InHuman Muzzle

Call Directions Contact the establishment

InHuman Muzzle Evolve Yourself

Power of Mistri
01/09/2026

Power of Mistri

যা পাই তাতেই খুশি।😁
15/08/2026

যা পাই তাতেই খুশি।😁

মধ্যপ্রাচ্যে থাকা অ্যামেরিকান ঘাঁটিগুলোতে ইরানের মিসাইল হামলার পর একজন অ্যামেরিকান সৈন্য যা জানিয়েছে; সেটা তুলে ধরছি আমা...
22/07/2026

মধ্যপ্রাচ্যে থাকা অ্যামেরিকান ঘাঁটিগুলোতে ইরানের মিসাইল হামলার পর একজন অ্যামেরিকান সৈন্য যা জানিয়েছে; সেটা তুলে ধরছি আমার পাঠকদের সামনে। এই সৈন্য বলেছে

- We are getting projected impacted data but the missiles are changing trajectory multiple times in flight. ( আমরা সম্ভাব্য আঘাতের স্থানের (Projected Impact) তথ্য পাচ্ছি। কিন্তু মিসাইল উড্ডয়নের সময় একাধিকবার তাদের গতিপথ পরিবর্তন করছে।)

অর্থাৎ ইরান থেকে উড়ে আসা মিসাইলগুলো বার বার নিজের পথ পরিবর্তন করছে। যার কারনে অ্যামেরিকান ইণ্টারসেপ্টরগুলো কাজ করছে না।

এরপর এই সৈন্য বলেছে

- So the projected impact warnings are no good. (তাই সম্ভাব্য আঘাতের স্থানের সতর্কবার্তাগুলো আর নির্ভরযোগ্য নয়)

কারন কি জানেন?

মিসাইল গুলো আকাশে ফ্লাইটে থাকা অবস্থায় বার বার আঘাতের স্থান পরিবর্তন করছে! তাই অ্যামেরিকানরা বুঝতে পারছে না, কোথায় আঘাত করবে। চিন্তা করেন ইরানের প্রযুক্তি কোথায় চলে গেছে।

সিবিএস নিউজ আরও কী জানিয়েছে জানেন? ওদের নিউজের শিরোনামটা আপনাদের তুলে ধরি। শিরোনাম হচ্ছে

- Iran is evading U.S. defenses to k*ill and wound American soldiers. It's not just that one leaked through. ( ইরান অ্যামেরিকান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে মার্কিন সেনাদের হ*ত্যা ও আহত করছে। এটা শুধু একটা ক্ষেপণাস্ত্র ফাঁকি দিয়ে ঢুকে গেছে; এমন নয়।)

এই নিউজে বলা হয়েছে- ইরানের অনেক মিসাইলই এখন সরাসরি আঘাত করছে। অ্যামেরিকানরা কিছু করতে পারছে না। সিএনএন কিন্তু এর মাঝেই রিপোর্ট করেছে

- গত দুই সপ্তাহে শতাধিক অ্যামেরিকান সৈন্য হতাহত হয়েছে।

মানে খোদ অ্যামেরিকান সৈন্যরাই তো এখন বলছে- মার্কিন ডিফেন্স সিস্টেম কাজ করছে না! অনেকেই বলছে- ইরান এমন প্রযুক্তি কোথায় পেল? অ্যামেরিকান সামরিক বিশেষজ্ঞ ল্যারি জনসন বলছেন

- হয়ত রাশিয়া ও চীনের কাছ থেকে পেয়েছে।

কিন্তু এমন কোন প্রযুক্তি অন্তত রাশিয়াকে কখনো ব্যাবহার করতে দেখা যায় নাই। চীনের কাছে আছে কিনা কারও জানা নাই। তবে অ্যামেরিকান কাউন্টার টেরোরিজম ডিপার্টমেন্টের সাবেক প্রধান; যিনি বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসনেই ছিল। ইরান যুদ্ধের কারনে পদত্যাগ করেছেন। সেই জো কেন্ট গতকাল কর্নেল ড্যানিয়েল ডেভিসের শোতে গিয়ে বলেছেন

- Iran doesn't need China or Russia. Its own technology is already far more advanced. ( ইরানের চীন এবং রাশিয়ার দরকার নাই। ওদের নিজস্ব প্রযুক্তিই অনেক উন্নত এবং অধুনিক।)

জো কেন্ট কোন সাধারণ মানুষ নন। তিনি পাঁচ মাস আগেও অ্যামেরিকায় অনেক বড় একটা পদে ছিলেন। তাঁর কাছে নিশ্চয় তথ্য আছে। আর ইরানের মিসাইলগুলো যে খুব সহজে অ্যামেরিকান ডিফেন্স সিস্টেম ভেদ করতে পারছে; এটা বুঝবেন কীভাবে জানেন?

আজকে নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছে

- অ্যামেরিকাকে ইরানে হামলা চালানোর জন্য ব্রিটিশ বিমান ঘাঁটিগুলো ব্যাবহার করতে দেয়া হবে।

এ আর নতুন কী! দুই সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্র অ্যামেরিকা আর ইংল্যান্ডের কারনেই তো জগত জুড়ে যত সমস্যা। এরা সকল খারাপ কাজে দিন শেষে এক হয়ে যায়।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে

- ব্রিটিশ বিমান ঘাঁটি ব্যাবহার করার দরকার পড়ছে কেন অ্যামেরিকার?

বুলগেরিয়াও জানিয়েছে; তাঁরা অ্যামেরিকাকে নিজেদের বিমান ঘাঁটি ব্যাবহার করতে দেবে। প্রশ্ন একটাই- এইসব ঘাঁটি ব্যাবহার করার প্রয়োজন পড়ছে কেন অ্যামেরিকার?

সৌদি, কুয়েত, কাতার, আমিরাত, বাহরাইন, ইজরাইলের পর জর্ডানের ঘাঁটিগুলোতে অ্যামেরিকার কাজ হচ্ছে না। কারন ইরান খুব সহজেই হামলা করতে পারছে। তাই অ্যামেরিকা এখন ইরানের আওতার বাহিরে ইউরোপ থেকে হামলা করতে চাইছে।

এটি এক দিক থেকে ভালো। এর মানে হচ্ছে- ইরানের তাড়া খেয়ে অ্যামেরিকা এর মাঝেই নিজেদের সৈন্য আর সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করছে।

অ্যামেরিকার সামরিক শক্তি পৃথিবীর অন্য কোন দেশের সাথে ম্যাচ করে না। ওরা এতটাই শক্তিশালী। অথচ দেখেন- ইরান কীভাবে ওদের নিজস্ব প্রযুক্তি দিয়ে বানানো মিসাইল ও ড্রোন ব্যাবহার করে এখনও টিকে আছে। কীভাবে সম্ভব হলো?

স্রেফ পড়াশুনা। ইরানিদের পড়াশোনার মান অনেক ভালো। অ্যামেরিকা ওদেরকে যুগের পর যুগ নিষেধাজ্ঞা দিয়ে অর্থনৈতিক ভাবে পঙ্গু করে ফেলতে চেয়েছে। কিন্তু পারে নাই। কেন পারে নাই? কারন ইরানিরা পড়াশুনার মাধ্যমে নিজেদের জ্ঞান কাজে লাগিয়ে টিকে থাকার লড়াই করেছে।

এই যুদ্ধ যখনই শেষ হোক। একটা বিষয় আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি- পৃথিবী জুড়ে থাকা ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক ও সামরিক বিশেষজ্ঞদের ইরান নিয়ে ভবিষ্যতে গবেষণা করতে হবে। কারন ইরান এর মাঝেই পৃথিবীর বিস্ময় হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।চ্যে থাকা অ্যামেরিকান ঘাঁটিগুলোতে ইরানের মিসাইল হামলার পর একজন অ্যামেরিকান সৈন্য যা জানিয়েছে; সেটা তুলে ধরছি আমার পাঠকদের সামনে। এই সৈন্য বলেছে

- We are getting projected impacted data but the missiles are changing trajectory multiple times in flight. ( আমরা সম্ভাব্য আঘাতের স্থানের (Projected Impact) তথ্য পাচ্ছি। কিন্তু মিসাইল উড্ডয়নের সময় একাধিকবার তাদের গতিপথ পরিবর্তন করছে।)

অর্থাৎ ইরান থেকে উড়ে আসা মিসাইলগুলো বার বার নিজের পথ পরিবর্তন করছে। যার কারনে অ্যামেরিকান ইণ্টারসেপ্টরগুলো কাজ করছে না।

এরপর এই সৈন্য বলেছে

- So the projected impact warnings are no good. (তাই সম্ভাব্য আঘাতের স্থানের সতর্কবার্তাগুলো আর নির্ভরযোগ্য নয়)

কারন কি জানেন?

মিসাইল গুলো আকাশে ফ্লাইটে থাকা অবস্থায় বার বার আঘাতের স্থান পরিবর্তন করছে! তাই অ্যামেরিকানরা বুঝতে পারছে না, কোথায় আঘাত করবে। চিন্তা করেন ইরানের প্রযুক্তি কোথায় চলে গেছে।

সিবিএস নিউজ আরও কী জানিয়েছে জানেন? ওদের নিউজের শিরোনামটা আপনাদের তুলে ধরি। শিরোনাম হচ্ছে

- Iran is evading U.S. defenses to k*ill and wound American soldiers. It's not just that one leaked through. ( ইরান অ্যামেরিকান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে মার্কিন সেনাদের হ*ত্যা ও আহত করছে। এটা শুধু একটা ক্ষেপণাস্ত্র ফাঁকি দিয়ে ঢুকে গেছে; এমন নয়।)

এই নিউজে বলা হয়েছে- ইরানের অনেক মিসাইলই এখন সরাসরি আঘাত করছে। অ্যামেরিকানরা কিছু করতে পারছে না। সিএনএন কিন্তু এর মাঝেই রিপোর্ট করেছে

- গত দুই সপ্তাহে শতাধিক অ্যামেরিকান সৈন্য হতাহত হয়েছে।

মানে খোদ অ্যামেরিকান সৈন্যরাই তো এখন বলছে- মার্কিন ডিফেন্স সিস্টেম কাজ করছে না! অনেকেই বলছে- ইরান এমন প্রযুক্তি কোথায় পেল? অ্যামেরিকান সামরিক বিশেষজ্ঞ ল্যারি জনসন বলছেন

- হয়ত রাশিয়া ও চীনের কাছ থেকে পেয়েছে।

কিন্তু এমন কোন প্রযুক্তি অন্তত রাশিয়াকে কখনো ব্যাবহার করতে দেখা যায় নাই। চীনের কাছে আছে কিনা কারও জানা নাই। তবে অ্যামেরিকান কাউন্টার টেরোরিজম ডিপার্টমেন্টের সাবেক প্রধান; যিনি বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসনেই ছিল। ইরান যুদ্ধের কারনে পদত্যাগ করেছেন। সেই জো কেন্ট গতকাল কর্নেল ড্যানিয়েল ডেভিসের শোতে গিয়ে বলেছেন

- Iran doesn't need China or Russia. Its own technology is already far more advanced. ( ইরানের চীন এবং রাশিয়ার দরকার নাই। ওদের নিজস্ব প্রযুক্তিই অনেক উন্নত এবং অধুনিক।)

জো কেন্ট কোন সাধারণ মানুষ নন। তিনি পাঁচ মাস আগেও অ্যামেরিকায় অনেক বড় একটা পদে ছিলেন। তাঁর কাছে নিশ্চয় তথ্য আছে। আর ইরানের মিসাইলগুলো যে খুব সহজে অ্যামেরিকান ডিফেন্স সিস্টেম ভেদ করতে পারছে; এটা বুঝবেন কীভাবে জানেন?

আজকে নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছে

- অ্যামেরিকাকে ইরানে হামলা চালানোর জন্য ব্রিটিশ বিমান ঘাঁটিগুলো ব্যাবহার করতে দেয়া হবে।

এ আর নতুন কী! দুই সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্র অ্যামেরিকা আর ইংল্যান্ডের কারনেই তো জগত জুড়ে যত সমস্যা। এরা সকল খারাপ কাজে দিন শেষে এক হয়ে যায়।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে

- ব্রিটিশ বিমান ঘাঁটি ব্যাবহার করার দরকার পড়ছে কেন অ্যামেরিকার?

বুলগেরিয়াও জানিয়েছে; তাঁরা অ্যামেরিকাকে নিজেদের বিমান ঘাঁটি ব্যাবহার করতে দেবে। প্রশ্ন একটাই- এইসব ঘাঁটি ব্যাবহার করার প্রয়োজন পড়ছে কেন অ্যামেরিকার?

সৌদি, কুয়েত, কাতার, আমিরাত, বাহরাইন, ইজরাইলের পর জর্ডানের ঘাঁটিগুলোতে অ্যামেরিকার কাজ হচ্ছে না। কারন ইরান খুব সহজেই হামলা করতে পারছে। তাই অ্যামেরিকা এখন ইরানের আওতার বাহিরে ইউরোপ থেকে হামলা করতে চাইছে।

এটি এক দিক থেকে ভালো। এর মানে হচ্ছে- ইরানের তাড়া খেয়ে অ্যামেরিকা এর মাঝেই নিজেদের সৈন্য আর সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করছে।

অ্যামেরিকার সামরিক শক্তি পৃথিবীর অন্য কোন দেশের সাথে ম্যাচ করে না। ওরা এতটাই শক্তিশালী। অথচ দেখেন- ইরান কীভাবে ওদের নিজস্ব প্রযুক্তি দিয়ে বানানো মিসাইল ও ড্রোন ব্যাবহার করে এখনও টিকে আছে। কীভাবে সম্ভব হলো?

স্রেফ পড়াশুনা। ইরানিদের পড়াশোনার মান অনেক ভালো। অ্যামেরিকা ওদেরকে যুগের পর যুগ নিষেধাজ্ঞা দিয়ে অর্থনৈতিক ভাবে পঙ্গু করে ফেলতে চেয়েছে। কিন্তু পারে নাই। কেন পারে নাই? কারন ইরানিরা পড়াশুনার মাধ্যমে নিজেদের জ্ঞান কাজে লাগিয়ে টিকে থাকার লড়াই করেছে।

এই যুদ্ধ যখনই শেষ হোক। একটা বিষয় আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি- পৃথিবী জুড়ে থাকা ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক ও সামরিক বিশেষজ্ঞদের ইরান নিয়ে ভবিষ্যতে গবেষণা করতে হবে। কারন ইরান এর মাঝেই পৃথিবীর বিস্ময় হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

আপনার মস্তিষ্ক আপনাকে প্রতিদিন ধোঁকা দিচ্ছে। আর সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো — ধোঁকাটা আপনার ভালো লাগছে।একটা পরীক্ষা করুন।...
21/07/2026

আপনার মস্তিষ্ক আপনাকে প্রতিদিন ধোঁকা দিচ্ছে। আর সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো — ধোঁকাটা আপনার ভালো লাগছে।

একটা পরীক্ষা করুন। মনে করুন এমন একজন মানুষের কথা, যাকে আপনি পছন্দ করেন না। এবার খেয়াল করুন — সে ভালো কিছু করলে আপনার মন বলে, "নিশ্চয়ই কোনো মতলব আছে।" আর সে ভুল করলে মন বলে, "দেখেছো? আমি তো আগেই জানতাম!"

এবার উল্টোটা ভাবুন। যাকে আপনি ভালোবাসেন, সে ভুল করলে মন বলে, "আহা, পরিস্থিতিটাই এমন ছিল।"

একই ঘটনা। দুই রকম বিচার। বিচারকটা কে? আপনার মস্তিষ্ক।

ধরুন আপনি বিশ্বাস করেন, "আমাকে দিয়ে কিছু হবে না।" এরপর কী ঘটে জানেন? দশটা কাজ ভালো করলেও সেগুলো চোখেই পড়ে না। কিন্তু একটা কাজ খারাপ হলেই মন লাফিয়ে ওঠে — "এই যে, প্রমাণ পেয়ে গেছি! আমাকে দিয়ে সত্যিই কিছু হয় না।" দশটা সাফল্য বাতাসে মিলিয়ে যায়, একটা ব্যর্থতা পাথরে খোদাই হয়ে থাকে।

কেন এমন হয়?

সুইস চিন্তাবিদ রলফ ডোবেলি তাঁর বিশ্ববিখ্যাত বই "The Art of Thinking Clearly"-তে এই ফাঁদটার নাম দিয়েছেন — কনফার্মেশন বায়াস। তিনি একে বলেছেন সব চিন্তার ভুলের জনক। ব্যাপারটা হলো, আমাদের মস্তিষ্ক সত্য খোঁজে না। মস্তিষ্ক খোঁজে প্রমাণ — নিজের পুরনো বিশ্বাসের পক্ষের প্রমাণ। আপনি যা আগে থেকে বিশ্বাস করেন, মস্তিষ্ক দিনরাত শুধু সেটারই সাক্ষী জোগাড় করে বেড়ায়। আর যে তথ্য আপনার বিশ্বাসের বিপক্ষে যায়? মস্তিষ্ক সেটাকে হয় দেখেই না, নয়তো দেখেও বাতিল করে দেয়।

ভাবুন তো ব্যাপারটা কত গভীর। আপনি ভাবছেন আপনি যুক্তি দিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছাচ্ছেন। আসলে ঘটছে উল্টোটা — সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া হয়ে গেছে, যুক্তিগুলো পরে জোগাড় করা হচ্ছে। আপনি বিচারক নন। আপনি এমন এক উকিল, যে নিজের পুরনো বিশ্বাসের পক্ষে মামলা লড়ছে — নিজেরই অজান্তে।

এই ফাঁদ সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে কোথায় জানেন? সম্পর্কে আর আত্মবিশ্বাসে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একবার "সে আমাকে বোঝে না" বিশ্বাসটা ঢুকে গেলে, মস্তিষ্ক প্রতিদিন তার প্রমাণ জোগাড় করতে থাকে। মানুষটার শত যত্ন অদৃশ্য হয়ে যায়, একটা অবহেলা বিশাল হয়ে দেখা দেয়। আর নিজের ব্যাপারে একবার "আমি ব্যর্থ" লেবেলটা লেগে গেলে, মস্তিষ্ক আজীবন সেই মামলার ফাইল ভারী করতে থাকে।

কিন্তু এখানে একটা কথা থামুন এবং শুনুন। এটা আপনার দোষ নয়। আপনি সংকীর্ণমনা নন, একগুঁয়েও নন। এটা মস্তিষ্কের সাশ্রয়ী নকশা। প্রতিদিন হাজার হাজার তথ্য আমাদের সামনে আসে। প্রতিটা তথ্যে নিজের বিশ্বাস নতুন করে যাচাই করতে গেলে মস্তিষ্ক অচল হয়ে যেতো। তাই সে শর্টকাট নেয় — পুরনো বিশ্বাসের সাথে যা মেলে, তা রাখো; যা মেলে না, তা ফেলো। এতে শক্তি বাঁচে, কিন্তু সত্য হারায়। আপনার সাথে যেটা হচ্ছে, সেটা পৃথিবীর প্রতিটা মানুষের সাথেই হচ্ছে — এমনকি বড় বড় বিজ্ঞানী, বিচারক, ডাক্তারদের সাথেও।

আর এখানেই ইসলামের একটা আশ্চর্য শিক্ষা আছে। আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন, "হে ঈমানদারগণ, তোমরা ন্যায়ের ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকো, আল্লাহর জন্য সাক্ষী হও — যদিও তা তোমাদের নিজেদের বিরুদ্ধে যায়" (সূরা নিসা, ৪:১৩৫)। খেয়াল করুন — নিজের বিরুদ্ধে গেলেও সত্যের পক্ষে দাঁড়াও। এটাই কনফার্মেশন বায়াসের সরাসরি চিকিৎসা। আর সূরা হুজুরাতে আল্লাহ বলেন, কোনো খবর আসলে যাচাই করে নাও (৪৯:৬)। ইসলাম আমাদের বিশ্বাসী হতে বলেছে, কিন্তু অন্ধবিশ্বাসী হতে বলেনি। যাচাই করা, নিজের ধারণাকে প্রশ্ন করা — এটা ঈমানের দুর্বলতা নয়, বরং ঈমানের পরিপক্বতা।

এবার আসুন করণীয়তে। এই সপ্তাহে একটা অনুশীলন করুন। নাম দিন "উল্টো উকিল চ্যালেঞ্জ।"

প্রথম ধাপ — আজ রাতে এক টুকরো কাগজে আপনার একটা কষ্টদায়ক বিশ্বাস লিখুন। যেমন: "আমাকে দিয়ে কিছু হবে না," বা "অমুক মানুষটা আমাকে অপছন্দ করে," বা "আমার ভাগ্যটাই খারাপ।"

দ্বিতীয় ধাপ — এবার নিজেকে উল্টো পক্ষের উকিল বানান। আপনার কাজ হলো ওই বিশ্বাসের বিপক্ষে প্রমাণ খুঁজে বের করা। কমপক্ষে তিনটা। "আমাকে দিয়ে কিছু হবে না" লিখে থাকলে খুঁজুন — জীবনে কোন তিনটা কাজ আপনি সফলভাবে শেষ করেছিলেন? যত ছোটই হোক। মস্তিষ্ক বাধা দেবে, বলবে "ওগুলো তো এমনি হয়ে গেছে।" ওই বাধাটাই প্রমাণ যে আপনি বায়াসের গোড়ায় হাত দিয়েছেন।

তৃতীয় ধাপ — পরের সাত দিন, প্রতিদিন ওই বিশ্বাসের বিপক্ষে অন্তত একটা নতুন প্রমাণ খাতায় যোগ করুন। সাত দিন পর কাগজটার দিকে তাকান। দেখবেন, যে বিশ্বাসটাকে পাথরের মতো শক্ত মনে হতো, সেটার গায়ে ফাটল ধরেছে।

চতুর্থ ধাপ — এখন থেকে কোনো মানুষ বা পরিস্থিতি নিয়ে চূড়ান্ত রায় দেওয়ার আগে নিজেকে একটা প্রশ্ন করুন: "যদি আমার ধারণাটা ভুল হয়, তাহলে কোন প্রমাণটা আমি এড়িয়ে যাচ্ছি?" এই একটা প্রশ্ন আপনাকে হাজারো ভুল বোঝাবুঝি থেকে বাঁচাবে।

মনে রাখবেন — যে মানুষ শুধু নিজের পক্ষের প্রমাণ খোঁজে, সে সারাজীবন একই জায়গায় ঘুরপাক খায়। আর যে মানুষ নিজের বিশ্বাসকে প্রশ্ন করার সাহস রাখে, সে-ই আসলে বড় হয়।

আপনার ভেতরে এমন কোন বিশ্বাসটা আছে, যেটা হয়তো এতদিন শুধু একপক্ষের প্রমাণ দিয়ে টিকে আছে? সাহস থাকলে কমেন্টে লিখুন — "আমি চ্যালেঞ্জ নিলাম।"

আমাদের ক্রিটিকেল থিংকিং নিয়ে বইটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পিন করা কমেন্টের লিংকে দেখুন।

#ক্রিটিক্যালথিংকিং #মনোবিজ্ঞান #কনফার্মেশনবায়াস #আত্মউন্নয়ন
Breathe · Believe · Blossom

🟥 𝗨𝗣𝗗𝗔𝗧𝗘 🟥 আইআরজিসি (ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস) এর বিবৃতি:“ইরানের হাসপাতাল, সেতু, রেলপথ, বিমানবন্দর, সমুদ্...
19/07/2026

🟥 𝗨𝗣𝗗𝗔𝗧𝗘 🟥 আইআরজিসি (ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস) এর বিবৃতি:

“ইরানের হাসপাতাল, সেতু, রেলপথ, বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর, যোগাযোগকেন্দ্রসহ অন্যান্য বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হ|মল| বন্ধ করতে কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ইচ্ছুক বা সক্ষম না হওয়ায়, আমাদের সামনে পবিত্র কুরআনের এই নির্দেশনা অনুসরণ করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই: "তারা যদি তোমাদের ওপর যেভাবে আক্রমণ করে, তোমরাও তাদের ওপর ঠিক সেভাবেই আক্রমণ করো।"

আপাতত, আমরা আমাদের প্রতিক্রিয়া শুধুমাত্র সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে সীমাবদ্ধ রেখেছি, যাতে মার্কিন সরকার তাদের বর্তমান নীতি পরিবর্তনের একটি সুযোগ পায়।

তবে যেসব দেশ তাদের ভূখণ্ডে মার্কিন বাহিনীকে অবস্থান করতে দিয়েছে এবং ইরানের বিরুদ্ধে হ|মল|র জন্য সেই ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দিচ্ছে, তাদের সমপর্যায়ের প্রতিক্রিয়া পাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

তারা যেন তাদের বেসামরিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করে, নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু থেকে বেসামরিক মানুষকে দূরে রাখে।”

একটা পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্কট কোনোভাবেই সমাধান হবে না। কেন? চলেন একটু ভেতর থেকে বোঝার ট্রাই করি।ইরান যে ...
18/07/2026

একটা পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্কট কোনোভাবেই সমাধান হবে না।

কেন? চলেন একটু ভেতর থেকে বোঝার ট্রাই করি।

ইরান যে পলিসি পারসু করতেছে, সেটা হল নিউক্লিয়ার থ্রেশল্ড পলিসি। অর্থাৎ নিউক বানানোর সমস্ত টেকনোলোজি হাতে আছে, বাট এখনো বানানো হয় নাই।

কেন বানানো হয় নাই? কারণ নিউক বানাইলে যে নজিরবিহীন স্যাংশনের মুখে পড়তে হবে উত্তর কোরিয়ার মত, সেটা তারা সামলাইতে পারবে কিনা এ নিয়ে দ্বন্দ্ব।

নিউক থ্রেশল্ডের সুবিধা-অসুবিধা দুই-ই আছে।

সুবিধা হল যেহেতু তার হাতে টেকনোলোজি আছে, সেহেতু তাকে অহেতুক কেউ ঘাটাইতে যাবে না।

কিন্তু অসুবিধা হইল এই থ্রেশল্ডে থাকাটাই অলওয়েজ যুদ্ধের একটা সম্ভাবনা তৈরি করে রাখে।

ঠিক যেই মুহুর্তে বিশ্বমোড়লরা বা প্রতিদ্বন্দ্বীরা রিয়েলাইজ করবে যে এখন আক্রমণ করলে তারা নিউক তৈরি করতে পারবে না, সেই মুহুর্তেই আক্রমণ করবে।

সো নিউক্লিয়ার থ্রেশল্ডকে আবার ব্যাকাপ দেওয়ার জন্য ইরান প্রক্সি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছে। যেন ইরানের উপর আক্রমণ না হয়। ইরানের উপর আক্রমণ করতে হইলে প্রক্সিদের পার হয়ে আসতে হবে।

ফলে থ্রেশল্ড পলিসিতে অলওয়েজ যে আক্রমণের শঙ্কা থাকে, ইরান সেটা ট্যাকল দিছে প্রক্সির মাধ্যমে।

বাট যেই নাকি প্রক্সিরা দুর্বল হয়ে গেছে, সরাসরি ইরানের উপর আক্রমণ হইছে।

সো আলটিমেটলি ইরানের থ্রেশল্ড পলিসি ফেইল মারছে।

এখন ইরানের হাতে জাস্ট অনলি ওয়ান অলটারনেটিভ আছে। সেটা কী?

হরমুজ প্রণালী।

ইরানের হাতে নিউক নাই। হয়ত সেটা ইমিডিয়েটলি ডেভেলপ করবে সেই ক্যাপাসিটিও নাই। কারণ আমেরিকার রিসেন্ট আক্রমণগুলো হচ্ছে অত্যন্ত ক্যালকুলেটিভ।

সুনির্দিষ্ট একটা প্যাটার্ন ধরে একটা টাইমলাইন ধরে আক্রমণ চালাচ্ছে।

ফলে ইরানের হাতে বাকি বিশ্বকে প্রেশার দেওয়ার একটাই মাত্র পথ-হরমুজ।

হরমুজ ইরানের দখলে থাকলে অন্য কেউ তাকে আর ঘাটাইতে যাবে না। তাই যেকোনো মূল্যে হরমুজকে ইরানের দখলে রাখতেই হবে। একারণেই ওমানি জলপথে ইরান জলদস্যুতা করে বেড়াইতেছে।

কারণ এর বাইরে তার হাতে অপশনই নাই। বেঁচে থাকলে হইলে এটাই একমাত্র উপায়। সো ইরানের জন্য এটা লাইফ এন্ড ডেথ সিচুয়েশন।

অপরদিকে ইরানের জন্য যেটা লাইফ সাপোর্ট, বাদবাকি পুরা গালফ, এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা ও আমেরিকার জন্য ঠিক সেইটাই হেমলক বিষ।

গালফ কান্ট্রিগুলোর শুধু তেল রপ্তানি না, বরং বেঁচে থাকার প্রধান ফুসফুস হরমুজ। এখান দিয়ে যেমন তাদের তেল যায়, তেমনি আসে খাবার, ওষুধ, কাপড়চোপড় সহ মরুভূমিতে জীবনধারনের সমস্ত উপকরণ।

বিশ্ববাণিজ্যের হিসাবে পার্সেন্টিজটা ২০% হইলেও গালফ কান্ট্রিগুলোর জন্য এটা কিন্তু ২০% না। কারো জন্য ৫০, কারো জন্য ৯০%+।

আবার সেক্টরভেদেও ভিন্নতা আছে। কোনো কোনো সেক্টরে ১০০ পার্সেন্টই হরমুজের উপর নির্ভরশীল।

ফলে নিজেদের গলা ২৪/৭ ইরানের হাতের মুঠোয় থাকবে, এটা গালফ কান্ট্রিগুলোর জন্য আবার লাইফ এন্ড ডেথ সিচুয়েশন।

কস্মিণকালেও এই সেটাপ মেনে নেওয়া সম্ভব না, যদি না তাদের নিজস্ব কো-অপারেশনের মাধ্যমে বিষয়টা সেটলড হয়।

তবে সেখানে অবশ্যই অবশ্যই ইরান যেমন চাচ্ছে যে শুধুমাত্র ইরানি জলপথ দিয়েই জাহাজ যাবে, আইআরজিসির অনুমতি নিয়ে, এটা কোনোদিনই হবে না।

এটা হইলে তো যেই লাউ সেই কদু।

বটম লাইন হল-ইরান এই মুহুর্তে হরমুজ ছাড়তে পারতেছে না, গালফ কান্ট্রিগুলো সেটা ইরানের হাতে দিতে পারতেছে না।

বাদবাকি বিশ্বের একটা দেশও, আক্ষরিক অর্থেই একটা দেশও ইরানের এই প্রস্তাব মেনে নিবে না।

এখন উপায়?

উপায় হল ইরান অফুরন্ত সময় জুড়ে গালফ+আমেরিকার সম্মিলিত শক্তির বিরুদ্ধে টিকে থাকার মত অপরিসীম শক্তিশালী হওয়া।

যেটা আসলে ইরানের নাই। হবেও না।

কেন হবে না সেটা বুঝতে হলে ইরাক-ইরান যুদ্ধ কিভাবে শেষ হইছে সেটা জানেন। সোর্স খুঁজে না পাইলে আত তুরাস একাডেমিতে আমার ইরান কোর্সটা করেন।

এখানে এত লম্বা চওড়া আলাপের সুযোগ নাই।

যদি সেই পরিমাণ শক্তিশালী ইরান হতে না পারে, তাহলে বাকি একটাই পথ অবশিষ্ট আছে- ইরানের পরাজয়।

আজ হোক বা কাল, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ হবেই। হবেই হবে।

আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সিকিউরিটি ডিলেমার ক্লাসিক এক্সাম্পল।

অর্থাৎ এক পক্ষের জন্য যেটা নিরাপত্তার রক্ষাকবচ, অপরপক্ষের জন্য সেটাই গলার ছুরি। আবার অপরপক্ষের জন্য যেটা রক্ষাকবচ, প্রথম পক্ষের জন্য সেটাই আত্মহত্যার শামিল।

©collected

তেহরানে আয়াতোল্লাহ খামেনীর জানাজার জন্য আমন্ত্রিতদের তালিকায় ছিল না সৌদির নাম, এমনটাই এসেছে ইরানি মিডিয়ায়। ব্যাপারটা বোধ...
04/07/2026

তেহরানে আয়াতোল্লাহ খামেনীর জানাজার জন্য আমন্ত্রিতদের তালিকায় ছিল না সৌদির নাম, এমনটাই এসেছে ইরানি মিডিয়ায়। ব্যাপারটা বোধগম্য, যেহেতু তাদের দা-কুমড়া সম্পর্ক। কিন্তু অনেকটা সারপ্রাইজ ভিজিট হিসেবেই সম্মান জানাতে সৌদি দল হাজির হয়েছে। নেতৃত্বে আছেন সৌদি উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ আল-খুরাইজি।

তো, তারা যখন এগিয়ে গেলেন, তখন ইরানি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে পবিত্র কুরআনের যে আয়াতের তিলাওয়াত ছাড়া হলো, সেটি সূরা আলে ইমরানের ১৩ নং আয়াত, "নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য নিদর্শন রয়েছে দুটি দলের মধ্যে, যারা পরস্পর মুখোমুখি হয়েছিল। একটি দল লড়াই করছিল আল্লাহর পথে আর অপর দলটি কাফির। তারা বাহ্যিক দৃষ্টিতে তাদেরকে ওদের দ্বিগুণ দেখছিল। আল্লাহ নিজ সাহায্য দ্বারা যাকে চান শক্তিশালী করেন। নিশ্চয়ই এতে রয়েছে চক্ষুষ্মানদের জন্য শিক্ষা।" [সূরা আলে ইমরান ৩:১৩]

ভাবছেন, অন্য কোন দেশের ক্ষেত্রে কী আয়াত শুনিয়েছে ইরান? চলুন জেনে নিই।

তুরস্কের ক্ষেত্রে-

“যেসব মুমিন কোনো ওজর ছাড়া ঘরে বসে থাকে এবং যারা আল্লাহর পথে নিজেদের সম্পদ ও জীবন দিয়ে সংগ্রাম করে, তারা সমান নয়। আল্লাহ মুজাহিদদের মর্যাদা বসে থাকা লোকদের ওপর উচ্চ করেছেন এবং প্রত্যেকের জন্য কল্যাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন; তবে মুজাহিদদের জন্য তিনি অধিক মহাপুরস্কার নির্ধারণ করেছেন।” [সূরা নিসা ৪:৯৫]

কাতারের ক্ষেত্রে-

“নিশ্চয়ই আমি আপনাকে সুস্পষ্ট বিজয় দান করেছি। যাতে আল্লাহ আপনার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী ত্রুটি ক্ষমা করেন, আপনার প্রতি তাঁর অনুগ্রহ পূর্ণ করেন এবং আপনাকে সরল পথে পরিচালিত করেন। এবং আল্লাহ আপনাকে পরাক্রমশালী সাহায্য দান করেন।” [সূরা আল-ফাতহ ৪৮:১–৩]

ফি/লিস্তিনের ক্ষেত্রে-

“পবিত্র ও মহান তিনি, যিনি তাঁর বান্দাকে রাতে মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আক্বসা পর্যন্ত ভ্রমণ করিয়েছিলেন, যার চারপাশ আমি বরকতময় করেছি, যাতে আমি তাঁকে আমার নিদর্শনসমূহ দেখাই। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।” [সূরা বনি ইসরাঈল ১৭:১]

পাকিস্তানের ক্ষেত্রে-

“বলুন, হে আমার প্রতিপালক! আমাকে সত্যের সঙ্গে প্রবেশ করান, সত্যের সঙ্গে বের করুন এবং আপনার পক্ষ থেকে আমাকে সাহায্যকারী শক্তি দান করুন।” [সূরা বনি ইসরাঈল ১৭:৮০]

সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও কুয়েত থেকে কাউকে পাঠানো হয়নি।

ও হ্যাঁ, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যে আয়াত তিলাওয়াত করা হয়-

“যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়েছে, তাদেরকে কখনই মৃত মনে করো না, বরং তারা তাদের প্রতিপালকের নিকট জীবিত; তাদের রিযিক দেয়া হয়। আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে যা দিয়েছেন তা লাভ করে তারা আনন্দিত আর যে সব ঈমানদার লোক তাদের পেছনে (পৃথিবীতে) রয়ে গেছে, এখনও তাদের সাথে এসে মিলিত হয়নি, তাদের কোন ভয় ও চিন্তে নেই জেনে তারা আনন্দিত।” [সুরা আলে ইমরান ৩:১৬৯-১৭০]

যা-ই হোক, ৮ জুলাই আয়াতোল্লাহ খামেনীর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কারবালায়।

Purai Agun🔥🔥
23/06/2026

Purai Agun🔥🔥

চিনি বাদ দিলে কি টেস্টোস্টেরন বাড়ে: শরীরের ভেতরের এক জাদুকরী হরমোন যুদ্ধপ্রীতম বিশ্বাসকল্পনা করুন আপনার শরীরের ভেতরে একট...
23/06/2026

চিনি বাদ দিলে কি টেস্টোস্টেরন বাড়ে: শরীরের ভেতরের এক জাদুকরী হরমোন যুদ্ধ
প্রীতম বিশ্বাস

কল্পনা করুন আপনার শরীরের ভেতরে একটি সুন্দর রাজপ্রাসাদ আছে আর সেই প্রাসাদের সিংহাসনে বসে আছেন একজন শক্তিশালী রাজা যার নাম টেস্টোস্টেরন। এই রাজার কাজ হলো আপনার শরীরকে চনমনে রাখা, পেশিকে শক্তিশালী করা, হাড় মজবুত করা আর আপনাকে সারাদিন এনার্জি বা শক্তিতে ভরপুর রাখা। প্রাসাদের সব প্রজারা রাজাকে খুব ভালোবাসে। কিন্তু হঠাৎ একদিন প্রাসাদের প্রধান ফটক দিয়ে ঢুকে পড়ল একদল মিষ্টি জাদুকর যাদের নাম চিনি বা সুগার। তারা দেখতে খুব আকর্ষণীয় আর স্বাদেও চমৎকার। কিন্তু প্রাসাদে ঢোকার পরপরই তারা এক অদ্ভুত কাণ্ড করতে শুরু করল। তারা রাজার চারপাশটা ঘিরে ধরে এমন এক মায়াজাল তৈরি করল যে রাজা আস্তে আস্তে দুর্বল হয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন। এই মিষ্টি জাদুকরদের দল যতদিন প্রাসাদে রাজত্ব করবে, রাজা তত বেশি দুর্বল হতে থাকবেন। আজ আমরা গল্পে গল্পে জানবো কীভাবে আমাদের রোজকার খাবার তালিকা থেকে এই চিনি বা মিষ্টি জাদুকরদের বিদায় দিলে আমাদের শরীরের সেই ঘুমন্ত রাজা অর্থাৎ টেস্টোস্টেরন হরমোন আবার তার পুরো শক্তি নিয়ে জেগে ওঠে।

ইতিহাসের পাতা ওল্টালে দেখা যায়, আজ থেকে কয়েকশো বছর আগে আমাদের পূর্বপুরুষেরা কিন্তু এত চিনি খেতেন না। তখন রিফাইন বা পরিশোধিত চিনির কোনো অস্তিত্বই ছিল না। মানুষ তখন জঙ্গল থেকে ফলমূল বা প্রাকৃতিক খাবার সংগ্রহ করে খেত। ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় সেই আমলের মানুষেরা শারীরিকভাবে অনেক বেশি শক্তিশালী ও চনমনে থাকতেন। কিন্তু আধুনিক যুগে এসে যখন কলকারখানায় চিনি তৈরি শুরু হলো, তখন থেকে মানুষের খাবারের টেবিলে চিনির বন্যা বয়ে গেল। বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে চিকিৎসকেরা প্রথম খেয়াল করলেন যে অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার কারণে মানুষের শরীরের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখলেন যে পুরুষ ও নারী উভয়ের শরীরের জন্যই অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এই টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা দিন দিন কমে যাওয়ার পেছনে এই সাদা চিনি এক বড় ভূমিকা পালন করছে।

এই পুরো প্রক্রিয়ার পেছনের থিওরি বা বৈজ্ঞানিক তত্ত্বটি বোঝা কিন্তু খুবই সহজ। আমরা যখনই কোনো মিষ্টি খাবার বা চিনি খাই, তখন আমাদের রক্তে গ্লুকোজ বা শর্করার মাত্রা এক লাফে অনেক বেড়ে যায়। এই গ্লুকোজকে সামাল দেওয়ার জন্য আমাদের অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নামের একটি হরমোন ক্ষরিত হয়। এই ইনসুলিনের কাজ হলো রক্ত থেকে চিনিকে সরিয়ে শরীরের বিভিন্ন কোষে পৌঁছে দেওয়া। বিজ্ঞানের ভাষায় ইনসুলিন এবং টেস্টোস্টেরনের সম্পর্কটি হলো ঠিক দা কুমড়ো সম্পর্কের মতো। রক্তে যখনই ইনসুলিনের মাত্রা অনেক বেশি থাকে, তখন তা টেস্টোস্টেরন হরমোন তৈরির কারখানাকে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরীক্ষায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার ঠিক দুই ঘণ্টার মধ্যে শরীরের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রায় পঁচিশ শতাংশ পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। তাই চিনি বাদ দিলে ইনসুলিন শান্ত থাকে আর টেস্টোস্টেরন রাজা আবার ফ্রিলী নিজের কাজ করতে পারে।

আসুন বিষয়টি একটি খুব সহজ এনালজি বা তুলনা দিয়ে বোঝার চেষ্টা করি যা ঘরের ছোট বাচ্চারাও খুব সহজে মনের মধ্যে গেঁথে নিতে পারবে। মনে করুন আপনার কাছে একটি চমৎকার রিমোট কন্ট্রোল খেলনা গাড়ি আছে যা খুব দ্রুত চলে। এই গাড়িটি হলো আপনার টেস্টোস্টেরন। এখন আপনি যদি গাড়ির চাকার মধ্যে একদলা আঠালো কাদা লাগিয়ে দেন, তবে গাড়ির গতি কেমন হবে? নিশ্চয়ই গাড়িটি আর আগের মতো জোরে চলতে পারবে না এবং এক জায়গায় আটকে যাবে। চিনি হলো ঠিক সেই আঠালো কাদার মতো, যা আপনার শরীরের হরমোন তৈরির চাকাগুলোকে জ্যাম করে দেয়। আপনি যখনই আপনার শরীর থেকে সেই চিনির কাদা পরিষ্কার করে দেবেন, অর্থাৎ চিনি খাওয়া বন্ধ করবেন, আপনার খেলনা গাড়িটি আবার আগের মতো পুরো গতিতে ছুটতে শুরু করবে।

এবার কিশোরদের জন্য এই হরমোনের লড়াইয়ের একটি দুর্দান্ত উদাহরণ দেওয়া যাক যা তাদের এক নিঃশ্বাসে পুরো বিষয়টি বুঝিয়ে দেবে। মনে করুন আপনি একটি ভিডিও গেম খেলছেন যেখানে আপনার ক্যারেক্টারের শক্তি বা পাওয়ার বুস্ট দরকার। টেস্টোস্টেরন হলো সেই পাওয়ার বুস্টার যা কিশোর ও তরুণদের গলার আওয়াজ গম্ভীর করতে, দাড়ি গোঁফ গজাতে, মনঃসংযোগ বাড়াতে এবং মেদহীন শরীর গঠনে সাহায্য করে। কিন্তু যখন কেউ সারাদিন কোল্ড ড্রিঙ্কস, চকলেট, আইসক্রিম বা ফাস্টফুডের মাধ্যমে চিনি গিলতে থাকে, তখন তার লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমতে শুরু করে যাকে ভিসারাল ফ্যাট বলা হয়। এই চর্বি আবার এক বিশেষ এনজাইম তৈরি করে যা টেস্টোস্টেরনকে মেয়েলি হরমোন ইস্ট্রোজেনে রূপান্তর করে দেয়। এর ফলে শরীরে ক্লান্তি আসে, অলসতা বাড়ে এবং মন খিটখিটে হয়ে যায়। গেমের বসকে হারাতে যেমন পাওয়ার বুস্টার লাগে, তেমনি জীবনের খেলায় জিততে গেলে এই চিনি নামক ভিলেনকে ডায়েট থেকে আউট করা জরুরি।

এই ধারণার এপলিকেশন বা বাস্তব প্রয়োগ কিন্তু আমাদের সুস্থ জীবনের মূল চাবিকাঠি। আপনি যদি মাত্র দুই সপ্তাহের জন্য আপনার চা, কফি, মিষ্টি বা প্রক্রিয়াজাত খাবার থেকে চিনি পুরোপুরি বাদ দিয়ে দেন, তবে আপনার শরীরে এক অবিশ্বাস্য পরিবর্তন দেখতে পাবেন। প্রথম কয়েকদিন হয়তো চিনির প্রতি এক ধরনের টান বা ক্রেভিং তৈরি হবে, কিন্তু সেটি সামলে নিতে পারলে আপনার ইনসুলিনের মাত্রা একদম নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। এর ফলে আপনার শরীর নিজে থেকেই টেস্টোস্টেরন হরমোন উৎপাদন বাড়িয়ে দেবে। আপনি দেখতে পাবেন আপনার সকালের ক্লান্তি দূর হয়ে গেছে, সারাদিন কাজে দারুণ এনার্জি পাচ্ছেন এবং জিম বা খেলাধুলায় আপনার পেশির শক্তি অনেক বেড়ে গেছে।

চিনি বাদ দেওয়ার এই সহজ জাদুকরী গল্পটি আমাদের শেখায় যে আমরা যা খাই তা কেবল আমাদের পেটের ক্ষুধা মেটায় না, বরং আমাদের ভেতরের পুরো হরমোন সাম্রাজ্যকে নিয়ন্ত্রণ করে। আপনি যখনই কোনো মিষ্টির দোকানে যাবেন বা কোনো কোমল পানীয়র ক্যান হাতে নেবেন, তখন মনে করবেন যে আপনি আপনার শরীরের ভেতরের শক্তিশালী রাজাকে দুর্বল করতে যাচ্ছেন কিনা। কিশোর তরুণরা যখন বিজ্ঞানের এই চমৎকার হরমোন রহস্যকে বুঝতে পারবে, তখন তারা নিজেরাই নিজেদের শরীরকে সুস্থ ও ফিট রাখার দায়িত্ব নিতে পারবে। খাবারের থালা থেকে এই সাদা বিষ বা চিনিকে বিদায় জানিয়ে প্রাকৃতিকভাবে নিজের ভেতরের পুরুষত্ব ও শক্তিকে জাগিয়ে তোলাই হোক আমাদের লক্ষ্য, যা আগামী দিনে একটি সুস্থ ও সবল প্রজন্ম গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।

সহজ তথ্যসূত্র:

১. হরমোন ও বিপাকীয় রোগ গবেষণা সাময়িকী অ্যান্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ।

২. মানব শরীরে চিনির প্রভাব ও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স পুষ্টি বিজ্ঞান একাডেমি।

৩. টেস্টোস্টেরন হরমোন ও আধুনিক ডায়েট চার্ট মেডিকেল জার্নাল সিরিজ।

আর্জেন্টিনা ফুটবল দল কাতার যাওয়ার আগে ৯০০ কেজি গরুর গোশত দেশ থেকে নিয়ে যায়। এবার যুক্তরাষ্ট্রে তারা নিচ্ছে ৫০০ কেজি গরুর...
23/06/2026

আর্জেন্টিনা ফুটবল দল কাতার যাওয়ার আগে ৯০০ কেজি গরুর গোশত দেশ থেকে নিয়ে যায়। এবার যুক্তরাষ্ট্রে তারা নিচ্ছে ৫০০ কেজি গরুর গোশত, বাকিটা তারা লোকালি কালেক্ট করে নেবে। কিন্তু কেন এত গরুর গোশত??

প্রোটিনের মানের দিক দিয়ে দুনিয়ার সেরা গোশত হচ্ছে গরুর গোশত।
প্রোটিন-ফ্যাট-পলিস্যাকারাইড এগুলি হচ্ছে বড় বড় মলিকিউল বা অনু। এদেরকে বায়োকেমিস্ট্রিতে বলা হয় ম্যাক্রোমলিকিউল। ধরা যাক, একটা প্রোটিন হচ্ছে একটা বাড়ির মত। তো এই বাড়িটা তো অনেকগুলি ইট দিয়ে তৈরি, এই ইট হচ্ছে এমাইনো এসিড। অজস্র অজস্র এমাইনো এসিড দিয়ে একটা করে প্রোটিন তৈরি হয়।

আমাদের শরীর স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে ২১ ধরনের এমাইনো এসিড লাগে, এরমধ্যে ৯ ধরনের এমাইনো এসিড মানুষ নিজে তৈরি করতে পারে না, এগুলি খাবার থেকে পেতে হয়।

এই ৯ ধরনের এমাইনো এসিডগুলির মধ্যে আছেঃ

১)ফিনাইল এলানিন
২)লাইসিন
৩)ট্রিপ্টোফ্যান
৪)মেথিওনিন
৫)ভ্যালিন
৬)থ্রেওনিন
৭)লিউসিন
৮)আইসোলিউসিন
৯)হিস্টিডিন

গরুর গোশত লাইসিন, লিউসিন, আইসোলিউসিন, মেথিওনিন এই কয়টা এমাইনো এসিডের নাম্বার ওয়ান বেস্ট সোর্স। বাকিগুলোর বেশিরভাগের ক্ষেত্রেও গরুর গোশত টপ ২-৫ নম্বর সোর্স।
এছাড়া আরো যে ৬টা কন্ডিশনালি ইসেনশিয়াল এমিনো আসিড আছে যেগুলির মধ্যে টাইরোসিন, প্রোলিন কন্টেন্টে গরুর গোশত সবার সেরা। বাকি কন্ডিশনালি গুলোর ক্ষেত্রে সিট্রুলিন বাদে অন্যান্য এমাইনো এসিডের পরিমানের দিক দিয়ে গরুর গোশত অন্যতম সেরা।

প্রসেসড মিট আর আনপ্রসেসড মিট খাওয়ার ফলাফল কিন্তু এক না।
সল্টিং-স্মোকিং-কিউরিং-প্রিজার্ভিং এই স্টেপগুলার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী গবাদি পশু জবাইয়ের পর সেগুলিকে প্রসেস করে তা লম্বা সময় ধরে সংরক্ষন করা হয়। এই স্টেপগুলাতে নাইট্রেট কম্পাউন্ড, উচ্চমাত্রায় সোডিয়াম ক্লোরাইড ও মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট, এরোম্যাটিক এমিন এবং হেটেরোসাইক্লিক এমিনো এসিড কম্পাউন্ড গোশতে মেশে এবং এরা পরবর্তীতে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুকির কারন হয়ে দাঁড়ায়।

বাংলাদেশে আমরা যে গরুর গোশত খাই তার প্রায় পুরোটাই এখনো আনপ্রসেসড। আনপ্রসেসড গরুর গোশত খাওয়ার ফলে হার্ট এটাক-কোলন ক্যান্সার হওয়ার ঝুকিও এখন পর্যন্ত কজ টু ইফেক্ট রিলেশনশিপ আকারে প্রমানিত হয় নি। কিন্তু যাদের ক্রনিক কিডনি ডিজিজ আছে, বা হাইপারইনসুলিনেমিয়া/আর্টেরিওস্ক্লেরোসিস(ধমনীর গায়ে চর্বি জমা) বা ইশকেমিক হার্ট ডিজিজ আছে, তাদের উচিত হবে গরুর গোশতের সাথে কোনভাবেই কৃত্রিম তেল(সয়াবিন, রাইস ব্র‍্যান, জিএমও সানফ্লাওয়ার) না খাওয়া এবং কার্বোহাইড্রেট সীমিত পরিমানে খাওয়া।

পক্ষান্তরে যারা গর্ভবতী, বা মাসল বিল্ডিং করছেন বা স্পোর্টস এথলিট, অথবা যেসব শিশু-কিশোর বাড়ন্ত বয়সে আছে তাদের জন্য গরুর গোশত আদর্শ খাবার।

Address

Devendro College Road
Manikganj
1800

Telephone

+8801685304453

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when InHuman Muzzle posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to InHuman Muzzle:

Shortcuts

Share

Category