Unakoti Film Festival

Unakoti Film Festival Film Festival Unakoti Film Festival is dedicated to nurture, encourage, inspire and be inspired by the power-packed performances of youth.

Unakoti Film Festival is all about promotion of the varied art culture of ‘Film’, which is an art in itself, from a perspective of a new arising medium- UDBM Films & Media Arts. Unakoti Film Festival is a tribute to the film industry, a welcoming to the advancing technology of filming, to appreciate the young talent, a celebration of Indian Cinema and much more. Unakoti Film Festival was founded o

n 2014 to promote, recognize and create a platform for all categories of film makers. We at Unakoti Film Festival, mainly focus on promotion of new talents and encourage filmmakers from all different categories irrelevant of their language background. Facebook Channel: https://m.me/j/Abatx6tAYxuDVrM8/
Watsapp Channel: https://whatsapp.com/channel/0029VamXudY0rGiH4Y9M8Z2i

দুই কন্যা কাজল, তনিশা সঙ্গে তনুজা ও শমু মুখোপাধ্যায়।
20/06/2026

দুই কন্যা কাজল, তনিশা
সঙ্গে তনুজা ও শমু মুখোপাধ্যায়।

30/05/2026

তোমারে সেলাম 🙏

30/05/2026

মন খারাপ হলে যে চিঠিটা আমি আপনি লেখেন সেই চিঠি
👌

প্রস্থান - হেলাল হাফিজ।

30/05/2026

হে মোর দুর্ভাগা দেশ, যাদের করেছ অপমান
অপমানে হতে হবে তাহাদের সবার সমান।
🙏

মাছের বাজারে আঁশ, কীট লেপ্টে থাকা অবস্থায় জন্ম নিয়েছিলেন ব্যাপিস্ট। অসাধারণ ক্ষমতা তার। সে কেবল নাসারন্ধ্রের জোরেই বলে...
13/02/2026

মাছের বাজারে আঁশ, কীট লেপ্টে থাকা অবস্থায় জন্ম নিয়েছিলেন ব্যাপিস্ট। অসাধারণ ক্ষমতা তার। সে কেবল নাসারন্ধ্রের জোরেই বলে দিতে পারতো কোন গন্ধ কোথাকার - সবুজ ঘাসের, নদীর, পাহাড়ের। এমন এক গন্ধ মাখা শহরে সে খুঁজে পেয়েছিলো এমন ফলবিক্রেতা মহিলার গন্ধ যা সকলের থেকে বেশি করে টেনেছিলো ব্যাপিস্টকে। কিন্তু হায় রে দুর্ভাগ্য! ব্যপিস্ট অসাবধানতাবশত মেয়েটিকে মেরে ফেলে, আর শেষবারের মতো প্রানভরে মেয়েটির গন্ধ উপভোগ করতে করতে বুঝতে পারেন এই গন্ধ ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে কোনোভাবেই পছন্দের গন্ধকে আর ধরে রাখা যাচ্ছে না।

তারপর সে শুরু করে গন্ধ ধরে রাখার শিক্ষা। সে সুন্দরী মেয়েদের খুন করে তার গন্ধ জমিয়ে রাখে। গন্ধের তাড়না তাকে পাগল করে ফেলেছিলো। পরে সে ধরা পড়লে সাথে নিয়ে যায় সেই গন্ধকে যা দিয়ে সমস্ত দুনিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

খুনের দোষে দোষী, তাই সকলের সামনে তাকে গিলোটিনে দেওয়া হবে। হাজির চার্চের পোপ থেকে শুরু করে প্রায় গোটা শহর। ইতিমধ্যে ব্যাপিষ্ট গিলোটিনের মঞ্চে দাঁড়ায়। দাঁড়ানোর আগে সে একটু মেখে নিয়েছিলো "দুনিয়া বশ" করার ঘ্রাণ। সেই গন্ধে বিক্ষুব্ধ জনগণ হয়ে গেলো ব্যাপিস্টের পূজারী। ঘ্রাণ মাখা রুমাল নাড়িয়ে সে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করলো তাদের।

তারপর তার কী মনে হল সে রুমালকে ছেড়ে দিল বাতাসে। সেই হাওয়ায় ভেসে বেড়ানো রুমালকে তাড়া করলো সবাই, পড়ে গেল রুমালের উপর, গন্ধে মাখামাখি করে একে অপরকে ভালোবাসতে শুরু করলো তারা। মঞ্চে তখন একা দাঁড়িয়ে ব্যাপিষ্ট।

তখন তার জ্ঞানচক্ষু খুলে যায়। সে বুঝতে পারে সে কিছু গন্ধের সমারোহ ছাড়া আর কেউ নয়। প্রেমহীন জীবনে তাকে কেউ কোনোদিন ভালোবাসেনি, ভালোবেসেছে তার সততাকে, তার কাজকে, এবং শেষে ভালোবাসেছে তার ঘ্রাণকে। তখন তার মনে পড়ে যায় সেই ফল বিক্রেতার কথা যেই গন্ধ তাকে পাগল করেছিলো যেখান থেকে সে তার গন্ধ জমিয়ে রাখার যাত্রা শুরু করে।

স্বল্পমেয়াদি জীবনে দীর্ঘদিন যাবৎ ভালোবাসার সন্ধান করে বুঝেছি আমাদের প্রত্যেকের কাছেই এমন কিছু "ঘ্রাণ" থাকে যা দিয়ে কেউ না কেউ আকৃষ্ট হয়। সেই ঘ্রাণ কারোর চোখ হতে পারে, কারোর চুল হতে পারে, কারোর বুদ্ধিমত্তা হতে পারে, কারোর চঞ্চলতা হতে পারে, কারোর গুণ হতে পারে। কত মানুষ ভালোবাসতে আসে এই ঘ্রাণের চাহিদায়, রুমালের তাড়নায়। তারপর ঘ্রাণ হারিয়ে গেলে, ঘ্রাণে অভ্যস্ত হয়ে গেলে আর ভালোবাসে না। কিন্তু এর বিপরীতেও নিশ্চয়ই এমন ভালোবাসা আছে যারা আসে ঘ্রাণ আবিষ্ট হয়ে তারপর ভালোবেসে থেকে যায় তার সবটুকুকে?

গল্পের শেষে কথক বলতে থাকেন, তার কাছে ছিল এক ঘ্রাণ যা দিয়ে চাইলেই দুনিয়া বশে আনা যায়, এক এমন শক্তি ছিল তাতে যা দিয়ে রাজাও তার পায়ে চুমু খেতে পারে। কিন্তু ছিল না এমন মানুষ যে তাকে ভালোবাসবে কোনো ঘ্রাণ ছাড়াই।

ছবির নাম: পারফিউম




দৈনিক স্টেইটম্যান্ট👇
01/02/2026

দৈনিক স্টেইটম্যান্ট
👇

"বনমালী তুমি পরজনমে হইও রাধা"বহুদিন ধরে, বহু ক্রোশ দূরে,বহু ব্যয় ক'রি, বহুদেশ ঘুরে,দেখিতে গিয়াছি পর্বতমালা,দেখিতে গিয়...
24/01/2026

"বনমালী তুমি পরজনমে হইও রাধা"

বহুদিন ধরে, বহু ক্রোশ দূরে,
বহু ব্যয় ক'রি, বহুদেশ ঘুরে,
দেখিতে গিয়াছি পর্বতমালা,
দেখিতে গিয়াছি সিন্ধু
দেখা হয়না ই চক্ষু মেলিয়া,
ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া,
একটি ধানের শিষের ডগায় একটি শিশির বিন্দু।।

প্রাপ্তি ঠিক কি? অ প্রাপ্তি দিয়ে সেটা define করা যায়। ঠিক যেরকমটা মন্দ ভালো, আঁধার আলো র রসায়ন! মন্দ আছে বলেই ভাল র মাহাত্ম্য। আঁধার আছে বলে আলোর কদর! প্রাপ্তির ভাঁড়ার সদাই পূর্ণ থাকবে, তা হয়না। কারো জীবনে 'না পাওয়া' র বসবাস কেই আজন্ম নীরবে বহন করে চলতে হয়। ওই অনাকাঙ্খিত 'ছুটে আসা না পাওয়া' ই তার 'পাওয়া' হয়ে দাঁড়ায়
অপ্রাপ্তি কে আপন করে নিয়ে প্রাপ্তি কে ভুলতে হয়, না পাবার যন্ত্রণা কে, শূন্যতা কে ঢাকতে হয়, সেটা বিনোদিনী র থেকে ভাল আর কেউ জানে না। হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন, রবিঠাকুরের বিনোদিনী, মহেন্দ্রর বিনোদ! তার যন্ত্রণার শূন্যতার কথাই ব্যক্ত করতে বসেছি আজ!

সেই রিক্ত মেয়েটি কি চেয়েছিল? খুব বেশি কিছু কি?
না তো!
চেয়েছিল শুধু একটু খানি সমতা। ঋতুপর্ণ বের করে এনেছেন কিছু সূক্ষ্ম মানব প্রবৃত্তি, যেটা আদিম, যেটা মননের খুব গহীনে সুপ্ত অবস্থায় থাকে, সহসা জাগে না। তবে জাগে কখনও খুব কষ্ট হলে, অপ্রাপ্তির, অবহেলার শিকার হয়ে, প্রতিশোধ মনস্কতায়, স্পৃহায়! মনস্তত্ত্ব তাই বলে।

Sequence টা কি? কোন ফ্রেম রিলেটেড লক্ষ্য করেছেন কি কেউ?
শারদীয়া র অন্তে বিজয়া দশমীর দিন। আশালতা সিঁদুর এ মাখামাখি মুখ ধুয়ে নিচ্ছে, পাশেই বিনোদিনী জলের ঘটি হাতে দাঁড়ানো। আশালতা র চোখ জ্বলছে সাবান এ, বিনোদিনী এগিয়ে দিতে গিয়েও পেছনে সরিয়ে নিল চট করে। কেনো নিল, প্রতিশোধ স্পৃহা, না পাবার যন্ত্রণা তে? আমিও জ্বলছি, তুই ও জ্বলে দেখ সই কয়েক সেকেন্ড, কষ্ট কাকে বলে? আশালতা চাইছে জল - বালি ও বালি, কোথায় জল! জল টা দে বালি, পারছি না আর। তাও বালি র কানে যাচ্ছেনা সে আকুতি! তক্ষুনি অন্দর থেকে ডাক আসে, ও নতুন বৌ, গিন্নী মা ডাকছেন, আজ যে একাদশী। চমক ভাঙ্গে বিনোদিনী র ওই 'একাদশী' কথাটার অমোঘ অভিঘাত এ! এটাও যে তার এক অলংকার, বৈধব্যের উপহার স্বরূপ। এরকম উপহার তো সে অনেক পেয়েছে, এতে শুধু তারই অধিকার, এত সুখ রাখবে কোথায়! হুঁশ ফেরে বাস্তবে, ঘটি এগিয়ে দেয়।

এটাও মনে হয়েছে, একজনের সিঁদুরে মাখা মুখ মাথা, আরেকজনের শূন্য সিঁথি, সাদা থান। একজন সালংকারা, আরেকজন নিরাভরণ, কোনদিনও অলংকার উঠবে না তার গায়ে, সিঁদুর এর ছোঁয়া লাগলে পাপিষ্ঠা বলে দাগিয়ে দেয়া হবে তাকে। এ এক অদ্ভুত সমাপতন!

চরিত্রের মনের অতলান্ত গতিবিধি এরকম সূক্ষ্মতায় তুলে আনতে পারতেন ঋতুপর্ণ।

এই সমতা র তালিকায় আরো এক গভীর স্পর্শকাতর ফ্রেম! মহেন্দ্র আর বিনোদিনী র। জীবনের না থাকা স্বামীর নামে পূজো দেয়ার অজুহাত এ মহেন্দ্র র সাথে ঘোড়ার গাড়িতে সওয়ার বিনোদিনী। মহেন্দ্র র আদরে সোহাগে বাহুলগ্না হয়ে অসতর্ক মুহূর্তে আচমকাই সিঁদুর লেগে যায় বিনোদিনী র, মহেন্দ্র র কাছ থেকে। তখন তাদের কথোপকথন:

মহেন্দ্র - এই যাহ! সিঁদুর লেগে গেলো, মুছে ফেলো।
বিনোদিনী সিঁদুর মুখ এনে মুছে ফেললো সেই সিঁদুর মহেন্দ্রর পরনের পোশাকেই।
মহেন্দ্র - একি !
বিনোদিনী - মুছে ফেললাম।
মহেন্দ্র - ইশ, কি যে করো না বিনোদ! এই নিয়ে এখন বাড়ি ফিরব কি করে!
বিনোদিনী - সঙ্গ করবে, চিহ্ন রাখবে না, তাই কি হয় বলো!
আমি সেই কবে কার সঙ্গ করেছি কোন কালে ম'বে ভূত হয়ে গেছে, এত বছর পরও তার চিহ্ন বয়ে বেড়াচ্ছি।
কোন চিহ্ন বয়ে বেড়াচ্ছে বিনোদ এখনও! সাদা থান, গলায় তুলসীর মালা! লাল আলতা, লাল ব্লাউজ, সিঁদুর, ঋতুরক্ত - লালের ছড়াছড়ির পাশে বৈধব্যের ফিকে শুভ্রতা কনট্রাস্ট করেছিলেন। সাক্ষাতকার এ বলেন, ওই এত এত লাল রঙের ওপর বিনোদ এর কোন অধিকার ছিল না, সেটাই দেখানোর ছিল।

মিলনে সমাজবোধ আসে না। তবে মিলন অন্তে! সমাজবোধ এর নিগড় মনে ফিরে আসে সেই মুহূর্তেই! তাই মহেন্দ্র বিনোদ কে বলে সিঁদুর মুছে ফেলতে! বুঝিয়ে দেয়,
আমি তোমাকে সামাজিক ভাবে কখনোই সিঁদুর স্বীকৃতি দেবো না।
সত্যিই তো সম্ভোগ এর বেলায়, শারীরিক সুখভোগ করার মুহূর্তে কোনো সমাজবোধ থাকে না, দায়ও থাকেনা। তবে সম্ভোগ পূর্ণ হয়ে গেলে, বোধ জাগ্রত হয়! আর ঠিক
এখানেই বিনোদিনী র revolution স্পষ্ট হয়।

সমতার বিচার! ওই যে মহেন্দ্রর আক্ষেপ ভরা উক্তি -
এই যাহ! সিঁদুর লেগে গেলো, মুছে ফেলো। সত্যিই তো, বিনোদ এর মতো ব্যক্তিত্ব কে শারীরিক চাহিদায় ব্যবহার করা যায়, সিঁদুর স্বীকৃতির কথাই ওঠে না।

আর সেই পড়ন্ত বেলায়, আধো অন্ধকার বদ্ধ ঘোড়ার গাড়ির জানলা দিয়ে এসে পড়া একফালি রোদের দিকে তাকিয়ে বিনোদিনী র বলা - ওই একজনের চিহ্ন আজন্ম বয়ে চলেছি। বুকে, মনে হাতুড়ির ঘা দেয়। চিহ্ন, বলতে বৈধব্য বেশ, কৃচ্ছসাধন। বিনোদ সমতা চাইছে। সঙ্গ করবে, চিহ্ন রাখবে না, তাই কি হয় বলো! চিহ্নের ভাগও নিতে হবে সমান দুজনকেই। মিলনের ফলাফল ও ভাগ করে নিতে হবে।
তাই সে ইচ্ছে করেই সিঁদুরের ভাগ মহেন্দ্র কে দিয়েছে!

ব্যক্তিগত জীবনে মায়ের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিলেন ঋতুপর্ণ। মা চলে যাবার পর তাঁর চলচ্চিত্রেও, একাকিত্বের সংজ্ঞা গুলোও পাল্টাতে থাকে। ব্যক্ত হয়েছে সেটা তাঁর কাজের ধরণে।

মা চলে যাবার পর, লন্ডনের ওয়েস্টমিনিস্টার ইউনিভার্সিটি আয়োজিত এক কনফারেন্স এ তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো, তাঁর চলচ্চিত্রের সাম্প্রতিক বিষয়ভাবনা ঠিক কিরকম? তিনি কোন দৃষ্টিভঙ্গি তে ভাবছেন? মায়ের স্মৃতি অনুষঙ্গ নিয়ে এসে ঋতু উত্তর দেন ''creating a friendship with depth''.
''মা চলে যাবার পর মায়ের সঙ্গে নতুন করে আরেকটা বন্ধুত্ব তৈরি হল। মা যখন ছিলেন আর যখন রোগ শয্যায়, তখন সেই বন্ধুত্ব টা আলাদা করে আমার পাতানোর প্রয়োজন হয়নি। পরে দেখলাম, মায়ের না থাকাটা মনেই হচ্ছেনা আর আমার। আগে যখন কিছু খুঁজে না পেলে মা কে বলতাম একটু খুঁজে দাও মা। এখন তেমন হারানো কিছু খুঁজে পেলে বলি থ্যাংক ইউ গো মা''
- দেশ পত্রিকায় তাঁর আত্মকথা

একটা মেয়েকে পাগলের মতো খুঁজছেন সত্যজিৎ রায় "অপুর সংসার" এ অপুর স্ত্রী চরিত্রে অভিনয়ের জন্য। বয়স ১৫ থেকে ১৭ বছর। পত্রিকায়...
24/01/2026

একটা মেয়েকে পাগলের মতো খুঁজছেন সত্যজিৎ রায় "অপুর সংসার" এ অপুর স্ত্রী চরিত্রে অভিনয়ের জন্য। বয়স ১৫ থেকে ১৭ বছর। পত্রিকায় বিজ্ঞাপনও দিলেন তিনি। এক হাজারের বেশি ছবি পাওয়া গেলো এক সপ্তাহের মধ্যেই। কিন্তু ইন্টারভিউতে ডাকার মতো কাউকে পাওয়া যায়নি।

খুবই বিপাকে পড়ে যাওয়া সেই পরিস্থিতিতে শোনা যায় একটি মেয়ের নাম। মেয়েটা তখন থিয়েটারে নাচ করতেন। সত্যজিৎ রায় খবর নিলেন। মেয়েটি সেন্ট জন’স ডায়সেশনে পড়ে। স্মার্ট, ঝকঝকে চেহারা, সেইসঙ্গে আছে আভিজাত্য। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বড় ভাই দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাতনি লতিকা ঠাকুর, আর মেয়েটা এই লতিকা ঠাকুরের নাতনি।
তো যাই হোক দেখে সত্যজিৎ রায় নির্বাচন করতে এক মুহুর্ত ও দেরী করলেন না। চলচ্চিত্রে শেষমেশ পাকা কথা।

এবার আসি একটা প্রশ্নে। আচ্ছা বাংলা চলচ্চিত্রে কোন চলচ্চিত্র দেখে সবচেয়ে বেশী মানুষ প্রেমে পড়েছেন? নিঃসন্দেহে বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই উত্তরটা হবে "অপুর সংসার"। অথচ এই চলচ্চিত্র দিয়েই চলচ্চিত্রে অভিষেক তাঁর। কিংবা বলা যায় তাঁরা দুজনের। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের অভিষেক ও তো একই চলচ্চিত্র দিয়ে।

"অরন্যের দিন রাত্রি" চলচ্চিত্রে আবার একই পরিচালক, একই অভিনেতার বিপরীতে। মজার বিষয় হলো এবারো চরিত্রের নাম একই, "অপর্ণা"। শর্মিলা ঠাকুর আসলে এক ধাঁধার নাম।

উত্তম কুমারের সঙ্গে কি অভিনয় তা বোঝা যায় নায়ক, আনন্দ আশ্রম কিংবা অমানুষ চরিত্রে। কি দোর্দণ্ড অভিনয়।

"অপুর সংসার" এর পর ১৯৬০ সালে মুক্তি পেল সত্যজিৎ রায় এর "দেবী"। সত্যজিৎ রায়ের এ চলচ্চিত্রেও কেন্দ্রীয় চরিত্রে তিনি। দয়াময়ী চরিত্রের মানসিক টানাপড়েন, অতিপ্রাকৃত প্রভাবের সংকট; কি অসামান্য অভিনয় তাঁর।

১৯৬৩ সালে মুক্তি পেল তাঁর তিনটি চলচ্চিত্র। "শেষ অঙ্ক" ছবিতে উত্তম কুমারের বিপরীতে অভিনয় করলেন তিনি। তপন সিংহের বিখ্যাত চলচ্চিত্র "নির্জন সৈকতে"। দুটো চলচ্চিত্রই সুপারহিট। বাণিজ্যিক সফলতা পায়। সে বছর আরেকটি চলচ্চিত্র ও ছিলো মাস্টারক্লাস। "ছায়া সূর্য" চলচ্চিত্রে ঘেঁটু নামক এক ভাগ্যবিড়ম্বিত তরুণীর চরিত্রে তাঁর অসামান্য অভিনয় যদিও শিল্পধারার চলচ্চিত্র বলে সেটি বাণিজ্যিক সফলতা পায়নি।

১৯৬৪ সালে পরিচালক শক্তি সামন্তর "কাশ্মীর কি কলি" চলচ্চিত্র দিয়ে হিন্দি চলচ্চিত্রের জগতে তাঁর অভিষেক শুরু। একের পর এক মুক্তি পেল ‘ওয়াক্ত’, ‘অনুপমা’, ‘দেবর’ ‘শাওয়ান কি ঘাটা’র মতো সুপারহিট সব চলচ্চিত্র।

১৯৬৬ তে মুক্তি পেল সত্যজিৎ রায়ের ‘নায়ক’। উত্তম কুমারের বিপরীতে অদিতি নামে এক সাংবাদিকের চরিত্রে কি অসামান্য অভিনয় তাঁর।

১৯৬৭তে মুক্তি পেল ‘অ্যান ইভিনিং ইন প্যারিস’। শক্তি সামন্তের এই চলচ্চিত্রে বিকিনি পরে অভিনয়। সেই সময়ের তুলনায় ভয়ংকর সাহসী সিদ্ধান্ত। ভারতীয় উপমহাদেশের চলচ্চিত্রে সেই প্রথম বিকিনি পরে অভিনয়!

লাস্যময়ী নারীর ভূমিকায় দুর্দান্ত সফল হন তিনি। ফিল্মফেয়ার ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদেও বিকিনি পরা অবস্থায় দেখা যায় তাঁকে। সে সময় শর্মিলা ঠাকুর মানেই চলচ্চিত্রের বাণিজ্যিক সফলতা ছিল নিশ্চিত।

‘আমনে সামনে’, ‘মেরে হামদাম মেরে দোস্ত’, ‘হামসায়া’, ‘সত্যকাম’, ‘তালাশ’-সব কটি ছবিই সফল। তবে সব সাফল্য ছাড়িয়ে যায় ১৯৬৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সুপার-ডুপার হিট চলচ্চিত্র ‘আরাধনা’।

বাংলা-হিন্দি দুটি ভাষাতে মুক্তি পাওয়া চলচ্চিত্রটি বাণিজ্যিকভাবে দারুণ সফল হল। আর এ চলচ্চিত্রের সুবাদে ফিল্মফেয়ারে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেলেন তিনি। এ চলচ্চিত্রে নায়ক ছিলেন রাজেশ খান্না। এ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে শুরু হলো রাজেশ-শর্মিলা জুটির জয়যাত্রা।

তাঁর বিয়েটাও ছিলো আচমকা। তখন তিনি ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সফল মুহুর্তে। ১৯৬৯ সাল। বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন ভারতীয় ক্রিকেট টিমের অধিনায়ক মনসুর আলি খান পতৌদি। এর আগে তাঁদের মধ্যে চুটিয়ে প্রেম। এক ম্যাচ পরবর্তী পার্টিতে দেখা হয়েছিল তাঁদের দু’জনের। তারপর দু’জনে দু’জনকে শুধুই ভালোবাসেননি, পাগল প্রেম কখনই আলাদা হতে দেয়নি তাঁদের। সম্পূর্ণ ভিন্ন দুই জগৎ থেকে আসা দু’জনের পরিবার ও জীবন ছিল অনেকটাই আলাদা। অভিজাত ঠাকুর পরিবারের মেয়ে ছিলেন শর্মিলা। আর নবাব পরিবারের জীবন কেমন হয়, সে সম্পর্কে হয়ত ধারণাও ছিল না অভিনেত্রীর। ধর্মেও আলাদা দু’জনে।

সে সময় অনেকেই মন্তব্য করেছিলো, এ বিয়ে টিকবে না। এই বিয়ে ক বছর পরই ভেঙ্গে যাবে। এই বিয়ের জন্য ধর্ম পরিবর্তন করে মুসলমান পর্যন্ত হয়েছিলেন তিনি। তাঁর নতুন নাম হলো বেগম আয়শা সুলতানা।

বিয়ের পরও শর্মিলার ক্যারিয়ারে ভাটা পড়েনি। ১৯৭০ এ মুক্তি পেল সত্যজিৎ রায়ের ‘অরণ্যের দিনরাত্রি’। ৭১ এ সত্যজিৎ রায়ের ‘সীমাবদ্ধ’ ছবিতেও কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে ছিলেন তিনি। দুটো চলচ্চিত্রেই তাঁর মাস্টারক্লাস অভিনয়।

একই সঙ্গে বাংলা এবং হিন্দি দুই ভাষার চলচ্চিত্রেই যে কজন অভিনয় শিল্পী সবচেয়ে প্রভাব বিস্তার করেছেন তাঁদের মধ্যে শীর্ষে থাকবেন শর্মিলা ঠাকুর।

"আ গলে লাগ যা" চলচ্চিত্রের একটি গানে শর্মিলা ঠাকুর আরব্য রজনীর নায়িকা।

হেলাফেলার সঙ্গে কী ভাবে খেলতে হয় পুরুষের হৃদয় নিয়ে, তা তিনি শিখিয়ে দিয়েছেন ঐ গানের দৃশ্যায়ণে। যে খেলা তিনি খেলেছেন তাঁর ক্যারিয়ারের পুরোটা জুড়ে।

৯৮ তম অস্কার পুরস্কার প্রাপ্ত সেরা ইন্টারন্যাশনাল চলচ্চিত্র: 👇ব্রাজিল - দি সিক্রেট এজেন্ট ফ্রান্স - ইট ওয়াস জাস্ট এন অ্...
24/01/2026

৯৮ তম অস্কার পুরস্কার প্রাপ্ত সেরা ইন্টারন্যাশনাল চলচ্চিত্র: 👇
ব্রাজিল - দি সিক্রেট এজেন্ট
ফ্রান্স - ইট ওয়াস জাস্ট এন অ্যাক্সিডেন্ট
নরওয়ে - সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু
স্পেন - সাইরাত
তিউনিশিয়া - দি ভয়েজ অফ হিন্ড রাজাব

নতুন প্রচুর হিন্দি ছবি ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে যাচ্ছে। ঘুরেফিরে প্রচুর ছবির প্লট কমন, নতুন আঙ্গিকের বিনোদনের ছবির সংখ্যা কমছে...
24/01/2026

নতুন প্রচুর হিন্দি ছবি ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে যাচ্ছে। ঘুরেফিরে প্রচুর ছবির প্লট কমন, নতুন আঙ্গিকের বিনোদনের ছবির সংখ্যা কমছে। বেশিরভাগ ছবি যা রেসিজমকে কেন্দ্র করে বা রেসিজমের কিছু অংশ রাখছে তা দর্শকের পরিচিত গণ্ডির বাইরের কিছু নয়। সেই দিক থেকে দিবাকর দাস রায়ের ব্ল্যাক কমেডি "দিল্লি ডার্ক" অন্য স্বাদ দিতে পারে। নলিউডের অভিনেতা স্যামুয়েল রবিনসন এই ছবির মুখ্য চরিত্র, ছবিতে তার নাম মাইকেল।

একজন নাইজেরিয়ান সর্বহারা কিভাবে দিল্লিকে আপন করে নিয়ে চাকরী খুঁজতে চায় এম বি এ করে সেই নিয়ে কাহিনী শুরু হয়। কিন্তু সেই পথ মোটেই সহজ নয়। পড়াশোনার পাশে খরচা চালাতে মাইকেল, কোকেন বিক্রি করে, কারণ কালো লোকরা সাদা পাউডার বেঁচে এইটাই দিল্লি শহরে প্রচলিত। দিল্লি এমন এক শহর যেখানে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষরা ডিস্ক্রিমিনেশানের স্বীকার হচ্ছে। তার মধ্যে রেসিজিম বা আউটসাইডার হলে তো অবশ্যই।

দিল্লি শহর যেমন একটি মাল্টিকালচারাল স্ট্রাকচার নিচ্ছে ঠিক এর সাথে সাথেই মার্জিনাল পলিটিক্স বাড়ছে। এই অদ্ভূত স্বভাবের মাঝেই "দিল্লিওয়ালে দিলওয়ালে" এমন প্রবাদও বর্তমান। দিল্লি স্বপ্নের শহর, যেই শহরে মুঘল রাজত্ব চলেছে, কুতুব মিনার নির্মান হয়েছে, যে শহর মানুষকে চাকরীর আশা যোগায়, যে শহর ভারতের রাজধানী।

আবার দিল্লি হল ধান্দাবাজির শহর, অসময়ে পাওয়ার কাট হওয়া - আশা জাগিয়ে অন্ধকারে ঠেলে দেওয়ার শহর। যে শহরে মানুষ আশা নিয়ে এসে গোল গোল চক্কড় খেয়ে চলে।

দিবাকর দাস রায় এর ছবি যেমন দিল্লির বর্তমান সামাজিক এবং রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরে মাইকেলকে বিভিন্ন সিচুয়েশানে ফেলে, তেমনি ছবিটি ইমিগ্রেশান, রেসিজিম, প্রিভিলেজ, সারভাইভাল নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাজিয়া সুলতানা এবং তাঁর অনুচর-প্রেমিক জামালউদ্দিন ইয়াকুতের কাহিনীর সাথে বেকার মাইকেলের রোজগারের এক ভারতীয় গডউইমেনের শিষ্য হওয়া এবং সেই মহিলার সাথে পালানোর কাহিনীকে লিঙ্ক করে। আবার আফ্রো-ইন্ডিয়ান পুরোন সম্পর্ক টানতে গুজরাটের সিদ্দি কমিউনিটির প্রসঙ্গ তোলে। যারা ভারত এবং আফ্রিকা দুই দেশেরই আংশিক কালচার বহন করে চলেছে এবং এরা এই দেশে ক্রিতদাস হিসাবেই ইথিওপিয়া থেকে এককালে আসে।

ছবির শেষে সমাজ থেকে বিতাড়িত, হেরে যাওয়া আধুনিক প্রজন্মের আফ্রিকান মাইকেল, নিউ দিল্লি থেকে সেই সম্প্রদায়ের কাছেই আত্মসমর্পন করে যারা নিজেদের মত আছে ঠিকই কিন্তু এখনও প্রতিদিন তারা রেসিজিম, শিক্ষা এবং সুযোগের উপযুক্ত পরিবেশের থেকে বঞ্চিত। ছবিটি শুরুতে জমজমাট, পরে সামান্য খেই হারালেও ছবিটির রেপিটেটিভ আঙ্গিক ভুলে ছবিটি যেই ভাবে ইতিহাসকে পাশে রেখে সাম্প্রদায়িকতা এবং বর্ণবৈষম্য নিয়ে হাস্যরসের ছলে একটি বৃত্ত সম্পূর্ন করেছে তা সত্যি প্রশংসার দাবি রাখে।

Address

Unakoti Kalakshetra Auditorium
Kailashahar
799277

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Unakoti Film Festival posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Unakoti Film Festival:

Shortcuts

Share

Category