MD:Shojib hossain

MD:Shojib hossain follow my page

20/08/2025
"সে যখন বললো, 'ভাইসব।'অমনি অরণ্যের এলোমেলো গাছেরাও সারি বেঁধে দাড়িয়ে গেল।সে যখন ডাকলো 'ভাইয়েরা আমার।'ভেঙে যাওয়া পাখি...
15/08/2025

"সে যখন বললো, 'ভাইসব।'
অমনি অরণ্যের এলোমেলো গাছেরাও সারি বেঁধে দাড়িয়ে গেল।
সে যখন ডাকলো 'ভাইয়েরা আমার।'
ভেঙে যাওয়া পাখির ডাক নেমে এলো পৃথিবীর ডাঙায়।"
- আল মাহমুদ

" শত বছরের শত সংগ্রাম শেষে,
রবীন্দ্রনাথের মতো দৃপ্ত পায়ে হেঁটে
অত:পর কবি এসে জনতার মঞ্চে দাঁড়ালেন৷
তখন পলকে দারুণ ঝলকে তরীতে উঠিল জল,
হৃদয়ে লাগিল দোলা, জনসমুদ্রে জাগিল জোয়ার
সকল দুয়ার খোলা৷ কে রোধে তাঁহার বজ্রকন্ঠ বাণী?
গণসূর্যের মঞ্চ কাঁপিয়ে কবি শোনালেন তাঁর অমর-কবিতাখানি:
‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,
এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম৷’

সেই থেকে স্বাধীনতা শব্দটি আমাদের৷ "
- নির্মলেন্দু গুণ

বাংলার ধ্রুবতারা || বিনম্র শ্রদ্ধা 🌸🌿

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫০তম শাহাদাৎবার্ষিকী ও জাতীয় শোকের ৫০ বছর স্মরণে প্রকাশনাএবছর জাতির পিতা বঙ্গবন...
09/08/2025

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫০তম শাহাদাৎবার্ষিকী ও জাতীয় শোকের ৫০ বছর স্মরণে প্রকাশনা

এবছর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিবকে সপরিবারে হত্যাকাণ্ডের ৫০ বছর পালিত হবে। প্রতিবারের ন্যায় এবারও বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতার স্মরণে বার্ষিক প্রকাশনা ‘মাতৃভূমি’ প্রকাশ করবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

আগামী ৩১ আগস্ট বইটি প্রকাশিত হবে।

মাতৃভূমিতে লেখা পাঠানোর নিয়ম:

১. লেখা পাঠানোর শেষ তারিখ- ২০ আগস্ট ২০২৫ (শনিবার)
২. লেখা পাঠানোর ঠিকানা- [email protected]

দেশে ও বিদেশে অধ্যয়নরত বাংলাদেশের যেকোন শিক্ষার্থী, নাগরিকসমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ, তরুণপ্রজন্ম, সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা বঙ্গবন্ধুপ্রেমি যে কোন ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল, প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক-গবেষক-পেশাজীবীবৃন্দ, লেখক-কবি-শিল্পী-সাহিত্যিক-প্রাবন্ধিক-সাংবাদিক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান যে কোন সদস্য- বাংলা/ইংরেজিতে লেখা পাঠাতে পারবেন।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু

সিরাজগঞ্জ থানা ট্রাজেডি। বাংলাদেশের ইতিহাসে পুলিশের উপর এক নৃ'শংস গণহ'ত্যা। পি'টিয়ে মা'রা হয় ১৫ পুলিশ সদস্যকে।২০২৪ সালের...
04/08/2025

সিরাজগঞ্জ থানা ট্রাজেডি। বাংলাদেশের ইতিহাসে পুলিশের উপর এক নৃ'শংস গণহ'ত্যা। পি'টিয়ে মা'রা হয় ১৫ পুলিশ সদস্যকে।

২০২৪ সালের ৪ আগস্ট সকাল ১০ টা থেকে কেন ৩ দফায় এনায়েতপুর থানায় হা'মলা হয়েছিল? থানার ছাদ থেকে, পাশের বাড়ি থেকে, শৌচাগার থেকে, জঙ্গলে থেকে খুঁজে এনে একে একে ১৫ জন পুলিশ সদস্যকে কেন নি'র্মমভাবে পি'টিয়ে হ'ত্যা করা হয়েছিল, তাদের কি দোষ ছিল কি অপরাধ ছিলো আজও কেউ জানে না।

হামলার ঘটনায় জানে বেঁচে যান এনায়েতপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক শাহিনুর আলম। তিনি পুরো ঘটনা নিয়ে ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে একটি সাক্ষাৎকার দেন। সেখানে তিনি বলেন,

"রোববার (৪ আগস্ট ২০২৪) বেলা সাড়ে ১০টার দিকে প্রথমে এনায়েতপুর কেজির মোড় এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল এসে থানার মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এরপর আমরা তাদের অনুরোধ করে বলতে থাকি যে এটি জনগণের প্রতিষ্ঠান, আমরা আপনাদের শত্রু নই, কাজেই আপনারা এখানে এই ইটপাটকেল নিক্ষেপ বন্ধ করুন। অন্যথায় আমরা ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবো। আমাদের এমন অনুরোধে তারা এলাকা ছেড়ে চলে যায়।

এর কিছুক্ষণ পরে আবারও একটি মিছিল এসে থানার মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে তাদের অনুরোধ করেও কোনো লাভ হয়নি। এরপর হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করা হয়। তখন তাঁরা ছত্রভঙ্গ হয়ে চলে যায়। এর বেশ কিছুক্ষণ পর বেলা একটার দিকে একটি বড় মিছিল নিয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে করতে থানার ভেতরে ঢুকে হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরা। এ সময় কাঁদানে গ্যাসের শেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করলেও কোনো লাভ হয়নি।"

শাহিনুর আলম বলেন, ‘একপর্যায় আমরা তাদের কাছে আত্মসমর্পণ করতে চাইলেও তারা চার থেকে পাঁচ হাজার লোক থানার চারপাশের এলাকা ঘিরে ফেলে আক্রমণ চালায়। যে কারণে আমরা সব মিলিয়ে প্রায় ৪০ জন পুলিশ সদস্য প্রাণ বাঁচাতে যে যার মতো করে দৌড়ে পালাবার চেষ্টা করি।’

‘বিক্ষোভকারীরা প্রথমে থানায় ঢুকে থানা কার্যালয়ে ভাঙচুর চালিয়ে মুল ফটকে অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় থানা কার্যালয়ে নিচ তলায় থাকা আমরা ৯ পুলিশ সদস্য কৌশলে ভবনের ছাদের ওপরে গিয়ে পানির ট্যাংকের নিচে লুকিয়ে যাই। হামলাকারীরা প্রথমে থানা কার্যালয়ের নিচতলায় মূল ফটকে অগ্নিসংযোগ করায় আর ওপর ওঠেনি। আমরা সেই পানির ট্যাংকের নিচে শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থায় বেলা আড়াইটা থেকে ৯ পুলিশ সদস্য সন্ধ্যা পর্যন্ত অবস্থান করতে থাকি।’

এরপর তাঁরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও দীর্ঘ সময়ে কোনো উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়নি বলে জানান শাহিনুর আলম। তিনি আরও বলেন, ‘সন্ধ্যায় সেনা সদস্যদের গাড়ির হুইসেল শুনে আমরা সেখান থেকে বের হই। তাদের কাছে সাহায্য চাইলে তারা আমাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। আমার সঙ্গে থাকা পুলিশ সদস্যদের সবাই শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন।’

শাহিনুর আলম বলেন, পুলিশ সদস্যদের মধ্যে অনেকেই থানার পেছন পাশে ভাঙা দেয়ালের ভেতর দিয়ে বের হয়ে উত্তর পাশের বাড়িগুলোয় ঢুকে পড়ে। হামলাকারীরা সেখান থেকে ধরে এনে এনে পি'টিয়ে হ'ত্যা করতে থাকে তাঁদের। হামলাকারীরা বেলা ১টা থেকে বিকেল প্রায় ৪টা পর্যন্ত দীর্ঘ সময় থানা এবং এর আশপাশের এলাকায় অবস্থান করে এই হত্যাযজ্ঞ চালায়। তাঁরা থানার মধ্যে থাকা প্রতিটি আবাসিক ভবন, গাড়ি, মোটরসাইকেলসহ আসবাবপত্রে আগুন ধরিয়ে দেয়। আবাসিক ভবনে থাকা বেশকিছু পরিবারের শিশু ও নারী সদস্যরা থানার পেছনের কিছু বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে প্রাণে বেঁচে আছেন।

হামলার সময় থানায় পুলিশ সদস্যের মধ্যে ছিলেন ট্রাফিক কনেস্টবল আবদুর রহমান। হাসপাতালে চিকিত্সারত আবদুর রহমান বলেন, ‘আমি হামলার শিকার হয়ে থানার পেছন দিয়ে দৌড়ে পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলাম। হা'মলাকারীরা আমার পিছু নিলেও ওই বাড়ির মালিক আমাকে নিরাপদ আশ্রয় দিয়ে জীবন বাঁচিয়েছে। সে বাড়িতেও বেশ কয়েকবার হা'মলাকারীরা কোনো পুলিশ সদস্য পালিয়ে আছে কি না, সেটি তল্লাশি চালিয়ে দেখে চলে গেছে। এরপর সন্ধ্যায় আগে ওই বাড়ির মালিকের সহায়তায় থানা এলাকা পার হয়ে আবারও আমি থানার পাশের খোকশাবাড়ি গ্রামের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেই। এরপর সন্ধ্যায় সেনা সদস্যরা এলে খবর পেয়ে তাদের কাছে চলে আসি।’

আবদুর রহমান বলেন, ‘আমি যেখানে আশ্রয় নিয়েছিলাম ওই বাড়ির পাশের বাড়িতে আমাদের বেশ কয়েক জন পুলিশ সদস্য আশ্রয় নিয়েছিলেন। হামলাকারীরা বাড়িতে ঢুকে সেই পুলিশ সদস্যদের পি'টিয়ে হ'ত্যা করেছে। আমি পালিয়ে থেকে সেই পুলিশ সদস্যদের আহাজারি, তাদের বাঁচার আকুতি, আর্তচিতকার শুনি।'

পুলিশ সদস্যদের হ'ত্যার ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন এনায়েতপুর থানার আশপাশের বেশ কজন বাসিন্দা। এমনই একজন নুরজাহান বেগম (৬০)। তিনি বলেন, ‘হামলাকারীরা কাঠের লাঠি, লোহার রড দিয়ে কীভাবে যে পুলিশ সদস্যদের ধরে ধরে চোখের সামনে পি'টিয়ে হ'ত্যা করল! আমরা কিছুই করতে পারলাম না। সে কথা মনে হলে আমার বুক কেঁপে ওঠে। হামলাকারীরা আশপাশের বাড়িতে পালিয়ে থাকা পুলিশ সদস্যদের টেনেহিচড়ে বের করে পি'টিয়ে হ'ত্যার পর লাশগুলো আমার বাড়ির পাশে এক জায়গায় জমা করে রেখেছিল।'

নুরজাহান বেগম বলেন, তিনি নিজের জীবন বাজি রেখে তিনজন পুলিশ সদস্যের জীবন বাঁচাতে সহায়তা করেছেন। হামলার তীব্রতা যখন চরম, ঠিক এমন সময় তাঁর বাড়ির ভেতরে ঢুকে তিন পুলিশ সদস্য সাহায্য চান। তখনই তিনি দ্রুত ঘরে থাকা সাধারণ পোশাক দিয়ে তাঁদের পুলিশের পোশাক পরিবর্তন করে নিরাপদ হেফাজতে রাখেন। দীর্ঘ সময় পর হামলাকারীরা চলে গেলে তাঁদের বাড়ি হতে বের করে দেন। হামলাকারীরা বেশ কয়েক বার এসে হুমকি দিয়ে বলতে থাকে বাড়িতে পুলিশ লুকিয়ে আছে, তাদের বের করে না দিলে এই বাড়িতেই হামলা করা হবে। একবার কয়েক জন এসে ঘরের দরজা খুলতে বলে। এরপর ঘরে ঢুকে তারা তন্য তন্য করে খুঁজে চলে যায়।

এনায়েতপুর গ্রামের বৃদ্ধ বাবু প্রামাণিকের (৭০) বাড়ির উঠানেই কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। সেই বর্ণনা দিয়ে বাবু প্রামাণিক বলেন, থানা এলাকায় হামলা, গুলির শব্দ চলে বেলা একটা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত। এরই একপর্যায়ে পাঁচ থেকে ছয়জন পুলিশ সদস্য থানার পেছন দিয়ে দৌড়ে এসে তাঁদের বাড়ির ভেতরে ঢুকে আশ্রয় চান। সেই সঙ্গে দৌড়ে গিয়ে বাড়ির পেছন দিকে থাকা পাকা বাথরুমের মধ্যে ঢুকে পরে। হামলাকারীরা পিছু পিছু বাড়ির ভেতরে ঢুকে পুলিশ সদস্যদের খোঁজ করতে থাকে।

বাবু প্রামাণিক বলেন, ‘আমারা ভয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে দিয়ে ভেতরে বসে থাকি। এরই একপর্যায়ে হামলাকারীরা বাথরুমে ঢুকে সেই পুলিশ সদস্যদের টেনেহিঁচড়ে বের করে। আমার বাড়ির উঠানের মধ্যেই পিটিয়ে হত্যা করে লাশ টেনে বাড়ির বাইরে নিয়ে জমা করে। চোখের সামনে সেই হত্যার যে কী দৃশ্য, সেটি আমি বর্ণনা করতে পারব না।’

থানার পেছনের এলাকার খোকসাবাড়ি গ্রামে বৃদ্ধ জহির উদ্দিনের (৭৫) বাড়ি। এমন হত্যাযজ্ঞ জীবনে দেখেননি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বেলা তিনটা দিকে থানার পেছনের জঙ্গলের মধ্যে পালিয়ে থাকা বেশ কয়েক জন পুলিশ সদস্যকে হামলাকারীরা খুঁজে বের করে কাঠের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে পেটাতে শুরু করে। সে সময় জীবন বাঁচাতে কোনো পথ না পেয়ে তাঁরা পাশের পুকুরের পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। হামলাকারীরা সেই পানিতে নেমেই তাদের পিটিয়ে হত্যা করে লাশগুলো টেনে তুলে পাড়ে জমা করে। একটি লাশ পরে সেনা সদস্যরা পুকুরের পানি থেকে উদ্ধার করেছেন।’

জহির উদ্দিন বলেন, হামলাকারীদের বেশির ভাগের বয়স ১৭ থেকে ২২ বছরের মধ্যে। এর মধ্যে দু–একজনের বয়স ৪০-৪৫ হবে। তবে তারা কেউই স্থানীয় নয়। সবাই তাঁদের অপরিচিত। তাদের কাউকেই এলাকার মানুষ আগে কখনো দেখেননি।

তথ্যসূত্রঃ বিবিসি, প্রথম আলো, বিডিনিউজ।

04/08/2025

৫ আগস্ট ২০২৪ আওয়ামী লীগ কিংবা শেখ হাসিনার পতন হয়নি !
পতন হয়েছে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের ৷

02/08/2025

ইউনুসের সংস্কারপন্থীদের জিজ্ঞাসা করুন - মার্কিন গোপন চুক্তি আর পলিথিন বাদ - এ ছাড়া কি কি সংস্কার করেছে ১ বছরে?

জি এম হাটের ২ কৃতি সন্তান কে নিয়ে যখন সারা বাংলাদেশ আজ গর্বিত, এই অন্যায় অবিচার আর শাসনের নামে যে অমানবিক অত্যাচার আজ সা...
02/08/2025

জি এম হাটের ২ কৃতি সন্তান কে নিয়ে যখন সারা বাংলাদেশ আজ গর্বিত, এই অন্যায় অবিচার আর শাসনের নামে যে অমানবিক অত্যাচার আজ সারা বাংলাদেশে!

যখন এই দেশের সাধারণ ছাত্রদের মাথার উপর ভর করে এই দেশে জঙ্গিবাদি উগ্রপন্থীরা দখলে নিয়েছে, তখন সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন আমাদের ২ জন মানুষ যাদের সাহস মেধা আর প্রজ্ঞা দিয়ে মোকাবেলা করেছেন, নিজের চাকুরি হারিয়েছেন তবু আপোষ করেন নাই। আপনারা আমাদের অনুপ্রেরণা।

আপনাদের জন্য শুভ কামনা রইল।
ইনশাআল্লাহ দেখা হবে বিজয়ে।

28/07/2025

জয় বাংলা

জয় বঙ্গবন্ধু

18/04/2025

Adresse

Democratic Republic Of The

Site Web

Notifications

Soyez le premier à savoir et laissez-nous vous envoyer un courriel lorsque MD:Shojib hossain publie des nouvelles et des promotions. Votre adresse e-mail ne sera pas utilisée à d'autres fins, et vous pouvez vous désabonner à tout moment.

Contacter L'entreprise

Envoyer un message à MD:Shojib hossain:

Partager