Bappa

Bappa This Page Is Created For Entertainment. My Self Masum Billah (Bappa) works at BRB Group.

09/03/2026

“ধরা যাক দেশে ফেরার দিন তারেক রহমানের জনপ্রিয়তা ছিলো ১০০। এখন সেটা ৭০ এর বেশি আছে মনে হয় না। নির্বাচনের মাত্র ২০ দিনের মাথায় যিনি ৩০ শতাংশ জনপ্রিয়তা হারাতে পারেন, অ্যাকশন ও ইনঅ্যাকশনের মাধ্যমে, তিনি ৫ বছরে বিএনপিকে কোথায় নেবেন ভেবে শঙ্কিত হচ্ছি।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে মুক্তিযুদ্ধ সবচেয়ে বড় ডিসাইডিং ফ্যাক্টর। ১২ তারিখ মুক্তিযুদ্ধের উপর ভর করেই বিএনপি বিপদ কাটিয়েছে, এবং দুঃখের বিষয়— ক্ষমতায় গিয়েই ভুলে গেছে যে এক মাঘে শীত যায় না।

১২ তারিখের আগে মৌলবাদী শক্তির প্রধান লক্ষ্য ছিলো তারেক রহমানকে খু*ন করা। আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের মাঝখানে একমাত্র বাধা হয়ে ছিলেন তারেক রহমান।

তারা প্রকাশ্যে বলেছে, “তারেক জিয়ার শা উয়া মাউয়া ছিঁড়ে লাত্থি দিয়ে ভারত পাঠানো হবে।”

তারেক রহমান ও বাংলাদেশ, এ দুটিকে বাঁচাতেই মানুষ মৌলবাদের বিরুদ্ধে গিয়ে ধানের শীষে ভোট দিয়েছে। আমি দিয়েছি, আমার ১৪ গোষ্ঠী দিয়েছে। নগ্নভাবে বিএনপি’র পক্ষে ভোট চেয়েছি।

কিন্তু প্রাপ্তিটা কী? দেড় বছর বিএনপি তৃণমূল যাদের সাথে পূর্ণশক্তি নিয়ে লড়াই করলো, দেশবাসীও সমর্থন দিলো, সেই অশুভ শক্তির সাথেই তারেক রহমান শপথ নিয়ে ডলাডলি শুরু করলেন। তাদের বাসায় যাচ্ছেন, ইফতার করছেন, কানাকানি করছেন, মাথা পেতে দোয়া নিচ্ছেন।

যেভাবে শয়তান অবুজ বালকের মাথায় হাত বোলায়, সেভাবে নারীবিরোধী, গণতন্ত্রবিরোধী, মুক্তিযুদ্ধবিরোধীরা প্রধানমন্ত্রীর মাথায় হাত বোলাচ্ছে। সমাজকে জানাচ্ছে, দেখো, প্রধানমন্ত্রীকেও আমাদের দোয়া নিয়ে চলতে হয়!

মানুষ বলে, বিএনপি ও জামাতের মাঝে পার্থক্য নেই। আমরা বিশ্বাস করতে চাই না। কিন্তু মনে হচ্ছে, তারেক রহমান উঠে পড়ে লেগেছেন দেশবাসীকে এটা বিশ্বাস করানোর জন্য।

দেশে আসার পর তার কাজগুলো একটু দেখি:

(১) ডাকসু’র ক্ষুদে রাজাকাররা তার সাথে মিটিং করলো। তিনিও মিটিং করলেন। কিন্তু ডাকসু’তে জেতা ছাত্রদলের কেউ তার সাথে মিটিংয়ের সুযোগ পেলো না। তিনিও খুঁজলেন না।

(২) গোলাম আজমের ছেলে তার সাথে মিটিং করলো, তিনিও করলেন।

(৩) ওসমান হাদীর কবর জেয়ারত করলেন, নজরুলের কবরের উপর আরেক নজরুলকে স্বীকৃতি দিলেন।

কিন্তু একই সময়ে মৌলবাদীদের হাতে নিহত হওয়া দীপু চন্দ্রের বাড়িতে যাওয়ার সুযোগ তার হয় নি।
দীপুর পরিবারের কোনো খোঁজ নিয়েছেন বলেও জানা যায় নি।

(৪) একদিকে বললেন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করা হবে, আরেকদিকে ৭-ই মার্চের ভাষণ বাজানোর অপরাধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের উপর মব ঘটতে দিলেন।
মবে অংশ নিয়েছে শাহবাগা থানা বিএনপি, ডাকসু রাজাকারচক্র, ও পুলিশ।
মবের শিকার ভিক্টিমকে পুলিশ আটকও করেছে, এবং ওসি বলেছে— ৭ই মার্চের ভাষণ নাকি নিষিদ্ধ!

তালিকা আরও লম্বা করতে পারি। লাভ কী? হাতির কান বড়, কিন্তু শুনে কম।

মুক্তিযুদ্ধ আওয়ামী লীগের সম্পত্তি নয়, এমন কথা নিরপেক্ষ রবীন্দ্রনাথরা খুব বলি। কিন্তু ভেবে দেখা দরকার, মুক্তিযুদ্ধ নিজেই আত্মরক্ষার প্রয়োজনে আওয়ামী লীগের ঘাড়ে সওয়ার হয় কি না? আওয়ামী লীগ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধকে রাজাকারদের হাত থেকে বাঁচানোর মতো বিকল্প কেউ আছে কি না? আমরা যে আশা করেছিলাম, বিএনপি সেই বিকল্প হবে, লক্ষণ কোথায়?

আজ যে বিএনপি ৭-ই মার্চের ভাষণকে নিজেদের মনে করে বাঁচাতে পারলো না, উল্টো আক্রমণ করলো, বা আক্রমণে সহযোগিতা করলো, এবং কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজাকারদের সাথে দাঁড়ালো, এর ফল কার ঘরে গেলো? আমি তো পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি, মুক্তিযুদ্ধ আবার বাধ্য হয়ে আওয়ামী লীগকে খুঁজবে। বিএনপির উপর সে ঠিক ভরসা করতে পারছে না।

নির্বাচনের আগে অনেক কিছু বলতে চেয়েও বলি নি, কারণ বিএনপিকে দুর্বল করতে চাই নি। এখন মনে হচ্ছে বলা দরকার।

৫ আগস্টের পর সারাদেশে যে মব ঘটলো, মাজার ভাঙা হলো, বাউল পেটানো হলো, গান-বাজনায় আক্রমণ চালানো হলো, দীপু চন্দ্রকে পিটিয়ে মেরে গাছে ঝুলিয়ে লাশ পোড়ানো হলো, বিএনপি তখন কী করছিলো? তারা কেন এগুলো প্রতিরোধ করতে পারলো না? তাদের তো প্রতিরোধের মতো সাংগঠনিক শক্তি ছিলো। ইউনূসের রাজনীতিক ক্ষমতা নেই, কিন্তু তারেক রহমানের ছিলো। তিনি কেন সেই শক্তি ব্যবহার করলেন না? দেশবাসী তো তার দিকে তাকিয়ে ছিলো।

সারাদেশে হিন্দুরা যে চোখ বুজে ধানের শীষে ভোট দিয়েছে, সেই হিন্দুরা এখন কী বার্তা পাচ্ছে? যে-নারীরা মৌলবাদ থেকে বাঁচতে বিএনপি’র উপর ভরসা করলো, সেই নারীরা মৌলবাদীদের সাথে তারেক রহমানের ঢলাঢলি দেখে কী ভাবছে? একটি হিন্দু ছেলেকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে মেরে লাশ পুড়িয়ে দেয়া হলো, তারেক রহমান কী কারণে সেই হিন্দু পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারলেন না, যেভাবে তিনি ওসমান হাদীর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন?

এক মাঘে শীত যায় না। গতকাল থেকে সেকুলার লিবারেল প্রগ্রেসিভ সম্প্রদায় আমাকে বিরামহীনভাবে গালিগালাজ করছে, ইনবক্স ভরে উঠেছে বার্তায়, কারণ আমার কথায়ই নাকি তারা বিএনপিকে ভোট দিয়েছে।

আমি কী জবাব দেবো?”


—মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
প্রতিক্রিয়া / ৭ মার্চ ২০২৬

02/03/2026

মেক্সিকো ভ্রমণে গেছেন এক পর্যটক। ঘুরতে ঘুরতে তিনি গেলেন সমুদ্রের পাড়ে। সেখানে জেলেদের মাছ ধরা দেখে তিনি দারুণ মজা পেলেন। তাদের কাছে গিয়ে পর্যটক বললেন, "আচ্ছা, প্রতিদিন মাছ ধরতে আপনাদের কত সময় লাগে?”

“বেশিক্ষণ না!” জেলেদের ঝটপট জবাব।

“তাহলে আপনারা বেশি সময় ধরে আরো বেশি মাছ ধরেন না কেন?” পর্যটক প্রশ্ন করেন।

"আমরা যে মাছে ধরি তাতে আমাদের প্রয়োজন মিটে যায়।" জেলেরা জাল টেনে তুলতে তুলতে বলেন।

“তাহলে মাছ ধরার পর বাকি সময়টা আপনারা কী করেন?” পর্যটক জানতে চান।

জেলেরা উত্তর দেয়, “আমরা ঘুমাই, বাচ্চাদের সাথে খেলা করি, স্ত্রীর সাথে খাই, সন্ধ্যায় বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেই, মজা করি, হাসি, গলা ছেড়ে গান গাই, জীবনকে উপভোগ করি।"

পর্যটক তাদেরকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, “আমি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করেছি। আমি আপনাদেরকে বুদ্ধি দিয়ে সাহায্য করতে পারি। আপনারা আরও বেশি সময় নিয়ে মাছ ধরবেন, বাড়তি মাছগুলো বিক্রি করে মাছ ধরার বড় নৌকা কিনবেন।"

“তারপর?” জেলেদের প্রশ্ন।

“আপনারা বড় নৌকার সাহায্যে আগের চেয়ে অনেক বেশি মাছ ধরবেন, বেশি আয় করবেন। সেটা দিয়ে আরও বড় কয়েকটা নৌকা কিনবেন। একসময় মাছ ধরার নৌবহর বানিয়ে ফেলবেন। তখন মধ্যস্বত্বভোগী ব্যবসায়ীদের কাছে মাছ বিক্রি না করে সরাসরি মাছ প্রসেসিং ফ্যাক্টরির সাথে বেচাকেনা করবেন। এক সময় নিজেরাই মাছ প্রসেসিং ফ্যাক্টরি খুলে বসবেন। তারপর অনেক ধনী হয়ে গ্রাম ছে'ড়ে মেক্সিকোর বড় কোনো শহর, আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলেস বা নিউ ইয়র্কে চলে যাবেন। সেখান থেকে আপনারা মেগা প্রজেক্ট চালু করবেন।" পর্যটক বলতে থাকেন।

“এসব করতে আমাদের কত সময় লাগবে?” জেলেরা জানতে চায়।

“২০/২৫ বছর তো লাগবেই।” একটু ভেবে জবাব দেন পর্যটক।

"তারপর?" জেলেদের চোখে কৌতূহল।

লোকটা হেসে বলেন, “ব্যবসায় যখন আরও বড় হবে তখন আপনারা শেয়ার বাজারে যাবেন, মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার আয় করবেন।”

“মিলিয়র ডলার! ধরুন পেলাম মিলিয়ন ডলার। কিন্তু, তারপর?” জেলেরা অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে।

পর্যটক তখন কিছুটা বিরক্তি নিয়ে জবাব দেন, “আপনারা তখন অবসরে যাবেন। শান্ত গ্রামে ফিরে এসে সমুদ্রের ধারে ঘুমাবেন, বাচ্চাদের সাথে খেলা করবেন, বৌয়ের সাথে খাবার খাবেন, সন্ধ্যায় বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিবেন, মজা করবেন।"

জেলেরা উদাসভাবে বলেন, “সেই কাজটাই তো আমরা এখন করছি! তাহলে ২০/২৫ বছরের ক'ষ্ট করতে যাব কেন?"

-সংগৃহীত।

১। এরশাদ স্বৈরাচার।২। শেখ হাসিনা ফ্যাসিস্ট ভোট চোর।৩। ইউনুস সুদখোর।৪। জামায়াত ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন সহ মোল্লারা সব ধর্ম...
24/02/2026

১। এরশাদ স্বৈরাচার।
২। শেখ হাসিনা ফ্যাসিস্ট ভোট চোর।
৩। ইউনুস সুদখোর।
৪। জামায়াত ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন সহ মোল্লারা সব ধর্ম ব্যবসায়ী।
৫। তারেক রহমান কারেন্টের খাম্বা চোর, চান্দাবাজ।
৬। এনসিপি শিশু নাদান বাচ্চা। আরো কতো কিছু।

এই দেশে কেউই ভালা না, শুধু আমি ভালা। কারণ, আমি সুযোগ পেলেই সদ্ব্যবহার করি। 🫣🫣

** আমি সিএনজি ড্রাইভার ১০০ টাকার ভাড়া ২০০ টাকা, ২০০ টাকার ভাড়া ৪০০ টাকা নেই। সবচেয়ে বড় কথা হলো আমি মিটার ছাড়া মনের মতো ভাড়া নেই।

** আমি বাস ড্রাইভার, ২০ টাকার ভাড়া ৩০/৩৫ টাকা নেই।

** আমি মুদি দোকানদার, সরকার কোন পন্য ২ টাকা বাড়াইলে আমি ২০ টাকা বেশি বিক্রি করি।

** আমি পাইকারি ব্যবসায়ী, সুযোগ পেলেই সিন্ডিকেট করি।

** আমি একজন সরকারী কর্মকর্তা/কর্মচারী, সাধারণ জনগণের ফাইল আটকিয়ে ঘুষ নেই।

** আমি সাধারণ ভোটার, ৫০০ টাকা দিলেই আমার ভোট আমি অযোগ্য এবং অসৎ ব্যক্তিকে দিয়ে দেই।

** আমি একজন নেতার বা প্রার্থীর সমর্থক এবং পা চাটা কুত্তা, জেনেশুনে বুঝে ভবিষ্যতে চাঁদাবাজী করার আশায় নির্বাচনের সময় চাঁদাবাজের জন্য ওয়ার্ক করি এবং ভোট দেই।

** আমি নির্বাচনের দ্বায়িত্ব থাকা লোক, টাকা খেয়ে প্রার্থীকে ভোট চুরি করে কৌশলে জিতিয়ে দেই।

এই দেশে কেউই ভালা না, শুধু আমি ভালা। কারণ, আমি সুযোগ পেলেই নিজের স্বার্থের জন্য সদ্ব্যবহার করার ওস্তাদ। 🫣🫣

ফারুকী ভাই ভোল পাল্টে ফেলেছেন! কবে যেন দেখবো - তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান-কে নিয়ে সিনেমা বানানোর ঘোষণা দিয়েছেন।আ...
23/02/2026

ফারুকী ভাই ভোল পাল্টে ফেলেছেন! কবে যেন দেখবো - তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান-কে নিয়ে সিনেমা বানানোর ঘোষণা দিয়েছেন।

আমার অবশ্য উনাকে 'মোল্লাটুপি' পরা অবস্থায় দেখার ইচ্ছাও আছে!

22/02/2026

Mesut Ozil ও Bilal Erdogan–এর ঢাকা সফর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার উদ্বোধন—এটি কি কেবল একটি সামাজিক বা ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক আয়োজন? নাকি এর ভেতরে রয়েছে বৃহত্তর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বার্তা?

বিলাল এরদোয়ান হলেন Recep Tayyip Erdoğan–এর পুত্র। ফলে তাঁর উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই প্রতীকী গুরুত্ব বহন করে। তুরস্কের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিত্ব ঢাকায় দৃশ্যমান হলে সেটিকে একটি সূক্ষ্ম কূটনৈতিক সিগন্যাল হিসেবেও দেখা যেতে পারে—বাংলাদেশ এখনও আঞ্চলিক ও বৃহত্তর মুসলিম বিশ্বের কৌশলগত মানচিত্রে প্রাসঙ্গিক।

অন্যদিকে, মেসুত ওজিলের উপস্থিতি ক্রীড়া-ভিত্তিক সফট পাওয়ার কূটনীতির একটি উদাহরণ। কঠোর নীতিকথা বা আনুষ্ঠানিক বিবৃতির বদলে সাংস্কৃতিক ও জনপ্রিয়তার প্রভাব ব্যবহার করে সম্পর্কের উষ্ণতা তৈরি করা—এটাই নরম শক্তির কার্যকর রূপ।

সব মিলিয়ে কয়েকটি মাত্রা সামনে আসে—

১️⃣ বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ নির্বাচন:
যুবসমাজের প্রতি বার্তা—ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ও মতাদর্শিক পরিমণ্ডলে উপস্থিতি জোরদার করা।

২️⃣ প্রেসিডেন্টপুত্রের অংশগ্রহণ:
রাষ্ট্রীয় গুরুত্ব ও প্রতীকী ওজন—এটি কেবল ব্যক্তিগত সফর নয়, বরং সম্পর্কের একটি ইঙ্গিত।

৩️⃣ ঐতিহাসিক ও আদর্শিক সংযোগ:
বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে ইসলামি রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বলয়ের যে ঐতিহাসিক যোগাযোগ রয়েছে, তা নতুন প্রেক্ষাপটে পুনরায় দৃশ্যমান করা।

৪️⃣ ফুটবল আইকনকে সামনে রেখে প্রভাব বিস্তার:
জনপ্রিয় ক্রীড়াবিদকে ব্যবহার করে ইতিবাচক আবেগ ও গণসমর্থনের পরিবেশ তৈরি—যা সরাসরি রাজনৈতিক ভাষণের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর হতে পারে।

কূটনীতি অনেক সময় ঘোষণার মাধ্যমে নয়, উপস্থিতির মাধ্যমেই বার্তা দেয়। দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে যখন নতুন মেরুকরণ, আঞ্চলিক শক্তির পুনর্বিন্যাস এবং বিভিন্ন মতাদর্শিক নেটওয়ার্কের পুনর্গঠন চলছে—তখন এমন সফরগুলোকে নিছক আনুষ্ঠানিকতা বলে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

রাজনীতি কখনও শূন্যে ঘটে না। প্রতিটি করমর্দন, প্রতিটি ফিতা কাটা, প্রতিটি সফরের পেছনে থাকে অদৃশ্য সমীকরণ। প্রশ্ন হলো—বাংলাদেশ কি বৃহত্তর কৌশলের কেবল দর্শক, নাকি সক্রিয় অংশীদার?

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর উত্তর আরও স্পষ্ট হবে।

16/02/2026

Celebrating my 11th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব সাহেব বলেছেন...
16/02/2026

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব সাহেব বলেছেন, “মুখ খুললে বহু ভদ্রলোকের শুধু প্যান্ট খুলে যাবে না, বরং আন্ডারঅয়্যারও খসে পড়ার চান্স আছে। তাই আমার সাথে হিসাব করে পাঙ্গা লড়তে আইসেন।”

রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল পদে বসে এমন ভাষা, নিশ্চয়ই নতুন ধরনের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা!

যেহেতু এত বড় বড় গোপন তথ্য তাঁর জানা আছে, তাহলে সরকারের কাছে অনুরোধ,তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনা হোক। আদালতের সামনে, আইনের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে তিনি যাদের প্যান্ট-আন্ডারঅয়্যার খোলার কথা বলছেন, সেটার প্রমাণ দিক। হুমকি নয়, দলিল দেখাক।

আর একটা সরল প্রশ্ন তো উঠবেই, যদি এতদিন ধরেই এত ভয়ংকর তথ্য জানা থাকে, তাহলে তিনি এতদিন চুপ ছিলেন কেন? কোন হিসাব কষছিলেন? কিসের অপেক্ষায় ছিলেন?

রাষ্ট্রীয় পদে থেকে “পাঙ্গা”র ভাষা ব্যবহার করলে স্বাভাবিকভাবেই তদন্তের ভাষাও ব্যবহার হবে। সুতরাং দেশে ফেরত এনে জবাবদিহি নিশ্চিত করা হোক।

14/01/2026
29/12/2025

রেইন অফ টেরর, ‘৩৬শে জুলাই’ এবং NCP–এর মতাদর্শগত সংকট: ক্ষমতা, ভীতি ও বিভক্তির রাজনীতি

ইতিহাস কোনো সরল অগ্রযাত্রার বিবরণ নয়; এটি মূলত ক্ষমতা, ভয় ও আদর্শের পারস্পরিক সংঘাতের ধারাবাহিক পুনরাবৃত্তি। রেইন অফ টেরর সেই বাস্তবতারই এক চরম উদাহরণ—যেখানে বিপ্লবী আদর্শ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সঙ্গে একীভূত হয়ে ভয়কে শাসনের প্রধান অস্ত্রে পরিণত করেছিল। ন্যায়ের নামে চরমতা এবং নিরাপত্তার যুক্তিতে দমন তখন আর ব্যতিক্রম ছিল না; বরং তা হয়ে উঠেছিল রাজনৈতিক নিয়ম। ফলাফল ছিল অবশ্যম্ভাবী—বিপ্লব নিজেই নিজের নৈতিক ভিত্তি ধ্বংস করেছিল।

এই ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশের প্রতীকী ৩৬শে জুলাইকে বুঝতে হয়। এটি কোনো নির্দিষ্ট দিনের নাম নয়; বরং একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক অচলাবস্থার রূপক। রাষ্ট্র যখন কাঠামোগত সংস্কার এড়িয়ে যায়, গণআকাঙ্ক্ষা বারবার স্থগিত থাকে, তখন সময় আর ক্যালেন্ডারের নিয়মে চলে না। ৩৬শে জুলাই সেই স্থগিত সময়ের রাজনৈতিক প্রকাশ—যেখানে নাগরিকরা অনিশ্চয়তার ভেতর দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করে, পরিবর্তন কি আদৌ সম্ভব, নাকি রাষ্ট্র কেবল অপেক্ষাকেই শাসনের কৌশল বানিয়ে নিয়েছে?

এই প্রেক্ষাপটে NCP–এর বর্তমান বিভক্তি নিছক দলীয় কোন্দল নয়; এটি নতুন রাজনীতির দাবিদার একটি শক্তির অভ্যন্তরীণ মতাদর্শগত সংকটের বহিঃপ্রকাশ। যে দলটি প্রথাগত ক্ষমতার রাজনীতির বিকল্প হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সেখানে আজ আদর্শের চেয়ে ব্যক্তিকেন্দ্রিক নেতৃত্ব, এবং দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক লক্ষ্যগুলোর চেয়ে স্বল্পমেয়াদি কৌশলগত হিসাব অধিক প্রভাবশালী হয়ে উঠছে। ফলে দলটি ধীরে ধীরে সেই একই ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির ছকে আটকে পড়ছে, যার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর দাবি ছিল তার মূল পরিচয়।

রাজনৈতিক বিভাজনের এই প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বড় ক্ষতিগ্রস্ত হয় জনসমর্থনের নৈতিক ভিত্তি। সাধারণ মানুষের আস্থা যখন বারবার ভাঙে, তখন রাজনীতি কেবল সংগঠনের ভেতরের দ্বন্দ্বে সীমাবদ্ধ থাকে না; তা গণতান্ত্রিক পরিসরের সামগ্রিক সংকোচনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পরিবর্তনের ভাষা তখন আর আন্দোলনের শক্তি হয়ে ওঠে না, বরং সন্দেহ ও ক্লান্তির প্রতীক হয়ে যায়।

রেইন অফ টেরর, ৩৬শে জুলাই এবং NCP–এর বিভক্তি—এই তিনটি প্রসঙ্গ ভিন্ন সময় ও বাস্তবতার হলেও একটি মৌলিক রাজনৈতিক সত্যকে সামনে আনে। আদর্শ যদি মানবিকতা, জবাবদিহি ও ঐক্যের ভিত্তি হারায়, তবে তা অবশ্যম্ভাবীভাবে ক্ষমতার যন্ত্রে পরিণত হয়। আর ক্ষমতার এই যান্ত্রিক পুনরাবৃত্তিই ইতিহাসকে এগিয়ে নেয় না; বরং তাকে একই বৃত্তে ঘুরিয়ে আনে। সেই বৃত্তের মূল্য দিতে হয় সমাজকে—বিশ্বাস, সময় এবং ভবিষ্যৎ বিসর্জনের মাধ্যমে।

17/12/2025

নিজের ছবি সম্বলিত ডাকটিকেট বের করার নির্দেশ দিলেন ইয়াহিয়া খান। কিছুদিন পর ডাক ও তার মন্ত্রীকে ডেকে টিকেট কেমন বিক্রি হচ্ছে জানতে চাইলেন। শুনে মন্ত্রী বললেন, পূর্ব পাকিস্তানে টিকেট একেবারেই বিক্রি হচ্ছে না।
: কেন?
: টিকেট নাকি খামে সাঁটা যাচ্ছে না।
: টিকেটে কি আঠা লাগানো নেই?
: আছে। কিন্তু বাঙালিরা টিকেটের নিচে থুতু না দিয়ে উপরে থুতু দিচ্ছে।

বিজয়ের শুভেচ্ছা! 😊

শেখ হাসিনার নামে ভল্টে লকার থাকাটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু চার বারের টানা প্রধানমন্ত্রী যিনি কিনা আবার ডিক্টেটর হিসেবে পরি...
29/11/2025

শেখ হাসিনার নামে ভল্টে লকার থাকাটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু চার বারের টানা প্রধানমন্ত্রী যিনি কিনা আবার ডিক্টেটর হিসেবে পরিচিত তার লকার হবে কিনা ভল্ট আলমারির সবচেয়ে নিচের তাকে যেখানে লকার খুলতে হাসিনাকে ফ্লোরে হাটু গেড়ে বসতে হবে, আর শেখ হাসিনা হাঠু গেড়ে ফ্লোরে বসে এই লকারে স্বর্ণালংকার রেখে গেছে এও বিশ্বাস করতে হবে আমাদের? মানে অগ্রনী ব্যাংকের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার এতো বড় কলিজা যিনি হাসিনাকে ফ্লোরে বসিয়েছেন?
মূল ঘটনা হলো এই নাটক মঞ্চায়ন করার সময় এই নিচের লকারই ফ্রী পাওয়া গেছে। উপরের লকারগুলো অন্য একাউন্ট হোল্ডারদের নামেই বরাদ্দ করা। তাই যেটা এই মুহুর্তে ফ্রী পাওয়া গেছে সেটা দিয়েই চালিয়ে দিয়েছে।
ব্যাক্তি হাসিনার লকার যে কোন ব্যাংকেই হতে পারে কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লকার এসব ব্রাঞ্চে বা ব্যাংকে কখনোই হবে না। প্রধানমন্ত্রীর লকার হবে আরও সিকিওর এরিয়ায়। সাধারণত তা হবে সেনানিবাসে বা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। অগ্রনী ব্যাংক, পূবালী ব্যাংকের ভল্ট কি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চেয়ে বেশি নিরাপত্তা পায় না? তাহলে প্রধানমন্ত্রী কোন দু:খে এগুলো ব্যাংকে রাখতে আসবেন?
আর ব্যাক্তি হাসিনার লকার যদি এটা হয় তাহলে হাসিনাকে স্বশরীরে এসে এই লকারে মাল রাখতে হবে। কারন একজনের লকার অন্যজনকে খুলতে দেওয়া আইনত নিষিদ্ধ। হাসিনার পক্ষে কেউ মাল রাখবে তা সম্ভব না। আর হাসিনা নিজে এসে যদি এগুলো রেখে যান তার আসার ডকুমেন্টস ও সাইন থাকবে। বা যৌথ হিসেবে যদি পুতুল বা শেখ রেহানা এসে মাল রাখেন তারও ডকুমেন্টস থাকা বাধ্যতামূলক।

16/11/2025

Address

1 St Moshzid Bari Lane, Aurapara
Kushtia
7000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bappa posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Bappa:

Share

Category

Want’s to be a singer....

Nothing to hide........