30/09/2025
https://www.facebook.com/share/p/1QS4wh6PxC/
🌼 জামশেদপুরের কদমা দুর্গাবাড়িতে স্থায়ী শ্বেতপাথরের প্রতিমা, এবার দুর্গোৎসবের মূল আকর্ষণ 🌼
🎊 সমাজসেবী শেখর দে-কে সম্বর্ধনা জানাল কদমা দুর্গাবাড়ি কমিটি 🎊
জামশেদপুর: শহরের ঐতিহ্যবাহী কদমা দুর্গাবাড়ি এবারের দুর্গোৎসবে এক বিশেষ দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। দীর্ঘ ৫১ বছর ধরে যেখানে মাটির মূর্তিতে পূজা হয়ে আসছিল, সেখানে পরিবেশ রক্ষার উদ্দেশ্যে স্থায়ী শ্বেত পাথরের প্রতিমা স্থাপনের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্গাবাড়ি কমিটি।
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দেবী দুর্গার এই শ্বেত পাথরের মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়, যা শহরবাসীর মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের জন্ম দিয়েছে। মূর্তিটি পশ্চিমবঙ্গের দক্ষ শিল্পীর হাতে খোদাই করা হলেও এর জন্য ব্যবহৃত সাড়ে ১৫ টন ওজনের বিশেষ শ্বেত পাথর আনা হয়েছিল রাজস্থান থেকে। দীর্ঘ এক বছর ছয় মাসের নিরলস পরিশ্রমে তৈরি এই মূর্তির চূড়ান্ত ওজন প্রায় ১০ টন।
এই প্রতিমার বিশেষত্ব হলো এতে কোথাও কোনো জয়েন্ট নেই। দেবী দুর্গা ও তাঁর সঙ্গী দেব-দেবতারা একক পাথরের ওপর নিখুঁতভাবে খোদাই করা হয়েছে। কদমা দুর্গাবাড়ির সভাপতি ভোলানাথ গোস্বামী জানান, প্রতিমা নিরঞ্জনের ফলে নদীর জলে যে দূষণ ছড়ায়, তা রোধ করার লক্ষ্যেই কমিটি এই পরিবেশবান্ধব ও যুগান্তকারী উদ্যোগ নিয়েছে।
এ বছর দুর্গোৎসব উপলক্ষে সপ্তমী থেকে নবমী পর্যন্ত প্রতিদিন দেবীর পূজা ও আরাধনা অনুষ্ঠিত হবে। বিশেষত অষ্টমীর দিন এখানকার পুষ্পাঞ্জলির ঐতিহ্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ। প্রতি বছরই এখানে প্রায় হাজার হাজার ভক্ত পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করেন। এই বছরও প্রায় দশ হাজার ভক্তের সমাগম হয়েছে। মহাষ্টমীর পুজোয় সামিল হন সমাজসেবী শেখর দে, এবং এই উপলক্ষ্যে কদমা দুর্গাবাড়ি কমিটি তাঁকে বিশেষ সম্বর্ধনা জানায়।
ভোলানাথ গোস্বামী আরও জানান, দেবী যেহেতু স্থায়ীভাবে বিরাজ করছেন, তাই দুর্গোৎসব শেষ হওয়ার পরেও সারা বছর ভক্তরা কদমা দুর্গাবাড়ি চত্বরে প্রতিদিন দেবীর আরাধনার সুযোগ পাবেন। এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে জামশেদপুর শহরের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
Kadma Durga Bari Bholanath Goswami