26/06/2024
– আরে এইই এই এই , শোনো না প্লীজ, আচ্ছা বাবা আর কোনোদিন দেরি করব না এই দেখ কান ধরছি!
– সব সময় দেরি করে আসা আমার একদম পছন্দ হয়না তুই এটা খুব ভালো করে জানিস, যা এখন আমি বাড়ি যাবো।
(আসলে প্রত্যেকটা মিষ্টি সম্পর্কে টক ঝালের উপকরণ হলো এই দেরি করে আসা! প্রেমিকা প্রেমিকের পথ চেয়ে কয়েক মিনটেই তারা শতাব্দীর শেষ পর্যায়ে পৌঁছে যায় তাদের ভালবাসার অভিমান নামক বস্তুটাকে সঙ্গী করে।)
– তোর এই প্রত্যেকবার একই এক্সপ্লেনেশন টা জাস্ট ঘেন্না করি আমি !.
– আচ্ছা ঠিক আছে হয়েছে বাবা উফফ ! এবার জলদি চলো...
– কোথায় যাবো আমি রাহুল? তোর জন্য পুরো দিনটায় ভেস্তে গেল , ধুর তোকে প্রেম কেন যে করতে গেলাম!
– এই দেখ বার বার ভুল ভাল বললে কিন্তু!
– কি কিন্তু!
( দুই চোখ বুজে জাপটে ধরে ফেলল , বাতাস যেন ঠান্ডা হয়ে উঠল তাঁদের ছুঁয়ে আদিমতার জাগরণ ঘটিয়ে দিয়ে গেলো).
– রাহুল ছার রাস্তায় আমরা ( মুখে গোধূলির লজ্জা মেয়েটির)
– শোনো তুমি আমার বউ...
– বিয়েটা কবে হলো শুনি??
– আমার বউকে আমি .... আজকে এই এখন।
– এত্ত ভালবাসা... দেরি করে আসার সময় মনে থাকেনা ???
– হেহে হ্যাঁ মানে থাকে তো !সব বাস এর দোষ ,আর আমি আগে এলে কি এত ভালোবাসা আর এই রুপ দেখতে পেতাম ...
আহ মারছিস কেনো!
– তোর দরকার আছে।
– চলো যাওয়া যাক ।
***************
– আরে এই মেয়ে, কতক্ষণ ঘুমাবি রে ওঠ, ছি ছি ছি!
বেলা দশটা বাজলো উঠ। কি অলক্ষুণে রে এতক্ষণ কেও শুয়ে থাকেনা উঠ।
(আসলে আমরা জানিনা আমাদের জীবনে স্বপ্ন কোনটা সত্যিই বা কোনটা ,বিশ্বাস করুন জানতেও চাইনা, প্রত্যেকটা ক্লান্তির রাতে তুমি যদি আসো আমি রোজ পরিশ্রম করতে রাজি, প্রত্যেকবার মন খারাপ এর পর যদি তোমায় খুঁজে পাই আমি অবলীলায় মন ভেঙে দিতে পারি, প্রত্যেকটা জ্বরের রাতে তোমার হাত যদি পেতাম প্যারাসিটামল গুলো ধুলোয় মিশিয়ে দিতাম,
বেলা শেষে আবারো ও তোমায় দেখার অপেক্ষায় হয়তো সারাদিন বেঁচে থাকি, সময় হলে আবারো ও এসো কিন্তু রাগ ভাঙাতে!)
ইতি – স্বপ্ন
কলমে - সৌভিক
ছবি - সংগৃহীত