06/08/2026
পথে প্রান্তরে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভ্রমণ (পার্ট–৩,শেষ)
পরন্ত বিকেলে মহানন্দা নদীর তীরে কিছু সময় কাটালাম। নৌকায় করে নদী পার হওয়ার অভিজ্ঞতাটি ছিল দারুণ উপভোগ্য। নদীর ওপারে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গ্রামীণ পরিবেশ ঘুরে দেখলাম, যা প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য সত্যিই মনোমুগ্ধকর।
এরপর পরিদর্শন করলাম এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশাল ক্যাম্পাস। পাশাপাশি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাইস মিলগুলো সম্পর্কে কিছু তথ্য জানার সুযোগ হলো। পরে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজে ইমরুলের সঙ্গে কিছু সময় আড্ডা দিলাম এবং শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ঘুরে দেখলাম।
রাতে খাবার খেয়ে বিশ্রাম নিলাম। পরদিন খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে নাস্তা করলাম। এরপর ইমরুলের এক বন্ধুর মোটরসাইকেলে করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বাকি অংশ, বিভিন্ন গ্রাম, রাবার ড্যাম, মহানন্দা নদী, মহানন্দা সেতু–১ ও সেতু–২ এবং সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখলাম। এসব স্থান সম্পর্কে অনেক নতুন তথ্য জানলাম ও অভিজ্ঞতা অর্জন করলাম।
বিদায়ের সময় ইমরুল আমাকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ্যাত ফজলি ও বারি জাতের আম কিনে দিল। এরপর রুমে ফিরে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে দুপুরের খাবার খেয়ে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা হলাম।
যথাসময়ে রাজশাহী রেলস্টেশনে পৌঁছে নির্ধারিত সময়ে ট্রেনে উঠলাম। ফেরার পথে ট্রেনের জানালা দিয়ে বিকেলের মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে করতে মনে হচ্ছিল, সত্যিই চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভ্রমণটি ছিল এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা।
এভাবেই শেষ হলো আমার সুন্দর ও স্মরণীয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভ্রমণ। :::**
সবাইকে ধন্যবাদ..