DK'S PAGE

DK'S PAGE for entertainment videos and motivational story

17/11/2025
10/11/2025

কে হবেন বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার?

বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হলেন এলন মাস্ক। তার মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৩৫ হাজার কোটি ডলার। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস, যার সম্পদ প্রায় ১৯ হাজার কোটি ডলার। গত বছর এলন মাস্কের সম্পদ এক সময় ৪০ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়েছিল। কিন্তু রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়া এবং একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে তার কোম্পানি টেসলার শেয়ারে ধস নামে, ফলে কমে যায় তার সম্পদের পরিমাণ।

অনেকেই মনে করেন, এলন মাস্কই হতে যাচ্ছেন পৃথিবীর প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার—অর্থাৎ ১ লাখ কোটি ডলারের মালিক। কিন্তু মজার বিষয় হলো, পৃথিবীর প্রথম ট্রিলিয়ন ডলারের মালিক হয়তো হবেন না এলন মাস্ক কিংবা জেফ বেজোস! বরং হবেন এমন একজন মানুষ, যার নাম অনেকেই শোনেননি।

তার নাম সাতোশি নাকামোতো। তিনি বিটকয়েনের স্রষ্টা। সাতোশি নিজের জন্য ১ মিলিয়ন বিটকয়েন সংরক্ষণ করে রেখেছেন একটি ওয়ালেটে—যা একেবারেই প্রকাশ্য, যে কেউ দেখতে পারে। তবে সেটি স্পর্শ করতে পারে না কেউই।

বর্তমানে একটি বিটকয়েনের দাম পৌঁছেছে ১ লক্ষ ১৮ হাজার মার্কিন ডলার-এ। ক্রিপ্টোবিশ্বের বিশ্লেষকদের মতে, যেভাবে এই দাম বেড়েই চলেছে, শিগগিরই বিটকয়েনের মূল্য ১ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। সেদিনই সাতোশি নাকামোতোর সম্পদের পরিমাণ দাঁড়াবে ১ ট্রিলিয়ন ডলার—সম্পূর্ণ লিকুইড এবং কোনো শেয়ারের কল্পিত মূল্য নয়, বরং বাস্তব ডিজিটাল সম্পদ।

সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিকটি হলো—এই সাতোশি নাকামোতো কে, তা আজও কেউ জানে না। তিনি কি একক ব্যক্তি, নাকি একটি দল—সেই প্রশ্নের উত্তর আজও অজানা। সম্ভবত, তিনি যখন ট্রিলিয়ন ডলারের মালিক হবেন, তখনই প্রকাশ্যে আসবেন। তবে বর্তমান মূল্য অনুযায়ী, তিনি ইতিমধ্যেই বিশ্বের ১২তম সর্বোচ্চ ধনী ব্যক্তি।

সুতরাং, হয়তো ইতিহাসে প্রথম ট্রিলিয়ন ডলার আয়কারী ব্যক্তি হবেন না কোনো মাল্টি ট্রিলিয়ন ডলার কোম্পানির সিইও, বরং হবেন এক রহস্যময় নাম—সাতোশি নাকামোতো। নামটা কিন্তু মনে রাখবেন!

Proud of you dear sister.
09/11/2025

Proud of you dear sister.

রাতের ভয়াল অন্ধকার দূর করতে যেমন আকাশের অমৃতকুম্ভ থেকে হিরণ্ময় আলো ঠিকরে নেমে আসে পৃথিবীর বুকে, ঠিক যেমন ঝড়ের পরে নিস...
31/10/2025

রাতের ভয়াল অন্ধকার দূর করতে যেমন আকাশের অমৃতকুম্ভ থেকে হিরণ্ময় আলো ঠিকরে নেমে আসে পৃথিবীর বুকে, ঠিক যেমন ঝড়ের পরে নিস্তব্ধতা আসে, আর কান্নার পর চোখ বুজে আসে প্রশান্তিতে—তেমনই আজ মহিলা ক্রিকেট বিশ্বকাপের ময়দানে অবতীর্ণ হলেন তিনি ভারতীয় জার্সি গায়ে। সেঞ্চুরি করলেন।তবে সেলিব্রেট করলেন না।কেবল ব্যাটটা হাতে ধরে উবু হয়ে বসলেন। হেলমেট থেকে ঘাম ঝরছে অনবরত। গ্যালারির আলো তখন নিঃশব্দে কেঁপে উঠছে, ড্রেসিংরুমে শ্বাসরুদ্ধ নীরবতা। কমেন্ট্রেটর বললেন—“জেমিমা জানেন, খেলা এখনও শেষ হয়নি।”সেলিব্রেশনটা বাঁচিয়ে রাখলেন তিনি। মাঠের ভেতরে তাঁর শরীর ক্লান্ত, চোখে কঠোর শপথ—ফিনিশিং লাইনটা না ছোঁয়া অবধি লড়াই শেষ হয় না।তাই এখন কোন উদযাপন নয়।

এ যেন একশো বিয়াল্লিশ কোটি আত্মসম্মানের গল্প।এক অপরাজিত মেয়ে, এক ক্রিকেট ইতিহাসের দিগন্ত-ছোঁয়া সাহসের কাহিনি।ভারত মহিলা দল অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে প্রবেশ করেছে।অস্ট্রেলিয়ার মেয়েরা তুলেছিল ৩৩৮ রান (৪৯.৫)। ভারতের অগ্নিকন্যারা তা অর্জন করলো মাত্র ৪৮ ওভারেই ; ৩৪১/৫ (৪৮.৩)।

তৃতীয় উইকেটে নামার পর থেকেই খেলার গতি যেন বদলে গেল। চাপ, প্রত্যাশা, প্রতিপক্ষ—সবকিছুকে পাশে সরিয়ে রেখে তিনি গড়ে তুললেন এক অনবদ্য সিম্ফনি।১৩৪ বল খেলে অপরাজিত ১২৭ রান—এর মধ্যে ১১টি চারের ঝলক, ২টি ছক্কার উচ্চারণ।স্ট্রাইক রেট প্রায় ৯৪.৭৮।শতক এল ইনিংসের ৪২তম ওভারে, যখন ম্যাচের হিসেব তখনও অগোছালো।লং-অন দিয়ে এক রান নিয়ে শতক পূর্ণ হতেই মাঠজুড়ে শোরগোল, অথচ তিনি নতজানু হয়ে বসে পড়লেন। হেলমেটের ভিতর দিয়ে ঘাম গড়িয়ে পড়ছে, মুখে নেই কোনো হাসি—শুধু এক অদৃশ্য দায়িত্বের ছায়া।

হারমানপ্রীত কৌরের সঙ্গে ১৬৭ রানের অংশীদারি ভারতের ইতিহাসে সোনালি অক্ষরে লেখা থাকবে।তাদের ব্যাটের সুরে একে একে ঝরে গেল অস্ট্রেলিয়ার আশা।আর ভারত গড়ে ফেলল এক অবিশ্বাস্য অধ্যায়—মহিলা ওয়ানডে বিশ্বকাপের ইতিহাসে নকআউট পর্বে সর্বোচ্চ রানের চেজ।

এই ইনিংস এক আদর্শের প্রতীক।যে দেশে আজও মেয়েদের নিরাপত্তা একটি বিতর্কের বিষয়, যে দেশে সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় প্রতিদিন কোনো না কোনো নির্যাতনের খবর ছাপা হয়—সেই দেশের এক মেয়ে মাঠে দাঁড়িয়ে প্রতিপক্ষের বোলিং আক্রমণ ভেঙে ঘোষণা করল, “আমিও পারি।”জেমিমা জানেন—এদেশে মেয়েদের বেঁচে থাকাটাই যেখানে প্রতিদিনের লড়াই, সেখানে ক্রিকেট খেলে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার দায় অনেক গভীর।তাঁর ইনিংস ছিল সেই দায়েরই প্রতিফলন—নিঃশব্দে, অবিচলিত, অনমনীয়।

যে মুহূর্তে শতক এল, তাতে হয়তো তিনি জানতেন—“খেলা এখনও বাকি।”তাই উদযাপন নয়, বরং আত্মসমর্পণ। নিজের প্রতিশ্রুতির প্রতি, নিজের দলের প্রতি, নিজের দেশের প্রতি।কারণ তিনি জানেন, ফিনিশিং লাইন না ছোঁয়া পর্যন্ত কোনো লড়াই শেষ হয় না।

কাল সকালেই দেশের প্রতিটি পত্রিকার প্রথম পাতায় থাকবে জেমিমার হাসিমুখ—হয়তো “ভারতের কন্যার ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি” শিরোনামে।আর ঠিক পাশের কলামে থাকবে আরেকটি খবর—কোথাও কোনো কিশোরীকে পুড়িয়ে মারা হয়েছে, কোথাও ধর্ষণের বিচার পায়নি কোন নারী।এই দেশই একদিকে জেমিমাদের সেঞ্চুরি উদযাপন করে, আর অন্যদিকে মেয়েদের লড়াইকে নিত্যদিনের পরিসংখ্যানে নামিয়ে আনে।অথচ এই দ্বন্দ্বের দেশেই এক মেয়ে আজ বিশ্বকে মনে করিয়ে দিল—সাহসই আসল প্রতিবাদ। ধৈর্য্যই প্রকৃত স্পর্ধা।

এই অভয়া–আসিফার দেশেই, যেখানে বিদেশি মহিলা ক্রিকেটারকে নিগ্রহ করা হলে ক্ষমতাসীন শাসক “বিচ্ছিন্ন ঘটনা” বলে এড়িয়ে যান—সেই দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের শ্রেষ্ঠতম ইনিংসটি আজ একজন মেয়েই খেলল। তার নাম—জেমিমা রড্রিগেজ।এই দেশের সব ব্যর্থতার মধ্যেও সে আজ আশার প্রতীক।ক্রিকেট মাঠের বাইরে, সমাজের প্রতিটি মেয়ে আজ একটু একটু করে বুক ফুলিয়ে বলতে পারে—“আমিও পারি।”এই ইনিংস কেবল বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নয়;এটি এক প্রজন্মের আত্মসম্মানের লড়াই,এক জাতির বিবেকের পুনর্জন্ম। এই আমার দেশের সর্বোচ্চ অহংকার।কুর্নিশ অপরাজেয় এই লড়াইকে ; Jemimah Rodrigues তোমাকে সেলাম :

Address

Habra, North 24 Pargana
Habra
743263

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DK'S PAGE posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share