31/10/2025
কিংবদন্তী কণ্ঠশিল্পী, সুরকার এবং সঙ্গীত পরিচালক
শচীন দেববর্মণ (জন্মঃ- ১ অক্টোবর, ১৯০৬ - মৃত্যুঃ- ৩১ অক্টোবর, ১৯৭৫)
১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে আকাশবাণী কলকাতা কেন্দ্রে তিনি প্রথম গান করেন। ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে তিনি অডিশনে ফেল করলেন ভারতের রেকর্ড প্রস্তুতকারী শীর্ষ প্রতিষ্ঠান এইচএমভিতে। তবে সে একই বছর তার প্রথম গ্রামোফোন রেকর্ড বের হয় হিন্দুস্তান মিউজিক্যাল প্রোডাক্টস থেকে শচীন দেবের প্রথম রেকর্ডকৃত দুটি গান হল পল্লীগীতির ঢঙে গাওয়া "ডাকিলে কোকিল রোজ বিহানে" যার গীতিকার হেমেন্দ্র কুমার রায় এবং খাম্বাজ ঠুমরি অঙ্গের রাগপ্রধান "এ পথে আজ এসো প্রিয়" যার গীতিকার শৈলেন রায়। ১৯৩০-এর দশকে তিনি রেডিওতে পল্লীগীতি গেয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। পূর্ব বাংলা এবং উত্তর-পূর্ব বাংলার পল্লীগীতির উপর তাঁর বিশেষ ঝোঁক ছিল। ১৯৩৪ খ্রিস্টাব্দে অল ইন্ডিয়ান মিউজিক কনফারেন্সে তিনি গান গেয়ে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দে বেঙ্গল মিউজিক কনফারেন্সে ঠুমরি পেশ করে ওস্তাদ ফৈয়াজ খাঁকে মুগ্ধ করেছিলেন। শেখ ভানুর রচনা ‘নিশিথে যাইয়ো ফুলবনে’ দেহ ও সাধনতত্ত্বের গানটিকে প্রেমের গানে রূপান্তর করলেন কবি জসীমউদ্দীনকে দিয়ে এবং রূপান্তরিত এই গানটি রেকর্ড করলেন ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দে। ১৯৩৭ এ মীরা ধরকে বিয়ে করেন। মীরা ধর ছিলেন তার সঙ্গীত জীবনের বিশ্বস্ত সঙ্গী। বাংলা গানের জগতে মীরা ধর তথা মীরা দেববর্মণ অন্যতম সার্থক গীতিকার। তাঁর লেখা গানের মধ্যে আছে শোন গো দখিন হাওয়া, বিরহ বড় ভাল লাগে, সুবল রে বল বল, বর্ণে গন্ধে ছন্দে গীতিতে, কে যাস রে ভাটি গাঙ বাইয়া এবং ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে লেখা "তাকদুম তাকদুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল"।
বাবা নবদ্বীপচন্দ্র দেব বর্মন ছিলেন একজন সেতারবাদক এবং ধ্রূপদী সঙ্গীতশিল্পী। তিনিই ছিলেন শচীন দেববর্মনের প্রথম শিক্ষক। এরপর তাঁর সঙ্গীত শিক্ষা চলে উস্তাদ বাদল খান এবং ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়ের তত্ত্বাবধানে। ধ্রূপদী সঙ্গীতের এই শিক্ষা তাঁর মধ্যে সঙ্গীতের মৌলিক জ্ঞান সঞ্চারে গভীর ভূমিকা পালন করে। এই শিক্ষা তার পরবর্তী জীবনের সুর-সাধনায় প্রভাব বিস্তার করেছিল। পরবর্তীতে তিনি উস্তাদ আফতাবউদ্দিন খানের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন।
১৯৩১ খ্রিস্টাব্দে পিতা নবদ্বীপচন্দ্র কলকাতায় দেহত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি ছিলেন ত্রিপুরার প্রধানমন্ত্রী। শচীন দেব তখন থাকতেন কলকাতার ত্রিপুরা প্যালেসে। নিজের লেখা ‘সরগমের নিখাদ’ নামক আত্মজীবনীতে শচীন দেববর্মণ স্বয়ং লিখেছেনঃ "পিতার মৃত্যুর পর আমি যেন অগাধ জলে পড়ে গেলাম। এই অবস্থায় আমি আগরতলা বা কুমিল্লা গিয়ে থাকলে রাজকীয় আরামে ও নিশ্চিন্তে নিজেদের বাড়িতে বাস করতে পারতাম এবং রাজ্য সরকারের কোনো উচ্চপদে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারতাম। আমার বড় ভাইরা আমাকে তাই করতে বললেন। আমার কিন্তু এ ব্যবস্থা মনঃপূত হলো না। নিজে একলা সংগ্রাম করে, নিজে উপার্জন করে সঙ্গীত সাধনায় জীবন কাটিয়ে দেব। মনের মধ্যে একমাত্র এই আকাঙ্ক্ষা নিয়ে কলকাতার ত্রিপুরা প্রাসাদ ছেড়ে ভাড়া করা সামান্য একখানা ঘরে আমার আস্তানা বাঁধলাম।"
সঙ্গীত পরিচালনা
১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দে রাজগী নামক চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার সঙ্গীত পরিচালনা জীবনের শুরু।
জন্ম ও পরিবার
বীরচন্দ্র মাণিক্যের অর্থানুকূল্যে, কুমিল্লার চর্থায় ৬০ একর জমি নিয়ে প্রাসাদ নির্মাণ করেছিলেন কুমার বাহাদুর নবদ্বীপচন্দ্র। এই প্রাসাদে তাঁর ছোট সন্তান শচীন দেববর্মণের জন্ম। মা মণিপুরি রাজবংশের মেয়ে নিরুপমা দেবী। বাবা নবদ্বীপচন্দ্র দেববর্মণের কাছে সঙ্গীত শিক্ষা শুরু করেন। তৎকালীন ত্রিপুরার অন্তর্গত কুমিল্লার রাজপরিবারের নয় সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম। ১৯১০ থেকে ১৯২০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ঠাকুরপাড়ার সুরলোক, কান্দিরপাড়ের সবুজ সংঘ নাট্যদল, দি গ্রেট জার্নাল থিয়েটার পার্টি, ইয়ংম্যান্স ক্লাব ইত্যাদি নিয়ে গড়ে উঠেছিল কুমিল্লার সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল। ত্রিপুরার মহারাজারা কুমিল্লায় তৈরি করেছেন টাউনহল, নাট্যশালা, লাইব্রেরি এবং নানা সংস্কৃতিক কেন্দ্র। ১৯২০ খ্রিস্টাব্দের দিকে শচীন দেবের বন্ধুদের মধ্যে ছিলেন সুরসাগর হিমাংশু দত্ত, অজয় ভট্টাচার্য, মোহিনী চৌধুরী, সমরেন্দ্র পাল, কাজী নজরুল ইসলাম, শৈলবালা দাম, ধ্রুপদীয়া সৌরেন দাশ, সুধীন দাশ প্রমুখ। সেখানে নিয়মিত আসতেন চলচ্চিত্র পরিচালক সুশীল মজুমদার, ননী মজুমদার, ব্রজেন ব্যানার্জি, জিতু দত্ত, অরুণ মহলানবিশ প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ। গানের ধরণ ছিল ভোরকীর্তন, নগরকীর্তন, কবিগান, ঢপযাত্রা। সাহিত্যিক, সুরকার, গীতিকার, কবি ও সঙ্গীতজ্ঞগণ একত্রিত হতেন ইয়ংমেন্স ক্লাবে। আড্ডা থেকে ভেসে আসত নজরুল ও শচীন দেবের গান। নজরুল কুমিল্লা এলে থাকতেন তালপুকুরের পশ্চিমপাড়ে একটি ঘরে। কুমিল্লা থেকে শচীন দেব কলকাতা চলে আসেন ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে।
১৯২০ খ্রিস্টাব্দে কুমিল্লা জেলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করে ভিক্টোরিয়া কলেজে ভর্তি হন। ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে ঐ কলেজ থেকে আইএ পাস করেন। খ্রিস্টাব্দে ভিক্টোরিয়া কলেজে বিএ ক্লাসে ভর্তি হন। ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে এম এ তে ভর্তি হন। ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে স্থায়ীভাবে মুম্বাইয়ে বসবাস করতে শুরু করেন। ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে প্যারালিটিক স্ট্রোক হয়ে কোমায় ছিলেন পাঁচ মাস। ৩১ অক্টোবর তাঁর প্রয়াণ হয়।
বংশ পরিচয়
কুমিল্লার ঐতিহাসিক অভয় আশ্রমের তত্ত্বাবধায়ক সংগীত প্রাণ প্রয়াত শ্রী পরিমল দত্তের স্মৃতিকথা থেকে জানা যায়, শহরের চর্থা এলাকার গোল পুকুরের দণি পাড়ের এই বাড়িটি ছিল তৎকালীণ ভারতবর্ষের ত্রিপুরা রাজ্যের মহারাজা বীরচন্দ্র মানিক্য বাহাদুরের সৎভাই মহারাজ নবদ্বীপ কুমার দেব বর্মন বাহাদুরের। ত্রিপুরার এই মহারাজার স্ত্রী ছিলেন বেশ কয়েকজন। তার মধ্যে পাটরাণী পুত্র মহারাজা নবদ্বীপ কুমার দেব বর্মন বাহাদুরকে আরেক রাণীর পুত্র বীরচন্দ্র মানিক্য বাহাদুর হত্যা করতে উঠে পড়ে লাগলে উপায়ান্তর না দেখে মহারাজ নবদ্বীপ রাজ বাড়ির কর্মকর্তা শ্রী কৈলাস সিংহের পরামর্শে সপরিবারে কুমিল্লায় চলে আসেন। জানা যায়, বিখ্যাত ‘রাজমালা’ গ্রন্থটি কৈলাশ সিংহ রচনা করেছিলেন। কৈলাস সিংহের পরামর্শে মহারাজ নবদ্বীপ সিংহাসনের দাবীও এ সময় ছেড়ে দিয়েছিলেন। কুমিল্লা শহরের পূর্ব চর্থায় অবস্থিত এ বাড়িটি তৎসময়ে নির্মিত হয়েছিল। বাড়িটি দেখতে কুমিল্লা শহরের ব্রিটিশ আমলে তৈরী বাড়িগুলোর মতোই মনে হয়। কোন রাজ প্রসাদের মত দেখতে এ বাড়িটি নয়। এই কুমার দেব বর্মন বাহাদুরের পুত্রই হলেন শচীন দেব বর্মন।
সম্মাননা
১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দে ভারতের সঙ্গীতে নাটক একাডেমি এবং এশিয়ান ফিল্ম সোসাইটি লন্ডন থেকে সম্মাননা লাভ করেন।
১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দে ভারত সরকার হতে পদ্মশ্রী খেতাব লাভ করেন।
……………
তথ্য সংগ্রহ । ধন্যবাদ।.........
● শচীন দেব বর্মনের গাওয়া বাংলা গান:
★ নিজের (শচীন দেব বর্মন) লেখা
১. অবোধ মেয়ে
২. বিদেশীরে উদাসীরে
৩. কে যেন কাঁদিছে
★ গৌরি প্রসন্ন মজুমদারের লেখা
১. আমি পথ চেয়ে রবো
২. বাজে না বাঁশিগো
৩. বাঁশি শুনে আর কাজ নাই
৪. দূর কোনো পরবাসে
৫. ঘুম ভুলেছি নিঝুম এ নিশিথে
৬. মালাখানি ছিল হাতে
৭. ও জানি ভোমরা কেন
৮. না না নারে ফুটোনারে ফুল
৯. খুলিয়া কুসুম সাজ, শ্রীমতি যে কাঁদে
১০. কেন আলেয়ারে বন্ধু
১১. আঁখি দুখে ঝরে
১২. আজো আকাশের পথ বাহি
★ মীরা দেব বর্মনের লেখা কিছু গান
১. ভাঙ্গিতে তব নেশা
২. বর্ণে গন্ধে ছন্দে গীতিতে
৩. বিরহ বড় ভালোলাগে
৪. ঘাটে লাগাইয়া ডিঙ্গা পান
৫. কালা সাপে দংশে আমায়
৬. কে যাসরে ভাটি গাং বাইয়া
৭. কী করি আমি
৮. না আমারে শশী চেয়োনা
৯. নিটোল পায়ে রিনিক ঝিনিক
১০. গানের কলি সুরের
১১. রাতের আতরে ভিজিয়া আদরে
১২. রাধার ভাবে কালা হইল গোরা
১৩. শোনগো দখিন হাওয়া
১৪. শ্রীমতি যে কাঁদে
১৫. টাকডুম টাকডুম বাজে
১৬. সুবলরে বল বল
১৭. কই কইরে ঘুঙ্গুর
১৮. যে না জানে
১৯. ঘাটে লাগাইয়া ডিঙ্গা
★ রবি গুহ মজুমদারের লেখা
১. আমি সইতে পারি না বল্
২. বনে ফাগুন মনে আগুন
৩. দোলে রাধা, মধু বৃন্দাবনে
৪. যে না জানে বিরহের মানে
৫. যদি ডাকি অকারণে
৬. মন দিলনা বঁধু
৭. তুমি আর নেই সে তুমি
৮. কেন সে যে হায়
★ অজয় ভট্টাচার্যের লেখা
১. আলো ছায়া দোলা
২. আমি ছিনু একা
৩. ঝন ঝন ঝন ঝন মঞ্জির বাজে
৪. কাঁদিবোনা ফাগুন গেলে
৫. প্রেম যমুনার পারে
৬. তুমি যে গিয়াছ
৭. আমার মিলন মালতি
৮. চম্পক জাগো জাগো
৯. এই মহুয়া বনে
১০. গোধূলির ছায়াপথে
১১. কে যাবি চল বৃন্দাবনে
১২. মেঘ ঝরে যায়
১৩. মম মন্দিরে এলে কে
১৪. মন দুখে মরিরে
১৫. নতুন ফাগুন যবে
১৬. ওরে বন্ধুরে মনের কথা
১৭. ফুলের বনে থাকো ভ্রমর
১৮. পোহালো রাতি জাগিয়া
১৯. প্রিয় আজো নয়
২০. স্বপন দেখেছি
২১. তোমার সাথে সুরে পরিচয়
২২. তুমি যে ছিলে মোর
২৩. তুমি নি আমার বন্ধু
২৪. বাঁশুরিয়া রে
২৫. বন্ধু এসো মধুরাতে
২৬. বল বল বল বন্ধু
২৭. জাগো মন সহেলীগো
২৮. কন্ঠে তোমার দুলবে বলে
২৯. কথা কও দাও সারা
৩০. সাজি নওল কিশোর
★ মোহিনী চৌধুরীর লেখা
১. ভুলায়ে আমারে
২. এই চৈতি সন্ধ্যায়
৩. গায় যে পাপিয়া
৪. হায় কী যে করি মন
৫. জাগার সাথী মম
৬. ঝিলমিল ঝিলমিল বাজেরে
৭. কে আমারে আজো
৮. পিয়া সনে মিলন
৯. প্রেম যমুনায় হয়তো
১০. সেই যে দিনগুলি
১১. তুমি তো বন্ধু জানো
★ আরো কিছু গান
১. পদ্মার ঢেউরে (গীতিকার : কাজী নজরুল ইসলাম)
২. মেঘলা নিশিভোরে ( কাজী নজরুল ইসলাম)
৩. কুহু কুহু কোয়েলিয়া (কাজী নজরুল ইসলাম)
৪. চোখ গেল চোখ গেল ( কাজী নজরুল ইসলাম)
৫. তুই কি শ্যামের বাঁশি (গীতিকার : দুয়াইদনকার (উঁধরফধহশধৎ) ও জসিমুদ্দীন)
৬. রঙ্গিলা রঙ্গিলা রঙ্গিলারে (দুয়াইদনকার ও জসিমুদ্দীন)
৭. যদি দখিনা পবনে (গীতিকার : হিমাংশু দত্ত)
৮. শ্যামরূপ ধরিয়া (শৈলেন রায়)
৯. প্রিয় রজনীগন্ধা বনে (কমল ঘোষ
১০. প্রেমের সমাধি তীরে (শৈলেন রায়)
১১. কী মায়া লাগলো (শৈলেন রায়)
১২. জনম দুখী সীতা (শৈলেন রায়)
১৩. ও কালো মেঘ বলতে পারো ( হেমেন্দ্র কুমার রায়)
১৪. এই পথে আজ এসো ( হেমেন্দ্র কুমার রায়)
১৫. ডাকরে কোকিল রোজ বিহানে ( হেমেন্দ্র কুমার রায়)
১৬. মলয় চল ধীরে (শিশির সেন)
১৭. ধিক ধিক আমার এ জীবন (গিরীন চক্রবর্ত্তী)
★ গীতিকারের নাম জানা যায়নি এমন কিছু গান
ওরে সুজন নাইয়া
তুমি তো বন্ধু এলে না
স্বপন না ভাঙ্গে যদি
পিঞ্জিরার পাখীর মতো
ফিরে গেছি বারে বারে
নতুন ঊষার সৈনিক
নীরবে আঁখি জলে ভরে
মরমিয়ারে উদাস
ললিতা মরমি
কোকিলারে গেয়োনা
কেন হায় স্বপন
কে দিলো ঘুম ভাঙ্গায়ে
কাল সাগরের
যবে আলোকের ফুল
ঝুলনে ঝুলিছে শ্যামরাই
এই কাননের ফুল নিয়ে
ছিল মাধবি রাতিগো
বুঝি আমার প্রাণ যায়
বন্দর ছাড়ো যাত্রীরা
বন্ধু বাঁশি দাও মোরে
গৌররূপ দেখিয়া হইয়াছি পাগল
বঁধু গো এই মধুমাসে
বিদায় দাওগো মোরে
বাসরের ফুল গেল যে
বাংলার মেয়ে
আমার কী হলো
আজ রাতে কে
আজ।তথ্য সংগ্রহ ধন্যবাদ।.........