05/03/2026
আল জাজিরার তথ্যানুসারে , ইরানের প্রায় ৮০০ মানুষ মারা গেছে, কিন্তু ইরান যুদ্ধে সমঝোতা চায় না।
যুদ্ধে সমঝোতা চাইছে কে?
যুদ্ধ বন্ধের জন্য কান্নাকাটি শুরু কইরা ট্রাম্পরে যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব পাঠাইছে ওমান , আরব আমিরাত এবং কাতার ।
একটু আগে (রাতে) দেখলাম , দুবাইয়ের আমেরিকার কনস্যুলেটে আবার মিসাইল ছুঁড়ছে ইরান ।
ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যের প্রায়ই দেশই কান্নাকাটি লাগাইছে ,
"ইরান শুধু আমেরিকার ঘাঁটি না , সিভিলিয়ান এলাকায় ও মিসাইল ছুঁড়েছে । "
তাদের সম্পদের যথেষ্ট ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তারা আর যুদ্ধ চায় না ।
আপাতত মধ্যপ্রাচ্য স্পষ্ট বুঝে গেছে, পাগলা ট্রাম্প তাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে ।
ওরা টের পাইতেছে, যারে বাপ বাপ ডাইকা মাথায় তুলছে, ঐটা আসলে বাপ না ,
"পাপ! "
ট্রাম্প নিজেও বুঝতে পারে নি , ইরান এতো লং টার্ম যুদ্ধ চালাইয়া যাবে ।
গতপরশু ট্রাম্প খামাকাই সাক্ষাৎকার দিলো ,
'ইরান আলোচনায় আসতে চায়। "
কিন্তু ইরান সরাসরি না কইরা দিছে — ওরা পাগলার সাথে সরাসরি সমঝোতায় বসতে চায় না ।
এখন পাগলা আবার নিজেই ক্লেইম করতেছে ,
' ইরান আলাপ করতে চায় , কিন্তু দেরি হয়ে গেছে...
এটা স্পষ্ট পাগলের প্রলাপ! নিজে নিজেই বকতেছে !
বিশ্লেষকরা দাবি করছেন , মূলত ট্রাম্পের অতীত ইতিহাস বলে লং টার্মের যুদ্ধে সে অভ্যস্ত না ।
ট্রাম্প শর্ট টার্মে জোরালো আক্র*মণ করে , প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে অন্যায় দাবি করে , সমঝোতার নাটকে জয়ী হয়ে ঘরে ফিরে...
গতবছর ইয়েমেনে হুতিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানই তার স্পষ্ট প্রমাণ!
কিন্তু ইরান এবার সে সুযোগ দিতে চায় না ।
স্ট্রেটকাট জানাইয়া দিছে , ইরান প্রতিরোধ স্পষ্ট কইরা তারপর চুক্তি করবে।
ইরানের স্পষ্ট বার্তা ,
'দুই চারদিন বো*মা মাইরা দেশে ফিরে, যুদ্ধে বিধ্ব*স্ত ইরানের ছবি মিডিয়ায় প্রকাশ করে নিজেরে জয়ী ঘোষণা করে...
তারপর আবার দুইদিন পর ইচ্ছেমত পারমাণবিক বো*মা তৈরীর অজুহাত দিয়া হাম*লা চালানো "
এসব নাটকের দিন শেষ ।
ইরান সরাসরি জানাইছে ,
'ঘাস কাটার মতো' প্যালেস্টাইনীদের গণ*হ*ত্যার অনুরূপ সুযোগ এখানে দেওয়া হবে না । '
এখন মারতে আসো , নিজেও মরো ,
কিন্তু নাটকবাজি এইখানেই শেষ ।
আমেরিকার হ্যাডম দেখানো F-15 এর শেয়ার বাজারে ধস , সস্তা ড্রোন হামলা ঠ্যাকাইতে বিলিয়ন ড্রলারের ডিফেন্স ধ্বংস হওয়া ,
মধ্যপ্রাচ্যের বিশ্বাস নষ্ট হইয়া যাওয়া আমেরিকারে অলরেডি চাপে ফেলছে ।
তারপর এখন শুধু মধ্যপ্রাচ্য না , আমেরিকা ইউরোপের দিক থেকেও চাপে পড়বে ।
স্পেন কেনো তাদের ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেয় নি এই নিয়া পাগলা স্পেনের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বন্ধ কইরা দিছে।
হরমুজ প্রণালীর পরে তেল গ্যাস বেজ অর্থনীতির যে নাড়া ইউরোপ খাবে , তা আরও চাপে ফেলবে আমেরিকাকে ।
তাই সমীকরণ বলছে ,
সামনের এই দিনগুলোতে পাগলা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে ইরা*নকে ধ্বং*স করার জন্য...
কারণ মধ্যপ্রাচ্যে নিজেরে হালকা করা মানে নিজেদের প্রভুত্বের রশির গিঁট আলগা হয়ে যাওয়া ।
যেটা আমেরিকা হতে দিতে চাইবে না যে কোনো মূল্যে....
কিন্তু এই সময়ে আইসা মধ্যপ্রাচ্যের বুঝে নেওয়া উচিত ,
" যারে বাপ বাপ ডাইকা তারা এতদিন সেফজোন খুঁজছে , ঐ বাপই পাপ হইয়া ধ্বং*স কইরা দিয়ে যাচ্ছে — তাদের অর্থনীতি , স্থাপনা, সম্পদ ও চমকপদ জীবনের দম্ভ...
শুধুমাত্র ঐ এক ইরানের হাতেই ।
যে জাতি সৌদির মতো ভোগবিলাস, মদ, নারী নিয়া মত্ত থাইকা দম্ভের জীবন গড়ে তোলে নাই ,
যে জাতি মধ্যপ্রাচ্যে গ্রেট হতে চায় নি আমেরিকার চামচামি কইরা -
যে জাতি গ্রেট হইতে নিজেদের গড়ে তুলছিলো জ্ঞান, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি আর আত্মমর্যাদার এক দেয়াল তুলে...
মধ্যপ্রাচ্য এখনি বুঝে নাও ,
চামচামি কইরা, নিজের ঘর খুঁড়ে প্রভুরে ঢুকতে দিয়া বড়জোর টিকে থাকা যায়, গ্রেট হওয়া যায় না!