Sojib Hossain

Sojib Hossain Entertainment

21/02/2025

একদিনে নাহ হোক, একদিন সব হোক🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩

20/02/2025

একুশ আমার গর্ব
২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবসে।২৯৫২ এর ভাষা আন্দোলনের সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

09/02/2025

Sylhet done
09/02/2025

আলহামদুলিল্লাহ, অর্থনৈতিক শুমারিতে তথ্য দিন,নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে অংশ নিন"এ স্লোগান কে সামনে রেখে জাতীয় অর্থনৈতিক শুম...
09/12/2024

আলহামদুলিল্লাহ,
অর্থনৈতিক শুমারিতে তথ্য দিন,
নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে অংশ নিন"এ স্লোগান কে সামনে রেখে জাতীয় অর্থনৈতিক শুমারী ২০২৪ইং এর মূল কাজে, সুপারভাইজার এবং তথ্য সংগ্রহকারী ৪ দিনের ট্রেনিং শেষে, , মূল কাজ আগামী ১০ ডিসেম্বর থেকে ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪ইং চলবে।

জোনাল অফিসার : মো: রইজ উদ্দিন
গয়েশপুর ইউনিয়ন, জোন- ০৯
পাবনা সদর,পাবনা

EID     MUBARAK Taqaballah minna wa minkum salihal A'malMay Allah accept our fasts, duas, prayers and ibadas. May Allah ...
11/04/2024

EID
MUBARAK

Taqaballah minna wa minkum salihal A'mal

May Allah accept our fasts, duas, prayers and ibadas.
May Allah allow us reach tha next Ramadan.

Ammen

এক পুরুষের স্পর্শ পেলে অন্য পুরুষকে ভুলে যাওয়া নারীর ধর্ম! নারী প্রথম পুরুষের স্পর্শ ভুলে না। আমার ঠোঁটের কলঙ্ক তোমার ঠো...
26/11/2023

এক পুরুষের স্পর্শ পেলে অন্য পুরুষকে ভুলে যাওয়া নারীর ধর্ম! নারী প্রথম পুরুষের স্পর্শ ভুলে না। আমার ঠোঁটের কলঙ্ক তোমার ঠোঁটে রেখে দিলে, তুমি আর ঘূনাক্ষরেও আমার হবেনা। গত শীতেই চোখ রাঙিয়ে তুমি অন্যের হয়ে গেছো। শীতের চাদর বদলানোর মতো যাদের প্রেমিক বদলানোর স্বভাব, তাদের লায়লী মজনুর প্রেম কাহিনী শুনিয়ে লাভ নেই। নষ্টামি মনের মধ্যে থাকলে বোরকা পড়েও নষ্টামি করবেই। নষ্টা রা কান্না বুঝে না, আবেগ তাদের কাছে পানির মতো সস্তা ।

আবেগ দিয়ে দুই চার লাইন কবিতা হলেও সংসার হয় না। তুমি আমার প্রেমিকা বলার আগে তুমি আমার বন্ধু বলতে শিখো। যার সাথে সম্পর্কে আছো তাকে বুঝাও,
-পৃথিবীতে নিয়তি নামে একটা খেলা আছে। নিয়তি যদি তোমাকে আমাকে এক না করে, বন্ধুত্ব বাঁচিয়ে রেখো।
'তোমাকে ছাড়া বাঁচতে পারবো না', কখনো বলো না। তাকে শেখাও, বুঝাও, নিয়তি না চাইলে তোমাকে আমাকে একাই থাকতে হবে। অন্যের খাঁচায় বন্দি হয়ে হলেও তুমি সুখে থাকবে। তুমি সুখে থাকলে আমার মুখে হাসি থাকবে। আমার মনে শান্তি থাকবে ।

কালবৈশাখী ঝড়ে ঘর ভেঙে গেলে দেখবেন, ভিঁটেমাটি থাকে। সেই ভিঁটেমাটি আঁকড়ে ধরে আবার নতুন করে ঘর সাজিয়ে নিন। সম্পর্কের ক্ষেত্রে একই, বিচ্ছেদ হয়ে গেলেও সম্মান হারাতে দিয়েন না। সম্মান টুকু আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকুন।মানুষ মরে গেলেও ভালোবাসা মরে না ।

কখনোই কারো উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হবেন না। প্রিয় একটা সময় প্রিয় থাকে না। বৃষ্টিতে একাই ভিজতে হবে
সবসময় কেউ একজন মাথার উপর ছাতা ধরবে না ।
জ্বর চুমু তে সেরে উঠেনা, এন্টিবায়োটিক লাগে প্রিয়।

- কাজল পারভেজ

জিয়া হলের ফিরোজের সম্পর্ক ছিল বঙ্গমাতা হলের এক মেয়ের সাথে। একসময় ওদের প্রেম দেখলে মনে হবে বেস্ট কাপল ইন দ্য ওয়ার্ল্ড...
22/09/2023

জিয়া হলের ফিরোজের সম্পর্ক ছিল বঙ্গমাতা হলের এক মেয়ের সাথে। একসময় ওদের প্রেম দেখলে মনে হবে বেস্ট কাপল ইন দ্য ওয়ার্ল্ড। ফিরোজের পরিবার‌‌ও জানতো বিষয়টা। তারপর মেয়ে তার ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সম্পর্ক বিচ্ছেদ করে‌। এরপর থেকে বঙ্গমাতা হলের সামনে কতশত রাত দাড়িয়ে থাকতো শুধু একটু দেখা করার জন্য হিসেব নাই।

ফিরোজ তার মাকে কথা দিয়েছিলো, ওই মেয়ের জন্য নিজের ক্ষতি করবে না। সেই কথা রাখতে পারে নি।

বেস্ট ফ্রেন্ড হিসেবে নিয়মিত খুঁজ খবর নেয়ার অংশ হিসেবে গত শুক্রবার(১৫-০৯-২০২৩) সকাল ১১ টায় ফোন দেই। জানতে পারি ওদের সম্পর্ক ঠিক করার জন্য ফিরোজের মা, বড় ভাই, ছোট ভাই ক্যাম্পাসে আসছে। মেয়েটা সবার নম্বর ব্লক লিস্টে রেখেছে। আমি ওদের কাছে যেয়ে আমার ফোন থেকে ফোন দেই। কথা না বলেই আমাকে ব্লক করে দিল!

মা ও পরিবার সুদূর গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকা এসেও ব্যার্থ হয়ে বাসায় চলে যায়। ফিরোজকেসহ আমি গাড়িতে তুলে দেই। রবিবার ফিরোজ আবার ক্যাম্পাসে আসে। আমরা সারাদিন একসাথে ছিলাম, রাত ২ টা পর্যন্ত মুহসীন হলের ছাদে আড্ডা দিয়েছি। অনেক আলাপ করেছি। অনেক বুঝিয়েছি। ফিরোজের কষ্টের জায়গাটা হলো, বাসায় যেয়ে ফিরোজের মা মেয়েকে ফোন দিয়েছিল অন্য নম্বর দিয়ে। রিসিভ করার পর ফিরোজের মায়ের পরিচয় জানার সাথে সাথেই ফোন কেটে ব্লক দেয়। অথচ অনেক আগের ভিডিওতে দেখেছি ওর মার সাথে কত মুহাব্বতের সাথে কথা বলেছে। ওর নানার খুঁজ খবর নেয়ার পর ওর বাবার কথা জিজ্ঞেস করার সময় বলেছিল, " আর আমার বাবা কেমন আছে?"
সেই মেয়ে কিভাবে এত অপমান করতে পারলো!

ফিরোজ ওর মাকে কথা দিয়ে এসেছিল মেয়ের জন্য নিজের ক্ষতি করবে না। সেই কথা রাখতে পারেনি।

কতভাবে, কতজনের মাধ্যমে মেয়ের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছে। একটু দেখা করার জন্য সারারাত বঙ্গমাতা হলের সামনে দাড়িয়ে থাকতো। মেয়ের সাথেও আমাদের পরিচয় ছিল, ওদের প্রেম ভালোবাসা দেখে বেস্ট কাপল মনে হতো।
আহা ওদের প্রেম, বিয়ে...

ফিরোজের মা আমাকে ওদের বাড়ি যেতে বলতো, আজ যাচ্ছি। তবে ফিরোজের লা*শ নিয়ে...

আমি মেয়েদের অনুরোধ করব,কারো হাত ধরে রাখতে না পারলে প্লিজ অভিনয় করে কাউকে মৃ*ত্যুমুখে ঠেলে দিবেন না

সূত্রঃ ফিরোজের ঘনিষ্ট বন্ধু ©

সংগ্রহীত,,,,,,,,

মেয়েটার সাথে ছেলেটার সাত বছরের রিলেশন ছিল। মেয়েটা আমাদের ডিপার্টমেন্টেই পড়তো। নাম মোহনা।ভাইয়ের নাম ছিল শামস। আমাদের হলেই...
26/08/2023

মেয়েটার সাথে ছেলেটার সাত বছরের রিলেশন ছিল। মেয়েটা আমাদের ডিপার্টমেন্টেই পড়তো। নাম মোহনা।

ভাইয়ের নাম ছিল শামস। আমাদের হলেই থাকতেন। তিন ব্যাচ সিনিয়র। উনাকে কোনদিন হাসি ছাড়া দেখিনি। এত ভদ্র ছেলে পুরো ক্যাম্পাসে পাওয়া দুষ্কর ছিল। মেয়েটাকে ভালোও বাসতেন পাগলের মতো। প্রায়ই দেখা যেতো ক্যাম্পাসে হাতে হাত রেখে হেটে চলেছেন দু'জনে। আমাদের চোখে চোখ পড়তেই অবশ্য হাত ছেড়ে দিয়ে লাজুক হাসি দিতেন শামস ভাই!
মাঝে মাঝেই রাত তিনটা-চারটায় ঘুম থেকে উঠে দেখতাম, হলের করিডোরের এক কোনায় দাঁড়িয়ে ভাই তখনও গুজুর গুজুর করেই চলেছেন!

একটা চাকরির অভাবে সেই সম্পর্কটাই বদলে গেল কী ভীষণভাবে!

ততদিনে ভাইয়ের মাস্টার্স পাস করা শেষ। চাকরি পাচ্ছেন না বলে হলে থেকে গিয়েছিলেন আরও দেড় বছরের মতো। মেয়েটা ছেড়ে চলে গিয়েছিল মাস্টার্স শেষের এক বছরের মাথায়। যাবেই না বা কেন, সুন্দরী মেয়ে, বাসায় বিয়ের প্রস্তাব এসেছে, সেই ছেলে আবার প্রসাশনের ক্যাডার।

→যাওয়ার আগে মেয়ে বলে গিয়েছিল, "চাকরি পাও না, যোগ্যতা নেই, তো প্রেম করতে এসেছিলে কেন?"

ব্রেকাপের পর ভাই প্রায়ই আমার রুমে আসতেন সিগারেট খেতে। হাতে সব সময় কোনো না কোনো বিসিএসের বই থাকতই। ঘন্টার পর ঘন্টা ধোঁয়া ছাড়তেন আর মাঝেমাঝে উনার জীবনের গল্প বলে চলতেন। বাড়ির রান্না ঘরের কোণাটা ভেঙে পড়েছে, বড় বোনটার বিয়ের বয়স হয়ে গিয়েছে, বাপ আবার পেনশনে গেছে এই বছর ইত্যাদি। মাঝেমাঝে কথা বলা বন্ধ করে সিলিং ফ্যানের দিকে তাকিয়ে থাকতেন। কি যেন ভাবতেন। হয়তো সে ভাবনা আমাদের ধরা-ছোঁয়ার বাইরে!

মাস্টার্সের দেড় বছরের মাথায় শামস ভাইকে হল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। বের করে দিয়েছিল তাঁরাই, যারা শামস ভাইয়ের হেল্প পেতে পেতে এতদূর এসেছে, যাদের হলে ব্যবস্থা করে দেয়েছিলেন শামস ভাই নিজেই।

যেদিন বেরিয়ে যান, অঝোর ধারায় চোখ থেকে পানি পড়ছিল। ভার্সিটিতে ক্লাস সেরে এসে দেখি, ভাই বের হয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আমাকে দেখে চোখে পানি নিয়ে অনেক কষ্টে একটা হাসি দিয়ে বলেছিলেন, "আর যাই করিস, প্রেম করতে যাস না ভাই। জীবনটা ছাই বানিয়ে দেবে। "কথাটা কাগজে লিখে দেয়ালে টানিয়ে রেখেছিলাম!

উপরের কথাগুলো প্রায় বছর-দশক আগের।

ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত একটা কাজে বহুদিন ধরে চেষ্টা করছিলাম কোনো এক কাষ্টমস অফিসারের সাথে যোগাযোগ করতে, বিষেশত, ভার্সিটির কোনো বড় ভাইয়ের সাথে। তাহলে হেল্প বেশি পাওয়া যাই। খুঁজ খবর নিয়ে যা জানতে পারলাম, মাথা ঘুরে যাবার উপক্রম হলো। শামস ভাই এখন ঢাকা এয়ারপোর্টের নামী-দামী কাষ্টমস অফিসার!

সময় করে একদিন গেলাম ভাইয়ের অফিসে। চকচকে সেক্রেটারিয়েট টেবিলের একপাশে বসে ছিলেন ভাই, আমাকে দেখে বিশাল এক হাসি দিয়ে এগিয়ে এসে বুকে বুক মেলালেন। একথা সেকথার পর উঠল, সংসার জীবনের কথা। বললাম, বিয়েটা করিনি এখনো, বোহেমিয়ান জীবনই ভালো লাগছে। ভাইয়ের কথা জিজ্ঞেস করতে বললেন, বিয়ে করেছেন। একটা ফুটফুটে বাচ্চাও হয়েছে। ভাবী আবার সলিমুল্লাহ মেডিকেলের ডাক্তার।

অনেকক্ষণ যাবৎ মনের সধ্যে একটা কথা বাজছিল; শেষ পর্যন্ত জিজ্ঞেস করেই ফেললাম, "মোহনার কথা মনে পড়ে না, ভাই?" বেশ বড়সড় একটা হাসি দিয়ে বললেন, "নারেহ। জীবনে যা চেয়েছিলাম, তাঁর চেয়ে অনেক বেশি পেয়ে গিয়েছি। এখন আর এই সব ছোটখাট চাওয়াগুলো পাত্তা পায় না।"

জিজ্ঞেস করলাম, "মোহনার আর কোনো খবর পাননি?" কিছুক্ষন চুপ থেকে বললেন, "শুনেছিলাম বছরখানেক আগে ডিভোর্স হয়ে গিয়েছে। এরপর আর কোনো খবর পাইনি।"

ভাইয়ার গাড়িতে এক সাথে ফেরার পথে ভাইয়ের বলা একটা কথা প্রায়ই কানে বাজে "লাইফে কাউকে ঠকাস নারেহ। লাইফ কাউকে ছাড় দেয় না, প্রতিশোধ নিয়েই ছাড়ে। রিভেঞ্জ অফ নেচার!"

সত্যিই, লাইফ কী ভীষণভাবে রং পাল্টায়!

#সংগৃহীত
#বুকে বামপাশে

রুম ডেইট করতে এসেছি প্রেমিকার সাথে। রুম ডেইটের ঘনিস্ট মুহূর্ত শেষ করে ওয়াশরুমে যেতেই দেখি প্রেমিকার স্বামীর লা/শ। লা/শ দ...
12/08/2023

রুম ডেইট করতে এসেছি প্রেমিকার সাথে। রুম ডেইটের ঘনিস্ট মুহূর্ত শেষ করে ওয়াশরুমে যেতেই দেখি প্রেমিকার স্বামীর লা/শ। লা/শ দেখে আমি আঁতকে উঠলাম। ওয়াশরুমের একটি কোনায় আমি পরে রয়েছি আর আরেকটি কোনায় লা/শটি পরে রয়েছে। কাঁপা কাঁপা শরীর নিয়ে ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে দেখি প্রেমিকা আমাকে দেখে হাসছে। সুইটি হাসতে হাসতে বলে উঠলো-
-কি ভয় পেয়েছো মুয়ীদ?
-তোমার হাজব্যান্ডকে কে মেরেছে?
-বাসায় কে থাকে তার সাথে?
-তুমি!
-তাহলে...?
-আমি যাই...
-কই যাবে?
-শহর ছেড়ে চলে যাবো... দেখো আমি কিছুই দেখিনি...
-শুনো... লা/শটা গায়েব করার জন্য তুমি আমাকে হেল্প করবে মুয়ীদ...
-পারবো না?
আমি আমার শার্ট খুঁজছি। শার্ট বিছানা থেকে নিয়ে পরে নিলাম। মোবাইল এবং মানিব্যাগ বালিশের পাশ থেকে নিয়ে পকেটে ভরলাম। সুইটি হেসে আমাকে বললো-
-মুয়ীদ... তুমি কি জেলে যেতে চাও?
-মানে?
-হা হা হা... শুনো তুমি যদি লা/শটা গায়েব করতে হেল্প না করো আর আমি যদি পুলিশের কাছে ধরা খাই... আমি বলবো তোমার সাথে ঘনিষ্ট মুহূর্ত কাটানোর সময় স্বামী দেখে ফেলে... তুমি আর আমি তাকে মেরে ফেলি...
-এসব মিথ্যা কথা সুইটি!
-শুনো... ফিজিক্যাল রিলেশন হয়েছে... সেটি টেস্টে ধরা পরবে... আর বাকিটা প্রমাণ করতে কি পারবে?... ধরে নিলাম ২-৩ বছর লাগলো... জেলে রইলে... সামাজিক মর্যাদা কই যাবে তোমার?
-দেখো... আমার সাথে এমন করো না... আমিতো আজকে প্রথম এসেছি তোমার বাসায়... আমি ইনোসেন্ট...
-বাহ! পরকীয়া করার জন্য আসতে পারো আর তুমি ইনোসেন্ট...? হা হা হা...
-দেখো এমন করো না আমার সাথে... কেন এমন করছো?
-আমার স্বামী খুব জ্বালাতো আমাকে... সে বহু নারীতে আসক্ত ছিল... আমাকে মারতো। তাই প্ল্যানটা করি... ওর দেহ তো আমি একা গায়েব করতে পারবো না, তাই না?
সুইটির স্বামীর লা/শ একটি লাগেজে ভরে তার সাথে গাড়িতে উঠলাম। সুইটি ড্রাইভ করছে আর এই সময় কল দিয়েছে স্ত্রী। তার কল আমি ধরছি না। সুইটি কলটি ধরে লাউডে দিতে বললো। আমি রিসিভ করেই বললাম-
-হ্যালো পায়েল...
-তুমি কই জানু?
-আমি তো অফিস থেকে গাজীপুরের ফ্যাক্টরিতে যাচ্ছি....
-দেখে যেও হ্যা... আর শুনো জানু টাইমলি লাঞ্চ করে নিও...
-সিওর জানু...
কলটি কাটার পর থেকেই সুইটি হাসছে। সে এক নাগাড়ে হেসেই চলেছে। সুইটি বললো-
-তোমার বউয়ের মতো স্বামীকে অন্ধ বিশ্বাস করতাম আমি! আচ্ছা তোমরা ভাদ্র মাসের কুকুর টাইপের ছেলেগুলা বউদের সামনে ফেরেশতা কীভাবে সাজো?
-দেখো সুইটি আমার কি হয়েছিল জানি না... আমি কেন তোমার সাথে প্রেম করলাম আর আজ তোমার বাসায় গেলাম বুঝতে পারছি না!
-ওরে আমার নবজাতক শিশু... কিছুই জানে না সে! শুধু জানে বিছানা কীভাবে কাঁপাতে হয়... বউয়ের ছবি দেখি...
আমি মোবাইলের গ্যালারিতে গিয়ে পায়েলের ছবি বের করে মোবাইলটি সুইটিকে দিলাম। সুইটি ছবি দেখে বললো-
-ঘরে এত সুন্দরী বউ থাকতে তদের মন ভরে না? তোর মোবাইল নে...
-সুইটি... এখন কী করবে...?
-পুলিশ যতদিন না ধরে তোমার সাথে থাকবো... যতক্ষণ গাড়িতে তেল আছে গাড়িতে ঘুরবো।
-মানে?
-তোমার কি মনে হয় আমার স্বামী গায়েব হয়ে যাবে... তার পরিবারের মানু্ষ কি বুঝবে না? তার অফিসের মানুষ কি বুঝবে না? তুমি আর আমি কি ধরা খাবো না!
-তুমি ধরা খেলে খাও... আমার কোনো আপত্তি নাই... আই ডোন্ট কেয়ার! আমাকে কেন ফাঁসাচ্ছো? আমার সুন্দর একটা ম্যারিড লাইফ আছে... বউ আছে...
-তাহলে আমার ডাকে সাড়া দিলে কেন? বউয়ের দেহে মন ভরে না?
-শয়তান ভর করেছিল মাথায়!
-শয়তান তোমরা! শয়তানও তোমার কথা শুনে লজ্জা পাচ্ছে! চলো মাওয়া ফেরি ঘাটে চলো... তোমাকে নিয়ে ইলিশ খাবো...
সুইটি গাড়িটি মাওয়া ফেরি ঘাটে নিয়ে যাচ্ছে। আর আমি মনে মনে নিজেকে গালি দিচ্ছি। আমি একদম ফেঁসে গেলাম।
মাওয়াতে পৌঁছাতে পৌঁছাতে ৫টা বেজে গেল। শীতকাল তারাতারি সন্ধ্যা হয়। সূর্য ডুবে যাচ্ছে। সুইটি মনের সুখে ইলিশ খাচ্ছে আর আমি হতাশ মনে বসে আছি।দেড় ঘণ্টা সেখানে কাটানোর পর সুইটি আমাকে নিয়ে গাড়িটি স্টার্ট দিলো। আমি তার পাশে মাথায় হাত দিয়ে বসে আছি। এদিকে সুইটির শ্বাশুরি তাকে কল করলো। তার ছেলে কেন ফোন ধরছে না। সুইটি বলে দিলো যে, তার ছেলেকে মেরে লেইকের পানিতে ফেলে দিয়েছে। আমি হতবাক! মেয়েটা কি করলো এটা।সুইটির সাথে গাড়িতে আমার ধস্তাধস্তি বেজে গেল। গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছের সাথে ধাক্কা খেল।
৩০ মিনিট পর...
চোখ খুলে দেখি আমার মাথা দিয়ে ব্লিডিং হচ্ছে। পাশে সুইটি নেই। গাড়ির সামনে দুমড়ে মুচড়ে গিয়েছে। সুইটি মেয়েটা কই? আমি মাথা ধরে গাড়ি থেকে বের হয়ে দেখি মেয়েটি রাস্তার ধারে বসে আছে। মেয়েটিও অনেক আঘাত পেয়েছে। আমি তার কাছে গিয়ে বললাম-
-তুমি কি পাগল?
-শ্বাশুরি তো এমনিও জানতো... ওমনিও জানতো... তাই আগেই জানিয়ে দিলাম...
-এখন তো পুলিশ ধরবে... মাঝখান থেকে কিছু না করে আমিও ফেঁসে গেলাম...
-মুয়ীদ... যাও তোমার কথা বলবো না...
-তোমার বাসায় আমার ফুট প্রিন্ট আছে... তার মধ্যে ঐ দেহ একা তুমি সড়াতে পারবে না... জিজ্ঞাসাবাদে আমার নাম আসবেই... আচ্ছা এইটা কোন জায়গা?...
-কি জানি...
-একটা গাড়ি ঘোরাও নেই... আমাদের তো হাসপাতালে যেতে হবে...
-কোন গাড়ি দেখলে তুমি লিফট নিয়ে চলে যাও মুয়ীদ....
-সুইটি তুমি আমাকে কেন ফাঁসালে?
-তুমি নিজে ফেঁসেছো... চরিত্র দোষে...
-আমার বউটা না আমাকে অনেক ভালোবাসে... খুব সহজ সরল মেয়ে... তাকে আমি প্রতারণা করলাম... তার অভিশাপ লেগেছে... সুইটি তুমি তো মনে হয় ৩ বছরের বড় আমার তাই না?
-হুম...
-এসব শুনে মেয়েটা আরো কষ্ট পাবে... যে তাকে রেখে ৩ বছরের বড় মেয়েকে....
-তোমাকে কেন বেছে নিয়েছি জানো মুয়ীদ...?
-কেন?
-আমার স্বামী তো বহু নারীতে আসক্ত ছিলই... কিন্তু বেশি সময় কাটাতো তোমার স্ত্রীর সাথেই!
-ফাউল কথা বলবা না....
সুইটি তার মোবাইলের গ্যালারি বের করে আমার সামনে বের করলো। আমার চোখ দিয়ে পানি পরছে। আমি সুইটিকে বললাম-
-শুরুতেই জানাতে...
-হা হা হা... সারাদিন ভরে একটা অপরাধ বোধে ছিলে... সেটি চলে গেল তাই না?
-একদম....
-কি করবে মুয়ীদ এখন?
-বসে থাকি... কুয়াশা... রাস্তার ধার......

# বুকের বামপাশে

" ছেঁড়া ব্লা'উজে বু'কের কিছু অংশ ঢেকে রাস্তার পাশে এসে দাঁড়ালাম।একটু আগে আমাকে গনধ'র্ষন করা হয়েছে "ওরা আমায় মে'রে ফেললো ...
12/08/2023

" ছেঁড়া ব্লা'উজে বু'কের কিছু অংশ ঢেকে রাস্তার পাশে এসে দাঁড়ালাম।একটু আগে আমাকে গনধ'র্ষন করা হয়েছে "

ওরা আমায় মে'রে ফেললো না কেন ঠিক বুঝলাম না।দু-হাতে কোনোরকমে বু'ক ঢেকে রাস্তার পাশে এসে দাঁড়ালাম।কি করবো ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না।এমন সময় কেউ একজন আমার দিকে টর্চের আলো ফেললো।আমি ভয়ে,আতঙ্কে কুঁকড়ে উঠলাম।বাবার কন্ঠ শুনতে পেলাম।বাবা তখন বাজার থেকে ফিরছিলেন।আমাকে এই অবস্থায় দেখে নিজের শার্টে খুলে আমায় জড়িয়ে বাড়িয়ে নিয়ে এলো।

মা আমার শরীরের কে'টে যাওয়ায় যায়গাগুলিতে ডেটল লাগাচ্ছেন।বাবা মাথায় হাত রেখে থম মে'রে মেঝেতে বসে পড়লো।সমাজে আমি এখন কলঙ্কিনী।কিছুক্ষণ পর ভাইয়া আসলো টিউশন থেকে।এই অবস্থা দেখে ভাইয়ার বুঝতে বাকি রইলো না আমার সাথে কি ঘটেছে।ভাইয়া খুবই শান্ত স্বভাবের একটা ছেলে।কারো সাথে চোখ রাঙ্গিয়ে কথা পর্যন্ত বলে না।ভাইয়া আমার ঠোঁ'টে লেগে থাকা র'ক্ত মুছে দিলো।আমি নিজেকে সামলাতে না পেরে ভাইয়াকে জড়িয়ে ধরে কান্না করে দিলাম।

বাবা ভাইয়াকে উদ্দেশ্য করে বললো " পুলিশের কাছে চল।ওদের ফাঁ'সি না দেখে আমার শান্তি নেই "

ভাইয়া বললো " এসব পুলিশি ঝামেলা করলে লোকজন জানাজানি হবে।কি দরকার শুধু শুধু ঝামেলা বাড়িয়ে! "

ভাইয়ার কথায় আমি হতভম্ব হয়ে তাকিয়ে রইলাম।ভাইয়া এখনো চুপ করে থাকবে?বাবা কটমট চাহনিতে বললেন " বোনের এই অবস্থা দেখেও তোর ভয় পাওয়া স্বভাব গেলো না?চুপ করে থাকবি?কুলা'ঙ্গার কোথাকার "

সে রাতে মা আমার সাথে শুয়েছে।ভোররাতে দরজার টকটক আওয়াজ পেলাম। বাইরে গিয়ে দরজা খুলতেই ভাইয়ার র'ক্তে মাখামাখি শার্ট নজরে এলো।ভাইয়া আমার গা'লে আদর করে নিজের ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিলো।আমি র'ক্তের বিষয়টা ঠিক বুঝতে পারলাম না।

পরেরদিন সকালে বাবা আমাকে ডেকে টিভির সামনে নিয়ে গেলেন।টিভিতে নিউজ হচ্ছে

" তিনটা ছেলেকে নদীর ধারে পাওয়া গেছে।তাদের কারোর শরীরে চা'মড়া নেই।চাম'ড়া ধারালো ছু'রি দিয়ে তুলে নেওয়া হয়েছে।শুধু তাই নয়,বেঁচে থাকা অবস্থায় কেউ তাদের পুরু'ষা'ঙ্গ শরীর থেকে কে'টে আলাদা করেছে।ডাক্তাররা জানিয়েছেন প্রথমে তাদের পু'রু'ষা'ঙ্গ কে'টে ফেলা হয়েছে।এরপর শরীর থেকে চাম'ড়া তুলে ফেলা হয়েছে "

#কলঙ্কের_প্রতিশোধ
#জয়ন্ত_কুমার_জয়

পরের গল্প পেতে পেইজটা ফলো করে রাখুন।নইলে গল্পটা কোথাও খুঁজে পাবেন না ❤
#বুকের বামপাশে

Address

Horinarayanpur, Pushpora, Pabna Sadar , Rajshahi
Pabna
6600

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sojib Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Sojib Hossain:

Share