Mufti Tanjil Ahmed Samir

Mufti Tanjil Ahmed Samir Personal Blog

14/04/2025

দুই হাঁটু উঠিয়ে কি খানা খাওয়া সুন্নত?
আসন করে বসে খাওয়া কি নাজায়েয?
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
لَا آكُلُ مُتَّكِئًا
আমি হেলান দিয়ে খাই না। -সহীহ বুখারী, হাদীস: ৫৩৯৮

গোলাম ও বান্দা যেভাবে খায় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেভাবে খেতেন।

হাদীসে এসেছে, রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,

آكل كما يأكل العبد، وأجلس كما يجلس العبد .

আমি খাই বান্দা যেভাবে খায়। এবং আমি বসি সেভাবে যেভাবে বান্দা বসে।–
তবাকাতু ইবনে সাআদ, মুসনাদে আবু ইয়ালা আল মাওসিলী-কাশফুল খফা ১/১৬, ইমাম আজলূনী রহ. এটিকে হাসান বলেছেন। আরো দেখুন; ফাইযুল কাদীর ১/১৩৭

হেলান দিয়ে খাওয়া যেহেতু মাকরূহ বা অনুত্তম সুতরাং হেলান না দিয়ে খাওয়া উত্তম ও মুস্তাহাব।

হেলান না দিয়ে খাওয়ার তরিকা হচ্ছে (নামাযের) তাশাহহুদের মতো করে বসে খাওয়া কিংবা এক হাঁটু বিছিয়ে আরেক হাঁটু উঠিয়ে খাওয়া।

হাফেজ ইবনে হাজার রহ. বলেন,

وإذا ثبت كونه مكروها أو خلاف الاولى فالمستحب في صفة الجلوس للاكل أن يكون جاثيا على ركبتيه وظهور قدميه أو ينصب الرجل اليمني ويجلس على اليسرى

যখন প্রমাণিত হলো যে, হেলান দিয়ে খাওয়া মাকরূহ বা অনুত্তম সুতরাং খানা খেতে বসার মুস্তাহাব তরিকা হচ্ছে দুই হাঁটু বিছিয়ে পায়ের উপর বসবে কিংবা ডান পা উঠিয়ে বাম পায়ের উপর বসবে। -ফাতহুল বারী ২৭/১৩

বদরুদ্দীন আইনী রহ. একই কথা বলেছেন।–উমদাতুল কারী ১০/৩৫৫
তার বক্তব্যের আরবি পাঠ;

وإذا ثبت كونه مكروها أو خلاف الأولى فاستحب في صفة الجلوس للأكل أن يكون جاثبا على ركبتيه وظهور قدميه أو ينصب الرجل اليمنى ويجلس على اليسرى

গাজালী রহ.ও এই দুইভাবে রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বসার কথা উল্লেখ করেছেন। –ইহইয়াউ উলূমিদ্দীন ২/৪
গাজালী রহ. এর বক্তব্যের আরবি পাঠ;

الرابع أن يحسن الجلسة على السفرة في أول جلوسه ويستديمها كذلك كان رسول الله صلى الله عليه و سلم ربما جثا للأكل على ركبتيه وجلس على ظهر قدميه وربما نصب رجله اليمنى وجلس على اليسرى

হাঁটু বিছিয়ে পায়ের উপর (তাশাহহুদের মতো করে) বসে খাওয়ার বর্ণনাটি এসেছে সুনানে আবু দাউদ ও সুনানে ইবনে মাজায়।

বর্ণনাটি এই;

قال ابن ماجه في سننه
3263 - حدثنا عمرو بن عثمان بن سعيد بن كثير بن دينار الحمصي . حدثنا أبي . أنبأنا محمد بن عبد الرحمن بن عرق . حدثنا عبد الله بن بسر قال أهديت للنبي صلى الله عليه و سلم شاة . فجثى رسول الله صلى الله عليه و سلم على ركبتيه يأكل . فقال أعرابي ماهذه الجلسة ؟ فقال ( إن الله جعلني عبدا كريما ولم يجعلني جبارا عنيدا )
في الزوائد إسناده صحيح رجاله ثقات

আব্দুল্লাহ ইবনে বুসর রা. বলেন, আমি রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে একটি (ভুনা) ছাগল হাদিয়া দিলে তিনি দুই হাঁটু বিছিয়ে (পায়ের উপর) বসে খাচ্ছিলেন। তখন এক বেদুঈন বলল, এটা আবার কী ধরনের বসা। জবাবে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু বললেন, আল্লাহ তাআলা আমাকে সম্মানি বান্দা বানিয়েছেন। দুর্ধর্ষ অবাধ্য বানাননি।–সুনানে ইবনে মাজা, হাদীস ৩২৬৩,
আরো দেখুন সুনানে আবু দাউদ, হাদীস: ৩৭৭৫
হাফেজ ইবনে হাজার রহ. এ হাদীসকে হাসান বলেছেন। -ফাতহুল বারী ২৭/১৩, ইমাম বূসিরী রহ. এটিকে সহীহ বলেছেন।

ডান পা উঠিয়ে বাম পায়ের উপর বসার বর্ণনা ইরাকী রহ. আল মুগনীতে (২/৪)উল্লেখ করেছেন। সেটির সনদ যয়ীফ।

ইরাকী রহ. এর বক্তব্যের আরবি পাঠ;

قال العراقي في المغني 2\4
وروى أبو الحسن بن المقري في الشمائل من حديثه كان إذا قعد على الطعام استوفز على ركبته اليسرى وأقام اليمنى ثم قال إنما أنا عبد آكل كما يأكل العبد وأفعل كما يفعل العبد وإسناده ضعيف

এখানে লক্ষ্যণীয় বিষয় হচ্ছে, হেলান দিয়ে বসে খাওয়া মাকরূহ বা অনুত্তম। হেলান না দিয়ে বসে খাওয়া হচ্ছে মুস্তাহাব ও উত্তম। হেলান না দিয়ে বসে খাওয়ার দুটি তরিকা হাফেজ ইবনে হাজার এবং আইনী রহ. দেখিয়েছেন।গাজালী রহ. সেই দুই তরিকা হাদীসে থাকার কথা বলেছেন। (যা আমরা উপরে উল্লেখ করেছি।)

যদি হেলান না দিয়ে খাওয়া উত্তম বা মুস্তাহাব হয় যেমনটি ইবনে হাজার ও আইনী রহ. বলেছেন তাহলে হেলান না দিয়ে খাওয়ার শুধু দুই তরিকা হবে না বরং আরো তরিকা ও পদ্ধতি হবে। যেমন ডান পা উঠিয়ে বাম পা বিছিয়ে নিতম্বের উপরে বসা। বা বাম পা উঠিয়ে ডান পায়ের উপরে বসা। কিংবা বাম পা উঠিয়ে ডান পা বিছিয়ে নিতম্বের উপর বসা। এই সকল বসার তরিকা মুস্তাহাব ও উত্তম হবে।

আসন করে বসা

আসন করে (দুই পা বিছিয়ে নিতম্বের উপর) বসাও যেহেতু হেলান দিয়ে বসার মধ্যে পড়ে না তাই এটিও নাজায়েয তরিকা হবে না।
কারো কারো মতে আসন করে বসা “ইত্তিকা” এর অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু এ মত সঠিক মনে হয় না।
কুরআন-হাদীসে مُتَّكِئًا শব্দ অনেক জায়গায় এসেছে।সব জায়গায় অথ হচ্ছে হেলান দিয়ে বসা। সুতরাং এ হাদীসেও হেলান দেওয়াই উদ্দেশ্য হবে। আসন করে বসা উদ্দেশ্য হবে না। হাদীসে এসেছে,
وَكَانَ مُتَّكِئًا فَجَلَسَ
তিনি হেলান দিয়ে বসে ছিলেন। তখন তিনি উঠে বসলেন। -সহীহ বুখারী, হাদীস: ৫৯৭৬

দুই পা উঠিয়ে বসা

আনাস রা. বলেন,

رَأَيْتُ النَّبِىَّ -صلى الله عليه وسلم- مُقْعِيًا يَأْكُلُ تَمْرًا.

আমি নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দুই পা উঠিয়ে নিতম্বের উপর বসে খেজুর খেতে দেখেছি। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ৫৪৫২

এটি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খাবার খাওয়ার স্বাভাবিক অবস্থা নয়। বরং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ক্ষুধার কারণে এভাবে খেজুর খেয়েছেন। ইমাম তিরমিজী রহ. শামায়েলে (১৪২) সেটি স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন।

ইমাম তিরমিজীর বর্ণনা

142 - حدثنا أحمد بن منيع قال : حدثنا الفضل بن دكين قال : حدثنا مصعب بن سليم قال : سمعت أنس بن مالك يقول : « أتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بتمر فرأيته يأكل وهو مقع من الجوع »

(আনাস রা. বলেন,) আমি নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ক্ষুধার কারণে দুই পা উঠিয়ে নিতম্বের উপর বসে খেজুর খেতে দেখেছি।–শামায়েলে তিরমিজী, হাদীস: ১৪২ (সহীহ)

সুতরাং এভাবে বসাকে খানা খাওয়ার আদব বলা যায় না। এজন্যই হাফেজ ইবনে হাজার রহ. এভাবে বসাকে খানা খাওয়ার আদব হিসেবে উল্লেখ করেননি। যদিও তিনি এ হাদীস পূর্বে উল্লেখ করেছেন।

যদি মেনেও নেওয়া হয় এটি খানা খাওয়ার আদব তাহলেও খানা খাওয়ার আদবের মধ্যে বসার অন্যান্য মুস্তাহাব তরিকা উল্লেখ না করে শুধু এটি উল্লেখ করা ঠিক নয়। কেননা তখন খানা খেতে বসার অন্যান্য মূল মুস্তাহাব তরিকাগুলো অস্বীকার করার মতো হয়ে যায়। তাই মক্তবের বইয়ে দুই হাঁটু উঠাইয়া খাওয়ার সময় সুন্নত বা আদব হিসেবে পড়ানো ঠিক নয়।

১৯৪৭ সালের আগস্ট মাসে বাংলা ও ভারতের পৃথকীকরণের মাধ্যমে আধুনিক বাংলাদেশের সীমানা প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন উপমহাদেশে ব্রিটিশ শ...
08/01/2025

১৯৪৭ সালের আগস্ট মাসে বাংলা ও ভারতের পৃথকীকরণের মাধ্যমে আধুনিক বাংলাদেশের সীমানা প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের অবসানের ফলে এই অঞ্চলটি নবগঠিত পাকিস্তান রাষ্ট্রের অংশ হিসেবে পূর্ব পাকিস্তানে পরিণত হয়।[১০]

১৯৭১ সালের মার্চ মাসে স্বাধীনতা ঘোষণা করার পর নয় মাস ব্যাপী সংগঠিত হওয়া রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা যুদ্ধে পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন করার মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। স্বাধীনতার পর নতুন রাষ্ট্রটি দুর্ভিক্ষ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ব্যাপক দারিদ্র্য, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সামরিক অভ্যুত্থানের মত অসংখ্য সমস্যার মুখোখুখি হয়। ১৯৯১ সালে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পরে দেশটিতে আপেক্ষিক শান্তি স্থাপিত হয় এবং দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতির দিকে অগ্রসর হতে থাকে। মানবসম্পদ ও পোশাকশিল্পে অগ্রগতির মাধ্যমে বর্তমানে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় শীর্ষ অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়ে সমগ্র বিশ্বে বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে।[১

বাংলাদেশের ইতিহাস,,  বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি জনবহুল ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্র। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তান থেক...
07/01/2025

বাংলাদেশের ইতিহাস,,

বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি জনবহুল ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্র। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তান থেকে স্বাধীনতা অর্জনের পর দেশটি বিশ্ব মানচিত্রে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভূত হয়।

প্রথমে ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির আগমন ঘটে ১২০৪ শতকে। এ সময় তিনি বাংলার পশ্চিমে নদীয়া ও উত্তর বাংলার কিছুটা অংশ দখল করেন। তবে,১২০৬ সালে বিহার অভিযানে মারা যান।

বাংলাদেশের সভ্যতার ইতিহাস চার সহস্রাব্দেরও বেশি সময় ধরে সেই ক্যালকোলিথিক যুগ থেকে চলে আসছে। দেশটির প্রারম্ভিক ইতিহাস হচ্ছে আঞ্চলিক আধিপত্যের জন্য হিন্দু ও বৌদ্ধ সাম্রাজ্যসমূহের মধ্যকার দ্বন্দ্ব ও প্রতিযোগিতার ইতিহাস।

ষষ্ঠ থেকে সপ্তম শতাব্দীতে এ অঞ্চলে ইসলামের আগমন ঘটে। ত্রয়োদশ শতাব্দীর প্রারম্ভে বখতিয়ার খিলজীর নেতৃত্বে সামরিক বিজয়ের পাশাপাশি শাহ জালালের মতো সুন্নি দাঈদের নিরলস প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে ইসলাম এদেশে প্রভাবশালী ধর্ম হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে মুসলিম শাসকরা মসজিদ নির্মাণ করে ইসলাম প্রচারে অবদান রাখেন। চতুর্দশ শতাব্দী থেকে এই অঞ্চল শাহী বাংলা হিসেবে সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ কর্তৃক শাসিত হয় যা দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে এবং আঞ্চলিক সাম্রাজ্যগুলোর উপর সামরিক আধিপত্যের সূচনা করে। ইউরোপীয়রা সেসময় এই শাহী বাংলাকে বাণিজ্যের জন্য সবচেয়ে ধনী দেশ বলে উল্লেখ করেন।[১] পরবর্তীতে এই অঞ্চলটি মুঘল সাম্রাজ্যের অধীনে আসে এবং মুঘল সাম্রাজ্যের সবচেয়ে ধনী প্রদেশ হিসাবে পরিগণিত হয়। বাংলা সুবাহ গোটা মুঘল সাম্রাজ্যের জিডিপির প্রায় অর্ধেক এবং বিশ্ব জিডিপির ১২% উৎপাদন করে যা সমগ্র পশ্চিম ইউরোপের থেকেও বেশি ছিল।[২][৩][৪][৫] এই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি প্রাথমিক শিল্পায়ন যুগের সূচনা করে। এ সময় রাজধানী শহর ঢাকার জনসংখ্যা এক মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়।

অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রারম্ভে মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের পর বাংলা নবাবদের অধীনে একটি আধা স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্রে পরিণত হয় যার শাসনভার শেষ পর্যন্ত নবাব সিরাজউদ্দৌলার হাতে ন্যস্ত হয়। তারপর ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে বিজয়ের মাধ্যমে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এ অঞ্চল দখল করে। বাংলা সরাসরি ব্রিটেনের শিল্প বিপ্লবে অবদান রাখে কিন্তু এর ফলে তার নিজের শিল্পায়ন ধ্বংস হয়ে যায়।[৬][৭][৮][৯] পরবর্তীতে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি প্রতিষ্ঠিত হয়।
বিদ্র,,দ্বিতীয় পোস্ট

06/01/2025

ডালিমের ভাষ্যে জিয়া

সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেনের সাথে মেজর ডালিমের সাক্ষাতকারে শহীদ জিয়ার ওপর ইতিহাসের বেশ কিছু সত্য নতুন করে নির্ণীত হয়েছে—

১। মেজর জিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন স্বউদ্যোগে। মুজিব স্বাধীন বাংলাদেশ চাননি এবং পাকিস্তানীদের হাতে ধরা দেওয়ার আগে এ বিষয়ে তার কোন নির্দেশনাও ছিলো না। শেখ মুজিবের পক্ষে জিয়ার পরবর্তী ঘোষণাটি ছিলো মূলত ভারতের চাপে।

২। ভারত কখনোই জিয়ার ওপর আস্থা রাখতে পারেনি। এ কারণে সিনিয়র ও যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও স্বাধীনতার পরে শেখ মুজিব তাকে ডেপুটি চিফ বানিয়ে রাখেন।

৩। জিয়া ছিলেন সৎ ও দেশপ্রেমিক। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতি এবং সুখী-সমৃদ্ধ দেশ গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত এ লক্ষ্যেই কাজ করে গিয়েছিলেন তিনি।

৪। ভারত মুজিবের মাধ্যমে বাংলাদেশকে তাদের করদ রাজ্য কিংবা সিকিম বানাতে চেয়েছিলো। সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও শেখ মুজিবের সাথে ভারতের স্বাক্ষরিত ৭ দফা চুক্তি সে দিকেই নিয়ে যাচ্ছিলো বাংলাদেশকে। ৭ই নভেম্বরের বিপ্লব ও জিয়ার হাত ধরে রক্ষা পায় বাংলাদেশ।

৫। মুজিব একজন অত্যাচারী ও দলান্ধ শাসকে পরিণত হয়েছিলেন। তার পতন কামনা করছিলো আপামর জনতা। তবে শেখ মুজিবকে হত্যার কোন পূর্বপরিকল্পনা ছিলো না সেনা অভ্যুত্থানকারীদের। উদ্দেশ্য ছিলো তার সরকারকে উৎখাত করে দেশকে অরাজকতামুক্ত করা। শেখ মুজিব নিহত হয়েছিলেন তাৎক্ষণিক গোলাগুলিতে। সুতরাং মুজিব হত্যায় জিয়ার নাম জড়িত করার বিন্দুমাত্র সুযোগ নেই।

৬। সরকারে থাকাকালীন অনেকগুলো ক্যু দমন করতে হয়েছিলো প্রেসিডেন্ট জিয়াকে। সেসবে জড়িতদের শাস্তি দেওয়ার মাধ্যমেই সেনাবাহিনীতে শৃংখলা এবং দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছিলো। প্রেসিডেন্ট জিয়া যদি সেদিন ব্যর্থ হতেন, তাহলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব বিপন্ন হতো।

৭। প্রেসিডেন্ট জিয়া বিচক্ষণতার সাথে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছিলেন, অবোধের মতো নয়। সবাইকে নিয়ে পথ চলেছেন ঠিকই, কিন্তু বিপ্লবের নামে বাড়াবাড়ির সুযোগ দেননি কাউকে। তার কর্ম ও চিন্তায় প্রাধান্য পেয়েছিলো কেবল দেশের স্বার্থ, ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়।

মেজর ডালিমের বক্তব্য নির্মোহভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে। আবেগের অনুযোগ বাস্তবতার শিলালিপি হতে পারে না—গভীরে ঢুকলে এটুকু পরিষ্কার বুঝা যাবে। মেজর ডালিমের আদ্যোপান্ত বয়ানে শহীদ জিয়া জাতির সত্যিকারের কাণ্ডারি হিসেবেই উপস্থাপিত হয়েছেন।

-মাবরুরুল হক

21/08/2024

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Md Rashed Hossain, MD Azad Azad, Sanjitdas Das, Md Rasel Patowary, সাচিংমং মারমা অতুল, Md Yeasin, Ayan Anannia Khan, Ridoy Das Rifoy Das, MD Khokon Khokon, MD Tarek, Nk Sentu Khan, Arifing Chowdhury, MD Azizul Islam, শুকুকুর আলী, Ng Kader, MDsalem Salem, বড় ভাই, Md Sojb Hassn, MX Mehdi Hassan, MbZea Zeaur, Md Monir, Faruk Ahmed, Md. Abdul Karim, মোঃ আয়নাল, Roni Chakri Jibi, Md Aminul, Md Hafiz, Airat Jahan Arisha, Md Juwel, MD Rifat Islam, Asraf Uddin, Mamun Lapar, Md Habibur, মনের রানি কুমার কেলা, M Ayat Ullah, Elias Fakir, Md Shojib Talukdar, Alvy Mohammad Rabby, Md Nasim, Sojol Bos, Sochin Barman, Md Rudoro Rokifq, MD Yeasin, Abdul Jalil Bhaiya Babsa, কিউট মেয়ে, হৃদয় ভাঙ্গা ঢেউ, Md Toriqul Islam, SahinAszxc Aszxc, পরিবারের বড় রাজপুত্র, Md Sohal

10/07/2024

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Mb Rohim Islam, Moksedul Islam, মোহাম্মদ মিরাজ মোহাম্মদ মিরাজ, আহাম্মদ পোলা, MD Milad Miya, আলাল আলাল আলাল আলাল, Md Mostofa Kamal, মন পাখি নাজিম

14/10/2023

ইনশাআল্লাহ আগামী ২০জানুয়ারী ২০২৪ইং শনিবার জামেয়া উসমানিয়া ইসঃ মহিলা টাইটেল মাদ্রাসা তাজপুর,ওসমানীনগর এর বার্ষিক জলছা অনুষ্টিত হবে। আপনারা সবাই আমন্ত্রিত।

উনারাই আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা : আজকের ইসলাম বিদ্বেষীরা নয়। (কপি পোস্ট)আজকের তরুণ আওয়ামী লীগাররা কি জানে, দারুল উলূম ...
22/08/2023

উনারাই আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা : আজকের ইসলাম বিদ্বেষীরা নয়। (কপি পোস্ট)

আজকের তরুণ আওয়ামী লীগাররা কি জানে, দারুল উলূম দেওবন্দ পড়ুয়া এই শুভ্র দাড়ি শোভিত মানুষটি আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সভাপতি। যার অধীনে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সময়কাল : ১৯৫৭ থেকে ১৯৬৬ সালের ফেব্রুয়ারি। দলটির প্রথম সভাপতিও যে আরেকজন দেওবন্দপড়ুয়া আলেম, সে কথা না হয় আজ অনুল্লেখ্য রইল।

এই সেই আলেম, যিনি ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বাংলাভাষার অধিকার আদায়ে সংগ্রামরত ছাত্র-জনতার উপর পুলিশি নির্যাতনের সংবাদ পেয়ে প্রাদেশিক পরিষদ থেকে বেরিয়ে এসে মহান ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দান করেন।...

এই সেই আলেম, যিনি আওয়ামী লীগ দলীয় সদস্য হিসেবে পাকিস্তান গণপরিষদে ১৯৫৫ সালের ১২ই আগস্ট প্রথম বাংলা ভাষায় বক্তৃতা করেন।...

আজকের আওয়ামী লীগাররা কি জানে, তাদের প্রিয় রাজনৈতিক দলের এই দ্বিতীয় সভাপতি ১৯২৩ সালে মহানবী (সা.)-এর বিরুদ্ধে রচিত অশ্লীল গ্রন্থ "রঙ্গীলা রসুল" এবং আর্যসমাজের শুদ্ধি অভিযানের বিরুদ্ধে মুসলমানদের সংঘটিত করে এক দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলেন।

সে সময় তিনি প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এতো বেশি বাহাস (বিতর্কসভা) করেছেন যে, তাঁকে সাধারণ জনগণ ‘তর্কবাগীশ’ (বিতার্কিক) উপাধিতে ভূষিত করেন। হায়, কতই না ভালো হতো, যদি সেই সভাপতির আদর্শের ওপর দলটি অবিচল থাকতো।

আজকের সুশীল সমাজ কি স্বীকার করবে যে, আপদমস্তক ধর্মীয় পোশাকে আবৃত এই দেওবন্দি আলেমই সর্বপ্রথম বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন।

আজকের শিক্ষিতসমাজ কি জানে যে, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ জাতীয় পরিষদের (জাতীয় সংসদ) প্রথম সভাপতি হিসাবে মাওলানা তর্কবাগীশ সর্বপ্রথম বাংলায় যে সংসদীয় কার্যপ্রণালী প্রবর্তন করেন তা আজও চালু আছে। জ্বি, তিনিই হলেন মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ রহ.।

১৯৮৬ সালের আজকের এই দিনটিতে ( ২০ আগস্ট ) ভাষা আন্দোলনের সিংহপুরুষ, সাবেক আওয়ামী লীগ সভাপতি, মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তীতূল্য প্রবাদপুরুষ মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ রহ. ইনতিকাল করেন। মহান আল্লাহ তাঁকে মাগফিরাত নসিব করুন।

অবাক লাগে, দলের এমন গুরুত্বপূর্ণ সভাপতির মৃত্যুর দিনটিতেও খোদ রাজনৈতিক দলটি নিরুত্তাপ।
(সংগৃহিত)

চিন্তা করো না আল্লাহ জানেন তুমি অপেক্ষা করছো!
29/07/2023

চিন্তা করো না আল্লাহ জানেন তুমি অপেক্ষা করছো!

প্রশ্ন: মসজিদে জানাজার নামাজ পড়লে সেটা শরীয়ত সম্মত হবে কি? উত্তর: লাশ মসজিদের ভেতরে রাখা হোক বা বাইরে রাখা হোক বিনা ওজ...
03/05/2023

প্রশ্ন: মসজিদে জানাজার নামাজ পড়লে সেটা শরীয়ত সম্মত হবে কি?

উত্তর: লাশ মসজিদের ভেতরে রাখা হোক বা বাইরে রাখা হোক বিনা ওজরে মসজিদে জানাযার নামায পড়া মাকরূহ। নবী কারীম সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন,যে ব্যক্তি মসজিদের ভেতর জানাযার নামায আদায় করবে তার কোনো সওয়াব হবে না। -সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ৩১৮৪

মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবায় আছে, উক্ত হাদীস বর্ণনা করার পর হযরত সালেহ রাহ. বলেন, জানাযার মাঠে জায়গা না হলে সাহাবীরা ফিরে যেতেন। নামাযে শরিক হতেন না। -মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, হাদীস ১২০৯৭

উল্লে­খ্য, মসজিদে নববী সংলগ্ন একটি খালি জায়গা ছিল যেখানে জানাযার নামায আদায় করা হত। দেখুন : আলমাওয়াহিবুল­দুন্নিয়্যা ৩/৩৯৬; ওফাউল ওফা ২/৫৩৪

অবশ্য অন্য বর্ণনায় এসেছে, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদেও দুজন সাহাবীর জানাযার নামায আদায় করেছেন। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ৯৭৩

এই দুই ধরনের হাদীসের মাঝে ফকীহগণ এভাবে সমন্বয় করেছেন যে, স্বাভাবিক অবস্থায় জানাযার নামায মসজিদের বাইরেই আদায় করবে। আর কোনো ওজর থাকলে যেমন বৃষ্টি হলে অথবা বাইরে পড়ার মতো ব্যবস্থা না থাকলে মসজিদের ভেতরও আদায় করা যাবে।

والله اعلم بالصواب
M***i Tanjil Ahmed Samir

Address

Sylhet

Telephone

+8801877280080

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mufti Tanjil Ahmed Samir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share