বৃত্তের বাইরে

বৃত্তের বাইরে Blogger II Journalist II Traveler
(4)

শত শত পিৎজা অর্ডার করে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার তরুণপোল্যান্ডের এক অদ্ভুত সাইবার অপরাধের ঘটনা সবাইকে অবাক করেছে। শ্চেচিন শ...
11/09/2026

শত শত পিৎজা অর্ডার করে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার তরুণ

পোল্যান্ডের এক অদ্ভুত সাইবার অপরাধের ঘটনা সবাইকে অবাক করেছে। শ্চেচিন শহরের ২৩ বছর বয়সী এক তরুণ ভুয়া নামে শয়ে শয়ে পিৎজা অর্ডার করে দেশের বিভিন্ন রেস্তোরাঁকে বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলেছেন। শুধু তা ই নয়, এই ঘটনার সাথে জড়িত ছিল সাইবার স্টকিং এবং অন্যের পরিচয় চুরির মতো গুরুতর অপরাধ। পোল্যান্ডের সাইবার ক্রাইম ব্যুরো সম্প্রতি তাকে গ্রেপ্তার করেছে।

তদন্তে জানা গেছে এই তরুণ দেশের বিভিন্ন শহরের ঠিকানায় ভুয়া পিৎজা ডেলিভারি পাঠাতেন। সবচেয়ে ভয়ানক ব্যাপার হলো তিনি ভুক্তভোগীদের এমন সব ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করতেন যা শুধু তাদের কাছের মানুষেরই জানার কথা। পিৎজা অর্ডারের পাশাপাশি তিনি শিশু অপহরণ, কর্মক্ষেত্রে আগুন দেওয়া বা সড়ক দুর্ঘটনার মতো ভয়ংকর হুমকিও দিতেন। এর ফলে ভুক্তভোগীরা চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন।

একবার এই ব্যক্তি প্রায় দশ হাজার ডলার সমমূল্যের ৩০০টি পিৎজার বিশাল অর্ডার করে বসেন। অতিরিক্ত অর্ডারের কারণে অনেক রেস্তোরাঁ তা বাতিল করতে বাধ্য হলেও বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। পুলিশ তার বাড়ি থেকে অপরাধে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস জব্দ করেছে। দোষী সাব্যস্ত হলে এই অদ্ভুত অপরাধের জন্য তার ৮ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে। তবে ঠিক কী কারণে তিনি এমন কাজ করতেন তা এখনো পুলিশের কাছে অজানা।

__________
হ্যাশট্যাগ:
#অদ্ভুতখবর #সাইবারক্রাইম #পিৎজা #ভাইরালনিউজ #অজানাতথ্য

এআই ক্যামেরার নজরদারি থেকে বাঁচতে বিশেষ শার্ট!রাস্তায় বসানো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ক্যামেরার নজরদারি থেকে বাঁচতে অভ...
10/09/2026

এআই ক্যামেরার নজরদারি থেকে বাঁচতে বিশেষ শার্ট!

রাস্তায় বসানো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ক্যামেরার নজরদারি থেকে বাঁচতে অভিনব এক শার্ট তৈরি করেছেন ডিজাইনার সাইমন ওয়েকার্ট। বার্লিনে শুরু হওয়া একটি এআই ভিডিও নজরদারি প্রকল্পের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এই বিশেষ পোশাকটি নকশা করেছেন। এর নাম দেওয়া হয়েছে ডিজিটাল ক্যামোফ্লাজ। এটি গায়ে জড়ালে স্বয়ংক্রিয় ক্যামেরা আপনাকে মানুষ হিসেবে আর শনাক্ত করতে পারবে না।

বিস্তারিত কমেন্টে....

_____________

#ডিজিটালক্যামোফ্লাজ #কৃত্রিমবুদ্ধিমত্তা #প্রযুক্তি #অজানাতথ্য #উদ্ভাবন

দেখতে মিষ্টি হলেও এই পাখির শরীরে লুকিয়ে আছে বিষ! ☠️🐦কালো মাথা আর কমলা-বাদামি শরীরে ঢাকা ছোট্ট সুন্দর এই পাখির নাম 'হুডেড...
10/09/2026

দেখতে মিষ্টি হলেও এই পাখির শরীরে লুকিয়ে আছে বিষ! ☠️🐦

কালো মাথা আর কমলা-বাদামি শরীরে ঢাকা ছোট্ট সুন্দর এই পাখির নাম 'হুডেড পিটোহুই' (Hooded Pitohui)। দূর থেকে সাধারণ একটি বনপাখি মনে হলেও এটি পৃথিবীর অন্যতম বিষাক্ত একটি পাখি, যার দেখা মেলে নিউ গিনির গভীর অরণ্যে।

সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, এদের পালক ও চামড়ায় রয়েছে 'ব্যাট্রাকোটক্সিন' নামের এক ভয়ঙ্কর নিউরোটক্সিন। ঠিক একই রকম শক্তিশালী বিষ পাওয়া যায় বিষাক্ত ডার্ট ব্যাঙের শরীরে! তবে এরা নিজেরা এই বিষ তৈরি করে না। মূলত বিষাক্ত পোকামাকড় খেয়ে এরা নিজেদের শরীরে এই বিষ জমিয়ে রাখে, যা শিকারির হাত থেকে বাঁচতে এদের বর্ম হিসেবে কাজ করে।

১৯৯২ সালে জীববিজ্ঞানী জ্যাক ডামব্যাচার প্রথম প্রমাণ করেন যে, আত্মরক্ষার জন্য পাখিরাও এমন রাসায়নিক বিষ ব্যবহার করতে পারে। প্রকৃতি সত্যিই কত অদ্ভুত ও রহস্যময়, তাই না? আপনি কি এর আগে কোনো বিষাক্ত পাখির কথা শুনেছিলেন? কমেন্টে আমাদের জানান!👇





_____________________________

হ্যাশট্যাগ:
#হুডেডপিটোহুই #অজানাতথ্য #পাখি #প্রকৃতি #বন্যপ্রাণী #বিজ্ঞান #ফ্যাক্টস #বৃত্তের_বাইরে

09/09/2026
মালদ্বীপে কর্মরত প্রায় এক লাখেরও বেশি বাংলাদেশি প্রবাসী (কিছু হিসাবে ১.৫–১.৮ লাখ পর্যন্ত) রুফিয়ায় বেতন পান, কিন্তু বৈধভা...
09/09/2026

মালদ্বীপে কর্মরত প্রায় এক লাখেরও বেশি বাংলাদেশি প্রবাসী (কিছু হিসাবে ১.৫–১.৮ লাখ পর্যন্ত) রুফিয়ায় বেতন পান, কিন্তু বৈধভাবে সরাসরি রুফিয়া-টাকা রেমিট্যান্স চ্যানেল না থাকায় ধাপে ধাপে বড় ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

মূল সমস্যা

মালদ্বীপের ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউস সাধারণত রুফিয়া গ্রহণ করে না আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্সের জন্য। ডলারে রূপান্তর করতে হয়।

সরকারি/অফিসিয়াল রেট প্রায় ১৫.৪২–১৫.৪৬ রুফিয়া = ১ ডলার। কিন্তু ডলার সংকটের কারণে ব্যাংকে সেই রেটে পাওয়া যায় না।

খোলা বাজার/কার্ব মার্কেটে ২১–২২ রুফিয়া বা তারও বেশি দিতে হয়। এতে শুরুতেই ৩৫–৪০% বা তার কাছাকাছি ক্ষতি হয়। 

এরপর হুন্ডি বা অন্যান্য অনানুষ্ঠানিক পথে পাঠালে রেট আরও খারাপ হয় !!
বাংলাদেশ এর সাড়ে ৫ টাকা প্রতি রুফিয়ার মতো।

মাসে কয়েক হাজার রুফিয়া পাঠালে বছরে লাখ টাকার ক্ষতি হওয়া স্বাভাবিক।

এতে প্রবাসীরাই সবচেয়ে বেশি লোকসান গুনেন।

হুন্ডি চ্যানেল শক্তিশালী হয়, রেমিট্যান্স রিজার্ভে যোগ হয় না, প্রণোদনাও মেলে না।
রাষ্ট্রও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

মালদ্বীপ থেকে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স বেশ বড় ২০২৪ সালে প্রায় ১১২ মিলিয়ন ডলার, মোট বহির্মুখী রেমিট্যান্সের বড় অংশ।।
তবুও চ্যানেলের দুর্বলতার কারণে অনেকে বাধ্য হয়ে হুন্ডি র পথ বেছে নেন।

সম্ভাব্য সমাধান

১. রুফিয়া-টু-টাকা সরাসরি রেমিট্যান্স উইন্ডো ডলার রূপান্তরের ধাপ বাদ দিলেই বড় অংশের ক্ষতি কমে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও মালদ্বীপ মনিটারি অথরিটির সমঝোতা প্রয়োজন।

২. মালদ্বীপে বাংলাদেশি ব্যাংকের শাখা/এক্সচেঞ্জ হাউস/এজেন্ট ব্যাংকিং। এক লাখের বাজার লাভজনক হওয়ার কথা।

৩. স্বীকৃত মানি ট্রান্সফার অপারেটরদের সঙ্গে চুক্তি করে দ্রুত বৈধ করিডোর চালু।

৪. কনভার্শন ফি স্বচ্ছ করা এবং প্রণোদনা সঠিকভাবে দেওয়া।

এগুলো নতুন আইন বা বড় প্রকল্পের দাবি রাখে না দুই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমঝোতা ও বাণিজ্যিক ব্যাংকের সদিচ্ছাই যথেষ্ট।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং মালে হাইকমিশনের কাছে বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হোক!!
প্রবাসীদের ঘামের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

মালদ্বীপে থাকা ভাই-বোনেরা যদি নির্দিষ্ট ব্যাংক, তারিখ, রেট ও ক্ষতির পরিমাণ কমেন্টে/শেয়ার করেন, তাহলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে এবং চাপ তৈরি হবে। সমস্যাটি একজনের নয় হাজার হাজার পরিবারের।

সভ্যতা-চেতনা ও নগর পরিচ্ছন্নতা ভারতের বাংলাদেশ চ্যালেঞ্জ !!ভারতের এবং  বাংলাদেশের শহরগুলোতে প্রতিদিন আমরা যে বিশৃঙ্খলা, ...
08/09/2026

সভ্যতা-চেতনা ও নগর পরিচ্ছন্নতা ভারতের বাংলাদেশ চ্যালেঞ্জ !!

ভারতের এবং বাংলাদেশের শহরগুলোতে প্রতিদিন আমরা যে বিশৃঙ্খলা, অপচয় ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখি, তা যেন নিত্যদিনের অভিশাপ।

অন্যদিকে, ইউরোপের ছোট্ট দেশ ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেন পরিচ্ছন্ন, সুশৃঙ্খল, আর প্রতিটি নাগরিকের জন্য সম্মানজনক। এই দুই চিত্রের ফারাক শুধু দৃষ্টিকটু নয়, এটি আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়েও কঠিন প্রশ্ন তুলে ধরে। ‘সভ্যতা-চেতনা’ কি জন্মগত, নাকি তা গড়ে তোলা যায়? কোপেনহেগেনের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে—এটি কোনো জিনগত বৈশিষ্ট্য নয়, বরং সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক চর্চার ফসল।

কোপেনহেগেন মডেলে যেখানে পরিকাঠামোই সভ্যতা

কোপেনহেগেনের ফুটপাথ, পাবলিক টয়লেট, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সবকিছু যেন ব্যবহারকারীর কথা ভেবে তৈরি। প্রতি পাঁচ মিনিটে পরিষ্কার টয়লেট, সাইকেলের জন্য পৃথক লেন, আর গাছপালায় ভরা শহর।

বাড়িতে বাড়িতে বর্জ্য ১০টি ভাগে আলাদা করতে হয়। প্লাস্টিকের বোতল ফেরত দিলে মেলে টাকা এই পুরস্কার ব্যবস্থা মানুষকে উৎসাহিত করে।
রাস্তায় হর্নের শব্দ প্রায় নেই, গাড়ি লেন মেনে চলে, পথচারী পায় অগ্রাধিকার। নীরবতা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধ এই তিন স্তম্ভে দাঁড়িয়ে কোপেনহেগেনের নগরজীবন।

ভারতেরএবং বাংলাদেশের সমস্যা বৈষম্য, অবকাঠামোর অভাব ও সহমর্মিতাহীনতা

শহরগুলোতে পাবলিক টয়লেটের দুর্গন্ধ, রাস্তার ধারে আবর্জনার স্তূপ, আর ট্রাফিকের বিশৃঙ্খলা যেন চিরন্তন দৃশ্য। কেন এমন? মূল কারণ তিনটি: জাতপাত ও শ্রেণিবৈষম্য, দুর্বল সরকারি পরিকাঠামো, এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মধ্যে সহমর্মিতার অভাব।

সাফাই কর্মীদের প্রতি সমাজের আচরণই সবচেয়ে বড় উদাহরণ। তাদের কাজ যেমন অপমানজনক হিসেবে চিহ্নিত, তেমনই তাদের মর্যাদা দেওয়া হয় না। অথচ ডেনমার্কে বা জাপানে এই পেশাকে কখনো নিম্নস্তরের কাজ বলে মনে করা হয় না। ফলে সেখানে প্রতিটি নাগরিক নিজের দায়িত্ব পালনে এগিয়ে আসে।

বিশ্বের অন্যান্য উদাহরণ: রুয়ান্ডা, জাপান, সিঙ্গাপুর

শুধু ডেনমার্ক নয় রুয়ান্ডা কঠোর আইন ও সামাজিক সচেতনায় আফ্রিকার সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন দেশ।

জাপানে স্কুলের পাঠ্যক্রমের অংশ ‘ওসোজি’ শিক্ষার্থীরা নিজেরাই স্কুল পরিষ্কার করে, যা শৈশবেই দায়িত্ববোধ তৈরি করে। সিঙ্গাপুরে ‘হ্যাপি টয়লেট’ প্রোগ্রাম পাবলিক টয়লেটের মান বাড়িয়েছে।

ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ক্যান বা বোতল ফেরত দিয়ে টাকা নেওয়ার প্রচলন বর্জ্য কমাতে সহায়ক। এই উদাহরণগুলো প্রমাণ করে, শুধু আইন নয়, সাংস্কৃতিক চর্চা ও শিক্ষাও সভ্যতা-চেতনার চালিকাশক্তি।

কার্যকর সমাধানের পথ হলো শিক্ষা, শাস্তি, সহমর্মিতা
নিচের ছবিতে আফ্রিকার দেশ কিগালী রুয়ান্ডার !!

07/09/2026

লন্ডনের এক দিন

সকালটা শুরু হয়েছিল জানালায় কুয়াশা দেখে। লন্ডনের কুয়াশা সিনেমার মতো নয় এটা ধূসর, ভারী, আর একটু ঠান্ডা।
চা খেয়ে বেরিয়ে পড়লাম টিউব স্টেশনের দিকে। লাল ডাবল-ডেকার বাসগুলো চেনা চেহারা, কিন্তু রাস্তার বাঁদিকের ট্রাফিক এখনো চমকে দেয়।

পায়রা আর কাঠবিড়ালি কাছে আসে খাবারের আশায়।
এক বুড়ো মানুষ বেঞ্চে বসে সংবাদপত্র পড়ছে, পাশে কুকুরটি ঘুমোচ্ছে। শহরের মাঝেও যেন একটুকরো শান্তি।

সন্ধ্যা নামতেই ওয়েস্ট এন্ডের আলো জ্বলে উঠল।
থিয়েটারের পোস্টার, রেস্তোরাঁর গন্ধ, আর রাস্তার মিউজিশিয়ানের গিটার। ফিশ অ্যান্ড চিপস খেতে খেতে ভাবলাম এই শহরটা কখনো পুরোপুরি বুঝে ওঠা যায় না।

আজ শুধু এক দিন, কিন্তু এর ইতিহাস যেন হাজার বছরের।

রাতে শেষ টিউব ধরে ফিরলাম। কুয়াশা আরও ঘন হয়েছে। জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে মনে হলো লন্ডন একটা ভালো পুরোনো বন্ধুর মতো, যে কখনো তাড়াহুড়ো করে না, শুধু তার সময়ে বয়ে চলে।

07/09/2026

Pastel de Nata হলো পর্তুগালের অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং ঐতিহ্যবাহী একটি এগ কাস্টার্ড টার্ট (Egg Custard Tart) পেস্ট্রি। এটি বাইরে থেকে মচমচে (Crispy) এবং ভেতরে নরম ও ক্রিমি স্বাদের হয়ে থাকে। পর্তুগাল ছাড়িয়ে বর্তমানে এটি সারাবিশ্বের ভোজনরসিকদের কাছে একটি লোভনীয় মিষ্টি খাবার হিসেবে পরিচিত।

এই পেস্ট্রির ইতিহাস প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো। ১৮ শতকের দিকে লিসবনের জেরোনিমোস মনাস্ট্রি (Jerónimos Monastery) নামক একটি গির্জার ক্যাথলিক সন্ন্যাসীরা এটি প্রথম তৈরি করেন। সেই সময়ে সন্ন্যাসী ও নানদের পোশাক বা হ্যাবিট (Habit) ইস্ত্রি বা কড়া করার জন্য প্রচুর পরিমাণে ডিমের সাদা অংশ (Egg Whites) ব্যবহার করা হতো। এর ফলে প্রচুর ডিমের কুসুম (Egg Yolks) অবশিষ্ট থেকে যেত। অপচয় রোধ করতে সেই বেঁচে যাওয়া কুসুম দিয়ে তারা এই সুস্বাদু কাস্টার্ড পেস্ট্রি তৈরি করা শুরু করেন।

07/09/2026

Lake District, United Kingdom

ভ্রমণে গিয়ে কখনো এমন অভিজ্ঞতা কারো হয়েছে কি না জানি না, কিন্তু আমি আজ এক অসাধারণ মুহূর্তের গল্প শোনাতে চাই।সেদিন ছিল ২২ ...
06/09/2026

ভ্রমণে গিয়ে কখনো এমন অভিজ্ঞতা কারো হয়েছে কি না জানি না, কিন্তু আমি আজ এক অসাধারণ মুহূর্তের গল্প শোনাতে চাই।সেদিন ছিল ২২ শ্রাবণ। জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ির সামনে সকালের আবহাওয়াটা ছিল অন্যরকম। ক্লান্তি কাটাতে রাস্তার ধারের একটা দোকানে গিয়ে বললাম, “একটা চা দিন তো।”

কথাটি বলে যেই উল্টো দিকের বেঞ্চে বসতে গিয়েছি, অমনি আমার ভিমরি খাওয়ার দশা!
সেই বেঞ্চে বসে থাকা মানুষটির দিকে তাকিয়ে আমি ক্ষণিকের জন্য স্তব্ধ হয়ে গেলাম।
বুকের ভেতরটা ছ্যাঁত করে উঠল।
মাথায় ঢেউ খেলানো কাঁচা-পাকা চুল, মুখে লম্বা দাড়ি, কাঁধে ঝোলানো ব্যাগ আর পরনে পাজামা-পাঞ্জাবি।
তাকে দেখেই আমি চমকে উঠেছি।

আমার চোখের সামনে বসে থাকা এই মানুষটি আর কেউ নন, স্বয়ং কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর!

মুহূর্তের জন্য মনে হলো, সময় যেন থমকে গেছে। কিন্তু কবিগুরু কীভাবে ফিরে এলেন? তাঁর কি পুনর্জন্ম হয়েছে? নাকি আমিই ভুল করে টাইম মেশিনে করে তার সময়ে চলে এসেছি?

মনের ভেতর যখন হাজারটা প্রশ্ন উথালপাথাল করছে, ঠিক তখনই ভুল ভাঙল তাঁর নিজের কথায়। আমার বিস্ময় মাখা চাউনি দেখে ভদ্রলোক নিজেই রহস্যের উন্মোচন করলেন। মৃদু হেসে বললেন, “আমি একজন রবীন্দ্রভক্ত। নাম সোমনাথ ভদ্র। অনেকেই বলেন, আমায় নাকি দেখতে কবিগুরুর মতো।

”তার মুখের কথায় সম্বিৎ ফিরল আমার। চায়ে চুমুক দিতে দিতে শুনলাম এক অদ্ভুত মানুষের গল্প। জানলাম, তিনি কোনো পেশাদার অভিনেতা নন, বিএসএনএল-এর একজন সাধারণ কর্মী। বয়স আটান্নর কোঠায়। হেদুয়ার দীনবন্ধু চক্রবর্তী লেনের এই বাসিন্দা জানালেন, তিনি কখনোই কবিগুরুকে নকল করতে চাননি।

ছোটবেলা থেকেই চেহারার এই মিলটা ছিল স্বাভাবিক। আগে চুল-দাড়ি কেটে ফেললেও বছর চারেক আগে পরিচিতদের অনুরোধে এই 'রবীন্দ্রনাথ লুক' ধরে রেখেছেন।সোমনাথবাবু পড়াশোনা করেছেন দশম শ্রেণি পর্যন্ত। রবি ঠাকুরের সব বই হয়তো তাঁর পড়া হয়নি, কিন্তু রবীন্দ্রনাথের গানকে তিনি ধারণ করেন অন্তরে। আগে শুনতেন রেডিয়োতে, আর এখন তাঁর মুঠোফোন জুড়ে শুধুই কবিগুরুর গান। চেহারার এই মিলের কারণে নাকি গঙ্গাসাগরের মতো জায়গায় আটকে থাকা কাজও মানুষ ভালোবেসে এক নিমেষে করে দিয়েছে। চম্পাহাটিতে তাঁর অফিস হলেও বছরের দুটো দিন—২৫ বৈশাখ আর ২২ শ্রাবণ তিনি কোনোদিন অফিস যান না। বললেন, “চাকরি গেলে যাক, ওই দিনগুলো তো কবিগুরুর জন্য।

”দীর্ঘদিন ধরে রবীন্দ্রভারতী সোসাইটির সদস্য এই মানুষটিকে সেখানে সবাই ভালোবেসে ডাকেন ‘কালো রবীন্দ্রনাথ’। গায়ের রং কালো বলে এ নিয়ে তাঁর মনে বিন্দুমাত্র ক্ষোভ নেই। বরং প্রতি বুধবার বিকেলে সোসাইটির ঘরোয়া আড্ডায় তিনি নিয়মিত হাজিরা দেন। তাঁর এই মায়াবী রূপ দেখে জোড়াসাঁকোয় আসা বিদেশিরাও নাকি ক্যামেরা হাতে ছুটে আসেন।গল্প শেষে যখন বিদায় নেওয়ার সময় হলো, তখন বুঝলাম হেদুয়ার মানুষ কেন তাঁর আসল নাম ভুলে তাঁকে ‘রবীন্দ্রনাথ’ বলেই ডাকে।

চায়ের দোকান থেকে যখন তিনি উঠে দাঁড়ালেন, আমার কানে তখনো গুনগুন করে বাজছে তাঁরই কণ্ঠে গাওয়া সেই চিরচেনা সুর—‘আমি পথভোলা এক পথিক এসেছি...’।এক কাপ চায়ের আড্ডায় ইতিহাসের এমন এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবির মুখোমুখি হব, তা আমি কোনোদিন ভাবিনি।

Address

220 Ladywood Middleway
Birmingham
B168LP

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বৃত্তের বাইরে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share