A Untold Story

A Untold Story �Money loss is nothing loss, Health loss is nothing loss, but Character loss is everything loss�

Celebrating my 7th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
10/02/2025

Celebrating my 7th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

ক্যাপ্টেন অনুজ নাইয়ার, মহাবীর চক্রঅসাধারণ, ধন্যবাদ ভারতীয় রেল। নতুন AJJ WAG-9 HC 38944 উৎসর্গ করা হয়েছে ১৯৯৯ এর কার্গ...
30/01/2025

ক্যাপ্টেন অনুজ নাইয়ার, মহাবীর চক্র
অসাধারণ, ধন্যবাদ ভারতীয় রেল। নতুন AJJ WAG-9 HC 38944 উৎসর্গ করা হয়েছে ১৯৯৯ এর কার্গিল যুদ্ধে দেশের জন্য জীবন বলিদান দেওয়া ক্যাপ্টেন অনুজ নাইয়ার এর নামে। দুর্দান্ত উদ্যোগ। সেনা অফিসার ও তার পরিচয় দেশের মানুষের সামনে, আসল হিরোদের নাম সবার চোখের সামনে আনার এক দারুণ উদ্যোগ।
ফিল্মের নায়ক আর ক্রিকেট খেলোয়াড়দের বাইরে বেরিয়ে দেশের সেনাদের বীরগাথা, মানুষের চোখের সামনে আনার সময় এসেছে।
দারুন উদ্যোগ, Electric Loco Shed, Arakkonam
দেশবাসী জানুক আমাদের সেনাদের কথা...
ইতিহাস বইয়ে তাদের বীরত্বের কাহিনী পড়ানো হোক।
জয় হিন্দ, বন্দেমাতরম...
©️Amitavaa Sahaa

ছিঃ ছিঃ রে ননী ছিঃ…২০ বছর পর কীভাবে ভাইরাল এক ওড়িয়া গান, ১.২ কোটির রেকর্ড•আসলে এই গানের শুরু সম্বলপুর থেকে। এখন তা ছড়ি...
29/01/2025

ছিঃ ছিঃ রে ননী ছিঃ…২০ বছর পর কীভাবে ভাইরাল এক ওড়িয়া গান, ১.২ কোটির রেকর্ড
•আসলে এই গানের শুরু সম্বলপুর থেকে। এখন তা ছড়িয়ে পড়েছে ওড়িশা পেরিয়ে গোটা দুনিয়ায়। নতুন বছরের শুরুতেই 'ছি ছি ছিঁড়ে ননী...' গানটি যেন এক জাদু ছড়িয়েছে। ইউটিউবে গানটির ভিউ ছাড়িয়েছে ১২ মিলিয়ন গণ্ডি! সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এক লাখের বেশি ব্যবহারকারী এই গানের উপর শর্ট ক্লিপ তৈরি করেছেন।
বাংলা মানে:-
ধন কে দেখলু তুই ননী সিনা মনকে চিনলু নাই।
বাংলা: ধন (সম্পদ) দেখলি মেয়ে কিন্তু মনকে চিনলি না।
সোনাকে চিনলু বানাকে চিনলু মনিষো চিনলু নাই।
বাংলা: সোনাদানা চিনলি কিন্তু মানুষ চিনলি না।
ধন নাই বলি মোর পাখে ননী তার কাজে উঠি গলু।
বাংলা: আমার কাছে ধন (সম্পদ) নেই বলে,,মেয়ে তার সঙ্গে চলে গেলি।
ধন আছে সিনা মন নাই তাকে তুই জানি না পারিলু।
বাংলা: ধন সম্পদ আছে কিন্তু মন নেই তার,তুই জানতে পারলি নাহি।
গোটে দিনো মিশা যগি দেলু নাহি কেড়ে কথা করি দেলু।
বাংলা: একটা দিন ও অপেক্ষা করলি নাহি,কতো বড়ো কান্ড করে দিলি
মুই গাঁ যাই করি আসলা বেলে কেন্তা পাছরি দেলু।
বাংলা: আমি বেড়াতে গিয়ে এসে দখি আমায় কেমনে ভুলে গেলি।
ছি ছি ছি ননী ছি ছি ছি।
বাংলা: ছি ছি ছি মেয়ে ছি ছি ছি
•গানের প্রযোজক তথা রচয়িতা সীতারাম আগরওয়াল এর কৃতিত্ব দিয়েছেন প্রয়াত গায়ক ও গীতিকার সত্যনারায়ণ অধিকারীকে। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ড করছেন ভিডিওর মুখ্য চরিত্র সম্বলপুরের বিভূতি বিশ্বাল এবং পরিচালক মনভঞ্জন নায়ক।
•গোবিন্দটোলা, সম্বলপুরের বাসিন্দা বিভূতি বিশ্বাল একজন নিবেদিতপ্রাণ মঞ্চশিল্পী। থিয়েটারে তাঁর দক্ষতা, প্রধান এবং পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি ইতিমধ্যেই নিজের জায়গা করে নিয়েছেন। আকাশবাণী সম্বলপুরের সঙ্গে যুক্ত এই শিল্পী পার্ট-টাইম আর্ট টিচার হিসেবেও কাজ করেন।
•গানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার স্মৃতি রোমন্থন করে বিভূতি জানিয়েছেন, পরিচালক মনভঞ্জন নায়কের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল এক থিয়েটারের মাধ্যমে। বিভূতির গ্রাম্য চেহারা এবং সহজাত অভিনয় দক্ষতা দেখে পরিচালক তাঁকে এই মিউজিক ভিডিওতে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন। যদিও এর আগে কখনও মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় বা নাচ করেননি তিনি, তবুও নির্মাতারা তাঁর উপর ভরসা করেছিলেন।
•পরিচালক মনভঞ্জন নায়ক জানিয়েছেন, গানটি প্রথম বার রেকর্ড করা হয়েছিল ১৯৯৫ সালে। ২০০৫ সালে প্রযোজক সীতারাম আগরওয়াল এই গানের উপর একটি ভিডিও তৈরি করার প্রস্তাব দেন। তখনই এই গল্পটি তৈরি করেন নায়ক। গল্পটি এক দরিদ্র যুবককে ঘিরে, যাঁকে প্রেমিকার পরিবার আর্থিক অবস্থার কারণে প্রত্যাখ্যান করে। কাজের সন্ধানে বাড়ি ছেড়ে যাওয়া যুবক যখন ফেরে, তখন জানতে পারে প্রেমিকার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে। সেই হৃদয়বিদারক মুহূর্তে গানটি গেয়ে ওঠে যুবক।
পরিচালক মনভঞ্জন স্বীকার করেছেন, গানটির মান নিয়ে তাঁরা আত্মবিশ্বাসী থাকলেও এর এমন সাড়া জাগানো সাফল্য হবে তা কল্পনাও করতে পারেননি। ২০ বছর পর এই গানের পুনর্জন্ম যেন সৃষ্টিকর্তাদের জন্য এক অভাবনীয় উপহার।
এই মিউজিক ভিডিওর শুটিং হয়েছিল পিটাপালি এবং জামদারপালি গ্রামে। প্রথমে গানটি সামান্য পেলেও পরে হারিয়ে যায়। এখন সেই গানই ইতিহাস গড়ছে। সময়ের গণ্ডি পেরিয়ে মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে ছিঃ ছিঃ রে ননী ছিঃ।

ছিঃ ছিঃ রে ননী ছিঃ…২০ বছর পর কীভাবে ভাইরাল এক ওড়িয়া গান, ১.২ কোটির রেকর্ড•আসলে এই গানের শুরু সম্বলপুর থেকে। এখন তা ছড়ি...
26/01/2025

ছিঃ ছিঃ রে ননী ছিঃ…২০ বছর পর কীভাবে ভাইরাল এক ওড়িয়া গান, ১.২ কোটির রেকর্ড
•আসলে এই গানের শুরু সম্বলপুর থেকে। এখন তা ছড়িয়ে পড়েছে ওড়িশা পেরিয়ে গোটা দুনিয়ায়। নতুন বছরের শুরুতেই 'ছি ছি ছিঁড়ে ননী...' গানটি যেন এক জাদু ছড়িয়েছে। ইউটিউবে গানটির ভিউ ছাড়িয়েছে ১২ মিলিয়ন গণ্ডি! সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এক লাখের বেশি ব্যবহারকারী এই গানের উপর শর্ট ক্লিপ তৈরি করেছেন।
বাংলা মানে:-
ধন কে দেখলু তুই ননী সিনা মনকে চিনলু নাই।
বাংলা: ধন (সম্পদ) দেখলি মেয়ে কিন্তু মনকে চিনলি না।
সোনাকে চিনলু বানাকে চিনলু মনিষো চিনলু নাই।
বাংলা: সোনাদানা চিনলি কিন্তু মানুষ চিনলি না।
ধন নাই বলি মোর পাখে ননী তার কাজে উঠি গলু।
বাংলা: আমার কাছে ধন (সম্পদ) নেই বলে,,মেয়ে তার সঙ্গে চলে গেলি।
ধন আছে সিনা মন নাই তাকে তুই জানি না পারিলু।
বাংলা: ধন সম্পদ আছে কিন্তু মন নেই তার,তুই জানতে পারলি নাহি।
গোটে দিনো মিশা যগি দেলু নাহি কেড়ে কথা করি দেলু।
বাংলা: একটা দিন ও অপেক্ষা করলি নাহি,কতো বড়ো কান্ড করে দিলি
মুই গাঁ যাই করি আসলা বেলে কেন্তা পাছরি দেলু।
বাংলা: আমি বেড়াতে গিয়ে এসে দখি আমায় কেমনে ভুলে গেলি।
ছি ছি ছি ননী ছি ছি ছি।
বাংলা: ছি ছি ছি মেয়ে ছি ছি ছি
•গানের প্রযোজক তথা রচয়িতা সীতারাম আগরওয়াল এর কৃতিত্ব দিয়েছেন প্রয়াত গায়ক ও গীতিকার সত্যনারায়ণ অধিকারীকে। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ড করছেন ভিডিওর মুখ্য চরিত্র সম্বলপুরের বিভূতি বিশ্বাল এবং পরিচালক মনভঞ্জন নায়ক।
•গোবিন্দটোলা, সম্বলপুরের বাসিন্দা বিভূতি বিশ্বাল একজন নিবেদিতপ্রাণ মঞ্চশিল্পী। থিয়েটারে তাঁর দক্ষতা, প্রধান এবং পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি ইতিমধ্যেই নিজের জায়গা করে নিয়েছেন। আকাশবাণী সম্বলপুরের সঙ্গে যুক্ত এই শিল্পী পার্ট-টাইম আর্ট টিচার হিসেবেও কাজ করেন।
•গানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার স্মৃতি রোমন্থন করে বিভূতি জানিয়েছেন, পরিচালক মনভঞ্জন নায়কের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল এক থিয়েটারের মাধ্যমে। বিভূতির গ্রাম্য চেহারা এবং সহজাত অভিনয় দক্ষতা দেখে পরিচালক তাঁকে এই মিউজিক ভিডিওতে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন। যদিও এর আগে কখনও মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় বা নাচ করেননি তিনি, তবুও নির্মাতারা তাঁর উপর ভরসা করেছিলেন।
•পরিচালক মনভঞ্জন নায়ক জানিয়েছেন, গানটি প্রথম বার রেকর্ড করা হয়েছিল ১৯৯৫ সালে। ২০০৫ সালে প্রযোজক সীতারাম আগরওয়াল এই গানের উপর একটি ভিডিও তৈরি করার প্রস্তাব দেন। তখনই এই গল্পটি তৈরি করেন নায়ক। গল্পটি এক দরিদ্র যুবককে ঘিরে, যাঁকে প্রেমিকার পরিবার আর্থিক অবস্থার কারণে প্রত্যাখ্যান করে। কাজের সন্ধানে বাড়ি ছেড়ে যাওয়া যুবক যখন ফেরে, তখন জানতে পারে প্রেমিকার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে। সেই হৃদয়বিদারক মুহূর্তে গানটি গেয়ে ওঠে যুবক।
পরিচালক মনভঞ্জন স্বীকার করেছেন, গানটির মান নিয়ে তাঁরা আত্মবিশ্বাসী থাকলেও এর এমন সাড়া জাগানো সাফল্য হবে তা কল্পনাও করতে পারেননি। ২০ বছর পর এই গানের পুনর্জন্ম যেন সৃষ্টিকর্তাদের জন্য এক অভাবনীয় উপহার।
এই মিউজিক ভিডিওর শুটিং হয়েছিল পিটাপালি এবং জামদারপালি গ্রামে। প্রথমে গানটি সামান্য পেলেও পরে হারিয়ে যায়। এখন সেই গানই ইতিহাস গড়ছে। সময়ের গণ্ডি পেরিয়ে মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে ছিঃ ছিঃ রে ননী ছিঃ।
©️RAJYA BARTA

একজন বাবাকে তার ছেলে জিজ্ঞেস করলোঃ বাবা, সফল জীবন কাকে বলে?বাবাঃ আমার সাথে চলো, আজ আমরা একসাথে ঘুড়ি উড়াবো।অতঃপর তারা ব...
24/01/2025

একজন বাবাকে তার ছেলে জিজ্ঞেস করলোঃ বাবা, সফল জীবন কাকে বলে?
বাবাঃ আমার সাথে চলো, আজ আমরা একসাথে ঘুড়ি উড়াবো।
অতঃপর তারা বেরিয়ে পড়লো এবং খোলা মাঠে গিয়ে বাবাটি ঘুড়ি ওড়ানো শুরু করলো। আর ছেলেটি মনযোগ সহকারে দেখতে লাগলো।
আকাশে ঘুড়িটি বেশ ওপরে উঠার পর বাবা বললোঃ এই দেখো ঘুড়িটা অতো উঁচুতেও কেমন বাতাসে ভেসে আছে। তোমার কি মনে হয়না যে, এই সূতোয় বেঁধে রাখার কারণে ঘুড়িটা আরোও উপরে উঠে যেতে পারছেনা ?
ছেলেঃ সেটাই তো মনে হচ্ছে, সূতো না থাকলে ওটা আরও উপরে যেতে পারতো।
এটা শুনে বাবা উনার হাতের সূতোটা কেটে দিলেন। আর ঘুড়িটা সূতার টান মুক্ত হয়েই প্রথমে কিছুটা উপরে গেল। কিন্তু একটু পরেই নিচের দিকে নামতে নামতে মাটিতে পড়ে গেল।
এবার বাবা তার ছেলেকে বললোঃ শোনো, জীবনে আমরা যে উচ্চতায় আছি বা থাকি সেখান থেকে প্রায়ই মনে হয় ঘুড়ির সূতার মত কিছু কিছু বন্ধন আমাদের আরও উপরে যেতে বাঁধা দেয়। যেমনঃ পরিবার, মা-বাবা, সন্তান, সংসার, অনুশাসন ইত্যাদি।
আর আমরাও সেইসব বাঁধন থেকে কখনো কখনো মুক্ত হতে চাই। বাস্তবে ঐ বন্ধনগুলোই আমাদের উঁচুতে টিকিয়ে রাখে, স্থির রাখে, নিচে পড়ে যেতে দেয় না। ঐ বন্ধন না থাকলে আমরা হয়তো ক্ষণিকের জন্য কিছুটা উপরে যেতে পারি, কিন্তু অল্পসময়েই আমাদেরও পতন হবে ঐ বিনা সূতোর ঘুড়ির মতই।
সুতরাং জীবনে তুমি যদি উঁচুতে টিকে থাকতে চাও তবে কখনোই ঐ বন্ধন ছিড়বে না। সুতা আর ঘুড়ির মিলিত বন্ধন যেমন আকাশে ঘুড়িকে দেয় ভারসাম্য, তেমনি পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধনও আমাদের জীবনে উচ্চতায় টিকে থাকার ভারসাম্য দেয়। আর এটাই প্রকৃত সফল জীবন।

©️ অক্সিজেন

এক সময়ে বিহার থেকে বাংলায় নানা পেশার টানে ছেলেমেয়েরা যেমন আসত, এখন তার উল্টো স্রোত।
29/05/2024

এক সময়ে বিহার থেকে বাংলায় নানা পেশার টানে ছেলেমেয়েরা যেমন আসত, এখন তার উল্টো স্রোত।


কাঠগড়ায় শিশুদের খাবার সেরেল্যাক... একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ভারতে যে সেরেল্যাক বিক্রি হয়, তাতে অতিরিক্ত মাত্রায় চি...
20/04/2024

কাঠগড়ায় শিশুদের খাবার সেরেল্যাক...
একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ভারতে যে সেরেল্যাক বিক্রি হয়, তাতে অতিরিক্ত মাত্রায় চিনি রয়েছে। তার পরেই প্রশ্নের মুখে সংস্থা। তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও বার বার বিতর্কের মুখে পড়েছে সংস্থা।অভিযোগ, ভারতে নেসলে সংস্থার তৈরি শিশুদের খাবার সেরেল্যাকে অতিরিক্ত মাত্রায় চিনি থাকে। যেখানে ব্রিটেন, সুইৎজ়ারল্যান্ড, জার্মানিতে সেরেল্যাকে কোনও চিনি থাকে না। এই দাবি করেছে ‘পাবলিক আই’-এর একটি রিপোর্ট।রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ওবেসিটি-সহ অন্যান্য রোগ প্রতিরোধের জন্য শিশুদের খাবার নিয়ে যে আন্তর্জাতিক নির্দেশিকা রয়েছে, তা মেনে ভারতের জন্য সেরেল্যাক তৈরি করেনি নেসলে। শুধুমাত্র এশিয়া, আফ্রিকা এবং লাতিন আমেরিকার দেশগুলিতেই অতিরিক্ত চিনি মেশানো শিশুখাদ্য বিক্রি করে নেসলে।যদিও নেসলে সংস্থার এক মুখপাত্র একটি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, গত পাঁচ বছরে শিশুদের সিরিয়ালে চিনির পরিমাণ ৩০ শতাংশ কমানো হয়েছে। সে সব খাবারে চিনির পরিমাণ নিয়ে ক্রমাগত ‘পর্যালোচনা’ করা হচ্ছে।রিপোর্টে লেখা হয়েছে, ভারতে ১৫ ধরনের সেরেল্যাক পাওয়া যায়। প্রতি বার একটি শিশুকে যতটা পরিমাণ সেরেল্যাক দেওয়া হয়, তাতে তিন গ্রাম করে চিনি থাকে। জার্মানি বা ব্রিটেনে ওই একই সেরেল্যাকে কোনও অতিরিক্ত চিনি থাকে না।‘পাবলিক আই’-এর সমীক্ষা বলছে, ইথিওপিয়া এবং তাইল্যান্ডে ওই একই পরিমাণ সেরেল্যাকে ছ’গ্রাম চিনি থাকে। রিপোর্টে আরও দাবি, নেসলে সংস্থা তাদের পণ্যে ভিটামিন, মিনারেল, অন্য উপাদানের কথা প্রকাশ করলেও অতিরিক্ত চিনির কথা জানায়নি।২০২২ সালে নেসলে সংস্থা ভারতে ২০ হাজার কোটি টাকার সেরেল্যাক বিক্রি করেছে। বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, শিশুদের খাদ্যে অতিরিক্ত চিনি নেশার মতো কাজ করতে পারে, যা ক্ষতিকর। তা ছাড়া শিশুদের শরীরে এর কোনও প্রয়োজনও নেই। বড় হলে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতে নড়েচড়ে বসেছে ভারত। সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ খতিয়ে দেখছে তারা। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের একটি সূত্র জানিয়েছে, বিজ্ঞানীদের একটি প্যানেলের সামনে এই রিপোর্ট পেশ করা হবে।
©️APB

𝓘𝓯 𝓘 𝓬𝓸𝓾𝓵𝓭 𝓰𝓸 𝓫𝓪𝓬𝓴 𝓲𝓷 𝓽𝓲𝓶𝓮 𝓪𝓷𝓭 𝓬𝓱𝓸𝓸𝓼𝓮 𝓪𝓰𝓪𝓲𝓷, 𝓘 𝔀𝓸𝓾𝓵𝓭 𝓬𝓱𝓸𝓸𝓼𝓮 𝔂𝓸𝓾. 𝓜𝔂 𝓭𝓮𝓪𝓻, 𝓘 𝔀𝓲𝓼𝓱 𝔂𝓸𝓾 𝓪 𝓱𝓪𝓹𝓹𝔂 𝓪𝓷𝓷𝓲𝓿𝓮𝓻𝓼𝓪𝓻𝔂.🍁🎈🎊🎉
08/03/2024

𝓘𝓯 𝓘 𝓬𝓸𝓾𝓵𝓭 𝓰𝓸 𝓫𝓪𝓬𝓴 𝓲𝓷 𝓽𝓲𝓶𝓮 𝓪𝓷𝓭 𝓬𝓱𝓸𝓸𝓼𝓮 𝓪𝓰𝓪𝓲𝓷, 𝓘 𝔀𝓸𝓾𝓵𝓭 𝓬𝓱𝓸𝓸𝓼𝓮 𝔂𝓸𝓾. 𝓜𝔂 𝓭𝓮𝓪𝓻, 𝓘 𝔀𝓲𝓼𝓱 𝔂𝓸𝓾 𝓪 𝓱𝓪𝓹𝓹𝔂 𝓪𝓷𝓷𝓲𝓿𝓮𝓻𝓼𝓪𝓻𝔂.🍁🎈🎊🎉

রাজনীতির পাকে তবে কি ভগবানের আবির্ভাব হবে....?
03/03/2024

রাজনীতির পাকে তবে কি ভগবানের আবির্ভাব হবে....?


🚩রামমন্দির🚩*রামলালার মূর্তিতে সোনার কাঠি দিয়ে অঞ্জন পরিয়ে, দর্পণ দর্শন করিয়ে ‘প্রাণপ্রতিষ্ঠা’ সম্পন্ন করেছেন প্রধানমন...
24/01/2024

🚩রামমন্দির🚩
*রামলালার মূর্তিতে সোনার কাঠি দিয়ে অঞ্জন পরিয়ে, দর্পণ দর্শন করিয়ে ‘প্রাণপ্রতিষ্ঠা’ সম্পন্ন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রামমন্দির উদ্বোধনের পর কেটে গিয়েছে দু’দিন। ভক্ত এবং দর্শনার্থীদের ভিড়ে জমজমাট অযোধ্যা। মন্দিরের চোখ ধাঁধানো সৌন্দর্য নজর কেড়েছে বিশ্ববাসীর। যে নির্মাণ সংস্থা ‘ঐতিহাসিক’ স্থাপত্যকীর্তির দায়িত্বে ছিল, তাদের দাবি, অম্তত হাজার বছর মন্দিরের সৌন্দর্যে কোনও টান ধরবে না।
*রামমন্দিরের ইঞ্জিনিয়ার জানান, ৭০ একর জমির উপর তৈরি মন্দিরে প্রাচীন নগরসভ্যতার স্থাপত্যশৈলির ছাপ রাখতে চেয়েছেন। মন্দিরটি উচ্চতায় ১৬১.৭৫ ফুট এবং প্রস্থে ২৪৯.৫ ফুট।
* ইঞ্জিনিয়ার জানান, তাঁদের নির্মাণ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একটি বিস্ময়কর কাজ। হাজার বছর কোনও ক্ষতি হবে না মন্দিরের। এই নির্মাণ ধৈর্যের প্রতীক।
*রামমন্দির তৈরিতে ব্যবহার হয়েছে বিশেষ পাথর। রাজস্থানের ভরতপুর থেকে সেই পাথর আনা হয়েছিল। এই পাথরগুলি নিরীক্ষণের জন্য কিউআর কোড ব্যবহার করা হয়।
*সব মিলিয়ে ৩৯০টি স্তম্ভ আছে রামমন্দিরে। মজার ব্যাপার এত বড় নির্মাণে লোহার রড ব্যবহার করা হয়নি। ব্যবহৃত হয়নি স্টেনলেস স্টিলও। বছরের পর বছর গেলেও যাতে নির্মাণের ভিতরে কোনও ক্ষয় না হয়, তাই এই ব্যবস্থা।


🕉শ্রীরাম জন্মভূমি🚩আইনি লড়াই শুরু হয়েছিল ১৩৯ বছর আগে। আর দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে টানাপড়েনটা চলছিল তারও অনেক আগে থেকে। পাঁ...
22/01/2024

🕉শ্রীরাম জন্মভূমি🚩

আইনি লড়াই শুরু হয়েছিল ১৩৯ বছর আগে। আর দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে টানাপড়েনটা চলছিল তারও অনেক আগে থেকে। পাঁচ শতক ধরে চলতে থাকা এই টানাপড়েনের পর আসে সুপ্রিম কোর্টের রায়। অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ তৈরি হওয়ার ৪৯১ বছর পরে শীর্ষ আদালতের বিচারকেরা জানান, হিন্দুদের বিশ্বাসের ‘রামজন্মভূমি’তে মন্দিরই হবে।
*১৫২৮: অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ তৈরি করালেন মুঘল সম্রাট বাবরের সেনাপতি মির বাকি। বছর দুয়েক আগেই ভারতে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছেন জহিরুদ্দিন মহম্মদ বাবর। ১৮৮৫: মুঘল যুগ শেষ হয়ে গিয়েছে। ফৈজাবাদের জেলা আদালতের দ্বারস্থ হয়ে রামজন্মভূমি-বাবরি মসজিদের বিতর্কিত কাঠামোর বাইরে শামিয়ানা তৈরি করে রামলালার মূর্তি স্থাপনের আবেদন জানালেন মহন্ত রঘুবীর দাস। আর্জি খারিজ করল ব্রিটিশ আদালত।
*১৯৫০: গোপাল সিমলা এবং মহন্ত রামচন্দ্র দাস ফৈজাবাদ আদালতে আলাদা আলাদা মামলা করে বিতর্কিত স্থানে রামলালার পুজোর অনুমতি চাইলেন।
*১৯৫৯: বিতর্কিত জমির মালিকানা দাবি করে মামলা করল নির্মোহী আখড়া।
*৬ ডিসেম্বর, ১৯৯২: স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে বিতর্কিত তারিখগুলোর অন্যতম। ধূলিসাৎ হল বাবরি মসজিদ।
*৩ এপ্রিল, ১৯৯৩: সংসদে আইন পাশ করিয়ে অযোধ্যার বিতর্কিত জমির দখল নিল কেন্দ্রীয় সরকার।
*৮ মার্চ, ২০১৯: বিচারপতি এফএম কলিফুল্লা, আধ্যাত্মিক গুরু শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর এবং আইনজীবী শ্রীরাম পঞ্চুকে নিয়ে মধ্যস্থতা প্যানেল তৈরি করে দিল সুপ্রিম কোর্ট।
*২ অগস্ট, ২০১৯: মধ্যস্থতার চেষ্টা ব্যর্থ।
*৯ নভেম্বর, ২০১৯: সুপ্রিম কোর্ট রায় দিল, অযোধ্যায় বিতর্কিত জমিতে হিন্দুদের মন্দির তৈরি হবে। বিকল্প পাঁচ একর জমি দেওয়া হবে মুসলিম সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে।
*২২ জানুয়ারি, ২০২৪: বহু বিতর্ক এবং আইনি লড়াইয়ের পর অবশেষে উদ্বোধন হচ্ছে রামমন্দিরের। ‘প্রাণপ্রতিষ্ঠা’ হল রামলালার বিগ্রহে। মন্দিরের উদ্বোধন উপলক্ষে অযোধ্যায় হাজির লক্ষ লক্ষ মানুষ। তাঁরাও সাক্ষী থাকলেন ইতিহাস এবং পরিবর্তনের।

Address

Kalapota Sabuj Sangha Football Ground
Basirhat
743292

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when A Untold Story posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category