20/08/2026
প্রত্যেক ছাত্রসংসদের শেষ দিকে এসে তাদেরকে ব্যর্থ ও বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করা হয়। যাইহোক আমরাও জানতাম আমাদের স্ট্রং পয়েন্ট অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা নিয়ে তারা এই নোংরামিটা করবে। এজন্য আমরা সকল হিসাব পুঙ্খানুপুঙ্খ রেডি রেখেছি। অসম্পূর্ণ তথ্য নিয়ে এসব প্রচার প্রফেশনালিজমের পরিপন্থী। ১ কোটি ২৯ লাখ টাকা তুলেছে রাকসু এটাই অসত্য তথ্য। তারপরও বলি।
প্রথমত, সকল টাকা তোলার ক্ষেত্রে রাকসু সভাপতি, কোষাধ্যক্ষ সহ কয়েক ধাপে স্বাক্ষর নিয়ে তারপর তুলতে হয়। আমরা যদি এমন কোনো বিষয়ে টাকা খরচ করতাম যেটা আমাদের এখতিয়ার নেই, তাহলে কোনো না কোনো ধাপে বাঁধার স্বীকার হতাম। প্রত্যেক বাজেট তোলার ব্যাপারে এই সবার স্বাক্ষরগুলো আমাদের কাছে আছে।
দ্বিতীয়ত, ছাত্রসংসদ শেষে সরকারিভাবে অডিট হবে। সেই রিপোর্ট আমরা শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের কাছে পেশ করবো। আমরা কি করছি সেই রিপোর্টে স্পষ্টভাবে লেখা থাকবে। তখন বোঝা যাবে যে আমরা আসলেই এক টাকার ও দুর্নীতি করছি কি না।
তৃতীয়ত , হিসাব ক্লোজ হওয়ার আগেই বিচ্ছিন্নভাবে কিছু তথ্য দিয়ে রাকসু কে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
চতুর্থত, এত কিছুর পরেও যদি অডিটে এমন কোনো বিষয় উঠে আসে যেটা আমাদের খরচ করার এখতিয়ার ছিলো না, সেই টাকা আমরা ফেরত দিতে বাধ্য থাকবো।
পঞ্চমত, আমরা প্রতিনিধি,ব্যক্তিগতভাবে কোনো পারিশ্রমিক আমাদের নেয়ার এখতিয়ার নাই, পুরোটা স্বেচ্ছাশ্রম। এত কিছুর পরেও বিশ্বাস নিয়ে বলছি রাকসু প্রতিনিধিদের নামে অডিট রিপোর্টে এক টাকাও কারো পকেটে ঢুকেছে বলে কেউ প্রমাণ করতে পারবে না।
ষষ্ঠত, রাকসু আমার দাপ্তরিক খরচের জন্য বরাদ্দ দিয়েছিলো ৫ লাখ। তার মধ্যে তুলেছি মাত্র ৩.৫ লাখ। সামগ্রিক খরচ আর দাপ্তরিক খরচের পার্থক্য এদের কে বোঝাবে? টাকা তোলার তথ্য এসেছে ফেরতের তথ্য আসেনি। কিছু আয়োজন আছে যেগুলোতে আমরা রাকসুর ফান্ডের টাকা ব্যবহার করিনি। যেমন ইফতার মাহফিলের ১২ লাখ টাকার কোন টাকাই ফান্ড থেকে নিইনি।
আমাদের তো এখনো হিসাব ক্লোস হয়নি। এমনও হতে পারে যৌক্তিক বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও আমার দাপ্তরিক বরাদ্দ আমি রাকসুকে ফেরত দিয়ে দিলাম। তাই শেষ হিসাবের অপেক্ষাটা করুন অন্তত।
পরিশেষে, শিক্ষার্থীদের প্রতিটা টাকা আমাদের জন্য আমানত। রাকসুতে যেভাবে এসেছিলাম, ঠিক সেভাবেই ফিরে যাব। আমরা দৃঢ় বিশ্বাস রেখে বলতে চাই,এই এক বছরে রাকসুর এক টাকাও আমাদের ব্যক্তিগত পকেটে ঢুকেনি। এইসব প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে লাভ নাই।
- রাকসু ভিপি