Bindaas maza

Bindaas maza Suman Roy

একাধিক সংবাদমাধ্যম (যেমন Economic Times) জানিয়েছে, গুগল প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে বিশাখাপত্তনমে...
15/10/2025

একাধিক সংবাদমাধ্যম (যেমন Economic Times) জানিয়েছে, গুগল প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে বিশাখাপত্তনমে একটি ১ গিগাওয়াট ডেটা সেন্টার ক্লাস্টার তৈরির জন্য।

এই ক্লাস্টারটি তিনটি ক্যাম্পাস নিয়ে তৈরি হবে— আদাভিরাম, তারলুভাদা এবং রামবিল্লি অঞ্চলে।

প্রকল্পটি ২০২৮ সালের জুলাই নাগাদ চালু করার লক্ষ্য ধরা হয়েছে।

অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার ও গুগলের মধ্যে এ বিষয়ে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরের পরিকল্পনাও রয়েছে।

Business Standard–এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই প্রকল্পে প্রায় ১,৮৮,০০০টি সরাসরি ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান হতে পারে।

সাম্প্রতিক রিপোর্টে বিনিয়োগের পরিমাণ ১৫ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে বলেও বলা হয়েছে।

গুগল ও আদানি (AdaniConneX)–এর মধ্যে এই ডেটা সেন্টার তৈরি নিয়ে অংশীদারিত্বের কথাও উল্লেখ আছে।
......... বলছি আমাদের রাজ্য হলে ভালো হতো না।
দরকার নেই, আমাদেরতো অনেক কিছু আছে - ভাতা, কার্নিভাল, মেলা , উৎসব ।

১৯৬৫ সালে সিঙ্গাপুরকে মালয়েশিয়া থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল।কোনো সেনাবাহিনী ছিল না। কোনো প্রাকৃতিক সম্পদ ছিল না। এমনকি...
05/10/2025

১৯৬৫ সালে সিঙ্গাপুরকে মালয়েশিয়া থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল।
কোনো সেনাবাহিনী ছিল না। কোনো প্রাকৃতিক সম্পদ ছিল না। এমনকি বিশুদ্ধ জলও ছিল না।
মাত্র ২০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যপীড়িত বস্তিতে বাস করত।
তারপর এক ব্যক্তির কঠোর ও দূরদর্শী নেতৃত্ব সবকিছু পাল্টে দিল।

শহরটি ছিল অত্যন্ত ভিড়ভাট্টাযুক্ত ও নোংরা।
রাস্তার পাশে ছিল সারি সারি বস্তি।

কোনো কারখানা ছিল না, কোনো প্রকৃত শিল্পও নয়।
বেকারত্ব ও দারিদ্র্য ছেয়ে ছিল সর্বত্র।

তারপর এলেন লি কুয়ান ইউ।
তিনি ১৯৫৯ সালে প্রধানমন্ত্রী হন এবং ঘোষণা দেন:
“আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ যে সিঙ্গাপুর বাঁচবেই।”
আর তিনি এমন এক দেশ গড়লেন, যেখানে ব্যর্থতা বা দুর্নীতির কোনো স্থান ছিল না।

তার প্রথম লক্ষ্য ছিল — সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা তৈরি করা।
দুর্নীতি সম্পূর্ণভাবে দমন করা হয়।
মন্ত্রীদের ভালো বেতন দেওয়া হয় যাতে ঘুষ নেওয়ার প্রয়োজন না হয়।
তিনি এমন এক প্রশাসন গড়ে তোলেন যা কর্পোরেশনের মতো দক্ষভাবে পরিচালিত হতো।

ব্যবসা আকর্ষণ করার জন্য তিনি সমস্ত জটিলতা দূর করেন —
কম কর, শূন্য লাল ফিতা, নির্ভরযোগ্য পরিকাঠামো।
স্থিতিশীলতাই হয়ে ওঠে সিঙ্গাপুরের সবচেয়ে বড় সম্পদ।

এরপর তিনি শিক্ষা ব্যবস্থাকে ভেতর থেকে নতুনভাবে সাজান।
ইংরেজিকে করেন প্রধান ভাষা।
তিনি স্কুল, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলেন।
আজ সিঙ্গাপুর বিশ্বের অন্যতম শিক্ষিত দেশ হিসেবে পরিচিত।

অধিকাংশ নাগরিক তখন বস্তিতে থাকত, তাই লি গঠন করেন হাউজিং ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (HDB)।
তিনি বস্তিঘর ভেঙে তৈরি করেন সাশ্রয়ী ও আধুনিক পাবলিক হাউজিং।
১৯৮০-এর দশকে এসে ৮০% সিঙ্গাপুরবাসী পরিষ্কার ও নিরাপদ বাড়ির মালিক হয়।

সিঙ্গাপুরের নিজস্ব জলের উৎসও ছিল না।
লি জলাধার তৈরি করলেন, জল পুনর্ব্যবহারে বিনিয়োগ করলেন এবং দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষর করলেন।
তিনি সিঙ্গাপুরকে রূপান্তর করলেন এক বিশ্বমানের আর্থিক কেন্দ্রে —
দৃঢ় আইন, বুদ্ধিদীপ্ত নিয়ন্ত্রণ ও বিনিয়োগকারীদের আস্থার মাধ্যমে।

লি কঠোর শৃঙ্খলা ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দেশ শাসন করতেন।
তিনি কঠোর আইন প্রয়োগ করেন, সংবাদমাধ্যমে সেন্সর আরোপ করেন, ভিন্নমত সহ্য করতেন না।
সমালোচকরা একে স্বৈরাচার বলতেন — কিন্তু তার মতে, এটা ছিল টিকে থাকার প্রয়োজন।

১৯৯০ সালের মধ্যে সিঙ্গাপুরের মাথাপিছু জিডিপি $৫০০ থেকে বেড়ে $১৪,০০০-এ পৌঁছায়।
আজ তা $৮০,০০০-এরও বেশি — যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অনেক দেশের চেয়েও বেশি।
সিঙ্গাপুর আজ বিশ্বের অন্যতম ধনী, পরিষ্কার এবং নিরাপদ দেশ।

লি শুধু সিঙ্গাপুরকে নেতৃত্ব দেননি —
তিনি একটি দেশ সৃষ্টি করেছিলেন, একেবারে শূন্য থেকে।
না ছিল তেল, না ছিল জমি, না ছিল কোনো মিত্র দেশ —
ছিল শুধু মেধা, অধ্যবসায় আর এক অদম্য দৃষ্টিভঙ্গি।

তিনি ১৯৯০ সালে পদত্যাগ করেন, কিন্তু ২০১৫ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত জাতির পরামর্শদাতা হিসেবে থেকে যান।

মস্তিষ্ক, হৃদয়, জিভ, এবং হাত একযোগে ব্যবহার করার গুরুত্ব   মানব জীবনের সফলতা অর্জন কেবল জ্ঞান বা দক্ষতা অর্জন করেই সম্ভ...
16/09/2025

মস্তিষ্ক, হৃদয়, জিভ, এবং হাত একযোগে ব্যবহার করার গুরুত্ব

মানব জীবনের সফলতা অর্জন কেবল জ্ঞান বা দক্ষতা অর্জন করেই সম্ভব নয়। মস্তিষ্ক, হৃদয়, জিভ, এবং হাত—এই চারটি অঙ্গ একযোগে ব্যবহার করাটাই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। শুধুমাত্র চিন্তা করা বা পরিকল্পনা করাই যথেষ্ট নয়। পরিকল্পনা করার পরে সেটি অনুভব করতে হবে, সাহসের সঙ্গে বলতে হবে এবং অবশেষে কর্মের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে হবে। এই একসঙ্গে কাজ করার প্রক্রিয়াটি আমাদের জীবনকে সার্থক ও অর্থপূর্ণ করে তোলে।

প্রথমত, মস্তিষ্ক আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতা প্রদান করে। আমরা যেকোনো বিষয় নিয়ে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করি, তথ্য সংগ্রহ করি এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। কিন্তু শুধুমাত্র মস্তিষ্ক দিয়ে চিন্তা করলেই হবে না। সেই চিন্তাটি হৃদয়ে গেঁথে নিতে হবে। হৃদয় আমাদের অনুভূতির কেন্দ্র। এখানে থেকেই উদ্ভূত হয় সত্যিকারের সহানুভূতি, ন্যায়বোধ এবং দায়িত্ববোধ। যখন আমাদের চিন্তা হৃদয়ে বসবাস করে, তখন আমরা আরও মানবিকভাবে এবং আন্তরিকভাবে কাজ করতে পারি।

এরপর, সেই চিন্তা ও অনুভূতিকে সাহসের সঙ্গে জিভ দিয়ে প্রকাশ করতে হয়। অনেক সময় মানুষ নিজের সঠিক ধারণা বা ন্যায়সঙ্গত বক্তব্য প্রকাশ করতে দ্বিধা করে। তবে মস্তিষ্ক ও হৃদয়ে গাঁথা সত্য যখন জিভে প্রকাশ পায়, তখন সমাজে একটি ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি হয়। সাহসীভাবে কথা বলাটা শুধু ব্যক্তিগত নয়, সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রতিফলন।

সবশেষে, মস্তিষ্কের চিন্তা, হৃদয়ের অনুভূতি ও জিভের সাহসিকতার মিলন হাতের কাজের মধ্য দিয়ে পূর্ণতা পায়। হাত হচ্ছে কর্মের প্রতীক। মনোভাব ও কথা কেবলই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন সেগুলোকে বাস্তবে রূপান্তরিত করার। পরিশ্রম, নিষ্ঠা, মনোযোগ ও সততা দিয়ে আমাদের হাতের কাজ জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যায়। কিন্তু এখানে বিশেষ একটি বিষয় লক্ষ্যণীয়—কর্ম করার সময় কোন ধরনের প্রপঞ্চ বা দেখানো চালানো নয়। প্রমাণের প্রয়োজন নেই, কারণ প্রকৃত কাজ তার নিজস্ব শক্তিতে প্রকাশ পায়।

এভাবে চারটি অঙ্গ একযোগে কাজ করলে ব্যক্তি ও সমাজের উন্নয়ন নিশ্চিত হয়। মস্তিষ্কের চিন্তা নৈতিকতা ও মানবিকতার আলোকে গঠিত হলে, হৃদয়ে সেটি সম্পূর্ণভাবে ধারণ করা হলে, জিভে সাহসিকতার সঙ্গে প্রকাশ পেলে, এবং হাত দিয়ে নিষ্ঠার সঙ্গে কর্মরূপে প্রয়োগ করলে ব্যক্তির সাফল্য নিশ্চিত হয়।

জীবনে সমগ্র মন, প্রাণ ও শক্তি নিয়োগ করে কাজ করা অপরিহার্য। চিন্তা, অনুভূতি, বক্তব্য ও কর্ম এই চক্রটি যেন অক্ষুণ্ণ থাকে। এই চার অঙ্গের সংহত কাজ আমাদের ব্যক্তিত্বকে উন্নত করে, সমাজকে শক্তিশালী করে এবং বিশ্বে মানবতার আলো ছড়িয়ে দেয়। সত্যিকারের উন্নতি কখনোই দেখানোর জন্য নয়, বরং নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে গড়ে তোলা উচিত।

ভারত সোলার পাওয়ারের মাধ্যমে আত্মনির্ভরতার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেভারত চীন থেকে সোলার উপকরণ আমদানির ওপর নির্ভরতাকে কমিয়ে দে...
12/09/2025

ভারত সোলার পাওয়ারের মাধ্যমে আত্মনির্ভরতার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে

ভারত চীন থেকে সোলার উপকরণ আমদানির ওপর নির্ভরতাকে কমিয়ে দেশে উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে আত্মনির্ভর হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এই পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বিভিন্ন প্রণোদনা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং স্থানীয় কোম্পানিগুলোর জন্য সহজতর নিয়মনীতি। আত্মনির্ভরতার এই উদ্যোগ বিনিয়োগ উৎসাহিত করবে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং সোলার সেক্টরে উদ্ভাবনকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।

ভারত একটি টেকসই ও স্বাধীন শক্তি ভবিষ্যৎ গঠনের লক্ষ্যে সোলার এনার্জি সেক্টরে আত্মনির্ভরতার পথ অনুসরণ করছে। এই পরিকল্পনায় দেশীয় উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সরবরাহ শৃঙ্খলাকে সহজতর করার উপায় গঠন করা হয়েছে।

চীন থেকে নির্ভরতাকরণ কমানো.......

ভারত সক্রিয়ভাবে কাজ করছে চীনের ওপর নির্ভরতাকে কমিয়ে সোলার উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ দেশীয়ভাবে উৎপাদনের দিকে মনোযোগ দেয়ার জন্য। এই উদ্যোগ শক্তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশীয় শিল্পকে উৎসাহিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সরবরাহ শৃঙ্খলে সম্ভাব্য বিপর্যয় এড়াতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। একক উৎসের ওপর নির্ভরতাকে কমিয়ে ভারত তার আমদানির অংশীদারদের বৈচিত্র্যকরণ করছে এবং বৈশ্বিক সোলার বাজারে নিজের অবস্থান মজবুত করছে। এই পরিকল্পনা টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের বৃহত্তর কৌশলের অংশ। দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং অর্থনৈতিক আত্মনির্ভরতা অর্জিত হবে।

দেশীয় উৎপাদনের জন্য রোডম্যাপ......

ভারত সরকার দেশীয় সোলার উৎপাদন উপকরণ উত্পাদন উৎসাহিত করতে একটি বিস্তারিত রোডম্যাপ প্রস্তুত করছে। এই পরিকল্পনায় বেশ কয়েকটি মূল কৌশল রয়েছে:

1. আর্থিক প্রণোদনা ও সাবসিডি
দেশীয় উৎপাদকদের উৎপাদন খরচ কমাতে এবং প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার জন্য আর্থিক প্রণোদনা ও সাবসিডি প্রদান করা হবে।

2. প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ
দেশীয় উৎপাদনের গুণগত মান ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে।

3. সরলীকৃত নিয়মনীতি
প্রশাসনিক জটিলতা কমিয়ে দ্রুত প্রকল্প অনুমোদন নিশ্চিত করা হবে, যাতে ব্যবসায়ীরা সহজেই তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।

4. গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D)
সোলার প্রযুক্তিতে উদ্ভাবন ও আধুনিক পণ্য তৈরির লক্ষ্যে গবেষণা ও উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

5. স্থানীয় কাঁচামালের যোগান নিশ্চিতকরণ
প্রয়োজনীয় কাঁচামালের দেশীয় সরবরাহ শৃঙ্খল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে উৎপাদন স্থিতিশীল করা হবে।

এই সমন্বিত পদক্ষেপ দেশীয় স্বয়ংসম্পূর্ণতার লক্ষ্য পূরণের জন্য গৃহীত হয়েছে।

Address

174, Diamond Harbour Road
Diamond Harbour
743368

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bindaas maza posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category