Anandi's Canvas

Anandi's Canvas Anandi is in class xi now. Her canvas is filled with sketches, writings, fashions, graphics etc

আজ দুপুরে আনন্দীর বন্ধুবান্ধবরা এসেছিল বাড়িতে আড্ডা মারতে। আনন্দী নিজেই রান্নাবান্না করেছিল বন্ধুদের জন্য। ছেলেমেয়েরা কি...
09/05/2026

আজ দুপুরে আনন্দীর বন্ধুবান্ধবরা এসেছিল বাড়িতে আড্ডা মারতে। আনন্দী নিজেই রান্নাবান্না করেছিল বন্ধুদের জন্য। ছেলেমেয়েরা কি তাড়াতাড়ি বড় হয়ে যাচ্ছে, ভেবেই অবাক লাগে। 😊

আনন্দী ২০২৭ এর সিবিএসসি হিউম্যানিটিজ উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। অথচ ওসব ওর কাছে খুবই কম প্রাইয়োরিটি দেখি! বিনদাস হয়ে ওর প...
28/02/2026

আনন্দী ২০২৭ এর সিবিএসসি হিউম্যানিটিজ উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। অথচ ওসব ওর কাছে খুবই কম প্রাইয়োরিটি দেখি! বিনদাস হয়ে ওর প্যাশনগুলো নিয়েই মেতে আছে! এই যেমন নিয়মিত TTIS (Telegtaph) এর জুনিয়ার সাংবাদিক হিসেবে বিভিন্ন ইভেন্ট কভার করছে, ছবি আঁকছে.. আর ফ্যাশন নিয়ে খুঁতখুঁতানি তো ওর সারাক্ষনের একটা কাজ!!

সেদিন বলল, মাস ২ পরে একটা ফ্যাশন প্রতিযোগিতায় নাম দিয়েছে। সেজন্য ও নিজেই নাকি কয়েকজন বন্ধুকে রাজী করিয়েছে গ্রুপ হিসেবে ফ্যাশন প্যারেডে যাওয়ার জন্য। এই দলে ও নিজেই ডিজাইনার, প্ল্যানার, থিম মেকার এবং শো স্টপার!!
জোরকদমে তার প্রস্ততি চলছে এখন।

অবশ্য পড়াশোনার ব্যাপার গজগজে বাবাগিরি কিছুটা দেখাই বটে, তবে ওর প্যাশন জনিত কাজকম্মো নিয়ে আমি খুবই উৎসাহ দিই ওকে। নিয়মিত কেরিয়ার নিয়ে ওর সঙ্গে কথাবার্তা চালাই। ওর পছন্দ, প্যাশন ও প্রাইয়োরিটিকেই সবচেয়ে ওপরে রাখি সেসব আলোচনায়। উচ্চমাধ্যমিকের পরে ফ্যাশন ডিজাইন নিয়ে পড়াশোনা করবে এটাই এখনো অবধি ওর প্ল্যান।

আমি ভাবি, আমাদের দেশের এডুকেশন সিস্টেম কেন এত বোরিং!! কেন ক্লাস ইলেভেন থেকেই ওর সিলেবাসে ওর বাছা বিষয়গুলো ফ্যাশন কেন্দ্রীক নয়? সেরকম অপশনই নেই সিলেবাসে! হলে এই ২ বছরের পড়াশোনাও ওর কাছে আনন্দময় হয়ে উঠতে পারত!

এই তিনটে ছবি সদ্য ও পাঠালো। সামনের প্রতিযোগিতার জন্য এই রকম ড্রেস ডিজাইন মাথায় ঘুরছে ওর।
করুক, নিজের পছন্দের জীবনই বেছে নিক বেটি। একটাই জীবন। মনের সঙ্গে যত কম কম্প্রোমাইজ করা যায়, ততই ভালো।

© অতনু প্রজ্ঞান
(আনন্দীর বাবা)

Random sketch by Pen 😊
24/01/2026

Random sketch by Pen 😊

কাল স্বামীজীর জন্মদিন গেল।ছোটবেলায় এইদিনটায় বাবার কোলে চেপে সকাল সকাল স্বামীজীকে 'হ্যাপি বার্থডে' জানিয়ে একটা চুমু খেয়ে ...
13/01/2026

কাল স্বামীজীর জন্মদিন গেল।ছোটবেলায় এইদিনটায় বাবার কোলে চেপে সকাল সকাল স্বামীজীকে 'হ্যাপি বার্থডে' জানিয়ে একটা চুমু খেয়ে নেওয়াটাই ছিল ওর স্বামীজীর জন্মসিন পালনের রিচুয়াল 😊।

পাবলিশিং জগতে  একটি কথা চলে, ‘বইটা পাবলিক খাবে তো?’ আগে আমি এই ভাষা শুনে খুব রেগে যেতাম!  'বই কি আলু নাকি চিতল মাছ যে মা...
11/01/2026

পাবলিশিং জগতে একটি কথা চলে, ‘বইটা পাবলিক খাবে তো?’
আগে আমি এই ভাষা শুনে খুব রেগে যেতাম! 'বই কি আলু নাকি চিতল মাছ যে মানুষ খাবে! ভাল লেখা পাঠক পড়বেই। খাওয়ানোর কথা আসছে কেন!!'

কিন্তু বছর ৫/৬ আগের এক বইমেলা মরশুমে আমার সে ধারণা ভেঙে গেল! স্বচক্ষে দেখলাম ভালো বই লোকে হুড়মুড়িয়ে পড়ে, এ তো জানিই, কিন্তু আবার কোনো কোনো পাঠক ‘খায়ও’!

সেবার কোলকাতা বইমেলার মিত্র ও ঘোষ স্টল থেকে বাংলা সাহিত্য মহলের তুমুল জনপ্রিয় সাহিত্যিক বিনোদ ঘোষালের উপন্যাস 'পারো নদীর পাড়ে' বইটি বাড়িতে কিনে এসেছিলাম। কিন্তু বইটি পড়া শুরু করার আগে পরিদিন সন্ধ্যাতেই দেখি ছোট্ট আনন্দী দাঁত দিয়ে কামড়ে ‘খাওয়ার’ চেষ্টা করছে বইটিকে!!
ভালো বই যে কেউ কেউ সত্যিই খেতে ভালোবাসে, বুঝলুম সেদিন!

- অতনু প্রজ্ঞান

 #ভালো_থাকা 🍁ভরসা🍁আমাদের মেয়ে আনন্দী যখন এক্কেবারে পুচকি ছিল, লম্বা দেশলাই বাক্সে তারজালি দেওয়া মুরগীর খাঁচার মতো গাড়িতে...
08/01/2026

#ভালো_থাকা
🍁ভরসা🍁

আমাদের মেয়ে আনন্দী যখন এক্কেবারে পুচকি ছিল, লম্বা দেশলাই বাক্সে তারজালি দেওয়া মুরগীর খাঁচার মতো গাড়িতে স্কুলে যাওয়া আসা করত, একদিন এসে বলল, কোন এক দুষ্টু ছেলে নাকি ওকে ধাক্কা দিয়েছে! সে নাকি খুব হাট্টাকাট্টা তাই মেয়ে ভয় পেয়েছে পালটা চাঁটি দিতে। মেয়ে আমাদের রোগাসোগা, তেমন পালোয়ান কারো আঙুলের তুড়িতেই উড়ে যেতে পারে সে তো জানিই। কিন্তু তাও ছোট থেকে আমি পই পই করে শেখাই, মানুষের আসল শক্তি তার শরীরে নয়, "মনে"। সামনে দাঁড়িয়ে কেউ দাপট দেখালে, অসভ্যতামো করলে চিৎকার চ্যাঁচামেচি না করে বা দু ঘা না দিয়ে বাড়ি ফিরবিনা। নরম মাটিতেই লোকে কোদাল চালাতে চায় সবার আগে। কিন্তু তাও, বাচ্চা মেয়ে তো, বুঝতে পারছিলাম ভয় পাচ্ছে। ঘুরে ফিরে বলছে, ছেলেটা খুব মারকুটে, অলিভিয়ার টিফিন ফেলে দিয়েছে, বনির চুল খুলে দিয়েছে এমনকি তুহিনার মতো মোটাসোটা মেয়েকেও ধাক্কা দিয়ে হেসেছে। বুঝতে পারছিলাম ও "ভরসা" চাইছে আমাদের কাছে, শুধু আমাদের "জ্ঞান" শুনতে চাইছেনা।

আমার বাবার কথা মনে পড়ল। মানুষটা ছিল একটা শক্তপোক্ত বটগাছের মতো। গাড়ির সামনের সিটটা বাবার জন্যই ছিল পারমানেন্ট। যেখানেই যাই আমরা, ড্রাইভারের বাঁ দিকে বসে বাবা 'গাইড' করে যাবেই, হাত দিয়ে দেখিয়ে দেখিয়ে নিয়ে যাবে (আমাদের সব চেনা, তাও!)। আমি চাকরি পাওয়ার পরেও বাড়ি থেকে ফেরার পথে হাতে কয়েকটা নোট দিয়ে বলত, পকেটে বেশি করে পয়সা রেখে দিতে হয় বাইরে বেরোলে, কখন কী কাজে লাগে! মনে আছে নিজের বিয়ের জন্য বাজার টাজার করতে বেরিয়েছি বাবাকে নিয়ে, বহরমপুরে। এটিএমে ঢুকে টাকা তুলছি। বাবা বাইরে দাঁড়িয়ে। বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের দুটো ষন্ডাগন্ডা লোক হাতে ইয়াব্বড় বন্দুক উঁচিয়ে বাবার পাশে দাঁড়াল। ওরাও টাকা তুলবে। আমার দেরী হচ্ছিল একটু। অনেকটা টাকা তুলছিলাম। সেপাই দুজন রেগেমেগে গালাগালি করতে লাগল, এটিএমের দরজা টেনে খুলে আমায় বাইরে আসতে বলল। রাস্তায় লোক দাঁড়িয়ে গেল। কেউ কেউ মজাও দেখছিল। খুব লজ্জা লাগছিল আমার। অপমান লাগছিল। কান গরম হয়ে যাচ্ছিল। কথাবার্তা বলে ম্যানেজ দেওয়ার চেষ্টা করার আগেই আগেই বাবার সে কি মেজাজ! বাঙালীসুলভ হিন্দীতে অবাঙালী সেপাইদুটোর ওপরে চিৎকার চ্যাঁচামেচি করে চোটপাট করতে শুরু করে দিল। "ক্যায়া সামঝা হ্যায় আপলোগ। জো ইচ্ছে ওহি কারোগে। ইয়ে মেরা জাগা হ্যায়। দাদাগিরি নেহি চালেগা"। ইত্যাদি বলে সেকি ঝগড়া! দেখি আশপাশের ভিড়ের কয়েকটা চ্যাংড়া বাবাকে সাপোর্ট করতে এগিয়ে এসেছে।" আরে দাদা এরা নিজেদের কি যে মনে করে, সব ব্যাপারে দাদাগিরি দেখায়"।

আমার ভালোও লাগছিল, আবার মনে হচ্ছিল সেপাই দুটো যদি রেগেমেগে বন্দুক চালিয়ে দেয়! কোনোমতে বাবাকে ওখান থেকে সরিয়ে আনলাম। বাড়িতে বলতেই মায়ের সে কি টেনশন। বাবাকে নিয়ে মা সারাজীবন এমন সব টেনশন করেছে যদিও! সিনেমাহলে লোকাল গুন্ডা সামনের সিটের মেয়েটার পেছনে খোঁচা দিচ্ছে, বাবা গিয়ে এক ঘুঁসি! সে কি ঝামেলা! আবার ছোটবেলায় দেখতাম পাড়ায় কোনো বাড়িতে স্বামীস্ত্রীর ঝগড়া হয়েছে, বাবাকে ডেকে আনা হলো সাক্ষী করে। বাবা দুদিকেই ধমক ধামক দিয়ে পরিস্থিতি কবলে আনল। আমার সঙ্গে বাবার চিন্তাভাবনার নানা বিষয়ে পার্থক্য থাকলেও একটা বিষয়ে আমি নিশ্চিত ছিলাম যে আমার বাবা মাথার ওপরে আছে, যে ভরসা যোগাবেই, বলবে "আগে কর না,তারপর যা হবে দেখা যাবে"।

মনে হলো মেয়ের সামনে সেই বাবাকেই দরকার। মেয়েকে বললাম, "কোনো চিন্তা করিস না, তোকে ধাক্কা দিলে তুইও দিবি। তবে গাড়িতে সাবধান, বেশি লাফালাফি নয়। আর এখানে গাড়ি থামলে আমি ছেলেটাকে বুঝে নেবো। ওর বাবা মায়ের সঙ্গেও কথা বলে নেবো। কোনো ভয় পাবিনা, আমি আছি তোর পাশে"।দেখলাম মেয়ে আত্মবিশ্বাসের আতিশয্যে ছটফট করছে!

আসলে এইটাই হয়। সন্তান বাবা মায়ের কাছে ভরসাই চায়। একবার যদি সেটা পেয়ে যায়, সামনের কোনো বাধাই আর বাধা হয়ে ওঠে না তাদের কাছে।

© অতনু প্রজ্ঞান

2018 সালের কথা। তখন আনন্দী ক্লাস ফোরে পড়ে।  সেদিন সকাল সকাল মায়ের কাছে পড়তে পড়তে মেয়ে হঠাৎ বলল, "মা, আমাকে তাড়াতাড়ি একটা...
07/01/2026

2018 সালের কথা। তখন আনন্দী ক্লাস ফোরে পড়ে। সেদিন সকাল সকাল মায়ের কাছে পড়তে পড়তে মেয়ে হঠাৎ বলল, "মা, আমাকে তাড়াতাড়ি একটা কাগজ দাও তো, পড়তে ইচ্ছে করছে না আর, একটা কিছু মাথায় এসেছে"। মা বিরক্ত হলো যথারীতি। পড়াশোনা করতেই চায় না। তার মাঝেও আবার ফাঁকি?

যাই হোক, সাদা কাগজ তো এলো। তারপর সে কাগজে চললো পেন্সিলের লম্ফ ঝম্ফ, খস্‌ খস্‌, খস্‌ খস্‌।
সে কাগজ আমার হাতে এল খানিক পরে। "বাবা, এইটা এঁকেছি, দ্যাখো’ হুকুমও এল সেই সঙ্গে। চোখ বোলাতে বোলাতে ভ্রু কুঁচকে উঠল আমার। অবাকই হচ্ছিলাম বেশ। সারা পাতাজুড়ে ছবিটির বেশিরভাগই পেন্সিল দিয়ে লেখা কিছু শব্দ ও বাক্য। সেসবের মাঝে বড় একটি নীলাভ চোখ, বেশ ডাগর ডাগর। চারিদিকে সারি সারি শব্দ আর বাক্যের মাঝে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে জেগে আছে যেন! খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে ওকে জিজ্ঞাসা করতে জানা গেল, এই চোখটি হলো ‘ঈশ্বরের’ চোখ এবং এই চোখ দিয়ে ঈশ্বর সারা বিশ্বকে দেখছেন!

আর চোখের ওপরের ও চোখকে ঘিরে থাকা সংলাপগুলো হলো ঈশ্বরের কিছু কথা, পৃথিবীর মানুষের উদ্দেশ্যে! আর চোখের নীচে আছে পৃথিবীর মানুষের কিছু সংলাপ!
ঈশ্বর বলছেঃ
I am the one who is watching you!
I’m in the white heaven where everything is very calm! I am the god!
I will never give harm to you when you are in trouble.
Be calm & peaceful.
Think before you say.
Remember, I am with you with your good work.
These words are from me!
I give these words as gifts to you.

"পৃথিবীর মানুষ" ঈশ্বর সম্পর্কে বলছেঃ
She is the one who is watching your every movement from every angle. Her every step, action, even words are always full of purity & they are even right. Remember! She is watching you from the day you are born to the day you die.

বাপরে !! আট বছর বয়েসে অধ্যাত্ম চিন্তা তেড়েফুঁড়ে বেরোচ্ছে মনে হচ্ছে সাত সকালে !!

আনন্দী ছোটবেলায় এমন ছোট ছোট ছবিতে গল্প লিখত মাঝে মধ্যেই।  😊📍📍📍📍📍📍📍📍📍📍📍📍📍📍📍📍গল্প শুরু! সকালবেলার এক খন্ডচিত্র । ১।  হা… (...
04/01/2026

আনন্দী ছোটবেলায় এমন ছোট ছোট ছবিতে গল্প লিখত মাঝে মধ্যেই। 😊

📍📍📍📍📍📍📍📍📍📍📍📍📍📍📍📍

গল্প শুরু! সকালবেলার এক খন্ডচিত্র ।

১। হা… (ঘুম থেকে উঠে হাই তুলছে একজন বৃদ্ধ)
২। কতো বিস্কুট খায় রে বাবা লোকটা !! ( চা ভরা গরম কাপ বলছে)
৩। আমাকে যে কেন খায় তার কারন খুঁজে পাই না! (বিস্কুটগুলো বলছে)
৪। একটু রোগা হও! বুঝেছ? একটু রোগা হও (নেপথ্য থেকে বৃদ্ধের স্ত্রীর গলা শোনা গেল)
৫। ওফফফফ! একটু দয়া করে চুপ করো! সকাল সকাল চেঁচাচ্ছ! ভালোলাগে না! (স্ত্রীর মুখঝামটায় বৃদ্ধ রেগে গিয়ে বলছে)
৬। দাদু, ও দাদু! আরে শুনতে পাচ্ছ? ও দাদু… (নেপথ্য থেকে বৃদ্ধের নাতির কন্ঠ শোনা গেল)
৭। ওফফ…বল, বল, শুনতে পাচ্ছি, বল! কানটা খারাপ করে ছাড়বে! উফ! (বৃদ্ধ নাতির চিতকারে বিরক্ত হয়ে বলে)
৮। কাগজের নৌকা তৈরী করে দেবে? (নাতি আবদার জানায়)
৯। দাঁড়া দিচ্ছি (দাদু উত্তর দেয়)

গল্প শেষ।
📍📍📍📍📍📍📍📍📍📍📍📍📍📍📍📍

আনন্দী এখন বড় হয়ে গেছে, ক্লাস ইলেভেনে পড়ছে বলে কথা 😏। ফেসবুকে আর বাংলায়  লিখতে চায়না। বলে বাংলায় ওর লেখা নাকি জঘন্য! 😒মা...
01/01/2026

আনন্দী এখন বড় হয়ে গেছে, ক্লাস ইলেভেনে পড়ছে বলে কথা 😏।

ফেসবুকে আর বাংলায় লিখতে চায়না। বলে বাংলায় ওর লেখা নাকি জঘন্য! 😒

মাঝে মাঝে ইংরেজিতে নানা ভাবনা লেখে যদিও, কিন্তু সেগুলো পোস্ট করতে চায়না কোথাও! সেসব এমন কঠিন কঠিন শব্দ দিয়ে লেখা, আমারই পড়তে অসুবিধে হয়! 😒😒

তাই আমি ঠিক করলাম ওর নানা খবরাখবর আমি এখানে পোস্ট করে দেবো মাঝে মাঝে।
😎

আজকে একটা মজার জিনিষ খুঁজে পেলাম। ২০১৬ সালে মানে আজ থেকে ৯ বছর আগে আনন্দী যখন সবে ৬ বছরের তখন এটি গিফট করেছিল আমায়।
একটি রঙীন ছবিতে গল্প। সঙ্গে আবার ফাউ হিসেবে একটি নিউ ইয়ার কার্ড। রইল এখানে... 😊।

📌📌📌📌
আনন্দী বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্প – "খিরের বিড়াল"

আমার বাড়িতে একটা বিড়াল আছে। তার নাম বেটি।আমরা জানিনা যে সে মেয়ে না ছেলে তাই মেয়ের নাম দিয়েছি। কিনতু এখন জানা গেছে যে সে মেয়ে।
মরালঃ যার কাছ থেকে নাও তার কাছ থেকেই জিগগেস কর যে মেয়ে না ছেলে।
📌📌📌

ডিসক্লেইমার : লেখিকার লেখা ওই বয়সের বানানগুলো অপরিবর্তিত 😁😁।
গল্পের নামকরনটি যে লেখিকার প্রিয় বই ‘ক্ষীরের পুতুল’ অনুপ্রানিত বোঝাই যাচ্ছে!
ছবিগুলোও দিয়ে দিলাম।

ইতি ~
অতনু প্রজ্ঞান
(আনন্দীর বাবা)

01/10/2025

Ostomi Vives..

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Anandi's Canvas posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share