Natural ლ power

Natural ლ power Natural ლ power একদিন এই পৃথিবী ছেড়ে সবাইকে যেতে হবে। এর চেয়ে বড় সত্য আর নেই।

একমাত্র তারাই ভাগ্যবান, যারা চলে যাওয়ার আগে কিছু করে রেখে যায়।

ওজনাধিক্য, রক্তে চর্বির আধিক্য এবং হূদেরাগ আছে এমন রোগীদের ডিম খেতে মানা—এমনটাই ধারণা প্রচলিত। কিন্তু সম্প্রতি চিকিৎসকের...
20/05/2014

ওজনাধিক্য, রক্তে চর্বির আধিক্য এবং হূদেরাগ আছে এমন রোগীদের ডিম খেতে মানা—এমনটাই ধারণা প্রচলিত। কিন্তু সম্প্রতি চিকিৎসকেরা বলছেন, ডিমে প্রচুর আমিষ, ভিটামিন ডি সহ প্রায় ১১ ধরনের ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে। একটা ডিমে আছে ৫ গ্রাম চর্বি, প্রায় পুরোটাই রয়েছে শুধু কুসুমে। এর মধ্যে সম্পৃক্ত বা ক্ষতিকর চর্বির পরিমাণ দেড় গ্রাম। অপর দিকে ডিম একটি চমৎকার পুষ্টির উৎস, এর আমিষ সহজপাচ্য ও উপকারী, তা ছাড়া ডিম ভিটামিন ও খনিজে পরিপূর্ণ। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ডিম খাওয়া বাদ না দিয়ে বরং না বলুন উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবারগুলোকে, যেমন কেক, পেস্ট্রি, চকলেট, ভাজা খাবার বা কোমল পানীয়। ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব অস্ট্রেলিয়ার সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, যাঁরা সুষম খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত, তাঁদের সপ্তাহে ছয়টি ডিম খেতে কোনো ক্ষতি নেই।

সূত্র: এবিসি হেলথ।

সজনে পাতায় অনেক গুনসজনে ডাঁটার মতো এর পাতারও রয়েছে যথেষ্ট গুণ। সজনে পাতা শাক হিসেবে, ভর্তা করেও খাওয়া যায়। এতে মুখের...
04/05/2014

সজনে পাতায় অনেক গুন

সজনে ডাঁটার মতো এর পাতারও রয়েছে যথেষ্ট গুণ। সজনে পাতা শাক হিসেবে, ভর্তা করেও খাওয়া যায়। এতে মুখের রুচি আসে।

পাতার রস খাওয়ালে শ্বাসকষ্ট সারে ও হেঁচকি ওঠা বন্ধ হয়। পাতার ক্বাথ তৈরি করে হিং ও শুকনো আদার গুঁড়ো মিশিয়ে খাওয়ালে পেটের গ্যাস বেরিয়ে যায়।

বার্মিজ চিকিৎসকদের মতে সজনের পাকা পাতার টাটকা রস দু’বেলা খাবাবের ঠিক আগে ২-৩ চা চামচ করে খেলে উচ্চ রক্ত চাপ কমে যায়। তবে ডায়াবেটিস থাকলে তা খাওয়া নিষেধ।

পাতা বেটে অল্প গরম করে ফোঁড়ার ওপর লাগালে ফোঁড়া ফেটে যায়। পাতার রস মাথায় ঘষলে খুসকি দূর হয়। সাময়িক জ্বর, অশ্ব, চোখে পিছুটি পড়া, মাঢ়ি ফোলা ইত্যাদি রোগ নিরাময়েও সজনা পাতার ব্যবহার রয়েছে। এছাড়া সজনা পাতার রসে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করার ক্ষমতাও রয়েছে।

কাঁচা আমের স্বাস্থ্যগুণগ্রীষ্মকালের গরম সবাই যতোই অপছন্দ করুক না কেন, এই মৌসুমের ফলমূলকে অপছন্দ করার ক্ষমতা কারো নেই। আম...
27/04/2014

কাঁচা আমের স্বাস্থ্যগুণ

গ্রীষ্মকালের গরম সবাই যতোই অপছন্দ করুক না কেন, এই মৌসুমের ফলমূলকে অপছন্দ করার ক্ষমতা কারো নেই। আম, কাঁঠালের মৌসুম এই গ্রীষ্মকে তাই একেবারে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করার কিছুই নেই। গ্রীষ্মে সকলের সব চাইতে প্রিয় এবং সহজলভ্য ফল হচ্ছে আম। এখনই বাজারে উঠা শুরু করেছে কাঁচা আম। আমাদের অতি প্রিয় এই ফল আম, কাঁচা বা পাকা যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন তা আমাদের দেহের জন্য খুবই উপকারী। এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে পাকা আমের তুলনায় কাঁচা আমের গুণ আরও অনেক বেশি। আসুন তবে জেনে নেয়া যাক কাঁচা আমের কিছু স্বাস্থ্যউপকারিতা সম্বন্ধে।
চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায় কাঁচা আম
কাঁচা আমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যারোটিন ও ভিটামিন এ যা আমাদের চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায় কাজ করে। প্রতিদিন সামান্য পরিমাণে কাঁচা আম আমাদের চোখের নানা সমস্যা এবং ভিটামিন এ এর অভাব জনিত সমস্যা থেকে রক্ষা করে।

হৃদপিণ্ডের সুরক্ষায় কাঁচা আম
কাঁচা আম আমাদের শরীরের রক্তের সুগারের মাত্রা কমাতে বেশ সাহায্য করে। এটি খারাপ কলেস্টোরলের বিরুদ্ধে কাজ করে কার্ডিওভ্যস্কুল্যার সমস্যা থেকে আমাদের রক্ষা করে। এছাড়া কাঁচা আমের বিটা ক্যারোটিন হৃদপিণ্ডের যে কোন সমস্যা থেকে আমাদের দূরে রাখে।
অ্যাসিডিটি সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখে
অনেকের খাওয়ার সময়ের হেরফের হলে, ভাজাপোড়া জাতীয় কিছু খেলে পরে অ্যাসিডিটির সমস্যা দেখা দেয়। কাঁচা আম এই সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। অ্যাসিডিটি শুরু হলে খানিকটা কাঁচা আম খেলে অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
কাঁচা আমে নানা ভিটামিন এবং পটাশিয়ামের পাশাপাশি রয়েছে ফাইবার। ফাইবার সমৃদ্ধ এই কাঁচা আম কোষ্ঠকাঠিন্য উপশমে বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখে।

দাঁতের সুরক্ষায় কাঁচা আম
কাঁচা আমে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি। ভিটামিন সি আমাদের দাঁতের সুরক্ষায় কাজ করে। কাঁচা আম খেলে এর ভিটামিন সি আমাদের দাঁত এবং মাড়ির সমস্যা থেকে আমাদের রক্ষা করতে সাহায্য করে।
রক্ত সল্পতা দূর করে
কাঁচা আমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। আয়রনের অভাবে আমরা অনেকেই রক্ত স্বল্পতা রোগে ভুগে থাকি। কাঁচা আমের আয়রন আমাদের দেহের আয়রনের অভাব পুরনে কাজ করে। ফলে রক্ত স্বল্পতা দূর হয়।

নিজের ওজন নিয়ন্ত্রণ করে শরীরটাকে হালকা রাখতে হিমসিম খেতে হয় প্রায় সবাইকে। চাকরিতে ঢোকার পর কিংবা বিয়ের কিছুদিন পরই শুরু ...
10/04/2014

নিজের ওজন নিয়ন্ত্রণ করে শরীরটাকে হালকা রাখতে হিমসিম খেতে হয় প্রায় সবাইকে। চাকরিতে ঢোকার পর কিংবা বিয়ের কিছুদিন পরই শুরু হয়ে যায় দুশ্চিন্তা- “মোটা হয়ে যাচ্ছি!” আর মেয়েদের ক্ষেত্রে সন্তান হওয়ার পর তো কথাই নেই, ওজন বেড়ে দ্বিগুণ। কিন্তু কে চায় ওজন বেশি নিয়ে ঘুরতে? অবশ্য না চাইলেও উপায় নেই, ওজন যেন কিচ্ছুতে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। ডায়েট, ব্যায়াম ইত্যাদি সবকিছুকে ব্যর্থ করে ওজন যেন দিন দিন বাড়তে থাকে আর বাড়তেই থাকে!

জানেন কি, এই ওজন বাড়া কিন্তু আপনারই ভুল। আপনি হয়তো সবই করছে নিয়ন্ত্রণ করতে, কিন্তু ভুল উপায়ে। আসুন, আজ জেনে নেই এমন ২০টি টিপস, যেগুলো মেনে চললে সারা জীবন আপনার ওজন থাকবে নিয়ন্ত্রণে। আপনি সবসময় থাকবেন ফিট ও হিট!

১. ডায়েটিং রোজকার জীবনে নিশ্চয়ই জরুরি, তবে খাবার খাওয়ার মধ্যে যেন বেশি সময়ের ব্যবধান না থাকে। ডায়েট করতে গিয়ে কখনোই না খেয়ে থাকবেন। দিনে অন্তত চার থেকে পাঁচ বার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। হ্যাঁ, অবশ্যই স্বাস্থ্যকর খাবার।

২. যেহেতু আজকাল বেশিরভাগ চাকরিও সেই ডেস্কে বসে, তাই মেয়েদের ক্ষেত্রে দৈনিক ক্যালোরি গ্রহনের পরিমান দিনে ১০০০-১৫০০ বেশি না হওয়াই ভাল। পুরুষের শারিরিরক চাহিদা একটু বেশি বিধায় তাদের জন্য ২০০০ ক্যালোরি বরাদ্দ। এর বেশি হলেই ভুঁড়ি জমতে সময় লাগবে না!

৩. রোজ দিনে অন্তত একবার হালকা শরীরচর্চা করা জরুরি। দৈনিক ২০ মিনিট দিন ব্যায়ামে। হয়তো কোথাও হেঁটে গেলেন, কিংবা বারান্দায় দাঁড়িয়ে সেরে নিলেন জগিং।

৪. রাতের খাবার খাওয়ার পর খানিকক্ষণ হালকা শরীরচর্চা করা ভাল। খাওয়ার ২ ঘণ্টা পর একটু হেঁটে নিতে পারেন। এতে শরীর ঝরঝরে থাকবে।

৫. এলোপাথাড়ি ব্যায়াম না করে নিজের শরীরের সাথে মানানসই ব্যায়াম বেছে নেবেন। এবং দৈনিক সময়মত করবেন ব্যায়ামটুকু। বাজার থেকে কেনান সস খাওয়া বাদ দিন, এতে প্রচুর চিনি থাকে।

৬. প্রত্যেক সপ্তাহে একই দিনে ও একই সময়ে ওজন মাপুন। এটা আপনাকে মানসিকভাবে সাহায্য করে ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে, রাখবে সতর্ক।

৭. খাওয়াদাওয়ার সঠিক সময় মেনে চলুন। একদম ঘড়ির কাঁটা ধরে। হজম ক্ষমতা গতিশীল রাখতে এটা খুব জরুরী।

৮. সারাদিনের প্রত্যেকটা খাবার খাবেন, বাদ দেবেন না। এমনকি ব্রেকফাস্ট খাওয়াও প্রয়োজন অবশ্যই। পেট দীর্ঘক্ষণ খালি রাখবেন না। এতে মেটাবলিজম কমে যাবে ও ওজন বাড়বে।

৯. ভাজা-পোড়া খাবেন সপ্তাহে একদিন।

১০. নির্দিষ্ট বেলার খাবারের মাঝের সময়ে যদি খিদে পায়,তাহলে প্রচুর পরিমানে পানি খান। খেতে পারেন প্রচুর ফল।

১১. মিষ্টি, কোমল পানীয়, কেক ইত্যাদি খাবার সপ্তাহে একদিন। বিস্কিট কিনতে হলে ডায়েট বিস্কিট কিনুন।

১২. প্রাণীজ ফ্যাট, বিশেষত লাল মাংস ও ডালডা খাবারের তালিকা থেকে বাদ দিন। মাংস খেলে চামড়া ও চর্বি বাদ দিয়ে খান অবশ্যই।

১৩. অতিরিক্ত দুধ জাতীয় খাবার যেমন মাখন বা চিজ বেশি খাবেন না। সপ্তাহে দুদিন চলতে পারে।

১৪. দিনে দুইকাপ গ্রিন টি পানের অভ্যাস গড়ে তুলুন।

১৫. মাদকজাতীয় দ্রব্যের নেশা ছেড়ে দিন। মদ্যপান ছেড়ে দিন।

১৬. পর্যাপ্ত পরিমানে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার খান (যেমন – আলু, ভাত, রুটি)। এগুলো বেশি খাওয়া মানেই শরীর মোটা হয়ে যাওয়া। লাল চালের ভাত ও লাল আটার রুটি খেতে পারলে সবচাইতে ভালো।

১৭. দুপুরে ও রাতে অবশ্যই এক কাপ করে সালাদ বা কম মশলায় রান্না সবজি খেতে হবে।

১৮. খাবারের প্লেটের আকার ছোট করুন এবং একবারের বেশি দুবার নিয়ে খাওয়ার প্রবণতা ত্যাগ করুন। খাবার একবারেই প্লেটে তুলে নেবেন।

১৯. চেষ্টা করুন সকালে ভারী ব্রেকফাস্ট করার। সামান্য ভারী লাঞ্চ এবং হালকা ডিনার করার। নাস্তা হিসাবে খান বাদাম, মুড়ি, ফল, ডায়েট বিস্কিট।

২০. চিনি খাওয়া কমিয়ে নিয়ে আসুন দিনে দুই চামচে। এর বেশি প্রয়োজন নেই।

জেনে নিন স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্যে নিমপাতার ব্যতিক্রমী ৬টি ব্যবহারনিমপাতার কথা শুনলেই সবার প্রথমে আমাদের ভেতর থেকে তেতো একটি...
10/04/2014

জেনে নিন স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্যে নিমপাতার ব্যতিক্রমী ৬টি ব্যবহার
নিমপাতার কথা শুনলেই সবার প্রথমে আমাদের ভেতর থেকে তেতো একটি অনুভূতির সৃষ্টি হয়। কারণ আমরা সবাই জানি নিমের স্বাদ হলো তেতো। কিন্তু তেতো স্বাদের এই বস্তুটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এর গুরুত্ব অনেক বেশি। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক প্রতিদিন কী কী কারণে আমাদের নিমপাতা ব্যবহার করা জরুরী।
অ্যাজমা উপশমে নিমপাতা
নিম পাতার তেল অ্যাজমা উপশমে অনেক বেশি জরুরী একটি উপাদান। নিম পাতার তেল কাশি,মিউকাস এবং জ্বর পর্যন্ত কমানোর ক্ষমতা রাখে। নিমপাতার তেল আপনি সহজেই তৈরি করে নিতে পারেন। নিম পাতা ধুয়ে খাওয়ার অলিভ অয়েলে দিয়ে গরম করুন। পাত্রটি আলাদা করে ৩ দিন রেখে দিন। এরপর নিমপাতা তুলে নিয়ে তেলটুকু আলাদা করুন। প্রতিদিন সামান্য পরিমানে এই তেল খেয়ে দেখুন।
পেটের নানা সমস্যা সমাধানে নিমপাতা
মাঝে মাঝে পেটের নানা সমস্যায় পড়েন অনেকেই। এই ধরণের সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য নিমপাতা এবং নিম গাছের বাকল ধুয়ে পরিষ্কার করে পানিতে ফুটিয়ে নিন। এরপর এই পানি দিনে ২ বার পান করুন। পেটের সমস্যা দূর করা ছাড়াও এটি ম্যালেরিয়া এবং চামড়ার অনেক সমস্যার সমাধান করে।
ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে নিমপাতা
নিমপাতার রস রক্তের চিনির মাত্রা কমাতে বেশ উপযোগী। তাই ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে প্রতিদিন নিমপাতার রস খান।
দাঁত ও দাঁতের মাড়ির সমস্যা সমাধানে নিমপাতা
দাঁত মাজার উপকরণ হিসেবে নিম গাছের ডাল বহুকাল আগে থেকেই ব্যবহার হয়ে আসছে। এটি দাঁতের মাড়ি এবং দাঁতের অনেক সমস্যার সমাধান করে। নিমের রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা দাঁত এবং দাঁতের মাড়ির সুরক্ষায় কাজ করে।
ত্বকের সুরক্ষায় নিমপাতা
নিমপাতার রস টোনার হিসেবে প্রতিদিন ব্যবহার করলে ব্রণ, ত্বকের দাগ, ত্বকের রুক্ষতা এবং ব্ল্যাকহেডস দূর হয়। ২০-২৫ টি নিমপাতা ২ গ্লাস পানিতে ফুটিয়ে নিন। পানি ততোক্ষণ পর্যন্ত ফোটাবেন যতোক্ষণ পর্যন্ত নিমপাতার সবুজ রঙ বিবর্ণ না হয়ে যায়। এরপর এই পানি ছেঁকে একটি বোতলে সংরক্ষণ করুন। প্রতিদিন এই পানি তুলোয় ভিজিয়ে ত্বকের ওপর বুলিয়ে নিন।
চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে নিমপাতা
চুলকে সুন্দর ও স্বাস্থ্যউজ্জ্বল করতে চাইলে ব্যবহার করুন নিমপাতার পানি। ১ লিটার পানিতে অনেকগুলো নিমপাতা দিয়ে পানি সবুজ না হওয়া পর্যন্ত ফুটিয়ে নিন। এরপর ঠাণ্ডা হলে শ্যাম্পু শেষে ব্যবহার করুন এই পানি। চুলের রুক্ষতা দূর হবে এবং খুশকির সমস্যারও সমাধান হবে।

পেটের মেদ বাড়লে নারী বা পুরুষ উভয়কেই দেখতে খারাপ লাগে। কিন্তু পেটের মেদ জমার কারণ আমাদেরই অনিয়ম এবং বাজে খাদ্যাভ্যাস। পে...
07/04/2014

পেটের মেদ বাড়লে নারী বা পুরুষ উভয়কেই দেখতে খারাপ লাগে। কিন্তু পেটের মেদ জমার কারণ আমাদেরই অনিয়ম এবং বাজে খাদ্যাভ্যাস। পেটে বেশি মেদ জমলে তা নিয়ে বিপদে পড়ে থাকেন সবাই। কারণ একবার বেশি মাত্রায় মেদ জমে গেলে তা কমানো অনেক কষ্টসাধ্য কাজ। সকলেরই উচিৎ পেটের মেদের ব্যাপারে একটু সতর্ক থাকা। আমরা খুব সহজে আমাদের পেটে জমে থাকা মেদের হাত থেকে রেহাই পেতে পারি। আমাদের শুধু কষ্ট করে অনুসরণ করতে হবে কিছু ধাপ।
১ম ধাপ- পেটের মেদ কমানোর জন্য ব্যায়াম

পেটের মেদ কমানোর সর্ব প্রথম এবং সব চাইতে কার্যকরী কাজ হচ্ছে আমাদের পেটের পেশীর ফ্যাট কমানো যা বায়ামের মাধ্যমেই করা সম্ভব। আর শুধু পেটের ব্যায়াম করলেই চলবে না। করতে হবে পুরো শরীরের ব্যায়াম। তবে অবশ্যই পেটের দিকে নজরটা একটু বেশিই দিতে হবে। পুশ-আপ, পুল-আপ করতে হবে। দড়িলাফ সব চাইতে ভালো একটি ব্যায়াম শরীরের জন্য। মনে রাখতে হবে ১ সপ্তাহে পেটের মেদ কমাতে চাইলে প্রতিদিনের ব্যায়ামে আপনাকে ৫০০ থেকে ৬০০ ক্যালোরির মতো ক্ষয় করতে হবে।
২য় ধাপ- দিনের শুরু লেবু পানি দিয়ে

প্রতিদিন সকালবেলা নিয়ম করে ১ গ্লাস লেবু গরম পানি খাবেন। লেবুর রসের পরিমান যতোটা সম্ভব বেশি রাখার চেষ্টা করবেন। খাবার খাওয়ার আগে পানি খাবেন। এতে খাবারের চাহিদা কমে যাবে। দিনে প্রচুর পরিমাণ পানি রাখবেন।
৩য় ধাপ- পেটের পেশীর ব্যায়াম

পেটের পেশী অর্থাৎ অ্যাবডোমিনাল পেশীর ব্যায়াম করতে হবে সপ্তাহে ৩ দিন। ক্রাঞ্চ এবং পায়ের ব্যায়াম ৩ সেটে ২০ বার করে করতে হবে প্রতিবার। কুনুইএর মাধ্যমে পুশ-আপের ব্যায়াম করার অভ্যাস করতে হবে। এতে করে ১ সপ্তাহের মধ্যে পেটের মেদ কমে যাবে।
৪র্থ ধাপ- খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন

সাধারণত যেভাবে যে নিয়মে আপনি খাবার খান তার থেকে চিনি, এবং কার্বোহাইড্রেট বাদ দিতে হবে। কার্বোহাইড্রেট সামান্য রাখতে পারেন দেহের এনার্জির মাত্রা ঠিক রাখার জন্য। কিন্তু অবশ্যই চিনি বাদ দিতে হবে। মাছ এবং মুরগীর মাংস, প্রচুর পরিমানে শাকসবজি এবং ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাবেন। এবং প্রতিদিন তাজা ফল খাওয়ার অভ্যাস করবেন। বিশেষ করে টক জাতীয় ফল। লবণ রাখবেন না খাবারে। শুধু লবণ নয়, সোডিয়াম সমৃদ্ধ সকল খাবার থেকে দূরে থাকবেন।
৫ম ধাপ- খাবারে ব্যবহার করুন কিছু মশলা

খাবারে ব্যবহার করুন দারুচিনি, গোলমরিচ ও আদা। এইসকল মশলা পেটের মেদ দূর করতে বেশ কার্যকরী। রসুনও পেটের মেদ দূর করে। আদা এবং রসুন কাচা চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করুন। এবং খাবারে ঝালের মাত্রা বাড়িয়ে দিন। তবে অবশ্যই সহনশীল ঝাল দেবেন। ঝাল পেটের চর্বি কাটতে সাহায্য করে।

বাংলাদেশে এখন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কম নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংখ্যা ৬১ লক্ষ্যকেও ছাড়িয়ে যাবে। অনিয়ন্ত্রিত ড...
02/04/2014

বাংলাদেশে এখন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কম নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংখ্যা ৬১ লক্ষ্যকেও ছাড়িয়ে যাবে। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস ধীরে ধীরে কিডনি, হৃদযন্ত্র, চোখ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের ক্ষতি করে ও অকার্যকর করে দেয়। নিয়মমাফিক চলাফেরা আর খাওয়া দাওয়ার পরও ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের অনেকেই এখনো রয়েছেন সঠিক চিকিৎসা গন্ডির বাইরে।

চাইলে আপনি ঘরে বসে নিজেই ডায়াবেটিসের চিকিৎসা করতে পারেন। এক্ষেত্রে বাড়তি কোনো প্রস্তুতিরও দরকার নেই।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য মেথি একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ্য। মেথি একইসাথে মসলা, খাবার ও পথ্য তিনটিরই কাজ দেয়। মেথি স্বাদে তিতা হলেও রক্তের সুগার বা শর্করা নিয়ন্ত্রণের বিস্ময়কর শক্তি আছে এটির।

রক্তের শর্করা ও কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক চামচ মেথি চিবিয়ে খেতে পারেন কিংবা এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেই পানি পান করুন।

এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত সকালে মেথি খেলে ডায়াবেটিসজনিত অন্যান্য অসুখ কম হয়। সাথে সাথে স্ট্রোক হওয়ার প্রবণতা কম থাকে এবং ডায়াবেটিস থাকে নিয়ন্ত্রণে।

তবে এর সাথে ডায়াবেটিসের অন্যান্য ঔষধও চালিয়ে যেতে হবে।

এছাড়া প্রচুর সবুজ শাকসবজি খাওয়ার অভ্যাস করলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। প্রতিদিন একবার করে গাজর, পালংশাক ও ব্রকোলির মতো সবজি খেলে টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে যায় ১৪ শতাংশ। এই ধরণের ডায়াবেটিসে সাধারণত প্রাপ্তবয়স্করাই আক্রান্ত হয়ে থাকেন।

সবুজ শাকসবজির পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর খাবার এবং বেশি বেশি ব্যায়ামও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে।

: বহুকাল ধরে প্রায় সর্বত্রই রন্ধনশিল্পে রসুনের ব্যবহার হয়ে আসছে। রসুন শুধু খাবারের স্বাদ ও ঘ্রাণই বাড়ায় না, একই সঙ্গে এট...
29/03/2014

: বহুকাল ধরে প্রায় সর্বত্রই রন্ধনশিল্পে রসুনের ব্যবহার হয়ে আসছে। রসুন শুধু খাবারের স্বাদ ও ঘ্রাণই বাড়ায় না, একই সঙ্গে এটি শরীরও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। রসুন মূলত অ্যান্টিবায়োটি হিসেবেই কাজ করে থাকে। সর্দি, কাশি, উচ্চরক্তচাপসহ অন্যান্য অসুখের বিরুদ্ধেও লড়ে। রসুনে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন ও খনিজ। প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় ৩ খেকে ৫ কোয়া রসুন রাখলে শরীর স্বাভাবিক ও সুস্থ থাকবে। তো এবার এক নজরে জেনে নেওয়া যায়, রসুনে কী কী গুণ বিদ্যমান।
শরীরের খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে। ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখতেও রসুনের জুড়ি নেই।
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রেখে, হৃদরোগের ঝুকি কমায়।
নিয়মিত রসুন খেলে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভবনা কমে যায়।
ব্যকটেরিয়া ও ভাইরাস জনিত রোগ নিয়ন্ত্রণ করে। ত্বকে কোনো ক্ষত হলে রসুন বাটা লাগালে ক্ষত ভালো হয়।
শরীরে ব্যথা হলে নিয়মিত রসুন খেলে ব্যথা কমে যায়।

মালিহা বিউটি পার্লারখুশকি রোধ ও মাথার ত্বকের সুস্থতায় লেবুর রসলেবুর রসের অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান খুশকি থেকে মাথার ত্ব...
25/03/2014

মালিহা বিউটি পার্লার

খুশকি রোধ ও মাথার ত্বকের সুস্থতায় লেবুর রস

লেবুর রসের অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান খুশকি থেকে মাথার ত্বককে দূরে রাখে। মাথার ত্বকের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে অনেক হারবাল উপাদানেই লেবুর রস ব্যাবহার করা হয়ে থাকে। আপনি ঘরে বসেই প্রাকৃতিক ভাবে লেবুর রসের মাধ্যমে মাথার ত্বককে সুস্থ রাখতে পারেন স্বাস্থ্যউজ্জ্বল চুলের জন্য।

পদ্ধতিঃ
একটি লেবুর রস, ১/২ টেবিল চামচ নারকেল তেল, ১ টি ভিটামিন ই ক্যাপস্যুল। সবকটি উপাদান একসাথে একটি বাটিতে মিশিয়ে নিন। এরপর মাথার ত্বকে বিশেষ করে খুশকি আক্রান্ত স্থানে ভালো করে লাগান এই মিশ্রণ। ১ ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। মাথার ত্বকে চিড়বিড়ে অনুভুতি হলে ভয় পাবেন না। লেবুর রসের সাইট্রিক অ্যাসিড মাথার ত্বকের সংক্রামক রোগ দূর করে ও খুশকি মুক্ত করে।

লিংকঃ রূপচর্চা

মালিহা বিউটি পার্লার চুলের বৃদ্ধিতে ও চুল গজাতে ক্যাস্টর অয়েলক্যাস্টর অয়েল, অনেকেই হয়তো শুনে থাকবেন নামটি। তবে এর প্র...
25/03/2014

মালিহা বিউটি পার্লার

চুলের বৃদ্ধিতে ও চুল গজাতে ক্যাস্টর অয়েল

ক্যাস্টর অয়েল, অনেকেই হয়তো শুনে থাকবেন নামটি। তবে এর প্রকৃত গুনাগুণ সম্পর্কে আমরা হয়তো খুব কমই জানি। ক্যাস্টর অয়েলে রয়েছে ভিটামিন ই, মিনরেলস, প্রোটিন, এসেন্সিয়াল ফ্যাটি এসিড যা চুল পড়া রোধ করার সাথে সাথে নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে। এটি চুলের যাবতীয় সমস্যা দূর করে চুলের স্বাস্থ্য ফিরিয়ে আনে। বাংলাদেশে আপনারা Well’s Castor Oil নামে এই অয়েলটি পাবেন। দাম পড়বে ১৫০-১৮০ টাকা এর মধ্যে।

নতুন চুল গজাতে ক্যাস্টর অয়েলঃ

- ক্যাস্টর অয়েল স্ক্যাল্পে ভালো মতো ম্যাসাজ করলে এটি স্ক্যাল্পের রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়। স্ক্যাল্পের রক্ত সঞ্চালন যত বাড়বে এর অবস্থা তত উন্নত হবে এবং হেয়ার ফলিকলগুলো আরও সুস্থ্য থাকবে। ফলে তা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

-ক্যাস্টর অয়েলে রয়েছে এন্টিঅক্সিডেন্ট যা চুলের স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য উপকারী। এন্টিঅক্সিডেন্ট এর প্রধান কাজ-ই হলো চুলের এবং স্ক্যাল্পের বিষাক্ত পদার্থ হ্রাস করে চুলের বৃদ্ধিকে তরান্বিত করা।

- ক্যাস্টর অয়েল ওমেগা ৯ ফ্যাটি আসিড এবং এসেন্সিয়াল ভিটামিনস এ সমৃদ্ধ যা চুল কে মজবুত এবং উজ্জল করে ও পুনরায় চুল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

ব্যবহারবিধিঃ

- যেহেতু ক্যাস্টর অয়েল খুব ঘন তাই এটি চুলে লাগানোর পূর্বে রেগুলার চুলের তেল (কোকোনাট অয়েল, অলিভ অয়েল, আমন্ড অয়েল) এর সাথে মিশিয়ে লাগালে সুবিধা হবে। স্ক্যাল্পে ভালো মতো ম্যাসাজ করে কমপক্ষে ২ ঘণ্টা রাখতে হবে। তেল লাগানোর পর হেয়ার ক্যাপ অথবা হট টাওয়েল চুলে পেঁচিযে রাখলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। এরপর চুলে শ্যাম্পূ করে কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। আরও ভালো ফল চাইলে তেল লাগিয়ে সারা রাত রেখে দিতে পারেন।

- চুলের গ্রোথ বাড়ানোর জন্য হট অয়েল ট্রিটমেন্ট হিসেবেও ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে তেল গরম করে নিতে হবে। প্রক্রিয়া টি সহজ করার জন্য ক্যাস্টর অয়েলের বোতলটি গরম পানির একটি গ্লাসে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এরপর স্ক্যাল্পে ভালো মতো ম্যাসাজ করূন।

উপরোক্ত নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহার করলে আশা করি এক মাসের মধ্যেই ফল পাবেন।

ক্যাস্টর অয়েল এর কিছু হেয়ার মাস্কঃ

- এক চা চামচ মধু, দুই চা চামচ ক্যাস্টর অয়েল এবং একটি ডিম ভালো মতো মিশিয়ে চুলে ভালো মতো লাগান। এক ঘণ্টা পর শ্যাম্পূ করে ফেলুন। এটি আপনার নিষ্প্রাণ এবং রুক্ষ চুলের উজ্জলতা বাড়িয়ে একে নরম করবে।

- সমান পরিমাণ ক্যাস্টর অয়েল, তিলের তেল এবং অলিভ অয়েল ভালো মতো মিশিয়ে চুলে এবং স্ক্যাল্পে ভালো মতো লাগিয়ে গরম তোয়ালে দিয়ে পেঁচিযে ৩০ মিনিট রাখুন। এরপর শ্যাম্পূ করে ফেলুন। এটি একটি খুবই কার্যকর হেয়ার টনিক হিসেবে কাজ করে যা চুল এবং স্ক্যাল্পকে খুব ভালো ভাবে কন্ডিশন্ড করে এবং চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

টিপসঃ

- যদি ক্যাস্টর অয়েল অন্য কোনো তেলের সাথে না মিশিয়ে মাথায় লাগাতে চান, তবে খুব অল্প পরিমাণ তেল নিবেন এবং শুধু স্ক্যাল্পে লাগবেন। কারণ ক্যাস্টর অয়েল খুব ঘন হওয়ায় এটি পুরো চুলে লাগালে পরে উঠানো নিয়ে বিপাকে পড়তে হবে।

- রাতে ক্যাস্টর অয়েল মাথায় দিয়ে ঘুমালে হেয়ার ক্যাপ অথবা তোয়ালে মাথায় পেঁচিযে নিন যাতে বালিশে দাগ না লাগে অথবা বালিশে একটি কাপড় পেঁচিযে নিন।

- চোখের পাপড়ি ঘন করতে চাইলেও আপনি ব্যবহার করতে পারেন ক্যাস্টর অয়েল। প্রতি রাতে ঘুমাবার আগে কটন বাড্স বা তুলার সাহায্যে ব্রু বা পাপড়িতে লাগাবেন। সকালে ধুয়ে ফেলবেন। এক মাসের মধ্যেই পরিবর্তন দেখতে পাবেন।

চমৎকার ঘুমের জন্য জরুরী যে খাবারগুলোঘুম না আসা কিংবা ভালো ঘুম না হওয়া একটি বিরক্তিকর ব্যাপার। অনেককেই এই সমস্যায় পড়তে দে...
21/02/2014

চমৎকার ঘুমের জন্য জরুরী যে খাবারগুলো

ঘুম না আসা কিংবা ভালো ঘুম না হওয়া একটি বিরক্তিকর ব্যাপার। অনেককেই এই সমস্যায় পড়তে দেখা যায়। হয়তো দেখা গেল পরের দিন সকালে উঠতে হবে বলে শুয়ে পড়েছেন তাড়াতাড়ি কিন্তু ঘুম আসতে চাইছে না কিছুতেই। বিছানায় এপাশ ওপাশ করে কেটে যায় পুরো রাত। এই সমস্যা ধীরে ধীরে বেড়ে দাঁড়ায় অনিদ্রা রোগে। বেশি মাত্রায় অনিদ্রা রোগ স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত খারাপ। তাই শুরু থেকেই এই অনিদ্রার সমস্যা দূর করার উপায় খুঁজতে হবে। প্রকৃতিতেই মিলবে এই ঘুম না আসা সমস্যার ঔষধ। কিছু খাবার আছে যা ঘুমের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। আসুন দেখে নেই সুখনিদ্রার জন্য প্রয়োজনীয় খাবারের একটি ছোট্ট তালিকা।

কলা

কলায় রয়েছে প্রচুর পরিমানে ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম যা দেহের মাংসপেশির আড়ষ্টতা দূর করতে সাহায্য করে। এতে দেহ শান্ত হয় এবং ঘুম ঘুম ভাব চলে আসে। তাই ঘুম না আসতে চাইলে একটি কলা খেয়ে নিতে পারেন।

দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবার

দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবার যেমন দই এসবে রয়েছে ‘ট্রায়াপ্টোফান’ নামক অ্যামিনো এসিড। এই অ্যামিনো এসিডটি মস্তিষ্কে ঘুমের উদ্রেক করে। তাই ঘুমানোর পূর্বে এক গ্লাস গরম দুধ, পায়েস কিংবা এক বাটি দই সুখনিদ্রার জন্য বেশ কার্যকরী।

ছোলা

ছোলায় আছে ভিটামিন বি৬ যা ঘুমের জন্য দরকারী ‘মেলাটোনিন’ নামক হরমোনের নিঃসরণ ঘটায় দেহে। এতে ঘুম দ্রুত আসে। তাই ঘুমাতে চাইলে খেয়ে নিতে পারেন সেদ্ধ বা পানিতে ভেজানো কাচা ছোলা।

ওটস

ওটস খুব ভালো একটি ঘুমের উদ্রেককারি খাবার। এতে আছে প্রচুর পরিমানে ‘ট্রায়াপ্টোফান’। ইচ্ছে হলে দুধ দিয়ে ওটস খেয়ে নিতে পারেন। ভালো ঘুম হবে।

ক ছেলে এক মেডিকেলে পড়া এক মেয়েকে প্রেমপত্র দিল নিজের রক্ত দিয়ে লিখে। আর বলল “অবশ্যই জবাব দিবে দ্রুত!” সে দ্রুত জবাব পেয়ে...
21/02/2014

ক ছেলে এক মেডিকেলে পড়া এক মেয়েকে প্রেমপত্র দিল নিজের রক্ত দিয়ে লিখে। আর বলল “অবশ্যই জবাব দিবে দ্রুত!” সে দ্রুত জবাব পেয়েও গেল এবং তাতে লিখা ছিল,...।
/
+=+
\
“তোমার ব্লাড গ্রুপ এ পজেটিভ আর তোমার রক্তে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি আছে। কচু শাক বেশি করে খাবে!”

►◄ কিছু বুজলেন বেশি করে কচু শাক খাবেন

তাহলে আর দেড়ি না করে কচু শাকের হরেক উপকারিতা গুলো দেখে নিন ।
নানান গুণের আধার কচুশাক আমাদের শরীরকে সুস্থ্য ও সবল রাখার জন্য বিভিন্ন কার্যাবলি সম্পাদন করে। যেমন -

►এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, যা দেহের বৃদ্ধি ও কোষ গঠনে ভূমিকা রাখে। এর বিভিন্ন ভিটামিন কোষের পুনর্গঠনে সহায়তা করে।

►কচুশাকে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্যআঁশ, যা অন্ত্রের বিভিন্ন রোগ দূরে রাখে, পরিপাকক্রিয়া ত্বরান্বিত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

►এর আয়রন ও ফোলেট রক্তে লোহিত কণিকার পরিমাণ বাড়ায়। ফলে অক্সিজেন সংবহনও পর্যাপ্ত থাকে। এতে উপস্থিত ভিটামিন কে রক্ত জমাটবাঁধার সমস্যা প্রতিরোধ করে।

►কচুশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম ও ম্যাংগানিজ। দাঁত ও হাড় গঠনে ও ক্ষয়রোগ প্রতিরোধে এসব উপাদানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

►রাতকানা, ছানিসহ চোখের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে ও দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করতে কচুশাক অতুলনীয়।
Photo: এক ছেলে এক মেডিকেলে পড়া এক মেয়েকে প্রেমপত্র দিল নিজের রক্ত দিয়ে লিখে। আর বলল “অবশ্যই জবাব দিবে দ্রুত!” সে দ্রুত জবাব পেয়েও গেল এবং তাতে লিখা ছিল,...। / +=+ \ “তোমার ব্লাড গ্রুপ এ পজেটিভ আর তোমার রক্তে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি আছে। কচু শাক বেশি করে খাবে!” ►◄ কিছু বুজলেন ;) বেশি করে কচু শাক খাবেন =D তাহলে আর দেড়ি না করে কচু শাকের হরেক উপকারিতা গুলো দেখে নিন । নানান গুণের আধার কচুশাক আমাদের শরীরকে সুস্থ্য ও সবল রাখার জন্য বিভিন্ন কার্যাবলি সম্পাদন করে। যেমন - ►এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, যা দেহের বৃদ্ধি ও কোষ গঠনে ভূমিকা রাখে। এর বিভিন্ন ভিটামিন কোষের পুনর্গঠনে সহায়তা করে। ►কচুশাকে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্যআঁশ, যা অন্ত্রের বিভিন্ন রোগ দূরে রাখে, পরিপাকক্রিয়া ত্বরান্বিত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ►এর আয়রন ও ফোলেট রক্তে লোহিত কণিকার পরিমাণ বাড়ায়। ফলে অক্সিজেন সংবহনও পর্যাপ্ত থাকে। এতে উপস্থিত ভিটামিন কে রক্ত জমাটবাঁধার সমস্যা প্রতিরোধ করে। ►কচুশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম ও ম্যাংগানিজ। দাঁত ও হাড় গঠনে ও ক্ষয়রোগ প্রতিরোধে এসব উপাদানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ►রাতকানা, ছানিসহ চোখের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে ও দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করতে কচুশাক অতুলনীয়।

Address

Naturalლpower
Uttarati

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Natural ლ power posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share