SylhetNews24

SylhetNews24 This page is managed by professional journalists and media practitioners who believe in freedom of expression, independent journalism and democratic values.

SylhetNews24 ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। এক ঝাঁক পেশাদার সাংবাদিকের পরিশ্রম আর মেধায় সিলেট, বাংলাদেশ সহ বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ প্রকাশে একটি বিশ্বস্ত মিডিয়া। SylhetNews24 ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি ডিজিটাল নিউজ প্ল্যাটফর্ম, যা সিলেট, বাংলাদেশ এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশি কমিউনিটির খবর তুলে ধরে।

আমরা ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, মানবাধিকার, সামাজিক ইস্যু এবং জনস্বার্থ

সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে নিয়মিত ও দায়িত্বশীলভাবে প্রতিবেদন প্রকাশ করি।

এই পেজটি পেশাদার সাংবাদিক ও মিডিয়া কর্মীদের দ্বারা পরিচালিত, যারা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী।

SylhetNews24 is a digital news platform covering Sylhet, Bangladesh and Bangladeshi communities around the world. We publish breaking news, political updates, human rights stories, social issues and public interest reporting with a commitment to accuracy and responsibility. Established: 2014

ঘুরিয়ে উত্তর, যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ত্যাগের প্রশ্নে স্পষ্ট করলেন না পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরপররাষ্ট্র প্রতিম...
24/08/2026

ঘুরিয়ে উত্তর, যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ত্যাগের প্রশ্নে স্পষ্ট করলেন না পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের বিদেশি নাগরিকত্ব নিয়ে আলোচনা নতুন করে সামনে এসেছে। তিনি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না, সোমবার সাংবাদিকদের সরাসরি এমন প্রশ্ন করা হলেও তিনি নাগরিকত্ব ত্যাগের বিষয়টি স্পষ্ট করে জানাননি। বরং নিজের দেশপ্রেম ও বাংলাদেশের প্রতি অবস্থানের কথা তুলে ধরে প্রশ্নটির উত্তর এড়িয়ে যান।

সোমবার (২৪ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় এ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে হুমায়ুন কবির বলেন, “আমি বাংলাদেশি, এখানে এসেছি বাংলাদেশের মিনিস্টার হিসেবে। আমার মনে আমার দেশপ্রেম, আমার অবস্থান নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলবে না।”

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে এসে দেশের জন্য কাজ করছেন এবং কোনো সুবিধাভোগী ব্যক্তি এমন অবস্থান নেবেন না।

তবে সাংবাদিকদের মূল প্রশ্ন ছিল অন্য জায়গায়। তিনি বিদেশি নাগরিকত্ব, বিশেষ করে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব, আনুষ্ঠানিকভাবে ত্যাগ করেছেন কি না, সেটি জানতে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে নাগরিকত্ব ত্যাগের বিষয়ে ‘ত্যাগ করেছি’ বা ‘ত্যাগ করিনি’ এমন কোনো সরাসরি বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে হুমায়ুন কবিরের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, তিনি শৈশবেই পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাজ্যে যান এবং সেখানেই বড় হয়েছেন। যুক্তরাজ্য বিএনপির কয়েকজন নেতার বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে তাকে ব্রিটিশ নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করা হলেও, তিনি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার আগে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে ত্যাগ করেছেন কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে একজন সাংবাদিক বিষয়টি আবার তুললে হুমায়ুন কবির কিছুটা রসিকতার সুরে বলেন, “আমি তো সিটিজেন নিয়ে আসি, আপনি বলেন নেটিজেন।” পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে আলোচনা হচ্ছে এবং এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে জানালে তিনি প্রশ্ন করেন, কোন সংবাদপত্রে তা প্রকাশিত হয়েছে।

একপর্যায়ে তিনি সিলেটি আঞ্চলিক ভাষায় বলেন, “কার এত জ্বালা কাজ-কর্ম বাদ দিয়া?” এরপর ২০০৮ এবং মইনুদ্দিন-ফখরুদ্দিনের সময়কার প্রসঙ্গও টেনে আনেন।

তবে পুরো বক্তব্যে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়নি: তিনি বর্তমানে ব্রিটিশ নাগরিক কি না, অথবা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার আগে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে পরিত্যাগ করেছেন কি না।

এখানেই মূল প্রশ্নটি থেকে যাচ্ছে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রে বিদেশি নাগরিকত্বের বিষয়ে নির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। তবে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বিদেশি নাগরিকত্বের বিষয়টি কীভাবে প্রযোজ্য হবে, তা নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট আইনি ও সাংবিধানিক বিধানের ব্যাখ্যার ওপর। ফলে শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য বা দেশপ্রেমের দাবি দিয়ে নাগরিকত্বের আইনি অবস্থান নির্ধারণ করা যায় না।

এ প্রসঙ্গে দ্বৈত নাগরিকত্বের আইনগত কাঠামোও জটিল। বাংলাদেশ নির্দিষ্ট কিছু দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে দ্বৈত নাগরিকত্বের সুযোগ দেয় এবং যুক্তরাজ্য সেই তালিকাভুক্ত দেশগুলোর একটি। অতীতে সরকারি তথ্যেও বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলেও কেউ বাংলাদেশি নাগরিকত্ব পরিত্যাগ না করলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তার বাংলাদেশি নাগরিকত্ব বহাল থাকতে পারে।

তাই হুমায়ুন কবিরের ক্ষেত্রে আসল প্রশ্ন শুধু তিনি ‘বাংলাদেশি’ কি না, তা নয়। প্রশ্ন হলো, তিনি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ধরে রেখেছেন কি না এবং যদি রেখে থাকেন, তাহলে বর্তমান রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের ক্ষেত্রে তার আইনগত অবস্থান কী।

সোমবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি দেশের প্রতি নিজের আনুগত্য ও দেশপ্রেমের বিষয়টি জোর দিয়ে তুলে ধরেছেন। কিন্তু বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগের প্রশ্নে সরাসরি উত্তর না দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা আরও বাড়তে পারে।

এখন বিষয়টির সবচেয়ে পরিষ্কার সমাধান হতে পারে প্রতিমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সরাসরি জানানো যে তিনি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না এবং করে থাকলে কবে ও কীভাবে তা করেছেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি বা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে বিতর্কেরও অবসান ঘটতে পারে।

বর্তমানে পাওয়া বক্তব্যের ভিত্তিতে তাই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না যে হুমায়ুন কবির ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন। বরং তার নিজের বক্তব্যে সেই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর এখনো অনুল্লেখিতই রয়ে গেছে।

আপনি কি জানেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৯২৮ সালে সিলেট ভ্রমণে আসেন? #সিলেট  #জাতীয়কবি  #কাজীনজরুল
24/08/2026

আপনি কি জানেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৯২৮ সালে সিলেট ভ্রমণে আসেন?

#সিলেট #জাতীয়কবি #কাজীনজরুল

জাফলং যাওয়ার পথে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল কিশোরী  নুসরাতের, গুরুতর আহত মাসিলেটের জৈন্তাপুরে তামাবিল মহাসড়কে গেইটলক বাসের ...
24/08/2026

জাফলং যাওয়ার পথে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল কিশোরী নুসরাতের, গুরুতর আহত মা

সিলেটের জৈন্তাপুরে তামাবিল মহাসড়কে গেইটলক বাসের ধাক্কায় নুসরাত নামে ১৭ বছর বয়সী এক পর্যটক কিশোরী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় তার মা ইতি আক্তার (৫০) গুরুতর আহত হয়েছেন।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল পৌনে ১১টার দিকে উপজেলার পানিছড়া এলাকায় হরিপুর গ্যাসফিল্ডসংলগ্ন ইয়াকুব আলী চেয়ারম্যানের বাড়ির গেটের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত নুসরাত ঢাকার কদমতলী থানার পূর্ব ধোলাইপাড় এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম আব্দুল মতিন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নুসরাত ও তার মা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে জাফলংয়ের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে সিলেটগামী একটি গেইটলক বাস অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই নুসরাতের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত হন তার মা ইতি আক্তার।

পরে স্থানীয়রা আহত ইতি আক্তারকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। তার অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানা ও তামাবিল হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

জৈন্তাপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

#জাফলং #তামাবিল #পর্যটক

24/08/2026

সিলেটের হুমায়ূন কবির বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ায় উনার নিজ এলাকা বিশ্বনাথে আনন্দ মিছিল

#বিএনপি #সিলেট #বিশ্বনাথ #হুমায়ূনকবির #পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়

সিলেট শুধু একটি শহর নয়। সিলেট মানে আবেগ, ভালোবাসা আর শেকড়ের টান। আপনি কি একজন সিলেটী?  কমেন্টে আপনার অনুভূতি জানান।   #স...
24/08/2026

সিলেট শুধু একটি শহর নয়।

সিলেট মানে আবেগ, ভালোবাসা আর শেকড়ের টান।

আপনি কি একজন সিলেটী? কমেন্টে আপনার অনুভূতি জানান।
#সিলেট

23/08/2026

বলুনতো রাতের আলোয় আলোকিত এই ক্যাম্পাসটি সিলেটের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের?

#সিলেট

আধুনিক সিলেট নগরীর অংশ হচ্ছে গোলাপগঞ্জ, বিশ্বনাথ, সদর  ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলা!সিলেটকে পরিকল্পিত ও আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে ...
23/08/2026

আধুনিক সিলেট নগরীর অংশ হচ্ছে গোলাপগঞ্জ, বিশ্বনাথ, সদর ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলা!

সিলেটকে পরিকল্পিত ও আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগের অংশ হিসেবে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)-এর আওতাধীন এলাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলে সিলেট সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি সিলেট সদর, দক্ষিণ সুরমা, গোলাপগঞ্জ ও বিশ্বনাথ উপজেলার বড় একটি অংশ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনার আওতায় আসবে।

সিউকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আওতাধীন এলাকা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এতে সিলেট সদর, দক্ষিণ সুরমা, গোলাপগঞ্জ ও বিশ্বনাথ উপজেলার মোট ৪১টি ইউনিয়ন এবং সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকা অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। প্রস্তাবিত এলাকার মোট আয়তন প্রায় ১ হাজার ১৬৮ বর্গকিলোমিটার।

অর্থাৎ প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে শুধু সিলেট নগরী নয়, গোলাপগঞ্জ, বিশ্বনাথ, দক্ষিণ সুরমা ও সদর উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা একই উন্নয়ন পরিকল্পনার আওতায় আসবে। এর ফলে ভবিষ্যতে এসব এলাকায় অপরিকল্পিত আবাসন, ভবন নির্মাণ, রাস্তা, জলাধার, খাল ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে নতুন ধরনের পরিকল্পনা ও নিয়ন্ত্রণ আসতে পারে।

সিউক চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী জানিয়েছেন, সিলেট ও পার্শ্ববর্তী এলাকাকে পরিকল্পিত, সমন্বিত, টেকসই ও আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতেই কর্তৃপক্ষের যাত্রা শুরু হচ্ছে। উন্নয়ন পরিকল্পনায় পাহাড়, টিলা, নদী, খালসহ সিলেটের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।

আগামী ২৫ আগস্ট সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ২৫ আগস্ট সকাল ১১টায় নগরের বন্দরবাজার-সংলগ্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে এবং দুপুর ১২টায় প্রধান কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হবে।

সিউকের পরিকল্পনায় সিলেটের নগরায়ণকে শুধু শহরকেন্দ্রিক না রেখে আশপাশের এলাকাগুলোকেও একটি সমন্বিত কাঠামোর মধ্যে আনার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। এজন্য মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের পাশাপাশি স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের আওতায় এলে গোলাপগঞ্জ ও বিশ্বনাথসহ চার উপজেলার ভূমি ব্যবহারের ধরন, আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকার সম্প্রসারণ, ভবন নির্মাণ এবং সড়ক যোগাযোগের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাতেও পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে খাল, নদী, টিলা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষার বিষয়েও পরিকল্পিত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

সিউকের আইন অনুযায়ী ভূমির যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা, ভবন নির্মাণ ও অনুমোদন, নতুন আবাসন প্রকল্প, পরিবেশ সংরক্ষণ, বনায়ন, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, নালা-খাল-নর্দমার উন্নয়ন এবং ফ্লাইওভার ও বাইপাসসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।

প্রাথমিক পরিকল্পনার মধ্যে সিলেট সিটি করপোরেশনের আশপাশে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য আবাসন, সিলেট-আম্বরখানা সড়কসংলগ্ন আবাসিক এলাকার উন্নয়ন, বাদাঘাট এলাকায় রেললাইনসংলগ্ন আবাসিক এলাকার উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সংযোগ সড়ক, বাইপাস ও ফ্লাইওভার নির্মাণের বিষয়ও রয়েছে।

সিউকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কর্তৃপক্ষের স্থায়ী কার্যালয়ের জন্য জমি পেতে জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হবে। পাশাপাশি দুটি জোনাল অফিস স্থাপনের জন্য স্থান নির্বাচন, আবাসিক প্রকল্পে পার্ক ও সবুজায়ন এবং গ্রিন বিল্ডিংয়ের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

রাজস্ব খাতে ৬৭টি ক্যাটাগরিতে মোট ৭১৪টি পদ সৃষ্টির প্রস্তাবও মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এরই মধ্যে স্থায়ী ও আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে জনবল নিয়োগ দিয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

তবে চার উপজেলা ও সিটি করপোরেশন মিলিয়ে প্রায় ১ হাজার ১৬৮ বর্গকিলোমিটার এলাকা একটি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আওতায় আনার প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে এর প্রভাব হবে ব্যাপক। বিশেষ করে গোলাপগঞ্জ ও বিশ্বনাথের দ্রুত বাড়তে থাকা আবাসিক এলাকা এবং দক্ষিণ সুরমা ও সদর উপজেলার নগরসংলগ্ন অঞ্চলগুলোতে ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা কীভাবে বাস্তবায়ন হবে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

সিউকের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর সরকারি দপ্তর, জনপ্রতিনিধি, পেশাজীবী, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন এবং স্থানীয় মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়ের পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে প্রস্তাবিত চার উপজেলা ও সিটি করপোরেশনকে কীভাবে একটি সমন্বিত পরিকল্পনার আওতায় আনা হবে, এখন সেটিই সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনার অন্যতম বড় প্রশ্ন।

যুক্তরাজ্যে মুসলিমদের অজুতে পানি কম ব্যবহারের পরামর্শ ঘিরে বিতর্ক পানি সাশ্রয়ের উদ্যোগের অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্যে মুসলিমদে...
22/08/2026

যুক্তরাজ্যে মুসলিমদের অজুতে পানি কম ব্যবহারের পরামর্শ ঘিরে বিতর্ক

পানি সাশ্রয়ের উদ্যোগের অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্যে মুসলিমদের অজুর সময় কম পানি ব্যবহারের পরামর্শ এবং এশীয় সম্প্রদায়কে চাল ধোয়ার ক্ষেত্রে পানি কম ব্যবহারের আহ্বান ঘিরে দেশটিতে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

পানি খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা Ofwat-এর অর্থায়নে পরিচালিত ‘Water Efficiency in Faith and Diverse Communities’ প্রকল্পের আওতায় এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। প্রকল্পটির জন্য Ofwat-এর Innovation Fund থেকে ২ লাখ ৭০ হাজার পাউন্ড বরাদ্দ দেওয়া হয়।

প্রকল্পের একটি অংশে Cambridge Central Mosque, South Staffordshire Water এবং ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতায় মুসলিমদের অজুতে পানি ব্যবহারের বিষয়ে একটি পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালানো হয়। এতে প্রায় এক লিটার পানি ব্যবহার করে অজু করার পদ্ধতি উৎসাহিত করা হয়।

প্রকল্পের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলমান কলের পানিতে অজু করলে একজন ব্যক্তি প্রতি অজুতে প্রায় ৬ থেকে ১২ লিটার পানি ব্যবহার করতে পারেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আগে একইভাবে অজু করলে পানির ব্যবহার আরও বাড়ে। এক লিটারের মতো পানি ব্যবহারের পদ্ধতি অনুসরণ করলে ব্যক্তি পর্যায়ে দিনে সর্বোচ্চ প্রায় ৫৫ লিটার পর্যন্ত পানি সাশ্রয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলে প্রকল্পে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে প্রকল্পের বাস্তব প্রভাবের হিসাব নিয়ে সতর্কতাও রয়েছে। Cambridge-এর সীমিতসংখ্যক মিটারযুক্ত পরিবারের তথ্য বিশ্লেষণ করে দিনে প্রায় ১ হাজার ৪০০ থেকে ৫ হাজার ৯০০ লিটার পর্যন্ত পানি সাশ্রয়ের সম্ভাবনা পাওয়া গেছে। প্রকল্পের প্রতিবেদনে একই সঙ্গে বলা হয়েছে, এটি ছোট একটি নমুনার ওপর ভিত্তি করে করা হিসাব এবং আরও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের প্রয়োজন রয়েছে।

শুধু অজু নয়, এশীয় সম্প্রদায়ের চাল ধোয়ার অভ্যাস নিয়েও প্রকল্পে কাজ করা হয়েছে। প্রকল্পের অংশ হিসেবে ২০১৪ সালের MasterChef বিজয়ী Ping Coombes-এর মাধ্যমে চাল ধোয়ার সময় কম পানি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রকল্পের গবেষণায় বলা হয়েছে, অনেক পরিবার চাল ধোয়ার সময় গড়ে প্রায় সাত লিটার পানি ব্যবহার করে এবং পানি ব্যবহারের পরিমাণ কমানোর সুযোগ রয়েছে।

এতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। সমালোচকদের একাংশের প্রশ্ন, পানি সাশ্রয় অবশ্যই প্রয়োজনীয়, কিন্তু নির্দিষ্ট ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সম্প্রদায়ের দৈনন্দিন অভ্যাসকে লক্ষ্য করে সরকারি অর্থ ব্যয় করে প্রচারণা চালানো কতটা যুক্তিসংগত। বিশেষ করে পানি সরবরাহ ব্যবস্থার অবকাঠামোগত সমস্যা ও পাইপলাইনের লিকেজ নিয়েও যুক্তরাজ্যে দীর্ঘদিন ধরে সমালোচনা রয়েছে।

তবে Ofwat-এর বক্তব্য, প্রকল্পটির উদ্দেশ্য কোনো ধর্মীয় রীতিতে হস্তক্ষেপ করা নয়। বরং বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করে তাদের মূল্যবোধ ও ঐতিহ্যকে বিবেচনায় রেখে পানি ব্যবহারে দক্ষতা বাড়ানোর উপায় খোঁজা ছিল প্রকল্পটির লক্ষ্য। প্রকল্পের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বরং সতর্ক করে বলা হয়েছে, কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় সম্প্রদায়কে পানি অপচয়কারী হিসেবে চিহ্নিত করা যাবে না এবং পানি সাশ্রয়ের বার্তা দিতে হবে ইতিবাচক ও সম্মানজনকভাবে।

প্রকল্পের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, মুসলিমদের সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে Cambridge Central Mosque-কে স্থানীয়ভাবে বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে যুক্ত করা হয়েছিল। প্রকল্পের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ভেতর থেকেই বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে বার্তা পৌঁছানো কার্যকর হয়েছে।

অর্থাৎ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি যেভাবে ‘ব্রিটিশ সরকার মুসলমানদের অজু বন্ধ করতে বলছে’ বা ‘অজুতে এক লিটারের বাধ্যতামূলক নিয়ম’ হিসেবে ছড়াচ্ছে, বাস্তবতা তেমন নয়। এটি ছিল Ofwat-এর অর্থায়নে পরিচালিত একটি পরীক্ষামূলক পানি সাশ্রয় প্রকল্প, কোনো বাধ্যতামূলক সরকারি নির্দেশ নয়। Ofwat-এর বর্তমান পানি সাশ্রয় কর্মসূচিতেও সাধারণভাবে সব মানুষের পানি ব্যবহারে দক্ষতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তবে ২ লাখ ৭০ হাজার পাউন্ডের প্রকল্পটি নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, সেটিও উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। পানি সাশ্রয়ের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে খুব বেশি বিতর্ক না থাকলেও, সরকারি অর্থে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অভ্যাসকে লক্ষ্য করে আচরণ পরিবর্তনের প্রকল্প কতটা কার্যকর এবং এর সীমা কোথায়, সেই প্রশ্নই এখন নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, পানি সাশ্রয়ের নামে কোনো ধর্মীয় সম্প্রদায়কে আলাদা করে দায়ী না করে এবং তাদের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান রেখে এমন উদ্যোগ পরিচালনা করা হবে কি না। Ofwat-এর নিজেদের প্রকল্পের চূড়ান্ত মূল্যায়নেও এই সংবেদনশীলতার প্রয়োজনীয়তার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সিলেটের রাজাগঞ্জ মাদ্রাসায় একসঙ্গে ১২ শিক্ষককে চাকুরী থেকে বিদায়, অভ্যন্তরীণ দ্বন্ধ ঘিরে রহস্য সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার ...
22/08/2026

সিলেটের রাজাগঞ্জ মাদ্রাসায় একসঙ্গে ১২ শিক্ষককে চাকুরী থেকে বিদায়, অভ্যন্তরীণ দ্বন্ধ ঘিরে রহস্য

সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দারুল হাদিস রাজাগঞ্জ মাদ্রাসা থেকে মাওলানা মমতাজ উদ্দিন বড়দেশীসহ ১২ শিক্ষককে বিদায় দেওয়া হয়েছে। একসঙ্গে এত সংখ্যক শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় মাদ্রাসার অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে।

মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, মুহতামিমের পদ থেকে মাওলানা মমতাজ উদ্দিন বড়দেশীর দেওয়া দরখাস্ত মঞ্জুর করা হয়েছে। একই সঙ্গে আরও ১১ শিক্ষককে মাদ্রাসার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

অব্যাহতি পাওয়া শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন মাওলানা আহমদ আলী, মাওলানা হাবিবুর রহমান, মাওলানা আব্দুল জলিল, মাওলানা সালিম উদ্দিন চৌধুরী, মাওলানা জুবায়ের আহমদ চৌধুরী, মাওলানা জুনায়েদ আহমদ, মাওলানা বাহাউদ্দিন, মাওলানা হাসান আহমদ, মাওলানা বুরহান উদ্দিন নূরানী, মাস্টার ফখরুজ্জামান ও মাস্টার ফয়জুর রহমান।

এদিকে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত মুহতামিম হিসেবে সুরাইঘাটি হুজুরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাঁকে সানী শায়খুল হাদিসের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। শায়খুল হাদিস ও শিক্ষা সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মাওলানা মঈন উদ্দিন মুন্সি বাজারি।

শিক্ষকদের বিদায় উপলক্ষে দেওয়া বক্তব্যে মাদ্রাসার পক্ষ থেকে বিদায়ী শিক্ষকদের খেদমতের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। তাঁদের ভবিষ্যৎ জীবনের সফলতা কামনা করে মাদ্রাসার জন্য দোয়া করার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

তবে একসঙ্গে ১২ শিক্ষকের বিদায়ের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে মাদ্রাসার অভ্যন্তরীণ বেশ কিছু ঘটনা ও দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের পর এই সিদ্ধান্ত এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা রয়েছে।

মাওলানা মমতাজ উদ্দিন বড়দেশী ধর্মীয় অঙ্গনে পরিচিত ও আলোচিত একজন ব্যক্তি হওয়ায় তাঁর পদত্যাগ এবং একই সময়ে আরও ১১ শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এতজন শিক্ষককে একসঙ্গে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।

ফলে প্রশ্ন উঠেছে, এটি কি শুধুই প্রশাসনিক পুনর্গঠন, নাকি এর পেছনে মাদ্রাসার অভ্যন্তরীণ কোনো বড় ধরনের বিরোধ বা ঘটনা রয়েছে?

22/08/2026

সিলেট শহরের কোন জিনিসটা আপনার সবচেয়ে ভালো লাগে?

Address

Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SylhetNews24 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share