Taha's Creation

Taha's Creation Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Taha's Creation, Cultural Center, Pirojpur.

জাত-পাত-দল নির্বিশেষে দেশবাসিরা শুন, দেশের জন্য বুকের ভিতর সদাই ঝরে খুন।
তুমি আমি যে দলেরই বাংলা মায়ের পুত,
শত্রুরা সব সীমানাতে আছে পেতে ওৎ।
তোমার আমার বিভাজনে ওরাই লাভবান,
সবার মাঝে জীবন ভরে এই চেতনাই আন্‌।
দেশ বাঁচলে আমরা বাঁচি,
মরাও তার লাগি।

28/05/2026

# # কুরবানির ঈদের দিন সকালে করণীয়

**ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই**
- ফজরের নামাজ আদায় করা
- গোসল করা (সুন্নত)
- মিসওয়াক করা

**পোশাক ও সাজসজ্জা**
- সুন্দর ও পরিষ্কার পোশাক পরা
- আতর/সুগন্ধি ব্যবহার করা

**খাওয়া-দাওয়া**
- ঈদুল আযহার দিন ঈদের নামাজের **আগে কিছু না খাওয়া** সুন্নত (ঈদুল ফিতরের বিপরীত)
- কুরবানির গোশত খাওয়ার আগ পর্যন্ত অপেক্ষা করা উত্তম

**ঈদগাহে যাওয়া**
- পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া (সুন্নত)
- যাওয়ার পথে তাকবির পড়া — **اللهُ أكبر، اللهُ أكبر، لا إله إلا الله، واللهُ أكبر، اللهُ أكبر، ولله الحمد**
- এক রাস্তায় যাওয়া, অন্য রাস্তায় ফেরা (সুন্নত)

**ঈদের নামাজ**
- দুই রাকাত ঈদের নামাজ আদায় করা (ওয়াজিব)
- ইমামের খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনা

**নামাজের পর**
- কুরবানি করা (যার উপর ওয়াজিব)
- পরিবার, প্রতিবেশী ও গরিবদের সাথে গোশত ভাগ করা
- আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা করা ও শুভেচ্ছা জানানো

ঈদ মোবারক! 🌙

জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিন নখ, চুল, গোঁফ বা দাড়ি না কাটার বিধানটি মূলত **যিনি কুরবানি দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছেন (কুরবানিদাত...
17/05/2026

জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিন নখ, চুল, গোঁফ বা দাড়ি না কাটার বিধানটি মূলত **যিনি কুরবানি দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছেন (কুরবানিদাতা), তাঁর জন্য** প্রযোজ্য। এটি সবার জন্য বাধ্যতামূলক বা সাধারণ কোনো নিয়ম নয়।
এই বিধানটির বিস্তারিত নিয়ম ও ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো:
# # # ১. প্রধান বিধান (কুরবানিদাতার জন্য)
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
> "যখন তোমরা জিলহজ মাসের চাঁদ দেখতে পাবে এবং তোমাদের কেউ কুরবানি করার ইচ্ছা করবে, সে যেন তার চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকে।" (সহীহ মুসলিম)
>
এই হাদিসের ওপর ভিত্তি করে ওলামায়ে কেরামের অভিমত হলো, যিনি নিজের পক্ষ থেকে বা পরিবারের পক্ষ থেকে কুরবানি দিচ্ছেন, জিলহজ মাসের চাঁদ ওড়ার পর থেকে নিয়ে কুরবানি সম্পন্ন করা পর্যন্ত তাঁর জন্য নখ, চুল, দাড়ি বা শরীরের কোনো অংশের পশম না কাটা **মুস্তাহাব** (উত্তম)। কোনো কোনো ইমাম বা মাযহাবে এটিকে ওয়াজিব বা আবশ্যকও বলা হয়েছে।
# # # ২. যারা কুরবানি দিচ্ছেন না তাদের জন্য করণীয়
যাঁরা কোনো কারণে কুরবানি দিতে পারছেন না, তাঁদের জন্য এই দিনগুলোতে নখ বা চুল না কাটার **কোনো বাধ্যবাধকতা নেই**।
তবে, কিছু হাদিসের আলোকে ওলামায়ে কেরাম বলেন, যাঁরা কুরবানি দিতে পারছেন না, তাঁরাও যদি এই দিনগুলোতে আল্লাহর অনুগ্রহ লাভের আশায় এবং হাজীদের ও কুরবানিদাতাদের সাথে সাদৃশ্য রেখে নখ-চুল কাটা থেকে বিরত থাকেন এবং ঈদের দিন কুরবানির পর তা কাটেন, তবে তাঁরাও ইনশাআল্লাহ কুরবানির একটি সওয়াব বা পুরস্কার পাবেন। কিন্তু এটি তাঁদের জন্য কোনো জরুরি নিয়ম নয়, সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক।
# # # একটি জরুরি সতর্কতা (৪০ দিনের নিয়ম)
ইসলামে জিলহজ মাসের এই আমলটির চেয়েও বড় এবং বাধ্যতামূলক নিয়ম হলো—শরীরের অপ্রয়োজনীয় লোম বা নখ যেন কোনোভাবেই **৪০ দিনের বেশি** না কাটা অবস্থায় না থাকে।
যদি এমন হয় যে জিলহজ মাস আসার আগেই কারো নখ বা চুল ৪০ দিন বা তার কাছাকাছি সময় ধরে কাটা হয়নি, তবে জিলহজ মাসের চাঁদ ওঠার আগেই তা কেটে পরিষ্কার করে নেওয়া উচিত। কারণ, জিলহজের ১০ দিন পার করতে গিয়ে যদি নখ বা চুল না কাটার মেয়াদ ৪০ দিন পার হয়ে যায়, তবে তা গুনাহের কারণ হবে।
**সংক্ষেপে:** বিধানটি মূলত **শুধু কুরবানিদাতাদের জন্য**। তবে যারা কুরবানি দিচ্ছেন না, তারাও চাইলে সওয়াবের নিয়তে এই আমলটি করতে পারেন, কিন্তু এটি তাদের জন্য জরুরি নয়।

**Demographic Dividend** (জনমিতিক লভ্যাংশ) হলো একটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির এমন একটি সম্ভাবনা, যা জনসংখ্যার বয়সভিত্তি...
10/05/2026

**Demographic Dividend** (জনমিতিক লভ্যাংশ) হলো একটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির এমন একটি সম্ভাবনা, যা জনসংখ্যার বয়সভিত্তিক কাঠামোর পরিবর্তনের ফলে সৃষ্টি হয়। সহজ কথায়, যখন কোনো দেশে শিশু ও বয়স্কদের (নির্ভরশীল জনসংখ্যা) তুলনায় কর্মক্ষম মানুষের (১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী) সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পায়, তখন সেই অবস্থাকে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বলা হয়।
নিচে এর মূল বৈশিষ্ট্য এবং প্রভাবগুলো আলোচনা করা হলো:
# # # ১. কর্মক্ষম জনসংখ্যার আধিক্য
যখন জন্মহার এবং মৃত্যুহার দুটোই কমে আসে, তখন শিশুদের সংখ্যা হ্রাস পায় এবং পূর্বের উচ্চ জন্মহারের কারণে তরুণ বা কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা বেড়ে যায়। এর ফলে উৎপাদনশীল হাত বৃদ্ধি পায়।
# # # ২. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
একটি পরিবারের ওপর যখন নির্ভরশীল মানুষের চাপ কমে যায়, তখন সেই পরিবার এবং রাষ্ট্র শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং অবকাঠামোতে বেশি বিনিয়োগ করার সুযোগ পায়। এটি দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) বৃদ্ধিতে সরাসরি ভূমিকা রাখে।
# # # ৩. বিনিয়োগ ও সঞ্চয় বৃদ্ধি
কর্মক্ষম মানুষ বেশি হওয়ার ফলে ব্যক্তিগত এবং জাতীয় পর্যায়ে সঞ্চয় বাড়ে। এই সঞ্চয় দেশের শিল্পায়ন ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে পুঁজি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
# # # ৪. মানবসম্পদ উন্নয়ন
এই সময়ে যদি দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা যায় (উন্নত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষার মাধ্যমে), তবে দেশ দ্রুত উন্নত রাষ্ট্রের দিকে ধাবিত হয়।
# # # ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড কাজে লাগানোর শর্ত:
শুধু তরুণ প্রজন্ম থাকলেই এটি অর্জিত হয় না; এটি উপভোগ করার জন্য কিছু পূর্বশর্ত প্রয়োজন:
* **মানসম্মত শিক্ষা:** তরুণদের দক্ষ করে গড়ে তোলা।
* **কর্মসংস্থান:** বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্য পর্যাপ্ত চাকরির বাজার তৈরি করা।
* **স্বাস্থ্যসেবা:** কর্মক্ষম জনশক্তিকে সুস্থ ও উৎপাদনশীল রাখা।
**সতর্কতা:**
এই সুযোগটি চিরস্থায়ী নয় (সাধারণত ২০ থেকে ৪০ বছর স্থায়ী হয়)। যদি এই সময়ে সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা না হয়, তবে এটি **"Demographic Disaster"** বা জনমিতিক বিপর্যয়ে রূপ নিতে পারে, যেখানে বেকারত্ব ও সামাজিক অস্থিরতা বেড়ে যায়।
বাংলাদেশ বর্তমানে এই ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা দেশের উন্নয়নের জন্য একটি বড় সুযোগ।

07/05/2026
07/05/2026

নিজেকে ইতিবাচক বা পজিটিভ রাখা একটি নিয়মিত চর্চার বিষয়। এটি রাতারাতি হয় না, তবে কিছু ছোট ছোট অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে আপনি মানসিকভাবে অনেক বেশি শান্ত ও আত্মবিশ্বাসী থাকতে পারেন।
আপনার জন্য কিছু কার্যকর পরামর্শ নিচে দেওয়া হলো:
# # ১. দিনটি শুরু করুন ইতিবাচকভাবে
সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই নেতিবাচক সংবাদ বা সোশ্যাল মিডিয়া দেখা থেকে বিরত থাকুন। এর বদলে কয়েক মিনিট শান্ত হয়ে বসুন, প্রার্থনা করুন অথবা দিনটি কেমন কাটবে তা নিয়ে ভালো কিছু চিন্তা করুন।
# # ২. কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন
প্রতিদিন অন্তত তিনটি জিনিসের তালিকা করুন যেগুলোর জন্য আপনি কৃতজ্ঞ। এটি খুব ছোট বিষয়ও হতে পারে (যেমন: এক কাপ চমৎকার চা বা বন্ধুর সাথে সুন্দর আলাপ)। আপনার জীবনে যা নেই তা নিয়ে আক্ষেপ না করে যা আছে তার দিকে নজর দিলে মন ভালো থাকে।
# # ৩. নেতিবাচক চিন্তা নিয়ন্ত্রণ করুন
আমাদের মাথায় সারাদিন অনেক চিন্তা আসে, যার সব সত্যি নয়। যখনই কোনো নেতিবাচক চিন্তা মনে আসবে, নিজেকে প্রশ্ন করুন— "এই চিন্তাটি কি আমাকে কোনো সাহায্য করছে?" যদি না করে, তবে সেটিকে জোর করে বদলে ইতিবাচক কোনো ভাবনায় মন দিন।
# # ৪. শারীরিক যত্ন নিন
মন এবং শরীর একে অপরের পরিপূরক।
* **পর্যাপ্ত ঘুম:** ঘুমের অভাব মানুষকে খিটখিটে করে তোলে।
* **হাঁটাহাঁটি:** প্রতিদিন অন্তত ২০-৩০ মিনিট হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম করলে শরীরে 'এন্ডোরফিন' হরমোন নিঃসরণ হয়, যা মনকে প্রফুল্ল রাখে।
* **সুস্থ খাবার:** চিনিযুক্ত বা ভাজাপোড়া খাবার কমিয়ে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।
# # ৫. বর্তমান মুহূর্তে বাস করুন (Mindfulness)
অতীতের ভুল বা ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তা নিয়ে পড়ে না থেকে বর্তমানে আপনি যা করছেন তাতে পূর্ণ মনোযোগ দিন। বর্তমানকে গ্রহণ করতে শিখলে মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যায়।
# # ৬. সঙ্গ এবং পরিবেশ
আপনি কাদের সাথে সময় কাটাচ্ছেন তা আপনার মানসিকতায় প্রভাব ফেলে। যারা আপনাকে উৎসাহ দেয় এবং যাদের চিন্তা গঠনমূলক, তাদের সাথে বেশি সময় কাটানোর চেষ্টা করুন।
> **একটি ছোট টিপস:** > কোনো কাজে ব্যর্থ হলে নিজেকে দোষারোপ না করে ভাবুন— "আমি এখান থেকে কী শিখলাম?" শেখার মানসিকতা থাকলে নেতিবাচক পরিস্থিতিও ইতিবাচক হয়ে ওঠে।

 #প্রোঅ্যাক্টিভ হওয়া মানে হলো পরিস্থিতির শিকার না হয়ে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নেওয়া। এটি একটি অভ্যাস যা চর্চার ম...
06/05/2026

#প্রোঅ্যাক্টিভ হওয়া মানে হলো পরিস্থিতির শিকার না হয়ে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নেওয়া। এটি একটি অভ্যাস যা চর্চার মাধ্যমে গড়ে তোলা সম্ভব। নিচে প্রোঅ্যাক্টিভ হওয়ার কিছু কার্যকর উপায় দেওয়া হলো:
​১. চিন্তাভাবনার পরিবর্তন (Focus on Circle of Influence)
​আমরা অনেক সময় এমন বিষয় নিয়ে দুশ্চিন্তা করি যা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই (যেমন: আবহাওয়া বা অন্যের মতামত)। প্রোঅ্যাক্টিভ হতে হলে আপনার মনোযোগ সেই বিষয়গুলোতে দিন যা আপনি পরিবর্তন করতে পারবেন।
​রিঅ্যাক্টিভ ভাষা বর্জন করুন: "আমার কিছু করার নেই" বা "ও আমাকে রাগিয়ে দিয়েছে" না বলে বলুন, "আমি অন্য কোনো উপায় দেখতে পারি কি?" বা "আমি আমার মেজাজ নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।"
​২. আগাম পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি
​ঘটনা ঘটার অপেক্ষা না করে আগে থেকে প্রস্তুতি নিন।
​টু-ডু লিস্ট (To-Do List): পরের দিনের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো আগের রাতেই লিখে রাখুন।
​সম্ভাব্য বাধা চিহ্নিত করা: কোনো কাজ শুরু করার আগে ভাবুন সেখানে কী কী সমস্যা হতে পারে এবং সেই সমস্যাগুলো কীভাবে মোকাবেলা করবেন তার একটি পরিকল্পনা রাখুন।
​৩. ছোট ছোট পদক্ষেপে কাজ শুরু করা
​প্রোঅ্যাক্টিভ মানুষরা কাজ জমিয়ে রাখে না। কোনো বড় কাজ দেখে ভয় না পেয়ে সেটিকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে ফেলুন এবং আজই একটি অংশ শেষ করুন। একে বলা হয় 'Bias for Action'।
​৪. দায়বদ্ধতা গ্রহণ করা
​নিজের ভুল বা পরিস্থিতির জন্য অন্যকে দোষারোপ না করে নিজের দায়িত্ব বুঝে নিন। আপনি যখন নিজের কাজের দায়ভার নেবেন, তখনই সেটি উন্নত করার ক্ষমতা আপনার হাতে আসবে।
​৫. লক্ষ্য স্থির রাখা
​আপনার দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য কী, তা সবসময় মাথায় রাখুন। যখন আপনার সামনে একটি পরিষ্কার লক্ষ্য থাকবে, তখন আপনি বর্তমানের ছোটখাটো সমস্যায় বিচলিত না হয়ে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য সক্রিয় পদক্ষেপ নিতে পারবেন।
​৬. নিয়মিত পর্যালোচনা (Review)
​প্রতিদিন বা প্রতি সপ্তাহের শেষে নিজেকে প্রশ্ন করুন:
​আমি কি আজ পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে ছিলাম নাকি পরিস্থিতি আমাকে নিয়ন্ত্রণ করেছে?
​আগামীকাল আমি কীভাবে আরও সচেতনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারি?

27/04/2026

ছাত্র মুরসালিনের কবিতা

22/04/2026

বাহ কি আরাম! এক ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে, এক ঘন্টা শেডিং...
যুদ্ধ করলো কারা, ভুগছে কারা!

Address

Pirojpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Taha's Creation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share