ES Love story

ES Love story my best page and my page is official ES officials and my paj blogi n and YouTube canel ES officials

Permanently closed.
হৃদয়ে লেখা তোমার নামপর্ব ১: প্রথম পাতায় তুমিঢাকার প্রগাঢ় দুপুর। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিয় ক্যাম্পাসে হালকা রোদ। বসন্ত এসেছে ...
07/05/2025

হৃদয়ে লেখা তোমার নাম

পর্ব ১: প্রথম পাতায় তুমি
ঢাকার প্রগাঢ় দুপুর। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিয় ক্যাম্পাসে হালকা রোদ। বসন্ত এসেছে নীরবে। তামান্না বসে ছিল গাছতলায়, হাতে পুরনো ডায়েরি। ওর চোখ পড়লো সেই নামটার উপর—হৃদয়।

ইংরেজি বিভাগের চুপচাপ এক তরুণ, সাহিত্যের প্রেমিক। কিছুদিন আগেই সাহিত্য ক্লাবে তার কবিতা শুনে তামান্নার মনে হয়েছিল, এই ছেলে ঠিক বোঝে ভালোবাসা মানে কী।

সেদিন হঠাৎ দেখা হয়।
– “তুমি কি তামান্না?”
– “হ্যাঁ।”
– “তোমার কবিতা পড়েছি। অসম্ভব স্পর্শ করে গেছে।”

তামান্না হেসে বলেছিল,
– “তুমিও আমার ডায়েরিতে আছো… জানো?”

সে দিন থেকেই গল্প শুরু। প্রতিদিন দেখা, বৃষ্টিভেজা বেঞ্চে বসে লেখা, হাসি, চোখে চোখ রাখা। তাদের ভালোবাসা শব্দে জন্ম নিল, কিন্তু মনের গভীরে বাসা বাঁধল।

চলবে তো

#হৃদুয়ে_লেখা_তোমার_নাম
#গল্প #রোমান্টিক_গল্প
#ভালোবাসার_গল্প

01/05/2025

তুমিই ছিলে আমার এক মাত্র ভালোবাসা।
যেটা ছিলো আমার প্রতি দিনের স্বপ্ন❤️❤️🇧🇩

ডায়রির শেষ পাতায় তোমার নাম লেখা—ES ও মায়াবতী অজান্তার অসমাপ্ত গল্পপুরোনো কাঠের বুকশেলফের এক কোণায় ছিল একটা বাদামি চামড়ার...
30/04/2025

ডায়রির শেষ পাতায় তোমার নাম লেখা

—ES ও মায়াবতী অজান্তার অসমাপ্ত গল্প

পুরোনো কাঠের বুকশেলফের এক কোণায় ছিল একটা বাদামি চামড়ার বাঁধানো ডায়রি। ধুলো মুছে ধীরে ধীরে তা খুলে বসল ES। তার জীবনটা যে ডায়রির পাতায় পাতায় লুকিয়ে, সেটা সে জানে—কারণ প্রতিটি পাতার ফাঁকে ছিল মায়াবতী অজান্তা।

মায়াবতী—এক নাম, এক ছায়া, এক অসমাপ্ত ভালোবাসা।
তারা পড়তো একই বিশ্ববিদ্যালয়ে। ES ছিল নিঃশব্দ, একরোখা, নিজস্ব জগতে থাকা ছেলে।
আর মায়াবতী ছিল ঠিক তার বিপরীত—প্রাণবন্ত, তীক্ষ্ণ, অপ্রতিরোধ্য।

ES তাকে ভালোবেসেছিল নিঃশব্দে, নিঃশর্তে।
সে কখনো বলে উঠতে পারেনি নিজের মনের কথা।
আর মায়াবতী?
সে তো কখনো ES-কে ভালোবাসেনি।
বরং তাকে উপেক্ষা করত, অবহেলা করত, মাঝে মাঝে অপমান করত তার অনুভবকে।

একদিন মায়াবতী বলে বসে,
“তুমি আমার জীবনে একটা বিরক্তি ছাড়া কিছু না।”
ES হেসে বলেছিল,
“তুমি তো আমার জীবনে সবচেয়ে প্রিয়।”

এভাবেই সময় চলছিল।
তারপর হঠাৎ একদিন মায়াবতী নিখোঁজ হয়ে যায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
পরে জানা গেল—তার অন্য কোথাও বিয়ে হয়ে গেছে। পরিবারের চাপে, নিজের পছন্দ না হলেও।

ES ভেঙে পড়ে।
পড়াশোনায় মন বসে না।
পরীক্ষায় খারাপ ফলাফল, বন্ধুদের থেকে দূরে সরে যাওয়া—
সব মিলিয়ে এক অন্ধকারে ডুবে যেতে থাকে সে।

কিন্তু ধীরে ধীরে, ভাঙা মানুষটা নিজেকে গড়তে শুরু করে।

ES নিজের কষ্টকে শক্তিতে রূপান্তর করে।
পড়াশোনা আবার শুরু করে। নিজের কোম্পানি তৈরি করে, দিনে ১৮ ঘণ্টা কাজ করে।
বন্ধুরা অবাক হয়ে দেখে—যে ছেলেটা একসময় চোখে ঘুম না এনে মায়াবতীর অপেক্ষায় থাকত,
সে আজ শহরের একজন সফল উদ্যোক্তা।

তবুও ভিতরে ভিতরে সে জানে—মায়াবতী এখনো কোথাও রয়ে গেছে।
পুরোনো সেই ডায়রির শেষ পাতায়।

একদিন সে সিদ্ধান্ত নেয়—সব কিছু পুড়িয়ে দেবে।
মায়াবতীর ছবি, সেই ডায়রি—সবকিছু।

বইয়ের তাক থেকে বাক্সটা বের করে সে।
ছবি গুলো একে একে আগুনে ফেলে দেয়, ডায়রির পাতাগুলো পুড়ে ছাই হয়ে উড়ে যায় বাতাসে।

শেষ ছবিটা হাতে নিয়ে সে থেমে যায়।
মায়াবতীর হাসিমুখ।

সেই হাসি, যেটা তাকে কখনো ভালোবাসেনি,
তবুও যার মুখে সে আজও কষ্ট হারিয়ে খুঁজে ফেরে।

ছবিটা হাতে রেখে সে নিজেকে বলে—
“তুমি যাকে ভালোবাসলে, সে তোমাকে ভালোবাসেনি।
তবুও তুমি তাকে কষ্ট দিতে পারো না, এমনকি আজও না।
এই ছব

EX Eyanur

ডায়রির শেষ পাতায় তোমার নাম লেখা—ES ও মায়াবতী অজান্তার অসমাপ্ত গল্পপুরোনো কাঠের বুকশেলফের এক কোণায় ছিল একটা বাদামি চামড়ার...
30/04/2025

ডায়রির শেষ পাতায় তোমার নাম লেখা

—ES ও মায়াবতী অজান্তার অসমাপ্ত গল্প

পুরোনো কাঠের বুকশেলফের এক কোণায় ছিল একটা বাদামি চামড়ার বাঁধানো ডায়রি। ধুলো মুছে ধীরে ধীরে তা খুলে বসল ES। তার জীবনটা যে ডায়রির পাতায় পাতায় লুকিয়ে, সেটা সে জানে—কারণ প্রতিটি পাতার ফাঁকে ছিল মায়াবতী অজান্তা।

মায়াবতী—এক নাম, এক ছায়া, এক অসমাপ্ত ভালোবাসা।
তারা পড়তো একই বিশ্ববিদ্যালয়ে। ES ছিল নিঃশব্দ, একরোখা, নিজস্ব জগতে থাকা ছেলে।
আর মায়াবতী ছিল ঠিক তার বিপরীত—প্রাণবন্ত, তীক্ষ্ণ, অপ্রতিরোধ্য।

ES তাকে ভালোবেসেছিল নিঃশব্দে, নিঃশর্তে।
সে কখনো বলে উঠতে পারেনি নিজের মনের কথা।
আর মায়াবতী?
সে তো কখনো ES-কে ভালোবাসেনি।
বরং তাকে উপেক্ষা করত, অবহেলা করত, মাঝে মাঝে অপমান করত তার অনুভবকে।

একদিন মায়াবতী বলে বসে,
“তুমি আমার জীবনে একটা বিরক্তি ছাড়া কিছু না।”
ES হেসে বলেছিল,
“তুমি তো আমার জীবনে সবচেয়ে প্রিয়।”

এভাবেই সময় চলছিল।
তারপর হঠাৎ একদিন মায়াবতী নিখোঁজ হয়ে যায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
পরে জানা গেল—তার অন্য কোথাও বিয়ে হয়ে গেছে। পরিবারের চাপে, নিজের পছন্দ না হলেও।

ES ভেঙে পড়ে।
পড়াশোনায় মন বসে না।
পরীক্ষায় খারাপ ফলাফল, বন্ধুদের থেকে দূরে সরে যাওয়া—
সব মিলিয়ে এক অন্ধকারে ডুবে যেতে থাকে সে।

কিন্তু ধীরে ধীরে, ভাঙা মানুষটা নিজেকে গড়তে শুরু করে।

ES নিজের কষ্টকে শক্তিতে রূপান্তর করে।
পড়াশোনা আবার শুরু করে। নিজের কোম্পানি তৈরি করে, দিনে ১৮ ঘণ্টা কাজ করে।
বন্ধুরা অবাক হয়ে দেখে—যে ছেলেটা একসময় চোখে ঘুম না এনে মায়াবতীর অপেক্ষায় থাকত,
সে আজ শহরের একজন সফল উদ্যোক্তা।

তবুও ভিতরে ভিতরে সে জানে—মায়াবতী এখনো কোথাও রয়ে গেছে।
পুরোনো সেই ডায়রির শেষ পাতায়।

একদিন সে সিদ্ধান্ত নেয়—সব কিছু পুড়িয়ে দেবে।
মায়াবতীর ছবি, সেই ডায়রি—সবকিছু।

বইয়ের তাক থেকে বাক্সটা বের করে সে।
ছবি গুলো একে একে আগুনে ফেলে দেয়, ডায়রির পাতাগুলো পুড়ে ছাই হয়ে উড়ে যায় বাতাসে।

শেষ ছবিটা হাতে নিয়ে সে থেমে যায়।
মায়াবতীর হাসিমুখ।

সেই হাসি, যেটা তাকে কখনো ভালোবাসেনি,
তবুও যার মুখে সে আজও কষ্ট হারিয়ে খুঁজে ফেরে।

ছবিটা হাতে রেখে সে নিজেকে বলে—
“তুমি যাকে ভালোবাসলে, সে তোমাকে ভালোবাসেনি।
তবুও তুমি তাকে কষ্ট দিতে পারো না, এমনকি আজও না।
এই ছব

EX Eyanur ES Love story #ডাইরির_শেষ_পাতা #গল্প #মায়াবতী
#অজান্তা

গল্প: "তুমি আমার মতোই"*মাঝরাতে, শহরের এক নিরিবিলি রাস্তায় হাঁটছিল সোহান। আকাশে মেঘ জমে ছিল, কিন্তু বৃষ্টি পড়ছিল না। তার ...
08/01/2025

গল্প: "তুমি আমার মতোই"*

মাঝরাতে, শহরের এক নিরিবিলি রাস্তায় হাঁটছিল সোহান। আকাশে মেঘ জমে ছিল, কিন্তু বৃষ্টি পড়ছিল না। তার মনে এক ধরনের অদ্ভুত শূন্যতা ছিল, এক নিঃসঙ্গতা যা তাকে বারবার তাড়িয়ে বেড়াচ্ছিল। জীবনের সবকিছু তাকে একদম ঠিকঠাক মনে হচ্ছিল না। কেন যেন, তার জীবনে কিছু একটা ছিল যা তাকে আরও অনেক বেশি প্রয়োজন ছিল, অথচ সে জানত না কী।

এমন সময়, তার চোখ পড়ল এক তরুণীকে, যে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। তার চোখে অদ্ভুত এক দৃষ্টি ছিল—এক ধরনের নিরবতা, কিন্তু সেই নিরবতার মধ্যে গভীর কিছু ছিল। সে মেয়েটি ছিল মিতু, সোহানের পুরনো বন্ধু। তারা ছোটবেলায় একসাথে অনেক সময় কাটিয়েছিল, কিন্তু হঠাৎ করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। আজ তাদের দেখা হওয়ার কথা ছিল না, কিন্তু সোহান অবচেতনভাবে চলে এসেছিল ঠিক সেখানে, যেখানে মিতু ছিল।

"মিতু?" সোহান অবাক হয়ে বলল।

মিতু তার দিকে তাকিয়ে ছোট্ট একটা হাসি দিল। "হ্যাঁ, আমি। তুমি কীভাবে এখানে এলি?"

সোহান কিছুটা সময় নিল, তারপর বলল, "আমি জানি না। যেন আমার পা আমাকে এখানে নিয়ে এসেছে।"

মিতু একটু চুপ করে রইল, তারপর বলল, "তুমি সবসময় এমন কিছু বলো, যা একে অপরের মধ্যে কিছু না কিছু যোগ করে।"

সোহান একটু অবাক হয়ে তাকাল, "মানে?"

মিতু হাসল। "কিছু না, তুমি জানো, আমি আর তুমি যখন ছোট ছিলাম, তখন আমাদের বন্ধুত্ব ছিল অদ্ভুত। আমরা একে অপরকে বুঝতাম, কিন্তু কখনো বলতাম না।"
সোহান তার কথায় একটু থমকে গেল। সত্যিই তো, তাদের বন্ধুত্ব ছিল অদ্ভুত। তারা একে অপরকে খুব ভালো বুঝত, কিন্তু কখনোই কখনো একে অপরকে ভালোবাসা বা অনুভূতির কথা বলত না। তারা দুজনেই জানত, কিছু একটা ছিল, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে তা হারিয়ে গিয়েছিল।

"তুমি কোথায় ছিলে, মিতু?" সোহান অবশেষে প্রশ্ন করল। "এতদিন পর কেন দেখা হল?"

মিতু একটু নীরব হয়ে গেল, তারপর বলল, "জীবন অনেক কিছু শিখিয়েছে, সোহান। আমি চলে গিয়েছিলাম কারণ আমি কিছু ভুল বোঝার মধ্যে ছিলাম। কিন্তু এখন বুঝেছি, আমি কখনোই তোমাকে ভুলিনি।"

সোহান মিতুর দিকে তাকিয়ে বলল, "তুমি জানো, আমি তো কখনোই তোমাকে ভুলিনি।"

মিতু একটু অবাক হয়ে তাকাল। "তুমি কী বলছো?"

"হ্যাঁ," সোহান বলল, "আমি জানি, আমরা অনেক দূরে চলে গিয়েছিলাম, কিন্তু আমার হৃদয়ে তোমার জায়গা কখনোই বদলায়নি।"

মিতু একটু থেমে গেল, তারপর মৃদু হাসল। "তাহলে, আমরা কি আবার একসাথে শুরু করতে পারি?"

সোহান তার দিকে এগিয়ে গেল, তার হাত ধরে বলল, "আমি তোমার অপেক্ষায় ছিলাম, মিতু। আজ, এখন, আমাদের গল্প শুরু হবে—যেখানে আমরা একে অপরকে না শুধু বুঝব, বরং ভালোবাসবও।"

আর সেই মুহূর্তে, তাদের পৃথিবী যেন এক হয়ে গেল। তারা একে অপরের চোখে চোখ রেখেই জানত, তাদের মধ্যে কোনো অজানা সম্পর্ক ছিল, যা শুধু সময়ের পরিপূর্ণতা চেয়েছিল।

---

এই গল্পটি একটি রোমান্টিক প্রেমের গল্প যা বন্ধুত্ব থেকে প্রেমে পরিণত হওয়ার গল্প। আশা করি আপনি এটি পছন্দ করবেন!

অ্যালকোহল লেখক.. ই এক্স ইয়ানুরপাঠ ১দেখতে দেখতে কেটে গেছে  জীবনের ২০টি বছর।।আজকে আমার জীবনে সেই সময় এসেছে, আমি যাকে আমার ...
07/01/2025

অ্যালকোহল
লেখক.. ই এক্স ইয়ানুর
পাঠ ১
দেখতে দেখতে কেটে গেছে জীবনের ২০টি বছর।।
আজকে আমার জীবনে সেই সময় এসেছে,
আমি যাকে আমার জীবনের চাইতে বেশি ভালোবেশে ছিলাম
অব শেষে তাকে আপন করে পেলাম
ভাবতে ভাবতে বাসোর ঘড়ে ডুকে পরলাম


ভালো

Address

Sirajganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ES Love story posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share