Learning English

Learning English learn english in ann easy way... it's helpful for all...
it can provide not only grammatical materia

mone rakhar sohoj upai
27/11/2020

mone rakhar sohoj upai

08/09/2020

জাতীয় শিক্ষানীতি কে কোনোভাবেই মানবে না রাজ্য :-

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেশের নতুন শিক্ষানীতি নিয়ে বৈঠকে রাজ্যের বিরোধিতার কথা স্পষ্টভাবেই জানালেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সোমবার এই বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী সাফ জানান যে কেন্দ্রের নয়া শিক্ষানীতিতে সায় নেই রাজ্যের। একইসঙ্গে তাঁর প্রশ্ন দেশের জাতীয় শিক্ষানীতিতে বাংলা ভাষাকে কেন বাদ দেওয়া হল? তাঁর দাবি যে কোনও মূল্যেই বাংলাকে ক্লাসিক্যাল ল্যাঙ্গুয়েজের মর্যাদা দিতে হবে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুরে পার্থ চট্টোপাধ্যায় এদিন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও রাজ্যপালদের সামনে জানান– যেভাবে একতরফা ভাবে জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয়েছে তাতে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এভাবে নেওয়া সিদ্ধান্ত মানা যায় না কারণ শিক্ষা একটি যৌথ তালিকাভুক্ত বিষয়। সেই কারণে রাজ্যের মতামতকেও গুরুত্ব দেওয়া কেন্দ্রের কর্তব্য। কিন্তু এক্ষেত্রে তা করা হয়নি।
এদিন তিনি বলেন জাতীয় শিক্ষানীতি নিয়ে আগেও আপত্তি জানিয়ে একাধিকবার কেন্দ্রকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। একাধিক বিষয় নিয়ে আপত্তি জানিয়ে ফের কেন্দ্রকে চিঠি দেওয়া হবে। তবে কেন্দ্র কোনও কথাই শুনতে রাজি নয়। তিনি বলেন ভারতের মতো বহুমাত্রিক দেশে এমন শিক্ষানীতি চালু করে লাভ নেই। একাধিক ক্ষেত্রে অভিন্ন পরীক্ষা চালু করতে চাইছে কেন্দ্র। এতে আদতে ছাত্র-ছাত্রীদের অসুবিধার মধ্যে পড়তে হবে।
এদিন মিনিট চারেকের বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এই নীতি নিয়ে রাজ্যের যা যা আপত্তি তা সবই তুলে ধরেন। শিক্ষামন্ত্রী জানান স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরে ভর্তি,এম ফিল তুলে দেওয়া, সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে মূল্যায়ণের মাপকাঠি এসব একাধিক বিষয় নিয়ে রাজ্যের আপত্তি রয়েছে। আপাতত তা জানানো হল যে শীঘ্রই লিখিতভাবে তা কেন্দ্রের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তখনই বিস্তারিত সব মন্তব্য সেখানে থাকবে।
এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায় প্রশ্ন তোলেন বর্তমানে যেখানে করোনার গ্রাফ ক্রমশই |র্ধ্বমুখী সেখানে জাতীয় শিক্ষা নীতি কার্যকর করার জন্য কিসের এত তাড়াহুড়ো? এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন যে আমরা বলেছি জাতীয় শিক্ষানীতি নিয়ে আমাদের প্রাথমিক মতামত কেন্দ্রকে পাঠিয়েছি। কিন্তু দেশজুড়ে যেখানে করোনার সংক্রমণ ক্রমশই |র্ধ্বমুখী সেখানে আপাতত করোনার সংক্রমণ ঠেকানোটাই অগ্রাধিকার দেওয়া হোক। তাই আমরা জাতীয় শিক্ষানীতি নিয়ে আমাদের মতামত জানানোর সময় আরও চেয়েছি। ওই সময়সীমার মধ্যে আমরা বিশদে জাতীয় শিক্ষানীতি নিয়ে আরও মতামত জানাতে চাই।
পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন " আমরা বলেছি উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রকে যে পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, তাতে কেন্দ্রীয়করণ ও বানিজ্যিকীকরণের দিকে যাচ্ছে দেশের সরকার। এই নীতির বিরুদ্ধে রাজ্য। শিক্ষাকে কেন্দ্রীয়করণ করার প্রচেষ্টা করা হলে দেশের সংবিধানকে অবমাননা করা হবে। এতে ধ্বংস হবে গণতান্ত্রিক কাঠামো। সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় এই নীতি কার্যকর হলে ছাত্রছাত্রীদেরও বড় ক্ষতি হবে।"
এদিন কেন্দ্রের ভূমিকার সমালোচনা করে পার্থবাবু বলেন যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামো রক্ষার কথা সংবিধানে উল্ল্যেখ রয়েছে। অথচ সেই রক্ষাকবচকে তোকাক্কাই করছে না কেন্দ্র। ডিডিপি’র ৬ শতাংশ শিক্ষাখাতে খরচের কথা বলা হচ্ছে। তবে সেই ফান্ড কে দেবে, তার কোনও উল্ল্যেখ শিক্ষানীতিতে করা হয়নি। শিক্ষাক্ষেত্রে রাজ্যগুলিকে কী ভাবে সহযোগিতা করা হবে সেই বিষয়ে বিস্তারিত কোনওউল্ল্যেখ শিক্ষানীতিতে নেই।
পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন যে রাজ্যের শিক্ষার যে গৌরব তা ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর রাজ্য। সেই গৌরব রক্ষা করতে যে কোনও মূল্য দিতেই রাজি রাজ্য সরকার। সেই কারণেই এভাবে কেন্দ্রের চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত মানা রাজ্যের পক্ষে সম্ভব নয়। পাশাপাশজ, তাঁর অভিযোগ– এই নীতির মাধ্যমে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে একদিকে বাণিজ্যিকরণ ও অন্যদিকে কেন্দ্রীয়করণ করা হচ্ছে। এভাবে রাজ্যেকে সরিয়ে নীতি নির্ধারণ কোনওভাবেই মানা সম্ভব নয়।

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Learning English posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share