Stranger1396R

Stranger1396R Be humble, don't be arrogant, " for dust you are and unto dust you�

13/07/2026

🍃পাতার মৃদু নাচ, বৃষ্টির নরম ছোঁয়া, আর আকাশের অসীম নীল- সব মিলিয়ে এক টুকরো শান্তি।☁️

12/07/2026

Allahu Akbar👂🎧 ゚

07/07/2026

I lose things what I love more.💔 ゚viralシ

05/07/2026

🖤🖤

05/07/2026
04/07/2026

🌈People shape their own destiny.

03/07/2026

Alahumma salli wa sallim ala nabiyena muhammad 🖤

26/05/2026

🌿 আরাফার দিন — দু'আর দিন, ক্ষমা লাভের দিন, রবের নিকটবর্তী হওয়ার দিন

আরাফার দিন বছরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দিন। এই দিনটি আবার আসতে প্রায় ৩৫৯/৩৬০ দিন অপেক্ষা করতে হবে। তাই এই মহামূল্যবান দিনটিকে কোনোভাবেই অবহেলা করা উচিত নয়।

রাসূল ﷺ বলেছেন:

“আরাফার দিনের চেয়ে এমন কোনো দিন নেই, যেদিন আল্লাহ তাআলা সবচেয়ে বেশি বান্দাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন।”
— সহিহ মুসলিম

এই দিন বেশি বেশি দোয়া করুন, ইস্তিগফার করুন, তাওবা করুন। চোখের পানি ফেলে আল্লাহর কাছে চান। চোখে পানি না এলে অন্তত ভাঙা হৃদয়ে, বিনয়ের সাথে নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করুন।

🌷 আরাফার দিনের সর্বোত্তম দোয়া

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

উচ্চারণ:
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া 'আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।

অর্থ:
“আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। তিনি এক, তাঁর কোনো অংশীদার নেই। সমস্ত রাজত্ব তাঁর, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর, আর তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান।”

রাসূল ﷺ বলেছেন:

“আমি এবং আমার পূর্ববর্তী নবীগণ আরাফার দিনে যে দোয়া সবচেয়ে বেশি করেছি, তার মধ্যে সর্বোত্তম হলো এই দোয়া।”
— জামে আত-তিরমিযি

এই দোয়াটি অর্থসহ মুখস্থ করে নিন এবং বারবার পড়ুন।

📖 কুরআনের নির্দেশ

আল্লাহ তাআলা বলেন:

ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ

“তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব।”
— সূরা গাফির: ৬০

আল্লাহ তাআলা আরও বলেন:

“আমার বান্দারা যখন আমার সম্পর্কে তোমাকে জিজ্ঞেস করে, তখন আমি তো নিকটেই আছি। আহ্বানকারী যখন আমাকে ডাকে, আমি তার ডাকে সাড়া দিই।”
— সূরা আল-বাকারাহ: ১৮৬

🤲 কী কী দোয়া করবেন?

🌿 নিজের গুনাহ ও হিদায়াতের জন্য

▫️ হে আল্লাহ, আমার প্রকাশ্য ও গোপন সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিন।

▫️ হে আল্লাহ, আমার অন্তরকে শুদ্ধ করে দিন। রিয়া, হিংসা, অহংকার ও সকল মন্দ স্বভাব থেকে আমাকে রক্ষা করুন।

▫️ হে আল্লাহ, আমাকে হিদায়াত দান করুন এবং হিদায়াতের উপরই মৃত্যু দান করুন।

▫️ হে আল্লাহ, আপনাকে সন্তুষ্ট করে এমন জীবন আমাকে দান করুন।

▫️ হে আল্লাহ, আমাকে সর্বাবস্থায় আপনার মুখাপেক্ষী বানিয়ে দিন।

🌿 দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের জন্য

▫️ হে আল্লাহ, আমার দুনিয়াও সুন্দর করে দিন, আখিরাতও সুন্দর করে দিন।

▫️ হে আল্লাহ, আমাকে কষ্টের স্থান থেকে শান্তির স্থানে নিয়ে যান।

▫️ হে আল্লাহ, কিয়ামতের দিন আমার মুখমণ্ডল উজ্জ্বল করুন এবং আমার আমলনামা ডান হাতে দিন।

▫️ হে আল্লাহ, আমাকে এমন জীবন দিন, যা আপনার সন্তুষ্টির কারণ হয়।

🌿 জান্নাত ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির জন্য

▫️ হে আল্লাহ, আমাকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করুন।

▫️ হে আল্লাহ, আমাকে জাহান্নাম, কবরের আযাব ও কিয়ামতের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করুন।

▫️ হে আল্লাহ, পুলসিরাত সহজ করে দিন এবং আপনার রহমতের ছায়ায় স্থান দিন।

🌿 মা-বাবা ও পরিবারের জন্য

▫️ হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে ক্ষমা করুন এবং তাদের উপর রহম করুন।

▫️ হে আল্লাহ, আমার পরিবারকে দ্বীনের উপর অটল রাখুন।

▫️ হে আল্লাহ, আমাদের ঘরে বরকত, শান্তি ও রহমত নাজিল করুন।

▫️ হে আল্লাহ, আমাদেরকে নেককার সন্তান দান করুন এবং তাদেরকে দ্বীনের খাদেম বানান।

🌿 স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের জন্য

▫️ হে আল্লাহ, আমাদের স্বামী-স্ত্রীকে একে অপরের জন্য চক্ষুশীতলকারী বানিয়ে দিন।

▫️ হে আল্লাহ, আমাদের ভালোবাসা যেন আপনার সন্তুষ্টিকে কেন্দ্র করে হয়।

▫️ হে আল্লাহ, আমাদের অন্তরে পারস্পরিক রহমত, ভালোবাসা ও ক্ষমাশীলতা দান করুন।

▫️ হে আল্লাহ, শয়তান ও সকল অনিষ্ট থেকে আমাদের দাম্পত্য জীবনকে হেফাজত করুন।

🌿 রিজিক ও জীবিকার জন্য

▫️ হে আল্লাহ, আমাকে হালাল ও প্রশস্ত রিজিক দান করুন এবং তাতে বরকত দিন।

▫️ হে আল্লাহ, অভাবে যেন ঈমান না হারাই এবং প্রাচুর্যে যেন অহংকারী না হই।

▫️ হে আল্লাহ, আমাকে মানুষের মুখাপেক্ষী করবেন না।

🌿 ইলম ও ইবাদতের জন্য

▫️ হে আল্লাহ, আমাকে কুরআনের সাথী বানান।

▫️ হে আল্লাহ, সালাতের মাধুর্য ও খুশু-খুযু দান করুন।

▫️ হে আল্লাহ, আমার সময়ের মধ্যে বরকত দিন।

▫️ হে আল্লাহ, আমাকে সহিহ ইলম দান করুন এবং সেই ইলম অনুযায়ী আমল করার তাওফিক দিন।

🤍 হৃদয়ের গভীর থেকে বলুন

▫️ হে আল্লাহ, আমি অক্ষম, আপনি সর্বশক্তিমান; আমাকে পথ দেখান।

▫️ হে আল্লাহ, আমি বারবার ভুল করি, কিন্তু আপনার কাছেই ফিরে আসি।

▫️ হে আল্লাহ, আপনি ছাড়া আমার আর কোনো আশ্রয় নেই।

▫️ হে আল্লাহ, আমি জানি না আমি জান্নাতের উপযুক্ত কি না, তবুও আপনার রহমতে জান্নাত চাই।

▫️ হে আল্লাহ, আপনার কাছে আমি আপনাকেই চাই।

▫️ হে রব, আমি অযোগ্য হতে পারি, কিন্তু আপনি তো পরম দয়ালু।

🌸 দোয়ার কিছু আদব

▫️ আল্লাহর প্রশংসা দিয়ে শুরু করুন।

▫️ রাসূল ﷺ-এর উপর দরুদ পাঠ করুন।

▫️ নিজের গুনাহ স্বীকার করুন।

▫️ বিনয়ের সাথে বারবার দোয়া করুন।

▫️ একই দোয়া বারবার করতে সংকোচ করবেন না।

▫️ দোয়ার শেষে আবার দরুদ পাঠ করুন।

🤲 বারবার বলুন—

হে আল্লাহ, আপনি কবুল করে নিন।

হে আল্লাহ, আপনি কবুল করে নিন।

হে আল্লাহ, আপনি কবুল করে নিন।

কোনো শর্ত নেই। নিজের ভাষায়, নিজের কষ্ট, স্বপ্ন, ভয়, আশা— সবকিছু আল্লাহর কাছে খুলে বলুন। তিনি আপনার অন্তরের কথাও জানেন।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলের তাওবা, ইবাদত, দোয়া ও আশা-আকাঙ্ক্ষা কবুল করুন। আমীন। 🤍

এবং অবশ্যই আপনার এই ভাইটিকেও দোয়ার মধ্যে স্মরণ রাখবেন। 🤲

সওয়াবের নিয়তে শেয়ার করুন, যেন আরও মানুষ এই মহামূল্যবান দিনের ফজিলত ও দোয়ার গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে পারে এবং উপকৃত হতে পারে। 🌿

24/05/2026

জাতীয় কবির জন্মজয়ন্তীতে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি

​নজরুল ও বঙ্গবন্ধু: এক অভিন্ন স্বপ্নের দুই রূপকার
​— মানিক লাল ঘোষ

​বাঙালির চেতনা ও মননে কবি নজরুল এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবির্ভাব ছিল ধূমকেতুর মতো। তাঁরা দুজনেই ছিলেন আপাদমস্তক স্বাধীনতাকামী, অসাম্প্রদায়িক এবং শোষণের বিরুদ্ধে আপসহীন। একজন সাহিত্যে বিদ্রোহ এনেছিলেন, অন্যজন রাজনীতিতে; এজন্যই নজরুলকে বলা হয় ‘পোয়েট অব লিটারেচার’ আর বঙ্গবন্ধুকে বলা হয় ‘পোয়েট অব পলিটিক্স’। প্রকৃতপক্ষে, বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ঐতিহাসিক ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের মূল অনুপ্রেরণা ছিলেন কবি নজরুল। কবির ‘বাঙালির জয় হোক’ লেখার চেতনাকেই বঙ্গবন্ধু তাঁর কালজয়ী স্লোগানের মাধ্যমে পূর্ণতা দিয়েছিলেন।
​১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর, ১৯৭২ সালের ২৪ মে বঙ্গবন্ধুর সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও আমন্ত্রণে কবিকে সপরিবারে স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়। ধানমন্ডিতে কবির থাকার জন্য একটি সুন্দর রাষ্ট্রীয় বাড়ির ব্যবস্থা করেন বঙ্গবন্ধু এবং নিজে গিয়ে কবিকে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে পরম শ্রদ্ধায় আলিঙ্গন করেন। নজরুলের প্রতি অগাধ ভালোবাসার প্রমাণস্বরূপ বঙ্গবন্ধু তাঁর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই নজরুলের 'চল চল চল' গানটিকে বাংলাদেশের রণসংগীত হিসেবে মর্যাদা দেন।

​বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার ভাষায়—বঙ্গবন্ধু ও নজরুল মানসিকতার দিক থেকে সমান্তরাল অবস্থানে ছিলেন। তাঁদের চিন্তা, বক্তব্য ও জীবনদর্শনে এক অদ্ভুত মিল খুঁজে পাওয়া যায়। নজরুল যেখানে গেয়েছিলেন, ‘মোরা এক বৃন্তে দুটি কুসুম হিন্দু-মুসলমান’, বঙ্গবন্ধুও ঠিক তেমনি বলেছিলেন, ‘বাঙালি-অবাঙালি, হিন্দু-মুসলমান সবাই আমাদের ভাই’। ১৯৪১ সালে নজরুল বলেছিলেন, ‘আমি কবি হতে আসিনি, আমি নেতা হতে আসিনি’, আর ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেছিলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রিত্ব চাই না, আমি এদেশের মানুষের অধিকার চাই’। ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় নজরুল যেমন উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছিলেন, বঙ্গবন্ধুও তেমনি মুক্তির লক্ষ্যে ডাক দিয়েছিলেন স্বাধীনতার সংগ্রামের।

​এক অদ্ভুত নিয়তি এই দুই মহান পুরুষকে যেন এক সুতোয় বেঁধেছিল। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়, আর এর ঠিক এক বছর পর ১৯৭৬ সালের আগস্ট মাসেই কবি নজরুল শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। কবির নাতনি খিলখিল কাজীর ভাষায়—একজন ছিলেন মহাকবি, অন্যজন মহানেতা। এই দুই রূপকার আজীবন বাঙালির প্রাণে শোষণের বিরুদ্ধে এবং সাম্যের পক্ষে এক অবিরাম প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন।

​১৮৯৯ সালের (১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) মে মাসের এই মাহেন্দ্রক্ষণে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। এই মহান কবির শুভ জন্মজয়ন্তীতে আমাদের দীপ্ত অঙ্গীকার হোক—নজরুল ও বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্যহীন ও শোষিত মানুষের মুক্তির সেই অভিন্ন স্বপ্নকে বুকে ধারণ করে এগিয়ে যাওয়া। কবির স্মৃতির প্রতি রইল আমাদের গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

​(মানিক লাল ঘোষ: সাংবাদিক ও কলামিস্ট; ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সহ-সভাপতি)

Address

Bhogai
Natherpetua

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Stranger1396R posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category