Musa Sarker - Poet & Writer

Musa Sarker - Poet & Writer আমি কবিতা ও লেখালেখির মাধ্যমে অনুভবের গল্প বলি। কবিতার ভাষায় হৃদয়ের কথা তুলে ধরাই আমার ভালোবাসা।

‎পথে প্রান্তরে‎চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভ্রমণ (পার্ট–৩,শেষ) ‎পরন্ত বিকেলে মহানন্দা নদীর তীরে কিছু সময় কাটালাম। নৌকায় করে নদী পার...
06/08/2026

‎পথে প্রান্তরে
‎চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভ্রমণ (পার্ট–৩,শেষ)
‎পরন্ত বিকেলে মহানন্দা নদীর তীরে কিছু সময় কাটালাম। নৌকায় করে নদী পার হওয়ার অভিজ্ঞতাটি ছিল দারুণ উপভোগ্য। নদীর ওপারে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গ্রামীণ পরিবেশ ঘুরে দেখলাম, যা প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য সত্যিই মনোমুগ্ধকর।
‎এরপর পরিদর্শন করলাম এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশাল ক্যাম্পাস। পাশাপাশি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাইস মিলগুলো সম্পর্কে কিছু তথ্য জানার সুযোগ হলো। পরে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজে ইমরুলের সঙ্গে কিছু সময় আড্ডা দিলাম এবং শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ঘুরে দেখলাম।
‎রাতে খাবার খেয়ে বিশ্রাম নিলাম। পরদিন খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে নাস্তা করলাম। এরপর ইমরুলের এক বন্ধুর মোটরসাইকেলে করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বাকি অংশ, বিভিন্ন গ্রাম, রাবার ড্যাম, মহানন্দা নদী, মহানন্দা সেতু–১ ও সেতু–২ এবং সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখলাম। এসব স্থান সম্পর্কে অনেক নতুন তথ্য জানলাম ও অভিজ্ঞতা অর্জন করলাম।
‎বিদায়ের সময় ইমরুল আমাকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ্যাত ফজলি ও বারি জাতের আম কিনে দিল। এরপর রুমে ফিরে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে দুপুরের খাবার খেয়ে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা হলাম।
‎যথাসময়ে রাজশাহী রেলস্টেশনে পৌঁছে নির্ধারিত সময়ে ট্রেনে উঠলাম। ফেরার পথে ট্রেনের জানালা দিয়ে বিকেলের মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে করতে মনে হচ্ছিল, সত্যিই চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভ্রমণটি ছিল এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা।
‎এভাবেই শেষ হলো আমার সুন্দর ও স্মরণীয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভ্রমণ। :::**

‎সবাইকে ধন্যবাদ..

পথে প্রান্তরেচাঁপাইনবাবগঞ্জ ভ্রমণ (পার্ট–২)পূর্বের পরিকল্পনা অনুযায়ী সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হলাম। দেখি, ইমরুল সকালের ...
03/08/2026

পথে প্রান্তরে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভ্রমণ (পার্ট–২)

পূর্বের পরিকল্পনা অনুযায়ী সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হলাম। দেখি, ইমরুল সকালের নাস্তা প্রস্তুত করছে। নাস্তা শেষ করে রিকশায় করে শান্তিনগর মোড়ে গেলাম। সেখান থেকে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ছোট সোনা মসজিদ দেখার উদ্দেশ্যে শিবগঞ্জের কানসাট হয়ে সকাল প্রায় ৯:৩০টায় পৌঁছালাম।

প্রায় ৫০০ বছরের পুরোনো এই মসজিদের অসাধারণ কারুকাজ ও মজবুত স্থাপত্য দেখে সত্যিই মুগ্ধ হলাম। সরাসরি না দেখলে এর সৌন্দর্য অনুভব করা সম্ভব নয়। মসজিদের পাশেই রয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীরের কবর।

এরপর স্থানটি ঘুরে দেখে ভ্যানে করে খানিয়া দিঘি ও রাজবিবি মসজিদ পরিদর্শন করলাম। ভ্যানচালক মামার সঙ্গে গল্প করতে করতে স্থানীয় ইতিহাস, সীমান্ত এলাকার জীবনযাপন এবং বিভিন্ন অজানা তথ্য জানতে পারলাম। বাংলাদেশের সর্বপশ্চিমের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ হওয়ায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা। কিছুক্ষণ পর সীমান্তে গিয়ে সোনা মসজিদ স্থলবন্দরও ঘুরে দেখলাম।

একই এলাকায় অনেক দর্শনীয় স্থান থাকায় ভ্রমণটি আরও উপভোগ্য হয়ে উঠেছিল। এরপর ঘুরে দেখলাম দারসবাড়ি মাদ্রাসা ও মসজিদ। এটি অত্যন্ত প্রাচীন একটি স্থাপনা। স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়, মাটি খননের সময় মাটির নিচ থেকে এর কিছু অংশ আবিষ্কৃত হয়েছিল।

এরপর গেলাম তাহখানা কমপ্লেক্স এবং মুসলিম শাসকদের অন্যতম সাধক হযরত সৈয়দ শাহ নিয়ামতউল্লাহ (রহ.)-এর মাজারে। সেখানে স্থানটির ইতিহাস জানার সুযোগও হলো।

কিছু দূরে অবস্থিত সোনা মসজিদ শিশু পার্ক ঘুরে দেখলাম। এরপর চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ্যাত আমের হাট পরিদর্শন করলাম। ফেরার পথে বিখ্যাত চমচম কিনলাম। জুমার নামাজ আদায়ের পর চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি সুন্দর রেস্টুরেন্টে দুপুরের খাবার খেলাম। তারপর ইমরুলের বাসায় ফিরে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিলাম।

চলবে...

পরবর্তী পর্বে থাকছে ভ্রমণের আরও নতুন অভিজ্ঞতা। সঙ্গে থাকুন।

পথে প্রান্তরেচাঁপাইনবাবগঞ্জ ভ্রমণ (পর্ব–১)ভ্রমণ আমার খুবই প্রিয়। নতুন কোনো জায়গা দেখা, নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়া...
01/08/2026

পথে প্রান্তরে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভ্রমণ (পর্ব–১)
ভ্রমণ আমার খুবই প্রিয়। নতুন কোনো জায়গা দেখা, নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়া এবং নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন—এসব আমাকে সবসময় আনন্দ দেয়। বন্ধু কিংবা পরিচিত কেউ কোথাও ঘুরতে যাওয়ার প্রস্তাব দিলে সুযোগ-সুবিধা অনুযায়ী যাওয়ার চেষ্টা করি।
আমার বন্ধু ইমরুল চাঁপাইনবাবগঞ্জে পড়াশোনা করে। অনেক দিন ধরেই সে আমাকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ঘুরে যাওয়ার জন্য বলছিল। আমারও সেখানে যাওয়ার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু দুজনের সময় একসঙ্গে মেলেনি। অবশেষে ৩০ জুলাই ২০২৬ তারিখে সেখানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম।
ভ্রমণের প্রস্তুতি হিসেবে ২৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে ৩০ জুলাই যাওয়ার এবং ১ আগস্ট ফেরার ট্রেনের টিকিট কেটে রাখি।
অবশেষে প্রতীক্ষিত ৩০ জুলাই চলে এলো। পরিকল্পনা অনুযায়ী বিকেল ৫:০৯ মিনিটে ট্রেন আসার কথা ছিল। সে অনুযায়ী দিনের সব কাজ গুছিয়ে নিই। যদিও ট্রেনটি ঢাকা থেকে নির্ধারিত সময়ের প্রায় ১ ঘণ্টা দেরিতে ছাড়ে। লাইভ ট্র্যাকেও বিষয়টি দেখেছিলাম, তবুও প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করে বাড়ি থেকে বের হয়ে পড়ি। কড্ডা থেকে মাঠা ও গোল সংগ্রহ করি, যা চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা ছিল। সন্ধ্যা ৬টার মধ্যেই সব কাজ শেষ করি। পরে ট্রেন ৬:২০ মিনিটে স্টেশনে আসে এবং জামতৈল পৌঁছাতেও প্রায় ৩০ মিনিট বিলম্ব হয়।
রাত ৭টার দিকে জামতৈল থেকে যাত্রা শুরু করে রাত ৯:৩৫ মিনিটে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছাই। স্টেশন থেকে বের হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাওয়ার জন্য গেটলক বাস সার্ভিসের ১২০ টাকার টিকিট কাটি। রাত ৯:৪৫ মিনিটের বাসটি ৯:৫৫ মিনিটে ছাড়ে।
দীর্ঘ যাত্রা শেষে রাত ১১:৪০ মিনিটে চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিশ্বরোডে পৌঁছাই। সেখানে দেখি ইমরুল আমার জন্য অপেক্ষা করছে। তার সঙ্গে ছিল একজন জুনিয়র। প্রথমেই আমরা একসঙ্গে চা পান করি। এরপর রিকশায় করে ইমরুলের রুমে যাই। ফ্রেশ হয়ে রাতের খাবার খাই। সেদিনের বিশেষ আকর্ষণ ছিল ইমরুলের নিজের হাতে রান্না করা সুস্বাদু গরুর মাংস।
খাওয়া-দাওয়া শেষে পরদিনের ভ্রমণের বিস্তারিত পরিকল্পনা করে ঘুমিয়ে পড়লাম।
চলবে...
পরবর্তী পর্বে থাকছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মনোমুগ্ধকর দর্শনীয় স্থান

12/06/2026

কাকতালীয় এক সফর
স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে মানুষের ভিড়ের মাঝেও একটি মুখ বারবার চোখে পড়ছিল। প্রথমে একনজর দেখেই চোখ ফিরিয়ে নিয়েছিলাম। অচেনা কাউকে এভাবে তাকিয়ে দেখা তো শোভন নয়। কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করার পর একটি বেঞ্চে বসতেই লক্ষ্য করলাম, সেই মেয়েটি আমার সামনেই এদিক-সেদিক হাঁটছে।
প্ল্যাটফর্মে তার আগের সিটে অন্য কেউ বসে পড়লে সে এসে আমার পাশেই বসল। কোনো কথা হলো না, শুধু নীরবতার মধ্যে সময় গড়িয়ে চলল। কিছুক্ষণ পর ট্রেন এলো। বগিতে উঠে নিজের সিট খুঁজে পেয়ে অবাক হলাম—মেয়েটির সিট ঠিক আমার পাশেই। হয়তো কাকতালীয়, হয়তো ভাগ্যের ছোট্ট কোনো খেলা।
এয়ারকন্ডিশনড বগির ঠান্ডা বাতাসে সে ওড়না দিয়ে নিজেকে আড়াল করে উষ্ণ থাকার চেষ্টা করছিল। আমারও বেশ শীত লাগছিল, কিন্তু আমার কাছে তো এমন কিছু ছিল না। তাই নীরবে ঠান্ডাকে সঙ্গী করেই বসে ছিলাম।
হঠাৎ সে তার ব্যাগ থেকে এক প্যাকেট চিপস বের করে আমার দিকে বাড়িয়ে দিল। প্রথমে অনেকবার না করলেও তার আন্তরিক জোরাজুরিতে শেষ পর্যন্ত নিতে হলো। সেখান থেকেই শুরু হলো কথোপকথন। অচেনা দুজন মানুষের মাঝে দূরত্বটা ধীরে ধীরে কমতে লাগল।
কিছুক্ষণ পর কফিওয়ালা এলো। শীতের আবহে দুজনেই কফি নিলাম। সে দাম দিতে চাইল, আমিও দিতে চাইলাম। ছোট্ট এক মিষ্টি তর্কের পর শেষ পর্যন্ত আমিই বিল পরিশোধ করলাম। তারপর চলতে লাগল গল্প, হাসি আর নানা বিষয়ে আলাপ।
দীর্ঘ যাত্রার শেষে মনে হলো, কয়েক ঘণ্টার পরিচয়ও কখনো কখনো অনেক দিনের চেনাজানার মতো হয়ে যায়। বিদায়ের আগে যোগাযোগের জন্য ফেসবুক আইডি বিনিময় হলো।
ট্রেন তার গন্তব্যে পৌঁছেছিল, কিন্তু সেই দিনের কাকতালীয় সাক্ষাৎটি রয়ে গেল স্মৃতির পাতায়—একটি সাধারণ যাত্রার অসাধারণ গল্প হয়ে।

ঝড় থামার অপেক্ষায় নই,ঝড়ের মাঝেই নিজের পথ বানাই মুছা সরকার
02/05/2026

ঝড় থামার অপেক্ষায় নই,
ঝড়ের মাঝেই নিজের পথ বানাই
মুছা সরকার

বিয়ারা মেলা২৫-০৪-২০২৬ (২য় শনিবার)মেলায় কেনাকাটার পাশাপাশি বছরে একবার হওয়ায় ঘুরাঘুরি করতেও আলাদা এক আনন্দ থাকে। প্রায় ৩০০...
26/04/2026

বিয়ারা মেলা
২৫-০৪-২০২৬ (২য় শনিবার)
মেলায় কেনাকাটার পাশাপাশি বছরে একবার হওয়ায় ঘুরাঘুরি করতেও আলাদা এক আনন্দ থাকে। প্রায় ৩০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী এই মেলা—কামারখন্দ উপজেলার বিয়ারা গ্রামের নামানুসারে “বিয়ারা মেলা” নামে পরিচিত। ছোটবেলা থেকেই এই মেলার কথা শুনে আসছি, কিন্তু কোনো দিন যাওয়া হয়ে ওঠেনি।
শুক্রবারে হাসিবুর, মোস্তফা ও ফারুকের সাথে কথা বলে রাখলাম—“কাল বিয়ারা মেলায় যাবো, প্রস্তুত থাকিস।” তবে শেষ পর্যন্ত হাসিবুর বাদে মোস্তফা ও ফারুক রাজি হলো।
শনিবার সকালে রিদয় কাকার বিয়ের দাওয়াত পেলাম। দুপুরে শহরে দাওয়াত খেয়ে কড্ডা ফিরতে না ফিরতেই ফারুক ও মোস্তফা চলে এলো। রাব্বিকে ফোন দিলাম—সে যেতে পারবে না। এরপর রোমানকে ফোন করলাম…
অবশেষে বিকেলের দিকে আমরা রওনা হলাম বিয়ারা মেলার উদ্দেশ্যে। মেলায় গিয়ে চোখে পড়লো মানুষের ঢল, নানা রকম দোকানপাট, খেলনা, মিষ্টি, আর গ্রামীণ জীবনের প্রাণবন্ত চিত্র। চারপাশে উৎসবের আমেজ—হাসি, কোলাহল আর আনন্দে ভরে উঠেছিল পরিবেশ।
প্রথমবারের মতো বিয়ারা মেলায় এসে মনে হলো—এটা শুধু একটি মেলা নয়, এটি আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের শেকড়ের সাথে এক আবেগময় সংযোগ। দিনশেষে ক্লান্ত শরীর, কিন্তু মনটা ভরে গেল অজানা এক তৃপ্তিতে।

শ্রীমঙ্গল ভ্রমণের ২য় অংশশ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশন থেকে চান্দের গাড়িতে চড়েচায়ের রাজধানীর নীলা-সবুজ সৌন্দর্যে ডুবে গেল মন।চা...
16/04/2026

শ্রীমঙ্গল ভ্রমণের ২য় অংশ

শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশন থেকে চান্দের গাড়িতে চড়ে
চায়ের রাজধানীর নীলা-সবুজ সৌন্দর্যে ডুবে গেল মন।
চারপাশে শুধু প্রকৃতির মায়া—
সবুজে মোড়া ছোট-বড় টিলা, চায়ের বাগানের অন্তহীন বিস্তার।
রাস্তার দুই পাশে পাহাড়ি গাছ আর চা-বাগানের সারি,
প্রতিটি দৃশ্য যেন চোখে এঁকে দেয় প্রশান্তির ছবি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাব্বিরসহ ৮ বন্ধুর দল থাকলে,
আনন্দ, দুষ্টুমি আর হাসির গল্প ছুঁয়ে যায় শীর্ষে। 🌿✨
পথিমধ্যে ছোট্ট এক শিশুর দুষ্টুমি হয়ে রইল স্মৃতিময়।
সামি ও রিজভী ব্যস্ত রাস্তার পাশের কচি আম সংগ্রহে,
হাসি-ঠাট্টায় জমে উঠেছিল পুরো পথটা।
মাধবী লেকের ধারে পৌঁছে,
শুরুর দিকেই চোখে পড়ে নানা রঙের শাপলা—
প্রকৃতি যেন নিজের হাতে সাজিয়েছে এক অপূর্ব দৃশ্য।
লেকের পাশ দিয়ে, পাহাড়ের নিচ দিয়ে হাঁটার অভিজ্ঞতা—
অন্যরকম, একেবারেই অনন্য।
আর একটু দূরে যেতেই লেকের স্বচ্ছ পানি দেখে
গোসল না করে কেউ থাকতে পারল না!
তবে আনোয়ার, শাহীন ও অন্তু চাকমা ব্যতিক্রম,
বাকিরা মেতে উঠেছিল জলে—
২০০-২৫০ ফিট দূর থেকে সেই উচ্ছ্বাস
অনেক দর্শনার্থীর নজর কাড়ে।
মাঝে ছোট্ট এক মজার ঘটনাও ঘটে—
এক আপুর কথায় ভুল বোঝাবুঝি,
আর ইমরানের সরল “সরি আপু” বলাটা
সবাইকে হাসিতে ভাসিয়ে দেয়। 😄
লেকের উপর থেকে পাহাড়ের দৃশ্য—
ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।
এভাবেই ঘুরতে ঘুরতে, হাসতে হাসতে
শ্রীমঙ্গলের নানা সৌন্দর্যে ভরে উঠল দিনটি। Sabbir Rahmanman

শ্রীমঙ্গল ভ্রমণের ১ম অংশ পড়ে আসার অনুরোধ রইল

14/04/2026

এসেছে বৈশাখ, নতুন রঙে,
মুছে যাক সব দুঃখ ভ্রঙ্গে।
হাসুক প্রাণ, জাগুক আশা,
সবার জীবন হোক ভালোবাসা।

শ্রীমঙ্গল ভ্রমণের ১ম অংশ মাঝে মাঝে ভ্রমণ আর ঘুরাঘুরি করতে ভীষণ ভালো লাগে। কিন্তু সঙ্গী আর আগ্রহের অভাবে বেশিরভাগ সময় নিজ...
12/04/2026

শ্রীমঙ্গল ভ্রমণের ১ম অংশ

মাঝে মাঝে ভ্রমণ আর ঘুরাঘুরি করতে ভীষণ ভালো লাগে। কিন্তু সঙ্গী আর আগ্রহের অভাবে বেশিরভাগ সময় নিজের এলাকাতেই সীমাবদ্ধ থাকতে হয়। দূরে যাওয়াটা যেন অনেক সময় স্বপ্নই থেকে যায়। তবুও মাঝে মাঝে Sabbir Rahman কে বলি—চলো, কোথাও ঘুরে আসি!
কিছুদিন আগে আবার সেই কথাটাই বলেছিলাম। এরপর সময় বের করে লাভলু ও সামি সাথে আলোচনা করে ১১-০৪-২০২৬ তারিখে শ্রীমঙ্গল ভ্রমণের পরিকল্পনা করি। সিলেটগামী পারাবত এক্সপ্রেসের সকাল ৬:৩০টার ৪টি টিকিট কাটা হলো।
ভ্রমণের কথা শুনে সাগর, শাহীন, আনোয়ার, রিজভী ও অন্তু—তারাও যোগ দিতে চাইল।
সেই অনুযায়ী ১০-০৪-২০২৬ তারিখে দুপুরে সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। কারণ সরাসরি গিয়ে কমলাপুর রেলস্টেশনে পৌঁছানোটা একটু ঝামেলার ছিল। তাই আগের রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে গেলাম—সবার একসাথে বের হওয়ার পরিকল্পনায়।
ইমরান প্রথমে যেতে না চাইলেও পরে তাকে রাজি করানো হলো।
ভোরে ঘুম থেকে উঠে সবাই কমলাপুর পৌঁছালাম—শুধু সাগর ছাড়া 😄
৬:৩০-এ ট্রেন ছাড়ার কথা থাকলেও ছাড়লো ৬:৪৩-এ।
১০:৩২-এ পৌঁছানোর কথা থাকলেও, শ্রীমঙ্গলে পৌঁছাতে প্রায় ১২টা বেজে গেল।
স্টেশন সংলগ্ন “ভাই ভাই হোটেল”-এ নাস্তা করে একটি চাঁদের গাড়ি রিজার্ভ করা হলো—সারাদিন শ্রীমঙ্গলের সবুজে ঘেরা সুন্দর সুন্দর রিসোর্ট আর জায়গাগুলো ঘুরে দেখার জন্য।

শ্রীমঙ্গল ভ্রমণের ২য় অংশের জন্য অপেক্ষা করুন

Address

Maulvi Bazar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Musa Sarker - Poet & Writer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category