Yatrik Natya Gosthi

Yatrik Natya Gosthi যাত্রিক - ১৯৭৪ সালে দিনাজপুরের কালিয়া?

সকলের সাদর আমন্ত্রণ।।।
17/01/2026

সকলের সাদর আমন্ত্রণ।।।

16/08/2025
আজ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ইসলামপুর সংশোধনাগারে মঞ্চস্থ হবে বিপ্লবী যতীন দাসের জীবনাশ্রয়ী নাটক "বুকের পাঁজর জ্বালিয়ে নিয়ে...
14/08/2025

আজ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ইসলামপুর সংশোধনাগারে মঞ্চস্থ হবে বিপ্লবী যতীন দাসের জীবনাশ্রয়ী নাটক "বুকের পাঁজর জ্বালিয়ে নিয়ে"।।

আগামী ৩১শে মে ২০২৫, কোলকাতা শিল্পভুমি আয়োজিত নাট্য উৎসবে আমরা থাকছি "চোরদের লজ্জা হলো" নাটক নিয়ে।
24/05/2025

আগামী ৩১শে মে ২০২৫, কোলকাতা শিল্পভুমি আয়োজিত নাট্য উৎসবে আমরা থাকছি "চোরদের লজ্জা হলো" নাটক নিয়ে।

"বুকের পাঁজর জ্বালিয়ে নিয়ে" নাটকটি দেখে রায়গঞ্জ ইনস্টিটিউটের নাট্যকর্মী শ্রীমতি দেবস্মিতা দে বিশ্লেষণ করেছেন।কালিয়াগঞ্জে...
01/05/2025

"বুকের পাঁজর জ্বালিয়ে নিয়ে" নাটকটি দেখে রায়গঞ্জ ইনস্টিটিউটের নাট্যকর্মী শ্রীমতি দেবস্মিতা দে বিশ্লেষণ করেছেন।

কালিয়াগঞ্জের নজমু থিয়েটার হলে অনুষ্ঠিত হল "যাত্রিক নাট্যগোষ্ঠী " পরিচালিত নাটক "বুকের পাজর জ্বালিয়ে নিয়ে" ।
নাটকের প্রেক্ষাপট স্বাধীনতা আন্দোলনকে ঘিরে বিপ্লবীদের লড়াই, বীর বিপ্লবী যতীন দাসের জীবনকে কেন্দ্র করে নাটকের আবর্তন।১৯২৯ সাল, তরুন বিপ্লবীদের দল শুরু করেছিল তাদের আন্দোলন,গণ আন্দোলনের জন্য হাজত বাস এবং দেশবাসীর আবেগের প্রকাশরূপে দেশ জুড়ে অসহযোগ আন্দোলনের সাড়া পড়লেও সেটা তুলে নেওয়া হয় চৌরিচৌরা থানা জ্বালিয়ে দেওয়ার হিংসাত্মক পদক্ষেপের কারণে। কংগ্রেস দুইভাগে বিভক্ত হলে রামপ্রসাদ বিসমিল ও আসফাকুল্লার উদ্যোগে শচীন্দ্রনাথ সান্যালের নেতৃত্বে তৈরী হয় হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মি ( HRA) । এদিকে যতীন দাসের বাবার অনেক স্বপ্ন যে ছেলে তার ব্যাবসা দেখাশুনো করবে কিন্তু মাত্র ১৭ বছর বয়স থেকেই যতীন দাসের মনে দেশপ্রেম জাগ্রত হয়ে ওঠে, দেশকে স্বাধীন করার নেশা তাকে ঘরছাড়া করে, এই পথে চলতে গিয়ে ভগৎ সিং, আশফাকুল্লা খান, রামপ্রসাদ বিসমিল,বটুকেশ্বর দত্তের সান্নিধ্য পেয়েছিলেন তিনি। শচীন্দ্রনাথ সান্যাল এর মাধ্যমে প্রাপ্ত "রবীন" ছদ্মনাম নিয়ে যতীন দাস বোমা তৈরী শেখেন নিজের ইচ্ছেতে,তারপর কেন্দ্রীয় আইনসভায় সেই বোমার বিস্ফোরন ঘটান ভগৎ সিং। সেই ঘটনায় ক্ষতি হয়নি কোনো মানুষের কারন সেটি আসল বোমা ছিলো না, শুধু ব্রিটিশদের ভয় দেখানোর একটি পন্থা ছিলো। কিন্তু তাও যতীন দাসকে লাহোর জেলে বন্দি করে রাখা হয়, সাথে ছিলেন ভগৎ সিং, রাজগুরুর মতো মানুষেরা। চলতে থাকে অকথ্য অত্যাচার , অপরিচ্ছন্ন,আলো বাতাসহীন অস্বাস্থ্যকর ঘরে দিনের পর দিন রাখা হয় তাদের ,খাবার এর মান ছিলো ভীষন নিম্নমানের, বিপ্লবীরা অনশন করেন কিন্তু অবস্থার পরিবর্তন ঘটে না বিন্দুমাত্র, অবশেষে ৬৩ দিন অনশন করার পর মৃত্যবরন করেন " বিপ্লবী যতীন দাস"। তার নাম হয়তো আমরা অনেকেই জানি কিন্তু দেশের প্রতি তার প্রেম, আত্মত্যাগের এই সত্যি গল্প হয়তো অনেকেরই জানা নেই। অনেক বিপ্লবীই আছেন যাদের নাম ইতিহাস বই এর একটি বাক্য ছাড়া আর কোথাও সেভাবে স্থান পায়না, কিন্তু তাদের আত্মত্যাগ,দেশপ্রেম,জীবন কাহিনী এতটাই দীর্ঘ এবং হৃদয় বিদারক যে তাদের নামে পুরো বই লিখেও হয়তো শেষ করা যাবেনা। সেই সমস্ত বিপ্লবীদের জীবন কাহিনী এইরকম ভাবেই তুলে ধরা উচিৎ মানুষের সামনে।
শুভাশীষ চক্রবর্তী মহাশয় এর নির্দেশনায় " বুকের পাজর জ্বালিয়ে নিয়ে" নাটকটি দেখতে দেখতে হারিয়ে গিয়েছিলাম প্রাক স্বাধীনতার দিনগুলিতে, যা বই এ পড়েছি সেগুলো যেন প্রতিটি মুহূর্তে চোখের সামনে ঘটে চলেছিল। যতীন দাসের চরিত্রে গৌরাঙ্গ পালের অভিনয় ভালো লেগেছে, ভগৎ সিং এর ভূমিকায় সৌমেন পাল যথেষ্ট সুন্দর অভিনয় করেছেন, কেয়া দাসের অভিনয়, কোরিওগ্রাফি নজর কেড়েছে, গৌরাঙ্গ সাহার কন্ঠে ঘটনার বিবরন সাথে তার অভিনয় সত্যিই ভীষন ভালো। নিখাদ নির্দেশনা, লাইট, সাউন্ড দিয়ে যে এরকম ভাব, দেশপ্রেমের পরিবেশ গড়ে তোলা যায় তা হয়তো নাটকটি না দেখলে এভাবে অনুভব করা যেত না। নাটকের চরম উত্তেজনামূলক মুহূর্তগুলোতে প্রতেকের সমবেত অভিনয় ভীষন ভাবে মন কেড়েছে। সর্বোপরি সকলের চরম পরিশ্রমের ফসল এই নাটকটি। চোখের পলক ফেলতে না ফেলতে দৃশ্যবদল, একের পর এক প্রতিটি মুহূর্ত যেন জীবন্ত হয়ে উঠছিল চোখের সামনে। অনেক অভিনন্দন যাত্রিক নাট্যগোষ্ঠীকে আমাদের এত সুন্দর একটি নাটক উপহার দেওয়ার জন্য।

🖋দেবস্মিতা দে(রায়গঞ্জ ইন্সটিটিউট )

"বুকের পাঁজর জ্বালিয়ে নিয়ে" নাটক দেখে বিশিষ্ট অভিনেত্রী, নৃত্যশিল্পী ও শিক্ষিকা শ্রীমতি সংগ্রামী ভট্টাচার্য এর অভিমত।যাত...
29/04/2025

"বুকের পাঁজর জ্বালিয়ে নিয়ে" নাটক দেখে বিশিষ্ট অভিনেত্রী, নৃত্যশিল্পী ও শিক্ষিকা শ্রীমতি সংগ্রামী ভট্টাচার্য এর অভিমত।

যাত্রিক এর নতুন প্রযোজনা দেখলাম বুকের পাঁজর জ্বালিয়ে দিয়ে। ভর্তি প্রেক্ষাগৃহে খুব ভালো একটা প্রযোজনা। স্বাধীনতা সংগ্রামী যতীন দাস এর জীবনের কাহিনী তুলে ধরেছেন পরিচালক, লেখক শুভাশিস বাবু। এমনিতেই দেশ আমাদের কাছে খুব সেনসিটিভ একটা জায়গা। দর্শক আসনে বসে ইমোশনাল হয়ে যাচ্ছিলাম। সকলের অভিনয় খুব ভালো লেগেছে। বিশেষ করে শুভেন্দু চক্রবর্তী কে যতীন দাস এর বাবার ভূমিকায় অনেক দিন পরে মঞ্চে সাবলীল দেখলাম, ভালো লাগলো।সবচেয়ে ভালো লেগেছে এতো অল্প সময়ে সব কলাকুশলিদের এতো সুন্দর একটা নিখুঁত পরিবেশনা। এতো কম সংখ্যক মানুষ অথচ মনে হচ্ছিলো মঞ্চে অনেক জন এক্টিং করছে। সাথে আলো নাটক কে অন্য মাত্রা দিয়েছে। নাটকের শেষের বার্তা সত্যি মন ছুঁয়ে যায়। অনেক কিছু ভালোর মধ্যে আমার নিজস্ব একটা খারাপ লাগা আছে, সেটা হলো একটু নাটকের লেন্থ টা কম হলে মাঝে একটু একাগ্রতা নষ্ট হতো না।যদিও এটা আমার একান্ত ব্যক্তিগত মতামত। শুভাশিস বাবু এবং যাত্রিক কে অনেক অনেক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন।

"বুকের পাঁজর জ্বালিয়ে নিয়ে" নাটক দেখে বিশ্লেষণ করেছেন বিশিষ্ট লেখক, রাজনীতিবিদ, প্রাক্তন নাট্যকর্মী ও নিয়মিত নাট্যদর্শক ...
29/04/2025

"বুকের পাঁজর জ্বালিয়ে নিয়ে" নাটক দেখে বিশ্লেষণ করেছেন বিশিষ্ট লেখক, রাজনীতিবিদ, প্রাক্তন নাট্যকর্মী ও নিয়মিত নাট্যদর্শক শ্রী ভারতেন্দ্র চৌধুরী মহাশয়।

যাত্রিক নাট্য গোষ্ঠীকে ধন্যবাদ, স্বাধীনতার '৭৭বছর পর আমাদের মনে করিয়ে দেওয়া হলো এই দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে শুধুমাত্র অহিংস স্বাধীনতা সংগ্রামীগণ লড়াইতে অংশ গ্রহণ করেননি,সহিংস স্বাধীনতা সংগ্রামীগণ তথা বিপ্লবীদেরও অন্যতম ভূমিকা ছিল। বিপ্লবীদের সংগ্রামে শুধু 'বন্দেমাতরম 'ধ্বনিই ছিলনা,'ইনকিলাব জিন্দাবাদ 'ধ্বনিও ছিল।
দুর্ভাগ্য হলেও সত্যি আজকের সময় মেইনস্ট্রিম মিডিয়াই হোক কিংবা সোশ্যাল মিডিয়াই হোক এর একটা বড়ো অংশ দেশবাসী তথা বর্তমান প্রজন্মকে বোঝাতে চায় আমাদের অতীত ইতিহাস ধর্মীয় সংঘাতের মধ্যে দিয়েই গড়ে উঠেছে। আজকের যৌবনকে যেন আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে নিতে চায় নৈরাজ্য, অপরাধ, অসৎ রাজনৈতিক নেতানেত্রীদের কর্মকাণ্ডের সাথে। যাত্রিক নাট্য গোষ্ঠী এখানেই তাদের নতুন নাটকের মধ্য দিয়ে জানান দিল,তোমরা এইসমস্ত বিপ্লবীদের কখনো ভুলোনা। এরা বিনা স্বার্থে নিজেদের জীবন দান করেছেন। এরা লুটেরাদের জন্য ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদীদের হাতে 'শহীদ'হননি।একটাই মন্ত্র ছিল দেশ মাতৃকাকে শৃঙ্খল মুক্ত করা।
২৪শে এপ্রিল ২০২৫ যাত্রিক, নাট্যকার ও পরিচালক শুভাশিস চক্রবর্তী 'বুকের পাঁজর জ্বালিয়ে নিয়ে 'মঞ্চস্থ করে দর্শকবৃন্দকে মনে করিয়ে দিলেন "স্বাধীনতা তুমি বিজয়ের মালা / রাতে ফোটা কড়ি,ত্যাগের বিনিময়ে ছিনিয়ে আনা /রক্ত স্নাত নুড়ি।
বিপ্লবীদের ত্যাগ তিতিক্ষা হাস্যমুখে বরণ করে নেওয়া সংগ্রামী বিপ্লবী শহীদের নাম " যতীন দাশ"।অবিভক্ত দেশের লাহোর জেলে ৬৩দিন অনশন করবার পর মাত্র ২৫বছর বয়সে নিজেকে দের মাতৃকার পদতলে সঁপে দিয়েছিলেন।
সামগ্রিক নাটক সফল। কিছু অভিনেতা দ্রুত তার পাঠ বলবার ফলে কোন কোন ক্ষেত্রে সংলাপ বুঝতে অসুবিধা হয়েছে। কোন কোন অভিনেতা মঞ্চে আলো ঠিকমতো নিতে পারেনি।কিংবা আলো প্রক্ষেপণে ত্রুটি ছিল। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের প্রতিভূ অত্যাচারী হিংস্র পুলিশ অফিসারের নাম জেনারেল ডায়ার।এই চরিত্রটি আরো হিংস্র করতে পারলে দর্শকদের ঘৃণা জন্মাবে
এই চরিত্রটি দুজন অভিনেতা অভিনয় করেছে১ম পবিত্র চক্রবর্তী, ২য় কানাই লাল সাহা। দ্বিতীয়জনকেই এই চরিত্রে মানিয়েছিল। এছাড়া প্রথমজন ধুতি পাঞ্জাবী পরিধান থাকায় বড্ডো দৃষ্টিকটু লাগছিলো। যতীন দাশ (গৌরাঙ্গ পাল) অভিনয়ে দাগ কেটেছে। আশাকরি পরবর্তীতে আরো ভালো হবে।লাবণ্য বোন (কেয়া দাস) স্বল্প অভিনয়ে দাগ কেটেছে।
যেসমস্ত অভিনেতাগণ অডিটোরিয়াম দিয়ে দুমদাম শব্দ করে ছোটাছুটি করেছে এতে দর্শকদের মনোসংযোগ নষ্ট হয়েছে। আগামীতে এদিকটায় নজর আশা করি।
বালতি, গ্লাশ, কর্ক-পাইপ সব আধুনিক, ১০০বছর আগে এগুলো প্রচলন ছিলনা।পরবর্তীতে ভাবতে বলছি।
শেষ দৃশ্যে যতীন দাশের মৃত্যুর সময় ইনকিলাব ধ্বনি আরো জোরালো করে এক মর্মস্পর্শী দৃশ্য আগামীতে দেখার ইচ্ছে রইলো, যেন দর্শকদের মধ্যে শিহরণ ঘটে যায়।
শেষে জানাই এই নাটক একটি শো করে যেন শেষ না হয়ে যায়।১টি মাত্র শোতেই সব দোষ ত্রুটি মুক্ত কোন নাটক মঞ্চস্থ করা সম্ভব নয়।
নাট্যকার পরিচালক সহ সমস্ত কলাকুশলীকে অভিনন্দন জানিয়ে আপনাদের শুভকামনা করে শেষ করছি।

Address

N. S. Road, Beside Abasika Lodge
Kaliyaganj
733129

Telephone

+91 94743 13522

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Yatrik Natya Gosthi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category