Shutterpillar

Shutterpillar Our vision,your eyes

A story,little bite scriptment,some direction,a few crews and maximum low budget thats how we make our thoughts on screen.. :D

26/04/2014

কখন ও কোথায় প্রথম Motion picture -এর পাবলিক প্রদর্শনী হয়?

উত্তর : Koster and Bial's
Music Hall, New York City তে
1896 এপ্রিল এর 23 তারিখ।

25/04/2014

শুভ সকাল

নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন, আমাদের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। হয়ত অনেকে তা পছন্দ করেননি। তবুও ওয়েবসাইট তৈরি এবং ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে না চাইতে পরিবর্তন করতে হয়েছে। আনেকের অভিমত নেয়ার সুযোগ হয়নি, কারন ডোমেইন কেনা হয়ে গেছে। এবং অতিশিঘ্রই ওয়েবসাইট চালু হয়ে যাবে। WWW.shutterpillar.com

আশা করি সাথে থাকবেন। ধন্যবাদ।

25/04/2014

Sergei Mikhailovich Eisenstein
(Russian: Сергей Михайлович
Эйзенштейн, IPA: ;
23 January 1898 – 23 July 1948)

was a Soviet Russian film director and film theorist, a pioneer in the theory and practice of montage.

He is noted in particular for his silent films Strike (1924), Battleship Potemkin (1925) and October (1927), as well as the historical epics Alexander Nevsky (1938) and Ivan the Terrible (1944,1958).

Georges Méliès পরিচালিত   LeVoyage dans la Lune (A Trip tothe Moon) (1902) এর একটি দৃশ্য।। Georges Méliès একজন ফ্রেন্চ জ...
09/04/2014

Georges Méliès পরিচালিত Le
Voyage dans la Lune (A Trip to
the Moon) (1902) এর একটি দৃশ্য।। Georges Méliès একজন ফ্রেন্চ জাদুকর ছিলেন যিনি বেশ কিছু স্পেশাল ইফেক্ট উদ্ভাবন করেন।

09/04/2014

MONTAGE (মনতাজ) হল এমন এক ফিল্ম এডিটিং টেকনিক যা ফিল্ম এ কোন কিছুকে প্রকাশ করার নতুন নতুন ক্রিয়েটিভ ধরন সৃষ্টি করতে সক্ষম।

মনতাজ হল ভিবিন্ন সম্পর্কহীন দৃশ্যকে একত্রিত করে এক নতুন সম্পর্ক যুক্ত দৃশ্যে পরিনত করার পদ্ধতি। যা এডিটিং এবং চিন্তাধারার মাধ্যমে করা হয়।

প্রথমত Sergie Eisenstein মনতাজ সম্পর্কে ধারনা দেন। যা নিয়ে পরবর্তীতে সোভিয়েত ফিল্মমেকাররা কাজ করেন। এই পদ্ধতি প্রায় সম্পুর্ন এডিটিং এর উপর নির্ভরশীল। এইসেনস্টেইনের মতে "মনতাজ হল এমন এক ধারনা যা দিয়ে ইচ্ছামত বেশ কিছু দৃশ্যের মিশ্রন তৈরি করা যায় যে দৃশ্য গুলো একে অপরের সাথে সম্পর্ক যুক্ত নয় তবে সর্বোপরি যে মিলিত দৃশ্য তৈরি হয় তা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। "

যেমন আমরা প্রায় দেখতে পাই বিভিন্ন সিনেমায় নিউজপেপার মনতাজ। যেখানে প্রথমে চলন্ত প্রিন্টিং মেশিন দেখায় যেখানে নিউজপেপার প্রিন্ট হচ্ছে। তারপর তা ভাজ হয়। তারপর সবগুলো পেপার একজায়গায় এসে পরে। তারপর একজন কর্মচারী পেপার হাতে নিয়ে পরে এবং এইসময় নিউজপেপারে আসল বিষয়
টা দেখানো হয়।

মনতাজ সাধারনত ভাবের গভীরতা,রমান্চকর, রোমহর্ষকর,চরিত্রের মুখের ভঙ্গি, সাসপেনসন তৈরির জন্য ব্যাবহার করা হয়।

05/04/2014

কে সর্বপ্রথম স্ক্রিপটমেন্ট উদ্ভাবন করেন??

উত্তর :জেমস ক্যামেরুন।

জেমস ক্যামেরুন তার ছবি 'স্পাইডার ম্যান সিরিজ ' তৈরির সময় স্ক্রিপ্টমেন্ট উদ্ভাবন করেন ফিল্ম ডেভেলপমেন্ট করার সময়।

02/04/2014

চলচ্চিত্রের ইতিহাস

কৃত্রিমভাবে দ্বিমাত্রিক চলমান ছবি তৈরির কৌশল আবিষ্কৃত হয়েছিল ১৮৬০-এর দশকে। তখন জোট্রোপ এবং প্র্যাক্সিনোস্কোপ নামক যন্ত্র দিয়ে এ ধরণের ছবি তৈরি করা যেতো। একেবারে সাধারণ আলোক যন্ত্রের(ম্যাজিক লণ্ঠন) উন্নতি সাধন করে এগুলো তৈরি করা হয়েছিল। এগুলোর মাধ্যমে ধারাবাহিক কতগুলো স্থিরচিত্র একটার পর একটা এতো দ্রুত পরিবর্তন করা যেতো যে দর্শকের চোখে পরিবর্তন খুব একটা ধরা পড়তো না। ছবিগুলোকে খুব যত্ন সহকারে ডিজাইন করতে হতো যাতে কোনখুঁত না থাকে। এই ধারণাটিই পরবর্তীতে এনিমেশন চিত্র নির্মাণের মূলনীতি হয়ে দেখা দিয়েছিলো।স্থির চিত্রগ্রহণে সেলুলয়েড ফিল্মআসার পর চলমান বস্তুর সরাসরি ছবি তোলা সম্ভব হলো। প্রাথমিক যুগে একটি ড্রামের মধ্যে বেশ কিছু ছবি লাগিয়ে ড্রামটিকে জোড়ে ঘুরানো হতো। একটা বিশেষ দিক থেকে দর্শক ড্রামের দিকে তাকালে চলমান চিত্র দেখতে পেতো। ড্রামের গতি ছিল সাধারণত সেকেন্ডে ৫ বা ১০ বার এবং ড্রামগুলো কয়েনের মাধ্যমে অর্থ আদায় করতো। ১৮৮০'রদশকে চলচ্চিত্র ক্যামেরা উদ্ভাবিত হয়। এর মাধ্যমে অনেকগুলো স্থিরচিত্রকে একটি মাত্র রিলে সংরক্ষণ করা যেতো। এই রিলগুলোকে পরবর্তীতে চলচ্চিত্র রূপে দেখানো হতো প্রজেক্টরের মাধ্যমে। প্রজেক্টরের আলো রিলের উপর ফেলা হতো এবং রিলের ছবিগুলোকে বিবর্ধিত করে একটি বড় পর্দার উপর ফেলা হতো যা দর্শকরা দেখতে পেতো। প্রথম দিককার চলচ্চিত্রগুলো সবই ছিল বাস্তব ঘটনার সরাসরি দৃশ্যায়ন এবং প্রদর্শন। সেখানে কোন সম্পাদনা বা চলচ্চিত্ররূপী উপস্থাপনার সুযোগ ছিল না।১৮৯৪ সালের দিকেই ডিকসন শব্দ এবংছবি একসাথে ধারণের পরীক্ষা শুরু করেছিলেন। কিন্তু তার সে প্রচেষ্টাকে এড়িয়ে গিয়েনির্বাক চলচ্চিত্র প্রাধান্য বিস্তার করে এবং জনমনে বিশেষ ছাপফেলতে সক্ষম হয়। উনবিংশ শতকের শেষ পর্যন্ত নির্বাক চলচ্চিত্রই ছিল একমাত্র চলমান শিল্প মাধ্যম। বিংশ শতকের শুরুতে চলচ্চিত্র বর্ণনামূলক ধারায় রূপ নিতে শুরু করে। অনেকগুলো দৃশ্যকে একসাথে জোড়া লাগিয়ে এবং প্রত্যেকটির জন্য বর্ণনাভঙ্গি নির্দিষ্ট করে, প্রচার করা হতে থাকে। ধীরে ধীরে দৃশ্যগুলোকে বিভিন্ন আক্র এবং কোণ থেকে নেয়া অনেকগুলো শটে ভাগকরা হয়। এছাড়া চলমান ক্যামেরার মাধ্যমে চলচ্চিত্র গল্প ফুটিয়ে তোলার কৌশল আবিষ্কৃত হয়। তখনও ছবি নির্বাক ছিল। কিন্তু, প্রতিটি শটের সাথে মিল রেখে সঙ্গীত এবং বাজনা বাজানোর জন্য সিনেমা হলে বা মঞ্চে অর্কেস্ট্রা দল থাকতো। বড় বড় প্রযোজনা কোম্পানিগুলো এসবের ব্যবস্থা করতো। প্রাচূন বর্ণনামূলক চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম হলিউডের উত্থানের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলচ্চিত্র বিকশিত হয়ে উঠলেও প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কারণে ইউরোপে এই শিল্পটি ততোটা বিকশিত হয়ে উঠতে পারেনি। অবশ্য ১৯২০-এর দশক থেকে সের্গে আইজেনস্টাইন,এফ ডব্লিউ মার্নো এবং ফ্রিৎস ল্যাংএর মতো ইউরোপীয় পরিচালক রাডি ডব্লিউ গ্রিফিথ,চার্লি চ্যাপলিন,বুস্টার কিটন প্রমুখ মার্কিন পরিচালক ও অভিনেতাদের সাথে মিলে ইউরোপে চলচ্চিত্র বিস্তারের কাজ শুরু করেন। এই দশকেই প্রযুক্তির উন্নয়নের কারণে চলচ্চিত্রের শটগুলোর সাথে ঐকতান বজায় রেখে শব্দ, সঙ্গীত এবং কথোপকথন যুক্ত করা সম্ভব হয়। উদ্ভব হয়সবাক চলচ্চিত্রের। ইংরেজতে এগুলোকে"টকিং পিকচার" বা সংক্ষেপে "টকি" (talky) বলা হতো।এর পরে চলচ্চিত্র শিল্পে সবচেয়ে বড় সংযোজন ছিল "প্রাকৃতিক রঙ" যুক্ত করা। শব্দ যুক্ত করার পর খুব দ্রুত নির্বাকচলচ্চিত্র এবং মঞ্চের বাদ্য-বাজনা বিলীন হয়ে গিয়েছিলো। কিন্তু সাদাকালোর বদলে চলচ্চিত্র রঙের ব্যবহার করার প্রচলন অনেক ধীরে ধীরে হয়েছে। এর মূল কারণ ছিল রঙিন চলচ্চিত্রের খরচ এবং সামঞ্জস্য।প্রথমদিকে সাদা-কালো এবং রঙিন চলচ্চিত্রের প্রতি দর্শকদের দৃষ্টিভঙ্গি একই রকম ছিল। কিন্তু ক্রমাগত বেশী বেশী রঙিন চলচ্চিত্র নির্মিত হতে থাকে এবংদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেরপর আমেরিকায় রঙিন চলচ্চিত্রই প্রাধান্য বিস্তার করে। কারণ প্রযোজকরা বুঝতে পারছিলেন, রঙিনের দিকে দর্শকদের ঝোঁক বেশী। আরও একটি কারণ ছিল, টেলিভিশন ১৯৬০-এর দশকের আগে রঙিনহয়নি। তাই টিভির সাদাকালোকে হারানোর জন্য চলচ্চিত্র রঙের সংযোজন আবশ্যক ছিল। ১৯৬০-এর দশকের পরে রঙিন চলচ্চিত্রই নির্মাতাদের মূল আকর্ষণ হয়ে উঠে।১৯৬০ এর দশকে স্টুডিও পদ্ধতির পতনের পর কয়েক দশক জুড়ে চলচ্চিত্র জগতে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। বিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে চলচ্চিত্র শিক্ষা গুরুত্ব অর্জন করে।নব হলিউড,ফরাসি নবতরঙ্গ এবং বিভিন্ন চলচ্চিত্র স্কুলের প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এটি ত্বরান্বিত হয়। আর১৯৯০-এর দশকের পর ডিজিটাল প্রযুক্তি চলচ্চিত্র নির্মাণের একমাত্র মাধ্যম হয়ে উঠে।

সূত্র :উইকিপিডিয়া

28/03/2014

প্রোপাগান্ডা ফিল্ম হল এমন ধরনের ফিল্ম যাতে কিছু প্রোপাগান্ডা ধরনের বিষয় বিদ্যমান। প্রোপাগান্ডা ফিল্ম কে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়, কিন্তু বেশিরভাগ সময় ডুকুমেন্টরি অথবা ফিকশান ধরনের হয়। যা দর্শকদের কোন নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বিষয়ে তর্ক করতে অথবা তাদের চিন্তাধারা বা আচরনকে প্রভাবিত করতে তৈরি করা হয়। সেই বিষয়ের উপর নির্দিষ্ট কিছু ধারনা দিয়ে এই রকমটা করা হয় যা ভুল কিছু শিখাতেও পারে।

প্রোপাগান্ডাকে এমন এক সামর্থ্য হিসেবে চিহ্নিত করা যায় যা কোন উর্বর, কখোনো বোনা হয়েছিল এমন ম্যাসেজকে একটি বৃহৎ সমাজে ফলাতে এবং ছড়াতে পারে।

*উইকিপিডিয়া থেকে অনুবাদকৃত *

21/03/2014

Final cut pro x vs adobe premier

some times we are being confused about editing softwares.we who can't effort to buy an additional professional editing software,looking for a cheap n best editing software.We can see there are many editing software in many stores as pinnacle,avid,adobe premier pro,edius,cyberlink pro and as well final cut pro.

final cut pro is an apple product only for mac.It's also cost a lot.many of ours have no mac also haven't the ability to buy a mac.beside this it has some negative views.the last update of final cut pro named final cut pro x is completely a new addition of final cut pro where u can't run ur's previous projects that u created on previous versions of FCP.it's really a big prblm for professionals.

But it's also has many positive views like it has so many effects,its very easy to cut and replace,its so fast,it has many shortcuts that save ur time and energy. :D

but as a professional many editors recommend adobe premier pro or avid.its little bit harder to use but has a lots of controls.that gives u a better experience of details editing.

I have used adobe.its really very impressive and responsive software for me.. :D

18/03/2014

যেমন কিছু বর্ন নিয়ে শব্দ তৈরি হয় তেমন বেশ কিছু স্থির ফ্রেম নিয়ে একটি চলমান শট তৈরি হয়। শট হল নির্দিষ্ট সময় ধরে কোন চলমান দৃশ্যের ছবি তোলা। সহজ ভাষায় বললে শট হচ্ছে ক্যমেরা রোল শুরু করা থেকে বন্ধ করা পর্যন্তকে বোঝায়। শটকে বিভিন্ন ভাবে ভাগ করা যায়। যথা :

1.by field size
*extreme long shot
*long shot
*mid long shot
*American shot(3/4 shot)
*medium shot
*close shot
*extreme close shot
*two shot

2.by camera placement
*aerial shot
*camera tilt
*high angle shot
*bird's eye shot
*crane shot
*boom or jib shot
*low angle shot
*worms eye view
*Dutch angle
*over the shoulder shot
*point of view shot
*reverse shot
*trunk shot
*single camera setup
*multiple camera setup

3.by camera movement
*tilting
*panning
*hand held camera
*shaky camera
*tracking shot
*Dolly
*steadycam
*walk and talk
*Dolly joom
*follow shot

4.by lense effect
*racking focus
*depth of field
*shallow focus
*deep focus
*zooming

5.others
*establishing shot
*master shot
*B roll
*freeze frame shot
*long shot
*insert shot

17/03/2014

ফিল্ম তৈরি হয় চারটি এককের ভিত্তিতে।

1.ফ্রেম-frame
2.সট - shot
3.সিন-scene
4.সিকোয়েন্স -sequence

Frame(ফ্রেম)

ফিল্ম ফ্রেম হল বেশ কিছু স্থির চিত্রের সমন্বিত অংশ যা একটি পুর্ন চলমান চিত্র গঠন করে। যেমন আমরা সচারচর দেখে থাকি 24fps,25fps,30fps (Frame per second) । কিন্তু এর অর্থ কি? এর অর্থ হল এক সেকেন্ডে 24 ,25,30 টা ফ্রেম বা ছবি তোলা হয়। সহজ ভাষায় 24 টা স্থির ছবি নিয়ে এক সেকেন্ডের চলমান ছবি তৈরি করা হয়। কিন্তু প্রশ্ন হল আমরা পরপর দুইটি ছবির মধ্যকার বিরতি কেন বুঝতে পারি না??আমরা এই বিরতি বুঝতে পারিনা persistence of vision এর কারনে যাকে আমি ফিল্ম এর সঙ্গায় phi phenomenon নামে অভিহিত করেছিলাম। আমরা জানি,যেকোন দৃশ্য বা আলো আমাদের মস্তিস্কে কিছুক্ষন স্থায়ী থাকে। যার কারনে দ্রুত ছবি পরিবর্তন হওয়ায় আমরা ছবিটিকে চলমান বলে মনে করি। এই persistence of vision এর কারনে তৈরি হয় চলমান. চিত্র বা ফিল্ম ফ্রেম। একে ফিল্মের বর্ন ও বলা যেতে পারে। যা নিয়ে গঠিত হয় সট যাকে ফিল্মের শব্দ বলা যেতে পারে।

পরবর্তীতে shot,scene এবং sequence. নিয়ে আলোচনা করা হবে।

Address

Rohanpur, Chapainawabgonj
Rajshahi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shutterpillar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share