স্বপ্নদরিয়া - SwapnaDaria

স্বপ্নদরিয়া - SwapnaDaria শিল্প | বাঙালিয়ানা 🎨✒️ 📷
স্বপ্নদরিয়া : ইচ্ছে দিয়ে স্বপ্ন বুনি

পুরো বাড়িতে হুলুস্থুল কাণ্ড। কারণ আজ গণেশ যাবে মামাবাড়ি। বছরে সবার আগে ওরই ডাক পড়ে। গণেশ চতুর্থী।কৈলাসের উঠোনে দুটি ব...
10/09/2026

পুরো বাড়িতে হুলুস্থুল কাণ্ড। কারণ আজ গণেশ যাবে মামাবাড়ি। বছরে সবার আগে ওরই ডাক পড়ে। গণেশ চতুর্থী।
কৈলাসের উঠোনে দুটি বিশাল ট্রাঙ্ক পড়ে আছে।
মা দুর্গা: গণু, শোন! একটি ব্যাগে তোর লাল ধুতি ৩টে, হলুদ ধুতি ২টো, আর পছন্দের লাল টোপর।
গণেশ: আর অন্য ব্যাগে?
মা দুর্গা: অন্য ব্যাগে খাবার! ৫ কেজি লাড্ডু, ২ কেজি মোদক, আর তোর ইঁদুরের জন্য ১ কেজি ছোলা।
ইঁদুর:আর আমার?
মা দুর্গা : বললাম যে ১ কেজি ছোলা।
লক্ষ্মী:দাদা, তুই মর্ত্যে গিয়ে আবার সব খেয়ে নিস না। গতবার কি হয়েছিলো মনে আছে? পুনেতে একটা প্যান্ডেলে তোর জন্য মোদক কম পড়ে গেছিলো, লোকজন ভেবেছিলো প্রসাদ চুরি হয়েছে!
গণেশ: আরে ওটা তো লীলা! ভক্তরা যত বেশি খাওয়াবে, তত বেশি আশীর্বাদ পাবে। এটা তো তুই শিখিয়েছিস লক্ষ্মী, যে দিলে বাড়ে।
সরস্বতী: গণেশ, তোর বই, খাতা, আর বুদ্ধির ঝোলাটা নিলি? মর্ত্যে গিয়ে বাচ্চারা যদি জিজ্ঞেস করে - "গণেশ ঠাকুর, অঙ্ক পারি না, কি করবো?" তখন কি বলবি?
গণেশ:বলবো - সরস্বতী দিদিকে ডাক। আমি শুধু সিদ্ধি দিই, বিদ্যা তো তুমি দাও।
সরস্বতী:হয়েছে, আর মাখন লাগাতে হবে না। আর শোন, ওখানে গিয়ে কারো খাতায় হাত দিবি না।
কার্তিক: কি রে গণু, এখনো বেরোসনি? তোর ট্র্যাফিক জ্যাম লেগে যাবে তো। মর্ত্যে আজ সব রাস্তা বন্ধ, সবাই তোকেই আনতে যাচ্ছে।
গণেশ:দাদা, তুমি তো পরে যাবে, তোমার কি? তুমি তো যুদ্ধে যাবে।
কার্তিক: আমি যুদ্ধে যাবো, আর তুই লাড্ডুর যুদ্ধে। দেখি কে জেতে। আর শোন, ওখানে গিয়ে আমার নামে একটু প্রচার করে দিস। বলিস - কার্তিক দা খুব মিস করছে।
গণেশ: তুমি চিন্তা করো না। আমি গিয়ে সব সেট করে রাখবো।

ঠিক তখন শিবের ধ্যান ভাঙলো।
শিব: ওম... কি হচ্ছে? সকাল সকাল এতো আওয়াজ কিসের? আমি একটু ধ্যান করছিলাম তো! সেদিকে কারোর ভ্রুক্ষেপ নেই দেখছি !!
মা দুর্গা: তোমার ছেলে মামাবাড়ি যাচ্ছে, আর তুমি ধ্যান করছো? ওকে একটু আশীর্বাদও করবে না?
শিব: গণু, এদিকে আয়। [গণেশের মাথায় হাত রেখে] শোন, মামাবাড়ি যাচ্ছিস, মন দিয়ে থাকবি। সবার বিঘ্ন হরণ করবি। আর ফেরার সময় রাস্তাটা একটু পরিষ্কার করে আসবি, তোর মা আসবে কদিন পর, সাথে তোর দুই দিদি আর দাদা। বুঝলি?
গণেশ:বুঝেছি বাবা। আমি গিয়ে সব বিঘ্ন সরিয়ে দেবো, যাতে মায়ের আসতে কোনো অসুবিধা না হয়।
মা দুর্গা : আমার গণুটা কত বড় হয়ে গেলো। সাবধানে যাস বাবা। মামাবাড়িতে গিয়ে বেশি দুষ্টুমি করবি না। আর বেশি লাড্ডু খেয়ে পেট ব্যথা করবি না।
গণেশ:তুমি কেঁদো না মা। আমি তো যাচ্ছি, আবার তোমার সাথেই ফিরে আসবো।
লক্ষ্মী আর সরস্বতী একসঙ্গে বলে উঠলো, এই গণেশ, আমাদের জন্য জায়গা রাখবি! আমরা আসছি কিন্তু!
লক্ষ্মী: আমার জন্য পদ্মফুল রাখবি।
সরস্বতী:আর আমার জন্য একটা সাদা খাতা।
গণেশ: চল রে ইঁদুর! মামাবাড়ি!
ইঁদুর :প্রভু, ব্যাগটা আমার থেকে বড়!
গণেশ:আরে চল, ওখানে গেলে অনেক খেতে পাবি।
মা দুর্গা পেছন থেকে চিৎকার করে বললো," বাবা, পৌঁছে একটা খবর দিস!"
গণেশ যেতে যেতে বললো: মা, কৈলাসে তো টাওয়ার নেই! আমি পৌঁছে শঙ্খ বাজিয়ে দেবো, ঢাকের আওয়াজ জোরে করে দেবো, তখন বুঝবে তোমার গণু পৌঁছে গেছে!
আর নিচে মর্ত্যে তখন হাজার হাজার মানুষ হাত বাড়িয়ে আছে..
"গণপতি বাপ্পা মোরিয়া! মঙ্গল মূর্তি মোরিয়া!"

কারণ কৈলাসের সবচেয়ে আদরের ছেলেটা আজ তার মামাবাড়ি আসছে।

গল্পের নাম- গণেশের মামাবাড়ি যাত্রা
কলমে ~ #বনিশা


#গল্পপ্রেমী

– "চলে যাচ্ছিস?"– " হ্যাঁ, পারলে আমায় ভুলে যাস, আমারি ভুল তোকে এতটা আসতে দেওয়ার, আসলে আমি তোকে কোনোদিন ভালোবাসিনি"–" এ...
10/09/2026

– "চলে যাচ্ছিস?"
– " হ্যাঁ, পারলে আমায় ভুলে যাস, আমারি ভুল তোকে এতটা আসতে দেওয়ার, আসলে আমি তোকে কোনোদিন ভালোবাসিনি"
–" একসাথে থাকার, বাঁচার স্বপ্ন, এত প্রতিশ্রুতি এসব কি তবে?"
– " সব মিথ্যে"।

কলমে ~ #শ্রেয়াস

মনখারাপের নরম বিকেল,শান্তির খোঁজে মন।❤🌼🤍অঙ্কনে-  #আর্য্যা
10/09/2026

মনখারাপের নরম বিকেল,
শান্তির খোঁজে মন।❤🌼🤍

অঙ্কনে- #আর্য্যা

" আক্ষেপ " অভিমানী মেয়েটা যখন ভেজা চোখে বিদায় নিচ্ছিল, মিথ্যে আত্মসম্মান আর জেদের বশে সেদিন তার হাতটা আঁকড়ে ধরেনি রূপ...
09/09/2026

" আক্ষেপ "

অভিমানী মেয়েটা যখন ভেজা চোখে বিদায় নিচ্ছিল, মিথ্যে আত্মসম্মান আর জেদের বশে সেদিন তার হাতটা আঁকড়ে ধরেনি রূপম। ভেবেছিল, চলে যাওয়া মানুষকে যেতে দেওয়াই শ্রেয়। আজ লাল বেনারসিতে তাকে অন্য কারো কনে হতে দেখে এক বুক আক্ষেপ নিয়ে ভিড়ের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকে সে; চোখের কোণে জল আর গুমরে ওঠা একটাই দীর্ঘশ্বাস—“সেদিন যদি ওকে আর একটু আটকে রাখতে পারতাম, তবে ...”

কলমে - #কৌস্তভ


゚viralシ

-- ও মা .. বাবা কে ডাকি? মহাভারত শুরু হয়ে যাবে যে!-- আসছি আসছি... পকোড়ার বাটিটা নিয়ে যা দেখি । আমি চা ছেঁকে নিয়ে যাচ...
09/09/2026

-- ও মা .. বাবা কে ডাকি? মহাভারত শুরু হয়ে যাবে যে!
-- আসছি আসছি... পকোড়ার বাটিটা নিয়ে যা দেখি । আমি চা ছেঁকে নিয়ে যাচ্ছি।
-- আরে বাস! আমিও একটু চা খাবো আর দশটা পকোড়া খাবো কিন্তু !
-- সে হবে ক্ষণ। আগে বাবাকে ডেকে নিয়ে আয় দেখি ।
-- এক্ষুনি যাচ্ছি মা
" এখন বাজে চারটে,
বিল্টু যাচ্ছে ডাকতে,
যুদ্ধ হবে মহাভারতে,
সবাই ভয়ে কাঁপবে।"

শক্তিমানের স্টাইলে বিল্টু টিভি আর ফ্যানের সুইচ একসাথে অন করে দেয়। টিভির সামনে মাদুর পেতে মা বাবা আর সে বসে পড়ে মহাভারত দেখতে। মহাভারতের টাইটেল সং শুরু হতেই তার উত্তেজনার চোটে হাতের লোম প্রায় সোজা হয়ে যায়। এদিকে বিল্টুর বাবাও লুঙ্গিটা একটু গুটিয়ে নিয়ে চায়ে চুমুক দিয়ে সুরুৎ করে একটা স্বস্তির আওয়াজ করতেই টিভির পর্দাটা আচমকা ঝিরঝির করে কেঁপে ওঠে তার অসুস্থতার কথা জানান দেয়। বিল্টুর মা এমন অনাকাঙ্খিত কাণ্ড দেখে বিরক্তিতে ভুরু কুঁচকিয়ে জানালার বাইরে তাকায়।
-- এ হে... আকাশটা মেঘলা করেছে । এইজন্যই এমন করছে গো !
-- যা তো রে বিল্টু অ‍্যান্টেনাটা একটু এদিক ওদিক ঘুরিয়ে দিয়ে আসবি। আমি দরজার কাছে দাঁড়িয়ে বলে দেবো ঠিক হয়েছে কিনা।
-- এক্ষুনি যাচ্ছে বিল্টু.." দ‍্য গ্রেট অ‍্যান্টেনা ইঞ্জিনিয়ার!"
একথা বলেই ফুসফুস ভর্তি করে একটা লম্বা প্রশ্বাস টেনে নিয়ে, হাড় জিরজিরে বুকটা ফুলিয়ে সদর্পে ছাদের ওপরে উঠে আসে বিল্টু।
-- হয়েছে বাবা? বিল্টুর মাথা থেকে যে নোনতা জল ঠপ্ ঠপ্ গড়িয়ে পড়ছে!
লুঙ্গির গিঁটটা আর একবার ভালো করে বেঁধে নিয়ে দরজার কাছে এসে বিল্টুর বাবা চিৎকার করে বলে ওঠে,
-- ওরে টিভির মধ‍্যে ঝিঁ ঝিঁ পোকার কীর্তন তো বেড়েই চলেছে। শুধু মাঝে মাঝে ভূতের মতো কিছু ছায়া ভেসে বেড়াচ্ছে, এই যা।
- ধুর! ভাল্লাগেনা ছাই... যুদ্ধ দেখা আজ বুঝি ভাগ‍্যে নাই!
বিল্টু কিংকর্তব‍্যবিমূঢ় হয়ে মাথাটা খানিক চুলকে নিয়ে অ‍্যান্টেনা ধরে নব্বই ডিগ্রি ঘুরিয়ে এক টান দিতেই বয়সের ভারে ছিঁড়ে আসা তারের স্বর্গপ্রাপ্তি ঘটে। বাবার মারের ভয়ের চোটে বিল্টুর মুখ লাল হয়ে যায়। ঘন ঘন শ্বাস পড়ে। বুদ্ধি করে আগাম বিপদের আশঙ্কায়, পকেটের ভেতরে আনা সেলোটেপটা নিয়ে ছড়িয়ে দেয় ছেঁড়া তারটায় প্রাণপ্রতিষ্ঠার আশায়। ছাদের কোনে পড়ে থাকা একটা থামস আপের ক‍্যান অ‍্যালুমিনিয়ামের ডান্ডার ওপর দিয়ে অ‍্যান্টেনা ধরে দাঁড়িয়ে থাকে সে। বিল্টু শুনেছে যে, ক‍্যান ঝোলালে নাকি সিগন্যাল টানে তাড়াতাড়ি ।
-- ওরে বিল্টু, এবার ভালো ছবি এসেছে রে। তুই ধরে দাঁড়িয়ে থাক দেখি একটু।
-- বিল্টু বাবার বাধ‍্য ছেলে হয়ে অ‍্যান্টেনা ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে,নীল আকাশের মধ‍্যে দিয়ে জিরের দানার মতো একটা কাকের উড়ে যাওয়া দেখতে থাকে আর বিড়বিড় করে বলতে থাকে,
"আকাশে উড়ছে কালো সাদা কাক,
ছাদে দাঁড়িয়ে একা বিল্টু ইঞ্জিনিয়ার,
শেষ হলো আজকের অ‍্যান্টেনা অ‍্যাডভেঞ্চার!"


গল্পের নাম - অ‍্যান্টেনা বিভ্রাট
কলমে - #ঋতু


#গল্পপ্রেমী

— আকাশে তো কত কিছুই থাকে, তবুও…চোখ শুধু ওই তারাদের দিকেই যায় কেন?— কারণ ওরা নিজেদের উপস্থিতি জানান দিতে কখনো শব্দ করে না...
09/09/2026

— আকাশে তো কত কিছুই থাকে, তবুও…
চোখ শুধু ওই তারাদের দিকেই যায় কেন?
— কারণ ওরা নিজেদের উপস্থিতি জানান দিতে কখনো শব্দ করে না।
— শুধু নীরব বলেই এত টান?
— তা নয়...গভীর রাতে যখন চারপাশ ফাঁকা হয়ে যায়, তখন ওই ছোট ছোট তারাগুলোই যেন খুব সহজভাবে ভরসা দেয়।
— কীসের ভরসা?
— অন্ধকার যতই বড় হোক না কেন, মন ভালো রাখার জন্য খুব সামান্য একটা আলোই যথেষ্ট।

কলমে- কৌস্তভ

#সাহিত্যপ্রেমী #গল্পপ্রেমী

হারিয়ে ফেলার আগেও যে সামান্য কদর করতে পারেনা,হারানোর পরে সে-ই বোঝে আক্ষেপ ঠিক কতোটা হয়!কলমে:  #নয়নতারা
09/09/2026

হারিয়ে ফেলার আগেও যে সামান্য কদর করতে পারেনা,
হারানোর পরে সে-ই বোঝে আক্ষেপ ঠিক কতোটা হয়!

কলমে: #নয়নতারা

কণ্ঠে যার হাজার রঙ, সুরে যার অফুরন্ত মায়া-তিনি শুধু একজন শিল্পী নন, তিনি এক অনন্ত সুরের নাম।আশা ভোঁসলে-যাঁর গান সময় পেরি...
08/09/2026

কণ্ঠে যার হাজার রঙ, সুরে যার অফুরন্ত মায়া-তিনি শুধু একজন শিল্পী নন, তিনি এক অনন্ত সুরের নাম।

আশা ভোঁসলে-যাঁর গান সময় পেরিয়েও থেকে যায় হৃদয়ের খুব কাছে।

Artwork by - #মৌ







[Asha Bhosle, Asha Ji, digital art, illustration, digital painting, trending, viral videos, instagram, followers, explore, new, hit song, potrait] less

11 hours ago

মা প্লিজ! দেখো আমি তো এমনি এমনি এতো তোমাদের থেকে দূরে যাচ্ছি না। আমি আমার স্বপ্ন পূরণ করতেই যাচ্ছি, শুধু আমার কেন তোমাদে...
08/09/2026

মা প্লিজ! দেখো আমি তো এমনি এমনি এতো তোমাদের থেকে দূরে যাচ্ছি না। আমি আমার স্বপ্ন পূরণ করতেই যাচ্ছি, শুধু আমার কেন তোমাদেরও স্বপ্ন পূরণ করতে যাচ্ছি। তাহলে —
: না আমি তোকে এতো দূরে যেতে দেবো। তুই এখানেই থেকেই স্বপ্ন পূরণ কর।
: কোথায় এতো দূরে মা! এইতো কলকাতা। প্লিজ মা! প্লিজ! বাবা প্লিজ মাকে বোঝাও না!
: না রে মা। আমিও তোর মায়ের সাথে একমত। তুই এখানে থেকেই তোর স্বপ্ন আমাদের স্বপ্ন পূরণ কর। দেখছিস তো আজকাল খবরে কতো কি ঘটছে।
: বাবা! উফঃ তোমরা এতো চিন্তা করছো কেন? আমার কিছু হবে না। আমি নিজেকে সবদিক থেকে দেখে রাখবো। প্লিজ তোমরা আর না করো না !
: ঠিক আছে। তবে একটা শর্ত।
: কি শর্ত।
: ওখানে সাবধানে থাকবি। আর বেশি রাত করে বাইরে থাকবি না। কারোর সাথে কোনোরকম ঝামেলা করবি না। নিজের মতো নিজে থাকবি। আর আমাদের কাছে সবরকম কথা শেয়ার করবি ।কোনোরকম কথা গোপন করবি না। এগুলো কথা দে আগে তারপর যাবি।
: বেশ! কথা দিলাম। তোমাদের সব কথা শুনবো। এবার যাই। সবকিছু গুছিয়ে নিতে হবে। আর তুমি কিন্তু তাড়াতাড়ি ট্রেনের টিকিট কেটে ফেলো।
: হুম যাচ্ছি।

: মা বাবা আসছি। তোমরা কিন্তু সাবধানে থেকো। কোনো অসুবিধা হলে আমাকে ফোন করো কিন্তু।
: তুই সাবধানে থাকিস তাহলেই হবে। একা একটা মেয়ে এতো দূরে থাকবে। বাবা মায়ের মন মানে না। তুই যে কবে বুঝবি। কে জানে?
: তুমি আবার শুরু করলে? বললাম তো সাবধানে থাকবো।
: তুই কি বুঝবি রে মায়ের কতো জ্বালা। যেদিন মা হবি সেদিন বুঝবি। আচ্ছা সাবধানে যা । আর পৌঁছে ফোন করে দিস।
: হ্যাঁ ।

কে জানতো এটাই তাদের মেয়ের সাথে শেষ দেখা।
: হ্যালো।
: বল। ঠিক করে পৌঁছে গেছিস?
: হ্যাঁ। এই তো ঘরে আসলাম। এখন ফ্রেশ হয়ে ঘুমাবো। কাল থেকে আবার কলেজ।
: আচ্ছা ঘুমা। কাল সকালে ফোন করিস।
: হ্যাঁ। শুভ রাত্রি।

: কি রে। ফোন কাছে রেখেছিস কেন?
: সরি! পরপর সব ক্লাস ছিল। ওই জন্য ফোন করতে পারিনি। আর সকালে ঘুম থেকে উঠতেও দেরি হয়ে গিয়েছিল। তাই,
: তাই আর ফোন করতে পারিসনি তাই তো?
: হ্যাঁ।
: আচ্ছা এখন বিশ্রাম নে। অনেক রাত হয়েছে। কাল আবার কলেজ যাওয়া আছে তো?
: হ্যাঁ।

: কি রে! ওখানে সব ঠিকঠাক চলছে তো?
: হ্যাঁ বাবা। সব ঠিকঠাক আছে।
: বেশ! কতোদিন হয়ে গেল রে মা তোকে দেখি না। কবে আসবি?
: বাবা এই তো একমাস হলো সবে।
: ওটাই আমাদের কাছে এক বছরের সমান। বললি না তো কবে আসবি?
: খুব তাড়াতাড়ি যাবো। সামনে পরীক্ষা আছে। পরীক্ষার আগেই ঘুরে আসবো। আচ্ছা ঠিক আছে। এখন ঘুমিয়ে পড়।
: হ্যাঁ বাবা রাখছি। কালকে অনেক চাপ আছে। আমি সময়মতো ফোন করে নেবো। রাখছি।

কে জানতো এটাই তাদের মেয়ের সাথে শেষ কথা।

:কি গো! ফোনে পেলে তুতুনকে? সেই সকাল থেকে ফোন করে যাচ্ছি, একবারও ফোন ধরেনি। আচ্ছা মানছি ব্যস্ত আছে। তাই বলে ফোন ধরতে পারবে না । আর না হয় একটা মেসেজ দিতো। কি যে করে না মেয়েটা! এই মেয়েকে নিয়ে চিন্তা করতে করতে মরবো আমি।
: দাঁড়াও! আর একবার ফোন করে দেখি। এইতো রিং হচ্ছে ।
হ্যালো তুতুন? তুতুন মা কথা বল। দেখ সেই সকাল থেকে ফোন করে যাচ্ছি একবারও ফোন জরিপ না। বাবা মায়ের তো চিন্তা হয় বল।
হ্যালো। কথা বলছিস না কেন মা?
আপনি কে বলছেন?
আপনি কে? আমার মেয়ের ফোন আপনার কাছে কেন?
: আমি তুতুনের বন্ধু ঐশী। আপনি কি তুতুনের বাবা বলছেন?
হ্যাঁ। কিন্তু তুতুন কোথায়? ওকে ফোনটা দাও। আমি ওর সাথে কথা বলবো।
: তুতুন আর নেই! তুতুনকে কেউ মেরে ফেলেছে।
না! এটা হতে পারে না! ওর সাথে কাল রাতেই কথা হয়েছে। ও তো বললো সব ঠিক আছে তাহলে?
: এটাই সত্যি! ও আর আমাদের মধ্যে নেই। কেউ বাজে ভাবে ওকে মেরে ফেলেছে।
: না!! ও নিজের স্বপ্ন আমাদের স্বপ্ন পূরণ করতে গিয়ে এভাবে না! না!

এভাবে কতো স্বপ্ন অকালে চলে যায়।


কলমে - #বনি


゚viralシ

— আমার ট্রেন কাল সকালে।— যেতেই হবে?— তুমি কখনো বলোনি "যাও, আমি আছি"। সবসময় বলেছো "গেলে আমাদের কি হবে?"— কারণ আমি ভয় পা...
08/09/2026

— আমার ট্রেন কাল সকালে।
— যেতেই হবে?
— তুমি কখনো বলোনি "যাও, আমি আছি"। সবসময় বলেছো "গেলে আমাদের কি হবে?"
— কারণ আমি ভয় পাই তুমি বদলে যাবে।
— আমি বদলাইনি, তুমি আমাকে বদলাতে দাওনি। শুধু আমার স্বপ্নটা তোমার কাছে বোঝা মনে হয়েছে।
— তাহলে এখন কি?
— এখন আমি যাচ্ছি। শুধু তুমি পাশে নেই, কিন্তু আমার স্বপ্ন ,সে আছে আমার পাশে। আর যে মানুষটা আমার স্বপ্নের পাশে দাঁড়াতে পারে না, সে আমার পাশেও থাকতে পারে না।
— মানে শেষ!?
— শুরু ! আমার নিজের জীবনের নতুন অধ্যায়।

কলমে ~ #বনিশা


゚viralシ

Address

Haldia
721602

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when স্বপ্নদরিয়া - SwapnaDaria posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share