Islamic knowledge

Islamic knowledge হাদিস কোরআন এর আলোচনা

16/02/2024
কষ্টের সাথে যাদের বসবাস, রাতটা তাদের জন্য যে কি কষ্টের সেটা শুধুই তারা জানে । সারাদিন কষ্ট গুলো বুকের মাঝে চেপে রাখলেও র...
18/01/2019

কষ্টের সাথে যাদের বসবাস, রাতটা তাদের জন্য যে কি কষ্টের সেটা শুধুই তারা জানে । সারাদিন কষ্ট গুলো বুকের মাঝে চেপে রাখলেও রাতে যেনো কোনো ভাবেই ঠেকানো যায় না । বুক ফেটে কষ্ট গুলো বের না হলেও, চোখ দিয়ে বের হয়ে আসে অশ্রু । নিষ্ঠুর পৃথিবীতে সত্যিকারের ভালোবাসা পাওয়া বড় দায়, সবাই মিষ্টি কথা বলে মন ভোলাতে চায় । আসলে কারো অন্তরে ভালোবাসা থাকে না, স্বার্থের জন্যে আসে কাছে মনে অন্য আশা । স্বার্থ উদ্বার হয়ে গেলে, দুঃখ দিয়ে কেটে পড়ে ।

সব সময় নিজেকে খুব একা ভাবি,, কারণ জানি আমার পাশে থাকার মতো কেউ নেই । মাঝে মাঝে কাউকে খুব আপন ভাবি,, পাশে গিয়ে দেখি সবই আমার কল্পনা ।

এক টুকরো জান্নাত::যুবক বিয়ে করার জন্য হন্যে হয়ে পাত্রী খুঁজেচলছে, পাত্রী হতে হবে দ্বীনদারএকজায়গায় এক দ্বীনদার পাত্রীর সন...
04/05/2017

এক টুকরো জান্নাত
:
:
যুবক বিয়ে করার জন্য হন্যে হয়ে পাত্রী খুঁজে
চলছে, পাত্রী হতে হবে দ্বীনদার
একজায়গায় এক দ্বীনদার পাত্রীর সন্ধান
পেল। শর'য়ীভাবে পাত্রীকে দেখতে
পাত্রীর বাড়ি গেল। পাত্রীর সাথে
কথাবার্তা চলার একপর্যায়ে পাত্রী যুবককে
উদ্দেশ্য করে প্রশ্ন করল- 'আপনি কুরআনের
কতটুকু মুখস্ত করেছেন?'
- একটুওনা। তবে সর্বদা চেষ্টা করি, যেন
আল্লাহর একজন সৎকর্মশীল বান্দা হতে
পারি। যুবক পাল্টা প্রশ্ন করে বসল- 'আপনি
কতটুকু মুখস্ত করেছেন?'
- আমপারা মুখস্ত করেছি।
:
উভয় ফ্যামিলির গার্জিয়ানদের উদ্দোগে এ
- পাত্রীর সাথেই যুবকের বিয়ে হয়ে গেল।
তারা হয়ে গেল স্বামী-স্ত্রী। কিছুদিন
যেতে না যেতেই স্বামী অনুভব করল যে, সে
দুনিয়াতেই যেন একটুকরো জান্নাতের মালিক
হয়ে গেছে। স্ত্রী- ও অনুভব করল যে, তার
স্বামী তখন সত্য বলেছে। সত্যিই সে একজন
সৎকর্মশীল বান্দা।
:
একদিন স্ত্রী স্বামীকে বলল- 'এই, আসুন না
আমাকে কিছু কুরআন মুখস্ত করিয়ে দেবেন?
স্বামী বলল- 'হ্যাঁ, চলো, আমরা উভয়েই মুখস্ত
করব। একে অপরকে মুখস্ত করিয়ে দেবো।
যেই
কথা সেই কাজ। তারা একে অপরকে কুরআন
মুখস্ত করিয়ে দিতে শুরু করল। উভয়ে একেরপর
এক সুরা মুখস্ত করতে থাকল একে অপরকে
শোনানোর মাধ্যমে। এভাবে একদিন তারা
উভয়েই কুরআনের হাফেজ ও হাফেজা হয়ে
গেল! শুধু তাই নয়; একটি প্রতিষ্টান থেকে
সার্টিফিকেটও নিয়ে নিল।
:
কিছুদিন পর স্বামী তার স্ত্রীকে সাথে
নিয়ে শ্বশুরালয়ে গেল। গিয়েই শ্বশুরকে অতি
আহ্লাদে খবর দিল- 'আব্বু, আপনার মেয়ে
হাফেজা হয়ে গেছে! খবরটি শুনে শ্বশুর
যারপরনাই আশ্চর্য হয়ে গেলেন! তিনি
মেয়েজামাইকে কিছু না বলে উঠে মেয়ের
রুমে গিয়ে কিছু কাগজপত্র নিয়ে আসলেন।
কাগজপত্রগুলো দেখে যুবকের চোখ তো
ছানাবড়া! এ যে তার স্ত্রীর কুরআন হিফজের
প্রাতিষ্টানিক সার্টিফিকেট! তার মানে
তার স্ত্রী বিয়ের আগে থেকেই কুরআনের
হাফেজা ছিল! এইবার যুবক আসল ব্যাপার
বুঝতে পারল। আসলে তার স্ত্রী কুরান মুখস্ত
করিয়ে দেয়ার ভান করে মূলত: তাকেই
হাফেজ বানানোর কৌশল অবলম্বন করেছিল!
স্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতায় যুবকের দিল ভরে
গেল। তার দু'চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়ল
ক'ফোটা আনন্দাশ্রু।
:

 #হে_যুবক তোমাকে বলছি পড়ে দেখ!রাস্তা দিয়ে বোরকা পরা একজন ক্বওমি মাদ্রাসার মেয়ে হেঁটে যাচ্ছে।'চায়ের দোকানে বসে আড্ডা দেয়...
03/05/2017

#হে_যুবক তোমাকে বলছি পড়ে দেখ!
রাস্তা দিয়ে বোরকা পরা একজন ক্বওমি মাদ্রাসার মেয়ে হেঁটে যাচ্ছে।
'
চায়ের দোকানে বসে আড্ডা দেয়া ছেলেদের মধ্যে একজন বাজি ধরে বললো,
আমি যদি মেয়েটির ফোন নাম্বার এনে দিতে পারি তাহলে আমাকে কী দিবে...?
'
তোমার জন্য পুরুস্কার রয়েছে আমাদের পক্ষ থেকে।
মেয়েটির পিছু নিলো ছেলেটি। ফাকা রাস্তায় সুযোগ বুঝে মেয়েটাকে সরাসরি বললো,
আমি কী আপনার ফোন নাম্বার পেতে পারি...? মেয়েটি কিছুটা ভয় পেয়ে গেল!
'
একটু চুপ থেকে উওর দিলোঃ- ১৮-১২,২৪-৩০
ছেলেটি বিস্মিত হয়ে প্রশ্ন করলো, এটা কোন অপারেটর...?
মেয়েটি বললঃ- এই অপারেটরের নাম ‘‘ইসলাম’’।
কোরআনের ১৮ (আঠারোতম) পারার, ১২ (বারো) নং পৃষ্ঠা,
২৪ (চব্বিশ) নাম্বার সূরার, ৩০ (ত্রিশ) নাম্বার আয়াত।
'
বাড়ি গিয়ে ডায়াল করবেন!
ছেলেটি ব্যর্থতার চিহ্ন মুখে নিয়ে বন্ধুদের কাছে ফিরলে সবাই তাকে নিয়ে রসিকতা শুরু করলো।
'
সে বন্ধুদের সাথে রাগ করে বাড়ি চলে গেলো। এবং কোরআনের নির্দিষ্ট স্থানটি বের করে দেখলো তাতে লেখা রয়েছেঃ--
হে নবী
“মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন।” [সূরা আন-নূর ( মদীনায় অবতীর্ণ ), আয়াত নং-৩০]
অতপর ছেলেটি কুদৃষ্টির বদলে মেয়েটিকে সম্মান করতে শুরু করলো।
বোঝার ব্যাপার হলো, সকল সমস্যার
সমাধান মহান গ্রন্থ ‘‘আল-কুরআন’’
যদি কেউ তার যথাযথ ব্যাবহার করতে জানে।
হে আল্লাহ আমাদেরকে ক্বোরআনের পথে চলার তাওফিক দিন। #অামিন

পুরুষের রূপচর্চার কিছু টিপস:১) আপনার চোখকে উজ্জ্বলরাখতে...বেগানা নারী থেকে চোখ নামিয়ে নিন,এতে আপনার চোখ ঝকঝকে ও মন পরিশ...
01/05/2017

পুরুষের রূপচর্চার কিছু টিপস:

১) আপনার চোখকে উজ্জ্বল
রাখতে...বেগানা নারী থেকে চোখ নামিয়ে নিন,
এতে আপনার চোখ ঝকঝকে ও মন পরিশুদ্ধ থাকবে।

২) আপনার চেহারাকে সুন্দর ও উজ্জ্বল করতে,নামাজ পড়ুন।

৩) নিজেকে আত্মবিশ্বাসী দেখাতে সবসময়
আল্লাহকে স্মরণ করুন এবং ন্যায়নিষ্ঠ থাকুন।

৪) পৌরুষদীপ্ত চেহারার জন্য দাঁড়ি বড় করুন,গোঁফ ছেঁটে
রাখুন; নারীসুলভ কমনীয় গাল আপনার জন্য নয়।

৫) একই সাথে মজবুত ও সংবেদনশীল ব্যক্তিত্বের অধিকারী
হতে অন্যায়ের প্রতিবাদ করুন, দুর্বলকে সাহায্য করুন।

৬) নির্ভর যোগ্যতা অর্জন করতে সত্য কথা বলুন,কথা দিয়ে কথা রাখুন।

৭) হার্টের সমস্যা এড়াতে, যারা আপনাকে কষ্টদেয় তাদের ক্ষমা করুন।

৮) সুস্থ দেহের জন্য হালাল ও পরিমিত খাবার খান। সৃষ্টিকর্তারএই
উপদেশ গুলো মেনে চললে, আপনি অন্তরে ও বাইরে সত্যিকারের সুপুরুষ
হতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।,,,,,,,,,,,,,,

সংগৃহীত পোষ্টপ্রথমেই বলে রাখি,ভুল হলে ক্ষমা করবেনধর্ষকের কাছে কে হিজাবী, কে বোরকাওয়ালি, কে শিশু এগুলো কিছুই দেখার নাই।ব...
29/04/2017

সংগৃহীত পোষ্ট
প্রথমেই বলে রাখি,ভুল হলে ক্ষমা করবেন

ধর্ষকের কাছে কে হিজাবী, কে বোরকাওয়ালি, কে শিশু এগুলো কিছুই দেখার নাই।
বলার উদ্দেশ্য এই যে, কেবল অনিচ্ছায় শারীরিক সম্পর্ক করলেই ধর্ষক? না।
ধর্ষক শুধু সেই-ই নয়। প্রতিনিয়ত আপনিও ধর্ষিত হচ্ছেন কি না ? সেটা ভেবে নিন।
নিজের কিছু অভিজ্ঞতা তুলে ধরলাম- -----------
১. এক ডিপার্টমেন্টের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে গেলাম। একটা মেয়ে নাচতে উঠলো, সাথে সাথে তখনি আরো ২০টা ছেলে তার সাথে কোমর দোলানো শুরু করলো। এটা কি খুব ইজ্জতের কথা। এখানে আপনার কিছু মনে হয় না,? কিন্ত বাসের হেল্পার যদি এমন করতো, তবে আপনার ইজ্জত খুলে পড়ে যেতো।
২. বড় বড় অনুষ্ঠানে গান বাজানো হয়, রূপবানে নাচে কোমর দুলাইয়া। পোলাতো নয়
যেনো আগুনের গোলা......এই গানগুলো কি খুবই মানানসই? এগুলো কি নারী জাতির উন্নতির প্রতীক?
৩. আপনি তনুর ধর্ষণের দিকে যাচ্ছেন, অতদূর
যাওয়ার প্রয়োজন নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের Rag day ছেলেমেয়ের অবস্থা দেইখেন....মুরুব্বীরা
কেউ এগুলো দেখলে ভার্সিটি পড়াই অফ করে দিবে। এখন সেই বন্ধুই যদি আপনার ক্ষতি করে, তাহলে.....?
৪.
বিশ্বাস করুন....! কিছু মেয়েকে দেখলে অবাক লাগে। এদের কোনটা জামাই- কোনটা বন্ধু আর কোনটা বয়ফ্রেন্ড পার্থক্য করতে পারবেন না। হাসতে হাসতে ছেলের বুকের উপর এসে পড়ে, ছেলের সাথে গা লাগিয়ে থাকে। এখন সেই ছেলে যদি উত্তেজনায় শারীরিক সম্পর্কে করে, তখন........?
৫. আপনার পাশের মানুষটি বিবাহ বহির্ভূত শারীরিক সম্পর্ক করেছে, সেটা কী ধর্ষণ নয়?
৬. আপনি যখন phone boyfriend এর সাথে ফোন sax করেন এটা কি ধষর্ন এর নমুনা নয়? শরীল ঢাকার নামে বোরকা পরে নিজের দেহের গঠোন মানুষকে দেখান ভেবে দেখুন তো ধরষর্নের জন্য আপনারা দায়ি আছেন কি না?????
আপনারাও সমান ভাবে দায়ি।
৭. দেখুন, শিশু মনে কিভাবে ইভটিজিং ঢুকানো হচ্ছে। ডোরিমন একটি শিশুমূলক কার্টুন। আর সেখানে দেখবেন, সেজুকাকে নিয়ে কী করা হচ্ছে। শিশুতোষ ইভটিজিং কার্টুন।
৮. একটি মেয়ে যখন উদ্ভট পোশাক পরে রাস্তায় বের হয়, তার ইচ্ছে থাকে ছেলেরা তার দিকে তাকিয়ে থাকুক। তাকে সেক্সি বলুক। কিন্ত সেই ছেলেরা যখন যৌবনের রাখতে না
পেরে শারীরিক লাঞ্চনা করে, তখনি ছেলের দোষ হয়ে যায়।
প্রগতিবাদিরা বলবে, একটা মেয়ে যেই ড্রেসই পরুক, তাতে তোমার কী?
সুবিধাবাদিরা বলবে, জৈবিক প্রয়োজন মেটানো মানুষের মৌলিক অধিকার। So আমি যার সাথে ইচ্ছে করবো, মেয়ের কী?
একটা কথা না বললেই নয়
"নগ্নতা যদি ফ্যাশন হয় ধর্ষন তা হলে শারীরিক ব্যয়েম"
সোজা কথা আপু, আপনাকে পণ্য বানানো হচ্ছে। সমাজের কিছু কুলঙ্গার আপনাকে নিয়ে খেলছে। কিন্ত আপনি কি তা বুঝছেন?
চোর যেমন একদিনেই বড় চোর হয় না, তেমনি ধর্ষকও একদিনে হয় না। অনেক উপাদান সম্মিলিত হয়েই তবে সে ধর্ষক হয়। আফসোসের বিষয় যে আপনার এই ভুলগুলো ধরিয়ে দিবে, তাকে আপনার পছন্দ হবে না। সে হবে ক্ষ্যাত। কিন্ত যে ছেলে প্রগতিবাদের নামে প্রতিনিয়ত মজা নিচ্ছে, সেই আপনার কাছে শ্রেষ্ঠ।
তাই ওসব নীরব ‘ধর্ষকের’ বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে
তুলুন.............................
নইলে আজ তনু ধর্ষন হয়েছে কাল কিন্তু আপনার পালা।

পপকর্ন তো খান, জন্মের ইতিহাস জানেন?সিনেমা হল অথবা বিকেলের আড্ডা, খেতে খেতে সময় পার করার জন্য জনপ্রিয় খাবার পপকর্ন। যুক্ত...
29/04/2017

পপকর্ন তো খান, জন্মের ইতিহাস জানেন?

সিনেমা হল অথবা বিকেলের আড্ডা, খেতে খেতে সময় পার করার
জন্য জনপ্রিয় খাবার পপকর্ন। যুক্তরাজ্যে খাবারটি ঐতিহ্যগতভাবে
প্রচলিত থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বব্যাপী পপকর্নের চাহিদা
বেড়েছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান মিন্টেলের ২০১৬ সালের এক প্রতিবেদনে
দেখা যায়, ব্রিটেনে গত ৫ বছরে পপকর্ন বিক্রির পরিমাণ ১৬৯ শতাংশ বেড়েছে।
কিন্তু এই পপকর্নের উদ্ভাবনের ইতিহাস কি? ইন্টারনেট ঘেটে দেখলে
বিভিন্ন ধরণের উত্তর পাওয়া যাবে। আদিবাসী মার্কিনিদের ধারণা মতে,
থ্যাঙ্কসগিভিং বা ধন্যবাদ জানানোর মাধ্যম হিসেবে এই খাবারের প্রচলন
শুরু হয়। আবার এমনও শোনা যায়, আমেরিকায় উপনিবেশবাদীরা
সকালের নাস্তায় পপকর্ন খেতে অভ্যস্ত ছিল। তবে এসব মতের পক্ষে কোন
প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পপকর্ন উদ্ভাবনের আসল ঘটনাটি বেশ কৌতুহলোদ্দীপক।
আমেরিকায় পৌঁছানোর অনেক আগে থেকেই ইউরোপের মানুষ পপকর্নের
সঙ্গে পরিচিত ছিল। প্রত্মতাত্ত্বিকেরা আমেরিকার ভূখন্ডের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় বিভিন্ন গুহা ও বসবাসের স্থানে পপকর্নের অস্তিত্ব পেয়েছেন।
একবার ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেনের প্রতিষ্ঠাতা
থমাস হার্পার গুডস্পিডের জন্য চিলির এক প্রত্নতত্ত্ববিদ প্রাচীন অনেকগুলো
ভুট্টার দানা পাঠিয়েছিলেন।১৯৪১ সালে নিজের ‘প্লান্ট হান্টার্স ইন দ্য অ্যান্ডিস’
বইতে হার্পার লিখেন, ‘এক সন্ধ্যায় ঘরে বসে আমি ইনকা সভ্যতা পূর্ববর্তী সেই
পপকর্নের দানাগুলো একটি টিনের পাত্রের ওপর রেখে বৈদ্যুতিক স্টোভে গরম
করতে থাকি। আশ্চর্য হয়ে দেখলাম, হাজার বছরের পুরোনো ভুট্টার দানাগুলো
শব্দ করতে শুরু করে। দেখে মনে হচ্ছিল, দানাগুলো গত বছরের শস্য, কোন
প্রতিবেশি আমাকে খেতে দিয়েছেন। পপকর্নের শক্ত দানাগুলো ভুট্টার বাইরের
অংশে আবৃত থাকে। দানার বাইরের আবরণ অন্যান্য শস্যের তুলনায় চারগুণ
শক্ত হওয়ার কারণেই পপকর্ন তৈরি করা সম্ভব হয়। ভুট্টার দানার বাইরের
আবরণ এরূপ শক্ত হওয়ায় এটি পুড়ে না গিয়েও দানার ভেতরে তাপ পৌঁছে
দিতে পারে। ক্রমশ তাপমাত্রা বাড়তে থাকলে দানার ভেতরে থাকা এক প্রকার
তরল পদার্থ বাষ্পে পরিনত হতে থাকে। দানার ভেতরে সৃষ্টি হওয়া এই বাষ্প
এক পর্যায়ে বাইরের আবরণে চাপ সৃষ্টি করে। তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে
চাপও বাড়তে থাকে। ২০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বায়ুমণ্ডলের স্বাভাবিক
চাপের চেয়ে ভেতরের চাপ নয়গুণ বেড়ে গেলে ওই আবরণটি ফেটে যায়।
এরপরই দানাগুলো বড় আকার ধারণ করতে শুরু করে। বিজ্ঞানীরা পরবর্তীতে
দেখেন, কোন বায়ুশুন্য পাত্রে ভুট্টার দানায় তাপ দেয়া হলে পপকর্নগুলো দ্বিগুণ
আকার ধারণ করে। সর্বপ্রথম ১৮৮৫ সালে পপকর্ন তৈরির যন্ত্র দেখা যায়।
ইলিনয়ের একজন কেক প্রস্তুতকারক চার্লস ক্রেটরস যন্ত্রটি উদ্ভাবন করেন।
তিনি প্রথমে বাদাম ভাজার চুলা দিয়ে পরীক্ষা চালিয়েছিলেন। স্টিম ইঞ্জিনের
সাহায্যে প্রথম দিককার পপকর্নগুলো তিনিই তৈরি করতেন। সেসময় চর্বি এবং
মাখনের মিশ্রণ ঘটিয়ে ভুট্টার দানাগুলোকে তাপ দেয়া হতো। নাম রাখা হয়েছিল
রোস্টি টোস্টি। পপকর্নগুলো দেখতে খুবই বাজে ছিল। খাদ্য ইতিহাস লেখক
অ্যান্ড্রু স্মিথ ১৮৯৩ সালে তার ‘পপড কালচার’ বইয়ে ক্রেটরর্সের পপকর্ন
বানানোর গাড়িটির কথা উল্লেখ করেছেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘আমি আর
আমার সহকারি ‘ওয়ার্ল্ডস ফেয়ার’ মেলায় চিৎকার করেছিলাম: নতুন স্বাদ
উপভোগ করুন। মাখনে মাখানো পপকর্ন-নতুন উদ্ভাবন! বিনামূল্যে নিয়ে
যান এক প্যাকেট।’ স্মিথ তার বইতে আরো লেখেন, ‘এই কথা বলার সাথে
সাথেই আশেপাশের লোকজন গাড়িটির ওপর হুমড়ি খেয়ে পড়ে। ক্রেটারর্স
তার পপকর্নগুলো উপরে ছুড়ে দিতে থাকে। এতে লোকজনের ভীড় আরো
বাড়তে শুরু করে।’ ক্রেটার্সের বতর্মানে ‘সি ক্রেটার্স কোম্পানি’ নামের
একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এটিই মূলত যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান পপকর্ন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান।
বর্তমানে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার হিসেবে পপকর্ন জনপ্রিয়তা পেয়েছে। পপকর্নের
প্যাকেটে স্বাস্থ্য নির্দেশক কিছু লেখা না থাকলেও মিন্টেলের প্রতিবেদনে বলা হয়,
যুক্তরাজ্যে স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবেই এটির প্রচলন শুরু হয়।

ইঁদুরের বিষ্ঠায় তৈরি হয় সিগারেট!তামাক পাতা দিয়ে সিগারেট তৈরি হয় তা আমরা জানি। যদি বলা হয় এবার ইঁদুরের বিষ্ঠায় তৈরি হবে স...
28/04/2017

ইঁদুরের বিষ্ঠায় তৈরি হয় সিগারেট!

তামাক পাতা দিয়ে সিগারেট তৈরি হয় তা আমরা জানি। যদি বলা হয়
এবার ইঁদুরের বিষ্ঠায় তৈরি হবে সিগারেট- তাহলে আশ্চর্য হবেন অনেকেই।
ইঁদুরের বিষ্ঠায় তৈরি হচ্ছে সিগারেট। আপনি টাকা দিয়ে যে সিগারেট
কিনে খাচ্ছেন তাতে কী আছে তাকি জানেন? আপনি সহজ জবাব দেবেন
তামাক দিয়ে তৈরি হচ্ছে সিগারেট। কিন্তু কিন্তু এবার শোনা যাচ্ছে অনেক
সিগারেটের ভেতরে থাকে ইঁদুরের বিষ্ঠা! এমন আশ্চর্যজনক কথা জানিয়েছে
একটি গবেষণা প্রাতিষ্ঠান। বিশেষ করে যেসব সিগারেট বাজারে সস্তায়
পাওয়া যায়, সেগুলোর ভেতরের উপাদান পরীক্ষা-নিরীক্ষঅ করে দেখা
গেছে, এর ভেতরে রয়েছে ইঁদুরের বিষ্ঠা। ইউনিভার্সিটি অব সিডনির
প্রফেসর সিমন চ্যাপম্যান দিয়েছেন এক ভয়ঙ্কর তথ্য। তিনি জানিয়েছেন,
সিগারেটের ফিল্টারে ব্যবহার করা হয়ে থাকে নাকি শূকরের রক্ত।
নেদারল্যান্ডসের এক গবেষণাকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেছেন যে, ওই
গবেষণায় দেখা গেছে ১৮৫টি সিগারেট উৎপাদনকারী কারখানায়
ব্যবহার করা হয়ে থাকে শূকরের রক্ত। সিগারেটের ফিল্টারে রক্তের
গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিমোগ্লোবিন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আবার কখনও
কখনও এমনও শোনা যায়, মৃত মাছিও নাকি ব্যবহার করা হয় এই সিগারেট
বানাতে। সিমন চ্যাপম্যান আরও বলেছেন, সিগারেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো
কি কি উপাদান ব্যবহার করছে তা সব সময় গোপন রাখে। তারা বলে থাকে
যে, এটা তাদের ব্যবসা ও তারা ব্যবসার গোমর কখনও ফাঁস করবেন না।
আর তাই বিষয়টি নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে জটিলতা। সিমন চ্যাপম্যান বলেছেন,
নেদারল্যান্ডসের ওই গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, শূকরের রক্ত থেকে
হিমোগ্লোবিন নিয়ে তা সিগারেটের ফিল্টারে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
গ্রিসের সিগারেট উৎপাদনকারী একটি প্রতিষ্ঠান শূকরের হিমোগ্লোবিন
ব্যবহারের বিষয়টি ইতিমধ্যেই স্বীকারও করেছে।
শুকরের রক্ত বা ইঁদুরের বিষ্ঠা যায়ই থাকুক না কেনো, ধুমপায়ীদের কি
তাতে কিছু আসবে-যাবে? অন্তত এটি কেও নিশ্চিত করে বলতে পারবেন না।
তথ্যসূত্র: mirror.co.uk

Address

Square Masterbari Bhaluka Mymensingh
Mymensingh

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic knowledge posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share