Band Music Lovers

Band Music Lovers Follow us for all kind of Band music information & for watching upcoming Live events with music stars of Bangladesh.

Stay Tuned �
U can join also our facebook group (Bangla music lovers)
https://www.facebook.com/groups/265449211486985/?ref=share

21/10/2025
ইমতিয়াজ আলম বেগবাংলাদেশের ব্যান্ড ফটোগ্রাফির পথিকৃৎএবং ব্যান্ড সঙ্গীত ইতিহাসের জীবন্ত দলিল২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭০ইমতিয়াজ আলম ...
29/09/2025

ইমতিয়াজ আলম বেগ
বাংলাদেশের ব্যান্ড ফটোগ্রাফির পথিকৃৎ
এবং ব্যান্ড সঙ্গীত ইতিহাসের জীবন্ত দলিল
২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭০

ইমতিয়াজ আলম বেগ এমন বিষয় নিয়েই কাজ করেছেন, যা নিয়ে আগে কেউ পেশাদার মনোভাব নিয়ে কাজ করেননি। সেটা হলো ব্যান্ড ফটোগ্রাফি। বাংলাদেশে এই নতুন ধারার ফটোগ্রাফির পথিকৃৎ ইমতিয়াজ আলম বেগ। পুরো নব্বই দশকজুড়ে সব বিখ্যাত ব্যান্ডের জনপ্রিয় ছবিগুলো যাঁর তোলা। তুমুল জনপ্রিয় এইসব ছবিগুলো যা এখনও ব্যান্ড অনুরাগীরা মনে রেখেছেন। ঐতিহাসিক এই ছবিগুলোর সাথে যিনি অবধারিতভাবে বাংলাদেশের ব্যান্ড ইতিহাসের একটা অংশ হয়ে গেছেন। যাঁর দেখানো পথ এখন অনেক তরুণদের ব্যান্ড ফটোগ্রাফিতে আগ্রহ দেখাচ্ছে।

মিউজিকের প্রতি ছিল প্রবল আগ্রহ। বন্ধুদের প্রায় সবাই ছিলেন মিউজিশিয়ান, মিউজিক-কেন্দ্রিক আড্ডা আর নব্বই দশকের গোড়াতে জনপ্রিয় পশ্চিমা মিউজিশিয়ানদের অ্যালবামের (এলপি) কভার দেখেই রক মিউজিক-নির্ভর ফটোগ্রাফির আগ্রহ জন্মায় তাঁর। আলোকচিত্রাচার্য বাবার উৎসাহ তো ছিলই। সব মিলিয়ে হয়ে গেলেন পুরোদস্তুর রক মিউজিক ফটোগ্রাফার। পুরো নব্বই দশকজুড়ে করা হাজারো অ্যাসাইনমেন্টে ধরে রাখলেন বাংলাদেশের ব্যান্ড মিউজিকের স্বর্ণ সময়কে। একক ফটোগ্রাফার হিসাবে যার তোলা ছবি দিয়ে বাংলাদেশে জনপ্রিয় ব্যান্ডগুলোর সব চেয়ে বেশি অ্যালবামের কাভার এবং ব্যান্ড প্রোফাইল হয়েছে ৯০ এর দশকে। ইমতিয়াজ আলম বেগ। নামটি ইতিমধ্যেই একটি ব্র্যান্ড এ পরিণত হয়েছে।

ইমতিয়াজ আলম বেগ জন্মগ্রহন করেন ১৯৭০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর। এই আলোকচিত্রশিল্পী ১৯৯১ সালে ফটোগ্রাফিতে ডিপ্লোমা করেন বাবা বাংলাদেশের আলোকচিত্র আন্দোলনের পথিকৃৎ একুশে পদকপ্রাপ্ত আলোকচিত্রাচার্য মঞ্জুর আলম বেগ এর প্রতিষ্ঠিত দেশের প্রথম ফটোগ্রাফি শিক্ষাকেন্দ্র বেগার্ট ইনস্টিটিউট অফ ফটোগ্রাফি থেকে। ১৯৯৬ সালে ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ফটোগ্রাফিক কাউন্সিল (আইআইপিসি) নয়া দিল্লিতে ফটোগ্রাফিক কনফারেন্সে অংশ গ্রহণ ও প্রশিক্ষণ লাভ করেন। এ ছাড়াও মারটিন পার, স্টিভ কোনলান, ইংরিড পলারড এর মতো বিশ্ববরেণ্য আলোকচিত্রশিল্পীদের পরিচালিত বিষয়ভিত্তিক কর্মশালাতে অংশ নিয়েছেন। জাতীয় আলোকচিত্র প্রতিযোগিতাতে পেয়েছেন একাধিক পুরস্কার। তিনি জাতীয় আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা গুলোতেও বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর তোলা ছবি দেশে-বিদেশে প্রদর্শিত হয়েছে। আলোকচিত্রের প্রশিক্ষক হিসেবে বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক ইনস্টিটিউট সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটোগ্রাফিক ক্লাব ও সোসাইটিগুলোতে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। বর্তমানে ইমতিয়াজ আলম বেগ বেগার্ট ইনস্টিটিউট অফ ফটোগ্রাফির পরিচালক এবং বেগার্ট ফোরাম এর উপদেষ্টা পদে নিয়োজিত আছেন। তাঁর কাছ থেকে আলোকচিত্রের ওপর প্রশিক্ষণ নিয়ে অনেক আলোকচিত্রশিল্পী দেশে-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।

১৯৯১ সালে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে নগর বাউল জেমস এর কনসার্টটাই ছিল প্রথম অ্যাসাইনমেন্টটাই, যদিও তার আগে থেকেই আমি ফটোগ্রাফি করেছেন কিন্তু ওটাই ছিল প্রথম পেশাদার রক ফটোগ্রাফির শুরু। এরপর থেকে একে একে মাইলস, এলআরবি, রেনেসাঁ, ফিলিংস, অর্থহীন, আর্ক সহ অনেক অনেক ব্যান্ড। এই সব ব্যান্ডের স্টেজ পারফর্মেন্স থেকে শুরু করে একাধিক অ্যালবাম কাভার, পোস্টার এবং ব্যান্ড প্রোফাইলে তার তোলা ছবি ব্যবহার হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রথমে হামিন ভাই, শাফিন ভাই, বাচ্চু ভাই আর জেমস এর কথা বলতেই হবে কারণ তারা উনাকে সব সময় উৎসাহ দিয়েছেন। তার ভাবনাগুলোকে কাজে রূপান্তর করার সুযোগ করে দিয়েছেন।একটা সময় ছিল যখন বাংলাদেশের এমন কোনো কনসার্ট নেই যেখানে তিনি ছবি তুলেননি। গুরুত্বপূর্ণ অনেক ইভেন্টের ছবি আছে তার কাছে, যেগুলো এখন ইতিহাস। তিনি বলেন, 'দেখতে দেখতে অনেক বছর কেটে গেল কিন্তু মনে হয় এই তো সেদিনের কথা। এ প্রজন্ম ভাবতেও পারবে না যে কত সীমাবদ্ধতার মধ্যে তাকে কাজ করতে হয়েছে। ফিল্মে কাজ করা যে কত কঠিন ছিল বিশেষ করে কনসার্ট ফটোগ্রাফি। আইএসও ১০০ দিয়ে স্টেজে লো লাইটে কাজ করার সাহস এখনকার ফটোগ্রাফারদের হবে না। কত রকমের যে ঘটনা, অভিজ্ঞতা আর স্মৃতি লিখতে গেলে একটা বড় বই হয়ে যাবে।'

তিনি দীর্ঘদিন মাইলস সহ অন্যান্য ব্যান্ডের এর অফিসিয়াল ফটোগ্রাফার হিসাবে যুক্ত ছিলাম। সে সময় বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত মিউজিক ম্যাগাজিন 'রক অ্যান্ড রিদম' ও 'বিশ্ব সঙ্গীত' এ স্টাফ ফটোগ্রাফার হিসাবে দীর্ঘকাল কাজ করেছেন। ্তার বাবা একটা কথা প্রায়ই বলতেন তাঁর সব ছাত্রদের 'টুকরো টুকরো ছবি দিয়ে পৃথিবী সংরক্ষণ করা যায়'। তিনি চেষ্টা করেছেন টুকরো টুকরো ছবি দিয়ে বাংলাদেশের রক মিউজিককে সংরক্ষণ করতে। আগামী প্রজন্ম এই ছবিগুলো দেখে কিছুটা হলেও বুঝতে পারবে যে বাংলাদেশের রক মিউজিক কতটা সমৃদ্ধ ছিল। আগামীতে কেউ বাংলাদেশের রক মিউজিক এর ইতিহাস বা এর ওপর গবেষণা করতে গেলে এই ছবিগুলো রেফারেন্স হিসাবে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। একটা রক ফটোগ্রাফির বই প্রকাশ করতে পারলে আরও ভালো হবে বলে তিনি আশাবাদী।

ইমতিয়াজ আলম বেগ এর জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় নব্বই দশক। অদ্ভুত একটা সময় পার করে এসেছেন । ্তার বিচরণ ছিল একটি গানপাগল সংস্কৃতির ভেতর। এলিফ্যান্ট রোডের রেইনবো মিউজিক রেকর্ডিং সেন্টার কে ঘিরে তাদের বিশাল এক আড্ডা জমে উঠতো। ওই আড্ডার কেন্দ্রে ছিলেন রেইনবোর কবির ভাই। রক মিউজিকের প্রতি ছিল তাদের প্রবল আগ্রহ। সে সময় লেড জেপলিন, পিঙ্ক ফ্লয়েড, ব্ল্যাক সাবাথ, ডিপ পারপল, রেইনবো, আয়রন মেইডেন, ইউরিয়াহ হিপ, ডোরস এর গান নিয়ে অন্য রকম এক সময় কেটেছে। বন্ধুদের মধ্যে ফুয়াদ, কমল, আরশাদ, টিপু, রেজা, বাবনা, ইমরান, সুমন, বুনো, পিকলু, জুয়েল, মোর্শেদ-সহ আরও অনেকে সে সময় একসাথে আড্ডা দিতেন। আড্ডার মূল অংশজুড়েই থাকত মিউজিক। পরবর্তীতে এদের হাত দিয়েই মেইনস্ট্রিমের ব্যান্ড রকস্ট্রাটা, ওয়ারফেজ, ইন ঢাকা, এইসেস, জলি রজারস, অর্থহীন ইত্যাদি সব ব্যান্ড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অনেক ধরনের সীমাবদ্ধতার মধ্যে কাজ করতে হয়েছে সবার। এবং এঁরাই তাকে ব্যান্ড ফটোগ্রাফিতে অনেক সহযোগিতা করেছে।

কথা প্রসঙ্গে চলে আসেন বাংলাদেশের মিউজিকের প্রথম মহাতারকা আজম খান। আফসোস নিয়ে বেগ বললেন, ''আমার দেখা রিয়েল রকস্টার তিনি। কখনোই পপ শিল্পী নন। মানুষ ভুল করে তাঁকে পপ শিল্পী বলেন, এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। তিনি মাস্টার অফ রক। আজম খানকে নিয়ে প্রচুর গবেষণা হওয়া প্রয়োজন। তাঁর মৃত্যুর পর যে অ্যালবাম বের হয়েছিল সেটার সিডি কাভারেও আমার তোলা ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।'' বেগ দুঃখ করলেন প্রয়াত শিল্পী নিলয় দাস কে নিয়ে, ''তাঁর সাথে সম্পর্ক ছিল বন্ধুর মতো। কত যে আড্ডা মেরেছি নিলয়দার সাথে, তিনি ছিলেন জাত শিল্পী। ক্লাসিক্যাল গিটারে অসাধারণ দক্ষতা ছিল তাঁর। তাঁর কাছে এল স্টুয়ার্ট, ডন ম্যাক্লিন, ফ্রেডই এগুইলার, জিম ক্রস, ব্রেড, জেজে কেল এর ফেমাস নাম্বারগুলো শুনতাম। দুর্দান্ত করে বাজাতেন,'' বললেন বেগ। ''তিনি বেঁচে থাকলে অনেক অবদান রাখতে পারতেন বাংলাদেশের মিউজিকে।'' বেগ স্মরণ করলেন দেশসেরা সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার প্রয়াত মবিনকে। ''আসলে এই ইন্ডাস্ট্রিতে কত প্রতিভাবান যে কত রকমের কন্ট্রিবিউশন রেখেছেন, তাদের কথা এই প্রজন্ম জানেই না। মবিনের সাথে যে কত ট্যুর করেছি। মাঝে মাঝেই মবিনের কথা মনে হয়।''

ফটোগ্রাফির অনেক গ্রাউন্ড ও লেভেলে কাজ করেছেন তিনি। কাজের সুবিন্যস্ত পরিসর এবং বিশাল ব্যাপ্তী তাঁর। দেশের শীর্ষ বিজ্ঞাপনী সংস্থা বিটপি, এশিয়াটিক, ইন্টারস্পিড, মিডিয়া কম, অ্যাডকম, গ্রে, কজিটো, এ পজিটিভ সহ ইউনিসেফ, ইউএনডিপি, জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটি- আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর কম্পানিগুলোর জনপ্রিয় অনেক বিজ্ঞাপনের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি।

প্রিয় ফটোগ্রাফারের তালিকায় প্রথমেই আছেন বাবা আলোকচিত্রাচার্য মঞ্জুর আলম বেগ, ভারতের রঘু রায়, কিংবদন্তি মার্কিন পোট্রেট ও ফ্যাশন ফটোগ্রাফার রিচার্ড অ্যাভেডন, জনপ্রিয় রক এন রোল ফটোগ্রাফার জিম মার্শাল, বিখ্যাত মার্কিন ফটোগ্রাফার মেরি এলান মার্ক। প্রিয় মিউজিশিয়ানদের তালিকাটি আরও দীর্ঘ। তারপরও লিওনার্ড কোহেন, বব ডিলান, ভ্যান মরিসন, লু রিড, পিটার গ্রিন, বাডি গাই, জনি লি হুকারদের রেখেছেন পছন্দের শীর্ষে।

বর্তমান কাজ ও ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে বেগ হেসে বললেন, ''ফটোগ্রাফির মতো মিউজিক আমাকে মারাত্মক প্রভাবিত করে। মিউজিক এর সাথে জড়িয়ে আছে আমার জীবন, যাদের গান শুনে বিরক্তি, ঘেন্না আর ভালোবাসতে শিখলাম তাদের জন্য আমি কি করলাম? তাঁদের সাথে দেখা হওয়ার সুযোগও নেই। তাই আমি আমার পছন্দের মহান মিউজিশিয়ানদের উৎসর্গ করে কিছু থিমেটিক ছবি তৈরি করছি। দূর থেকে যতটুকু কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা যায়।''

ভবিষ্যৎ নিয়ে কি ভাবছেন, বললেন, ''বাবার শুরু করা ফটোগ্রাফিক আন্দোলনকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই আমার মূল উদ্দেশ্য। বেগার্ট ইনস্টিটিউট অফ ফটোগ্রাফিকে আরও সমৃদ্ধ আর গতিশীল করতে চাই।'' আগামী দিনের ফটোগ্রাফারদের উদ্দেশে বললেন, ''অন্য সব শিল্পমাধ্যমগুলোর সাথে সম্পৃক্ততা বাড়ানো উচিত।''

যদিও প্রাপ্তি নিয়ে মাথা ঘামান না এই শিল্পী, তবুও তাঁর প্রাপ্তি অনেক। অনেক সম্মাননা আর পুরস্কার পেয়েছেন। তবে সবকিছু ছাপিয়ে গেছে একটি কমপ্লিমেন্ট। যা সুমন চট্টোপাধ্যায় (কবীর সুমন) লিখেছিলেন ১৯৯৯ সালে, ইমতিয়াজ আলাম বেগ কে নিয়ে। প্রথম সাক্ষাতের পরদিনই তাঁকে নিয়ে একটি গান লিখে উপহার দিয়েছিলেন 'গানওলা' সুমন, কলকাতায়। সেটাকেই তিনি তাঁর জীবনের সেরা কমপ্লিমেন্ট মনে করেন। কালের কণ্ঠের পাঠকদের জন্য সেই গানটির শেষ তিনটি লাইন নিচে উল্লেখ করা হলো :

বাংলার ছেলে ছবির খেয়ালে
হেলান দিয়েছে গানের দেয়ালে
চলছে দেয়াল, তুমিও কিন্তু ছবিতে ছবিতে চলো।

কালেরকন্ঠ, ১ সেপ্টেম্বর ২০১৬
সম্পাদনাঃ ধ্রুব আহসান

আর কনসার্ট করবেন না বলে তাহসানের ঘোষণা- 'এটাই আমার শেষ কনসার্ট!'😮😢 “এটাই আমার লাস্ট কনসার্ট। আস্তে আস্তে মিউজিক ক্যারিয়া...
21/09/2025

আর কনসার্ট করবেন না বলে তাহসানের ঘোষণা- 'এটাই আমার শেষ কনসার্ট!'😮😢
“এটাই আমার লাস্ট কনসার্ট। আস্তে আস্তে মিউজিক ক্যারিয়ারটাও গুটিয়ে ফেলবো। মেয়ে বড় হচ্ছে- এখন কি দাঁড়ি রেখে স্টেজে দাঁড়িয়ে এমন লাফালাফি করতে ভালো লাগে?"
গতকাল মেলবোর্নে #তাহসান নিজের শেষ কনসার্টে এই ঘোষণা দেন!
সঙ্গে এটাও বলেন- তার সব সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট ডিএক্টিভেট করে দিয়েছেন! 😳

১৯৯৮ সালের ঘটনা। প্রথমবারের মতো ব্যান্ড এলআরবি শো করতে আমেরিকা সফরে যায়। শো শেষে ব্যান্ডের অন্য সদস্যদের নিয়ে আইয়ুব বাচ্...
11/08/2025

১৯৯৮ সালের ঘটনা। প্রথমবারের মতো ব্যান্ড এলআরবি শো করতে আমেরিকা সফরে যায়।

শো শেষে ব্যান্ডের অন্য সদস্যদের নিয়ে আইয়ুব বাচ্চু যান নিউইয়র্কের গিটার সেন্টারে। শো-কেসে থাকা গিটারগুলো নেড়েচেড়ে দেখছেন বাচ্চু। হঠাৎ 'আইভানেজ' গিটারের ওপর চোখ পড়লো তাঁর। কাচের বাক্সে বন্দী, দুর্দান্ত এক গিটার।

শপ ম্যানেজারকে এই গিটারের ব্যপারে জিজ্ঞেস করতেই লোকটি আইয়ুব বাচ্চুর দিকে ভালো করে তাকালো। জিজ্ঞেস করলো

- দেশ কোথায়?

- বাংলাদেশ

- এই গিটার তোমার মতো বাংলাদেশির জন্য নয়!

এটা এখানে সবচেয়ে দামি গিটার, তুমি বরং অন্যটা দেখো!

লোকটির কথায় বেশ কষ্ট পেলেন বাচ্চু। বেশি কষ্ট পেয়েছিলেন নিজের দেশটাকে অপমান করে কথা বলেছে দেখে। জেদ চাপলো তাঁর মনে। তিনি ম্যানেজারকে অনুরোধ করে বলেন-

- গিটারটি একবার দেখার সুযোগ দাও আমাকে।

আমি আর আমার টিমের সবার কাছে যত ডলার আছে, আশা করি এটা আমরা নিতে পারবো। লোকটি অনিচ্ছাসত্ত্বেও গিটারটা দেখতে দিলো আইয়ুব বাচ্চুকে।

গিটার হাতে নিয়ে বাচ্চু বাজাতে শুরু করলেন।

অল্প সময়ে সেখানে 'সুরের ঝড়' তুললেন। আশপাশে লোকজন জড়ো হতে শুরু করলো। পথচারীদের পা থমকে গেলো। গিটারের অনবদ্য সুর শুনে লোকজন দাড়িয়ে গেলো। তারা অবাক হয়ে শুনতে লাগলো। এরপর গিটার ফেরত দিতে গেলে শপ ম্যানেজার বাচ্চুকে বললো

- আরে, তুমি তো অসাধারণ বাজাও, এই গিটার তোমার জন্যই। আমি ৫০% ডিসকাউন্টে এটি তোমাকে দিয়ে দেবো।

আইয়ুব বাচ্চু বিনয়ের সঙ্গে বললেন,

- এটা তুমি আমাকে বিনে পয়সায় দিলেও আমি আর নেব না। কারণ তুমি আমার দেশকে অপমান করেছো।

'যে গিটারের জন্য দেশ অপমানিত হয়, সেই গিটার আইয়ুব বাচ্চু দ্বিতীয়বার বাজায় না'

এই ছিলেন আমাদের আইয়ুব বাচ্চু।

দেশপ্রেম আর গিটারের ছয় তারে বাঁধা এক কিংবদন্তির নাম। ওপারে ভালো থাকবেন প্রিয় বাচ্চু ভাই। আজীবনের ফেভারিট।

-সংগৃহীত

Guru with one and only N4 ❤️❤️❤️
22/04/2025

Guru with one and only N4 ❤️❤️❤️

06/04/2025

On Earth,,,, With Humans,,,, By Humans,,,,

23/02/2025

আপনার পছন্দের বাংলাদেশের প্রিয় তিনটি ব্যান্ডের নাম বলে যান

12/02/2025

Lol 😃😃😃

07/02/2025

Concert moment from American Club Dhaka এসেইস-Aseis 🤘
Saarwa on fire🤘🤘🤘

Video: AKM Ruhul

#কিংবদন্তি

23/01/2025

আপনি শিল্পী বা যে কোনো পারফর্মার -
আপনার অধিকার আছে ইভেন্ট অর্গানাইজার বা আর্টিস্ট ম্যানাজার কে জিজ্ঞেস করার -
১।কোথায় শো,
২।কার শো , কাদের শো, কি উদ্দেশ্যে শো
৩।কেমন শো ,
৪।কতজন লোক হবে,
৫।দর্শক কারা,
৬।নিজের ব্যান্ড না থাকলে কোন সেট অব মিউজিসিয়ান বা যন্ত্রী বাজাবে, তাদের সাথে আপনার আগে থেকে সঙ্গত আছে কিনা বা চেনেন কিনা।
৭।কোন সাউন্ড কোম্পানির সাউন্ড থাকবে,
৮।সেই সাউন্ড গ্রাউন্ডে উপস্থিত মানুষের জন্য এবং আপনার পারফরমেন্স এর জন্যে যথেষ্ট কিনা,
৯।কেমন লাইট থাকবে,
১০।মোস্ট ইমপোর্টেন্টলি সিকিউরিটি কেমন ( বর্তমান সময়ে অবশ্যই জানতে হবে )
১১। সম্মানী কিভাবে পাবেন বা নিবেন।
১২। ঢাকার বাইরে হলে, ট্রান্সপোর্টেশন, রিপোর্টিং টাইম
উপরোক্ত বিষয় গুলো ধোয়াশা থাকলে শো করবেন না আপনার/ আপনাদের প্রতি অনুরোধ।

অনেক ইভেন্ট অর্গানাইজার বা আর্টিস্ট ম্যানেজার ইদানিং কিছু বলেনা শো তে নিয়ে যায়, স্পটে গিয়ে একটা না একটা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

এরকম ধোয়াসা মার্কা ইভেন্ট অর্গানাইজার বা আর্টিস্ট ম্যানেজার এর সাথে কাজ করা বন্ধ করার এখনই সময়।

সে মাঝখান থেকে ৫/১০/১৫/২০ হাজার টাকা লাভের জন্য শিল্পীদের বিপদে ফেলে।
যে সকল ইভেন্ট অর্গানাইজার বা আর্টিস্ট ম্যানেজার বলবে "এতো কথা জিজ্ঞেস করেন কেনো বা এতো কথার কি আছে - শো করলে করণে না করলে নাই" তাদের নাম প্রকাশ করে দিন যেনো অন্যেরাও কাজ করা বন্ধ করে দেয়।
শো অর্গানাইজার বা আর্টিস ম্যানেজারদের এমন ভাব যেনো ওনাদের কারণেই শো হয়। এই ভাব নিতে দেয়া যাবে না। একটা অনুষ্ঠানের শিল্পীর গুরুত্বই সব থেকে বেশি তার পারফরমেন্স ভালো হওয়ার জন্যে যেটা জরুরী সেটাই মেনে নিতে হবে।

দায়িত্ব আপনার, দিন শেষে শো খারাপ হলে সব দোষ আপনার হবে, নেপথ্যের ঘটনা তখন বলেও কোনো লাভ হবে না। দর্শক জানতে চায় না আপনার সাথে কি হয়েছে।

ধন্যবাদ ঘোষণাটি শেষ হলো 🙏🇧🇩

Masum এর ওয়াল থেকে।।

Address

Dublin

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Band Music Lovers posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share