে সিফাতের বিয়ের কথা আর আমাদের ডিভোর্সের পেপার।চিঠি আর ডিভোর্স পেপারটা হাতে নিয়েই আমার পুরো মাথা ফাঁকা হয়ে গেলো ।বুঝতে বাকি রইলো না পুরে বিষয়টা বহুদিন আগে থেকে পরিকল্পিত। শুধু আমার বের হওয়ার অপেক্ষায় ছিলো।যার জন্য এতো কষ্ট আর অপমান সয়য়ে ছিলাম সেই যখন পাশকেটে চলে গেলো তখন নিজেকে পুরো একা মনে হলো।ভাবলাম ঐ বাড়ি গিয়ে এ বিষয়ে প্রশ্ন করবো,প্রতিবাদ করবো কিন্তু মনে হলো যার জন্য ও বাড়িতে যাবো সেই তো আমাকে চাই না তাই গিয়ে লাভ কি!!! ডিভোর্স পেপারে সাইন করে পাঠিয়ে দিলাম।ডিভোর্স পেপার পাঠানোর পর তার সাথে আর কখনো দেখা বা যোগাযোগ হয়নি কারণ আমি নিজেই সবটা বন্ধ করে দিয়েছিলাম।

ক্ষণে ক্ষণে মনে হতো আমার মতো নিঃসন্তান, স্বামী ত্যাগী মানুষের পৃথিবীতে না থাকা শ্রেয় কিন্তু একটা সময় বুঝতে পারলাম নিজের জন্য না হলেও অন্যের জন্য বাঁচতে হবে।নিজের মতো ভুক্তভোগী নারীদের জন্য বাঁচতে হবে।বাঁচতে হবে ওসব শিশুদের জন্য যারা পরিচয়হীন হয়ে বেঁচে আছে এ পৃথিবীতে। পেছনে ফেলে আসা মানুষগুলোর প্রতি কোনো অভিযোগ রইলোনা। ।মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলাম, সমাজের তাদের জন্য কাজ করবো যারা নিজেদের ত্রুটির জন্য পরিবার পরিজনের কাছে আঘাতপ্রাপ্ত।অতীতকে ভুলে, কঠোর পরিশ্রমে একদিন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করলাম।স্থাপিত করলাম এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম, বিধবা নারীদের জন্য বিভিন্ন কাজের ব্যবস্থা করেলাম।। আমার মতো যে সকল নারী এ সমাজে অবহেলিত, মানসিক আঘাতে জর্জরিত তাদের জন্য কিছু করতে পারাটাকে নিজের জন্য অনেক সৌভাগ্যের মনে হলো।

অসুস্থ আর অস্বাভাবিক লাগছে সিফাতকে।আমি নাহয় তার আপন ছিলাম না তাই আমাকে ছাড়তে তার হৃদয় কাঁপেনি তাহলে যারা তার আপন ছিলো তারা কেনো তাকে এখানে রেখে গেলো?? একজন সার্ভেন্টকে জিজ্ঞেস করলাম, ওনাকে এখানে কে এনেছে?? উত্তরে সে জানায়, সন্তানরা সবাই বিদেশ থাকে কেউ দায়িত্ব নিতে চায় না তাই আশ্রমে রেখে গিয়েছে।দীর্ঘশ্বাস ফেল্লাম আর মনে মনে চিন্তা করলাম, একসময় নিঃসন্তান হওয়ায় সিফাত আমাকে ছেড়েছিলো আর আজ সে সন্তানরাই তাকে বৃদ্ধাশ্রমে ছেড়ে গেলো।এটাই হয়তো প্রকৃতির খেলা!!!!

19/10/2021

#ইচ্ছেপূরণ
#অর্পিতা_সরকার

অনিতার তখন সদ্য বিয়ে হয়েছে। শ্বশুরবাড়ির অর্থনৈতিক অবস্থা খুব ভালো। বিয়ের পরের দুর্গাপুজোয় অনিতার খুব ইচ্ছে হয়েছিল শ্বশুরবাড়ির পাড়ার মা দুর্গাকে একটা শাড়ি দিতে। শাশুড়িমা ওর আব্দার শুনে বলেছিলো, আমরা তো বরাবর আলতা-সিঁদুর দিয়েই পুজো দিই। শাড়ি তো দিই না। সেই বামুনই পাবে, দিয়েই কি হবে!
অনিতা ওর হাজবেন্ডের কাছেও আব্দার জুড়েছিলো, মা দুর্গার পরনের বেনারসীটা আমরা দিই না।
হাজবেন্ড শুনে বলেছিলো, পুজোয় এমনিই এত খরচ হয়, বারোয়ারিতে চাঁদাও কিছু কম দিই না, তারপর আবার এসব খরচের দরকার নেই। দিলে একটা সুতির ছাপা দাও।
চুপ করে গিয়েছিল অনিতা। মনে মনে ভেবেছিল, মায়ের হয়তো ইচ্ছে নেই ওর দেওয়া শাড়ি পরার। তাই দেওয়া হলো না।
এ ঘটনা প্রায় বছর ছয়েক আগেকার। তারপর থেকে অনিতা আর আব্দার করেনি কখনও। ও বুঝে গেছে ওরা যেটা দেবে সেটুকুই হবে। আব্দারের মূল্য নেই ওদের কাছে।
বছর দুয়েক আগে থেকে সবাইকে লুকিয়ে ও একটা অনলাইন শাড়ির ব্যবসা শুরু করে। নিজের অর্থনৈতিক স্বাধীনতার জন্যই হয়তো। শ্বশুরবাড়ি আর অনিতার পিসির বাড়ি খুব কাছে। পিসি ওকে সবরকম সাহায্য করেছিল। পিসির বাড়িতেই থাকতো ওর কালেকশনের শাড়ি। এমনকি ও উপস্থিত না থাকলে পিসিই দাম দেখে বিক্রি করে দিতো শাড়ি। ফেসবুকেও লাইভ করতো পিসির বাড়ি থেকেই।
এবারে অষ্টমীর দিন অঞ্জলি দিতে গিয়ে ও চমকে উঠেছে। মায়ের পরনে ওর কালেকশনের সবচেয়ে দামি রানী রঙের বেনারসীটা।
পিসিকে জিজ্ঞাসা করতেই পিসি জানিয়েছে, হ্যাঁ পাড়ার ছেলেরা এসেছিলো একটা বেনারসী কিনতে, কার জন্য বলেনি কিছু। টাকা এখনও দেয়নি, বলেছে পুজোর পরে দিয়ে যাবে। আমি তোর খাতায় লিখে রেখেছি।
আনন্দে চোখে জল এসে গিয়েছিল অনিতার। খোঁজ নিয়ে পাড়ার পুজো কমিটির সেক্রেটারিকে ও বলেছে, ওই শাড়িটার টাকা ও নেবে না। মা নিজে ওকে স্বনির্ভর করে তারপর ওর কাছ থেকে শাড়ি পরবে এটা ও বুঝতে পারেনি। অন্যের অর্থে নয়, ওর উপার্জনের অর্থে ও মাকে শাড়ি পরাতে পারলো, এটাই ওর সবথেকে বড় পাওনা।
অনিতা বললো, দিদি কত মানুষের ইচ্ছেপূরণ কত দিন পরেও হয়। তার আগেই আমরা ভেবে নিই, আর হলো না বোধহয়। হাল ছেড়ে দিই কত আগেই।
আমি ওকে বললাম, এই জন্যই তো একটা কথা বলি, হেরে যাওয়া খুব সহজ। জেতার লড়াইটা অনেক কঠিন। হেরে যাওয়ার কষ্টের থেকেও জেতার আনন্দের অনুভূতি দ্বিগুন হয় এই জন্যই। সেই কারণেই পরিশ্রমটা করে যেতে হয় একাগ্রতার সঙ্গে।
© এক চিলতে রোদ্দুর-কলমে-অর্পিতা সরকার
(অনিতা নামটা পরিবর্তন করা হয়েছে বিশেষ কারণে)

Subho Bijaya
18/10/2021

Subho Bijaya

Address

Kolkata
700040

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when UDAAN posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to UDAAN:

Share