Shahriar's Diary

Shahriar's Diary Stay connected

কথিত স্বাধীনতা কী আবারো অশুভ শক্তির হাতে বন্দীর পথে?গত সরকার পতন থেকেই বেশ কিছু ব্যাপার একটু শঙ্কিত করছে।প্রথমত, একটা ভি...
16/08/2024

কথিত স্বাধীনতা কী আবারো অশুভ শক্তির হাতে বন্দীর পথে?
গত সরকার পতন থেকেই বেশ কিছু ব্যাপার একটু শঙ্কিত করছে।

প্রথমত, একটা ভিডিওতে দেখলাম শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে মূত্রত্যাগ করছে একজন, আরেকদল দেখলাম প্রতিকৃতি ভাঙ্গছে। দ্বিতীয় অংশকে মেনে নিলেও প্রথম অপকর্মকে কোনোভাবেই সুস্থ মস্তিষ্ককে মানা যায় না। এটা সুশিক্ষিত আর সভ্য জাতির পরিচয় হতে পারে না।
আরেকটা ব্যাপার বঙ্গবন্ধুর বাড়িসহ মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক অন্যান্য স্থাপনায় আঘাত। যদিও এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে গত ৫৩ বছরের দেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে সব সরকারই নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থের খাতিরে বিকৃতি করেছে এবং গত সরকার এটাকে নিজেদের বৈধতার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। কিন্তু তাই বলে এসব প্রতিকৃতি ও স্মৃতিচিহ্ন রেখে ইতিহাসের সঠিক উপস্থাপনা করা কি অসম্ভব ছিলো? দিনশেষে এসব নির্মাণ ব্যয় তো জনগনের রক্তপানি করা ঘাম দিয়ে নির্বাহ করা হয়েছে।

দ্বিতীয়ত, আজকে দেখলাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশের জন্য সমন্বয়কদের অনুমতি নিতে হচ্ছে, যদিও ছাত্র অছাত্র যাচাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রদত্ত পরিচয়পত্রই যথেষ্ট। আমরা ক্ষমতা হাতে পেলেই তা প্রদর্শনের কোনো সুযোগই বাদ দিতে না দেওয়ার এইযে অভ্যাস, এটাই কিন্তু গত সরকার সমর্থকদের সেচ্ছাচারী হওয়ার অন্যতম কারণ।

তৃতীয়ত, কেউ দেখলাম গত সরকার সমর্থকদের বাড়ি ও সরকারি দপ্তর/বাসভবনে হামলা ও লুঠপাট করছেন। এটা ভুলা উচিত না যে একটা অন্যায়ের প্রতিবাদ হিসেবে, আরেকটা অন্যায় দিনশেষে অরাজকতাই সৃষ্টি করে ভালো কিছু না। বরঞ্চ, মানুষকে শোষণ করে অর্জিত এসব সম্পদের তথ্য সংগ্রহ করে যথাযথ কর্তৃপক্ষ, নির্বাহী বিভাগের সৎ কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমের সহায়তায় রাষ্ট্রের সম্পত্তি হিসেবে বায়োজাপ্ত করলে এসবের প্রকৃত হকদার জনগণের কাজে ব্যবহার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

চতুর্থ, গত দু'দিনের কিছু ভিডিওতে দেখলাম রাস্তায় বিবস্ত্র বা অন্যান্য কায়দায় একরকম গণবিচার করা হচ্ছে এবং সেটা সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে। দেশের আদালতের বাইরে এমন কার্যক্রম দিনশেষে গত সরকারগুলোর দ্বারা বিচারহীনতাকে আরো দীর্ঘস্থায়ী করে তোলবে। তাই দেশের দীর্ঘস্থায়ী স্বার্থে সকল অন্যায়কে দেশের আইন ও সংবিধানের দ্বারাই বিচারিক আওতায় নিয়ে আসা জরুরি এবং দেশের বিচার বিভাগ যাতে অন্যায়কারীদের যথোপযুক্ত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করে তা নিশ্চিত করা উচিত।

সর্বশেষ, কিছু কিছু ভিডিওতে দেখলাম আইন শৃঙ্খলা রক্ষার নামে অতি উৎসাহী মোরাল পুলিশিং হচ্ছে কিছু জায়গায়। কোথায় থামতে হবে সেটা না জেনে এমনভাবে মানুষের ব্যক্তি স্বাধীনতায় আঘাত হিতে বিপরীত বৈ কিছু হবে না।

দিনশেষে সীমাতিরিক্ত কিছু করলে আজকের জনপ্রিয়রা কালকের নতুন বাংলাদেশের নয়া শত্রু হবে। আর এ সুযোগে দেশটা পুরাতন হায়নার হাত থেকে নতুন নেকড়ের ক্ষপ্পরে পড়ে পিছিয়ে যাবে আরেকবার।

(ছবি সংগৃহীত)

বিসিএস পরীক্ষা রাষ্ট্রের জন্য একটি অপব্যয়। ৯০% নানা কোটায় নিয়োগ দেয়া উচিত, যেখানে লটারির দ্বারা চাকরি দেয়া হবে।আর বাকি ১...
17/07/2024

বিসিএস পরীক্ষা রাষ্ট্রের জন্য একটি অপব্যয়। ৯০% নানা কোটায় নিয়োগ দেয়া উচিত, যেখানে লটারির দ্বারা চাকরি দেয়া হবে।
আর বাকি ১০% পদের জন্য অনলাইন নিলামের আয়োজন করা যেতে পারে।
এতে একদিকে দেশের এই দুঃসময়ে অর্থ বাঁচবে, সেইসাথে নিলামে অর্জিত টাকা দিয়ে সুইস ব্যাংকে আমাদের রিজার্ভও বাড়বে।

16/07/2024

২০১৮ সালের ঘটনাক্রমটা নিয়ে আসছি,
১. আন্দোলন⬇️
২. টিক্কা খানের ২৫শে মার্চের হামলায় ঢাকায় একমাত্র অক্ষত পরিবারের কন্যার নিশ্চুপতা
৩. সোশ্যাল মিডিয়ায় মুজিব আইটি সেলের তৎপরতা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সহ নানা জায়গা আন্দোলনের উপর মুজিব বাহিনীর হামলা, হাতুড়ি দিয়ে হাত গুড়ো করা⬇️
৪. মুজিব কন্যার আন্দোলনের সাথে একাত্মতা⬇️
৫. মুজিব সৈনিকদের আন্দোলনের সাথে একাত্মতা ঘোষণা ও নেতৃত্ব নেয়ার প্রয়াস⬇️
৬. কোটা পুরোপুরি বাতিল ঘোষণা যাতে ভবিষ্যতে প্রয়োজনে আবার পুন বহাল করা যায়⬇️
৭. ২০২৪ পুনঃবহাল

এক চক্র পানিচক্রের মতো অনন্তকাল চলবে যাতে কোনোদিন দেশের অন্যকোনো দিকে নজর না পড়ে, দেশ বিভক্ত হয়ে থাকে।

বঙ্গবন্ধু আর মুক্তিযোদ্ধা নামে প্রতি এভাবেই রাজনৈতিক স্বার্থে জনগনের বিপক্ষে হাতিয়ারের মতো ব্যবহার করা হবে।
একাত্তরের সময়ও মুজিব বাহিনীর কিংবা একাত্তর পরবর্তী রক্ষীবাহিনী যেভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের বলি দিয়ে ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকতে চেয়েছিলো, এখন একটা গোষ্ঠী মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারকে মানববর্মের মতো আমজনতার সামনে দাঁড় করিয়ে পেছনে নিজেদের আখের গোছানোতে ব্যস্ত।

আঁধার থেকে আলোর সাথে সখ্যতার প্রচেষ্টা 📷
24/01/2024

আঁধার থেকে আলোর সাথে সখ্যতার প্রচেষ্টা

📷

30/10/2022

এতিহ্যের সিলেট!!!
সন্তানও নিবেন, সাথে মিসকিনের মতো খাইয়া আসিয়া সাথে করিয়া ফকিরের ঘর সাজাবার জিনিস।

আবার খাবার টেবিলে বসে বাটি বাটি গোশত খাইয়া বলবেন, তমুকের বিয়ার খানি অমৃত ছিলো।

এতো বড় চাঁদাবাজি (পড়ুন উপকৌঠন!) সহ বুয়া (বৌ) পেয়ে যাওয়ার মতো ডাকাতিকে সামাজিক বৈধতা দিতে সবথেকে নৈতিক মানুষেরও বাঁধে না।

28/10/2022

দুনিয়ায় সবচেয়ে বড় ধোঁকাবাজ যেদিন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ভীতুর দেখা পেয়েছিলো সেদিন ❝ধর্ম❞ এর সৃষ্টি হয়েছিল.... লোভীদের এই শহরে ঠগেরা না খেয়ে মরে না।

15/06/2021

রাত হউক দিন হউক, পকেটের ওয়ালেট বা হাতের মোবাইলটা ছিনতাই হলে তা ছিনতাইকারী অপরাধ আর প্রশাসনের দুর্বলতা।
তবে কেনো নারীত্বের ছিনতাইয়ের দোষ চাপে নারীর স্বাধীনতায়???

 #গল্পঃ রাজার লাঠিয়ালএক এলাকায় এক লাঠিয়াল বাহিনী ছিলো। পুরো এলাকায় তাদের প্রবল প্রতাপ, জনগনের মাঝে শ্রদ্ধারও কমতি ছিলো ন...
14/06/2021

#গল্পঃ রাজার লাঠিয়াল
এক এলাকায় এক লাঠিয়াল বাহিনী ছিলো। পুরো এলাকায় তাদের প্রবল প্রতাপ, জনগনের মাঝে শ্রদ্ধারও কমতি ছিলো না। স্বাধীনভাবে থাকতো তারা, নিজেদের বিরুদ্ধে কিছু হলেই হুংকার দিতো নির্ভয়ে।
সে গ্রামে এক রাজা ছিলেন। মশায় অনেক চালাক চতুর। তিনি দেখলেন এই লাঠিয়ালরা থাকলে তার রাজপাটে বড্ড অসুবিধে। ফন্দি আঁটলেন তিনি তখন।
প্রথমেই সেই বাহিনীর সাথে হাতে হাত মিলানেন। নানা প্রকার স্কিম ঘোষণা দিলেন, বাহিনীটিকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিলেন। এলাকায় এলাকায় লাঠিয়ালরা সরকারি কোষাগারের হিস্যা পেলো, গাড়িঘোড়া কিনে লাঠিয়াল নেতারা তখন জান্নাতি হুর নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। আর রাজা মশাইকে ❝লাঠিয়াল'স ডেড❞ উপাধি দিলো ঘটা করে।
এরপর এতোদিনের পেশির জোরের সাথে যুক্ত হওয়া প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে নিজেদের বিরুদ্ধচারীদের স্তব্ধ করে দেয়া শুরু করলো বাহিনীটি। কারো কোনো মত মনোপূত না হলেই ধড় থেকে মাথা আলাদা করার এলান জারি হলে রাজ্য জুড়ে। নিজেদের মধ্যে সৃষ্টি হলো সম্পদের ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে বিবেধ। এদিকে রাজা মশাই সব খরবই রাখেন। যখন বিরোধীরা একে একে শেষ করছিলো লাঠিয়ালরা, তখন রাজা মশাই তখন লাঠিয়ালদের সবলতা দুর্বলতা নিয়ে কাজ করছিলেন। তারপর?
তারপর আর কি, এতোদিন বাকিদের আওয়াজ যেমন করে বন্ধ করেছিলো লাঠিয়ালরা, ঠিক তেমনি করে জনবিচ্ছিন্ন, বিভক্ত লাঠিয়ালদের এক এক করে কবরে পাঠিয়ে রাজা নির্ঝঞ্ঝাট রাজ্যপাট করতে লাগলেন।

© Shahriar's Diary
(গল্পটি কাল্পনিক, কোনো বাস্তবতার সাথে মিলে গেলে তা শুধুই কাকতালীয়)

Address

Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shahriar's Diary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share