07/11/2025
উপন্যাস
★অশুভ ছায়ার গ্রাসে সৎ ছেলে★
-অর্ক মন্ডল
এমন একজন ছেলে ছিল যে, অশুভ শক্তিকে শুভ শক্তিতে রূপান্তরিত করলো। ছেলেটির নাম ছিল অপূর্ব, তার বন্ধুর নাম জিত। তারা দু'জনই এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থী ছিল। তারা দু'জনেই তেমন ভালো ছাত্র ছিল না। কিছু দিন পর তাদের এইচ.এস.সি পরীক্ষা শুরু হবে। যেদিন পরীক্ষার দিন এলো, তারা একটু নার্ভাস হয়ে পড়লো। তারা পরীক্ষা দিতে এক অদ্ভুত জায়গায় গেলো। পরীক্ষা হলটা ছিল পাহাড়ের পাদদেশে এবং পরীক্ষা হলের বাম পাশে ছিল একটা অদ্ভুত ভয়ানক পুরনো মন্দির। আশেপাশের লোকজন বলে, ওটা অভিশপ্ত মন্দির, যেখানে আছে অশুভ ছায়া। আর পরীক্ষা হলের ডান পাশে ছিল ঘন জঙ্গল ও বাঁশ বাগান, যেটা দেখতে আরো ভয়ঙ্কর। মন্দিরটা এতই বড় ছিলো যে, সবাই দেখে ভয় পাবে। মন্দিরের সামনে একটি ৫০০ বছর পুরানো শুকিয়ে যাওয়া বটগাছ ছিল।
যার পাশে একটি কূয়ো ছিলো। এত কিছু দেখার পরে ও শোনার পরে দুই বন্ধু একটু ভয় পেলো।
কিন্তু তারা ভয়টাকে কুসংস্কার ভেবে ভয়টাকে জয় করলো। অপূর্ব ছিল সৎ ও নিষ্ঠাবান, সকলকে সাহায্য করতো, আর জিত ছিল একটু দুষ্টু, বদমাইশ। তারা দুজনেই জানে তারা ভালো ফলাফল আনতে পারবে না, তাই তারা পরীক্ষা হলে ঢোকার আগে ভয়টাকে জয় করে মন্দিরের সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠলো। তারা উপরে উঠে প্রণাম করলো। মন্দির থেকে বাদুড় বেরিয়ে এলো। তারা বাদুড়গুলোকে দেখে ভয় পেলো। তারপর তারা মন্দির থেকে বেরিয়ে এলো। তারা দুজনে হতমত হয়ে মন্দির থেকে বেরিয়ে পরীক্ষা হলের ভিতরে গেলো। হঠাৎ অপূর্ব খেয়াল করলো জিত তার সাথে নেই। সে পরীক্ষা হল থেকে বাইরে এলো, দেখলো জিত বাইরে দাঁড়িয়ে আছে। অপূর্ব জিতকে ডাকলো, বললো, "জিত, এদিকে আয়, পরীক্ষা শুরু হবে।" কিন্তু জিত তার কথায় গুরুত্ব দিলো না। কিছু সময় দুজনেই চুপ!
জিত বলে উঠলো,"পরীক্ষা তো এবার শুরু হবে, অপূর্ব চল দূর থেকে মন্দিরের সামনে দাঁড়িয়ে প্রার্থনা করি, যেন আমাদের পরীক্ষা ভালো হয়।"
অপূর্ব বললো, "একবার তো প্রণাম করেছি, আর ওদিকে যাওয়ার দরকার নেই।" কিন্তু জিত শুনলো না, সে মন্দিরের সিড়িগুলোর সামনে গিয়ে দাঁড়ালো। তার বন্ধু অপূর্ব ওকে একা না ফেলে সেও ধীরে ধীরে মন্দিরের দিকে যেতে লাগলো। একটু মনে ভয় অনুভব করে। মুহূর্তেই সিঁড়িতে পা রাখতেই অদ্ভুত শব্দ হচ্ছিল, মন্দিরটা কাঁপছিল, যেন ভিতর থেকে কিছু একটা বাইরে আসছে। অপূর্ব আর জিত অদ্ভুত ছায়া দেখতে পেল।
তারপর...
(+চলমান উপন্যাস)