04/08/2023
Confession No:265
To: আমার কল্পনায় ভালোবাসার মানুষ আফিয়া তাকওয়ার জন্য লেখাটা
আমি যদি খুব ভুল না করি, তাহলে এটা নিশ্চয়ই সেই প্ল্যাটর্ফম যেখানে নিজেকে আত্নগোপন করেও গভীর থেকে আসা নিখুঁত সিগন্যাল গুলোকে উন্মুক্ত ভাবে প্রকাশ করা যায়।যদি তাই হয় তাহলে আফিয়া তাকওয়াকে একবার ডেকে দিন,কারন লেখাগুলো আমার তাকে নিয়েই।
আষাঢ়ের শেষ বিকেলের ভালোবাসা তোমার জন্য।আজ কিন্তু এইদিকে সকাল থেকেই দারুণ বৃষ্টি হলো,তাই ভাবলাম আজই না হয় লিখে ফেলি।আজ না জানালে আবার আরো অনেক দিনের গননা, আবার কবে বৃষ্টি আসবে,আমার ভালোবাসার বার্তা নিয়ে,তাই আজই ভালোবাসাগুলোকে শব্দের রূপ দিলাম।
তোমার হাসিটা অনেক সুন্দর, তুমি কি এটা জানো?সেই হাসি নিয়ে স্বপ্ন ছুঁয়ে আনমনে হরহামেশাই এখন অবাধ্য কাব্য লেখা হয়।অবুঝ চোখ প্রবল ইচ্ছায় জেগে উঠে তোমার প্রত্যাশায়।যদি এমন সুযোগ থাকতো,আমি তাহলে তোমার কাছে হাসির কোর্স করতাম, প্রফের প্রতিটা কোয়শ্চেনে ফুল মার্কস তুলতাম।আর যদি ফুল মার্কস না দিতে পারতে, তবে তা তোমার কাছেই না হয় রেখে দিতে।আমি অবাধ্য হলেই কেটে নিতে বাকি সব নাম্বার।
খুব চমৎকার লাগে তোমায়।একদম পরিপূর্ণই লাগে যদিও তেমনটা কেউই নয়।খুব বিস্তারিত লিখতে আমার ভিষণ লজ্জাই লাগছে।কিন্তু তোমার প্রতি টুকরোতে খুব অসাধারণ একটা আবেদন আছে।নাহ,খারাপ ভাবে নিও না।আমি ঠিক বুঝাতে পারি না।মনে হয় সারাক্ষণ একটা অদ্ভুত চাওয়া আমাকে ঘিরে রাখে।পালকের মতো নরম,তবুও জলোচ্ছ্বাস এর মতো প্রবল চাওয়া।সেতো এক মাতাল চাওয়া,বড় উদ্যত আর অসর্তকও বটে।
প্রেমে পড়ার আগেতো প্রেম প্রেম আভাস দেয় না।হঠাৎ করেই হয়ে যায়।একদিন তুমিও আটকে যাবে কোনো এক প্রেমে।আমি নিরুদ্দেশ হলেই আমার গল্পে বসিয়ে দিও হাই সোসাইটির কোনো সুদর্শণ তরুনকে। যার দামী পারফিউম আর আঁটসাঁটে জামায় আমার মতো পাগলামি থাকবে না।🙂🙂
আমারও ইচ্ছে করে কোনো এক বিকেলে সমরেশের মতো তোমাকে সাথে নিয়ে এক পাহাড়ের চূড়ায় আকাশ দেখি। মধ্যরাতে নিয়ন আলোয় পিচঢালা রাস্তায় তোমার হাত ধরে হাটি।কোনো এক বিকেলে পাশাপাশি গল্প করতে করতে নিজেদের অজান্তেই কয়েক কাপ চা খেয়ে ফেলি,আবার হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ি তোমার কোলেই।যদিও আমার ক্ষমতা নেই, তবুও যতটুকু পারি আরকি😊।
হ্যাঁ,এটা ঠিক যে তুমি আমার ছেলে বেলার ভাবা কল্পনার হারকিউলিসের মতো মাসকিউলার নও,তবে কথা গুলোতে অনন্য।কি বলোতো, ভালোবাসলেই যে পেতে হবে এমনতো কোনো কথা নেই তাই না?তাই আফসোস ও করি না।রবীন্দ্রনাথের দুটো লাইনের কথা মনে পড়ে,
-----------""যাকে ভালোবাসো তাকে বিয়ে করো না""--
কি জানি হয়তো অপূর্ণ্যতায়ই প্রকৃত সুখ।জানা নেই আমার, তবে সব সময় এটাই চাই দুনিয়ায় কোনো স্বার্থপরতা যেন কখোনও না ছোঁয় তোমাকে।
যদি বলো কতটুকু ভালোবাসি তোমাকে, তবে বলতে চাই তোমাকে নিয়ে বিতর্কিত হবো।বাসায় সভা হবে,বন্ধুবান্ধব আসবে,তোমাতে আমায় নিয়ে ঝড় হবে।ভাগ্য তখন চুপটি মেরে সব শুনবে।রায় নিয়ে তিব্র মাথা ঘামাবে ভাগ্য।তোমার তুমিকে কিংবা আমার আমিকে রোষানলে পিষবে।নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালত হবে।কেইস হারার পর সুপ্রিমকোর্ট যাবো,ততক্ষণে তুমি হয়তো আর তুমি থাকবা না।তোমাতে আমায় আর খুঁজবে না।কাকতালীয় ভাবে আমি কেইস জিতে যাবো কিন্তু তোমায় পাবো না।শেষমেশ তোমাকে খুন করতে যাবো,আর তুমি হাসবা।আমি ভাবতে থাকবো পুরোনো সেই দিনের কথা আর তোমাকে মাফ করে দিবো।খানেক পরেই আমার মনে পড়বে, এই হসিতেই তো আমার প্রথম মৃত্যু হয়।এভাবেই লিখে যাবো ইতিকাব্য আর গাইবো ""হেসো না হেসো না সে হাসি মধুময়, তুমি আর নেই সে তুমি।""
টু বি অনেস্ট , আরো হাজার শব্দের মিলবন্ধন করিয়ে দিলেও তোমাকে নিয়ে লেখা শেষ হবে না।আমারও সময় হয়েছে কলম উঠিয়ে নেওয়ার।আর হয়তো তোমাকে নিয়ে লেখা হবে না। আফিয়া তাকওয়া নামের মেয়েটিকে ভালোবাসা সহজ নয়,তবে তাকে না ভালোবেসে থাকা তার চাইতেও কঠিন।
আসলে কি বলোতো,জীবনটা গণিতের মতো না।ওখানে ২+২=৪ হয়,কিন্তু জীবনে তুমি +আমি= আমরা ; সব সময় হয় না।মাঝে মাঝে তুমি +আমি=সম্ভব না হয়।সেই হিসাবটা বুঝা যায় না,মেনে নিতে হয়।চুপ করে।who knows you will also fall in love with my company.Actually nothing is permanent in life,but which is imaginably permanent that's falling in love with the perfect person. I don’t care whoever Your first love is.i really pray,i should be the last and eternal one.আর তাও যদি না পারো তবে না হয় দূরেই থেকো।যেমন দূরে থাকে ছোঁয়া থেকে স্পর্শ, রোদ্দুরের বুক থেকে উত্তাপ,শীতলতা থেকে উষ্ণতা, তেমন দূরত্বেই থেকো।
এক ইঞ্চিতেও কভু বলতে পারবে না কেউ কতটা কাছাকাছি এসেছিলাম বলে দূরত্বের পরিমাপ করতে পারেনি পৃথিবী।