Sandeep Bhadra -Titu

Sandeep Bhadra -Titu Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sandeep Bhadra -Titu, Poet, Jamshedpur.

10/11/2025

*জন্ম দিয়েছো মানুষ করে*

জন্ম দিয়েছো মানুষ করে,
দিয়েছো আয়ু অনেক,
দিয়েছো তবে কষ্ট কেনো,
জোটাতে অন্ন খানেক।
দিয়েছো যদি বুদ্ধি বেশী,
ঘরে কেনো অভাব,
চুরি করলে বলবে সবাই,
করছি মহাপাপ।।

জন্ম দিয়েছো মানুষ করে,
দিয়েছো কথার ভাষা,
এই কথাতেই ঝগড়া লাগে,
সবার উচ্চ আশা।
দিয়েছো যদি দুই চোখ সবার,
মিথ্যা স্বপ্ন আঁকে,
স্বার্থ সবার নিজের নিজের,
পরের দোষ দেখে।।

জন্ম দিয়েছো মানুষ করে,
সঙ্গে আপনস্বজন,
সুখেতে সব সঙ্গে আছে,
দুখে থাকে কজন?
শিখিয়েছো লোভ আমাদের,
দিয়েছো মায়ার সংসার,
অমৃতে অমর তুমি,
যাবো আমরা যমের দুয়ার।।

জন্ম দিয়েছো মানুষ করে ,
খাবার দেবে তুমি,
থাকবো না হয় আকাশতলে,
ঢাকবে লজ্জা তুমি।
ঝগড়া লড়াই রাখবে না আর,
ধরাবে না চির সম্পর্কে,
নয়তো এবার জন্ম দিও,
জঙ্গলের ওই পশু করে।।

T

05/11/2025

*সময় নিয়ে এসো একটিবার*

তুমি সময় নিয়ে এসো একটিবার,
হয়তো আর হবেনা দেখা,
ইচ্ছা শুধু বসবো কাছে,
দেখবো শুধু নয়ন মেলে।।

আসতে না চাইলে মন,
তবু,মানা কোরোনা আমায় তুমি,
ভিক্ষা তো দাও কতজনকে,
ভেবো,এইটুকু ভিক্ষা চাইছি আমি।।

করতে পারো বাহানা অনেক,
থাকতে পারে, না আসার কারন,
মন চেয়েছে দেখবো তোমায়,
আর কোরোনা আমায় বারন।।

বলবোনা তো আর কালকে থেকে,
তুমি থাকবেও না আর যে আমার,
এই দেখাটাই রাখবো করে,
সেরা স্মৃতি তোমার আমার।।

পারবো না আর বলতে তোমায়,
প্রেমে বলা দুইটি কথা,
মানছে না তো এই ভোলা মন,
বলছে শুধু তুমি আমার।।

হয়তো তুমি যাবে ভুলে,
করবে না আর মনে আমায়,
হয়তো এটাই শেষের দেখা,
অনুরোধ তাই আমার তোমায়।।

চলেই এসো এবার তুমি,
অপেক্ষাতে থাকবো বসে,
শেষ দেখাটি দেখবো তোমায়,
ভালোবাসার অন্য রূপে।।

তুমি সময় নিয়ে এসো একটিবার,
হয়তো আর হবেনা দেখা,
ইচ্ছা শুধু বসবো কাছে,
দেখবো শুধু নয়ন মেলে।।

T

05/11/2025

*আমি এক যাযাবর*

আমি এক যাযাবর,
উনিশ বছর বয়স যখন ছেড়েছি আমি ঘর,
অনেক রাজ্যেই বাসা বেঁধেছি যেনো এক যাযাবর।
নাগপুর হয়ে অন্ধ্র গেছি, থেকেছি মাদ্রাজে,
এক থেকে দুই হয়েছি,সুদূর কোরবাতে।
কিছুদিনের আবাস ছিলো গেওরা কুসমুন্ডা,
পরে,কোরবা থেকে সোজা ফেরত নিজের বাড়ী টাটা ।
যাযাবরের কপাল নাই এক জায়গায় থাকার,
তাইতো আসাম হলো যেতে ছেড়ে নিজের বাড়ী টাটার।
ঘুরলো আবার বরাত আমার দু এক বছর পরে,
আসাম ছেড়ে বাসা বাঁধলাম আমার বাংলাতে।
ওপরওয়ালা দিলেন সুযোগ টাটা ফেরত আসার ,
কপাল দেখো এসেই টাটা, আবার যেতে হলো বিহার।।

এর মধ্যেই ভাগ হয়েছে রাজ্য কয়েক আমার,
ঝাড়খণ্ড, ছত্তিশগড় নিয়েছে জন্ম,গড়েছে নতুন সরকার।
দেখেছি আমি নানান রূপ নানান পরিধান,
সংস্কৃতি বদলেছে আর বদলেছে জায়গার নাম।
দেশ বিদেশের অভিজ্ঞতা হয়তো হলো অনেক,
মা বাবার করবো সেবা নেই যে সময় খানেক।
পারিনি আমি দিতে সময় পরিবারকেও নিজের ,
তবু দিইনি হতে আমার মত জীবন যাযাবরের।
এখন শরীর আমার গেছে ভেঙ্গে, বয়স গেছে বেড়ে ,
পেটের দায়ে ঘুরছি তবু যাযাবরের বেশে।।

T

02/11/2025

*পুরোনো দিনের বিয়েবাড়ি*

এখন আর সময় হয়না তেমনি করে নিজেদের সব বিয়ে বাড়ি অ্যাটেন্ড করা,
সত্যি, আর কখনও সময় থাকলেও এই বুড়ো শরীরটার ওপর যায়না ভরসা করা।
কিন্তু মনে পড়ে সেই সব পুরোনো দিনের বিয়েবাড়ি যেখানে ছিল ছোটদের পরিচয়, আনন্দ আর পুনর্মিলন।
ছিল নিজের বাগানে প্যান্ডেল,উঠোনে ছাদনা তলা আর নিজেরাই খাওয়ার পরিবেশন।
মনে পড়ে বিয়ে বাড়ী তে পা দিতেই উলুধ্বনি, সঙ্গে একপ্লেট লুচি আর সাদা আলুর তরকারি।
এক এক করে চলতো বড় দের প্রণাম, হল্লা চিল্লা আর ঠাট্টা ইয়ার্কি।
তখন ছিল কত আপনতা, ছিলোনা বুফে, ছিলো বসিয়ে খাওয়া দাওয়া,
থাকার জন্য ছিলো পাড়ার কোনো ঘর ,তাতে ঢালাও বিছানা আর গল্প করতে করতে ভোর রাতে শোওয়া।
সকালে ঘুম চোখে বাসী মুখে একসাথে চা খাওয়ানো
আর থাকতো নজর টয়লেটে , খালি পেলেই দৌড় লাগানো।
কোথাও কোনো গল্পের গরু গাছে চড়তো ,
আবার প্যান্ডেলে বড়দের কেউ কেউ লুকিয়ে সিগারেট ফুকতো।
সন্ধ্যা বেলায় কনে কে সাজাতো পাড়ার পিসি,
আর মহিলারা সাজতো নিজেই যে যেমন খুশী।
বরযাত্রী বা কনে যাত্রী যাওয়া হতো একসাথেই রুটের কোনো বাসে ,
বরাত খুব থাকলে ভালো বর যেতো এম্বাসেডারে বসে।
প্লেট সাজিয়ে আসতো জলখাবার নয়তো আবার প্যাকেট হতো,
কুটুম বাড়ির লোকেরা সব আপ্যায়নে ব্যস্ত হতো।
মাটির ভাঁড়ে জগের জল, আর লম্বা টেবিলে পেপার রোল,
কমকরে একসপ্তাহর ছুটি কাটা, তারপরে মনে খারাপ করে বাড়ি ফেরা।
সত্যি এখনো মিস করি সেই পুরোনো বিয়েবাড়ি,
সময় পাল্টেছে ,এক দিনের ছুটিতেই বাড়ি ফেরার তড়িঘড়ি।
তাইতো সবাই একদিনেই সব আনন্দ কুড়িয়ে নিয়ে চায়,
তাইতো হারিয়েছে সেই পুরোনো আনন্দ তবু বসে থাকা কোনো আত্মীয়ের বিয়ের অপেক্ষায়।

T

01/11/2025

*বাবা,তুমি আছো বলেই..*

তুমি আছো বলেই জীবনে বাবা, দেখেছি সূর্যকিরণ,
চিনেছি বাবা কোনটি মারিচ, কোনটি সোনার হিরণ।
তুমি আছো বলেই আজকে আমি দাঁড়িয়েছি পায়ে নিজের,
হয়েছে উচু মাথা আমার, নাম হয়েছে কাজের।
তুমি আছো বলেই চিনছে লোকে, বলছে তোমার ছেলে,
গুন কিছুটা পেয়েছি তোমার, শুনছি নিজের কানে।
তুমি আছো বলেই পাইনা ভয় করতে নতুন কিছু,
হেরে গেলেও লজ্জা কিসের জিতবো অনেক কিছু।
তুমি আছো বলেই শিখছি নতুন,থাকবো আমি অজয়,
জানছি আমি,তুমি সঙ্গে আছো কিসের আমার ভয় ।
তুমি আছো বলেই নিশ্চিন্তে ঘুরছি জগত সারা,
দেখেছি কষ্ট সন্তানদের যারা আছেন বাবা হারা।
তুমি আছো বলেই আজকে আমার হয়েছে এত সুনাম,
সত্যি বাবা, আমার সাধ্যী নাই দিতে তোমার দাম।
তুমি আছো বলেই আছি আমি, আমার সুখ চারিদিকে,
ছেলেও আমার যেন থাকে সুখে, শিখছি তোমার থেকে ।
বিনা ঢেউয়ের নদী তুমি,ভাসছি তোমার জলেই,
নৌকাডুবির ভয় পাইনা, আছো তুমি বলেই।।

T

27/10/2025

ভাইবোনেদের আত্মীয়তা

ছোটবেলায় কত ঝগড়া কত মারপিট হতো আমাদের ভাইবোনদের,
মিলমিশও হতো খুব তাড়াতাড়ি।
আবার বাইরের কেউ ভাইকে মারলে দেখা যেত দাদার দাদাগিরি।
ছোটবেলায় একসাথে বাবা মার হাত ধরে হতো পুজোর বাজার করতে যাওয়া,
পুজোর মেলায় একসাথে প্লান করে হতো খাওয়াদাওয়া।
কালীপুজোয় একই তুবরীতে দুইজনে মিলে আগুন দেওয়া,
আবার রাতে একই খাটে মা বাবার সাথে শুতে যাওয়া।
অদরকারী কোনো জিনিষ নিয়ে দুই ভাইয়ের মারা মারি,
আবার বোনের ওপর কখনো কখনো খবরদারি।
সন্ধ্যাবেলায় ছিলো একই বাড়ি ফেরার ঠিকানা ,
একই হ্যারিকেনে পড়তে বসা ,
আবার একই তালপাতার পাখায় দুইজনকেই বাবার হাওয়া দেওয়া।
সত্যি ছোটবেলায় ভাইবোনদের ছিল দ্বন্দ্ব কিন্তু ছিলো স্বার্থহীন ভালোবাসা,
আলাদা হয়ে যাওয়ার ছিলো ভয় বা ছিল না দূরত্বের ভাবনা।
আত্মীয় স্বজন ভাইবোনদের ছিলো না কোনো ভিন্ন,
কাটলো যত দিন বাড়লো কুটুম, জুড়লো স্বজন অন্য।
ধীরে ধীরে যেমন বাড়লো আত্মীয় স্বজন তেমনি ভাইবোনের সম্পর্কে বাড়তে থাকলো আনুষ্ঠানিকতা ,
ভাই বোনেরাও আজ হয়ে গেলো আমাদের আত্মীয়, পড়ে রইলো শৈশব রয়ে গেলো শুধুই ডাক আর বাড়লো দূরত্বতা।।

T

24/10/2025

*করবি কি তুই আমায় বিয়ে?*

করবি কি তুই আমায় বিয়ে?
আছে অনেক টাকা,
রাখবো তোকে রানী করে,
থাকবি সোনায় ঢাকা।
ঘুরবি তুই গাড়ী করে,
বড় বড় হোটেলে খাবি,
ড্রাইভার তোর থাকবে সাথেই,
অনেক চাকর বাকর পাবি।।

করবি কী তুই আমায় বিয়ে?
বিশাল বাড়ী আমার,
আদেশ তোর শুনবে সবাই,
মালিক হবি সবার।
ইচ্ছা যা তোর কিনবি নিজেই,
লাগবে না অনুমতি,
করবি পার্টি মন মতো তোর,
লাগবে একলা যদি।।

করবি কি তুই আমায় বিয়ে?
নেই কোনো তোর বাঁধা,
রাখবি সাথে তোর মা বাবাকে,
কী আর আছে ভাবা।
নিজের বলতে কেউ নেই আমার,
আছে শুধু টাকা,
সেই টাকার ই ভাগ পাবি তুই,
করবি যদি বিয়া।।

করবি কী তুই আমায় বিয়ে?
থাকবে জীবন সুখী,
কোনো কিছুরই কম হবেনা,
ঘুরবে কপাল তোরই।
সময় শুধু পাবিনা আমার,
পাবিনা রোজ চোখে,
খুঁজতে টাকা থাকবো গায়েব,
রাখতে সুখে তোকে।।

এবার বল..….
করবি কি তুই আমায় বিয়ে?
পরে দোষ দিবিনা আমায়,
লেখাপড়ায় থাকবো স্বামী,
তুই থাকবি সুখে টাকায়।।

23/10/2025

*অনেক গল্পের একটি গল্প*

সকালটা বেশ ভালোই ছিলো,
গরমের মাঝে মেঘের আসা যাওয়ায় একটু ঠান্ডার অনুভতি ভালোই লাগছিলো।
দিনটা ছিলো শনিবার, আমার ছুটি, তবু অফিস যাওয়া,
ইচ্ছা সবার সাথে দেখা করা আর অফিস ক্যান্টিনে একটু খিচুড়ি খাওয়া।
দুপুর হতেই কেমন অস্বস্তি হচ্ছিলো বোধ,
ভাইতুল্য ড্রাইভারকে বলি বাড়ি যাবো গাড়িতে ওঠ।
আলোচনাতে বুঝতে পারি গ্যাস হয়েছে আমার ,
হয়নি ঠিক গরমে খিচুড়ি গরম খাওয়ার।
বাঙালি আমরা সবাই ডাক্তার , কোনোভাবে কাটাই রাত এদিক ওদিক করে,
ঘামছি আমি, ভাবছি কখন আবার সকাল হবে।
সকাল হতেই খেলাম 'ইনো', গ্যাসের ওষুধ দুটো,
হয়নি তবু আরাম আমার হচ্ছিলো মনে হয়তো এবার প্রাণটা গেলো।
ঘামছি আমি ভীষণভাবে, হাত ব্যাথা আর জ্বালা বুকে,
ফোন করি সেই ভাইকে আমার,
দরজার ছিটখানিটা ও রাখি খুলে।
সব বাধা সিগনাল পেরিয়ে সে তড়িৎ গতিতে আসে চলে, নিয়ে যায় হাসপাতালে।
তখন ব্যাথায় জ্বালায় কাতর বুক,
বুঝছি এবার হয়েছে বড় অসুখ,
চলছে Checkup বাড়া প্রেশার, সঙ্গে আবার ব্লাড সুগার।
এর মাঝেই কানফুসো শুনতে পাই ডাক্তারের, চিকিৎসার আগে দরকার বাড়ির লোকের,
কারণ,
এসেছে আমার জীবনে ঝড়, ভাবিনি যা তা হয়েছে হঠাৎ,
জীবন নিয়ে লড়তে হবে, এসেই গেছে চেনা নামের হৃদয়াঘাত heart attack ।।

T

22/10/2025

*অচেনা*

কী রে ভালো আছিস?
হ্যা ।
কবে এসেছিস ?
কাল।
কবে যাবি ?
পরশু।
খুশী আছিস তো?
অনেক।
শেষের জবাবে বুকের ভেতর কেমন যেনো ধাক্কা লাগলো।
হয়তো অন্য উত্তর আশা করেছিলাম।
হয়তো একই প্রশ্ন ওর থেকেও পাবো ভেবেছিলাম।
কিন্ত আমায় এড়িয়ে যাওয়ায় আর ওকে অপ্রস্তুত করিনি।
কিন্তু কেন?এত তাড়া কিসের?
ও তো আজ একাই ছিল। বলতে পারতো আরো দুটি কথা।
কী করে ভুলে গেলো ছয় বছর চার মাস সতেরো দিনের আমাদের অপূর্ণ প্রেম, আমাদের অতৃপ্ত ভালোবাসা আর লুকিয়ে মেলামেশা।
ভোলা কি যায় সেই ছয়টি বছরের অষ্টমীর অঞ্জলি একসাথে অন্য পাড়ায় লুকিয়ে দেওয়া।
অন্য মেয়ের প্রশংসাতে ওর অভিমান হওয়া।
তবে কী আজ আমি শুধুই অতীত শুধুই এখন ওর ব্যথা ?
কেমন যেনো নিজেকে বোকা বোকা লাগছে,
যাকে একটি বার দেখার আশায় বসে থাকা সে আজ অচেনা লাগছে।
মন কে শক্ত করে জিজ্ঞাসা করেই ফেললাম "তুই কি আমায় ভুলে গেলি"।
জবাবে " হ্যা" বলে আমার প্রশ্নকে বেমানান প্রমান করে ঠোঁটের কোণে এক বিজয়ীনির হাসি হেসে সে রইলো দাঁড়িয়ে অন্য কারোর অপেক্ষাতে।

T

18/10/2025

*চাইবে আবার*

যাচ্ছো চলে আমায় ছেড়ে,
ভাসিয়ে অশ্রুজলে,
বলছে মন তুমি চাইবে আবার,
দেখবে পেছন ফিরে।।

চাইবে আবার আসতে কাছে,
থাকতে আমার বুকে,
জীবনভরের সঙ্গ নেওয়ার,
ইচ্ছা জাগবে মনে।।

চাইবে আবার ঘুরতে সাথে,
ধরতে আমার হাত,
লিখবে চিঠি আমার নামে,
করবে খালি দোয়াত।।

চাইবে আবার বলতে কথা,
জাগতে সারা রাত,
বলবে আমায় মান ভাঙাতে,
করবে যখন রাগ।।

চাইবে আবার বসতে পাশে,
রাখবে কোলে মাথা,
সকাল থেকে সন্ধ্যা হবে,
ভুলবে বাড়ির কথা।।

চাইবে আবার করতে দেখা,
লুকিয়ে বাড়ির লোকে,
থাকবে যখন একলা তুমি,
কাঁদবে আমার শোকে।।

চাইবে আবার আমার হতে,
ভাঙবে ভুল যখন,
হয়তো আমায় আর পাবে না,
অনেক দেরি তখন।।

T

16/10/2025

Amor Prem

16/10/2025

*অমর প্রেম*

আমার তোমার ভালোবাসা রেখো অমর করে,
দেখুক সমাজ বুঝুক সবাই, ভালোবাসা একেই বলে।
চাই যদি আসতে কাছে টেনে নিও বুকে,
যাওয়ার কথা বললে আমায়, আঁকড়ে রেখো ধরে।
চাইলে আমি দেখতে তোমায়, আমার চোখে ভেসো,
বন্দ চোখেও দেখবো তোমায়, স্বপ্ন হয়ে থেকো।
ইচ্ছা হলে ছুঁতে তোমায়,এসো বর্ষা হয়ে,
ভিজিয়ে দিও মনকে আমার ,থেকো না অভিমানে।
চিনবে আমায় আলোয় তোমার, মাথার ওপর থেকো,
পুড়লে তেজে ,কষ্ট হলে চাঁদ হয়ে এসো।
বলতে কথা ইচ্ছা হলে, এসো আমার গানে,
থেকো আমার গলায় তুমি, সাজাবো সাত সুরে।
নানান রঙে রাঙাবে মোদের সকল প্রেমীযুগল,
তুলির টানে থাকবে হয়ে প্রেম আমাদের অমর।

T

Address

Jamshedpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sandeep Bhadra -Titu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category