Golpo Ullash

Golpo Ullash কবিতা,গল্প ও উপন্যাসের অডিওবুক পেতে গল্প উল্লাস এর পাশে থাকুন।

😂
23/06/2025

😂

22/06/2025

গল্প উল্লাস চ্যানেলে আপনাকে স্বাগতম। আমরা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করছি রুচিসম্মত গল্প আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করার। গল্...

09/03/2025

বাল্যকালের নির্মল বন্ধুত্ব থেকে ধীরে ধীরে প্রেমের গভীরতায় ডুব দেওয়া এক অনন্য ভালোবাসার গল্প রচনা করেছেন প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়। শৈশবের সেই সোনালি দিনগুলো, একসঙ্গে হাসি-খেলা, আর তারপর হৃদয়ের অজান্তে ভালোবাসার আবেগে জড়িয়ে পড়া এবং প্রেমের অকপট প্রকাশ। সব মিলিয়ে এটি এক অতুলনীয় গল্প। শুনতে ভুলবেন না।

শুভ জন্মতিথি, বিদ্যা ও দয়ার সাগর।
26/09/2024

শুভ জন্মতিথি, বিদ্যা ও দয়ার সাগর।

25/09/2024

*পৃথিবীতে এই যে এত দাম্পত্য সম্পর্ক টিকে আছে, দুজন মানুষ এক সঙ্গে বছরের পর বছর কাটিয়ে ফেলছে, এর পিছনে কারণটা কি ?*

প্রতিদিন কি দুজন দুজনকে কি খুব ভালোবেসে চলেছে ? না একদমি ঠিক না আমার মনে হয়

খোঁজ নিয়ে দেখবেন, এই সম্পর্ক বেঁচে আছে ভালোবাসার থেকেও দুজনে বেশি ঝগড়া করে । দুজনের মধ্যে মিলের থেকে অমিল বেশি । একজন যেটা পছন্দ করে, অন্যজন সেটাই অপছন্দ করে । একজন ফুল স্পিডে ফ্যান চালিয়ে ঘুমোতে ভালোবাসে তো অন্যজন AC তে । একজনের নাইট ল্যাম্প না জ্বললে রাতে ঘুম হয় না, অন্যজন নাইট ল্যাম্প অফ করেই ঘুমোবে । একজন রেস্টুরেন্টের খাবার পছন্দ করে তো অন্য জন বাড়ির খাবার । একজন পনির ভালোবাসে তো অন্যজন ছানা । একজন দেরী করে ঘুম থেকে ওঠে তো অন্যজন সকাল সকাল ওঠে । তার ওপর নানান খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে ঝগড়া । ঝগড়ার কোনো কারণ থাকে না । তবুও ঝগড়া হবে।তিনশো পঁয়ষট্টিটা দিন এভাবেই চলছে । তারপরেও একসঙ্গে দুজনে আছে ।

জানেন, খুব খুব ভালোবাসবে এমন একটা মানুষের চেয়ে একটা ঝগড়া করার মানুষ থাকলে জীবনটা দিব্যি কাটিয়ে দেওয়া যায় । এই পৃথিবীতে ভালোবাসাটা একই রকম । তার কোনো বৈচিত্র্য নেই । কিন্তু প্রতিদিন খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে ঝগড়া করার মধ্যে বৈচিত্র্য আছে । রোজ নতুন নতুন টপিক, আর চলে মধুর ঝগড়া । তার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে ভালোবাসা ।ঠিক বাতাসের মত, দেখা যায় না, কিন্তু গায়ে লাগলে আরাম লাগে।

অদ্ভুত বিষয় কি জানেন ? এই এত ঝগড়া, খুনসুটি,মতের অমিল, তারপরেও দেখবেন হঠাৎ করেই ওই দুটো মানুষ একদিন পাহাড়ে ঘুরতে গেছে, কাঁধে হাত দিয়ে ছবি তুলছে, এক সঙ্গে বসে সিনেমা দেখছে,নতুন গাড়ি কেনার পরিকল্পনা করছে, নিত্য নতুন জিনিস দিয়ে ঘর সাজাচ্ছে । ভাবতে পারছেন ?

ঠিক এটাই হয় । জীবনের এ এক অন্য সমীকরণ।ছকে ফেলেও কিছুতেই মেলানো যায় না । মতের এত অমিল থেকেও দুজনে চলেছে বছরের পর বছর । আপনার বাবা মায়ের মধ্যেও তাই দেখেছেন । আর আপনিও এটাই করে চলেছেন বা কেউ কেউ ভবিষ্যতেও সেটাই করবেন ।রহস্যটা হল মতের অমিল হাজারটা থাকলেও মনের অমিল নেই দুজনের মধ্যে,মানে মতান্তর আছে কিন্তু মনান্তর নেই।জীবনে মতের অমিল হোক, কিন্তু মনের মিলটা যেন থাকে।

আমরা সম্পর্কের শুরুতে ভুল টা কি করি জানেন ? দুজন মানুষের মধ্যে কি কি মিল আছে সেটাই খুঁজতে যাই আগে । মিল খুঁজে তো লাভ নেই । যেটা মিল সেটা তো এমনিতেই মিলে যাবে।ওই নিয়ে আহ্লাদে আটখানা হয়ে গিয়ে দুজনের মনের মিলটা আছে কিনা সেটা খুঁজে দেখতে ভুলে যাই । ভালোবাসা শুধু মতের মিল নিয়ে তৈরি হয় না,মতের অমিল আর মনের মিল নিয়েই অন্যের হৃদয়ে ভালোবাসা জমাতে হয়।খুব খুব ভালো বাসবে এমন মানুষ খোঁজার দরকার নেই,বরং প্রতিদিন খুনসুটি করবে,খুঁটিনাটি বিষয়ে একটা মধুর ঝগড়া করবে,এমন একটা মানুষকে জীবনে আনুন।দেখেবেন,হেসে খেলে জীবন পার করে ফেলেছেন ভালো বাসার মানুষটার সাথেই।
(সংগৃহীত)

তারপর সে বললো, শ্যামাঙ্গ, তুমি আমাকে ত্যাগ করে যাও, আমার ক্ষমতা নেই যে আমি তোমাকে গ্রহণ করি। যখনই তুমি আমার দিকে চাও, তখ...
16/09/2024

তারপর সে বললো, শ্যামাঙ্গ, তুমি আমাকে ত্যাগ করে যাও, আমার ক্ষমতা নেই যে আমি তোমাকে গ্রহণ করি। যখনই তুমি আমার দিকে চাও, তখনই নিজেকে অপরাধী মনে হয়। কিন্তু তবুও আমি নিজেকে নিঃশেষে দান করতে পারি না। কখনও দেহ উন্মুখ হয়, কখনও মন। বড় জটিল অবস্থা আমার, তুমি আমাকে ত্যাগ করো।

শ্যামাঙ্গ হাসে। বলে উত্তম কথা, ত্যাগ না হয় করলাম। অতঃপর তুমি কোথায় যাবে?

আমি জানি না, শ্যামাঙ্গ, পুনরায় লীলা কান্নায় উদ্বেলিত হয়। বলে যখনি তুমি আমার দেহে হাত রাখো, তখনই যেন মনে হয় এক লম্পট আমার দেহে হাত রাখছে। যখনই তুমি আমার দিকে মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকাও, মনে হয় তুমি দেহ সম্ভুগের পরিকল্পনা করছো। মনে হয়,কেবল ঐ একটি কারণের জন্য সঙ্গে সঙ্গে চলছো তুমি। বরং তুমি যদি এমন না হয়ে অন্যদের মতো হতে,যদি কোন বাধা না মেনে আমাকে বলাৎকার করতে, তাহলে যেন ছিল ভালো। আমি তোমাকে ভাবতে পারতাম লম্পট,লোভী এবং স্বার্থান্বেষী বলে এবং তাহলে তোমাকে আমি ঘৃনা করার চেষ্টা করতাম। কিন্তু তুমি তা নও। তুমি এতো ভালো,মুখপানে চাইলে তোমার পদতলে নিজেকে নিবেদন করার জন্য মন ব্যাকুল হয়ে উঠে। কিন্তু নিকটে গেলেই.......

#প্রদোষে_প্রাকৃতজন

এ কথা খুবই পরিচিত যে, নিয়মিত বই পড়ার অনেক উপকারিতা আছে। তাই এটি নতুন করে মনে করিয়ে দেওয়ার কিছু নেই। এখানে কয়েকটি সুবি...
13/09/2024

এ কথা খুবই পরিচিত যে, নিয়মিত বই পড়ার অনেক উপকারিতা আছে। তাই এটি নতুন করে মনে করিয়ে দেওয়ার কিছু নেই। এখানে কয়েকটি সুবিধার কথা তুলে ধরা হলো। যেগুলো যে কাউকে বই পড়ার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে পারে।

মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ‍বৃদ্ধি

প্রতিদিন বই পড়লে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে এবং আরও সক্রিয় হয়। বই পড়ার উপকারিতা জানতে অসংখ্য গবেষণা হয়েছে। একটি গবেষণা অনুসারে, বই পড়ার অন্যতম প্রধান সুবিধা হলো- আলঝাইমার ও ডিমেনশিয়ার মতো মানসিক রোগের প্রক্রিয়া ধীর করে। এর কারণ বই পড়লে মস্তিষ্ক উদ্দীপিত হয় এবং ব্রেন সচল থাকে। একজন মানুষকে সুস্থ থাকতে শরীরের প্রতিটি অংশের ব্যায়াম প্রয়োজন। মস্তিষ্কের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। নিয়মিত বই পড়লে মস্তিষ্কের ব্যায়াম হয় এবং মস্তিষ্ককে স্বাস্থ্যকর ও সুস্থ রাখে।

চাপ কমানোর ভালো অভ্যাস

মানসিক চাপ কমানোর দারুণ একটি উপায় নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস। সাধারণত আমরা প্রতিদিনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকি। যা আমাদের মানসিক চাপ বাড়ায়। এ থেকে মুক্তি পেতে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। তাহলে মস্তিষ্ক দুশ্চিন্তা মুক্ত হবে। যেমন- কেউ যখন একটি ভালো গল্প পড়েন, তখন তার সব মানসিক চাপ দূরে সরে যায়। একইসঙ্গে মস্তিষ্ককে শান্ত করে। আর মস্তিষ্ক শান্ত থাকলে মানসিক চাপ কমে যায়। এছাড়া, নিয়মিত বই পড়লে বিভিন্ন সমস্যার পরামর্শ বা সমাধান পাওয়া যায়।

শব্দভাণ্ডার বৃদ্ধি

বই পড়া কেন গুরুত্বপূর্ণ তা নিয়ে যদি এখনো নিশ্চিত না হন, তাহলে এই বিষয়টি আপনাকে আগ্রহী করতে পারে। নিয়মিত পড়লে শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হয়। যেকোনো ধরণের বই শব্দভাণ্ডার বাড়াতে সহায়ক। আর সমৃদ্ধ শব্দভাণ্ডার ভাষার ওপর দক্ষতা ও নিয়ন্ত্রণ বাড়ায়। ভাষা দক্ষতা নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সহায়ক। আবার প্রতিদিন বিভিন্ন বই পড়লে নতুন নতুন ভাষা শেখা যায়।

স্মৃতিশক্তি উন্নত করে

আগেই বলেছি নিয়মিত পড়া মস্তিষ্কের জন্য খুব ভালো একটি ব্যায়াম। কেউ যদি কাল্পনিক গল্পের বই পড়ে তাহলে তার মস্তিষ্ক বিভিন্ন চরিত্রের নাম এবং বিভিন্ন বিষয় মনে রাখতে বাধ্য হয়। ফলে, গল্পের প্লট বা ইতিহাস আমাদের স্মৃতিশক্তি উন্নত করে। প্রতিদিন বই পড়ার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, মস্তিষ্ক সুপার শক্তিশালী হয়ে ওঠে। এর অন্যতম কারণ আমাদের মস্তিষ্কের প্রচুর তথ্য ধরে রাখার সক্ষমতা আছে। বই পড়লে এই ক্ষমতা আরও বাড়ে। তাই বই পড়ার অভ্যাস আমাদের স্মৃতিশক্তিকে শক্তিশালী করে।

চিন্তার দক্ষতা বাড়ায়

প্রতিদিন বই পড়ার আশ্চর্যজনক সুবিধাগুলোর একটি- আমাদের চিন্তার দক্ষতা উন্নত করে। রহস্য উপন্যাস পড়ার অভ্যাস চিন্তার দক্ষতা বিকাশে ভূমিকা রাখে। আর চিন্তার দক্ষতা উন্নত হলে যেকোনো সমস্যা সমাধান সহজ হয়। আবার কোনো উপন্যাস পড়ার সময় আমাদের মন ভবিষ্যদ্বাণী বা অনুমান করতে বাধ্য হয়। এতে কল্পনা শক্তি বাড়ে। তাই বই পড়ার অভ্যাস মস্তিষ্ককে স্মার্ট করে ও চিন্তার দক্ষতা বাড়ায়। যা আমাদের ব্যক্তিগত ও পেশাদার জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

লেখার দক্ষতা বৃদ্ধি

বেশি বেশি পড়ার অভ্যাস থাকলে স্বাভাবিকভাবেই তার লেখার দক্ষতা ভালো হয়। যেহেতু নিয়মিত পড়ার মাধ্যমে শব্দভাণ্ডার ও কল্পনাশক্তি উন্নত হয়। তাই, একজন ভালো পাঠক একজন ভালো লেখক হয়ে ওঠেন। এখানে শুধু কল্পকাহিনী, বই, উপন্যাস লেখার কথা বলা হচ্ছে না। নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে কিছু লেখার দক্ষতাকেও উন্নত করে। তাই যত বেশি বই পড়া হবে, লেখার দক্ষতা তত উন্নত হবে।

প্রশান্তি

প্রতিদিনের কোলাহল থেকে দূরে যেতে আমরা প্রায়ই ভ্রমণ পরিকল্পনা করি। উদ্দেশ্য থাকে একাকীত্বে কিছুটা সময় কাটানো। তবে, ভ্রমণের পরিকল্পনা যথেষ্ট ব্যয়বহুল। অথচ, একটি বই পড়ে একই ধরনের প্রশান্তি পাওয়া সম্ভব। যারা উচ্চ রক্তচাপ বা উদ্বেগে ভুগছেন তারা পড়ার মাধ্যমে প্রশান্তি পেতে পারেন। আর মোটিভেশনাল বা আধ্যাত্মিক বই পড়লে আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ে।

বিনোদনের মাধ্যম

আমরা সিনেমা ও গান শুনতে টাকা খরচ করি, কিন্তু কেন? বিনোদনের জন্য, তাই না? তাহলে কেন বিনোদনের জন্য বই পড়া যাবে না? জানলে হয়তো অবাক হবেন যে, আমাদের প্রিয় কিছু চলচ্চিত্র বা টিভি সিরিজ বিখ্যাত উপন্যাস বা সেগুলো অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো- বই পড়লে খরচ অনেক কম হয় এবং দীর্ঘসময়ের জন্য বিনোদন পাওয়া যায়। আমাদের আশপাশে অনেকে গ্রন্থাগার আছে। সেখানে যে কোনো বিষয়ের ওপর বই পাওয়া যায়। চাইলে সেখানে থেকে বই সংগ্রহ করে পড়তে পারেন। যদি লাইব্রেরিতে যেতে না পারেন তাহলে অনলাইন প্লাটফর্মগুলোতে বিনামূল্যে অসংখ্য ই-বুক পাওয়া যায়। সেখানে থেকে বই সংগ্রহ করে সহজে বই পড়া সম্ভব।
স্বাস্থ্যগত সুবিধা থেকে শুরু করে স্মার্টনেস- বই পড়ার এমন অসংখ্য সুবিধা আছে। যেগুলো আমাদের নিয়মিত বই পড়তে উৎসাহিত করে। এছাড়া নিয়মিত বই পড়লে বিভিন্ন বিষয়ে জানার পরিধি বাড়ে। কিন্তু, বই পড়া শুরু না করলে বিষয়টি কারো কাছে বিরক্তিকর মনে হতে পারে। কিন্তু, একবার শুরু করলে এটা অভ্যাসে পরিণত হবে।

Source: The Daily Star বাংলা

জন্মাষ্টমী উপলক্ষে গল্প উল্লাস -এর নতুন গল্প 'শ্রীকৃষ্ণ জন্মকথা' ও 'কংস বধ'।'হে কংস দেবকীর অষ্টম গর্ভের সন্তান তোমার কাল...
11/09/2024

জন্মাষ্টমী উপলক্ষে গল্প উল্লাস -এর নতুন গল্প 'শ্রীকৃষ্ণ জন্মকথা' ও 'কংস বধ'।

'হে কংস দেবকীর অষ্টম গর্ভের সন্তান তোমার কাল হবে, তোমার বিনাশ অনিবার্য '।

এমনই এক দৈব বাণী শুনে কংস রথ থামালেন। রথে বসে আছে তার সদ্য বিবাহিতা ভগিনী দেবকী ও বসুদেব।

মথুরার রাজা উগ্রসেন । তার দুই কন্যা দেবকী ও রোহিনী ।এবং ছেলের নাম কংস।

ছেলেবেলা থেকে কংস ছিলেন প্রচণ্ড অত্যাচারী ও নির্দয় প্রকৃতির মানুষ।

কংস এতটাই দুরাচারি ছিল যে, সে তার পিতাকে বন্দী করে নিজে রাজা হয়েছিলেন। কিন্তু সে তার বোনদের অত্যন্ত স্নেহ করতেন এবং ভালোবাসতেন। এবং যথাসময়ে তাদের বিয়ে দিয়েছিলেন।

কিন্তু হঠাৎ এই রকম একটা দৈব বাণী শুনে তার ভালোবাসা এক নিমেষে উড়ে গেল। সে মনে মনে ভাবল ,'আমি যদি দেবকী কে হত্যা করি, তাহলে আমার মৃত্যু ভয় আর থাকবে না'। এইরকম ভেবেই সে দেবকী কে হত্যা করতে উদ্যত হল। বাসুদেব কংসকে থামিয়ে বলল, তোমার ভয় দেবকীর সন্তানকে নিয়ে। আমি কথা দিচ্ছি, দেবকীর যখন যখন সন্তান হবে আমি তখন তখন তোমার হাতে তুলে দেব।

বাসুদের ছিল অত্যন্ত সদাচারী । তাই তার কথায় কংস শান্ত হল। কিন্তু দেবকী এবং বসুদেবকে সে কারাগারে বন্দী করলেন।

তারপর যখন যখন দেবকীর গর্ভে সন্তান এলো তখন তখন বাসুদেব সেই সন্তানকে কংসের হাতে তুলে দিলেন। এবং কংস তাদের হত্যা করলেন এবং মনে মনে ভাবলেন বাসুদেব তার কথা রেখেছেন।

শিবের কৃপায় দেবকীর গর্ভের সপ্তম সন্তান স্থানান্তরিত হল রোহিনীর (কংস যখন দেবকী ও বসুদেবকে বন্দী করেছিলেন তখন বসুদেবের আর একপত্নী রোহিনী গোকুলে গিয়ে নন্দের আলয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন)গর্ভে।
কিছুদিন পরে নিয়তির অমোঘ বিধানে দেখা দিল সেই শুভক্ষণ। প্রকৃতি যেন সাদরে স্বাগত জানাতে তৎপর। চারিদিকে ঝোড়ো হাওয়া, মুষলধারে বৃষ্টি, মধ্যরাতে সময় বলে দেবকী ও বসুদেব ও ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ এক দিব্যজ্যোতির প্রকাশে চারিদিক ভরে উঠলো ।আবির্ভাব হল শ্রীভগবানের। আবির্ভাব হলো এক মানব শিশুর।

হঠাৎ দৈববাণী হল 'তোমার এই পুত্রকে নিয়ে গোকুলে যাও সেখানে নন্দের একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়েছে, তোমার পুত্রকে রেখে সেই কন্যা সন্তানটিকে নিয়ে এসো'।
সমস্ত শৃংখল খুলে গেল। দৈব প্রভাবে ঘুমিয়ে পড়ল প্রহরী। বাসুকি নাগ তার ফণা দিয়ে আড়াল করলো। শেয়ালরুপী ভগবতী পথ দেখালো । শিশু কৃষ্ণ কে নিয়ে বসুদেব উথাল যমুনা পার করে, রেখে এলেন নন্দের কাছে।

যশোদা মায়ের কোলে কৃষ্ণ আদরে আদরে বড় হতে থাকলো। এবং কৃষ্ণের লীলাই গোপিনীদের বাৎসল্য রস উথলে পড়ল। আর এদিকে কংস যখন জানতে পারলো, দেবকীর অষ্টমগর্ভের সন্তান এখনো জীবিত তখন সে বিভিন্ন রাক্ষস রাক্ষসীতে পাঠাতে লাগলেন কৃষ্ণকে বধ করবার জন্য। কিন্তু কিছুতেই কংসের অভিপ্রায় সিদ্ধ হলো না।

একবার, কৃষ্ণ গোকুল বাসীকে ইন্দ্রের বদলে গো দেবতার পূজো করতে বলায় ইন্দ্র প্রচন্ড রেগে গেল ,এবং বৃন্দাবন কে বৃষ্টি ,বন্যায় ভাসিয়ে দিলেন।তখন কৃষ্ণ গিরি -গোবর্ধন পর্বত কে শূন্যে তুলে নিয়ে ,তার নিচে সকল বৃন্দাবন বাসিকে আশ্রয় দিয়েছিলেন। তারপর ইন্দ্র নিজের হার স্বীকার করে নিয়ে লজ্জিত হয়ে কৃষ্ণের কাছে ক্ষমা চাইলেন।

রাধা কৃষ্ণের প্রেমে মাতোয়ারা হয়ে উঠল কুঞ্জবন ।কৃষ্ণের বাঁশির সুরে রাধার মান ভাঙ্গা ,সেই স্বর্গীয় প্রেম উপভোগ করেন বৃন্দাবন বাসিরা।

যখন কংস কিছুতেই কৃষ্ণ কে বধ করতে পারলেন না। ভীত নিরুপায় হয়ে কংস, ধনুর যজ্ঞে কৃষ্ণ বলরাম কে নিমন্ত্রণ জানালেন। বৃন্দাবন বাসিরা বাধা দিলেন কিন্তু বাধা না মেনে কৃষ্ণ বলরাম গেলেন মথুরায়। মথুরার প্রাসাদে এসে ধনু যজ্ঞের ধনুক অবলীলায় ভেঙে ফেলেন কৃষ্ণ।

কংস যখন কৃষ্ণ কে বধ করার জন্য চানুর এবং মুষ্টিককে পাঠালেন, তখন কৃষ্ণ এবং বলরাম অনায়াসে তাদেরকে বধ করলেন। কৃষ্ণ এগিয়ে গিয়ে কংসের চুলের মুঠি ধরে তাকে আছড়ে মাটিতে ফেললেন, তারপর বুকে চেপে ধ্বংস করলেন কংস কে। ভবিষ্যৎবাণী সত্য হলো।

কংস বধ করে কৃষ্ণ বলরাম মাতা দেবকী ও পিতা বসুদেব কে কারাগার থেকে মুক্ত করলেন এবং উগ্রসেনকে মুক্ত করে আবার মথুরার সিংহাসনে বসালেন এবং তিনি নিজে দ্বারকায় রাজধানী তৈরি করে সেখানে রাজ্য শাসন শুরু করলেন।

ভাদ্র মাসে শুক্লপক্ষের বৃহস্পতিবারে যে রমণীরা লক্ষ্মী পুজো করে  প্রসন্না হয়ে  মা লক্ষ্মী তাদের গৃহে সর্বদা বাস করে।এই ন...
05/09/2024

ভাদ্র মাসে শুক্লপক্ষের বৃহস্পতিবারে যে রমণীরা লক্ষ্মী পুজো করে প্রসন্না হয়ে মা লক্ষ্মী তাদের গৃহে সর্বদা বাস করে।
এই নিয়ে একটি গল্পকথিত আছে।

এক দেশে এক বামণী (বামুনের স্ত্রী) ও তার এক ছেলে ছিল। তারা খুব গরীব। বামণী বিধবা। সুতো কেটে কোন প্রকারে এক মুঠো খাবার জোটে। বামনের কুঁড়ের সামনে একখানা বটগাছ ছিল। সেখানে তার ছেলে সকাল বিকেল বসে খেলা করত।একদিন সেখান দিয়ে একজন ক্ষীরওয়ালা যাচ্ছিল । তাই দেখে ছেলেটির ইচ্ছে হলো ক্ষীর খেতে। সে তার মাকে বলল ,মা একটা পয়সা দাও, আমি ক্ষীর খাব ।বামনি কেঁদে বলল 'বাছা পয়সা কোথায় পাবো ' আমরা যে গরিব ।তাই শুনে ছেলেটিও কাঁদতে লাগল। ক্ষীরওয়ালার এইসব দেখে একটু দয়া হলো পয়সা না নিয়েই সে এক ভাঁড় ক্ষীর দিয়ে চলে গেল। তখন ছেলের আহ্লাদ দেখে কে, সে সেই গাছতলায় গিয়ে ক্ষীর খেতে বসলো। সেই গাছে একটি লক্ষ্মীপেঁচা পেঁচির ছানা থাকতো।তারাও খিদের জ্বালায় চেঁচাতে লাগলো ।ছেলেটিও তাই দেখে তাদের নিয়ে নিচে এসে বসলো তাদের ক্ষীর খাইয়ে ,মুখ মুছে, আবার তাদের বাসায় রেখে দিল।এবং বাকিটুকু নিজে খেল।

সন্ধ্যেবেলা পেঁচা পেঁচি বাসায় ফিরে এলো ।ছানারা বেশ আরামে ঘুমাচ্ছে ।তাই দেখে পেঁচা বলল, আজ যে তোরা খিদের জন্য কাঁদিস নি? তখন পেঁচা পেঁচির ছানারা বলল,'না মা ওই যে গরিব বামুনের ছেলে আজ আমাদের পেট ভরে ক্ষীর খাইয়েছে '। জানো মা, ওরা বড্ড গরিব । তারা আরো বললো, বামুনের জিনিস খেয়ে থাকতে নেই ,ওদের অবস্থা ভালো করে দাও। সে কথা শুনে পেঁচি হাসতে হাসতে বললে, 'আচ্ছা ওদের যাতে ভালো হয় সেটা মা লক্ষ্মী কে বলব'।
এইভাবে রোজ রোজ পেঁচা পেঁচি চড়তে যায়, আর সন্ধ্যের আগে বাসায় ফেরে। ছেলেটিও সেইদিন থেকে যখন যা পায় তার অর্ধেক ছানা গুলিকে খেতে দেয়, ছানারাও খেয়ে বাবা মাকে সব বলতো। পেঁচির প্রাণ কেঁপে উঠলো,'আহা না খেয়ে আমার বাচ্চাদের খেতে দেয়, কত যত্ন করে 'তখন সে বাচ্চাদের বলল, মা লক্ষ্মী কে ওদের কথা কাল জানাবো ।
ভাদ্র মাসের বৃহস্পতিবারে ব্রাহ্মী অনেক কষ্টে মা লক্ষ্মীর পুজো করলো ।আর লক্ষ্মীর প্রসাদ ছেলেকে খেতে দিল । ছেলেটি তাই নিয়ে এসে অর্ধেকটা সেই ছানা দের খাইয়ে বাকিটা নিজে খেলো । পেঁচা পেঁচি বাসায় আসতে ছানারা অভিমান করে বললে, আজ আমরা তোমার কাছে খাব না ,কথাও কইবো না। আহা, ওরা কত গরিব, ছেলেটি না খেয়ে রোজ রোজ আমাদের খাওয়াই আর তুমি ওদের কিছুই করলে না। তখন উভয়ে ছানাগুলোকে বললে ,'ওদের ভাগ্য ফিরবে আজ ওরা ভক্তির সঙ্গে লক্ষীর পুজো করেছে' । নারায়নের দয়া হয়েছে।

সকালবেলায় ছেলেটি গাছ তলায় যেমনি এসেছে অমনি ওপর থেকে পেঁচি তাকে ডেকে বললে, দেখো বাবা তোমাদের এবার দুঃখ যাবে।তোমাকে আজ নিয়ে যাব ।তুমি যাবে তো ?ছেলেটি বললে, হ্যাঁ যাবো ।পেঁচি বললে আচ্ছা, তুমি চোখ বোজো আর আমার পিঠের ওপর চড়ে বসো, যেখানে নামিয়ে দেবো, সেখানে তোমাকে যদি কেউ ধন দৌলত দিতে চায়, তুমি নিও না। বলবে যে, তুমি তিলথুবড়ী চাও।তারপর তিনি যেখানে তোমাকে নিয়ে যাবে সেখানে যাবে ,দেখবে নানারকম ধন দৌলত সাজানো আছে। আর তার মাঝখানে তিল ধুবড়ী আছে ।তোমায় দিলে তুমি নিয়ে এসে আমার পিঠের ওপর বসবে আমি আবার তোমাকে তোমার বাড়িতে নিয়ে আসব। ছেলেটি পেঁচা ও পেঁচী কথা মত চোখ বুজে বসলো ।পেঁচা ও পেঁচি উড়তে উড়তে মা লক্ষ্মীর বাগানে এসে পৌঁছালো। আর বলল এবার চোখ খোলো। ছেলেটি লক্ষ্মীনারায়ণ কে দেখে গলায় কাপড় দিয়ে প্রণাম করল ।আর হাত জোড় করে দাঁড়িয়ে রইল। ছেলেটিকে দেখে মা লক্ষ্মীর বড় দয়া হলো। মা লক্ষ্মী জিজ্ঞাসা করল, তুমি কে বাছা? ছেলেটি বলল, আমরা বড় গরীব। আপনার কাছে আমাদের দুঃখ কষ্ট দূর করতে এসেছি। লক্ষ্মী তাকে সঙ্গে করে যত ধন দৌলত আছে দেখিয়ে দিলেন। আর বললেন এইসব তুমি যত পারো নিয়ে যাও। ছেলেটি বলল ,না মা আমি এসব কিছুই নেব না। আমি তিল ধুবড়ী নিতে এসেছি ।দয়া করে আমাকে তিল ধুবড়ী দিন ।তখন মা লক্ষ্মী তাকে তিল ধুবড়ী দেখিয়ে দিলেন।এবং বললেন একে রোজ রোজ পুজো করবে। তাহলে তোমাদের সব দুঃখ কষ্ট দূর হবে। মা লক্ষ্মীকে প্রণাম করে, আবার পেঁচির পিঠে চড়ে বসলো, এবং পেঁচা ও পেঁচি ছেলেটিকে তার কুঁড়েঘরে নামিয়ে দিল। ছেলেটি কুঁড়ে ঘরের ভেতরে গিয়ে তার মাকে সমস্ত কথা বলল।

তখন তার মা ঘর দৌড় পরিষ্কার করে ঘট পেতে পিঁড়ি তে আলপনা দিয়ে তার ওপর তিল ধুবড়ী রেখে ভক্তি ভরে দুজনে পুজো করল।

এমনি করে রোজ রোজ ধূপধুনা, প্রদীপ জেলে এবং এক মুঠো আতপ চালের নৈবিদ্য নিবেদন করে পুজো করতে লাগলো।

দেখতে দেখতে মা লক্ষ্মীর কৃপায়, ঘোড়া, পালকি ,হাতি ,ধন- দৌলত হলো। ঠিক রাজার মতো। তারা এতটা বড়লোক হলো কি করে, জানবার জন্য সবাই কৌতুহল প্রকাশ করতো। একদিন টের পেল যে ,একটা পুটুলিকে তারা পুজো করে। শেষে রাজার কানেও কথাটি গেল ।রাজা ভাবল তারা যেহেতু এত বড়লোক হচ্ছে, তাই কোনদিন সে তার রাজ্যের দখল নিতে পারে। সেই কারণে রাজা একদিন হঠাৎ রাত্রিবেলা বামণীর বাড়ি লুট করল। এবং তিল ধুবড়ী নিয়ে চলে গেল।

একদিন মা লক্ষ্মী ছলনায় এল এবং সেই তিল ধুবড়ী লক্ষীর ভান্ডারেই আবার চলে গেল । মা এবং ছেলে আগের অবস্থায় ফিরে এল।

পেঁচার ছানা গুলি আবার মাকে বলল, ওদের কি দোষ মা ?রাজা এসে সব লুট করে নিয়ে গেছে তাই তো ওদের এত কষ্ট। তুমি আবার মাকে গিয়ে বল , আবার যাতে তিল ধুবড়ী ছেলেটিকে দেয় ।পেঁচি বলল না বাছা ওরা যেহেতু তিল ধুবড়ী একবার হাতে পেয়ে রাখতে পারল না ,তাই আর কিছু করার নেই। ছানারা মায়ের কথা শুনে খুব কান্নাকাটি করতে লাগলো। তাই দেখে পেঁচি আবার ছেলেটিকে নিয়ে মা লক্ষ্মীর কাছে গেল। ছেলেটি কাঁদতে কাঁদতে মা লক্ষ্মী এবং নারায়ণ কে প্রণাম করে সব কথা বলল ।মা লক্ষ্মী বলল, তোমাকে দিয়েছিলাম তুমি রাখতে পারো নি, তাই শুনে ছেলেটি বলল, আর একবার দিন আমি এবার খুব যত্ন করে রাখবো। কেউ টের পাবে না । নারায়ণের খুব দয়া হলো। নারায়ণ লক্ষ্মী কে বলল লক্ষ্মী ওকে আর একবার দাও, যদি এবার না রাখতে পারে তাহলে আর দিও না। তাই শুনে মা লক্ষ্মী ছেলেটিকে আবার তিলধুবড়ী দিলেন।

ছেলেটি উভয়কে প্রণাম করে ফিরে এলো।
ছেলেটি ফিরে এসে তার মাকে সব বলল এবং মা লুকিয়ে আবার তিল ধুবড়ীর পূজা করল। দেখতে দেখতে আবার আগের অবস্থায় ফিরে পেল।

বারো মাসে তেরো পার্বণ বামণীর বাড়িতে হতে থাকলো । তাই দেখে রাজা ভয় পেয়ে তার একমাত্র কন্যার সঙ্গে খুব ঘটা করে বামুনের ছেলে বিয়ে দিল ।আর সঙ্গে দিলেন হাতি ,ঘোড়া, হিরে, মানিক ,দাস- দাসী আরো কত কি। বামণী রোজ ভক্তি সহকারে পুজো করে ।এত ঐশ্বর্য তবুও একদিনও পুজো বাদ যায় না ।দেখতে দেখতে রাজ্যের পর রাজ্য সব অধিকার করে ছেলে টি ১৪ বছর বয়সে মস্ত বড় রাজা হল । কিন্তু পেঁচা পেঁচির ছানাদের নিত্য খাবারে ব্যবস্থা করে দিত । বামণীর বয়স হয়েছে, বৈকুন্ঠে যাবার সময় হল।

বামণী রথে চলার আগে তার বৌমাকে বলল বৌমা ,ভাদ্র মাস, কার্তিক মাস ,পৌষ মাস আর চৈত্র মাসে মা লক্ষ্মীর পুজো করবে। খুব শুদ্ধাচারে এবং খুব ঘটা করে। তিল ধুবড়ীর পূজা করবে আমি যেমন করতাম তেমনি করে । রোজ দুবেলা ঝড়া ,ঝাঁট, গঙ্গাজল দেবে। এইগুলো নিয়মমতো করলেই তোমাদের জীবনে আর কোন কষ্ট দুঃখ থাকবে না সৎ পথে থেকে জীবনযাপন করবে। এইসব কথা বলে বামণী স্বর্গে চলে গেলেন। ছেলে খুব ঘটা করে শ্রাদ্ধ করল। বউ শাশুড়ির কথা মত সব করতে লাগলো।এমনি করে তারাও কিছুকাল সুখ ভোগ করল। তারপর তাদের ছেলেমেয়ে নাতি পুতি ,বউ ,জামাই দের রেখে মায়ের মত উপদেশ দিয়ে পৃথিবীতে মা লক্ষ্মীর পূজা প্রচার করতে বললেন ।তারপর তাদের জন্য স্বর্গ থেকে রথ এলো এবং তাতে তারা চেপে স্বর্গে চলে গেল। তারপর থেকেই লক্ষীর ব্রত কথা প্রচার হলো।

04/09/2024

Address

Burdwan

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Golpo Ullash posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Golpo Ullash:

Share