People's Forum Against Politics of Hatred

People's Forum Against Politics of Hatred 'People’s Forum Against Politics of Hatred' is a group, committed to continue the fight against neo religious fascist uprise in India.

12/03/2024

আজ থেকে আন্দোলন শুরু হল Anti CAA NRC
স্থান পার্ক সার্কাস ময়দান।
আজ আমরা ছিলাম, আন্দোলন শুরু করলাম, আপনারা আসুন দলে দলে যোগ দিন

04/10/2023

বিদ্বেষের রাজনীতি বিরোধী জনমঞ্চের পক্ষ থেকে কেন্দ্রের সরকার এবং তার গেস্টাপো বাহিনীর বিরুদ্ধে বিবৃতি:

তেসরা অক্টোবর ভোররাতে ভারত সরকারের গেস্টাপো বাহিনী অনৈতিক কূটকৌশলে সাংবাদিক অভিসার শর্মা, ভাষা সিং, অনিন্দ্য চক্রবর্তী, নিউজক্লিক-এর এডিটর প্রবীর পুরকায়স্থ, লেখক গীতা হরিহরণ, ইতিহাসবিদ সোহেল হাসমি, অভিনেতা সঞ্জয় রাজৌরা-র বাড়িতে খানাতল্লাশ চালিয়েছে। হয়রানি করার, সন্ত্রস্ত করার এবং পেশীপ্রদর্শনের উদ্দেশ্য নিয়েই এই খানাতল্লাশ চালানো হয়েছে। মুম্বাইয়ে তিস্তা শীতলবাদের বাড়িতেও রাষ্ট্রের লেঠেলবাহিনী পৌঁছে গিয়েছে। একই উদ্দেশ্যে তল্লাশি চালানো হয়েছে প্রবীণ সাংবাদিক পরঞ্জয় গুহঠাকুরতার বাড়িতেও। নিউজক্লিক-এর বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের বাড়িতে চিরুনিতল্লাশি চলেছে। এঁদের কাউকে-কাউকে জিজ্ঞাসাবাদের নাম করে তুলে নিয়ে গেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আওতাধীন দিল্লির পুলিশ। তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে দিল্লি সায়েন্স ফোরামের ডি. রঘুনন্দন-কেও। সঞ্জয় রাজৌরা-কে পুলিশের বিশেষ সেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সকলের মোবাইল ফোন, ল্যা পটপ ইত্যা দি যাবতীয় ইলেকট্রনিক ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। পরবর্তীতে প্রবীর পুরকায়স্থ এবং অমিত চক্রবর্তীকে ইউএপিএ ধারা প্রয়োগ করে গ্ৰেফতারও করা হয়েছে। ‘সন্ত্রাসবাদী সংযোগ’-এর তদন্তের নামে সংঘটিত করা হয়েছে এই অভিযান; প্রকৃত প্রস্তাবে যা গণতন্ত্রের উপর শাসকের নগ্ন আক্রমণ।
বিদ্বেষের রাজনীতি বিরোধী জনমঞ্চ ভারতরাষ্ট্রের ঐতিহ্যবাহী গণতন্ত্রের উপর এই ফ্যাসিস্ট আক্রমণের তীব্র বিরোধিতা করছে। ‘জনমঞ্চ’ গণতন্ত্রপ্রিয় সকল শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষকে এই পরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন ও দমনপীড়নের প্রতিবাদে এগিয়ে আসতে আহ্বান জানাচ্ছে।

স্বাক্ষরকারীঃ সৌরীন ভট্টাচার্য, মালিনী ভট্টাচার্য, শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়, হান্নান মোল্লা, আসগরী সুলতানা, রসিক আহমেদ, কমলেশ্বর মুখার্জি, বাদশা মৈত্র, দেবদূত ঘোষ, রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়, অসিত বসু, ভদ্রা বসু, সীমা মুখোপাধ্যায়, বিমল চক্রবর্তী, চন্দন সেন, দেবেশ চট্টোপাধ্যায়, অর্ক মুখার্জি, মল্লারিকা সিনহা রায়, বৈদিক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু সরকার, তৌসিফ হক, সৌম্যেন পাল, ঋতু সেন চৌধুরী, সার্থক রায় চৌধুরী, অর্ক দেব, অঞ্জন বেরা, শুভময় ঘোষাল, শিবাদিত্য দাশগুপ্ত, সুমিত বন্দ্যোপাধ্যায়, আশিস কুমার খাঁ, শ্রেয়সী ভাদুড়ী, নুপুর বসু, নুপুর দাসগুপ্ত, প্রতীক, অর্ক ভাদুড়ী, লতিকা রহমান, বিদিশা দে, এঞ্জেলা মন্ডল, শৌনক কুণ্ডু, জয়ন্ত মুখার্জি, তাপস কুমার রায়, শ্যামল ভট্টাচার্য, মলয় সাহা চৌধুরী, নন্দিনী সাহা, ব্রতীন্দ্র ভট্টাচার্য, তিতি রায়, শুভদেব রায়, সোহম দাস, পীযূষ ব্যানার্জী, মোদ্দাসার নজর, সুশান্ত দাস, কবীর চট্টোপাধ্যায়, মণিষা আদক, সব্যসাচী চ্যাটার্জি, শামিম আহমেদ (উকিল), শ্রাবন্তী ভট্টাচার্য, উর্বা চৌধুরী, সংযুক্তা চৌধুরী, অগ্নিবেশ রায়, শৌভিক ঘোষ, জ্যোতির্ময় কর্মকার, বর্ণব, সায়ন্তন মুখোপাধ্যায়, সঙ্ঘমিত্রা হালদার, অনিমিখ পাত্র, দেবাদৃতা বসু, সুকল্প চট্টোপাধ্যায়, প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়, অনল পাল, অনির্বাণ বসু, ঋদ্ধি রিত, সারণ দত্ত, শঙ্কর মৈত্র, জয়রাজ ভট্টাচার্য।

আসুন।
05/08/2023

আসুন।

২৫ শে বৈশাখ। ৯ মে। মঙ্গলবার।পার্কসার্কাস ময়দান। বিকাল ৪টে থেকে।
06/05/2023

২৫ শে বৈশাখ। ৯ মে। মঙ্গলবার।
পার্কসার্কাস ময়দান। বিকাল ৪টে থেকে।

05/04/2023

বিদ্বেষের রাজনীতি বিরোধী জনমঞ্চে'র বিবৃতি:

গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে কলকাতার উপকণ্ঠে এবং উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জায়গায় রামনবমী উদযাপনের শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে হিংসা এবং বিদ্বেষের ঘটনা আমাদের উদ্বিগ্ন করেছে। গত প্রায় ৭-৮ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের বিস্তীর্ণ শহরাঞ্চলে রামনবমী, হনুমান-জয়ন্তী ইত্যাদিকে কেন্দ্র করে ‘হিন্দু জাগরণ’-এর নামে শক্তি প্রদর্শনের এবং সাম্প্রদায়িক উস্কানির ঘটনা ধারাবাহিকভাবে ঘটে চলেছে।

বর্তমানে রাজ্যের প্রধান বিরোধীদলের প্রত্যক্ষ মদতে এবং তাদের ভিত্তিভূমি সংগঠনটির দীর্ঘমেয়াদি কার্যকলাপে, ধর্মের নামে এই রাজনৈতিক হিংসা দীর্ঘদিনের দেশজোড়া সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক বৈচিত্র‍্যের ঐতিহ্যের বিপরীতে এক ‘অখণ্ড’ হিন্দু ভারত তৈরির চেষ্টার বহিঃপ্রকাশ বলেই আমরা মনে করি। এর বিপরীতে সংখ্যালঘু সমাজে উদ্বেগ ও অস্থিরতা বাড়ছে আর গোষ্ঠীকেন্দ্রিক হয়ে পড়াই ভবিতব্য হয়ে পড়ছে, ফলত নানা মৌলবাদী শক্তির ইন্ধন জোগানোর সম্ভাবনা এবং আশঙ্কা স্বভাবতই বাড়ছে। অথচ এ-রাজ্যের রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে এই হতাশাজনক পরিণতির কথা ছিল না।

পাশাপাশি এ-রাজ্যের শাসকদল একদিকে তার তথাকথিত জনমোহিনী শাসনের লাভের অংকতেই বিভোর হয়ে এই সাংস্কৃতিক আগ্রাসনকে ঠেকাবার কোনও দীর্ঘমেয়াদি বিকল্প রাস্তার সন্ধান করতে ব্যর্থ বা অনিচ্ছুক। যদিও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এবং এ-দেশের বিভিন্ন রাজ্যে এই ‘জনমোহিনী’ রাজনীতিও একাধিপত্য প্রতিষ্ঠার বিপদ হিসাবে এরই মধ্যে চিহ্নিত। আবার একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে ওঠা সার্বিক দুর্নীতির অভিযোগের চটজলদি মেরামতির কূটকৌশল সন্ধানে সরকার এবং শাসকদল এতই ব্যস্ত যে, সরকারের এই হিংস্র এবং সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতির সঠিক প্রশাসনিক মোকাবিলা করার দক্ষতা অনুপস্থিত। নয়তো কোনও গূঢ় অভিসন্ধির কারণে তারা এই ব্যাপারে উদাসীন; যার পরিচয় সাম্প্রতিক ঘটনাগুলিতে প্রকট।

আমরা মনে করি শাসক এবং প্রধান বিরোধী দল উভয়েই সুচতুরভাবে রাজ্যের এই অশান্তির পরিবেশকে তাদের ক্ষমতা ধরে রাখার বা দখল করার উপায় হিসেবে ব্যবহার করছে । এই পরিস্থিতিতে ‘বিদ্বেষের রাজনীতি বিরোধী জনমঞ্চ’—

• পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক পরিবেশের অবলুপ্ত ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের জন্য সমস্ত নাগরিকের কাছে আবেদন জানাচ্ছে।

• ক্ষমতা দখল আর বজায় রাখার ঘুৃৃঁটি হিসাবে সাধারণ নাগরিকদের ব্যবহার করার এই ভয়ংকর অপচেষ্টার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

• এ-রাজ্যে সমস্ত ভাষা, ধর্ম, সম্প্রদায়-ভিত্তিক সংখ্যালঘু মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কথা পুনরায় ঘোষণা করছে।

স্বাক্ষরকারীঃ শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়, হান্নান মোল্লা, মালিনী ভট্টাচার্য, সৌরীন ভট্টাচার্য, শোভনলাল দত্তগুপ্ত, বিষ্ণুপ্রিয়া দত্ত, মল্লারিকা সিনহা রায়, বৈদিক ভট্টাচার্য, কমলেশ্বর মুখার্জি, বাদশা মৈত্র, দেবদূত ঘোষ, রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়, অসিত বসু, ভদ্রা বসু, সীমা মুখোপাধ্যায়, বিমল চক্রবর্তী, চন্দন সেন, দেবেশ চট্টোপাধ্যায়, অর্ক মুখার্জি, শুভেন্দু সরকার, তৌসিফ হক, সৌম্যেন পাল, ঋতু সেন চৌধুরী, সার্থক রায় চৌধুরী, অর্ক দেব, অঞ্জন বেরা, শুভময় ঘোষাল, শিবাদিত্য দাশগুপ্ত, সুমিত বন্দ্যোপাধ্যায়, আশিস কুমার খাঁ, শ্রেয়সী ভাদুড়ী, নুপুর বসু, নুপুর দাসগুপ্ত, প্রতীক, অর্ক ভাদুড়ী, সঙ্ঘমিত্রা হালদার, অনিমিখ পাত্র, দেবাদৃতা বসু, লতিকা রহমান, বিদিশা দে, এঞ্জেলা মন্ডল, শৌনক কুণ্ডু, জয়ন্ত মুখার্জি, তাপস কুমার রায়, শ্যামল ভট্টাচার্য, মলয় সাহা চৌধুরী, নন্দিনী সাহা, ব্রতীন্দ্র ভট্টাচার্য, তিতি রায়, শুভদেব রায়, সোহম দাস, পীযূষ ব্যানার্জী, রাসিক আহমেদ, মোদ্দাসার নজর, সুশান্ত দাস, কবীর চট্টোপাধ্যায়, মণিষা আদক, সব্যসাচী চ্যাটার্জি, শামিম আহমেদ (উকিল), শ্রাবন্তী ভট্টাচার্য, উর্বা চৌধুরী, সংযুক্তা চৌধুরী, অগ্নিবেশ রায়, শৌভিক ঘোষ, জ্যোতির্ময় কর্মকার, বর্ণব, সায়ন্তন মুখোপাধ্যায়, প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়, অনল পাল, সুকল্প চট্টোপাধ্যায়, অনির্বাণ বসু, ঋদ্ধি রিত, সারণ দত্ত, শঙ্কর মৈত্র, জয়রাজ ভট্টাচার্য।

গতকাল ২২শে শ্রাবন অনুষ্ঠানের কিছু মুহূর্ত
09/08/2022

গতকাল ২২শে শ্রাবন অনুষ্ঠানের কিছু মুহূর্ত

09/08/2022
কাল সকলে আসুন। ক্ষমতার ক্যানভাসের বাইরে থাকা বহু শিল্পী সাহিত্যিক গুণীজন, তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে নিরলস সাহিত্য সাধনার জন্...
07/08/2022

কাল সকলে আসুন। ক্ষমতার ক্যানভাসের বাইরে থাকা বহু শিল্পী সাহিত্যিক গুণীজন, তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে নিরলস সাহিত্য সাধনার জন্য সম্মান জানাবে 'জনমঞ্চ', কাল অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টসের মঞ্চে, সন্ধ্যা ৬টায়। থাকবে অনালোচিত অনালোকিত জনপরিসরের আলোচনা, অচেনা গান বাজনার সমাহার। অ্যাকাডেমির হলে বসে আসুন সকলে চোখ রাখি 'মার্জিনের বাইরে'।

25/06/2022

লাগাতার ভারত রাষ্ট্রের নিপীড়ন এবং হুমকি আমরা প্রত্যক্ষ করছি। একের পর এক সমাজকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, আক্রমণ করা হচ্ছে। গণতন্ত্রের অন্যতম শর্ত ভয়েস অফ ডিসেন্ট, অর্থাৎ সোচ্চারে 'না' বলার অধিকার। ভারতে প্রতি মুহূর্তে এই অধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন যন্ত্রকে ব্যবহার করে। যে কোন নাগরিক সরকারি মতের বিরুদ্ধ মত উচ্চারণ করলেই তাঁর জীবন বিপর্যস্ত করা হচ্ছে। সে আনিস খান হোক, উমর খলিদ হোক বা তিস্তা শীতলবাদ। তিস্তা শীতলবাদ গুজরাটে বিজেপি সরকারের মদতে ঘটা গণহত্যার বিরুদ্ধে লড়ছিলেন, সাধারণ মানুষের জন্য ইনসাফের দাবীতে। আমরা বিদ্বেষের রাজনীতি বিরোধী জনমঞ্চ'র পক্ষ থেকে তিস্তা শীতলবাদের ডিটেনশনের জন্য প্রশাসনকে তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছি এবং এই মুহূর্তে নিজেদের সংবিধান প্রদত্ত নাগরিক অধিকার বুঝে নিতে জনমঞ্চ মিছিলে বিক্ষোভে অংশ নিতে বদ্ধপরিকর। আমরা সমাজের বৃহত্তর অংশকে আহ্বান করছি, সরকারের এই স্বৈরাচারী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে জোটবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলুন।

24/05/2022

জনমঞ্চের পক্ষ থেকে বিবৃতি:

২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে অতিমারির কারণে ভারতে বন্ধ রাখা হয় সব স্কুল। এর পর পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের জন্য প্রাক প্রাথমিক থেকে উচ্চ প্রাথমিক স্তর অবধি স্কুলগুলি খোলা হয় ফেব্রুয়ারি ২০২২-এ। পরবর্তীকালে তাপপ্রবাহের কারণ দর্শিয়ে এ রাজ্যে ফের ২ রা মে ২০২২ থেকে দেড় মাসের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয় সব স্কুল। ২০২০ সাল থেকে আজ অবধি সরকারের তরফে নানা সময়ে নানা কারণ দেখিয়ে একটানা স্কুল বন্ধ রাখার পর্যায়গুলিতে এ রাজ্যে সরকারি, সরকার পোষিত, অনুদানপ্রাপ্ত, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের আওতাভুক্ত স্কুলগুলির বাচ্চাদের স্বাভাবিকভাবেই রান্না করা মিড ডে মিল দেওয়া হয়নি - বদলে বন্টিত হয়েছে শুকনো খাদ্যসামগ্রী।
লক্ষ করা গেছে যে, অতিমারির সময়ে কুকড মিড ডে মিল প্রোগ্র্যামে রান্না না হওয়ার কারণে টানা ২৩ মাসে অব্যবহৃত জ্বালানিসহ আনুষঙ্গিক ক্ষেত্রে কোনোরকম ব্যয় না হওয়া সত্ত্বেও সেই বরাদ্দ বন্টিত শুকনো খাদ্যসামগ্রীতে তো যুক্ত করা হয়ইনি, উপরন্তু, এই যে শুকনো খাদ্য বন্টিত হয়েছে তা বাচ্চা পিছু বরাদ্দের চেয়েও ব্যাপক কম।
এ কথা অজানা নয় যে, সরকারি, সরকার পোষিত, অনুদানপ্রাপ্ত স্কুলগুলিতে অনিবার্যভাবে এ রাজ্যের সবচেয়ে বঞ্চিত, প্রান্তিক পরিবারগুলির শিশুরা লেখাপড়া করে। অস্বাস্থ্যকর, দুর্দশাগ্রস্ত বাসস্থানে কোনোক্রমে দিন কাটানো এই বাচ্চাদের পক্ষে দিনের পর দিন স্কুল বন্ধ থাকা এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ দুপুরের খাবারের থেকে বঞ্চিত হতে থাকা স্পষ্টতই শারীরিক, ও মানসিক অত্যাচারে পরিণত হয়েছে।
বাচ্চার মৌলিক প্রয়োজনকে মেটানোর ও মৌলিক অধিকারকে সুনিশ্চিত করার প্রশ্নে 'কুকড মিড ডে মিল প্রোগ্র্যাম'-এর মতো কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের যৌথ কর্মসূচিতে এমন ভয়ানক প্রবঞ্চনা চলছে দুই বছরের বেশি সময় ধরে।
বাচ্চার খিদেকে উপেক্ষা করা , বাচ্চার মৌলিক অধিকারকে লঙ্ঘন করা সরকারি নীতির আমরা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এ রাজ্যের মানুষ হিসেবে আমরা কেন্দ্র ও রাজ্য দুই সরকারের কাছে সত্বর প্রায় গত দুবছরের বকেয়া বরাদ্দের সমপরিমাণ খাবার প্রতিটি বঞ্চিত বাচ্চাকে ফিরত দেওয়ার ও একইসঙ্গে বাচ্চা পিছু মিড ডে মিলের বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি করছি।

স্বাক্ষরকারীঃ পবিত্র সরকার, শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়, হান্নান মোল্লা, মালিনী ভট্টাচার্য, কমলেশ্বর মুখার্জি, বাদশা মৈত্র, দেবদূত ঘোষ, রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়, অসিত বসু, ভদ্রা বসু, সীমা মুখোপাধ্যায়, রজত বন্দ্যোপাধ্যায়, বিমল চক্রবর্তী, দেবেশ চট্টোপাধ্যায়, হিরণ্ময় ঘোষাল, অর্ক মুখার্জি, তৌসিফ হক, তূর্ণা দাশ, ঋতু সেন চৌধুরী, সার্থক রায় চৌধুরী, অঞ্জন বেরা, শুভময় ঘোষাল, শিবাদিত্য দাশগুপ্ত, সুমিত বন্দ্যোপাধ্যায়, আশিস কুমার খাঁ, শ্রেয়সী ভাদুড়ী, নুপুর বসু, নুপুর দাসগুপ্ত, প্রতীক, সঙ্ঘমিত্রা হালদার, অনিমিখ পাত্র, দেবাদৃতা বসু, লতিকা রহমান, অনসূয়া গোস্বামী, এঞ্জেলা মন্ডল, শৌনক কুণ্ডু, সৌমেন পাল, জয়ন্ত মুখার্জি, তাপস কুমার রায়, শ্যামল ভট্টাচার্য, মলয় সাহা চৌধুরী, নন্দিনী সাহা, ব্রতীন্দ্র ভট্টাচার্য, তিতি রায়, শুভদেব রায়, সোহম দাস, পীযূষ ব্যানার্জী, সুশান্ত দাস, কবীর চট্টোপাধ্যায়, মণিষা আদক, সারণ দত্ত, সব্যসাচী চ্যাটার্জি, শামিম আহমেদ (উকিল), শ্রাবন্তী ভট্টাচার্য, উর্বা চৌধুরী, সংযুক্তা চৌধুরী, অগ্নিবেশ রায়, জ্যোতির্ময় কর্মকার, বর্ণব, সায়ন্তন মুখোপাধ্যায়, প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়, সাদিক হোসেন, অনির্বাণ বসু, ঋদ্ধি রিত, অনল পাল, শৌভিক ঘোষ, শঙ্কর মৈত্র, জয়রাজ ভট্টাচার্য।

11/05/2022

পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির কার্যকলাপ সম্পর্কে একটি প্রতিবাদপত্র :

আমরা নিম্নস্বাক্ষরকারীরা মনে করি পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি পশ্চিমবঙ্গের জনসাধারণের সম্পত্তি। জনসাধারণের কাছে সরকার দায়বদ্ধ আকাদেমির কার্যকলাপ পরিচালনার বিষয়ে। রবীন্দ্রজন্মোৎসবের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যে ‘নিরলস সাহিত্যসাধনা’র জন্য ‘বিশেষ ত্রিবার্ষিক পুরস্কার’ দেওয়া হল এবং যেভাবে দেওয়া হল আমরা মনে করি তাতে আকাদেমির মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে সাহিত্যের ঐতিহ্যকে চূড়ান্ত অসম্মান করা হয়েছে এবং সরকারি ক্ষমতার গুরুতর অপব্যবহার করা হয়েছে। আমরা এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করি এবং কোন্‌ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, কাদের মতামতের ভিত্তিতে আকাদেমি এই পুরস্কারদানের সিদ্ধান্তে এলেন তা নিয়ে প্রকাশ্য বিবৃতি দাবি করি।

স্বাক্ষরকারীঃ পবিত্র সরকার, শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়, পল্লব সেনগুপ্ত, শুভংকর চক্রবর্তী, রত্নাবলী চট্টোপাধ্যায়, মালিনী ভট্টাচার্য, তীর্থংকর চট্টোপাধ্যায়, মিহির ভট্টাচার্য, হিরণ মিত্র, বাদশা মৈত্র, অনুনয় চট্টোপাধ্যায়, চিত্ত ঘোষাল, অসিত বসু, রজত বন্দ্যোপাধ্যায়, সীমা মুখোপাধ্যায়, মনীষা আদক, অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়, হিরণ্ময় ঘোষাল, আজিজুল হক, রতন খাসনবিশ, সুদেষ্ণা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিমল চক্রবর্তী, দেবেশ চট্টোপাধ্যায়, কঙ্কণ ভট্টাচার্য, দিব্যেন্দু চট্টোপাধ্যায়, মন্দিরা ভট্টাচার্য, শুভপ্রসাদ নন্দীমজুমদার, কুমার রাণা, কুন্তল মুখোপাধ্যায়, জিয়াদ আলী, ভগীরথ মিশ্র, ভানুদেব দত্ত, কুন্তল রুদ্র, বিষ্ণুপ্রিয়া দত্ত, শুভেন্দু সরকার, সুস্নাত দাশ, কিন্নর রায়, প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়, স্বাতী চক্রবর্তী, কবিতা চৌধুরী, উর্বা চৌধুরী, মন্দাক্রান্তা সেন,অনির্বাণ বসু, সাদিক হোসেন, রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়, শঙ্খদীপ ভট্টাচার্য, প্রতীক, শুভময় ঘোষাল, শিবাদিত্য দাশগুপ্ত, সারণ দত্ত, অনিমিখ পাত্র, সঙ্ঘমিত্রা হালদার, দেবাদৃতা বসু, শ্রাবন্তী ভট্টাচার্য, মৃণ্ময় প্রামাণিক, নবনীতা ভট্টাচার্য, কাকলি দাস,চন্দনা রায়চৌধুরী, সুপর্ণা চক্রবর্তী, সুচেতনা মুখোপাধ্যায়, তৈষী রায়, অঞ্জন বসু, সৌমিক মুখার্জি, অঙ্কিতা মুখার্জি, শ্রীরাধিকা মজুমদার, ঋদ্ধি রিত, শঙ্কর মৈত্র, টিংকু খান্না, সব্যসাচী রায়, তনুকা রায়, অরুণকুমার রায়, মিতা বসু, পলি অধিকারী, তিতি রায়,সাগরিকা দত্ত, নন্দিনী সঞ্চারী, প্রতুল সেনগুপ্ত, তিমিরবরণ অধিকারী, অমিত কুণ্ডু, আবির নিয়োগী, আশিস কুমার খাঁ, ল্যাডলি মুখোপাধ্যায়, জয়রাজ ভট্টাচার্য।

Address

9, Sharat Chatterjee Lane, Bajeshibpur
Howrah

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when People's Forum Against Politics of Hatred posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to People's Forum Against Politics of Hatred:

Share