24/01/2017
# # # # # only_for_fun
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাসায় বড় বড় কবি দের আড্ডা হচ্ছে ।
:
লালু সেখানে সবার জন্য চা বানিয়ে নিয়ে গেছে,
লালুর বানানো সেই চা খেয়ে....
:
:
-প্রথমে কবিগুরু বললেন....
"আমারো পরাণো যাহা চায়,
তার কিছু নাই,
কিছুই নাই এই চায়ে গো ।"
:
-এটা শুনে বিদ্রোহী কবি নজরুল লাফ দিয়ে উঠে বললেন....
"আমি বিদ্রোহী রণক্লান্ত,
আমি সেইদিন হব শান্ত,
যদি ভালো করে কেউ
চা বানিয়ে আনতো ।"
:
-নজরুলের কথা শুনে উদাস মুখে জীবনানন্দ দাস বললেন....
"আর আসিবনা ফিরে
রবি ঠাকুরের নীড়ে,
গরম চায়ে চুমুক দিয়ে
ঠোঁট গিয়েছে পুড়ে ।"
:
-খানিক পরেই কবি সুকান্ত বললেন....
"কবিতা,
তোমাকে দিলাম বিদায়,
এক কাপ চা,
যেনো ঝলসানো ছাই ।"
:
-হেলাল হাফিজ তখন গুমরে বললেন....
"নষ্ট পাতির সস্তা চায়ে
মুখ হয়েছে তিতা,
কষ্ট চেপে নষ্ট চায়ে
মুখ দিয়েছে কিতা ।"
:
-রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ নরম কন্ঠে বললেন....
"ভাল আছি, ভাল থেকো,
চায়েতে চিনি বেশি মেখো ।"
:
-তা শুনে কবি নির্মলেন্দু গুন বললেন....
"আমি হয়তো মানুষ না
মানুষ গুলো অন্যরকম,
মানুষ হলে এমন চায়ে
চুমুক নাহি দিতাম ।"
||||
||||
-পরিশেষে রবীন্দ্রনাথ অসহায় চোখে লালুর পানে তাকিয়ে বললেন....
"ওরে অধম, ওরে কাচা,
ভালো করে চা বানিয়ে
আমাকে তুই বাঁচা ।"
+|||||||||||||||||||||||||||||||||||