Iptawb N24 Pargana

Call Directions Contact the establishment

Iptawb N24 Pargana ভারতীয় গণনাট্য সংঘ পশ্চিমবঙ্গ, উত্তর 24 পরগনা জেলা।�

‘জঙ্গলের মধ্যিখানে’আসুন, আজকের গানে একটা গল্প বলি। যদিও গল্পটি আমাদের চেনা গভীর জঙ্গলের প্রাণীদের নিয়ে তবুও তার সঙ্গে আপ...
11/10/2026

‘জঙ্গলের মধ্যিখানে’

আসুন, আজকের গানে একটা গল্প বলি। যদিও গল্পটি আমাদের চেনা গভীর জঙ্গলের প্রাণীদের নিয়ে তবুও তার সঙ্গে আপনি আপনার জীবনের বা চলমান সমাজের কোনো ঘটনার সঙ্গে মিল পেতে পারেন। যদি একান্তই মিল না পান, তবে ‘ঈশপ’এর গল্পের মতন কিছু একটা বুঝে নিতে অসুবিধা হবেনা।

অনুরোধ, গানটি শুনতে শুরু করুন। কথা দিচ্ছি, এর পরে আর থামতে পারবেন না। গল্প আপনাকে গানের শেষ অবধি টেনে নিয়ে যাবে।

আর একটা আন্তরিক অনুরোধ, গানটিতে কমেন্ট করার সঙ্গে সঙ্গে বন্ধুদের শেয়ার করুন। আমাদের চ্যানেলটি সাবসক্রাইব করতে ভুলবেন না। এতে আপনার কোন খরচা হবেনা, কিন্তু আমাদের এগিয়ে যেতে এক হাত সাহায্য হবে।.......................................................................................................................

বিচিত্রানুষ্ঠান
জঙ্গলের মধ্যিখানে মানুষজনে কেউ না জানে
সেথায় কাঁদে হায়না চিতা নেকড়ে মামা বসে
হানাহানি মারামারি বদনামের বোঝা ভারি
নিন্দের এই বোঝা বয়ে মরবো নাকি শেষে।

ভাগ্নে শেয়াল বলে এসে চিন্তা এমন আছে কিসে
তোমরা যদি চাওতো বলি উপায় একটা হবে
মস্ত একটা গানের আসর জঙ্গলের মিলন বাসর
রাত্রিব্যাপী বসিয়ে দেওয়া যাবে।

সেই আসরে গাইবে সবাই হায়না চিতা বাদ কেউ নাই
একে একে গাইবে সবাই ভালোবাসার গান
জঙ্গলেতে কাটবে ভয় সব নিন্দার হবে লয়
জুড়িয়ে যাবে বনের যত পশুপাখীর প্রাণ।

প্রস্তাবটা লাগলো মনে বাদ্যি বেজে উঠলো বনে
আসরকর্তা শেয়ালচাচা বাজিয়ে চলে ঢ্যাড়া
তোমরা আছ যে যেখানে যেও সবাই অনুষ্ঠানে
তিন রাত্তির খাটনি খেটে প্রচার হল সারা।

অবশেষে মধ্যিরাতে প্রস্তুতির শেষবেলাতে
ফেউ বাবাজী দৌড়ে এসে বলে কুঁচকে ভুরু
ভুল করেছ জবর তুমি গাইবে কে গান উদ্বোধনী
ঐটা ছাড়া কেমন করে আসর হবে শুরু।

শেয়াল বলে একটু ভেবে বুদ্ধি তোমার খুলবে কবে
ছোট্ট পাখীর দলকে ডেকে করতে বল উদ্বোধন
একটু যদি গাইতে পায় ওদের মনে আনন্দ হয়
সুযোগ পেলে পয়সা বিনে গাইবে ওরা আধডজন।

একটু বাদে পাখীর গানে আসর শুরু হল বনে
মধুর সুরে যেমনি ভরে উঠলো বনের প্রাণ
সভাপতি সিংহখুড়ো বেজায় রেগে বলে দুরো
ঢের হয়েছে বন্ধ কর ঐ প্যানপ্যানানি গান।

করুণমুখে পাখীর দল নেমে এল মঞ্চের তল
গাইবে এবার হায়না দাদা আজব পল্লীগান
বিকট সুরে হা হা করে যেইনা গানের মুখটি ধরে
গাধায় হাসে শেয়াল চাচার শুকিয়ে গেল প্রাণ।

তারপরেতে চিতা এসে ঘড়ঘড়িয়ে বেজায় কেশে
করাত চেরা মধুর গলায় যেমনি গান ধরে
ভালোবাসার কথাতে হায় মিচকে হাসির বান ডেকে যায়
খরগোসেরা ল্যাজ নাচিয়ে লুটায় ধুলার পরে।

চিতা রেগে বলে হায়না তোমার জন্য এ গঞ্জনা
আসরখানা নষ্ট তুমি করলে সবার আগে
হায়না বলে কথা শোন মাথামুন্ডু নেইকো কোন
জবাব তোমায় বুঝিয়ে দেব আবার পেলে বাগে।

হায়না চিতার ঝগড়া শুনে শ্রোতারা সব প্রমাদ গোনে
ভাবে মনে এরপরেতে কি জানি কি হয়
শেয়াল চাচা ভাবে বসে পরিস্থিতি সর্বনেশে
নেকড়ে মামা আসরেতে এলেন এমন সময়।

করলে পরে হাসিঠাট্টা উড়িয়ে দেব গালপাট্টা
ধমক দিয়ে নেকড়ে মামা গান ধরলেন শেষে
দুচোখ বুজে খানিক গেয়ে ম্যালেন যখন চোখটি চেয়ে
সামনে দেখেন কাঁপছে শেয়াল আড়াল করে বসে।

নেকড়ে মামা বলে ভাগ্নে তুমি কেন বসে সামনে
শ্রোতাদের যে সাড়াশব্দ শুনতে নাহি পাই
শেয়াল হেঁকে বলে মামা বড্ড খারাপ এই জমানা
সামনে কেবল ফাঁকা ময়দান কোথাও কেহ নাই।

নেকড়ে বলে শোনরে ব্যাটা তুই দেখছি বেজায় ঠ্যাটা
আসর করার নামটি করে করলি অপমান
ভালোবাসাবাসিতে আর আমার কোন নেই দরকার
এক্ষুনি এই দাঁতের ফাঁকে যাবেরে তোর প্রাণ।

এমন কথা যেমন বলা শেয়াল বলে পালা পালা
হায়না বলে ধর ব্যাটাকে চিতা বলে মার
হট্টগোল আর গন্ডগোলে শেয়াল চাচা তালেগোলে
চটপটাপট পালিয়ে গেল সুদূর বনের পার।

একটু বাদে সকাল হলে পাখীরা ফের দলে দলে
গাছের কোলে বসে আবার গাইল মধুর গান
ফিরে এলো শান্তি আবার মনে এলো স্বস্তি সবার
পাখীর গানেই বুক জুড়াল ভরলো বনের প্রাণ।

কথা ও সুর: কঙ্কণ ভট্টাচার্য

SOUND DESIGN: SUNO AI
VIDEO ASSIST: GOOGLE FLOW AI, GOOGLE GENIMI AI.

‘জঙ্গলের মধ্যিখানে’আসুন, আজকের গানে একটা গল্প বলি। যদিও গল্পটি আম...

আর মাত্র ৪দিন এর অপেক্ষা
08/10/2026

আর মাত্র ৪দিন এর অপেক্ষা

বিশ্বনাথ পাটেকার , যিনি নানা পাটেকার নামে অধিক পরিচিত, ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রভাবশালী অভিনেতা হিসেবে ব্...
08/10/2026

বিশ্বনাথ পাটেকার , যিনি নানা পাটেকার নামে অধিক পরিচিত, ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রভাবশালী অভিনেতা হিসেবে ব্যাপকভাবে বিবেচিত পাটেকার তাঁর অভিনয়শৈলীর জন্য তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, চারটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, দুটি মহারাষ্ট্র রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং ফিল্মফেয়ার মারাঠি পুরস্কার লাভ করেন। চলচ্চিত্র ও শিল্পকলায় তাঁর অবদানের জন্য ২০১৩ সালে তাঁকে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
১৯৭৮ সালে তাঁর অভিনীত প্রথম সিনেমা গমন, এরপর তাঁর দীর্ঘ অভিনয় জীবনে প্রায় ৭০টিরও বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমা গুলি হল পারিন্দা, ক্রান্তিবীর, অগ্নিসাক্ষী, খামোশী দ্যা মিউজিক্যাল, আব এক ছাপ্পান, রাজনীতি।
ধর্মীয় ভেদাভেদ ও জাত পাতের বিরুদ্ধে, মেহনতি মানুষের হয়ে প্রতিবাদী এই শিল্পীর চলে যাওয়া ভারতীয় শিল্প জগতের একটা অপূরণীয় ক্ষতি।

১২ অক্টোবর ২০২৬, বিকেল ৫টায় সকলে আসুন গণনাট্য সংঘের রাজ্য দপ্তরে।     #গণনাট্যবার্তা
07/10/2026

১২ অক্টোবর ২০২৬, বিকেল ৫টায় সকলে আসুন গণনাট্য সংঘের রাজ্য দপ্তরে।


#গণনাট্যবার্তা

প্রকাশ এর অপেক্ষায়
07/10/2026

প্রকাশ এর অপেক্ষায়

‘জানলা দিয়ে জ্যোৎস্না ঢোকে ঘরে' আনন্দ বেদনা সুখ অভিমান জয় পরাজয় নিয়েই মানুষের জীবন। আর তা নিয়েই রচিত হয় চার লাইনের কবিতা...
03/10/2026

‘জানলা দিয়ে জ্যোৎস্না ঢোকে ঘরে'

আনন্দ বেদনা সুখ অভিমান জয় পরাজয় নিয়েই মানুষের জীবন। আর তা নিয়েই রচিত হয় চার লাইনের কবিতা থেকে কয়েকশো পাতার উপন্যাস। কিন্তু দিন আনা দিন খাওয়া প্রান্তিক মানুষের বাস্তব জীবনের উপাদান নিয়ে সৃষ্ট কাব্যের সংখ্যা কটি ? অথচ সেখানে লুকিয়ে আছে এক আনাস্বাদিত জীবনের গভীর জীবনবোধের ঘ্রাণ।

এই রকমই একটি গান আজ শোনাবো। এক বস্তিবাসিনী নারীর অব্যক্ত জীবন য়ন্ত্রণা এবং তা থেকে উদ্ভুত এক আবেগের বহি:প্রকাশের কথা। বড় রাস্তা তৈরি করার জন্য বস্তি ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে। প্রায় ছিন্নমূল হয়ে যাওয়া এই নারী জানলার পাশে দাঁড়িয়ে জ্যোৎস্নার চাঁদকে বলছে 'তুই একটু সরে যা', কারণ তুই না সরলে আমার আলুথালু বসন ঢাকবো কেমন করে।

এই অসামান্য গানটি রচনা করেছেন বহুজনের পরিচিত প্রয়াত কবি শ্রী সমীর ভট্টাচার্য। বিগত ২০১৮ সালে গানটি প্রথম পোস্ট করেছিলাম। তখন গানটিতে কন্ঠ দিয়েছিলেন প্রতিশ্রুতিবান শিল্পী শ্রীমতি মণিদীপা সেন। দ্বিতীয়বার গানটি গেয়েছেন অনামিকা।

আশাকরি আগের মতো এবারও আপনাদের গানটি ভালো লাগবে। ভালো লাগলে ‘লাইক’, ‘কমেন্ট’ ও চ্যানেলটি সাবসক্রাইব করার অনুরোধ রইল।..............................................................................................................

জানলা দিয়ে জ্যোৎস্না ঢোকে ঘরে
ও চাঁদ তুই একটু সরে যা রে
আলুথালু বসন আমার ঢাকবো কেমন করে ?

পোড়ার মুখো মিন্‌সে আমায় যে রে
এই চাঁদ দেখিয়েই করল ঘরের বার
তারপরে যে কোথায় গেল চলে
জীবন ভরা শুধুই হাহাকারে।

উচ্ছেদের নোটিস এসে গেছে
আজ এখানে কাল ওখানে বাস
এখান দিয়েই বড় রাস্তা হবে
দেশ বাঁচানোর ভীষণই দরকারে।

পাঁচ বাড়িতে বাসন মেজে বাঁচা
শরীর দিলে একটু বাড়ে আয়
পেটে যার খাবার শূন্য ঢুঢু
যৌবন তার থাকবে কেমন করে।

বাঁশের বেড়া মাথার উপর টালি
সে ঘরেতে পর্‌দা কোথায় পাই
ও চাঁদ তুই একটু সরে যা না
আমায় এবার একটু রেহাই দেরে।

কথা: সমীর ভট্টাচার্য,
সুর: কঙ্কণ ভট্টাচার্য
কন্ঠ: অনামিকা

Sound Design: SUNO AI
Video Assist: Google Flow AI

‘জানলা দিয়ে জ্যোৎস্না ঢোকে ঘরে' আনন্দ বেদনা সুখ অভিমান জয় পরাজয় ন...

‘সুচেতনা, এখনও তো তুমি এলেনা’‘সুচেতনা’ শব্দটিকে কবি জীবনানন্দ দাস তাঁর কবিতায় এক বিশেষ মাত্রা দিয়েছিলেন। তিনি লিখেছিলেন ...
27/09/2026

‘সুচেতনা, এখনও তো তুমি এলেনা’

‘সুচেতনা’ শব্দটিকে কবি জীবনানন্দ দাস তাঁর কবিতায় এক বিশেষ মাত্রা দিয়েছিলেন। তিনি লিখেছিলেন ‘সুচেতনা তুমি এক দূরতর দীপ, তবুও তোমার কাছে আমার হৃদয়’। তাঁর রচনার ব্যঞ্জনা আজও আমাদের চেতনকে যেন এক দূরের দীপে পৌঁছে দেয়। পাঠক আজও তা ভুলতে পারেন নি, পারবেন না।

এই ‘সুচেতনা’ শব্দটিকে আজকের পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োগ করে গীতিকার কবি ফাল্গুনী সেনগুপ্ত একটি গান রচনা করেছেন। এতে যেন ‘সুচেতনা’ নতুন করে জীবন ফিরে পেয়েছেন। সেটিই আজ শ্রোতা বন্ধুদের হাতে তুলে দিচ্ছি। আপনাদের ভালো লাগলে তা শেয়ার করার অনুরোধ রইল।..........................................................................................................................

সুচেতনা - এখনো তো তুমি এলেনা
তুমি এলে দ্বীপ জ্বলে
ঝিমিয়ে পড়া যত সারসগুলো
একসাথে মেলে দিত ডানা।

তোমার অভাব বুকে বাজে
রঙ মেখে সঙ সেজে আর কতকাল বলো
নিজেকে ঠকিয়ে মরি লাজে।

হাট মাঠ বন্দর কারখানা কলে
অফিস কাছারী বা কলেজ স্কুলে
আট থেকে আশি সব ছেলেমেয়ে বুড়োবুড়ি
বেসুরো সময়টাতে রয়েছি ঝুলে।

ওগো সুচেতনা তুমি এসো
আমাদের মন জুড়ে হৃদয়ে বোস
সব অভিমান ছেড়ে আমাদের অন্তরে
তোমার খুশির হাসি হাসো।
সুচেতনা- তুমি আর দেরী কোরোনা।

কথা: ফাল্গুনী সেনগুপ্ত,
সুর: কঙ্কণ ভট্টাচার্য

SOUND DESIGN: SUNO AI
VIDEO ASSIST: GOOGLE FLOW AI

‘সুচেতনা, এখনও তো তুমি এলেনা’‘সুচেতনা’ শব্দটিকে কবি জীবনানন্দ দাস...

‘পথিক নেয়ে’সমাজ জীবনের বাঁকে কিছু মানুষ আসেন, যারা নিজের জীবনের সুখ সমৃদ্ধির কথা না ভেবে মানুষের সেবায় নিজেদের জীবন উৎসর...
20/09/2026

‘পথিক নেয়ে’

সমাজ জীবনের বাঁকে কিছু মানুষ আসেন, যারা নিজের জীবনের সুখ সমৃদ্ধির কথা না ভেবে মানুষের সেবায় নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেন। তাঁদের জীবনের স্পর্শে সাধারণ মানুষ নতুন করে আশার আলো দেখতে পান। এইরকম যে কোনও বড় মাপের মানুষের উদ্দেশ্যে এই গানটি উৎসর্গীকৃত হতে পারে।

গানটি রচনা করেছিলেন এই সময়ের অন্যতম লোকপ্রিয় গণসঙ্গীতকার সদ্য প্রয়াত শ্রদ্ধেয় দুর্গা মন্ডল। এই গানটি তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যেও একটি নিবেদন। গানটি ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট এবং আমাদের চ্যানেলটি নিখরচায় সাবসক্রাইব করার অনুরোধ রাখছি। ভালো থাকুন সকলে।................................................................................................................

পথিক নেয়ে বেড়াও সাগরে
ওগো কোথায় তোমার ঘর
তুমি কি স্বপন সওদাগর
স্বপন সওদাগর।

কোন ঘাটে গো ভিড়াও তোমার ময়ূরপঙ্খী নাও
কোন দুখিনীর চোখের কোণে স্বপ্ন এঁকে যাও
তোমার ছোঁয়ায় জল থইথই শুকনো নদীর চর
তুমি কি স্বপন সওদাগর।

দিনগুলো সব পুড়ছে এখন অন্তবিহীন খরায়
রাত্রিগুলো যায় হারিয়ে মরা নদীর চড়ায়
ভাঙছে কারা সাধের গড়া ভালোবাসার ঘর।

ওগো নকশী কাঁথায় দাও না এঁকে তোমার স্বপ্ন দিয়ে
ভোরের আকাশ আসুক আবার মাথায় সূর্য নিয়ে
এসো সখা স্বপ্ন সাজাও আমার চোখের পর
তুমি কি স্বপন সওদাগর।

কথা: দুর্গা মন্ডল
সুর: কঙ্কণ ভট্টাচার্য

SOUND DESIGN: SUNO AI

VIDEO ASSIST: GOOGLE FLOW AI

‘পথিক নেয়ে’সমাজ জীবনের বাঁকে কিছু মানুষ আসেন, যারা নিজের জীবনের স...

15/09/2026

✒️শমীক লাহিড়ী

বিরিঞ্চিবাবার ডবল-ইঞ্জিন দর্শন

কলিকাতায় সম্প্রতি এক অভিনব হুলস্থুল উপস্থিত হইয়াছে।

শোনা গেল, রাজশেখর বসুর কৃপায় খ্যাতনামা মহাপুরুষ বিরিঞ্চিবাবা পুনরায় মর্ত্যে অবতীর্ণ হইয়াছেন। প্রায় নব্বই কোটি বৎসর পূর্বে যিনি সূর্যমণ্ডলে বসবাস করিতেন, ব্রহ্মার সহিত যিনি বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের নকশা করিয়াছেন, যিনি অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ একই সঙ্গে দেখিতে পান - সেই বিরিঞ্চিবাবা এবার আবির্ভূত হইয়াছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকট।

তাঁহার সঙ্গে আছেন চিরন্তন প্রধান শিষ্য পরমহংস এবং একদল নাগা সন্ন্যাসী। নাগা সন্ন্যাসীদের অবশ্য বিষয়টি খুব একটা ভালো লাগিতেছে না। পাহাড়ের ঠান্ডা ছাড়িয়া এই ভ্যাপসা গরমে পিচের রাস্তায় দাঁড় করাইয়া রাখিবার আধ্যাত্মিক তাৎপর্য তাঁহারা বুঝিয়া উঠিতে পারেন নাই।

কিন্তু বিরিঞ্চিবাবা সব জানেন। তিনি শুধু ত্রিকালজ্ঞ নন - বর্তমান যুগে ‘ডবল-ইঞ্জিন’দর্শনের একমাত্র অনুমোদিত সোল ডিস্ট্রিবিউটার, অর্থাৎ আধ্যাত্মিক শক্তির একমাত্র বৈধ পরিবেশক।
সংবাদ পাইয়া রাম ভক্ত গুরুপদবাবু তাঁহার কন্যা বুঁচি এবং সন্দিগ্ধচিত্ত যুবক সত্যচরণকে লইয়া হন্তদন্ত হইয়া সেই স্থলে উপস্থিত হইলেন।

দেখা গেল, প্রকাণ্ড এক সিংহচর্মের উপর বিরিঞ্চিবাবা অর্ধনিমীলিত নয়নে বসিয়া আছেন। চারিদিকে ধূপ, ধুনো, ঘণ্টা, মাইক এবং কিছু অত্যন্ত উৎসাহী মোবাইল ক্যামেরা। পার্শ্বে নব্য-সনাতনী মুখ্যমন্ত্রী হস্তজোড় করিয়া দাঁড়াইয়া আছেন। তাঁহার মুখে এমন এক ভক্তিভাব, যেন রাজ্যের বাজেট, বেকারত্ব এবং দ্রব্যমূল্যের যাবতীয় সমাধান এখনই অলৌকিকভাবে হইয়া যাইবে।

গুরুপদবাবু সাষ্টাঙ্গে প্রণিপাত করিয়া কাঁদিয়া ফেলিলেন। ‘বাবা! রাজ্যে এ কী ঘোর বিপদ! আলু-পটলের দর অগ্নিমূল্য। আপনার কৃপায় মধুমেহ রোগের কারণে দুর্মূল্য চিনি খাইতে হয় না, ইহা বাঁচাইয়া দিয়াছে। যুবকদের হাতে চাকরি নাই। শ্রমিকের মজুরি তলানিতে। বাজারে গেলেই পকেট কাঁদে, বাড়ি ফিরিলে সংসার কাঁদে। তাহার উপর ডবল-ইঞ্জিনের এমন দৌড় - সাধারণ প্রজার প্রাণ ওষ্ঠাগত। আমাদের উদ্ধার করুন, প্রভু!’

বিরিঞ্চিবাবা দাড়িতে হাত বুলাইয়া মৃদু হাসিলেন। ‘গুরুপদ, তুই মূর্খ ও প্রাকৃত জন। তুই যাহাকে অর্থনৈতিক সংকট বলিতেছিস, তাহা বস্তুত আধ্যাত্মিক পুনর্গঠন।’
গুরুপদবাবু হাঁ। ‘আজ্ঞে?’
‘হ্যাঁ। মানুষের দুঃখ না থাকিলে মানুষ ঈশ্বরকে স্মরণ করে না। অতএব দুঃখ যত বাড়িবে, ঈশ্বরস্মরণ তত বাড়িবে। ইহাই উন্নয়ন।’

সত্যচরণ এতক্ষণ চুপ করিয়া ছিল। সে চশমাটি জামার খুঁটে মুছিয়া মৃদুস্বরে কহিল – ‘বাবা, দ্রব্যমূল্যবৃদ্ধি আর আধ্যাত্মিক উন্নতির মধ্যে বৈজ্ঞানিক সম্পর্কটি কী?’
বিরিঞ্চিবাবা প্রসন্ন হইলেন। অতি গভীর, বৎস। ধর, তুই বাজারে গেলি। দেখিলি চালের দাম বাড়িয়াছে। তুই কম চাল কিনিবি। কম খাইবি। শরীর হালকা হইবে। ধ্যান সহজ হইবে। অর্থাৎ মূল্যবৃদ্ধি তোকে সরাসরি মোক্ষের পথে ঠেলিয়া দিতেছে।’
সত্যচরণ কহিল – ‘আলুর দাম?’
‘আলু? তাহা আরও মহৎ ব্যবস্থা। আলু সস্তা না থাকিলে আলুর প্রতি আসক্তি কমিবে।’
‘ডালের দাম?’
‘প্রোটিনের মোহ ছাড়িতে পারিতেছো না, সেই জন্যই তো মূল্যবৃদ্ধির এই মহার্ঘ্য আয়োজন।’
‘তেলের দাম?’
‘ওটা ভোগবিলাসের মোহ।’
‘গ্যাসের দাম?’
বিরিঞ্চিবাবা এক মুহূর্ত চোখ বন্ধ করিয়া গভীর ধ্যানে গেলেন। ‘অগ্নিতত্ত্বের সঙ্গে সরাসরি যোগ।’
পরমহংস তখনই ‘ব্যোম ব্যোম’ করিয়া উঠিল। চারিদিকের শিষ্যরাও তাহার সঙ্গে গলা মেলাইল।
নব-সনাতনী অধিকারি বিরক্ত হইয়া কহিলেন – ‘আহা, ব্যোম ব্যোম আবার কী? শ্রাবণ মাস তো কাটিয়া গিয়াছে। এখন জয় শ্রীরাম বলুন। উপরের নির্দেশ।’
বিরিঞ্চিবাবা মাথা নাড়িয়া কহিলেন – ‘ঠিক, ঠিক। আধ্যাত্মিকতাতেও সময়ের সঙ্গে ব্র্যান্ডিং বদলাইতে হয়।’
সত্যচরণ আবার প্রশ্ন করিল – ‘কিন্তু বাবা, চাকরি?’
‘চাকরি?’ বিরিঞ্চিবাবা এমনভাবে তাকাইলেন, যেন সত্যচরণ পৃথিবীর সবচেয়ে অশ্লীল শব্দটি উচ্চারণ করিয়াছে। ‘তা, চাকরি কেন চাইছিস?’
‘জীবনধারণের জন্য।’
‘জীবনধারণ! এই তো তোদের আসল সমস্যা। তোরা জীবনধারণ করিতে চাস, অথচ সরকার তোদের জীবন উৎসর্গ করাইতে চায়।’

সত্যচরণ কিছু বুঝিল না।
বিরিঞ্চিবাবা ব্যাখ্যা করিলেন – ‘ বাবা, চাকরি না থাকিলে মানুষ কী করে?’
‘বসে থাকে।’
‘ভুল। ধ্যান করে।’
‘চাকরি না থাকিলে সংসার কীভাবে চলবে?’
‘সংসার মায়া।’
‘টাকা না থাকিলে?’
টাকাও মায়া বাছা।’
‘তাহলে বাজারে গিয়ে কী কিনব?’
‘কিছুই না।’
‘তাহলে বাঁচব কীভাবে?’

বিরিঞ্চিবাবা হাসিয়া কহিলেন – ‘এই প্রশ্নটিই তোদের এখনও দূষিত ভোগবাদী মানসিকতার প্রমাণ।’
পার্শ্ববর্তী এক নাগা সন্ন্যাসী হঠাৎ কাশিয়া উঠিলেন। মনে হইল, তিনি এই দর্শনের বাস্তব প্রয়োগ সম্বন্ধে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা রাখেন।
বিরিঞ্চিবাবা তখন আরও উৎসাহিত হইয়া কহিলেন – ‘তোদের বস্ত্রের প্রয়োজন কী? এই যে নাগা মহাপুরুষেরা দাঁড়াইয়া আছেন, ইঁহাদের অবলোকন কর। বস্ত্রহীনতা মানেই মুক্তি। তোদের তো আমরা জন্মের সময় কিছু পরাইয়াই পাঠাই নাই। সরকার এখন আবার তোদের সেই প্রাকৃতিক অবস্থায় ফিরাইয়া লইয়া যাইতেছে।’

গুরুপদবাবুর চোখ চকচক করিয়া উঠিল। ‘বুঁচি! শুনছিস? এতদিন আমরা ভুল বুঝিয়াছিলাম। সরকার আমাদের গরিব করে নাই - মুক্ত করিতেছে!’ বুঁচি চুপ করিয়া রহিল।
সত্যচরণ কহিল – ‘কিন্তু বাবা, যাঁহাদের হাতে টাকা আছে, তাঁহারা?’
বিরিঞ্চিবাবা কহিলেন – ‘তাঁহাদের জন্য অন্য দর্শন।’
‘কী দর্শন?’
‘সঞ্চয় দর্শন।’
‘আর যাঁহাদের টাকা নাই?’
‘কেন! বৈরাগ্য দর্শন।’
‘এর অর্থ?’
‘যাহাদের টাকা আছে, তাহারা সম্পদ রাখিবে। যাহাদের নাই, তাহারা সম্পদের প্রতি আসক্তি ত্যাগ করিবে।’

সত্যচরণ কিছুক্ষণ চুপ করিয়া থাকিল। তারপর কহিল – ‘বাবা, এই দর্শনটা বড় সুবিধার।’
বিরিঞ্চিবাবা খুশি হইয়া কহিলেন – ‘দেখলি? বুদ্ধি বিকশিত হইতেছে।’
সত্যচরণ কহিল – ‘না, আমি ভাবিতেছিলাম, এই দর্শন যাঁহারা বানাইয়াছেন, তাঁহারা নিজেরাই যদি একটু বৈরাগ্য পালন করিতেন, তবে দেশের কত মানুষের উপকার হইত!’
চারিদিকে হঠাৎ নীরবতা। একটি মাইক বন্ধ হইয়া গেল। দুইজন শিষ্য পরস্পরের মুখের দিকে চাহিল। মুখ্যমন্ত্রী কাশিতে লাগিলেন। বিরিঞ্চিবাবার কপালে প্রথমবারের মতো ভাঁজ পড়িল।
তিনি রুষ্ট হইয়া কহিলেন - ‘ওরে সেকু-মাকু! তুই বড় বেয়াড়া প্রশ্ন করিস।’

সত্যচরণ বিনীতভাবে কহিল – ‘শেষ একটি প্রশ্ন, বাবা।’
‘কর।’
‘ডবল-ইঞ্জিনের চালকদেরও কি কৌপিন পরাইবার ব্যবস্থা হইতেছে, নাকি এই বৈরাগ্য কেবল প্রজা, শিক্ষার্থী, ইহাদিগকের জন্য?’

এইবার বিরিঞ্চিবাবা ভয়ানক রুষ্ট হইলেন। ষাট কোটি বছর বিশ্বব্রহ্মাণ্ড পরিচালনার সময় এমন প্রশ্ন তাঁহার সম্মুখে আসে নাই।
তিনি বজ্রকণ্ঠে কহিলেন – ‘মূর্খ! তুই জানিস না- রাজা আর প্রজার জীবন কখনও এক হয় না!’
সত্যচরণ মাথা নত করিয়া কহিল – ‘কেন, বাবা?’
বিরিঞ্চিবাবা কহিলেন – ‘কারণ রাজা জন্মায় শাসন করিবার জন্য, প্রজা জন্মায় শাসিত হইবার জন্য।’
সত্যচরণ কহিল – ‘কিন্তু এই নিয়ম কে বানাইলেন?’
বিরিঞ্চিবাবা কহিলেন – ‘আমি।’
‘আপনি কার কথা শুনিয়া বানাইলেন?’
বিরিঞ্চিবাবা থমকালেন।
সত্যচরণ আবার কহিল – ‘এইটুকু জানিবার অধিকার কি প্রজার নাই?’

বিরিঞ্চিবাবার মুখ এবার সম্পূর্ণ রক্তবর্ণ। তিনি হাত তুলিয়া অভিশাপ দিলেন – ‘ওরে পাষণ্ড! তোর স্থান নরকেও হইবে না।’
সত্যচরণ কাঁপিয়া উঠিল। বিরিঞ্চিবাবা বজ্রস্বরে কহিলেন – ‘তোর উপযুক্ত স্থান হইল -যাদবকুলের নামাঙ্কিত বিশ্ববিদ্যালয়!’
সত্যচরণ প্রথমে স্তব্ধ হইয়া গেল। তারপর অদ্ভুতভাবে হাসিতে লাগিল। ‘বাবা, এ তো অভিশাপ নয়!’
বিরিঞ্চিবাবা থতমত। ‘তবে কী?’
সত্যচরণ কহিল – ‘এ তো আশীর্বাদ।’

এই বলিয়া সে ৪ নম্বর গেটের ভিতর দিয়া আনন্দে অন্তর্ধান করিল।

এবার গুরুপদবাবুও বিরিঞ্চিবাবার পদযুগল জড়াইয়া বলিতে লাগিলেন – ‘আমার বুঁচিকেও এমন একটা অভিশাপ দিন বাবা’ । বুঁচি মুখ নিচু করিয়া হাসিতেছে।

অধিকারি প্রচণ্ড রুষ্ট হইয়া চারশত সিপাহির ঘেরাটোপে রাখা গাড়ির দিকে রওনা হইলেন। উঠিবার আগে তিনি পিছন ফিরিয়া কহিলেন - ‘পরেরদিন এখানে হনুমান চালিশা পাঠের ব্যবস্থা করো।’
কেহ জিজ্ঞাসা করিল – ‘কেন, মহাশয়?’
তিনি কহিলেন – ‘প্রশ্ন করার অভ্যাসটা খুব বাড়িয়া গিয়াছে।’

গাড়ি চলিয়া গেল। বিরিঞ্চিবাবা কিছুক্ষণ স্থির বসিয়া রহিলেন। তারপর পরমহংসের দিকে তাকাইয়া কহিলেন - ‘চলো।’
‘কোথায়, বাবা?’
‘হিমালয়ে।’
‘কেন?’
বিরিঞ্চিবাবা দীর্ঘশ্বাস ফেলিইয়া কহিলেন, ‘এই শহরে এখন আমারও নিরাপত্তা নাই। মানুষ যদি প্রশ্ন করিতে শিখিয়া যায়, তবে অলৌকিক ব্যবসার কী হইবে?’

নাগা সন্ন্যাসীরা ইতিমধ্যে বাসের খোঁজ করিতেছে। পাহাড়ের ঠান্ডায় ফিরিবার জন্য তাহাদের আর তর সইতেছে না। কিন্তু যাওয়ার আগে একজন বৃদ্ধ নাগা সন্ন্যাসী পাশের জনকে ফিসফিস করিয়া কহিলেন – ‘ভাই, একটা কথা বুঝিলাম।’
‘কী?’
‘বৈরাগ্য প্রচার করা খুব সহজ।’
‘কীভাবে?’
‘নিজেরটা বাদ দিয়ে।’

এই বলিয়া তাঁহারা হিমালয়ের পথ ধরিলেন।

আর ৪ নম্বর গেটের সামনে তখনও একটি পোস্টার বাতাসে দুলিতেছিল - প্রশ্ন করা নিষেধ।
তার নীচে কেহ পেন্সিল দিয়ে লিখিয়া দিয়াছে - প্রশ্নহীন প্রজা, নিশ্চিন্ত শাসক - তা হবে না।

14/09/2026

কতগুলি জরুরি প্রশ্ন এর উত্তর হিন্দু রাষ্ট্র গড়তে চাওয়া সনাতনি বন্ধুদের থেকে অবশ্যই জেনে নেওয়া দরকার।

১) হিন্দু রাষ্ট্র এর স্বরূপ কী?
২) হিন্দু রাষ্ট্র হলে হিন্দুদের কী উপকার হবে?
৩) হিন্দু রাষ্ট্র হলে, অন্তত হিন্দুদের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা, জীবিকা কি নিশ্চিত হবে?
৪) হিন্দুরাষ্ট্রে নারীদের স্থান কী হবে? তাঁদের কি প্রেত যোনি হিসেবে গণ্য করা হবে?
৫) হিন্দু রাষ্ট্রে কি গণতন্ত্র, যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থা, বাক স্বাধীনতা, বিরোধিতা করার অধিকার, মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার, পছন্দ মতো খাদ্য গ্রহণ ও পোষাক পরিধান এর অধিকার থাকবে?
৬) হিন্দু রাষ্ট্রে কি জাতিপ্রথা, অস্পৃশ্যতা, ব্রাহ্মণ্যবাদ এর বিলোপ হয়ে গোটা হিন্দু সমাজ ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটাই জাতিতে পরিণত হবে?
৭) হিন্দুরাষ্ট্রে কি বর্তমান সংবিধান চালু থাকবে নাকি মনু সংহিতাকে সংবিধান হিসেবে মান্যতা দেওয়া হবে?( যদি মনু সংহিতাকে সংবিধান হিসেবে মান্যতা দেওয়া হয়, তবে সনাতনি ভাই বোনেদের বইটা একবার পড়ে দেখতে অনুরোধ করবো।)
৮) হিন্দু রাষ্ট্র কবে প্রতিষ্ঠিত হবে?
৯) ১২ বছর টানা কেন্দ্রীয় সরকারে ও দেশের ৩১ টি রাজ্যের মধ্যে ২১ টিতে বিজেপি ও তার সহযোগীরা সরকার পরিচালনা করলেও কেন আজ অবধি হিন্দু রাষ্ট্র তৈরী হলো না?
১০) হিন্দুরাষ্ট্রে সংখ্যালঘু ধর্মাবলম্বিদের কী হবে? তাঁদের কি এদেশে থাকতে দেওয়া হবে নাকি দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হবে নাকি ধর্মান্তরিত করা হবে নাকি আবার দেশ ভাগ করে আলাদা রাষ্ট্র দেওয়া হবে?
১১) রাষ্ট্রবাদ কী?
১২) জাতীয়তাবাদ ছেড়ে হটাৎ রাষ্ট্রবাদ কেন?
১৩) সর্বশেষ ও জরুরি প্রশ্ন হিন্দুরাষ্ট্র কি হিন্দুদের পাকিস্তান বা আফগানিস্তান এর মতো হিন্দু তালিবানি শাসন?

Address

Barasat
700126

Telephone

+919875331584

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Iptawb N24 Pargana posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Iptawb N24 Pargana:

Shortcuts

Share