07/10/2022
যে নারীর চরিত্রে পড়েছে
পশ্চিমাদের ছাপ!
সন্তান হবে ঠিকই কিন্তু
খুঁজিয়া পাবে না বাপ?🧐
নতুন ব্যাচ। প্রথম ক্লাস। ছেলেরা একপাশে মেয়েরা একপাশে আলাদা বসেছে।
টিচার ক্লাসে এসে সেপারেশন দেখে রেগে গেলো। ধমক দিয়ে বললো, এটা কি প্রাইমারী স্কুল পাইছো?
চবির (চট্টগ্রাম বিশ্ব বিদ্যালয়)পলিটিক্যাল সাইন্সের কোন এক ব্যাচের প্রথম সবক ছিল ছেলে মেয়ের মধ্যে লজ্জা বলতে কিছু রাখা যাবেনা।
আমাদের মেয়েরা পরিবারে বাবা-মা, বড় ভাইয়ের দেখভালের মধ্যে থেকে বয়ফ্রেন্ড পালে, স্বাচ্ছন্দ্যে ডেটে যায়;
ওরা যদি ইউনিভার্সিটির হল বা মেসের মত মুক্ত পরিবেশ পায়?
এলাকার হাইস্কুল। উঠতে বসতে সব পরিচিতজন।
সেই হাইস্কুলে পড়তে গিয়েও ছেলেরা লোকলজ্জার ভয় করেনা। সেখানে দূরের ব্যাচেলর লাইফের কথা আলাদাভাবে বলার অপেক্ষা রাখেনা।
পরিবার প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে-মেয়েদের জন্য কারাগার স্বরূপ।
কোন অজুহাতে একটু বাইরে গেলেই যেন সবাই বাঁচে।
আর সেটা আজকাল পড়ালেখা।
ভালো স্কুল ভালো কলেজ ভালো ভার্সিটির নাম করে নষ্টামির জগতে নাম লেখায়।
কেউ আসলেই শিক্ষার জন্য যায়, কিন্তু নিজেকে সহীহ্ রাখতে পারেনা।
ক্ষেত্র বিশেষে স্বাধীনতা সুন্দর।
অন্যথায় স্বাধীনতার চেয়ে মারাত্মক কিছু নেই।
জীবনের সৌন্দর্যের জন্য প্রচুর রেস্ট্রিকশন থাকা চাই।
হলে বা মেসে বসে ডে কিংবা পোস্টে যতই বলুক,
"মিস ইউ মা/বাবা" অথবা "মায়ের হাতের রান্না মিস করছি"; বাস্তবে তাদেরকে মিস করার কোন কারণই নেই।
কারণ গার্লফ্রেন্ডের ইনারের গন্ধ মায়ের আঁচলের কথা ভুলিয়ে দেয়।
উইকেন্ডে প্রেমিকার হাতের নুডলস, বিরিয়ানি তো মায়ের রান্না মিস করার সুযোগই দেয়না।
দু'চারটা বয়ফ্রেন্ড যার আছে সে গ্রামে থাকা বাবাকে কখনোই মিস করেনা। বাবার অভাববোধ করেনা।
চবির বনবাদাড়ের অশ্লীলতা,
ঢাবি(ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়) হলের বাক্সবন্দী নবজাতক বা জাবির(জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ব বিদ্যালয়) ঝোপে নুডলসের প্যাকেট পাওয়া এগুলো বাইরের মানুষের কাছে অবাক মনে হলেও ভিতরে পান্তাভাতের মত।
জাবি ঢাবি কিংবা চবির কথা বাদ।
ইবির ছোট্ট ঝোপে আমি স্বচক্ষে দেখেছি।
ইবি পূর্ণরূপে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়!
আই রিপিট,
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়!
সহশিক্ষা যত সুন্দর নামে আর নিয়মের বেড়াজালে হোক। কখনোই অশ্লীলতা মুক্ত হবেনা।
সহশিক্ষা আর সহবাসের মধ্যে দূরত্ব এইতো বেঞ্চ থেকে বেড পর্যন্ত ।
পনের থেকে তিরিশ বছর বয়সী ছেলে মেয়েরা একসাথে বছরের পর পর পড়ালেখা করবে আর তারা পবিত্রতা নিয়ে ঘরে ফিরবে সেটা প্রায় অসম্ভব ।
আমি পার্সেন্টাইজ করবনা।
ইউনিভার্সিটি পাশ করা কাউকে জিজ্ঞেস করলেই জানা যাবে তাদের ব্যাচের কয়টা মেয়ে ভার্জিনিটি নিয়ে গ্র্যাজুয়েশন করেছে।
বাপ-ভাই ইউনিভার্সিটি পাশ করেছে।সে সেখানের অশ্লীলতা সম্পর্কে সব জানে। এও জানে সেখানে শত জানোয়ার খাবলে খাবে।
তবুও ষোড়শী মেয়েটাকে সেই ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি করায়।
এইযে জাবির অশ্লীলতা ভাইরাল হলো।দেশের কোটি মানুষ দেখলো। সামনের বছর কি এডমিশন ক্যান্ডিডেট কমবে সেখানে?
কোন বাপ কি বলবে আমার ছেলে মেয়েকে দিবনা এমন অশ্লীল পরিবেশে।
কোন মেয়ে কি এই পরিবেশকে ঘৃণা করে জাবিতে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন থেকে বেরিয়ে আসবে?
না, আসবেনা। বরং আরো আগ্রহী হবে প্যারা নাই চিল, এনজয়াবল লাইফের জন্য।
আমরা মানুষেরা দুনিয়ার পিছে পড়ে পাগলা অমানুষ হয়ে গেছি।
সব বিকিয়ে যাক, চরিত্র গোল্লায় যাক।আখেরাত লাগবেনা। দুনিয়ার ক্যারিয়ার হোক।ভালো একটা চাকরী পাক।ব্যস্!
অনেকে বলবে,
নারী শিক্ষার বিরোধিতা করি, আবার নিজের ওয়াইফের জন্য মহিলা ডাক্তার খুঁজি।
তাদের জন্য প্রথম পয়েন্ট-
শিক্ষার নয়, শিক্ষার পরিবেশের বিরোধিতা করি।
সেকন্ড-
এমন মহিলা ডাক্তার চাইনা যে আমাদের মা বোনদের পবিত্রতা রক্ষার জন্য ডাক্তার হতে গিয়ে নিজে অপবিত্র হয়ে যাক।